মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিবাহ সম্পর্কিত বিষয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৩৪

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا تزوج أحدكم المرأة أو اشترى الجارية فليأخذ بناصيتها وليدع بالبركة وإذا اشترى البعير فليأخذ بذروة سنامه وليستعذ بالله من الشيطان.

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোককে বিবাহ করলে অথবা দাসী ক্রয় করলে তবে উহার ললাট (কপালের উপরের চুল) ধরে বরকতের দু’আ করবে। আর উট ক্রয় করলে তবে উহার কোহান (উটের পিঠের কুঁজ)-এর উপরিভাগ ধরে অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় চাইবে। (হাসান, আবূ দাঊদ ২১৬০, ইবনু মাজাহ ১৯১৮, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ আল জামে ৩৬০] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোককে বিবাহ করলে অথবা দাসী ক্রয় করলে তবে উহার ললাট (কপালের উপরের চুল) ধরে বরকতের দু’আ করবে। আর উট ক্রয় করলে তবে উহার কোহান (উটের পিঠের কুঁজ)-এর উপরিভাগ ধরে অভিশপ্ত শয়তান হতে আল্লাহর আশ্রয় চাইবে। (হাসান, আবূ দাঊদ ২১৬০, ইবনু মাজাহ ১৯১৮, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ আল জামে ৩৬০] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا تزوج أحدكم المرأة أو اشترى الجارية فليأخذ بناصيتها وليدع بالبركة وإذا اشترى البعير فليأخذ بذروة سنامه وليستعذ بالله من الشيطان.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৩৭

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير أفتيا الوليد بن عبد الملك عام قدم المدينة بذلك غير أن القاسم بن محمد قال طلقها في مجالس شتى.

রবী’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ এবং উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) তাঁরা উভয়ে ওয়ালীদ ইবনু আবদুল মালিকের নিকট যে বৎসর তিনি মদীনাতে আগমন করেছিলেন সেই বৎসর অনুরূপ ফতওয়া দিয়েছেন। তবে কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ এই প্রসঙ্গে স্ত্রীকে (একত্রে না দিয়ে) বিভিন্ন মজলিসে তিন তালাক দেওয়ার কথা তাঁর নিকট উল্লেখ করেছেন।

রবী’আ ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ এবং উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) তাঁরা উভয়ে ওয়ালীদ ইবনু আবদুল মালিকের নিকট যে বৎসর তিনি মদীনাতে আগমন করেছিলেন সেই বৎসর অনুরূপ ফতওয়া দিয়েছেন। তবে কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ এই প্রসঙ্গে স্ত্রীকে (একত্রে না দিয়ে) বিভিন্ন মজলিসে তিন তালাক দেওয়ার কথা তাঁর নিকট উল্লেখ করেছেন।

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير أفتيا الوليد بن عبد الملك عام قدم المدينة بذلك غير أن القاسم بن محمد قال طلقها في مجالس شتى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৩৬

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير كانا يقولان في الرجل يكون عنده أربع نسوة فيطلق إحداهن البتة أنه يتزوج إن شاء ولا ينتظر أن تنقضي عدتها.

রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ এবং উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) তাঁরা উভয়ে বলতেন : যে ব্যক্তির চারজন স্ত্রী রয়েছে এবং সে উহাদের একজনকে তালাক আল-বাত্তা (তিন তালাক) প্রদান করেছে। এমতাবস্থায় সে ব্যক্তি ইচ্ছা করলে বিবাহ করতে পারবে। (তালাকপ্রাপ্তা) স্ত্রীর ইদ্দত শেষ হওয়ার অপেক্ষা করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ এবং উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (র) তাঁরা উভয়ে বলতেন : যে ব্যক্তির চারজন স্ত্রী রয়েছে এবং সে উহাদের একজনকে তালাক আল-বাত্তা (তিন তালাক) প্রদান করেছে। এমতাবস্থায় সে ব্যক্তি ইচ্ছা করলে বিবাহ করতে পারবে। (তালাকপ্রাপ্তা) স্ত্রীর ইদ্দত শেষ হওয়ার অপেক্ষা করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن القاسم بن محمد وعروة بن الزبير كانا يقولان في الرجل يكون عنده أربع نسوة فيطلق إحداهن البتة أنه يتزوج إن شاء ولا ينتظر أن تنقضي عدتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৩৮

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال: ثلاث ليس فيهن لعب النكاح والطلاق والعتق.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিন (প্রকার) বস্তুতে বিদ্রূপ নাই । (১) নিকাহ, (২) তালাক, (৩) মুক্তি প্রদন। (সহীহ মারফু, হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবূ দাঊদ মারফু সনদে বর্ণনা করেন ২১৯৪, তিরমিযী ১১৮৪, ইবনু মাজাহ ২০৩৯, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৩০২৭])

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিন (প্রকার) বস্তুতে বিদ্রূপ নাই । (১) নিকাহ, (২) তালাক, (৩) মুক্তি প্রদন। (সহীহ মারফু, হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন, ইমাম আবূ দাঊদ মারফু সনদে বর্ণনা করেন ২১৯৪, তিরমিযী ১১৮৪, ইবনু মাজাহ ২০৩৯, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৩০২৭])

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال: ثلاث ليس فيهن لعب النكاح والطلاق والعتق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৩৫

و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن رجلا خطب إلى رجل أخته فذكر أنها قد كانت أحدثت فبلغ ذلك عمر بن الخطاب فضربه أو كاد يضربه ثم قال ما لك وللخبر.

আবূয-যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অন্য এক লোকের নিকট ভগ্নীর বিবাহের পয়গাম দিয়েছে। সেই ব্যক্তির নিকট কেউ উল্লেখ করল যে, উক্ত স্ত্রীলোক ব্যভিচার করেছে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এই সংবাদ পৌঁছালে তিনি সেই লোককে মারলেন অথবা মারতে উদ্যত হলেন। অতঃপর বললেন : তোমার এই খবর বলার কি প্রয়োজন ছিল? (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূয-যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অন্য এক লোকের নিকট ভগ্নীর বিবাহের পয়গাম দিয়েছে। সেই ব্যক্তির নিকট কেউ উল্লেখ করল যে, উক্ত স্ত্রীলোক ব্যভিচার করেছে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এই সংবাদ পৌঁছালে তিনি সেই লোককে মারলেন অথবা মারতে উদ্যত হলেন। অতঃপর বললেন : তোমার এই খবর বলার কি প্রয়োজন ছিল? (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن رجلا خطب إلى رجل أخته فذكر أنها قد كانت أحدثت فبلغ ذلك عمر بن الخطاب فضربه أو كاد يضربه ثم قال ما لك وللخبر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৩৯

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن رافع بن خديج أنه تزوج بنت محمد بن مسلمة الأنصاري فكانت عنده حتى كبرت فتزوج عليها فتاة شابة فآثر الشابة عليها فناشدته الطلاق فطلقها واحدة ثم أمهلها حتى إذا كادت تحل راجعها ثم عاد فآثر الشابة فناشدته الطلاق فطلقها واحدة ثم راجعها ثم عاد فآثر الشابة فناشدته الطلاق فقال ما شئت إنما بقيت واحدة فإن شئت استقررت على ما ترين من الأثرة وإن شئت فارقتك قالت بل أستقر على الأثرة فأمسكها على ذلك ولم ير رافع عليه إثما حين قرت عنده على الأثرة.

রাফি’ ইবনু খাদীজ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা আনসারীর কন্যাকে বিবাহ করেন। সে তাঁর স্ত্রীরূপে থাকতেই বৃদ্ধা হয়। রাফি’ সেই বৃদ্ধা স্ত্রীর বর্তমানে আর একজন যুবতীকে বিবাহ করেন এবং পূর্ব স্ত্রী অপেক্ষা যুবতী স্ত্রীর দিকে অধিক ঝুকে পড়েন। বয়োপ্রাপ্তা স্ত্রী তাঁর নিকট তালাক কামনা করেন আল্লাহর কসম দিয়ে। তিনি স্ত্রীকে এক তালাক দিলেন। অতঃপর তাকে অবকাশ দিয়ে রাখলেন। যখন ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার সময় সন্নিকট হল তার দিকে প্রত্যাবর্তন করলেন। কিন্তু তিনি পুনরায় যুবতী স্ত্রীর দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়লেন। ফলে প্রথম স্ত্রী কসম দিয়ে তালাক কামনা করেন। আবার তাকে এক তালাক দিলেন। ইদ্দত যাওয়ার পূর্বে আবার প্রত্যাবর্তন করলেন (অর্থাৎ পুনরায় স্ত্রীর ন্যায় গ্রহণ করলেন)। অতঃপর পুনরায় যুবতী স্ত্রীর দিকে বেশি ঝুকে পড়েন। ফলে প্রথমা স্ত্রী আল্লাহর কসম দিয়ে আবার তালাক কামনা করে। তখন তিনি বললেন : চিন্তা করে দেখ, এখন মাত্র আর এক তালাক অবশিষ্ট আছে। যুবতী স্ত্রীর দিকে মনোযোগ বেশি থাকবে তা তুমি লক্ষ্য করেছো। এই অবস্থার উপর ইচ্ছা করলে থাকতে পার। আর ইচ্ছা হলে বিবাহ বিচ্ছেদও করতে পার। স্ত্রী উত্তর দিল : আমাকে এভাবেই থাকতে দাও; ফলে তাকে এইরূপে রাখা হয়। রাফি উহাতে কোন ক্ষতি মনে করতেন না। যখন সে (স্ত্রী) স্বেচ্ছায় এই অবস্থায় থাকতে রাজী হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

রাফি’ ইবনু খাদীজ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামা আনসারীর কন্যাকে বিবাহ করেন। সে তাঁর স্ত্রীরূপে থাকতেই বৃদ্ধা হয়। রাফি’ সেই বৃদ্ধা স্ত্রীর বর্তমানে আর একজন যুবতীকে বিবাহ করেন এবং পূর্ব স্ত্রী অপেক্ষা যুবতী স্ত্রীর দিকে অধিক ঝুকে পড়েন। বয়োপ্রাপ্তা স্ত্রী তাঁর নিকট তালাক কামনা করেন আল্লাহর কসম দিয়ে। তিনি স্ত্রীকে এক তালাক দিলেন। অতঃপর তাকে অবকাশ দিয়ে রাখলেন। যখন ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার সময় সন্নিকট হল তার দিকে প্রত্যাবর্তন করলেন। কিন্তু তিনি পুনরায় যুবতী স্ত্রীর দিকে আকৃষ্ট হয়ে পড়লেন। ফলে প্রথম স্ত্রী কসম দিয়ে তালাক কামনা করেন। আবার তাকে এক তালাক দিলেন। ইদ্দত যাওয়ার পূর্বে আবার প্রত্যাবর্তন করলেন (অর্থাৎ পুনরায় স্ত্রীর ন্যায় গ্রহণ করলেন)। অতঃপর পুনরায় যুবতী স্ত্রীর দিকে বেশি ঝুকে পড়েন। ফলে প্রথমা স্ত্রী আল্লাহর কসম দিয়ে আবার তালাক কামনা করে। তখন তিনি বললেন : চিন্তা করে দেখ, এখন মাত্র আর এক তালাক অবশিষ্ট আছে। যুবতী স্ত্রীর দিকে মনোযোগ বেশি থাকবে তা তুমি লক্ষ্য করেছো। এই অবস্থার উপর ইচ্ছা করলে থাকতে পার। আর ইচ্ছা হলে বিবাহ বিচ্ছেদও করতে পার। স্ত্রী উত্তর দিল : আমাকে এভাবেই থাকতে দাও; ফলে তাকে এইরূপে রাখা হয়। রাফি উহাতে কোন ক্ষতি মনে করতেন না। যখন সে (স্ত্রী) স্বেচ্ছায় এই অবস্থায় থাকতে রাজী হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن رافع بن خديج أنه تزوج بنت محمد بن مسلمة الأنصاري فكانت عنده حتى كبرت فتزوج عليها فتاة شابة فآثر الشابة عليها فناشدته الطلاق فطلقها واحدة ثم أمهلها حتى إذا كادت تحل راجعها ثم عاد فآثر الشابة فناشدته الطلاق فطلقها واحدة ثم راجعها ثم عاد فآثر الشابة فناشدته الطلاق فقال ما شئت إنما بقيت واحدة فإن شئت استقررت على ما ترين من الأثرة وإن شئت فارقتك قالت بل أستقر على الأثرة فأمسكها على ذلك ولم ير رافع عليه إثما حين قرت عنده على الأثرة.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00