মুয়াত্তা ইমাম মালিক > খুলা [১] তালাকের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭০

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته عن حبيبة بنت سهل الأنصاري أنها كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى الصبح فوجد حبيبة بنت سهل عند بابه في الغلس فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذه فقالت أنا حبيبة بنت سهل يا رسول الله قال ما شأنك قالت لا أنا ولا ثابت بن قيس لزوجها فلما جاء زوجها ثابت بن قيس قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم هذه حبيبة بنت سهل قد ذكرت ما شاء الله أن تذكر فقالت حبيبة يا رسول الله كل ما أعطاني عندي. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لثابت بن قيس خذ منها فأخذ منها وجلست في بيت أهلها

হাবীবা বিন্ত সাহল আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাবিত ইবনু কায়স ইবনু সাম্মাসের স্ত্রী ছিলেন। একদিন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাযের জন্য বের হলেন। এমন সময় হাবীবা বিন্ত সাহালকে প্রভাতে আপন গৃহের দ্বারে উপস্থিত পেলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কে হে? তিনি বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমি হাবীবা বিন্ত সাহল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কি ব্যাপার তোমার? তিনি বললেন : আমি আর আমার স্বামী সাবিত ইবনু কায়স-এর সঙ্গে একত্রে থাকতে চাই না। তার স্বামী সাবিত ইবনু কায়স এলে রসূলাল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : হাবীবা বিন্ত সাহল আল্লাহর ইচ্ছায় তোমার বিষয়ে যা বলার বলেছে। হাবীবা বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ্! সে যা আমাকে দিয়েছে উহা আমার নিকট রয়েছে। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবিতকে উদ্দেশ্য করে বললেন : হাবীবা হতে (বাগান) গ্রহণ কর। সে তার নিকট হতে উহা গ্রহণ করল এবং হাবীবা তার পরিজনের কাছে চলে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

হাবীবা বিন্ত সাহল আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাবিত ইবনু কায়স ইবনু সাম্মাসের স্ত্রী ছিলেন। একদিন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাযের জন্য বের হলেন। এমন সময় হাবীবা বিন্ত সাহালকে প্রভাতে আপন গৃহের দ্বারে উপস্থিত পেলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কে হে? তিনি বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমি হাবীবা বিন্ত সাহল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কি ব্যাপার তোমার? তিনি বললেন : আমি আর আমার স্বামী সাবিত ইবনু কায়স-এর সঙ্গে একত্রে থাকতে চাই না। তার স্বামী সাবিত ইবনু কায়স এলে রসূলাল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : হাবীবা বিন্ত সাহল আল্লাহর ইচ্ছায় তোমার বিষয়ে যা বলার বলেছে। হাবীবা বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ্! সে যা আমাকে দিয়েছে উহা আমার নিকট রয়েছে। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবিতকে উদ্দেশ্য করে বললেন : হাবীবা হতে (বাগান) গ্রহণ কর। সে তার নিকট হতে উহা গ্রহণ করল এবং হাবীবা তার পরিজনের কাছে চলে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته عن حبيبة بنت سهل الأنصاري أنها كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى الصبح فوجد حبيبة بنت سهل عند بابه في الغلس فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذه فقالت أنا حبيبة بنت سهل يا رسول الله قال ما شأنك قالت لا أنا ولا ثابت بن قيس لزوجها فلما جاء زوجها ثابت بن قيس قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم هذه حبيبة بنت سهل قد ذكرت ما شاء الله أن تذكر فقالت حبيبة يا رسول الله كل ما أعطاني عندي. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لثابت بن قيس خذ منها فأخذ منها وجلست في بيت أهلها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭১

و حدثني عن مالك عن نافع عن مولاة لصفية بنت أبي عبيد أنها اختلعت من زوجها بكل شيء لها فلم ينكر ذلك عبد الله بن عمر ২০৮৪-قال مالك في المفتدية التي تفتدي من زوجها أنه إذا علم أن زوجها أضر بها وضيق عليها وعلم أنه ظالم لها مضى الطلاق ورد عليها مالها قال فهذا الذي كنت أسمع والذي عليه أمر الناس عندنا. قال مالك لا بأس بأن تفتدي المرأة من زوجها بأكثر مما أعطاها.

সাফিয়্যা বিন্ত আবূ উবাইদ-এর জনৈকা ক্রীতদাসী থেকে বর্নিতঃ

যাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে, সে তার স্বামী হতে (খুলা) বিচ্ছেদ গ্রহণ করেছে। তার নিকট যে সম্পদ ছিল উহার বিনিময়ে ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু’ উমার (র) এর প্রতি অস্বীকৃতি জানালেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রী (বিচ্ছেদের বিনিময়ে) স্বামীকে মাল প্রদান করেছে, যদি প্রকাশ পায় যে, স্বামী তার ক্ষতি সাধন করেছে এবং (দুর্ব্যবহার করে মাল প্রদানে) তাকে বাধ্য করেছে। এবং আরও প্রকাশিত হয় যে, সে স্ত্রীর প্রতি জুলুমকারী ছিল, তবে তালাক প্রযোজ্য হবে এবং স্ত্রীর মাল স্ত্রীকে ফেরত দেয়া হবে। মালিক (র) বলেন, এটা আমি শুনেছি, আমাদের মতে এটাই লোকের মধ্যে প্রচলিত নিয়ম। মালিক (র)-এর মতে স্বামী যা দিয়েছে তা হতে অধিক মাল বিচ্ছেদের ফিদায়া স্বরূপ স্ত্রী কর্তৃক প্রদান করতে কোন ক্ষতি নাই।

সাফিয়্যা বিন্ত আবূ উবাইদ-এর জনৈকা ক্রীতদাসী থেকে বর্নিতঃ

যাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে, সে তার স্বামী হতে (খুলা) বিচ্ছেদ গ্রহণ করেছে। তার নিকট যে সম্পদ ছিল উহার বিনিময়ে ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু’ উমার (র) এর প্রতি অস্বীকৃতি জানালেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রী (বিচ্ছেদের বিনিময়ে) স্বামীকে মাল প্রদান করেছে, যদি প্রকাশ পায় যে, স্বামী তার ক্ষতি সাধন করেছে এবং (দুর্ব্যবহার করে মাল প্রদানে) তাকে বাধ্য করেছে। এবং আরও প্রকাশিত হয় যে, সে স্ত্রীর প্রতি জুলুমকারী ছিল, তবে তালাক প্রযোজ্য হবে এবং স্ত্রীর মাল স্ত্রীকে ফেরত দেয়া হবে। মালিক (র) বলেন, এটা আমি শুনেছি, আমাদের মতে এটাই লোকের মধ্যে প্রচলিত নিয়ম। মালিক (র)-এর মতে স্বামী যা দিয়েছে তা হতে অধিক মাল বিচ্ছেদের ফিদায়া স্বরূপ স্ত্রী কর্তৃক প্রদান করতে কোন ক্ষতি নাই।

و حدثني عن مالك عن نافع عن مولاة لصفية بنت أبي عبيد أنها اختلعت من زوجها بكل شيء لها فلم ينكر ذلك عبد الله بن عمر ২০৮৪-قال مالك في المفتدية التي تفتدي من زوجها أنه إذا علم أن زوجها أضر بها وضيق عليها وعلم أنه ظالم لها مضى الطلاق ورد عليها مالها قال فهذا الذي كنت أسمع والذي عليه أمر الناس عندنا. قال مالك لا بأس بأن تفتدي المرأة من زوجها بأكثر مما أعطاها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > খুলা তালাক ও এর ইদ্দত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭২

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن ربيع بنت معوذ بن عفراء جاءت هي وعمها إلى عبد الله بن عمر فأخبرته أنها اختلعت من زوجها في زمان عثمان بن عفان فبلغ ذلك عثمان بن عفان فلم ينكره وقال عبد الله بن عمر عدتها عدة المطلقة. ১১৮৪-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار وابن شهاب كانوا يقولون عدة المختلعة مثل عدة المطلقة ثلاثة قروء. قال مالك في المفتدية إنها لا ترجع إلى زوجها إلا بنكاح جديد فإن هو نكحها ففارقها قبل أن يمسها لم يكن له عليها عدة من الطلاق الآخر وتبني على عدتها الأولى قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك. قال مالك إذا افتدت المرأة من زوجها بشيء على أن يطلقها فطلقها طلاقا متتابعا نسقا فذلك ثابت عليه فإن كان بين ذلك صمات فما أتبعه بعد الصمات فليس بشيء.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

রুবাইয়ে বিনত মুয়াব্বিয ইবনু আফরা (রা) তার ফুফুসহ ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) সমীপে উপস্থিত হলেন এবং তাকে জ্ঞাত করলেন যে, তিনি তার স্বামীর নিকট হতে খুলা’ তালাক গ্রহণ করেছেন। উসমান ইবনু ‘আফফান (রা)-এর খিলাফতকালে উসমান ইবনু ‘আফফান (রা) উহা অবগত হলেন এবং উহা বহাল রাখলেন। ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) বললেন : খুলা গ্রহণ করবার ইদ্দত তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দতের মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার ও ইবনু শিহাব (র) তারা সকলেই বলতেন : খুলা’ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের মতো তিন ঋতু। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রীলোক মালের বিনিময়ে তালাক গ্রহণ করেছে, সে নূতন বিবাহ ছাড়া স্বামীর নিকট যাবে না। যদি স্বামী সেই স্ত্রীলোককে বিবাহ করে এবং স্পর্শ করার পূর্বে তালাক প্রদান করে তবে স্ত্রীলোকের জন্য পরবর্তী তালাকের ইদ্দত পালন করতে হবে না। প্রথম তালাকের ইদ্দতের সময় পূর্ণ করবে। মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে যা আমি শুনেছি তন্মধ্যে এটাই সর্বোত্তম। মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রী স্বামীকে এই শর্তে মাল প্রদান করল যে, সে তাকে তালাক দিবে : অতঃপর সে একাধারে (তিন তালাক) প্রয়োগ করল, তবে এই সব তালাকই প্রযোজ্য হবে। আর যদি তালাকের মাঝখানে নীরবতা পাওয়া যায়, তবে নীরবতার পর যেই তালাক দিয়েছে উহা গ্রহণযোগ্য হবে না।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

রুবাইয়ে বিনত মুয়াব্বিয ইবনু আফরা (রা) তার ফুফুসহ ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) সমীপে উপস্থিত হলেন এবং তাকে জ্ঞাত করলেন যে, তিনি তার স্বামীর নিকট হতে খুলা’ তালাক গ্রহণ করেছেন। উসমান ইবনু ‘আফফান (রা)-এর খিলাফতকালে উসমান ইবনু ‘আফফান (রা) উহা অবগত হলেন এবং উহা বহাল রাখলেন। ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) বললেন : খুলা গ্রহণ করবার ইদ্দত তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দতের মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার ও ইবনু শিহাব (র) তারা সকলেই বলতেন : খুলা’ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের মতো তিন ঋতু। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রীলোক মালের বিনিময়ে তালাক গ্রহণ করেছে, সে নূতন বিবাহ ছাড়া স্বামীর নিকট যাবে না। যদি স্বামী সেই স্ত্রীলোককে বিবাহ করে এবং স্পর্শ করার পূর্বে তালাক প্রদান করে তবে স্ত্রীলোকের জন্য পরবর্তী তালাকের ইদ্দত পালন করতে হবে না। প্রথম তালাকের ইদ্দতের সময় পূর্ণ করবে। মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে যা আমি শুনেছি তন্মধ্যে এটাই সর্বোত্তম। মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রী স্বামীকে এই শর্তে মাল প্রদান করল যে, সে তাকে তালাক দিবে : অতঃপর সে একাধারে (তিন তালাক) প্রয়োগ করল, তবে এই সব তালাকই প্রযোজ্য হবে। আর যদি তালাকের মাঝখানে নীরবতা পাওয়া যায়, তবে নীরবতার পর যেই তালাক দিয়েছে উহা গ্রহণযোগ্য হবে না।

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن ربيع بنت معوذ بن عفراء جاءت هي وعمها إلى عبد الله بن عمر فأخبرته أنها اختلعت من زوجها في زمان عثمان بن عفان فبلغ ذلك عثمان بن عفان فلم ينكره وقال عبد الله بن عمر عدتها عدة المطلقة. ১১৮৪-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار وابن شهاب كانوا يقولون عدة المختلعة مثل عدة المطلقة ثلاثة قروء. قال مالك في المفتدية إنها لا ترجع إلى زوجها إلا بنكاح جديد فإن هو نكحها ففارقها قبل أن يمسها لم يكن له عليها عدة من الطلاق الآخر وتبني على عدتها الأولى قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك. قال مالك إذا افتدت المرأة من زوجها بشيء على أن يطلقها فطلقها طلاقا متتابعا نسقا فذلك ثابت عليه فإن كان بين ذلك صمات فما أتبعه بعد الصمات فليس بشيء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > লি ‘আন [১] সম্পর্কিত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭৩

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن سهل بن سعد الساعدي أخبره أن عويمرا العجلاني جاء إلى عاصم بن عدي الأنصاري فقال له يا عاصم أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل سل لي يا عاصم عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأل عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وعابها حتى كبر على عاصم ما سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رجع عاصم إلى أهله جاءه عويمر فقال يا عاصم ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عاصم لعويمر لم تأتني بخير قد كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسألة التي سألته عنها فقال عويمر والله لا أنتهي حتى أسأله عنها فقام عويمر حتى أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم وسط الناس فقال يا رسول الله أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل فيك وفي صاحبتك فاذهب فأت بها. قال سهل فتلاعنا وأنا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما فرغا من تلاعنهما قال عويمر كذبت عليها يا رسول الله إن أمسكتها فطلقها ثلاثا قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم. قال مالك قال ابن شهاب فكانت تلك بعد سنة المتلاعنين.

আসিম ইবনু আদী আনসার (রা) থেকে বর্নিতঃ

ওয়াইমির আজলানী (রা) আগমন করলেন এবং তাকে বললেন : হে আসিম এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ভিন্ন ব্যক্তিকে (অবৈধ কর্মে লিপ্ত) পেলে। সে ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করবে কি? যার ফলে প্রতিশোধ স্বরূপ নিহত ব্যক্তির সম্প্রদায়ের লোকেরা তাকে হত্যা করবে অথবা অন্য কিরূপ করিবে? হে আসিম; আপনি এই বিষয়ে আমার জন্য রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করুন। আসিম! এই ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সকল প্রশ্নকে অপছন্দ করলেন এবং তজ্জন্য তাকে তিরস্কার করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যা শুনলেন তা আসিমের নিকট অতি ভারী মনে হল। আসিম যখন পরিজনের নিকট প্রত্যাবর্তন করলেন, তার নিকট তখন ‘উওয়াইমির উপস্থিত হলেন এবং বললেন, হে আসিম! রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে কি বলেছেন? আসিম বললেন : আপনি আমার কাছে কোন ভাল বিষয় নিয়ে আসেননি। আমি যে মাসআলার বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করেছি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম না পছন্দ করেছেন। ‘উওয়াইমির বললেন : এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রশ্ন না করে আমি ক্ষান্ত হব না। তারপর ‘উওয়াইমির অগ্রসর হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উপস্থিত হলেন এবং লোকের মাঝখানে আসন গ্রহণ করলেন। তারপর বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি কি হুকুম দেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য লোককে দেখতে পেল সে কি উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করবে? ফলে, কিসাসস্বরূপ লোকেরা তাকেও হত্যা করবে? অথবা সে ব্যক্তি অন্য কিরূপ করবে? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমার এবং তোমার স্ত্রী বিষয়ে আয়াত নাযিল হয়েছে, তুমি যাও তাকে নিয়ে আস। সাহল বলেন : তারপর তারা উভয়ে লি’আন করল, অন্য লোকজনের সাথে আমিও তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তারা উভয়ে লি’আন হতে অবসর গ্রহণ করার পর ‘উওয়াইমির বললেন, এই ঘটনার পর যদি এই স্ত্রীকে রাখি তবে আমি তার সম্বন্ধে মিথ্যাবাদী বলে গণ্য হব। তারপর স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে। (বুখারী ৫২৫৯, মুসলিম ১৪৯২) মালিক (র) বলেন : ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এই ঘটনার পর লি’আয়িশারীদের জন্য এক হুকুম নির্ধারিত রয়েছেন।

আসিম ইবনু আদী আনসার (রা) থেকে বর্নিতঃ

ওয়াইমির আজলানী (রা) আগমন করলেন এবং তাকে বললেন : হে আসিম এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে ভিন্ন ব্যক্তিকে (অবৈধ কর্মে লিপ্ত) পেলে। সে ঐ ব্যক্তিকে হত্যা করবে কি? যার ফলে প্রতিশোধ স্বরূপ নিহত ব্যক্তির সম্প্রদায়ের লোকেরা তাকে হত্যা করবে অথবা অন্য কিরূপ করিবে? হে আসিম; আপনি এই বিষয়ে আমার জন্য রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করুন। আসিম! এই ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই সকল প্রশ্নকে অপছন্দ করলেন এবং তজ্জন্য তাকে তিরস্কার করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে যা শুনলেন তা আসিমের নিকট অতি ভারী মনে হল। আসিম যখন পরিজনের নিকট প্রত্যাবর্তন করলেন, তার নিকট তখন ‘উওয়াইমির উপস্থিত হলেন এবং বললেন, হে আসিম! রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে কি বলেছেন? আসিম বললেন : আপনি আমার কাছে কোন ভাল বিষয় নিয়ে আসেননি। আমি যে মাসআলার বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করেছি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম না পছন্দ করেছেন। ‘উওয়াইমির বললেন : এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে প্রশ্ন না করে আমি ক্ষান্ত হব না। তারপর ‘উওয়াইমির অগ্রসর হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে উপস্থিত হলেন এবং লোকের মাঝখানে আসন গ্রহণ করলেন। তারপর বললেন : ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনি কি হুকুম দেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে অন্য লোককে দেখতে পেল সে কি উক্ত ব্যক্তিকে হত্যা করবে? ফলে, কিসাসস্বরূপ লোকেরা তাকেও হত্যা করবে? অথবা সে ব্যক্তি অন্য কিরূপ করবে? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমার এবং তোমার স্ত্রী বিষয়ে আয়াত নাযিল হয়েছে, তুমি যাও তাকে নিয়ে আস। সাহল বলেন : তারপর তারা উভয়ে লি’আন করল, অন্য লোকজনের সাথে আমিও তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তারা উভয়ে লি’আন হতে অবসর গ্রহণ করার পর ‘উওয়াইমির বললেন, এই ঘটনার পর যদি এই স্ত্রীকে রাখি তবে আমি তার সম্বন্ধে মিথ্যাবাদী বলে গণ্য হব। তারপর স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোন নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে। (বুখারী ৫২৫৯, মুসলিম ১৪৯২) মালিক (র) বলেন : ইবনু শিহাব (র) বলেছেন, এই ঘটনার পর লি’আয়িশারীদের জন্য এক হুকুম নির্ধারিত রয়েছেন।

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن سهل بن سعد الساعدي أخبره أن عويمرا العجلاني جاء إلى عاصم بن عدي الأنصاري فقال له يا عاصم أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل سل لي يا عاصم عن ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأل عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل وعابها حتى كبر على عاصم ما سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رجع عاصم إلى أهله جاءه عويمر فقال يا عاصم ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عاصم لعويمر لم تأتني بخير قد كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسألة التي سألته عنها فقال عويمر والله لا أنتهي حتى أسأله عنها فقام عويمر حتى أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم وسط الناس فقال يا رسول الله أرأيت رجلا وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل فيك وفي صاحبتك فاذهب فأت بها. قال سهل فتلاعنا وأنا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما فرغا من تلاعنهما قال عويمر كذبت عليها يا رسول الله إن أمسكتها فطلقها ثلاثا قبل أن يأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم. قال مالك قال ابن شهاب فكانت تلك بعد سنة المتلاعنين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭৪

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رجلا لاعن امرأته في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم وانتفل من ولدها ففرق رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة . قال مالك قال الله تبارك وتعالى { والذين يرمون أزواجهم ولم يكن لهم شهداء إلا أنفسهم فشهادة أحدهم أربع شهادات بالله إنه لمن الصادقين والخامسة أن لعنة الله عليه إن كان من الكاذبين ويدرأ عنها العذاب أن تشهد أربع شهادات بالله إنه لمن الكاذبين والخامسة أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين }. قال مالك السنة عندنا أن المتلاعنين لا يتناكحان أبدا وإن أكذب نفسه جلد الحد وألحق به الولد ولم ترجع إليه أبدا وعلى هذا السنة عندنا التي لا شك فيها ولا اختلاف. قال مالك وإذا فارق الرجل امرأته فراقا باتا ليس له عليها فيه رجعة ثم أنكر حملها لاعنها إذا كانت حاملا وكان حملها يشبه أن يكون منه إذا ادعته ما لم يأت دون ذلك من الزمان الذي يشك فيه فلا يعرف أنه منه قال فهذا الأمر عندنا والذي سمعت من أهل العلم قال مالك وإذا قذف الرجل امرأته بعد أن يطلقها ثلاثا وهي حامل يقر بحملها ثم يزعم أنه رآها تزني قبل أن يفارقها جلد الحد ولم يلاعنها وإن أنكر حملها بعد أن يطلقها ثلاثا لاعنها قال وهذا الذي سمعت قال مالك والعبد بمنزلة الحر في قذفه ولعانه يجري مجرى الحر في ملاعنته غير أنه ليس على من قذف مملوكة حد قال مالك والأمة المسلمة والحرة النصرانية واليهودية تلاعن الحر المسلم إذا تزوج إحداهن فأصابها وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { والذين يرمون أزواجهم } فهن من الأزواج وعلى هذا الأمر عندنا قال مالك والعبد إذا تزوج المرأة الحرة المسلمة أو الأمة المسلمة أو الحرة النصرانية أو اليهودية لاعنها. ২১قال مالك في الرجل يلاعن امرأته فينزع ويكذب نفسه بعد يمين أو يمينين ما لم يلتعن في الخامسة إنه إذا نزع قبل أن يلتعن جلد الحد ولم يفرق بينهما قال مالك في الرجل يطلق امرأته فإذا مضت الثلاثة الأشهر قالت المرأة أنا حامل قال إن أنكر زوجها حملها لاعنها. ২১قال مالك في الأمة المملوكة يلاعنها زوجها ثم يشتريها إنه لا يطؤها وإن ملكها وذلك أن السنة مضت أن المتلاعنين لا يتراجعان أبدا قال مالك إذا لاعن الرجل امرأته قبل أن يدخل بها فليس لها إلا نصف الصداق

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর প্রতি লি’আন করেছে এবং ছেলের নসবকে অস্বীকার করেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়কে পৃথক করে দিয়েছেন এবং স্ত্রীকে ছেলেটি প্রদান করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ شُهَدَاءُ إِلَّا أَنْفُسُهُمْ فَشَهَادَةُ أَحَدِهِمْ أَرْبَعُ شَهَادَاتٍ بِاللهِ إِنَّهُ لَمِنْ الصَّادِقِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَةَ اللهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنْ الْكَاذِبِينَ وَيَدْرَأُ عَنْهَا الْعَذَابَ أَنْ تَشْهَدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللهِ إِنَّهُ لَمِنْ الْكَاذِبِينَ وَالْخَامِسَةَ أَنَّ غَضَبَ اللهِ عَلَيْهَا إِنْ كَانَ مِنْ الصَّادِقِيْنَ. “এবং যারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নেই, তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে আল্লাহ্‌র নামে চারবার শপথ করে বলবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী এবং পঞ্চাশবারে বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর নেমে আসবে আল্লাহ্‌র লা’নত। তবে স্ত্রীর শাস্তি রহিত হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে শপথ করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামীই মিথ্যাবাদী এবং পঞ্চমবারে বলে, ‘তার স্বামী সত্যবাদী হলে তার নিজের উপর নেমে আসবে আল্লাহর গযব।” মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট বিধান হল এই, লি’আয়িশারী তারা পরস্পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে না, যদি স্বামী মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হয়, তবে তাকে শাস্তি (প্রয়োগ) দেয়া হবে এবং ছেলেকে তার সাথে যুক্ত করা হবে। স্ত্রী সেই স্বামীর নিকট আর কখনো ফিরে যাবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট এটাই নিয়ম যাতে কোন প্রকার মতানৈক্য বা সন্দেহ নেই। মালিক (র) বলেন : কোন ব্যক্তি যদি স্ত্রীকে বায়েন তালাক দেয় যাতে স্ত্রীর দিকে তার রুজূ করার অধিকার থাকে না, তারপর স্ত্রীর গর্ভ অস্বীকার করে, তবে তাকে লি’আন করতে হবে। যদি স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয় এবং স্ত্রীর গর্ভধারণ সেই ব্যক্তির পক্ষ হতে হওয়ারই সম্ভাবনা অধিক থাকে এবং স্ত্রীও উহার দাবি করে। অবশ্য যদি তালাকের পর এইরূপ দীর্ঘ সময় অতিবাহিত না হয় যাতে স্বামী হতে গর্ভধারণের সন্দেহ সৃষ্টি হয়। যাতে এ গর্ভধারণ উক্ত স্বামী দ্বারা হয়েছে বলে অনুমান করা যায় না। আমাদের নিকট এটাই হুকুম আর এটাই আমি বিজ্ঞ আলিমদের নিকট হতে শুনেছি। মালিক (র) বলেন : তখন কোন ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করল। তিন তালাক দেয়ার পর স্ত্রী যখন অন্তঃসত্ত্বা অথচ সে ব্যক্তি এই গর্ভধারণ তার পক্ষ হতে হয়েছে বলে স্বীকারও করে, তারপর সে ধারণা করে যে, সে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পূর্বে যিনা করতে দেখেছে, তবে তাকে শাস্তি দেয়া হবে (অর্থাৎ তার উপর ইসলামী বিধানমতে হদ জারি করা হবে) সে লি’আন করবে না। আর যদি তিন তালাক দেয়ার পর সেই স্ত্রীর গর্ভধারণ (তার পক্ষ হতে হওয়ার ব্যাপার) সে অস্বীকার করে সে লি’আন করবে। মালিক (র) বলেন : আমি এরূপই শুনেছি। মালিক (র) বলেন : যিনার অপবাদারোপ করা এবং লি’আন এর ব্যাপারে ক্রীতদাস ও স্বাধীন ব্যক্তির হুকুম একই। অর্থাৎ এই দুই ব্যাপারে ক্রীতদাসের হুকুম আযাদ ব্যক্তির মতো। কিন্তু নিজের ক্রীতদাসীর প্রতি অপবাদ দিলে মনিবের উপর হদ জারি হবে না। অর্থাৎ মনিবকে শাস্তি দেয়া হবে না। মালিক (র) বলেন : মুসলিম ক্রীতদাসী, খ্রীস্টান ও ইহুদী স্বাধীন স্ত্রীলোক স্বাধীন মুসলিম স্বামীর প্রতি লি’আন করবে, যদি সেই মুসলিম এদের কাউকেও বিবাহ করে এবং তার সাথে সহবাস করে থাকে। কারণ আল্লাহ্ কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ “যারা স্ত্রীগণের প্রতি অপবাদ দেয়া”। উপরিউক্ত মহিলাগণও স্ত্রীর অন্তর্ভুক্ত। (তাই তাদের প্রতি অপবাদ আরোপ করলে লি’আন করতে হবে।) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট এটাই সিদ্ধান্ত। মালিক (র) বলেন : কোন মুসলিম আযাদ নারীকে অথবা মুসলিম ক্রীতদাসীকে অথবা আযাদ খ্রীস্টান অথবা ইহুদী নারীকে কোন ক্রীতদাস বিবাহ করলে সে স্ত্রীর সাথে লি’আন করতে পারবে। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সাথে লি’আন করেছে, অতঃপর সে এটা হতে ফিরে আসে (রুজূ’ করে) এবং মিথ্যা বলেছে বলে স্বীকার করে, একবার অথবা দুইবার কসম খাওয়ার পর পঞ্চমবারের লা’নত উচ্চারণ না করা পর্যন্ত। সে যদি লি’আন সমাপ্ত করার পূর্বে রুজূ’ করে তবে তাকে হদ লাগানো (শাস্তি দেয়া) হবে এবং তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো হবে না। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসী স্ত্রীর সাথে তার স্বামী লি’আন করেছে, অতঃপর সে ক্রীতদাসীকে খরিদ করেছে, তবে সে মালিক হলেও এর সাথে সহবাস করতে পারবে না। কারণ নিয়ম হচ্ছে, পরস্পর লি’আয়িশারী কখনও একে অপরের প্রতি প্রত্যাবর্তন (রুজূ’) করতে পারে না। মালিক (র) বলেন : কোন ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে সংগত হওয়ার পূর্বে স্ত্রীর সাথে লি’আন করলে তবে সে মহরের অর্ধেক পাবে।

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর প্রতি লি’আন করেছে এবং ছেলের নসবকে অস্বীকার করেছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়কে পৃথক করে দিয়েছেন এবং স্ত্রীকে ছেলেটি প্রদান করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ شُهَدَاءُ إِلَّا أَنْفُسُهُمْ فَشَهَادَةُ أَحَدِهِمْ أَرْبَعُ شَهَادَاتٍ بِاللهِ إِنَّهُ لَمِنْ الصَّادِقِينَ وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَةَ اللهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنْ الْكَاذِبِينَ وَيَدْرَأُ عَنْهَا الْعَذَابَ أَنْ تَشْهَدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ بِاللهِ إِنَّهُ لَمِنْ الْكَاذِبِينَ وَالْخَامِسَةَ أَنَّ غَضَبَ اللهِ عَلَيْهَا إِنْ كَانَ مِنْ الصَّادِقِيْنَ. “এবং যারা নিজেদের স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে অথচ নিজেরা ব্যতীত তাদের কোন সাক্ষী নেই, তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে আল্লাহ্‌র নামে চারবার শপথ করে বলবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী এবং পঞ্চাশবারে বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার উপর নেমে আসবে আল্লাহ্‌র লা’নত। তবে স্ত্রীর শাস্তি রহিত হবে যদি সে চারবার আল্লাহর নামে শপথ করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামীই মিথ্যাবাদী এবং পঞ্চমবারে বলে, ‘তার স্বামী সত্যবাদী হলে তার নিজের উপর নেমে আসবে আল্লাহর গযব।” মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট বিধান হল এই, লি’আয়িশারী তারা পরস্পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে না, যদি স্বামী মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হয়, তবে তাকে শাস্তি (প্রয়োগ) দেয়া হবে এবং ছেলেকে তার সাথে যুক্ত করা হবে। স্ত্রী সেই স্বামীর নিকট আর কখনো ফিরে যাবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট এটাই নিয়ম যাতে কোন প্রকার মতানৈক্য বা সন্দেহ নেই। মালিক (র) বলেন : কোন ব্যক্তি যদি স্ত্রীকে বায়েন তালাক দেয় যাতে স্ত্রীর দিকে তার রুজূ করার অধিকার থাকে না, তারপর স্ত্রীর গর্ভ অস্বীকার করে, তবে তাকে লি’আন করতে হবে। যদি স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয় এবং স্ত্রীর গর্ভধারণ সেই ব্যক্তির পক্ষ হতে হওয়ারই সম্ভাবনা অধিক থাকে এবং স্ত্রীও উহার দাবি করে। অবশ্য যদি তালাকের পর এইরূপ দীর্ঘ সময় অতিবাহিত না হয় যাতে স্বামী হতে গর্ভধারণের সন্দেহ সৃষ্টি হয়। যাতে এ গর্ভধারণ উক্ত স্বামী দ্বারা হয়েছে বলে অনুমান করা যায় না। আমাদের নিকট এটাই হুকুম আর এটাই আমি বিজ্ঞ আলিমদের নিকট হতে শুনেছি। মালিক (র) বলেন : তখন কোন ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর প্রতি ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করল। তিন তালাক দেয়ার পর স্ত্রী যখন অন্তঃসত্ত্বা অথচ সে ব্যক্তি এই গর্ভধারণ তার পক্ষ হতে হয়েছে বলে স্বীকারও করে, তারপর সে ধারণা করে যে, সে স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পূর্বে যিনা করতে দেখেছে, তবে তাকে শাস্তি দেয়া হবে (অর্থাৎ তার উপর ইসলামী বিধানমতে হদ জারি করা হবে) সে লি’আন করবে না। আর যদি তিন তালাক দেয়ার পর সেই স্ত্রীর গর্ভধারণ (তার পক্ষ হতে হওয়ার ব্যাপার) সে অস্বীকার করে সে লি’আন করবে। মালিক (র) বলেন : আমি এরূপই শুনেছি। মালিক (র) বলেন : যিনার অপবাদারোপ করা এবং লি’আন এর ব্যাপারে ক্রীতদাস ও স্বাধীন ব্যক্তির হুকুম একই। অর্থাৎ এই দুই ব্যাপারে ক্রীতদাসের হুকুম আযাদ ব্যক্তির মতো। কিন্তু নিজের ক্রীতদাসীর প্রতি অপবাদ দিলে মনিবের উপর হদ জারি হবে না। অর্থাৎ মনিবকে শাস্তি দেয়া হবে না। মালিক (র) বলেন : মুসলিম ক্রীতদাসী, খ্রীস্টান ও ইহুদী স্বাধীন স্ত্রীলোক স্বাধীন মুসলিম স্বামীর প্রতি লি’আন করবে, যদি সেই মুসলিম এদের কাউকেও বিবাহ করে এবং তার সাথে সহবাস করে থাকে। কারণ আল্লাহ্ কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ “যারা স্ত্রীগণের প্রতি অপবাদ দেয়া”। উপরিউক্ত মহিলাগণও স্ত্রীর অন্তর্ভুক্ত। (তাই তাদের প্রতি অপবাদ আরোপ করলে লি’আন করতে হবে।) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট এটাই সিদ্ধান্ত। মালিক (র) বলেন : কোন মুসলিম আযাদ নারীকে অথবা মুসলিম ক্রীতদাসীকে অথবা আযাদ খ্রীস্টান অথবা ইহুদী নারীকে কোন ক্রীতদাস বিবাহ করলে সে স্ত্রীর সাথে লি’আন করতে পারবে। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সাথে লি’আন করেছে, অতঃপর সে এটা হতে ফিরে আসে (রুজূ’ করে) এবং মিথ্যা বলেছে বলে স্বীকার করে, একবার অথবা দুইবার কসম খাওয়ার পর পঞ্চমবারের লা’নত উচ্চারণ না করা পর্যন্ত। সে যদি লি’আন সমাপ্ত করার পূর্বে রুজূ’ করে তবে তাকে হদ লাগানো (শাস্তি দেয়া) হবে এবং তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো হবে না। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসী স্ত্রীর সাথে তার স্বামী লি’আন করেছে, অতঃপর সে ক্রীতদাসীকে খরিদ করেছে, তবে সে মালিক হলেও এর সাথে সহবাস করতে পারবে না। কারণ নিয়ম হচ্ছে, পরস্পর লি’আয়িশারী কখনও একে অপরের প্রতি প্রত্যাবর্তন (রুজূ’) করতে পারে না। মালিক (র) বলেন : কোন ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে সংগত হওয়ার পূর্বে স্ত্রীর সাথে লি’আন করলে তবে সে মহরের অর্ধেক পাবে।

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رجلا لاعن امرأته في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم وانتفل من ولدها ففرق رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما وألحق الولد بالمرأة . قال مالك قال الله تبارك وتعالى { والذين يرمون أزواجهم ولم يكن لهم شهداء إلا أنفسهم فشهادة أحدهم أربع شهادات بالله إنه لمن الصادقين والخامسة أن لعنة الله عليه إن كان من الكاذبين ويدرأ عنها العذاب أن تشهد أربع شهادات بالله إنه لمن الكاذبين والخامسة أن غضب الله عليها إن كان من الصادقين }. قال مالك السنة عندنا أن المتلاعنين لا يتناكحان أبدا وإن أكذب نفسه جلد الحد وألحق به الولد ولم ترجع إليه أبدا وعلى هذا السنة عندنا التي لا شك فيها ولا اختلاف. قال مالك وإذا فارق الرجل امرأته فراقا باتا ليس له عليها فيه رجعة ثم أنكر حملها لاعنها إذا كانت حاملا وكان حملها يشبه أن يكون منه إذا ادعته ما لم يأت دون ذلك من الزمان الذي يشك فيه فلا يعرف أنه منه قال فهذا الأمر عندنا والذي سمعت من أهل العلم قال مالك وإذا قذف الرجل امرأته بعد أن يطلقها ثلاثا وهي حامل يقر بحملها ثم يزعم أنه رآها تزني قبل أن يفارقها جلد الحد ولم يلاعنها وإن أنكر حملها بعد أن يطلقها ثلاثا لاعنها قال وهذا الذي سمعت قال مالك والعبد بمنزلة الحر في قذفه ولعانه يجري مجرى الحر في ملاعنته غير أنه ليس على من قذف مملوكة حد قال مالك والأمة المسلمة والحرة النصرانية واليهودية تلاعن الحر المسلم إذا تزوج إحداهن فأصابها وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { والذين يرمون أزواجهم } فهن من الأزواج وعلى هذا الأمر عندنا قال مالك والعبد إذا تزوج المرأة الحرة المسلمة أو الأمة المسلمة أو الحرة النصرانية أو اليهودية لاعنها. ২১قال مالك في الرجل يلاعن امرأته فينزع ويكذب نفسه بعد يمين أو يمينين ما لم يلتعن في الخامسة إنه إذا نزع قبل أن يلتعن جلد الحد ولم يفرق بينهما قال مالك في الرجل يطلق امرأته فإذا مضت الثلاثة الأشهر قالت المرأة أنا حامل قال إن أنكر زوجها حملها لاعنها. ২১قال مالك في الأمة المملوكة يلاعنها زوجها ثم يشتريها إنه لا يطؤها وإن ملكها وذلك أن السنة مضت أن المتلاعنين لا يتراجعان أبدا قال مالك إذا لاعن الرجل امرأته قبل أن يدخل بها فليس لها إلا نصف الصداق


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে দম্পতি লি’আন করেছে তাদের সন্তানের মিরাস

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭৫

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير كان يقول في ولد الملاعنة وولد الزنا إنه إذا مات ورثته أمه حقها في كتاب الله تعالى وإخوته لأمه حقوقهم ويرث البقية موالي أمه إن كانت مولاة وإن كانت عربية ورثت حقها وورث إخوته لأمه حقوقهم وكان ما بقي للمسلمين قال مالك وبلغني عن سليمان بن يسار مثل ذلك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে স্ত্রীলোক ও তার স্বামীর মধ্যে লি’আন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেই স্ত্রীলোকের সন্তান এবং জারজ সন্তানের ব্যাপারে উরওয়া ইবনু যুবায়ের (র) বলতেন সেই সন্তানের মৃত্যু হলে তার মাতা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তার নির্ধারিত অংশ পাবে এবং তার ভগ্নিগণও তাদের অংশ পাবে। অবশিষ্ট যা থাকে তা পাবে তার জননীকে যে আযাদ করেছে সে, যদি সে আযাদ স্ত্রীলোক হয়। আর যদি সে স্ত্রীলোক আরবী (আযাদ) হয় তবে সে তার অংশ পাবে। এবং তার ভগ্নিগণও তাদের অংশ পাবে। অবশিষ্ট মাল মুসলমানদের কল্যাণের জন্যে (বায়তুলমালে) থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : সুলায়মান ইবনু ইয়াসারের নিকট হতেও আমার কাছে অনুরূপ রেওয়ায়ত পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের শহরবাসী আলেমগণকেও আমি এই ফায়সালার উপর পেয়েছি।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে স্ত্রীলোক ও তার স্বামীর মধ্যে লি’আন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেই স্ত্রীলোকের সন্তান এবং জারজ সন্তানের ব্যাপারে উরওয়া ইবনু যুবায়ের (র) বলতেন সেই সন্তানের মৃত্যু হলে তার মাতা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী তার নির্ধারিত অংশ পাবে এবং তার ভগ্নিগণও তাদের অংশ পাবে। অবশিষ্ট যা থাকে তা পাবে তার জননীকে যে আযাদ করেছে সে, যদি সে আযাদ স্ত্রীলোক হয়। আর যদি সে স্ত্রীলোক আরবী (আযাদ) হয় তবে সে তার অংশ পাবে। এবং তার ভগ্নিগণও তাদের অংশ পাবে। অবশিষ্ট মাল মুসলমানদের কল্যাণের জন্যে (বায়তুলমালে) থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : সুলায়মান ইবনু ইয়াসারের নিকট হতেও আমার কাছে অনুরূপ রেওয়ায়ত পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের শহরবাসী আলেমগণকেও আমি এই ফায়সালার উপর পেয়েছি।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير كان يقول في ولد الملاعنة وولد الزنا إنه إذا مات ورثته أمه حقها في كتاب الله تعالى وإخوته لأمه حقوقهم ويرث البقية موالي أمه إن كانت مولاة وإن كانت عربية ورثت حقها وورث إخوته لأمه حقوقهم وكان ما بقي للمسلمين قال مالك وبلغني عن سليمان بن يسار مثل ذلك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00