মুয়াত্তা ইমাম মালিক > খালিয়্যা, বারিয়্যা এবং অনুরূপ অন্যান্য কিনায়া তালাকের জন্য প্রযোজ্য শব্দসমূহের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৪৬
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول في الخلية والبرية إنها ثلاث تطليقات كل واحدة منهما.
নাফি’ থেকে বর্নিতঃ
বারিয়্যা এবং খালিয়্যা উভয় শব্দের প্রত্যেকটির দ্বারা তিন তালাক প্রযোজ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ থেকে বর্নিতঃ
বারিয়্যা এবং খালিয়্যা উভয় শব্দের প্রত্যেকটির দ্বারা তিন তালাক প্রযোজ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول في الخلية والبرية إنها ثلاث تطليقات كل واحدة منهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৪৭
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أن رجلا كانت تحته وليدة لقوم فقال لأهلها شأنكم بها فرأى الناس أنها تطليقة واحدة.
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন এক গোত্রের দাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিল। সে ব্যক্তি উক্ত দাসীর অভিভাবকদের বলল : আপনারা তার দায়িত্বভার গ্রহণ করুন। এটা দ্বারা লোকেরা এক তালাক প্রদান করেছে বলে অনুমান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন এক গোত্রের দাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিল। সে ব্যক্তি উক্ত দাসীর অভিভাবকদের বলল : আপনারা তার দায়িত্বভার গ্রহণ করুন। এটা দ্বারা লোকেরা এক তালাক প্রদান করেছে বলে অনুমান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أن رجلا كانت تحته وليدة لقوم فقال لأهلها شأنكم بها فرأى الناس أنها تطليقة واحدة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৪৫
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب كان يقول في الرجل يقول لامرأته أنت علي حرام إنها ثلاث تطليقات قال مالك وذلك أحسن ما سمعت في ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে “তুমি আমার জন্য হারাম” এরূপ বলেছে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে আলী ইবনু আবি তালিব (রা) বলেছেন যে, উহা তিন তালাক গণ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই উত্তম।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে “তুমি আমার জন্য হারাম” এরূপ বলেছে সেই ব্যক্তি সম্পর্কে আলী ইবনু আবি তালিব (রা) বলেছেন যে, উহা তিন তালাক গণ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই উত্তম।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب كان يقول في الرجل يقول لامرأته أنت علي حرام إنها ثلاث تطليقات قال مالك وذلك أحسن ما سمعت في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৪৮
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول في الرجل يقول لامرأته برئت مني وبرئت منك إنها ثلاث تطليقات بمنزلة البتة. قال مالك في الرجل يقول لامرأته أنت خلية أو برية أو بائنة إنها ثلاث تطليقات للمرأة التي قد دخل بها ويدين في التي لم يدخل بها أواحدة أراد أم ثلاثا فإن قال واحدة أحلف على ذلك وكان خاطبا من الخطاب لأنه لا يخلي المرأة التي قد دخل بها زوجها ولا يبينها ولا يبريها إلا ثلاث تطليقات والتي لم يدخل بها تخليها وتبريها وتبينها الواحدة قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবন শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলল : “আমি তোমার হতে দায়িত্বমুক্ত হয়েছি। তুমিও আমার হতে দায়িত্বমুক্ত।” এটা দ্বারা তালাক-ই আল-বাত্তা-এর মতো তিন তালাক প্রযোজ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে বলল : “তুমি দায়িত্বমুক্ত” “তুমি আমা হতে পৃথক”। মালিক (র) বলেন : সে স্ত্রী যার সাথে সহবাস করা হয়েছে এরূপ হলে তবে তার স্বামীর উপরিউক্ত বাক্যগুলোর দ্বারা তার উপর তিন তালাক বর্তাবে। আর যদি স্ত্রী এমন হয় যার সাথে সহবাস করা হয়নি, তবে ধর্মত স্বামীকে বিশ্বাস করা হবে এবং তার কাছে জিজ্ঞেস করা হবে সে উপরিউক্ত বাক্যগুলো দ্বার এক তালাক উদ্দেশ্য করেছে, না তিন তালাক। যদি সে এক তালাক উদ্দেশ্য করেছে বলে প্রকাশ করে তা হলে এই বিষয়ে সেই ব্যক্তিকে হলফ দেয়া হবে। (যেহেতু স্বামীর উক্তির দ্বারা স্ত্রীর প্রতি এক তালাক বায়েন প্রযোজ্য হয়েছে, তাই পুনর্বিবাহ ছাড়া স্বামী সেই স্ত্রীকে গ্রহণ করতে পারবে না) তাই সে বিবাহের প্রস্তাবকারী হিসেবে অন্য লোকদের মতো একজন বলে গণ্য হবে। এর কারণ এই যে, যে স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করা হয়েছে সে স্ত্রী তিন তালাক ছাড়া দায়িত্বমুক্ত বা স্বামী হতে পৃথক হবে না। আর যার সাথে সঙ্গম হয়নি সে স্ত্রী এক তালাক দ্বারা দায়িত্বমুক্ত ও পৃথক হয়ে যায়। মালিক (র) বলেছেন : এ বিষয়ে যা আমি শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে উত্তম।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবন শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলল : “আমি তোমার হতে দায়িত্বমুক্ত হয়েছি। তুমিও আমার হতে দায়িত্বমুক্ত।” এটা দ্বারা তালাক-ই আল-বাত্তা-এর মতো তিন তালাক প্রযোজ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে বলল : “তুমি দায়িত্বমুক্ত” “তুমি আমা হতে পৃথক”। মালিক (র) বলেন : সে স্ত্রী যার সাথে সহবাস করা হয়েছে এরূপ হলে তবে তার স্বামীর উপরিউক্ত বাক্যগুলোর দ্বারা তার উপর তিন তালাক বর্তাবে। আর যদি স্ত্রী এমন হয় যার সাথে সহবাস করা হয়নি, তবে ধর্মত স্বামীকে বিশ্বাস করা হবে এবং তার কাছে জিজ্ঞেস করা হবে সে উপরিউক্ত বাক্যগুলো দ্বার এক তালাক উদ্দেশ্য করেছে, না তিন তালাক। যদি সে এক তালাক উদ্দেশ্য করেছে বলে প্রকাশ করে তা হলে এই বিষয়ে সেই ব্যক্তিকে হলফ দেয়া হবে। (যেহেতু স্বামীর উক্তির দ্বারা স্ত্রীর প্রতি এক তালাক বায়েন প্রযোজ্য হয়েছে, তাই পুনর্বিবাহ ছাড়া স্বামী সেই স্ত্রীকে গ্রহণ করতে পারবে না) তাই সে বিবাহের প্রস্তাবকারী হিসেবে অন্য লোকদের মতো একজন বলে গণ্য হবে। এর কারণ এই যে, যে স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করা হয়েছে সে স্ত্রী তিন তালাক ছাড়া দায়িত্বমুক্ত বা স্বামী হতে পৃথক হবে না। আর যার সাথে সঙ্গম হয়নি সে স্ত্রী এক তালাক দ্বারা দায়িত্বমুক্ত ও পৃথক হয়ে যায়। মালিক (র) বলেছেন : এ বিষয়ে যা আমি শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে উত্তম।
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول في الرجل يقول لامرأته برئت مني وبرئت منك إنها ثلاث تطليقات بمنزلة البتة. قال مالك في الرجل يقول لامرأته أنت خلية أو برية أو بائنة إنها ثلاث تطليقات للمرأة التي قد دخل بها ويدين في التي لم يدخل بها أواحدة أراد أم ثلاثا فإن قال واحدة أحلف على ذلك وكان خاطبا من الخطاب لأنه لا يخلي المرأة التي قد دخل بها زوجها ولا يبينها ولا يبريها إلا ثلاث تطليقات والتي لم يدخل بها تخليها وتبريها وتبينها الواحدة قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৪৪
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أنه كتب إلى عمر بن الخطاب من العراق أن رجلا قال لامرأته حبلك على غاربك فكتب عمر بن الخطاب إلى عامله أن مره يوافيني بمكة في الموسم فبينما عمر يطوف بالبيت إذ لقيه الرجل فسلم عليه فقال عمر من أنت فقال أنا الذي أمرت أن أجلب عليك فقال له عمر أسألك برب هذه البنية ما أردت بقولك حبلك على غاربك فقال له الرجل لو استحلفتني في غير هذا المكان ما صدقتك أردت بذلك الفراق فقال عمر بن الخطاب هو ما أردت.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইরাক হতে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট লেখা হল যে, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলেছে حَبْلُكِ عَلَى غَارِبِكِ [তোমার রজ্জু তোমার ঘাড়ে] ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তার নিযুক্ত ইরাকের প্রশাসকের নিকট পত্র লিখলেন হজ্জ মওসুমে সে ব্যক্তিকে আমার সাথে মিলিত হতে নির্দেশ দাও। উমার যখন বায়তুল্লাহর তওয়াফ করেছিলেন তখন এক ব্যক্তি তাঁর সম্মুখে এসে সালাম করল। ‘উমার বললেন, তুমি কে? সে ব্যক্তি বলল, আমি সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তিকে আপনার নিকট (হজ্জ মওসুমে) উপস্থিত হতে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। তারপর ‘উমার (রা) বললেন, এই (পবিত্র কাবা) গৃহের মালিকের কসম দিয়ে তোমাকে আমি প্রশ্ন করছি যে, তুমি তোমার সেই বক্তব্য حَبْلُكِ عَلَى غَارِبِكِ হবে এর দ্বারা কি উদ্দেশ্য করেছ? সেই ব্যক্তি বলল, এই স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও আপনি আমাকে হলফ করালে আমি সত্য কথা বলতাম না। আমি (এই বক্তব্য দ্বারা স্ত্রীকে) বিদায় (দেয়া)-এর নিয়্যত করেছি। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, তুমি যা নিয়্যত করেছ তাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইরাক হতে ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট লেখা হল যে, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলেছে حَبْلُكِ عَلَى غَارِبِكِ [তোমার রজ্জু তোমার ঘাড়ে] ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তার নিযুক্ত ইরাকের প্রশাসকের নিকট পত্র লিখলেন হজ্জ মওসুমে সে ব্যক্তিকে আমার সাথে মিলিত হতে নির্দেশ দাও। উমার যখন বায়তুল্লাহর তওয়াফ করেছিলেন তখন এক ব্যক্তি তাঁর সম্মুখে এসে সালাম করল। ‘উমার বললেন, তুমি কে? সে ব্যক্তি বলল, আমি সেই ব্যক্তি, যে ব্যক্তিকে আপনার নিকট (হজ্জ মওসুমে) উপস্থিত হতে নির্দেশ প্রদান করেছিলেন। তারপর ‘উমার (রা) বললেন, এই (পবিত্র কাবা) গৃহের মালিকের কসম দিয়ে তোমাকে আমি প্রশ্ন করছি যে, তুমি তোমার সেই বক্তব্য حَبْلُكِ عَلَى غَارِبِكِ হবে এর দ্বারা কি উদ্দেশ্য করেছ? সেই ব্যক্তি বলল, এই স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও আপনি আমাকে হলফ করালে আমি সত্য কথা বলতাম না। আমি (এই বক্তব্য দ্বারা স্ত্রীকে) বিদায় (দেয়া)-এর নিয়্যত করেছি। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, তুমি যা নিয়্যত করেছ তাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أنه كتب إلى عمر بن الخطاب من العراق أن رجلا قال لامرأته حبلك على غاربك فكتب عمر بن الخطاب إلى عامله أن مره يوافيني بمكة في الموسم فبينما عمر يطوف بالبيت إذ لقيه الرجل فسلم عليه فقال عمر من أنت فقال أنا الذي أمرت أن أجلب عليك فقال له عمر أسألك برب هذه البنية ما أردت بقولك حبلك على غاربك فقال له الرجل لو استحلفتني في غير هذا المكان ما صدقتك أردت بذلك الفراق فقال عمر بن الخطاب هو ما أردت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্ত্রীকে তালাকের অধিকার প্রদানের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৪৯
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رجلا جاء إلى عبد الله بن عمر فقال يا أبا عبد الرحمن إني جعلت أمر امرأتي في يدها فطلقت نفسها فماذا ترى فقال عبد الله بن عمر أراه كما قالت، فقال الرجل لا تفعل يا أبا عبد الرحمن فقال ابن عمر أنا أفعل أنت فعلته.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ্ ইবন উমার (রা)-এর কাছে এসে বলল : হে আবূ আবদুর রহমান! আমি আমার স্ত্রীর হস্তে তার অধিকার ন্যস্ত করেছি। সে নিজকে তালাক প্রদান করেছে : এই বিষয়ে আপনার কি অভিমত? ইবনু ‘উমার (রা) বললেন : আমার মতে যেমন বলেছে তেমন হবে। সে ব্যক্তি বলল : হে আবূ আবদুর রহমান! এরূপ করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু উমার বললেন : আমি করিতেছি, না তুমি করেছ (অর্থাৎ স্ত্রীর হাতে ক্ষমতা প্রদান করলে কেন)?
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ্ ইবন উমার (রা)-এর কাছে এসে বলল : হে আবূ আবদুর রহমান! আমি আমার স্ত্রীর হস্তে তার অধিকার ন্যস্ত করেছি। সে নিজকে তালাক প্রদান করেছে : এই বিষয়ে আপনার কি অভিমত? ইবনু ‘উমার (রা) বললেন : আমার মতে যেমন বলেছে তেমন হবে। সে ব্যক্তি বলল : হে আবূ আবদুর রহমান! এরূপ করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু উমার বললেন : আমি করিতেছি, না তুমি করেছ (অর্থাৎ স্ত্রীর হাতে ক্ষমতা প্রদান করলে কেন)?
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رجلا جاء إلى عبد الله بن عمر فقال يا أبا عبد الرحمن إني جعلت أمر امرأتي في يدها فطلقت نفسها فماذا ترى فقال عبد الله بن عمر أراه كما قالت، فقال الرجل لا تفعل يا أبا عبد الرحمن فقال ابن عمر أنا أفعل أنت فعلته.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫০
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: إذا ملك الرجل امرأته أمرها فالقضاء ما قضت به إلا أن ينكر عليها ويقول لم أرد إلا واحدة فيحلف على ذلك ويكون أملك بها ما كانت في عدتها.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন : যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (তালাকের) ক্ষমতা প্রদান করে তবে (এক বা একাধিক তালাকের ব্যাপারে) স্ত্রীর ফয়সালাই ফয়সালা। হ্যাঁ, সে যদি উহা অস্বীকার করে এবং বলে, আমি এক তালাক ছাড়া অন্য কিছু উদ্দেশ্য করিনি এবং সেই মতে সে হলফ করেও বলে, তবে ইদ্দতের সময়ের মধ্যে স্ত্রীর অধিকার বিবেচিত হবে স্বামী (অর্থাৎ ইচ্ছা করলে স্বামী স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন : যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (তালাকের) ক্ষমতা প্রদান করে তবে (এক বা একাধিক তালাকের ব্যাপারে) স্ত্রীর ফয়সালাই ফয়সালা। হ্যাঁ, সে যদি উহা অস্বীকার করে এবং বলে, আমি এক তালাক ছাড়া অন্য কিছু উদ্দেশ্য করিনি এবং সেই মতে সে হলফ করেও বলে, তবে ইদ্দতের সময়ের মধ্যে স্ত্রীর অধিকার বিবেচিত হবে স্বামী (অর্থাৎ ইচ্ছা করলে স্বামী স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: إذا ملك الرجل امرأته أمرها فالقضاء ما قضت به إلا أن ينكر عليها ويقول لم أرد إلا واحدة فيحلف على ذلك ويكون أملك بها ما كانت في عدتها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে অধিকার প্রদানে এক তালাক ওয়াজিব হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫১
حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن سليمان بن زيد بن ثابت عن خارجة بن زيد بن ثابت أنه أخبره أنه كان جالسا عند زيد بن ثابت فأتاه محمد بن أبي عتيق وعيناه تدمعان فقال له زيد ما شأنك فقال ملكت امرأتي أمرها ففارقتني فقال له زيد ما حملك على ذلك قال القدر فقال زيد ارتجعها إن شئت فإنما هي واحدة وأنت أملك بها.
খারিজা ইবনু যায়দ ইবনু সাবিত (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর কাছে বসা ছিলেন। এই সময় তার কাছে মুহাম্মাদ ইবনু আবী আতীক এলেন। তার চক্ষুদ্বয় অশ্র“সিক্ত ছিল, যায়দ তাঁর উদ্দেশ্যে বললেন : তোমার ব্যাপার কি? তিনি বললেন : আমার স্ত্রীকে আমি ক্ষমতা প্রদান করেছিলাম। সে আমাকে পরিত্যাগ করেছে। যায়দ বললেন : এইরূপ ক্ষমতা কি জন্য প্রদান করলে? তিনি বললেন : তকদীর। যায়দ বললেন : তুমি স্ত্রীর দিকে প্রত্যাবর্তন কর যদি তোমার ইচ্ছা হয়, কারণ উহা এক তালাক মাত্র। তুমি সেই স্ত্রীর অধিক হকদার। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
খারিজা ইবনু যায়দ ইবনু সাবিত (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর কাছে বসা ছিলেন। এই সময় তার কাছে মুহাম্মাদ ইবনু আবী আতীক এলেন। তার চক্ষুদ্বয় অশ্র“সিক্ত ছিল, যায়দ তাঁর উদ্দেশ্যে বললেন : তোমার ব্যাপার কি? তিনি বললেন : আমার স্ত্রীকে আমি ক্ষমতা প্রদান করেছিলাম। সে আমাকে পরিত্যাগ করেছে। যায়দ বললেন : এইরূপ ক্ষমতা কি জন্য প্রদান করলে? তিনি বললেন : তকদীর। যায়দ বললেন : তুমি স্ত্রীর দিকে প্রত্যাবর্তন কর যদি তোমার ইচ্ছা হয়, কারণ উহা এক তালাক মাত্র। তুমি সেই স্ত্রীর অধিক হকদার। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن سعيد بن سليمان بن زيد بن ثابت عن خارجة بن زيد بن ثابت أنه أخبره أنه كان جالسا عند زيد بن ثابت فأتاه محمد بن أبي عتيق وعيناه تدمعان فقال له زيد ما شأنك فقال ملكت امرأتي أمرها ففارقتني فقال له زيد ما حملك على ذلك قال القدر فقال زيد ارتجعها إن شئت فإنما هي واحدة وأنت أملك بها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫২
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن رجلا من ثقيف ملك امرأته أمرها فقالت أنت الطلاق فسكت ثم قالت أنت الطلاق فقال بفيك الحجر ثم قالت أنت الطلاق فقال بفاك الحجر فاختصما إلى مروان بن الحكم فاستحلفه ما ملكها إلا واحدة وردها إليه قال مالك قال عبد الرحمن فكان القاسم يعجبه هذا القضاء ويراه أحسن ما سمع في ذلك قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك وأحبه إلي.
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ইবন আবী বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (তালাকের) ক্ষমতা প্রদান করল। সেই স্ত্রী বলল : তোমাকে তালাক। স্বামী চুপ রইল। স্ত্রী পুনরায় বলল : তোমাকে তালাক। সে ব্যক্তি বলল : তোমার মুখে প্রস্তর (পতিত হোক)। স্ত্রী পুনরায় বলল : তোমাকে তালাক। সে বলল : তোমার মুখে পাথর। উভয়ে বিচার প্রার্থী হয়ে মারওয়ান ইবন হাকামের কাছে উপস্থিত হল। মারওয়ান স্বামীর নিকট হতে এই বিষয়ে হলফ তলব করল যে, সে স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা প্রয়োগের দ্বারা এক তালাক ব্যতীত অন্য কিছু উদ্দেশ্য করেনি। অতঃপর স্ত্রীকে তার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ‘আবদুর রহমান (র) বলেছেন : কাসিম (র) এই ফয়সালা খুব পছন্দ করতেন এবং এই বিষয়ে যা শুনেছেন তন্মধ্যে এটাকে উত্তম বলে গণ্য করতেন। মালিক (র) বলেন : আমি এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই সর্বোত্তম এবং আমার নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয়।
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ইবন আবী বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (তালাকের) ক্ষমতা প্রদান করল। সেই স্ত্রী বলল : তোমাকে তালাক। স্বামী চুপ রইল। স্ত্রী পুনরায় বলল : তোমাকে তালাক। সে ব্যক্তি বলল : তোমার মুখে প্রস্তর (পতিত হোক)। স্ত্রী পুনরায় বলল : তোমাকে তালাক। সে বলল : তোমার মুখে পাথর। উভয়ে বিচার প্রার্থী হয়ে মারওয়ান ইবন হাকামের কাছে উপস্থিত হল। মারওয়ান স্বামীর নিকট হতে এই বিষয়ে হলফ তলব করল যে, সে স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা প্রয়োগের দ্বারা এক তালাক ব্যতীত অন্য কিছু উদ্দেশ্য করেনি। অতঃপর স্ত্রীকে তার কাছে ফিরিয়ে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ‘আবদুর রহমান (র) বলেছেন : কাসিম (র) এই ফয়সালা খুব পছন্দ করতেন এবং এই বিষয়ে যা শুনেছেন তন্মধ্যে এটাকে উত্তম বলে গণ্য করতেন। মালিক (র) বলেন : আমি এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই সর্বোত্তম এবং আমার নিকট সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয়।
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن رجلا من ثقيف ملك امرأته أمرها فقالت أنت الطلاق فسكت ثم قالت أنت الطلاق فقال بفيك الحجر ثم قالت أنت الطلاق فقال بفاك الحجر فاختصما إلى مروان بن الحكم فاستحلفه ما ملكها إلا واحدة وردها إليه قال مالك قال عبد الرحمن فكان القاسم يعجبه هذا القضاء ويراه أحسن ما سمع في ذلك قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك وأحبه إلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ক্ষমতা প্রদান তালাকের কারণ হয় না তার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৩
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها خطبت على عبد الرحمن بن أبي بكر قريبة بنت أبي أمية فزوجوه ثم إنهم عتبوا على عبد الرحمن وقالوا ما زوجنا إلا عائشة فأرسلت عائشة إلى عبد الرحمن فذكرت ذلك له فجعل أمر قريبة بيدها فاختارت زوجها فلم يكن ذلك طلاقا.
কাসিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবী বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আয়িশা (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুর রহমান ইবনু আবী বাকর (রা)-এর জন্য কুরায়যা বিনত আবী উমাইয়ার বিবাহের প্রস্তাব করলেন, (কন্যা কর্তৃপক্ষ) তাঁর কাছে বিবাহ দিলেন। তারপর (কোন কারণে) তাঁরা আবদুর রহমানের উপর অসন্তুষ্ট হলেন [১] এবং তারা বললেন : আমরা আয়িশা (রা)-এর কারণে বিবাহে সম্মত হয়েছি। ‘আয়িশা (রা) আবদুর রহমানের কাছে লোক প্রেরণ করলেন এবং তাদের বক্তব্য অবহিত করলেন। আবদুর রহমান কুরায়যার বিষয় কুরায়যার উপর ন্যস্ত করলেন। কুরায়যা (রা) তাঁর স্বামীকে গ্রহণ করলেন। [২] ইহা তালাক বলে গণ্য হল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
কাসিম ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবী বাকর (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আয়িশা (রা) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুর রহমান ইবনু আবী বাকর (রা)-এর জন্য কুরায়যা বিনত আবী উমাইয়ার বিবাহের প্রস্তাব করলেন, (কন্যা কর্তৃপক্ষ) তাঁর কাছে বিবাহ দিলেন। তারপর (কোন কারণে) তাঁরা আবদুর রহমানের উপর অসন্তুষ্ট হলেন [১] এবং তারা বললেন : আমরা আয়িশা (রা)-এর কারণে বিবাহে সম্মত হয়েছি। ‘আয়িশা (রা) আবদুর রহমানের কাছে লোক প্রেরণ করলেন এবং তাদের বক্তব্য অবহিত করলেন। আবদুর রহমান কুরায়যার বিষয় কুরায়যার উপর ন্যস্ত করলেন। কুরায়যা (রা) তাঁর স্বামীকে গ্রহণ করলেন। [২] ইহা তালাক বলে গণ্য হল না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها خطبت على عبد الرحمن بن أبي بكر قريبة بنت أبي أمية فزوجوه ثم إنهم عتبوا على عبد الرحمن وقالوا ما زوجنا إلا عائشة فأرسلت عائشة إلى عبد الرحمن فذكرت ذلك له فجعل أمر قريبة بيدها فاختارت زوجها فلم يكن ذلك طلاقا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৪
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زوجت حفصة بنت عبد الرحمن المنذر بن الزبير وعبد الرحمن غائب بالشام فلما قدم عبد الرحمن قال ومثلي يصنع هذا به ومثلي يفتات عليه فكلمت عائشة المنذر بن الزبير فقال المنذر فإن ذلك بيد عبد الرحمن فقال عبد الرحمن ما كنت لأرد أمرا قضيته فقرت حفصة عند المنذر ولم يكن ذلك طلاقا.
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমানের কন্যা হাফসাকে মুনযির ইবনু যুবায়র-এর নিকট বিবাহ দিলেন। আবদুর রহমান ছিলেন তখন সিরিয়াতে (তিনি তাই এই বিবাহে অনুপস্থিত ছিলেন)। আবদুর রহমান যখন সিরিয়া হতে প্রত্যাবর্তন করলেন (এবং এই বিবাহের সংবাদ অবগত হলেন) তিনি বললেন : আমার মতো লোকের সাথে ইহা করা হল, আমার ব্যাপারে আমাকে উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হল। অতঃপর আয়িশা (রা) মুনযির ইবনু যুবায়র-এর সাথে আলোচনা করলেন। মুনযির বললেন : আবদুর রহমানের হাতেই এর (এই বিবাহ বহাল রাখা না রাখার) ক্ষমতা রয়েছে। আবদুর রহমান বললেন : যে ব্যাপারে আপনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন আমি তাকে পরিবর্তন করব না, তাই হাফসা মুনযিরের কাছেই রইলেন এবং ইহা তালাক বলে গণ্য হয়নি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমানের কন্যা হাফসাকে মুনযির ইবনু যুবায়র-এর নিকট বিবাহ দিলেন। আবদুর রহমান ছিলেন তখন সিরিয়াতে (তিনি তাই এই বিবাহে অনুপস্থিত ছিলেন)। আবদুর রহমান যখন সিরিয়া হতে প্রত্যাবর্তন করলেন (এবং এই বিবাহের সংবাদ অবগত হলেন) তিনি বললেন : আমার মতো লোকের সাথে ইহা করা হল, আমার ব্যাপারে আমাকে উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হল। অতঃপর আয়িশা (রা) মুনযির ইবনু যুবায়র-এর সাথে আলোচনা করলেন। মুনযির বললেন : আবদুর রহমানের হাতেই এর (এই বিবাহ বহাল রাখা না রাখার) ক্ষমতা রয়েছে। আবদুর রহমান বললেন : যে ব্যাপারে আপনি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন আমি তাকে পরিবর্তন করব না, তাই হাফসা মুনযিরের কাছেই রইলেন এবং ইহা তালাক বলে গণ্য হয়নি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم زوجت حفصة بنت عبد الرحمن المنذر بن الزبير وعبد الرحمن غائب بالشام فلما قدم عبد الرحمن قال ومثلي يصنع هذا به ومثلي يفتات عليه فكلمت عائشة المنذر بن الزبير فقال المنذر فإن ذلك بيد عبد الرحمن فقال عبد الرحمن ما كنت لأرد أمرا قضيته فقرت حفصة عند المنذر ولم يكن ذلك طلاقا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৫৫
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر وأبا هريرة سئلا عن الرجل يملك امرأته أمرها فترد بذلك إليه ولا تقضي فيه شيئا فقالا ليس ذلك بطلاق ১৭و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال إذا ملك الرجل امرأته أمرها فلم تفارقه وقرت عنده فليس ذلك بطلاق ২قال مالك في المملكة إذا ملكها زوجها أمرها ثم افترقا ولم تقبل من ذلك شيئا فليس بيدها من ذلك شيء وهو لها ما داما في مجلسهما.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার এবং আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি স্ত্রীকে তার নিজের বিষয়ে ইখতিয়ার দিয়েছে। স্ত্রী উক্ত ক্ষমতা স্বামীর দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে এবং এই ব্যাপারে নিজে ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি। (এটার কি হুকুম) তাঁরা উভয়ে বললেন, ইহা তালাক নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলেন : কোন ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তার (বিবাহ বিচ্ছেদের ব্যাপারে) ক্ষমতা প্রদান করলে সে যদি স্বামীকে ত্যাগ না করে এবং তার স্ত্রীরূপে বহাল থাকে, তবে এটা তালাক বলে গণ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যেই স্ত্রীলোকের প্রতি তার স্বামী ক্ষমতা অর্পণ করল, অতঃপর তারা উভয়ে মজলিস ত্যাগ করে পৃথক হয়ে গেল। স্ত্রী সেই ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। তবে সেই স্ত্রীর হাতে আর কোন ক্ষমতা থাকবে না। তার হাতে ততক্ষণ ক্ষমতা থাকবে যতক্ষণ তারা সেই মসজিস ত্যাগ না করে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার এবং আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি স্ত্রীকে তার নিজের বিষয়ে ইখতিয়ার দিয়েছে। স্ত্রী উক্ত ক্ষমতা স্বামীর দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে এবং এই ব্যাপারে নিজে ক্ষমতা প্রয়োগ করেনি। (এটার কি হুকুম) তাঁরা উভয়ে বললেন, ইহা তালাক নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলেন : কোন ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তার (বিবাহ বিচ্ছেদের ব্যাপারে) ক্ষমতা প্রদান করলে সে যদি স্বামীকে ত্যাগ না করে এবং তার স্ত্রীরূপে বহাল থাকে, তবে এটা তালাক বলে গণ্য হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যেই স্ত্রীলোকের প্রতি তার স্বামী ক্ষমতা অর্পণ করল, অতঃপর তারা উভয়ে মজলিস ত্যাগ করে পৃথক হয়ে গেল। স্ত্রী সেই ক্ষমতা গ্রহণ করেনি। তবে সেই স্ত্রীর হাতে আর কোন ক্ষমতা থাকবে না। তার হাতে ততক্ষণ ক্ষমতা থাকবে যতক্ষণ তারা সেই মসজিস ত্যাগ না করে।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر وأبا هريرة سئلا عن الرجل يملك امرأته أمرها فترد بذلك إليه ولا تقضي فيه شيئا فقالا ليس ذلك بطلاق ১৭و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال إذا ملك الرجل امرأته أمرها فلم تفارقه وقرت عنده فليس ذلك بطلاق ২قال مالك في المملكة إذا ملكها زوجها أمرها ثم افترقا ولم تقبل من ذلك شيئا فليس بيدها من ذلك شيء وهو لها ما داما في مجلسهما.