মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিভিন্ন অবৈধ বিবাহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار والشغار أن يزوج الرجل ابنته على أن يزوجه الآخر ابنته ليس بينهما صداق.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকাহ শিগারকে নিষিদ্ধ করেছেন। শিগার হচ্ছে : কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে এই শর্তে অন্যের নিকট বিবাহ দিচ্ছে যে, কন্যার জামাতা ব্যক্তিটি তার আপন কন্যাকে ঐ ব্যক্তির নিকট (যার কন্যাকে সে নিজে বিবাহ করেছে তার নিকট অর্থাৎ শ্বশুরের নিকট) বিবাহ দিবে। আর এতদুভয়ের মধ্যে কোন মহরও ধার্য করা হয়নি। (বুখারী ৫১১২, মুসলিম ১৪১৫)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকাহ শিগারকে নিষিদ্ধ করেছেন। শিগার হচ্ছে : কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে এই শর্তে অন্যের নিকট বিবাহ দিচ্ছে যে, কন্যার জামাতা ব্যক্তিটি তার আপন কন্যাকে ঐ ব্যক্তির নিকট (যার কন্যাকে সে নিজে বিবাহ করেছে তার নিকট অর্থাৎ শ্বশুরের নিকট) বিবাহ দিবে। আর এতদুভয়ের মধ্যে কোন মহরও ধার্য করা হয়নি। (বুখারী ৫১১২, মুসলিম ১৪১৫)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار والشغار أن يزوج الرجل ابنته على أن يزوجه الآخر ابنته ليس بينهما صداق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৭
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عبد الرحمن ومجمع ابني يزيد بن جارية الأنصاري عن خنساء بنت خدام الأنصارية أن أباها زوجها وهي ثيب فكرهت ذلك فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد نكاحه.
ইয়াযিদ ইবনু জারিয়াহ আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যখন অকুমারী (সাইয়্যিব) ছিলেন তখন তার পিতা তাকে বিবাহ দিলেন। তিনি এ বিবাহকে পছন্দ করলেন না। তাই তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে এলেন (এবং তাঁর অসন্তুষ্টির কথা জানালেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই বিবাহকে রদ করে দিলেন। (সহীহ, বুখারী ৫১৩৮)
ইয়াযিদ ইবনু জারিয়াহ আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যখন অকুমারী (সাইয়্যিব) ছিলেন তখন তার পিতা তাকে বিবাহ দিলেন। তিনি এ বিবাহকে পছন্দ করলেন না। তাই তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে এলেন (এবং তাঁর অসন্তুষ্টির কথা জানালেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই বিবাহকে রদ করে দিলেন। (সহীহ, বুখারী ৫১৩৮)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عبد الرحمن ومجمع ابني يزيد بن جارية الأنصاري عن خنساء بنت خدام الأنصارية أن أباها زوجها وهي ثيب فكرهت ذلك فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد نكاحه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৮
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن عمر بن الخطاب أتي بنكاح لم يشهد عليه إلا رجل وامرأة فقال هذا نكاح السر ولا أجيزه ولو كنت تقدمت فيه لرجمت.
আবূ যুবাইর মাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এমন একটি বিবাহের ঘটনা উপস্থিত করা হল, যে বিবাহে একজন পুরুষ ও একজন নারী ব্যতীত অন্য কোন সাক্ষী ছিল না। তিনি বললেন : এটা গোপন বিবাহ। আমি একে জায়েয বলি না। যদি আমার এ সিদ্ধান্ত আমি পূর্বে প্রকাশ করতাম তবে আমি তোমাকে শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ যুবাইর মাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এমন একটি বিবাহের ঘটনা উপস্থিত করা হল, যে বিবাহে একজন পুরুষ ও একজন নারী ব্যতীত অন্য কোন সাক্ষী ছিল না। তিনি বললেন : এটা গোপন বিবাহ। আমি একে জায়েয বলি না। যদি আমার এ সিদ্ধান্ত আমি পূর্বে প্রকাশ করতাম তবে আমি তোমাকে শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن عمر بن الخطاب أتي بنكاح لم يشهد عليه إلا رجل وامرأة فقال هذا نكاح السر ولا أجيزه ولو كنت تقدمت فيه لرجمت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৯
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وعن سليمان بن يسار أن طليحة الأسدية كانت تحت رشيد الثقفي فطلقها فنكحت في عدتها فضربها عمر بن الخطاب وضرب زوجها بالمخفقة ضربات وفرق بينهما ثم قال عمر بن الخطاب أيما امرأة نكحت في عدتها فإن كان زوجها الذي تزوجها لم يدخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من زوجها الأول ثم كان الآخر خاطبا من الخطاب وإن كان دخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من الأول ثم اعتدت من الآخر ثم لا يجتمعان أبدا قال مالك وقال سعيد بن المسيب ولها مهرها بما استحل منها ১৯৬২-قال مالك الأمر عندنا في المرأة الحرة يتوفى عنها زوجها فتعتد أربعة أشهر وعشرا إنها لا تنكح إن ارتابت من حيضتها حتى تستبرئ نفسها من تلك الريبة إذا خافت الحمل.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তুলায়হা আসদিয়া রুশাইদ ছাক্বাফী (রা)-এর স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাঁকে তালাক দিলেন। তারপর তুলায়হা ইদ্দতের ভিতরে বিবাহ করলেন। এই কারণে উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাকে এবং তার স্বামীকে কয়েকটি চাবুক মারলেন এবং উভয়কে পৃথক করে দিলেন। তারপর উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন : যে স্ত্রীলোক ইদ্দতের ভিতর বিবাহ করিয়াছে, বিবাহকারী তার সেই স্বামী যদি তার সাথে সহবাস না করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। তারপর স্ত্রীলোকটি প্রথম স্বামীর পক্ষের অসম্পূর্ণ ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামী স্বাভাবিক নিয়মে বিবাহের প্রস্তাবকারীগণের মধ্যে একজন প্রস্তাবকারী হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি দ্বিতীয় ব্যক্তি তার সাথে সহবাস করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করা হবে। তারপর প্রথম স্বামীর (পক্ষের) অবশিষ্ট ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামীর ইদ্দত পূর্ণ করবে। আর তাঁরা (দ্বিতীয় স্বামী ও স্ত্রী) উভয়ে আর কখনো মিলিত হতে পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন : সেই স্ত্রীলোক মহর-এর হকদার হবে। কারণ তার সঙ্গে (বিবাহের মাধ্যমে) সহবাস করা হয়েছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের সিদ্ধান্ত হল, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, এমন স্বাধীন নারী চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। আর তার হায়েযের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় গর্ভধারণের আশংকা দেখা দিলে সে নারী সন্দেহমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ করবে না।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তুলায়হা আসদিয়া রুশাইদ ছাক্বাফী (রা)-এর স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাঁকে তালাক দিলেন। তারপর তুলায়হা ইদ্দতের ভিতরে বিবাহ করলেন। এই কারণে উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাকে এবং তার স্বামীকে কয়েকটি চাবুক মারলেন এবং উভয়কে পৃথক করে দিলেন। তারপর উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন : যে স্ত্রীলোক ইদ্দতের ভিতর বিবাহ করিয়াছে, বিবাহকারী তার সেই স্বামী যদি তার সাথে সহবাস না করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। তারপর স্ত্রীলোকটি প্রথম স্বামীর পক্ষের অসম্পূর্ণ ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামী স্বাভাবিক নিয়মে বিবাহের প্রস্তাবকারীগণের মধ্যে একজন প্রস্তাবকারী হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি দ্বিতীয় ব্যক্তি তার সাথে সহবাস করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করা হবে। তারপর প্রথম স্বামীর (পক্ষের) অবশিষ্ট ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামীর ইদ্দত পূর্ণ করবে। আর তাঁরা (দ্বিতীয় স্বামী ও স্ত্রী) উভয়ে আর কখনো মিলিত হতে পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন : সেই স্ত্রীলোক মহর-এর হকদার হবে। কারণ তার সঙ্গে (বিবাহের মাধ্যমে) সহবাস করা হয়েছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের সিদ্ধান্ত হল, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, এমন স্বাধীন নারী চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। আর তার হায়েযের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় গর্ভধারণের আশংকা দেখা দিলে সে নারী সন্দেহমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ করবে না।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وعن سليمان بن يسار أن طليحة الأسدية كانت تحت رشيد الثقفي فطلقها فنكحت في عدتها فضربها عمر بن الخطاب وضرب زوجها بالمخفقة ضربات وفرق بينهما ثم قال عمر بن الخطاب أيما امرأة نكحت في عدتها فإن كان زوجها الذي تزوجها لم يدخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من زوجها الأول ثم كان الآخر خاطبا من الخطاب وإن كان دخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من الأول ثم اعتدت من الآخر ثم لا يجتمعان أبدا قال مالك وقال سعيد بن المسيب ولها مهرها بما استحل منها ১৯৬২-قال مالك الأمر عندنا في المرأة الحرة يتوفى عنها زوجها فتعتد أربعة أشهر وعشرا إنها لا تنكح إن ارتابت من حيضتها حتى تستبرئ نفسها من تلك الريبة إذا خافت الحمل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযাদ স্ত্রীর উপর দাসীকে বিবাহ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১০
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس وعبد الله بن عمر سئلا عن رجل كانت تحته امرأة حرة فأراد أن ينكح عليها أمة فكرها أن يجمع بينهما.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস ও আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তির নিকট আযাদ স্ত্রী ছিল, এমতাবস্থায় সে দাসীকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করল। উত্তরে তারা উভয়ে বললেন : আযাদ স্ত্রী [১] ও দাসীকে স্ত্রী হিসাবে একত্র করাকে আমরা পছন্দ করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস ও আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তির নিকট আযাদ স্ত্রী ছিল, এমতাবস্থায় সে দাসীকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করল। উত্তরে তারা উভয়ে বললেন : আযাদ স্ত্রী [১] ও দাসীকে স্ত্রী হিসাবে একত্র করাকে আমরা পছন্দ করি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس وعبد الله بن عمر سئلا عن رجل كانت تحته امرأة حرة فأراد أن ينكح عليها أمة فكرها أن يجمع بينهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১১
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول لا تنكح الأمة على الحرة إلا أن تشاء الحرة فإن طاعت الحرة فلها الثلثان من القسم ১৯৬৬-قال مالك ولا ينبغي لحر أن يتزوج أمة وهو يجد طولا لحرة ولا يتزوج أمة إذا لم يجد طولا لحرة إلا أن يخشى العنت وذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { ومن لم يستطع منكم طولا أن ينكح المحصنات المؤمنات فمما ملكت أيمانكم من فتياتكم المؤمنات } وقال { ذلك لمن خشي العنت منكم } قال مالك والعنت هو الزنا.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, আযাদ স্ত্রী থাকতে তাহার অনুমতি ব্যতীত দাসী বিবাহ করা যাবে না, আযাদ স্ত্রী অনুমতি দিলে তিনি বন্টনে দুই-তৃতীয়াংশের অধিকার লাভ করবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : কোন আযাদ ব্যক্তির উচিত নয় ক্রীত দাসীকে বিবাহ করা, যদি আযাদ মহিলাকে বিবাহ করার সামর্থ্য সে ব্যক্তির থাকে। আর সামর্থ্য না থাকলেও ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আশংকা না হলে দাসী মহিলাকে বিবাহ করবে না। ইহা এইজন্য যে, কুরআনুল করীমে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেনঃ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ مِنْكُمْ طَوْلًا أَنْ يَنْكِحَ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ فَمِمَّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ مِنْ فَتَيَاتِكُمْ الْمُؤْمِنَاتِ “তোমাদের মধ্যে কারো স্বাধীনা বিশ্বাসী নারী বিবাহের সামর্থ্য না থাকলে তোমরা তোমাদের অধিকারভুক্ত বিশ্বাসী যুবতী বিবাহ করবে।” (সূরা: আন-নিসা, ২৫) আরও ইরশাদ করেছেন ذَلِكَ لِمَنْ خَشِيَ الْعَنَتَ مِنْكُمْ “তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারকে ভয় করে ইহা তাদের জন্য।” (সূরা: আন-নিসা, ২৫) মালিক (র) বলেন, ‘আনাতের অর্থ ব্যভিচার।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, আযাদ স্ত্রী থাকতে তাহার অনুমতি ব্যতীত দাসী বিবাহ করা যাবে না, আযাদ স্ত্রী অনুমতি দিলে তিনি বন্টনে দুই-তৃতীয়াংশের অধিকার লাভ করবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : কোন আযাদ ব্যক্তির উচিত নয় ক্রীত দাসীকে বিবাহ করা, যদি আযাদ মহিলাকে বিবাহ করার সামর্থ্য সে ব্যক্তির থাকে। আর সামর্থ্য না থাকলেও ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আশংকা না হলে দাসী মহিলাকে বিবাহ করবে না। ইহা এইজন্য যে, কুরআনুল করীমে আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেনঃ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ مِنْكُمْ طَوْلًا أَنْ يَنْكِحَ الْمُحْصَنَاتِ الْمُؤْمِنَاتِ فَمِمَّا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ مِنْ فَتَيَاتِكُمْ الْمُؤْمِنَاتِ “তোমাদের মধ্যে কারো স্বাধীনা বিশ্বাসী নারী বিবাহের সামর্থ্য না থাকলে তোমরা তোমাদের অধিকারভুক্ত বিশ্বাসী যুবতী বিবাহ করবে।” (সূরা: আন-নিসা, ২৫) আরও ইরশাদ করেছেন ذَلِكَ لِمَنْ خَشِيَ الْعَنَتَ مِنْكُمْ “তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারকে ভয় করে ইহা তাদের জন্য।” (সূরা: আন-নিসা, ২৫) মালিক (র) বলেন, ‘আনাতের অর্থ ব্যভিচার।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول لا تنكح الأمة على الحرة إلا أن تشاء الحرة فإن طاعت الحرة فلها الثلثان من القسم ১৯৬৬-قال مالك ولا ينبغي لحر أن يتزوج أمة وهو يجد طولا لحرة ولا يتزوج أمة إذا لم يجد طولا لحرة إلا أن يخشى العنت وذلك أن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { ومن لم يستطع منكم طولا أن ينكح المحصنات المؤمنات فمما ملكت أيمانكم من فتياتكم المؤمنات } وقال { ذلك لمن خشي العنت منكم } قال مالك والعنت هو الزنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ব্যক্তি এমন মহিলার মালিক হয় পূর্বে যে মহিলা তার স্ত্রী ছিল এবং তাকে তালাক দিয়েছে এ সম্পর্কে হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن رجل زوج عبدا له جارية فطلقها العبد البتة ثم وهبها سيدها له فهل تحل له بملك اليمين فقالا لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি তার এক ক্রীতদাসের নিকট তার দাসীকে বিবাহ দিয়েছে। অতঃপর ক্রীতদাস (স্বামী) উহাকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর সেই দাসীকে তার কর্তা হিবা (দান) করলেন তালাকদাতা ক্রীতদাসের নিকট। তবে দাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার কারণে এই দাসী সেই ক্রীতদাসের জন্য হালাল হবে কি? তাঁরা উভয়ে বললেন : না, যাবত স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি তার এক ক্রীতদাসের নিকট তার দাসীকে বিবাহ দিয়েছে। অতঃপর ক্রীতদাস (স্বামী) উহাকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর সেই দাসীকে তার কর্তা হিবা (দান) করলেন তালাকদাতা ক্রীতদাসের নিকট। তবে দাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার কারণে এই দাসী সেই ক্রীতদাসের জন্য হালাল হবে কি? তাঁরা উভয়ে বললেন : না, যাবত স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن رجل زوج عبدا له جارية فطلقها العبد البتة ثم وهبها سيدها له فهل تحل له بملك اليمين فقالا لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১২
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي عبد الرحمن عن زيد بن ثابت أنه كان يقول في الرجل يطلق الأمة ثلاثا ثم يشتريها إنها لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
যাইদ ইবনু সাবিত (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি দাসী স্ত্রীকে (তার স্ত্রী থাকা অবস্থায়) তিন তালাক প্রদান করে, পরে সে উহাকে ক্রয় করে নেয়; সেই দাসী সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না, যাবৎ সে দাসী (ইদ্দতের পর) অন্য স্বামীকে বিবাহ না করে। (অর্থাৎ প্রথমাবস্থায় সে অন্যের দাসী ও তার স্ত্রী ছিল। পরে সে তালাক দিয়ে উহাকে ক্রয় করে নেয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
যাইদ ইবনু সাবিত (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি দাসী স্ত্রীকে (তার স্ত্রী থাকা অবস্থায়) তিন তালাক প্রদান করে, পরে সে উহাকে ক্রয় করে নেয়; সেই দাসী সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না, যাবৎ সে দাসী (ইদ্দতের পর) অন্য স্বামীকে বিবাহ না করে। (অর্থাৎ প্রথমাবস্থায় সে অন্যের দাসী ও তার স্ত্রী ছিল। পরে সে তালাক দিয়ে উহাকে ক্রয় করে নেয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي عبد الرحمن عن زيد بن ثابت أنه كان يقول في الرجل يطلق الأمة ثلاثا ثم يشتريها إنها لا تحل له حتى تنكح زوجا غيره.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৪
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن رجل كانت تحته أمة مملوكة فاشتراها وقد كان طلقها واحدة فقال تحل له بملك يمينه ما لم يبت طلاقها فإن بت طلاقها فلا تحل له بملك يمينه حتى تنكح زوجا غيره ১৯৭১-قال مالك في الرجل ينكح الأمة فتلد منه ثم يبتاعها إنها لا تكون أم ولد له بذلك الولد الذي ولدت منه وهي لغيره حتى تلد منه وهي في ملكه بعد ابتياعه إياها قال مالك وإن اشتراها وهي حامل منه ثم وضعت عنده كانت أم ولده بذلك الحمل فيما نرى والله أعلم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব যুহরী (র)-কে প্রশ্ন করলেন এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যার অধীনে (বিবাহ সূত্রে) অন্যের ক্রীতদাসী ছিল, পরে সে উহাকে ক্রয় করেছে। (ক্রয় করার পূর্বে) সে উহাকে এক তালাক দিয়েছিল। (এখন তার জন্য উক্ত স্ত্রীলোকটি হালাল হবে কি?) ইবনু শিহাব (র) বললেন : (মিলকে ইয়ামীন) ক্রয়ের মাধ্যমে দাসদাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার দ্বারা সেই দাসী উক্ত ব্যক্তির জন্য হালাল হবে তিন তালাক না দেওয়া পর্যন্ত। আর যদি দিয়ে থাকে তবে তার জন্য উক্ত দাসী মিলকে ইয়ামীনের দ্বারা হালাল হবে না, যাবৎ সে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি (অন্যের) ক্রীতদাসীকে বিবাহ করে এবং তার সন্তান জন্মে। অতঃপর সেই দাসীকে সে ক্রয় করে। সন্তান হওয়ার দরুন এই ক্রীতদাসী তার উম্মে ওয়ালাদ [১] হবে না। কারণ সে অন্যের ক্রীতদাসী। তবে উহাকে ক্রয় করার পর তার (এই) মালিকের স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সেই ক্রীতদাসী সন্তান জন্ম দিলে উম্মে ওয়ালাদ হবে। মালিক (র) বলেন : যদি উক্ত ক্রীতদাসকে ক্রয় করে এবং সেই দাসী তার দ্বারা অন্তঃসত্বা হয়। অতঃপর তারই স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সে সন্তান জন্ম দেয় তবে আমাদের মতে গর্ভ ধারণের কারণে এই দাসী উম্মে ওয়ালাদ বলে গণ্য হবে। আল্লাহই ভাল জানেন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব যুহরী (র)-কে প্রশ্ন করলেন এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যার অধীনে (বিবাহ সূত্রে) অন্যের ক্রীতদাসী ছিল, পরে সে উহাকে ক্রয় করেছে। (ক্রয় করার পূর্বে) সে উহাকে এক তালাক দিয়েছিল। (এখন তার জন্য উক্ত স্ত্রীলোকটি হালাল হবে কি?) ইবনু শিহাব (র) বললেন : (মিলকে ইয়ামীন) ক্রয়ের মাধ্যমে দাসদাসীর স্বত্বাধিকারী হওয়ার দ্বারা সেই দাসী উক্ত ব্যক্তির জন্য হালাল হবে তিন তালাক না দেওয়া পর্যন্ত। আর যদি দিয়ে থাকে তবে তার জন্য উক্ত দাসী মিলকে ইয়ামীনের দ্বারা হালাল হবে না, যাবৎ সে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি (অন্যের) ক্রীতদাসীকে বিবাহ করে এবং তার সন্তান জন্মে। অতঃপর সেই দাসীকে সে ক্রয় করে। সন্তান হওয়ার দরুন এই ক্রীতদাসী তার উম্মে ওয়ালাদ [১] হবে না। কারণ সে অন্যের ক্রীতদাসী। তবে উহাকে ক্রয় করার পর তার (এই) মালিকের স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সেই ক্রীতদাসী সন্তান জন্ম দিলে উম্মে ওয়ালাদ হবে। মালিক (র) বলেন : যদি উক্ত ক্রীতদাসকে ক্রয় করে এবং সেই দাসী তার দ্বারা অন্তঃসত্বা হয়। অতঃপর তারই স্বত্বাধিকারে থাকাকালীন সে সন্তান জন্ম দেয় তবে আমাদের মতে গর্ভ ধারণের কারণে এই দাসী উম্মে ওয়ালাদ বলে গণ্য হবে। আল্লাহই ভাল জানেন।
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن رجل كانت تحته أمة مملوكة فاشتراها وقد كان طلقها واحدة فقال تحل له بملك يمينه ما لم يبت طلاقها فإن بت طلاقها فلا تحل له بملك يمينه حتى تنكح زوجا غيره ১৯৭১-قال مالك في الرجل ينكح الأمة فتلد منه ثم يبتاعها إنها لا تكون أم ولد له بذلك الولد الذي ولدت منه وهي لغيره حتى تلد منه وهي في ملكه بعد ابتياعه إياها قال مالك وإن اشتراها وهي حامل منه ثم وضعت عنده كانت أم ولده بذلك الحمل فيما نرى والله أعلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে দুই বোনের সাথে মিলিত হওয়া এবং স্ত্রী ও তার কন্যার সাথে একত্রে মিলিত হওয়া হারাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن الزبير بن العوام مثل ذلك ১৯৭৬-قال مالك في الأمة تكون عند الرجل فيصيبها ثم يريد أن يصيب أختها إنها لا تحل له حتى يحرم عليه فرج أختها بنكاح أو عتاقة أو كتابة أو ما أشبه ذلك يزوجها عبده أو غير عبده.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তির নিকট এক ক্রীতদাসী আছে। সে উহার সহিত সংগত হয়ে থাকে। অতঃপর সেই দাসীর বোনের সহিত সংগত হতে ইচ্ছা করল। ইহা সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না যাবৎ এর বোন তার জন্য হারাম না হয়; (পূর্ববর্তী বোনকে) অন্যের নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে অথবা আযাদ করে দিয়ে অথবা এই ধরনের অন্য কোন উপায়ে কিংবা এই দাসীকে তার ক্রীতদাস অথবা অন্য কারো নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তির নিকট এক ক্রীতদাসী আছে। সে উহার সহিত সংগত হয়ে থাকে। অতঃপর সেই দাসীর বোনের সহিত সংগত হতে ইচ্ছা করল। ইহা সে ব্যক্তির জন্য হালাল হবে না যাবৎ এর বোন তার জন্য হারাম না হয়; (পূর্ববর্তী বোনকে) অন্যের নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে অথবা আযাদ করে দিয়ে অথবা এই ধরনের অন্য কোন উপায়ে কিংবা এই দাসীকে তার ক্রীতদাস অথবা অন্য কারো নিকট বিবাহ দেওয়ার ফলে।
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن الزبير بن العوام مثل ذلك ১৯৭৬-قال مالك في الأمة تكون عند الرجل فيصيبها ثم يريد أن يصيب أختها إنها لا تحل له حتى يحرم عليه فرج أختها بنكاح أو عتاقة أو كتابة أو ما أشبه ذلك يزوجها عبده أو غير عبده.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৫
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أبيه أن عمر بن الخطاب سئل عن المرأة وابنتها من ملك اليمين توطأ إحداهما بعد الأخرى فقال عمر ما أحب أن أخبرهما جميعا ونهى عن ذلك.
উবায়দুল্লাহ্ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উৎবা ইবনু মাসঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক ও তার কন্যা সম্পর্কে যাদের উভয়কে ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে পর্যায়ক্রমে সহবাস করা হয়েছে। উমার (রা) বললেন : উভয়কে একত্র করে পর্যায়ক্রমে সহবাস করাকে আমি পছন্দ করি না। তিনি এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উবায়দুল্লাহ্ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু উৎবা ইবনু মাসঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক ও তার কন্যা সম্পর্কে যাদের উভয়কে ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে পর্যায়ক্রমে সহবাস করা হয়েছে। উমার (রা) বললেন : উভয়কে একত্র করে পর্যায়ক্রমে সহবাস করাকে আমি পছন্দ করি না। তিনি এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن أبيه أن عمر بن الخطاب سئل عن المرأة وابنتها من ملك اليمين توطأ إحداهما بعد الأخرى فقال عمر ما أحب أن أخبرهما جميعا ونهى عن ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১১৬
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن قبيصة بن ذؤيب أن رجلا سأل عثمان بن عفان عن الأختين من ملك اليمين هل يجمع بينهما فقال عثمان أحلتهما آية وحرمتهما آية فأما أنا فلا أحب أن أصنع ذلك قال فخرج من عنده فلقي رجلا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله عن ذلك فقال لو كان لي من الأمر شيء ثم وجدت أحدا فعل ذلك لجعلته نكالا قال ابن شهاب أراه علي بن أبي طالب.
কাবীসা ইবনু যুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি উসমান ইবনু আফ্ফান (রা)-কে এমন দুই বোন সম্পর্কে প্রশ্ন করল যে দুই বোনের ক্রয়সূত্রে (কেউ) মালিক হয়েছে। এমতাবস্থায় উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া যাবে কি? উসমান (রা) বললেন : উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া (কুরআনুল) এক আয়াত অনুযায়ী হালাল করা হয়েছে। আবার অন্য আয়াত অনুযায়ী একে হারাম করা হয়েছে। তাই আমি একে (দুই বোনের সঙ্গে একত্রে সংগত হওয়া) পছন্দ করি না। প্রশ্নকারী ব্যক্তি তাঁর নিকট হতে প্রস্থান করার পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্য একজন সাহাবীর সঙ্গে সাক্ষাত হল। তখন সে এই বিষয়ে তাঁর নিকট প্রশ্ন করল। তিনি বললেন : লোকের উপর যদি আমার অধিকার থাকত তবে কাউকেও এইরূপ করতে পাইলে আমি তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেন : আমি মনে করি এই সাহাবী আলী ইবনু আবূ তালিব (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যুবাইর ইবনু আউয়াম (রা) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত তাঁর নিকট পৌঁছেছে।
কাবীসা ইবনু যুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি উসমান ইবনু আফ্ফান (রা)-কে এমন দুই বোন সম্পর্কে প্রশ্ন করল যে দুই বোনের ক্রয়সূত্রে (কেউ) মালিক হয়েছে। এমতাবস্থায় উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া যাবে কি? উসমান (রা) বললেন : উভয়ের সঙ্গে সংগত হওয়া (কুরআনুল) এক আয়াত অনুযায়ী হালাল করা হয়েছে। আবার অন্য আয়াত অনুযায়ী একে হারাম করা হয়েছে। তাই আমি একে (দুই বোনের সঙ্গে একত্রে সংগত হওয়া) পছন্দ করি না। প্রশ্নকারী ব্যক্তি তাঁর নিকট হতে প্রস্থান করার পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্য একজন সাহাবীর সঙ্গে সাক্ষাত হল। তখন সে এই বিষয়ে তাঁর নিকট প্রশ্ন করল। তিনি বললেন : লোকের উপর যদি আমার অধিকার থাকত তবে কাউকেও এইরূপ করতে পাইলে আমি তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (র) বলেন : আমি মনে করি এই সাহাবী আলী ইবনু আবূ তালিব (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যুবাইর ইবনু আউয়াম (রা) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত তাঁর নিকট পৌঁছেছে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن قبيصة بن ذؤيب أن رجلا سأل عثمان بن عفان عن الأختين من ملك اليمين هل يجمع بينهما فقال عثمان أحلتهما آية وحرمتهما آية فأما أنا فلا أحب أن أصنع ذلك قال فخرج من عنده فلقي رجلا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأله عن ذلك فقال لو كان لي من الأمر شيء ثم وجدت أحدا فعل ذلك لجعلته نكالا قال ابن شهاب أراه علي بن أبي طالب.