মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাসের ‘ঈলা’

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযাদ ব্যক্তির যিহার

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬১

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في رجل تظاهر من أربعة نسوة له بكلمة واحدة إنه ليس عليه إلا كفارة واحدة.

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

সেই ব্যক্তিকে একটি মাত্র কাফ্ফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) রবি’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ। মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা‘আলা তার কিতাবে যিহারের কাফ্ফারা সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন যে, স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে সে একটি ক্রীতদাস আযাদ করবে। যে ইহার সামর্থ্য রাখে না, সে স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে একাধারে দুই মাস রোযা পালন করবে। আর যে ব্যক্তি ইহারও ক্ষমতা রাখে না সে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে।

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

সেই ব্যক্তিকে একটি মাত্র কাফ্ফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) রবি’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ। মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা‘আলা তার কিতাবে যিহারের কাফ্ফারা সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন যে, স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে সে একটি ক্রীতদাস আযাদ করবে। যে ইহার সামর্থ্য রাখে না, সে স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে একাধারে দুই মাস রোযা পালন করবে। আর যে ব্যক্তি ইহারও ক্ষমতা রাখে না সে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في رجل تظاهر من أربعة نسوة له بكلمة واحدة إنه ليس عليه إلا كفارة واحدة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬০

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رجلا سأل القاسم بن محمد وسليمان بن يسار عن رجل تظاهر من امرأته قبل أن ينكحها فقالا إن نكحها فلا يمسها حتى يكفر كفارة المتظاهر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-এর নিকট প্রশ্ন করল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি এক স্ত্রীলোকের সাথে যিহার করেছে তাকে বিবাহ করার পূর্বে। তারা উভয়ে বললেন : যদি সেই স্ত্রীলোককে বিবাহ করে তাবে সে যিহারের কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত স্ত্রীকে স্পর্শও করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-এর নিকট প্রশ্ন করল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি এক স্ত্রীলোকের সাথে যিহার করেছে তাকে বিবাহ করার পূর্বে। তারা উভয়ে বললেন : যদি সেই স্ত্রীলোককে বিবাহ করে তাবে সে যিহারের কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত স্ত্রীকে স্পর্শও করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رجلا سأل القاسم بن محمد وسليمان بن يسار عن رجل تظاهر من امرأته قبل أن ينكحها فقالا إن نكحها فلا يمسها حتى يكفر كفارة المتظاهر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৯

حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن عمرو بن سليم الزرقي أنه سأل القاسم بن محمد عن رجل طلق امرأة إن هو تزوجها فقال القاسم بن محمد إن رجلا جعل امرأة عليه كظهر أمه إن هو تزوجها فأمره عمر بن الخطاب إن هو تزوجها أن لا يقربها حتى يكفر كفارة المتظاهر.

সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সুলায়মান যুরাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে লোক স্ত্রীকে বলল : আমি তোমাকে বিবাহ করলে তুমি তালাক। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন : এক ব্যক্তি জনৈকা মহিলার সাথে এই বলে যিহার [১] করল, তার জন্য সে তার মাতার পিঠের তুল্য, যদি সে তাকে বিবাহ করে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) সেই ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন যে, যদি সে তাকে বিবাহ করে তবে যিহারকারীর মতো কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত সে যেন ঐ স্ত্রীর নিকট না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সুলায়মান যুরাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে লোক স্ত্রীকে বলল : আমি তোমাকে বিবাহ করলে তুমি তালাক। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন : এক ব্যক্তি জনৈকা মহিলার সাথে এই বলে যিহার [১] করল, তার জন্য সে তার মাতার পিঠের তুল্য, যদি সে তাকে বিবাহ করে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) সেই ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন যে, যদি সে তাকে বিবাহ করে তবে যিহারকারীর মতো কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত সে যেন ঐ স্ত্রীর নিকট না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن عمرو بن سليم الزرقي أنه سأل القاسم بن محمد عن رجل طلق امرأة إن هو تزوجها فقال القاسم بن محمد إن رجلا جعل امرأة عليه كظهر أمه إن هو تزوجها فأمره عمر بن الخطاب إن هو تزوجها أن لا يقربها حتى يكفر كفارة المتظاهر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬২

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه سمع رجلا يسأل عروة بن الزبير عن رجل قال لامرأته كل امرأة أنكحها عليك ما عشت فهي علي كظهر أمي فقال عروة بن الزبير يجزيه عن ذلك عتق رقبة.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জনৈক লোককে উরওয়া ইবনু যুবায়র (র)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে নিজের স্ত্রীকে বলেছে “তুমি বেঁচে থাকা পর্যন্ত তোমার উপর যে কোন স্ত্রীলোককে আমি বিবাহ করি, সে আমার জন্য আমার জননীর পিঠের তুল্য।” উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) বললেন : এই উক্তির জন্য একটি ক্রীতদাসকে আযাদ করলেই যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জনৈক লোককে উরওয়া ইবনু যুবায়র (র)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে নিজের স্ত্রীকে বলেছে “তুমি বেঁচে থাকা পর্যন্ত তোমার উপর যে কোন স্ত্রীলোককে আমি বিবাহ করি, সে আমার জন্য আমার জননীর পিঠের তুল্য।” উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) বললেন : এই উক্তির জন্য একটি ক্রীতদাসকে আযাদ করলেই যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه سمع رجلا يسأل عروة بن الزبير عن رجل قال لامرأته كل امرأة أنكحها عليك ما عشت فهي علي كظهر أمي فقال عروة بن الزبير يجزيه عن ذلك عتق رقبة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাসের যিহার

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬৩

حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن ظهار العبد فقال نحو ظهار الحر قال مالك يريد أنه يقع عليه كما يقع على الحر قال مالك وظهار العبد عليه واجب وصيام العبد في الظهار شهران. قال مالك في العبد يتظاهر من امرأته إنه لا يدخل عليه إيلاء وذلك أنه لو ذهب يصوم صيام كفارة المتظاهر دخل عليه طلاق الإيلاء قبل أن يفرغ من صيامه

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে দাসের যিহার সম্পর্কে প্রশ্ন করেছেন। তিনি বললেন : ক্রীতদাসের যিহার আযাদ ব্যক্তির যিহারের মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এটার উদ্দেশ্য হচ্ছে যিহারের দ্বারা আযাদ ব্যক্তির উপর যা বর্তাবে ক্রীতদাসের উপরও তাই বর্তাবে। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসের যিহার তার উপর ওয়াজিব হবে। যিহারের ব্যাপারে ক্রীতদাস দুই মাস সিয়াম পালন করবে। যে ক্রীতদাস নিজের স্ত্রীর সাথে যিহার করেছে, সে উহার উপর ‘ঈলা’ ঢুকাতে পারবে না, কারণ সে যিহারের কাফ্ফারা রোযা পালন করলে তার রোযা হতে অবকাশ পাওয়ার পূর্বেই স্ত্রীর উপর ‘ঈলা’-এর তালাক প্রযোজ্য হবে (কারণ, তার মতে ক্রীতদাসের ঈলার সময় দুই মাস)।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে দাসের যিহার সম্পর্কে প্রশ্ন করেছেন। তিনি বললেন : ক্রীতদাসের যিহার আযাদ ব্যক্তির যিহারের মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এটার উদ্দেশ্য হচ্ছে যিহারের দ্বারা আযাদ ব্যক্তির উপর যা বর্তাবে ক্রীতদাসের উপরও তাই বর্তাবে। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসের যিহার তার উপর ওয়াজিব হবে। যিহারের ব্যাপারে ক্রীতদাস দুই মাস সিয়াম পালন করবে। যে ক্রীতদাস নিজের স্ত্রীর সাথে যিহার করেছে, সে উহার উপর ‘ঈলা’ ঢুকাতে পারবে না, কারণ সে যিহারের কাফ্ফারা রোযা পালন করলে তার রোযা হতে অবকাশ পাওয়ার পূর্বেই স্ত্রীর উপর ‘ঈলা’-এর তালাক প্রযোজ্য হবে (কারণ, তার মতে ক্রীতদাসের ঈলার সময় দুই মাস)।

حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن ظهار العبد فقال نحو ظهار الحر قال مالك يريد أنه يقع عليه كما يقع على الحر قال مالك وظهار العبد عليه واجب وصيام العبد في الظهار شهران. قال مالك في العبد يتظاهر من امرأته إنه لا يدخل عليه إيلاء وذلك أنه لو ذهب يصوم صيام كفارة المتظاهر دخل عليه طلاق الإيلاء قبل أن يفرغ من صيامه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযাদীর ইখতিয়ার অর্থাৎ স্ত্রী কর্তৃক তালাকের অধিকার প্রাপ্তির পর নিজের অধিকার প্রয়োগ সম্পর্কিত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬৭

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن سعيد بن المسيب أنه قال أيما رجل تزوج امرأة وبه جنون أو ضرر فإنها تخير فإن شاءت قرت وإن شاءت فارقت.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : এমন কোন পুরুষ যে উন্মাদ বা রুগ্ন সে যদি কোন মহিলাকে বিবাহ করে, তবে সেই মহিলাকে অধিকার দেয়া হবে। যদি সে ইচ্ছা করে তা হলে সেই স্বামীর সঙ্গে অবস্থান করবে, আর যদি ইচ্ছা করে বিচ্ছেদ ঘটাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : এমন কোন পুরুষ যে উন্মাদ বা রুগ্ন সে যদি কোন মহিলাকে বিবাহ করে, তবে সেই মহিলাকে অধিকার দেয়া হবে। যদি সে ইচ্ছা করে তা হলে সেই স্বামীর সঙ্গে অবস্থান করবে, আর যদি ইচ্ছা করে বিচ্ছেদ ঘটাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن سعيد بن المسيب أنه قال أيما رجل تزوج امرأة وبه جنون أو ضرر فإنها تخير فإن شاءت قرت وإن شاءت فارقت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬৫

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول في الأمة تكون تحت العبد فتعتق إن الأمة لها الخيار ما لم يمسها قال مالك وإن مسها زوجها فزعمت أنها جهلت أن لها الخيار فإنها تتهم ولا تصدق بما ادعت من الجهالة ولا خيار لها بعد أن يمسها.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন : কোন ক্রীতদাসী কোন ক্রীতদাসের স্ত্রী থাকলে অতঃপর সেই ক্রীতদাসীকে (মালিক কর্তৃক) আযাদ করা হলে তবে স্বামী তার সাথে সহবাস না করা পর্যন্ত (বিবাহে থাকা না থাকার ব্যাপারে) ক্রীতদাসীর ইখতিয়ার থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যদি তার স্বামী তার সাথে সহবাস করার পরে সে ধারণা করে যে, ইখতিয়ারের সম্পর্কে সে অজ্ঞ ছিল তবে তাকে সত্যবাদিনী মনে করা হবে না, তার অজ্ঞতার দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না, সহবাসের পর তার ইখতিয়ারও অবশিষ্ট থাকবে না।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন : কোন ক্রীতদাসী কোন ক্রীতদাসের স্ত্রী থাকলে অতঃপর সেই ক্রীতদাসীকে (মালিক কর্তৃক) আযাদ করা হলে তবে স্বামী তার সাথে সহবাস না করা পর্যন্ত (বিবাহে থাকা না থাকার ব্যাপারে) ক্রীতদাসীর ইখতিয়ার থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যদি তার স্বামী তার সাথে সহবাস করার পরে সে ধারণা করে যে, ইখতিয়ারের সম্পর্কে সে অজ্ঞ ছিল তবে তাকে সত্যবাদিনী মনে করা হবে না, তার অজ্ঞতার দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না, সহবাসের পর তার ইখতিয়ারও অবশিষ্ট থাকবে না।

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول في الأمة تكون تحت العبد فتعتق إن الأمة لها الخيار ما لم يمسها قال مالك وإن مسها زوجها فزعمت أنها جهلت أن لها الخيار فإنها تتهم ولا تصدق بما ادعت من الجهالة ولا خيار لها بعد أن يمسها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬৪

حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن القاسم بن محمد عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت: كان في بريرة ثلاث سنن فكانت إحدى السنن الثلاث أنها أعتقت فخيرت في زوجها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولاء لمن أعتق ودخل رسول الله صلى الله عليه وسلم والبرمة تفور بلحم فقرب إليه خبز وأدم من أدم البيت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ألم أر برمة فيها لحم فقالوا بلى يا رسول الله ولكن ذلك لحم تصدق به على بريرة وأنت لا تأكل الصدقة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو عليها صدقة وهو لنا هدية.

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা উম্মুল মু’মিনীন (রা) বলেছেন : বারীরা (রা) সম্পর্কে তিনটি আহকাম জারি করা হয়েছিল। তিনটির সুন্নত বা আহকামের একটি ছিল : তাকে আযাদ করা হয় এবং তাকে আযাদীর পর স্বামীর সাথে থাকার ব্যাপারে ইখতিয়ার প্রদান করা হয়। (দ্বিতীয় সুন্নত এই) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে কর্তা আযাদ করবে সেই সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করবে। (তৃতীয় সুন্নত এই) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারীরা (রা)-এর গৃহে প্রবেশ করলেন। তখন ডেকচিতে গোশত সিদ্ধ হচ্ছিল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে রুটি এবং গৃহে মওজুদ ব্যঞ্জন উপস্থিত করা হল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : আমি কি ডেকচিতে গোশত সিদ্ধ হতে দেখিনি? (তবে আমার নিকট গোশত পেশ না করার কারণ কি?) তারা বললেন : হ্যাঁ হে রসূলুল্লাহ! তবে উহা ছিল এমন গোশত যা বরীরাকে সদকা স্বরূপ দেওয়া হয়েছিল। আপনি তো সদকার বস্তু আহার করেন না। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : উহা বারীরার জন্য ছিল সদকা কিন্তু (বারীরা মালিক হওয়ার পর) উহা আমাদের জন্য হচ্ছে হাদিয়া। (বুখারী ৫২৭৯, মুসলিম ১৫০৪)

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) থেকে বর্নিতঃ

‘আয়িশা উম্মুল মু’মিনীন (রা) বলেছেন : বারীরা (রা) সম্পর্কে তিনটি আহকাম জারি করা হয়েছিল। তিনটির সুন্নত বা আহকামের একটি ছিল : তাকে আযাদ করা হয় এবং তাকে আযাদীর পর স্বামীর সাথে থাকার ব্যাপারে ইখতিয়ার প্রদান করা হয়। (দ্বিতীয় সুন্নত এই) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে কর্তা আযাদ করবে সেই সম্পত্তির উত্তরাধিকার লাভ করবে। (তৃতীয় সুন্নত এই) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারীরা (রা)-এর গৃহে প্রবেশ করলেন। তখন ডেকচিতে গোশত সিদ্ধ হচ্ছিল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে রুটি এবং গৃহে মওজুদ ব্যঞ্জন উপস্থিত করা হল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : আমি কি ডেকচিতে গোশত সিদ্ধ হতে দেখিনি? (তবে আমার নিকট গোশত পেশ না করার কারণ কি?) তারা বললেন : হ্যাঁ হে রসূলুল্লাহ! তবে উহা ছিল এমন গোশত যা বরীরাকে সদকা স্বরূপ দেওয়া হয়েছিল। আপনি তো সদকার বস্তু আহার করেন না। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : উহা বারীরার জন্য ছিল সদকা কিন্তু (বারীরা মালিক হওয়ার পর) উহা আমাদের জন্য হচ্ছে হাদিয়া। (বুখারী ৫২৭৯, মুসলিম ১৫০৪)

حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن القاسم بن محمد عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت: كان في بريرة ثلاث سنن فكانت إحدى السنن الثلاث أنها أعتقت فخيرت في زوجها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولاء لمن أعتق ودخل رسول الله صلى الله عليه وسلم والبرمة تفور بلحم فقرب إليه خبز وأدم من أدم البيت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ألم أر برمة فيها لحم فقالوا بلى يا رسول الله ولكن ذلك لحم تصدق به على بريرة وأنت لا تأكل الصدقة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو عليها صدقة وهو لنا هدية.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬৮

قال مالك في الأمة تكون تحت العبد ثم تعتق قبل أن يدخل بها أو يمسها إنها إن اختارت نفسها فلا صداق لها وهي تطليقة وذلك الأمر عندنا .

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ক্রীতদাসী কোন ক্রীতদাসের অধীনে থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে সঙ্গম বা তাকে স্পর্শ করার পূর্বে স্বাধীন হয়ে যায় এবং নিজের স্বাধীন অধিকার নিজে গ্রহণ করে নেয় তবে সে মোহর পাবে না। আর ইহা এক তালাক বলে গণ্য হবে। মাসয়ালা আমাদের নিকটও তাই।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ক্রীতদাসী কোন ক্রীতদাসের অধীনে থাকা অবস্থায় তার সঙ্গে সঙ্গম বা তাকে স্পর্শ করার পূর্বে স্বাধীন হয়ে যায় এবং নিজের স্বাধীন অধিকার নিজে গ্রহণ করে নেয় তবে সে মোহর পাবে না। আর ইহা এক তালাক বলে গণ্য হবে। মাসয়ালা আমাদের নিকটও তাই।

قال مالك في الأمة تكون تحت العبد ثم تعتق قبل أن يدخل بها أو يمسها إنها إن اختارت نفسها فلا صداق لها وهي تطليقة وذلك الأمر عندنا .


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬৯

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه سمعه يقول: إذا خير الرجل امرأته فاختارته فليس ذلك بطلاق قال مالك وذلك أحسن ما سمعت. قال مالك في المخيرة إذا خيرها زوجها فاختارت نفسها فقد طلقت ثلاثا وإن قال زوجها لم أخيرك إلا واحدة فليس له ذلك وذلك أحسن ما سمعته. قال مالك وإن خيرها فقالت قد قبلت واحدة وقال لم أرد هذا وإنما خيرتك في الثلاث جميعا أنها إن لم تقبل إلا واحدة أقامت عنده على نكاحها ولم يكن ذلك فراقا إن شاء الله تعالى.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন যে, যখন কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে অধিকার প্রদান করে এবং স্ত্রী নিজেকেই গ্রহণ করে তা হলে ইহা তালাক বলে গণ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই উত্তম। মালিক (র) অধিকার প্রাপ্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন : যখন কোন মহিলাকে তার স্বামী অধিকার প্রদান করে, অতঃপর সেই স্ত্রী নিজ সত্তাকেই গ্রহণ করে তা হলে ইহা তিন তালাক বলে গণ্য হবে। আর যদি স্বামী বলে যে, তোমাকে শুধুমাত্র এক তালাকের অধিকার প্রদান করছি, তবে এইরূপ কথা বলার অধিকার স্বামীর নেই। মালিক (র) বলেন, এটাই উত্তম এ ব্যাপারে যা আমি শুনেছি। মালিক (র) বলেন : যদি স্ত্রীকে অধিকার প্রদান করে, অতঃপর স্ত্রী বলল : আমি এক তালাক গ্রহণ করলাম এবং স্বামী বলল : আমি এরূপ ইচ্ছা করিনি বরং আমি তোমাকে পূর্ণ তিন তালাকের অধিকার প্রদান করেছি। স্ত্রী যদি এক তালাক ব্যতীত গ্রহণ না করে তবে সে এই স্বামীর বিবাহে থাকবে। এই অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন যে, যখন কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে অধিকার প্রদান করে এবং স্ত্রী নিজেকেই গ্রহণ করে তা হলে ইহা তালাক বলে গণ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই উত্তম। মালিক (র) অধিকার প্রাপ্ত মহিলা সম্পর্কে বলেন : যখন কোন মহিলাকে তার স্বামী অধিকার প্রদান করে, অতঃপর সেই স্ত্রী নিজ সত্তাকেই গ্রহণ করে তা হলে ইহা তিন তালাক বলে গণ্য হবে। আর যদি স্বামী বলে যে, তোমাকে শুধুমাত্র এক তালাকের অধিকার প্রদান করছি, তবে এইরূপ কথা বলার অধিকার স্বামীর নেই। মালিক (র) বলেন, এটাই উত্তম এ ব্যাপারে যা আমি শুনেছি। মালিক (র) বলেন : যদি স্ত্রীকে অধিকার প্রদান করে, অতঃপর স্ত্রী বলল : আমি এক তালাক গ্রহণ করলাম এবং স্বামী বলল : আমি এরূপ ইচ্ছা করিনি বরং আমি তোমাকে পূর্ণ তিন তালাকের অধিকার প্রদান করেছি। স্ত্রী যদি এক তালাক ব্যতীত গ্রহণ না করে তবে সে এই স্বামীর বিবাহে থাকবে। এই অবস্থায় বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে না।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه سمعه يقول: إذا خير الرجل امرأته فاختارته فليس ذلك بطلاق قال مالك وذلك أحسن ما سمعت. قال مالك في المخيرة إذا خيرها زوجها فاختارت نفسها فقد طلقت ثلاثا وإن قال زوجها لم أخيرك إلا واحدة فليس له ذلك وذلك أحسن ما سمعته. قال مالك وإن خيرها فقالت قد قبلت واحدة وقال لم أرد هذا وإنما خيرتك في الثلاث جميعا أنها إن لم تقبل إلا واحدة أقامت عنده على نكاحها ولم يكن ذلك فراقا إن شاء الله تعالى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬৬

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير أن مولاة لبني عدي يقال لها زبراء أخبرته أنها كانت تحت عبد وهي أمة يومئذ فعتقت قالت فأرسلت إلي حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فدعتني فقالت إني مخبرتك خبرا ولا أحب أن تصنعي شيئا إن أمرك بيدك ما لم يمسسك زوجك فإن مسك فليس لك من الأمر شيء قالت فقلت هو الطلاق ثم الطلاق ثم الطلاق ففارقته ثلاثا.

উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ

বনী আদী কর্তৃক আযাদীপ্রাপ্ত জনৈক ক্রীতদাসী যার নাম যাবরা’ ছিল, সে উরওয়া ইবনু যুবায়রের নিকট ব্যক্ত করেছে যে, সে জনৈক ক্রীতদাসের স্ত্রী ছিল তখন সে (নিজেও) ক্রীতদাসী ছিল। পরে তাকে মুক্তি প্রদান করা হয়। সে বলল : অতঃপর নবীপত্নী হাফসা (রা) আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন : আমি তোমাকে একটি সংবাদ বলব, তুমি তাড়াতাড়ি কোন সিদ্ধান্ত নিবে তা আমি পছন্দ করি না। তোমার স্বামী তোমার সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত তোমার অধিকার তোমারই উপর ন্যস্ত থাকবে। তবে তোমার স্বামী তোমার সাথে মিলিত হলে তোমার কোন অধিকার থাকবে না। সে বলল, এর উত্তরে আমি বললাম, আমি তাকে তালাক দিলাম, পুনরায় তালাক, পুনরায় তালাক, তাকে তিন তালাক দিয়ে পরিত্যাগ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ

বনী আদী কর্তৃক আযাদীপ্রাপ্ত জনৈক ক্রীতদাসী যার নাম যাবরা’ ছিল, সে উরওয়া ইবনু যুবায়রের নিকট ব্যক্ত করেছে যে, সে জনৈক ক্রীতদাসের স্ত্রী ছিল তখন সে (নিজেও) ক্রীতদাসী ছিল। পরে তাকে মুক্তি প্রদান করা হয়। সে বলল : অতঃপর নবীপত্নী হাফসা (রা) আমাকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন : আমি তোমাকে একটি সংবাদ বলব, তুমি তাড়াতাড়ি কোন সিদ্ধান্ত নিবে তা আমি পছন্দ করি না। তোমার স্বামী তোমার সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত তোমার অধিকার তোমারই উপর ন্যস্ত থাকবে। তবে তোমার স্বামী তোমার সাথে মিলিত হলে তোমার কোন অধিকার থাকবে না। সে বলল, এর উত্তরে আমি বললাম, আমি তাকে তালাক দিলাম, পুনরায় তালাক, পুনরায় তালাক, তাকে তিন তালাক দিয়ে পরিত্যাগ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير أن مولاة لبني عدي يقال لها زبراء أخبرته أنها كانت تحت عبد وهي أمة يومئذ فعتقت قالت فأرسلت إلي حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فدعتني فقالت إني مخبرتك خبرا ولا أحب أن تصنعي شيئا إن أمرك بيدك ما لم يمسسك زوجك فإن مسك فليس لك من الأمر شيء قالت فقلت هو الطلاق ثم الطلاق ثم الطلاق ففارقته ثلاثا.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00