মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ব্যক্তি এমন মহিলার মালিক হয় পূর্বে যে মহিলা তার স্ত্রী ছিল এবং তাকে তালাক দিয়েছে এ সম্পর্কে হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن رجل زوج عبدا له جارية فطلقها العبد البتة ثم وهبها سيدها له فهل تحل له بملك اليمين فقالا لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি তার এক ক্রীতদাসের নিকট তার দাসীকে বিবাহ দিয়েছে। অতঃপর ক্রীতদাস (স্বামী) উহাকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর সেই দাসীকে তার কর্তা হিবা (দান) করলেন তালাকদাতা ক্রীতদাসের নিকট। তবে দাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার কারণে এই দাসী সেই ক্রীতদাসের জন্য হালাল হবে কি? তাঁরা উভয়ে বললেন : না, যাবত স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি তার এক ক্রীতদাসের নিকট তার দাসীকে বিবাহ দিয়েছে। অতঃপর ক্রীতদাস (স্বামী) উহাকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর সেই দাসীকে তার কর্তা হিবা (দান) করলেন তালাকদাতা ক্রীতদাসের নিকট। তবে দাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার কারণে এই দাসী সেই ক্রীতদাসের জন্য হালাল হবে কি? তাঁরা উভয়ে বললেন : না, যাবত স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن رجل زوج عبدا له جارية فطلقها العبد البتة ثم وهبها سيدها له فهل تحل له بملك اليمين فقالا لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১২
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي عبد الرحمن عن زيد بن ثابت أنه كان يقول في الرجل يطلق الأمة ثلاثا ثم يشتريها إنها لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
যাইদ ইবনু সাবিত (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি দাসী স্ত্রীকে (তার স্ত্রী থাকা অবস্থায়) তিন তালাক প্রদান করে, পরে সে উহাকে ক্রয় করে নেয়; সেই দাসী সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না, যাবৎ সে দাসী (ইদ্দতের পর) অন্য স্বামীকে বিবাহ না করে। (অর্থাৎ প্রথমাবস্থায় সে অন্যের দাসী ও তার স্ত্রী ছিল। পরে সে তালাক দিয়ে উহাকে ক্রয় করে নেয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
যাইদ ইবনু সাবিত (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি দাসী স্ত্রীকে (তার স্ত্রী থাকা অবস্থায়) তিন তালাক প্রদান করে, পরে সে উহাকে ক্রয় করে নেয়; সেই দাসী সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না, যাবৎ সে দাসী (ইদ্দতের পর) অন্য স্বামীকে বিবাহ না করে। (অর্থাৎ প্রথমাবস্থায় সে অন্যের দাসী ও তার স্ত্রী ছিল। পরে সে তালাক দিয়ে উহাকে ক্রয় করে নেয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي عبد الرحمن عن زيد بن ثابت أنه كان يقول في الرجل يطلق الأمة ثلاثا ثم يشتريها إنها لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৪
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن رجل كانت تحته أمة مملوكة فاشتراها وقد كان طلقها واحدة فقال تحل له بملك يمينه ما لم يبت طلاقها فإن بت طلاقها فلا تحل له بملك يمينه حتى تنكح زوجا غيره ১৯৭১-قال مالك في الرجل ينكح الأمة فتلد منه ثم يبتاعها إنها لا تكون أم ولد له بذلك الولد الذي ولدت منه وهي لغيره حتى تلد منه وهي في ملكه بعد ابتياعه إياها قال مالك وإن اشتراها وهي حامل منه ثم وضعت عنده كانت أم ولده بذلك الحمل فيما نرى والله أعلم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব যুহরী (র)-কে প্রশ্ন করলেন এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যার অধীনে (বিবাহ সূত্রে) অন্যের ক্রীতদাসী ছিল, পরে সে উহাকে ক্রয় করেছে। (ক্রয় করার পূর্বে) সে উহাকে এক তালাক দিয়েছিল। (এখন তার জন্য উক্ত স্ত্রীলোকটি হালাল হবে কি?) ইবনু শিহাব (র) বললেন : (মিলকে ইয়ামীন) ক্রয়ের মাধ্যমে দাসদাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার দ্বারা সেই দাসী উক্ত ব্যক্তির জন্য হালাল হবে তিন তালাক না দেওয়া পর্যন্ত। আর যদি দিয়ে থাকে তবে তার জন্য উক্ত দাসী মিলকে ইয়ামীনের দ্বারা হালাল হবে না, যাবৎ সে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি (অন্যের) ক্রীতদাসীকে বিবাহ করে এবং তার সন্তান জন্মে। অতঃপর সেই দাসীকে সে ক্রয় করে। সন্তান হওয়ার দরুন এই ক্রীতদাসী তার উম্মে ওয়ালাদ [১] হবে না। কারণ সে অন্যের ক্রীতদাসী। তবে উহাকে ক্রয় করার পর তার (এই) মালিকের স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সেই ক্রীতদাসী সন্তান জন্ম দিলে উম্মে ওয়ালাদ হবে। মালিক (র) বলেন : যদি উক্ত ক্রীতদাসকে ক্রয় করে এবং সেই দাসী তার দ্বারা অন্তঃসত্বা হয়। অতঃপর তারই স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সে সন্তান জন্ম দেয় তবে আমাদের মতে গর্ভ ধারণের কারণে এই দাসী উম্মে ওয়ালাদ বলে গণ্য হবে। আল্লাহই ভাল জানেন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব যুহরী (র)-কে প্রশ্ন করলেন এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যার অধীনে (বিবাহ সূত্রে) অন্যের ক্রীতদাসী ছিল, পরে সে উহাকে ক্রয় করেছে। (ক্রয় করার পূর্বে) সে উহাকে এক তালাক দিয়েছিল। (এখন তার জন্য উক্ত স্ত্রীলোকটি হালাল হবে কি?) ইবনু শিহাব (র) বললেন : (মিলকে ইয়ামীন) ক্রয়ের মাধ্যমে দাসদাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার দ্বারা সেই দাসী উক্ত ব্যক্তির জন্য হালাল হবে তিন তালাক না দেওয়া পর্যন্ত। আর যদি দিয়ে থাকে তবে তার জন্য উক্ত দাসী মিলকে ইয়ামীনের দ্বারা হালাল হবে না, যাবৎ সে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি (অন্যের) ক্রীতদাসীকে বিবাহ করে এবং তার সন্তান জন্মে। অতঃপর সেই দাসীকে সে ক্রয় করে। সন্তান হওয়ার দরুন এই ক্রীতদাসী তার উম্মে ওয়ালাদ [১] হবে না। কারণ সে অন্যের ক্রীতদাসী। তবে উহাকে ক্রয় করার পর তার (এই) মালিকের স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সেই ক্রীতদাসী সন্তান জন্ম দিলে উম্মে ওয়ালাদ হবে। মালিক (র) বলেন : যদি উক্ত ক্রীতদাসকে ক্রয় করে এবং সেই দাসী তার দ্বারা অন্তঃসত্বা হয়। অতঃপর তারই স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সে সন্তান জন্ম দেয় তবে আমাদের মতে গর্ভ ধারণের কারণে এই দাসী উম্মে ওয়ালাদ বলে গণ্য হবে। আল্লাহই ভাল জানেন।
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن رجل كانت تحته أمة مملوكة فاشتراها وقد كان طلقها واحدة فقال تحل له بملك يمينه ما لم يبت طلاقها فإن بت طلاقها فلا تحل له بملك يمينه حتى تنكح زوجا غيره ১৯৭১-قال مالك في الرجل ينكح الأمة فتلد منه ثم يبتاعها إنها لا تكون أم ولد له بذلك الولد الذي ولدت منه وهي لغيره حتى تلد منه وهي في ملكه بعد ابتياعه إياها قال مالك وإن اشتراها وهي حامل منه ثم وضعت عنده كانت أم ولده بذلك الحمل فيما نرى والله أعلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে দুই বোনের সাথে মিলিত হওয়া এবং স্ত্রী ও তার কন্যার সাথে একত্রে মিলিত হওয়া হারাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن الزبير بن العوام مثل ذلك ১৯৭৬-قال مالك في الأمة تكون عند الرجل فيصيبها ثم يريد أن يصيب أختها إنها لا تحل له حتى يحرم عليه فرج أختها بنكاح أو عتاقة أو كتابة أو ما أشبه ذلك يزوجها عبده أو غير عبده.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তির নিকট এক ক্রীতদাসী আছে। সে উহার সহিত সংগত হয়ে থাকে। অতঃপর সেই দাসীর বোনের সহিত সংগত হতে ইচ্ছা করল। ইহা সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না যাবৎ এর বোন তার জন্য হারাম না হয়; (পূর্ববর্তী বোনকে) অন্যের নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে অথবা আযাদ করে দিয়ে অথবা এই ধরনের অন্য কোন উপায়ে কিংবা এই দাসীকে তার ক্রীতদাস অথবা অন্য কারো নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তির নিকট এক ক্রীতদাসী আছে। সে উহার সহিত সংগত হয়ে থাকে। অতঃপর সেই দাসীর বোনের সহিত সংগত হতে ইচ্ছা করল। ইহা সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না যাবৎ এর বোন তার জন্য হারাম না হয়; (পূর্ববর্তী বোনকে) অন্যের নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে অথবা আযাদ করে দিয়ে অথবা এই ধরনের অন্য কোন উপায়ে কিংবা এই দাসীকে তার ক্রীতদাস অথবা অন্য কারো নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে।
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن الزبير بن العوام مثل ذلك ১৯৭৬-قال مالك في الأمة تكون عند الرجل فيصيبها ثم يريد أن يصيب أختها إنها لا تحل له حتى يحرم عليه فرج أختها بنكاح أو عتاقة أو كتابة أو ما أشبه ذلك يزوجها عبده أو غير عبده.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৫
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أبيه أن عمر بن الخطاب سئل عن المرأة وابنتها من ملك اليمين توطأ إحداهما بعد الأخرى فقال عمر ما أحب أن أخبرهما جميعا ونهى عن ذلك.
উবায়দুল্লাহ্ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উৎবা ইবনু মাসঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক ও তার কন্যা সম্পর্কে যাদের উভয়কে ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে পর্যায়ক্রমে সহবাস করা হয়েছে। উমার (রা) বললেন : উভয়কে একত্র করে পর্যায়ক্রমে সহবাস করাকে আমি পছন্দ করি না। তিনি এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উবায়দুল্লাহ্ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উৎবা ইবনু মাসঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক ও তার কন্যা সম্পর্কে যাদের উভয়কে ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে পর্যায়ক্রমে সহবাস করা হয়েছে। উমার (রা) বললেন : উভয়কে একত্র করে পর্যায়ক্রমে সহবাস করাকে আমি পছন্দ করি না। তিনি এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أبيه أن عمر بن الخطاب سئل عن المرأة وابنتها من ملك اليمين توطأ إحداهما بعد الأخرى فقال عمر ما أحب أن أخبرهما جميعا ونهى عن ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৬
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن قبيصة بن ذؤيب أن رجلا سأل عثمان بن عفان عن الأختين من ملك اليمين هل يجمع بينهما فقال عثمان أحلتهما آية وحرمتهما آية فأما أنا فلا أحب أن أصنع ذلك قال فخرج من عنده فلقي رجلا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله عن ذلك فقال لو كان لي من الأمر شيء ثم وجدت أحدا فعل ذلك لجعلته نكالا قال ابن شهاب أراه علي بن أبي طالب.
কাবীসা ইবনু যুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি উসমান ইবনু আফ্ফান (রা)-কে এমন দুই বোন সম্পর্কে প্রশ্ন করল যে দুই বোনের ক্রয়সূত্রে (কেউ) মালিক হয়েছে। এমতাবস্থায় উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া যাবে কি? উসমান (রা) বললেন : উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া (কুরআনুল) এক আয়াত অনুযায়ী হালাল করা হয়েছে। আবার অন্য আয়াত অনুযায়ী একে হারাম করা হয়েছে। তাই আমি একে (দুই বোনের সঙ্গে একত্রে সংগত হওয়া) পছন্দ করি না। প্রশ্নকারী ব্যক্তি তাঁর নিকট হতে প্রস্থান করার পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্য একজন সাহাবীর সঙ্গে সাক্ষাত হল। তখন সে এই বিষয়ে তাঁর নিকট প্রশ্ন করল। তিনি বললেন : লোকের উপর যদি আমার অধিকার থাকত তবে কাউকেও এইরূপ করতে পাইলে আমি তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেন : আমি মনে করি এই সাহাবী আলী ইবনু আবূ তালিব (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যুবাইর ইবনু আউয়াম (রা) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত তাঁর নিকট পৌঁছেছে।
কাবীসা ইবনু যুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি উসমান ইবনু আফ্ফান (রা)-কে এমন দুই বোন সম্পর্কে প্রশ্ন করল যে দুই বোনের ক্রয়সূত্রে (কেউ) মালিক হয়েছে। এমতাবস্থায় উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া যাবে কি? উসমান (রা) বললেন : উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া (কুরআনুল) এক আয়াত অনুযায়ী হালাল করা হয়েছে। আবার অন্য আয়াত অনুযায়ী একে হারাম করা হয়েছে। তাই আমি একে (দুই বোনের সঙ্গে একত্রে সংগত হওয়া) পছন্দ করি না। প্রশ্নকারী ব্যক্তি তাঁর নিকট হতে প্রস্থান করার পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্য একজন সাহাবীর সঙ্গে সাক্ষাত হল। তখন সে এই বিষয়ে তাঁর নিকট প্রশ্ন করল। তিনি বললেন : লোকের উপর যদি আমার অধিকার থাকত তবে কাউকেও এইরূপ করতে পাইলে আমি তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেন : আমি মনে করি এই সাহাবী আলী ইবনু আবূ তালিব (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যুবাইর ইবনু আউয়াম (রা) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত তাঁর নিকট পৌঁছেছে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن قبيصة بن ذؤيب أن رجلا سأل عثمان بن عفان عن الأختين من ملك اليمين هل يجمع بينهما فقال عثمان أحلتهما آية وحرمتهما آية فأما أنا فلا أحب أن أصنع ذلك قال فخرج من عنده فلقي رجلا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله عن ذلك فقال لو كان لي من الأمر شيء ثم وجدت أحدا فعل ذلك لجعلته نكالا قال ابن شهاب أراه علي بن أبي طالب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পিতার দাসীর সাথে সহবাস নিষিদ্ধ হওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৮
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب وهب لابنه جارية فقال لا تمسها فإني قد كشفتها. و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن المجبر أنه قال وهب سالم بن عبد الله لابنه جارية فقال لا تقربها فإني قد أردتها فلم أنشط إليها
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাঁর পুত্রকে একটি দাসী দান করলেন। এবং বলে দিলেন : তুমি একে স্পর্শ (সহবাস) করো না। কারণ আমি উহার পর্দা উন্মোচন করেছি (অর্থাৎ সহবাস করেছি)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) আবদুর রহমান ইবনু মুজাব্বার [১] (র) বলেন : মালিক ইবনু আব্দুল্লাহ (র) তাঁর এক পুত্রকে একটি দাসী দান করলেন এবং তিনি পুত্রকে বলে দিলেন, তুমি এর নিকট গমন (সহবাস) করো না, কারণ আমি উহার সাথে সংগত হওয়ার ইচ্ছা করেছি। সুতরাং আমি তোমাকে উহার সহিত মিলিত হওয়ার অনুমতি দিতে পারি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাঁর পুত্রকে একটি দাসী দান করলেন। এবং বলে দিলেন : তুমি একে স্পর্শ (সহবাস) করো না। কারণ আমি উহার পর্দা উন্মোচন করেছি (অর্থাৎ সহবাস করেছি)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) আবদুর রহমান ইবনু মুজাব্বার [১] (র) বলেন : মালিক ইবনু আব্দুল্লাহ (র) তাঁর এক পুত্রকে একটি দাসী দান করলেন এবং তিনি পুত্রকে বলে দিলেন, তুমি এর নিকট গমন (সহবাস) করো না, কারণ আমি উহার সাথে সংগত হওয়ার ইচ্ছা করেছি। সুতরাং আমি তোমাকে উহার সহিত মিলিত হওয়ার অনুমতি দিতে পারি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب وهب لابنه جارية فقال لا تمسها فإني قد كشفتها. و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن المجبر أنه قال وهب سالم بن عبد الله لابنه جارية فقال لا تقربها فإني قد أردتها فلم أنشط إليها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৯
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن أبا نهشل بن الأسود قال للقاسم بن محمد إني رأيت جارية لي منكشفا عنها وهي في القمر فجلست منها مجلس الرجل من امرأته فقالت إني حائض فقمت فلم أقربها بعد أفأهبها لابني يطؤها فنهاه القاسم عن ذلك.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ নাহ্শল ইব্নু আসওয়াদ, কাসেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে বললেন : আমার এক দাসীকে চাঁদনী রাতে পরিচ্ছেদ খোলা অবস্থায় দেখেছি। সংগত হওয়ার উদ্দেশ্যে কোন পুরুষ তার স্ত্রীর নিকট যেভাবে বসে আমিও উহার নিকট সেইরূপ বসলাম। সে দাসী বলল : আমি ঋতুমতী। এটা শুনে আমি তার সাথে সংগত হলাম না। এখন আমি উহাকে সহবাসের জন্য আমার পুত্রকে দান করতে চাই কিন্তু কাসেম তাঁকে এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ নাহ্শল ইব্নু আসওয়াদ, কাসেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে বললেন : আমার এক দাসীকে চাঁদনী রাতে পরিচ্ছেদ খোলা অবস্থায় দেখেছি। সংগত হওয়ার উদ্দেশ্যে কোন পুরুষ তার স্ত্রীর নিকট যেভাবে বসে আমিও উহার নিকট সেইরূপ বসলাম। সে দাসী বলল : আমি ঋতুমতী। এটা শুনে আমি তার সাথে সংগত হলাম না। এখন আমি উহাকে সহবাসের জন্য আমার পুত্রকে দান করতে চাই কিন্তু কাসেম তাঁকে এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن أبا نهشل بن الأسود قال للقاسم بن محمد إني رأيت جارية لي منكشفا عنها وهي في القمر فجلست منها مجلس الرجل من امرأته فقالت إني حائض فقمت فلم أقربها بعد أفأهبها لابني يطؤها فنهاه القاسم عن ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১২০
و حدثني عن مالك عن إبراهيم بن أبي عبلة عن عبد الملك بن مروان أنه وهب لصاحب له جارية ثم سأله عنها فقال قد هممت أن أهبها لابني فيفعل بها كذا وكذا فقال عبد الملك لمروان كان أورع منك وهب لابنه جارية ثم قال لا تقربها فإني قد رأيت ساقها منكشفة.
ইবরাহীম ইবনু আবি ‘আবলা (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান তাঁর এক সঙ্গীকে একটি দাসী দান করলেন। তারপর তাঁর নিকট উহার অবস্থা জিজ্ঞেস করলেন। উত্তরে তিনি বললেন [১] : আমি উহা আমার পুত্রকে দান করতে ইচ্ছা করেছি। সে উহার সহিত এমন এমন (অর্থাৎ সহবাস) করবে। আবদুল মালিক বললেন : মারওয়ান তোমার তুলনায় অধিক সাবধানী ছিলেন। তিনি তাঁর পুত্রকে একটি দাসী দান করলেন। অতঃপর বলে দিলেন : তুমি এর নিকট গমন (সহবাস) করো না। কারণ, আমি উহার হাটু অনাবৃত অবস্থায় দেখেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবরাহীম ইবনু আবি ‘আবলা (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান তাঁর এক সঙ্গীকে একটি দাসী দান করলেন। তারপর তাঁর নিকট উহার অবস্থা জিজ্ঞেস করলেন। উত্তরে তিনি বললেন [১] : আমি উহা আমার পুত্রকে দান করতে ইচ্ছা করেছি। সে উহার সহিত এমন এমন (অর্থাৎ সহবাস) করবে। আবদুল মালিক বললেন : মারওয়ান তোমার তুলনায় অধিক সাবধানী ছিলেন। তিনি তাঁর পুত্রকে একটি দাসী দান করলেন। অতঃপর বলে দিলেন : তুমি এর নিকট গমন (সহবাস) করো না। কারণ, আমি উহার হাটু অনাবৃত অবস্থায় দেখেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن إبراهيم بن أبي عبلة عن عبد الملك بن مروان أنه وهب لصاحب له جارية ثم سأله عنها فقال قد هممت أن أهبها لابني فيفعل بها كذا وكذا فقال عبد الملك لمروان كان أورع منك وهب لابنه جارية ثم قال لا تقربها فإني قد رأيت ساقها منكشفة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিতাবীগণের দাসীকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।