মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ক্ষমতা প্রদান তালাকের কারণ হয় না তার বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৩

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها خطبت على عبد الرحمن بن أبي بكر قريبة بنت أبي أمية فزوجوه ثم إنهم عتبوا على عبد الرحمن وقالوا ما زوجنا إلا عائشة فأرسلت عائشة إلى عبد الرحمن فذكرت ذلك له فجعل أمر قريبة بيدها فاختارت زوجها فلم يكن ذلك طلاقا.

কাসিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবী বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুর রহমান ইবনু আবী বাকর (রা)-এর জন্য কুরায়যা বিনত আবী উমাইয়ার বিবাহের প্রস্তাব করলেন, (কন্যা কর্তৃপক্ষ) তাঁর কাছে বিবাহ দিলেন। তারপর (কোন কারণে) তাঁরা আবদুর রহমানের উপর অসন্তুষ্ট হলেন [১] এবং তারা বললেন : আমরা আয়িশা (রা)-এর কারণে বিবাহে সম্মত হয়েছি। ‘আয়িশা (রা) আবদুর রহমানের কাছে লোক প্রেরণ করলেন এবং তাদের বক্তব্য অবহিত করলেন। আবদুর রহমান কুরায়যার বিষয় কুরায়যার উপর ন্যস্ত করলেন। কুরায়যা (রা) তাঁর স্বামীকে গ্রহণ করলেন। [২] ইহা তালাক বলে গণ্য হল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

কাসিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবী বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুর রহমান ইবনু আবী বাকর (রা)-এর জন্য কুরায়যা বিনত আবী উমাইয়ার বিবাহের প্রস্তাব করলেন, (কন্যা কর্তৃপক্ষ) তাঁর কাছে বিবাহ দিলেন। তারপর (কোন কারণে) তাঁরা আবদুর রহমানের উপর অসন্তুষ্ট হলেন [১] এবং তারা বললেন : আমরা আয়িশা (রা)-এর কারণে বিবাহে সম্মত হয়েছি। ‘আয়িশা (রা) আবদুর রহমানের কাছে লোক প্রেরণ করলেন এবং তাদের বক্তব্য অবহিত করলেন। আবদুর রহমান কুরায়যার বিষয় কুরায়যার উপর ন্যস্ত করলেন। কুরায়যা (রা) তাঁর স্বামীকে গ্রহণ করলেন। [২] ইহা তালাক বলে গণ্য হল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها خطبت على عبد الرحمن بن أبي بكر قريبة بنت أبي أمية فزوجوه ثم إنهم عتبوا على عبد الرحمن وقالوا ما زوجنا إلا عائشة فأرسلت عائشة إلى عبد الرحمن فذكرت ذلك له فجعل أمر قريبة بيدها فاختارت زوجها فلم يكن ذلك طلاقا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৪

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زوجت حفصة بنت عبد الرحمن المنذر بن الزبير وعبد الرحمن غائب بالشام فلما قدم عبد الرحمن قال ومثلي يصنع هذا به ومثلي يفتات عليه فكلمت عائشة المنذر بن الزبير فقال المنذر فإن ذلك بيد عبد الرحمن فقال عبد الرحمن ما كنت لأرد أمرا قضيته فقرت حفصة عند المنذر ولم يكن ذلك طلاقا.

আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমানের কন্যা হাফসাকে মুনযির ইবনু যুবায়র-এর নিকট বিবাহ দিলেন। আবদুর রহমান ছিলেন তখন সিরিয়াতে (তিনি তাই এই বিবাহে অনুপস্থিত ছিলেন)। আবদুর রহমান যখন সিরিয়া হতে প্রত্যাবর্তন করলেন (এবং এই বিবাহের সংবাদ অবগত হলেন) তিনি বললেন : আমার মতো লোকের সাথে ইহা করা হল, আমার ব্যাপারে আমাকে উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হল। অতঃপর আয়িশা (রা) মুনযির ইবনু যুবায়র-এর সাথে আলোচনা করলেন। মুনযির বললেন : আবদুর রহমানের হাতেই এর (এই বিবাহ বহাল রাখা না রাখার) ক্ষমতা রয়েছে। আবদুর রহমান বললেন : যে ব্যাপারে আপনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন আমি তাকে পরিবর্তন করব না, তাই হাফসা মুনযিরের কাছেই রইলেন এবং ইহা তালাক বলে গণ্য হয়নি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমানের কন্যা হাফসাকে মুনযির ইবনু যুবায়র-এর নিকট বিবাহ দিলেন। আবদুর রহমান ছিলেন তখন সিরিয়াতে (তিনি তাই এই বিবাহে অনুপস্থিত ছিলেন)। আবদুর রহমান যখন সিরিয়া হতে প্রত্যাবর্তন করলেন (এবং এই বিবাহের সংবাদ অবগত হলেন) তিনি বললেন : আমার মতো লোকের সাথে ইহা করা হল, আমার ব্যাপারে আমাকে উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হল। অতঃপর আয়িশা (রা) মুনযির ইবনু যুবায়র-এর সাথে আলোচনা করলেন। মুনযির বললেন : আবদুর রহমানের হাতেই এর (এই বিবাহ বহাল রাখা না রাখার) ক্ষমতা রয়েছে। আবদুর রহমান বললেন : যে ব্যাপারে আপনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন আমি তাকে পরিবর্তন করব না, তাই হাফসা মুনযিরের কাছেই রইলেন এবং ইহা তালাক বলে গণ্য হয়নি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زوجت حفصة بنت عبد الرحمن المنذر بن الزبير وعبد الرحمن غائب بالشام فلما قدم عبد الرحمن قال ومثلي يصنع هذا به ومثلي يفتات عليه فكلمت عائشة المنذر بن الزبير فقال المنذر فإن ذلك بيد عبد الرحمن فقال عبد الرحمن ما كنت لأرد أمرا قضيته فقرت حفصة عند المنذر ولم يكن ذلك طلاقا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৫

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر وأبا هريرة سئلا عن الرجل يملك امرأته أمرها فترد بذلك إليه ولا تقضي فيه شيئا فقالا ليس ذلك بطلاق ১৭و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال إذا ملك الرجل امرأته أمرها فلم تفارقه وقرت عنده فليس ذلك بطلاق ২قال مالك في المملكة إذا ملكها زوجها أمرها ثم افترقا ولم تقبل من ذلك شيئا فليس بيدها من ذلك شيء وهو لها ما داما في مجلسهما.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার এবং আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি স্ত্রীকে তার নিজের বিষয়ে ইখতিয়ার দিয়েছে। স্ত্রী উক্ত ক্ষমতা স্বামীর দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে এবং এই ব্যাপারে নিজে ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি। (এটার কি হুকুম) তাঁরা উভয়ে বললেন, ইহা তালাক নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলেন : কোন ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তার (বিবাহ বিচ্ছেদের ব্যাপারে) ক্ষমতা প্রদান করলে সে যদি স্বামীকে ত্যাগ না করে এবং তার স্ত্রীরূপে বহাল থাকে, তবে এটা তালাক বলে গণ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যেই স্ত্রীলোকের প্রতি তার স্বামী ক্ষমতা অর্পণ করল, অতঃপর তারা উভয়ে মজলিস ত্যাগ করে পৃথক হয়ে গেল। স্ত্রী সেই ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। তবে সেই স্ত্রীর হাতে আর কোন ক্ষমতা থাকবে না। তার হাতে ততক্ষণ ক্ষমতা থাকবে যতক্ষণ তারা সেই মসজিস ত্যাগ না করে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার এবং আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি স্ত্রীকে তার নিজের বিষয়ে ইখতিয়ার দিয়েছে। স্ত্রী উক্ত ক্ষমতা স্বামীর দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে এবং এই ব্যাপারে নিজে ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি। (এটার কি হুকুম) তাঁরা উভয়ে বললেন, ইহা তালাক নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলেন : কোন ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তার (বিবাহ বিচ্ছেদের ব্যাপারে) ক্ষমতা প্রদান করলে সে যদি স্বামীকে ত্যাগ না করে এবং তার স্ত্রীরূপে বহাল থাকে, তবে এটা তালাক বলে গণ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যেই স্ত্রীলোকের প্রতি তার স্বামী ক্ষমতা অর্পণ করল, অতঃপর তারা উভয়ে মজলিস ত্যাগ করে পৃথক হয়ে গেল। স্ত্রী সেই ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। তবে সেই স্ত্রীর হাতে আর কোন ক্ষমতা থাকবে না। তার হাতে ততক্ষণ ক্ষমতা থাকবে যতক্ষণ তারা সেই মসজিস ত্যাগ না করে।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر وأبا هريرة سئلا عن الرجل يملك امرأته أمرها فترد بذلك إليه ولا تقضي فيه شيئا فقالا ليس ذلك بطلاق ১৭و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال إذا ملك الرجل امرأته أمرها فلم تفارقه وقرت عنده فليس ذلك بطلاق ২قال مالك في المملكة إذا ملكها زوجها أمرها ثم افترقا ولم تقبل من ذلك شيئا فليس بيدها من ذلك شيء وهو لها ما داما في مجلسهما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্ত্রীর সাথে মিলিত হবে না বলে শপথ করলে তার কি হুকুম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৬

حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب أنه كان يقول: إذا آلى الرجل من امرأته لم يقع عليه طلاق وإن مضت الأربعة الأشهر حتى يوقف فإما أن يطلق وإما أن يفيء قال مالك وذلك الأمر عندنا.

আলী ইবনু আবী তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর ব্যাপারে ‘ঈলা’ করলে উহাতে তালাক হবে না। যদি ঈলার পর চার মাস অতিবাহিত হয় (সে কিছু না করে), তবে তাকে বন্দী করা হবে, হয়ত সে তালাক দিবে নতুবা ঈলা হতে ফিরে আসবে (অর্থাৎ স্ত্রীকে গ্রহণ করে কসমের কাফ্ফারা দিবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই সিদ্ধান্ত।

আলী ইবনু আবী তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর ব্যাপারে ‘ঈলা’ করলে উহাতে তালাক হবে না। যদি ঈলার পর চার মাস অতিবাহিত হয় (সে কিছু না করে), তবে তাকে বন্দী করা হবে, হয়ত সে তালাক দিবে নতুবা ঈলা হতে ফিরে আসবে (অর্থাৎ স্ত্রীকে গ্রহণ করে কসমের কাফ্ফারা দিবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটাই সিদ্ধান্ত।

حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب أنه كان يقول: إذا آلى الرجل من امرأته لم يقع عليه طلاق وإن مضت الأربعة الأشهر حتى يوقف فإما أن يطلق وإما أن يفيء قال مالك وذلك الأمر عندنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৭

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: أيما رجل آلى من امرأته فإنه إذا مضت الأربعة الأشهر وقف حتى يطلق أو يفيء ولا يقع عليه طلاق إذا مضت الأربعة الأشهر حتى يوقف. و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن سعيد بن المسيب وأبا بكر بن عبد الرحمن كانا يقولان في الرجل يولي من امرأته إنها إذا مضت الأربعة الأشهر فهي تطليقة ولزوجها عليها الرجعة ما كانت في العدة.

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কেউ স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করলে তবে চার মাস অতিবাহিত হলে তাকে বন্দী করা হবে, যাবৎ তালাক না দেয় অথবা কসম ভঙ্গ করে কাফফারা আদায় করে স্ত্রীকে গ্রহণ করবে। চার মাস অতিবাহিত হলে তাকে বন্দী না করা পর্যন্ত তালাক প্রযোজ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব এবং আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রা) তারা উভয়ে বলতেন : যে ব্যাক্তি স্ত্রীর সাথে ঈলা করেছে, চার মাস অতিবাহিত হলে তা এক তালাক গণ্য হবে। ইদ্দতের ভিতর সে ব্যক্তি স্ত্রীর দিকে রুজূ ‘(উহাকে গ্রহণ) করতে পারবে।

আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কেউ স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করলে তবে চার মাস অতিবাহিত হলে তাকে বন্দী করা হবে, যাবৎ তালাক না দেয় অথবা কসম ভঙ্গ করে কাফফারা আদায় করে স্ত্রীকে গ্রহণ করবে। চার মাস অতিবাহিত হলে তাকে বন্দী না করা পর্যন্ত তালাক প্রযোজ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব এবং আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রা) তারা উভয়ে বলতেন : যে ব্যাক্তি স্ত্রীর সাথে ঈলা করেছে, চার মাস অতিবাহিত হলে তা এক তালাক গণ্য হবে। ইদ্দতের ভিতর সে ব্যক্তি স্ত্রীর দিকে রুজূ ‘(উহাকে গ্রহণ) করতে পারবে।

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: أيما رجل آلى من امرأته فإنه إذا مضت الأربعة الأشهر وقف حتى يطلق أو يفيء ولا يقع عليه طلاق إذا مضت الأربعة الأشهر حتى يوقف. و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن سعيد بن المسيب وأبا بكر بن عبد الرحمن كانا يقولان في الرجل يولي من امرأته إنها إذا مضت الأربعة الأشهر فهي تطليقة ولزوجها عليها الرجعة ما كانت في العدة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৮

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كان يقضي في الرجل إذا آلى من امرأته أنها إذا مضت الأربعة الأشهر فهي تطليقة وله عليها الرجعة ما دامت في عدتها قال مالك وعلى ذلك كان رأي ابن شهاب قال مالك في الرجل يولي من امرأته فيوقف فيطلق عند انقضاء الأربعة الأشهر ثم يراجع امرأته أنه إن لم يصبها حتى تنقضي عدتها فلا سبيل له إليها ولا رجعة له عليها إلا أن يكون له عذر من مرض أو سجن أو ما أشبه ذلك من العذر فإن ارتجاعه إياها ثابت عليها فإن مضت عدتها ثم تزوجها بعد ذلك فإنه إن لم يصبها حتى تنقضي الأربعة الأشهر وقف أيضا فإن لم يفئ دخل عليه الطلاق بالإيلاء الأول إذا مضت الأربعة الأشهر ولم يكن له عليها رجعة لأنه نكحها ثم طلقها قبل أن يمسها فلا عدة له عليها ولا رجعة. قال مالك في الرجل يولي من امرأته فيوقف بعد الأربعة الأشهر فيطلق ثم يرتجع ولا يمسها فتنقضي أربعة أشهر قبل أن تنقضي عدتها إنه لا يوقف ولا يقع عليه طلاق وإنه إن أصابها قبل أن تنقضي عدتها كان أحق بها وإن مضت عدتها قبل أن يصيبها فلا سبيل له إليها وهذا أحسن ما سمعت في ذلك. قال مالك في الرجل يولي من امرأته ثم يطلقها فتنقضي الأربعة الأشهر قبل انقضاء عدة الطلاق قال هما تطليقتان إن هو وقف ولم يفئ وإن مضت عدة الطلاق قبل الأربعة الأشهر فليس الإيلاء بطلاق وذلك أن الأربعة الأشهر التي كانت توقف بعدها مضت وليست له يومئذ بامرأة. قال مالك ومن حلف أن لا يطأ امرأته يوما أو شهرا ثم مكث حتى ينقضي أكثر من الأربعة الأشهر فلا يكون ذلك إيلاء وإنما يوقف في الإيلاء من حلف على أكثر من الأربعة الأشهر فأما من حلف أن لا يطأ امرأته أربعة أشهر أو أدنى من ذلك فلا أرى عليه إيلاء لأنه إذا دخل الأجل الذي يوقف عنده خرج من يمينه ولم يكن عليه وقف قال مالك من حلف لامرأته أن لا يطأها حتى تفطم ولدها فإن ذلك لا يكون إيلاء وقد بلغني أن علي بن أبي طالب سئل عن ذلك فلم يره إيلاء.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান ইবনু হাকাম (র) ফয়সালা দিতেন, যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করেছে, তবে চার মাস অতিবাহিত হলে তা এক তালাক বলে গণ্য হবে। ইদ্দতের ভিতর স্ত্রীর দিকে রুজূ করার ইখতিয়ার স্বামীর থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ইবনু শিহাব (যুহরী)-এর অভিমতও অনুরূপ ছিল। মালিক (র) বলেন : স্ত্রীর সাথে কোন লোক ‘ঈলা’ করলে তাকে বাধ্য করা হবে। চার মাস অতিবাহিত হলে সে স্ত্রীকে তালাক দিবে। অতঃপর যে রুজু করবে, তবে সে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে মিলিত না হলে এবং এইরূপে ইদ্দত খতম হয়ে গেলে সে আর রুজু করতে পারবে না। হ্যাঁ, যদি তার কোন ওযর থাকে, (যেমন) বন্দী থাকা, রোগ বা অনুরূপ অন্য কোন ‘ওযর, তবে (মৌখিকভাবে) তা রুজূ গ্রহণযোগ্য হবে। আর যদি ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর সে পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করে তাবে যদি সে স্ত্রীর সাথে মিলিত না হয় এবং সেই অবস্থায় চার মাস অতিবাহিত হয় তবে তাকে বাধ্য করা হবে। সে স্ত্রীর দিকে প্রত্যাবর্তন না করলে প্রথম ‘ঈলা’-র দ্বারা স্ত্রীর উপর তালাক প্রযোজ্য হবে না। চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পর আর স্ত্রীর দিকে রুজূ‘ করার ক্ষমতাও তার থাকবে না। কারণ সে বিবাহ করেছে এবং সহবাসের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে, এরূপ অবস্থাতে ইদ্দতও নাই এবং রুজূ‘র অধিকারও থাকবে না। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করেছে, চার মাসের পর সে ব্যক্তিকে বাধ্য করা হবে। সে তালাক প্রদান করবে অতঃপর রুজূ‘ করবে, কিন্তু (রুজূ‘করার পর) স্ত্রীর সাথে সঙ্গম না করলে তালাক প্রযোজ্য হবে না। আর যদি ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় তবে সে সেই স্ত্রীর (দিকে রুজূ‘করার) অধিক হকদার হবে। আর যদি মিলিত হওয়ার পূর্বে ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তবে সেই স্ত্রীকে রাখার কোন ইখতিয়ার তার নেই। মালিক (র) বলেন, এটাই উত্তম, যা আমি এই বিষয়ে শুনেছি। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করে, অতঃপর স্ত্রীকে তালাক প্রদান করে, তারপর তালাকের ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে চারমাস অতিবাহিত হয়, মালিক (র) বলেন : তখন যদি সে ঈলার উপর স্থির থাকে এবং প্রত্যাবর্তন না করে তবে এটা দুই তালাক বলে গণ্য হবে। আর যদি চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে তালাকের ইদ্দত খতম হয়ে যায়, তবে ‘ঈলা’ তালাক বলে গণ্য হবে না। কারণ, যে চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পর তাকে বাধ্য করা হতে সেই চারমাস (সময়) অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় সে আর তার স্ত্রী রইল না। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি একদিন অথবা একমাস স্ত্রীর সাথে বসবাস করবে না বলে হলফ করল, অতঃপর চার মাসের অধিক সময় এভাবে অতিবাহিত হল, তবে ইহা ঈলা বলে গণ্য হবে না। কারণ, চার মাসের অধিক সময় স্ত্রীর সাথে সহবাস করবে না বলে হলফ করাকে ঈলা গণ্য করা হয়। আর যে ব্যক্তি চারমাস অথবা ইহা হতে কম সময়ের জন্য হলফ করে আমি তাকে ঈলা বলে মনে করি না। কারণ, সে সময় অতিবাহিত হওয়ার পর, স্বামীকে বাধ্য করার নিয়ম রয়েছে তা অতিক্রম করার পূর্বে সে তার শপথ হতে বের হয়ে আসবে তখন তাকে আর বাধ্য করা যাবে না। মালিক (র) বলেন : বাচ্চার দুধ না ছাড়ান পর্যন্ত স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করবে বলে হলফ করলে তা ‘ঈলা’ বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবী তালীব (রা)-কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি এটা ‘ঈলা’ নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান ইবনু হাকাম (র) ফয়সালা দিতেন, যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করেছে, তবে চার মাস অতিবাহিত হলে তা এক তালাক বলে গণ্য হবে। ইদ্দতের ভিতর স্ত্রীর দিকে রুজূ করার ইখতিয়ার স্বামীর থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ইবনু শিহাব (যুহরী)-এর অভিমতও অনুরূপ ছিল। মালিক (র) বলেন : স্ত্রীর সাথে কোন লোক ‘ঈলা’ করলে তাকে বাধ্য করা হবে। চার মাস অতিবাহিত হলে সে স্ত্রীকে তালাক দিবে। অতঃপর যে রুজু করবে, তবে সে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে মিলিত না হলে এবং এইরূপে ইদ্দত খতম হয়ে গেলে সে আর রুজু করতে পারবে না। হ্যাঁ, যদি তার কোন ওযর থাকে, (যেমন) বন্দী থাকা, রোগ বা অনুরূপ অন্য কোন ‘ওযর, তবে (মৌখিকভাবে) তা রুজূ গ্রহণযোগ্য হবে। আর যদি ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর সে পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করে তাবে যদি সে স্ত্রীর সাথে মিলিত না হয় এবং সেই অবস্থায় চার মাস অতিবাহিত হয় তবে তাকে বাধ্য করা হবে। সে স্ত্রীর দিকে প্রত্যাবর্তন না করলে প্রথম ‘ঈলা’-র দ্বারা স্ত্রীর উপর তালাক প্রযোজ্য হবে না। চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পর আর স্ত্রীর দিকে রুজূ‘ করার ক্ষমতাও তার থাকবে না। কারণ সে বিবাহ করেছে এবং সহবাসের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে, এরূপ অবস্থাতে ইদ্দতও নাই এবং রুজূ‘র অধিকারও থাকবে না। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করেছে, চার মাসের পর সে ব্যক্তিকে বাধ্য করা হবে। সে তালাক প্রদান করবে অতঃপর রুজূ‘ করবে, কিন্তু (রুজূ‘করার পর) স্ত্রীর সাথে সঙ্গম না করলে তালাক প্রযোজ্য হবে না। আর যদি ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় তবে সে সেই স্ত্রীর (দিকে রুজূ‘করার) অধিক হকদার হবে। আর যদি মিলিত হওয়ার পূর্বে ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তবে সেই স্ত্রীকে রাখার কোন ইখতিয়ার তার নেই। মালিক (র) বলেন, এটাই উত্তম, যা আমি এই বিষয়ে শুনেছি। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি স্ত্রীর সাথে ‘ঈলা’ করে, অতঃপর স্ত্রীকে তালাক প্রদান করে, তারপর তালাকের ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে চারমাস অতিবাহিত হয়, মালিক (র) বলেন : তখন যদি সে ঈলার উপর স্থির থাকে এবং প্রত্যাবর্তন না করে তবে এটা দুই তালাক বলে গণ্য হবে। আর যদি চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে তালাকের ইদ্দত খতম হয়ে যায়, তবে ‘ঈলা’ তালাক বলে গণ্য হবে না। কারণ, যে চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পর তাকে বাধ্য করা হতে সেই চারমাস (সময়) অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় সে আর তার স্ত্রী রইল না। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি একদিন অথবা একমাস স্ত্রীর সাথে বসবাস করবে না বলে হলফ করল, অতঃপর চার মাসের অধিক সময় এভাবে অতিবাহিত হল, তবে ইহা ঈলা বলে গণ্য হবে না। কারণ, চার মাসের অধিক সময় স্ত্রীর সাথে সহবাস করবে না বলে হলফ করাকে ঈলা গণ্য করা হয়। আর যে ব্যক্তি চারমাস অথবা ইহা হতে কম সময়ের জন্য হলফ করে আমি তাকে ঈলা বলে মনে করি না। কারণ, সে সময় অতিবাহিত হওয়ার পর, স্বামীকে বাধ্য করার নিয়ম রয়েছে তা অতিক্রম করার পূর্বে সে তার শপথ হতে বের হয়ে আসবে তখন তাকে আর বাধ্য করা যাবে না। মালিক (র) বলেন : বাচ্চার দুধ না ছাড়ান পর্যন্ত স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করবে বলে হলফ করলে তা ‘ঈলা’ বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবী তালীব (রা)-কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি এটা ‘ঈলা’ নয় বলে মত প্রকাশ করেছেন।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كان يقضي في الرجل إذا آلى من امرأته أنها إذا مضت الأربعة الأشهر فهي تطليقة وله عليها الرجعة ما دامت في عدتها قال مالك وعلى ذلك كان رأي ابن شهاب قال مالك في الرجل يولي من امرأته فيوقف فيطلق عند انقضاء الأربعة الأشهر ثم يراجع امرأته أنه إن لم يصبها حتى تنقضي عدتها فلا سبيل له إليها ولا رجعة له عليها إلا أن يكون له عذر من مرض أو سجن أو ما أشبه ذلك من العذر فإن ارتجاعه إياها ثابت عليها فإن مضت عدتها ثم تزوجها بعد ذلك فإنه إن لم يصبها حتى تنقضي الأربعة الأشهر وقف أيضا فإن لم يفئ دخل عليه الطلاق بالإيلاء الأول إذا مضت الأربعة الأشهر ولم يكن له عليها رجعة لأنه نكحها ثم طلقها قبل أن يمسها فلا عدة له عليها ولا رجعة. قال مالك في الرجل يولي من امرأته فيوقف بعد الأربعة الأشهر فيطلق ثم يرتجع ولا يمسها فتنقضي أربعة أشهر قبل أن تنقضي عدتها إنه لا يوقف ولا يقع عليه طلاق وإنه إن أصابها قبل أن تنقضي عدتها كان أحق بها وإن مضت عدتها قبل أن يصيبها فلا سبيل له إليها وهذا أحسن ما سمعت في ذلك. قال مالك في الرجل يولي من امرأته ثم يطلقها فتنقضي الأربعة الأشهر قبل انقضاء عدة الطلاق قال هما تطليقتان إن هو وقف ولم يفئ وإن مضت عدة الطلاق قبل الأربعة الأشهر فليس الإيلاء بطلاق وذلك أن الأربعة الأشهر التي كانت توقف بعدها مضت وليست له يومئذ بامرأة. قال مالك ومن حلف أن لا يطأ امرأته يوما أو شهرا ثم مكث حتى ينقضي أكثر من الأربعة الأشهر فلا يكون ذلك إيلاء وإنما يوقف في الإيلاء من حلف على أكثر من الأربعة الأشهر فأما من حلف أن لا يطأ امرأته أربعة أشهر أو أدنى من ذلك فلا أرى عليه إيلاء لأنه إذا دخل الأجل الذي يوقف عنده خرج من يمينه ولم يكن عليه وقف قال مالك من حلف لامرأته أن لا يطأها حتى تفطم ولدها فإن ذلك لا يكون إيلاء وقد بلغني أن علي بن أبي طالب سئل عن ذلك فلم يره إيلاء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাসের ‘ঈলা’

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযাদ ব্যক্তির যিহার

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬১

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في رجل تظاهر من أربعة نسوة له بكلمة واحدة إنه ليس عليه إلا كفارة واحدة.

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

সেই ব্যক্তিকে একটি মাত্র কাফ্ফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) রবি’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ। মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা‘আলা তার কিতাবে যিহারের কাফ্ফারা সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন যে, স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে সে একটি ক্রীতদাস আযাদ করবে। যে ইহার সামর্থ্য রাখে না, সে স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে একাধারে দুই মাস রোযা পালন করবে। আর যে ব্যক্তি ইহারও ক্ষমতা রাখে না সে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে।

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

সেই ব্যক্তিকে একটি মাত্র কাফ্ফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) রবি’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ। মালিক (র) বলেন : আল্লাহ তা‘আলা তার কিতাবে যিহারের কাফ্ফারা সম্পর্কে ইরশাদ করেছেন যে, স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে সে একটি ক্রীতদাস আযাদ করবে। যে ইহার সামর্থ্য রাখে না, সে স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বে একাধারে দুই মাস রোযা পালন করবে। আর যে ব্যক্তি ইহারও ক্ষমতা রাখে না সে ষাটজন মিসকীনকে আহার করাবে।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في رجل تظاهر من أربعة نسوة له بكلمة واحدة إنه ليس عليه إلا كفارة واحدة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬০

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رجلا سأل القاسم بن محمد وسليمان بن يسار عن رجل تظاهر من امرأته قبل أن ينكحها فقالا إن نكحها فلا يمسها حتى يكفر كفارة المتظاهر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-এর নিকট প্রশ্ন করল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি এক স্ত্রীলোকের সাথে যিহার করেছে তাকে বিবাহ করার পূর্বে। তারা উভয়ে বললেন : যদি সেই স্ত্রীলোককে বিবাহ করে তাবে সে যিহারের কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত স্ত্রীকে স্পর্শও করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-এর নিকট প্রশ্ন করল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি এক স্ত্রীলোকের সাথে যিহার করেছে তাকে বিবাহ করার পূর্বে। তারা উভয়ে বললেন : যদি সেই স্ত্রীলোককে বিবাহ করে তাবে সে যিহারের কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত উক্ত স্ত্রীকে স্পর্শও করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رجلا سأل القاسم بن محمد وسليمان بن يسار عن رجل تظاهر من امرأته قبل أن ينكحها فقالا إن نكحها فلا يمسها حتى يكفر كفارة المتظاهر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৯

حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن عمرو بن سليم الزرقي أنه سأل القاسم بن محمد عن رجل طلق امرأة إن هو تزوجها فقال القاسم بن محمد إن رجلا جعل امرأة عليه كظهر أمه إن هو تزوجها فأمره عمر بن الخطاب إن هو تزوجها أن لا يقربها حتى يكفر كفارة المتظاهر.

সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সুলায়মান যুরাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে লোক স্ত্রীকে বলল : আমি তোমাকে বিবাহ করলে তুমি তালাক। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন : এক ব্যক্তি জনৈকা মহিলার সাথে এই বলে যিহার [১] করল, তার জন্য সে তার মাতার পিঠের তুল্য, যদি সে তাকে বিবাহ করে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) সেই ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন যে, যদি সে তাকে বিবাহ করে তবে যিহারকারীর মতো কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত সে যেন ঐ স্ত্রীর নিকট না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু আমর ইবনু সুলায়মান যুরাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে লোক স্ত্রীকে বলল : আমি তোমাকে বিবাহ করলে তুমি তালাক। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন : এক ব্যক্তি জনৈকা মহিলার সাথে এই বলে যিহার [১] করল, তার জন্য সে তার মাতার পিঠের তুল্য, যদি সে তাকে বিবাহ করে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) সেই ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলেন যে, যদি সে তাকে বিবাহ করে তবে যিহারকারীর মতো কাফ্ফারা না দেওয়া পর্যন্ত সে যেন ঐ স্ত্রীর নিকট না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن عمرو بن سليم الزرقي أنه سأل القاسم بن محمد عن رجل طلق امرأة إن هو تزوجها فقال القاسم بن محمد إن رجلا جعل امرأة عليه كظهر أمه إن هو تزوجها فأمره عمر بن الخطاب إن هو تزوجها أن لا يقربها حتى يكفر كفارة المتظاهر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৬২

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه سمع رجلا يسأل عروة بن الزبير عن رجل قال لامرأته كل امرأة أنكحها عليك ما عشت فهي علي كظهر أمي فقال عروة بن الزبير يجزيه عن ذلك عتق رقبة.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জনৈক লোককে উরওয়া ইবনু যুবায়র (র)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে নিজের স্ত্রীকে বলেছে “তুমি বেঁচে থাকা পর্যন্ত তোমার উপর যে কোন স্ত্রীলোককে আমি বিবাহ করি, সে আমার জন্য আমার জননীর পিঠের তুল্য।” উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) বললেন : এই উক্তির জন্য একটি ক্রীতদাসকে আযাদ করলেই যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জনৈক লোককে উরওয়া ইবনু যুবায়র (র)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে নিজের স্ত্রীকে বলেছে “তুমি বেঁচে থাকা পর্যন্ত তোমার উপর যে কোন স্ত্রীলোককে আমি বিবাহ করি, সে আমার জন্য আমার জননীর পিঠের তুল্য।” উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) বললেন : এই উক্তির জন্য একটি ক্রীতদাসকে আযাদ করলেই যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه سمع رجلا يسأل عروة بن الزبير عن رجل قال لامرأته كل امرأة أنكحها عليك ما عشت فهي علي كظهر أمي فقال عروة بن الزبير يجزيه عن ذلك عتق رقبة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00