মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে মহিলাকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ করা বৈধ নয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০২

و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কোন নারীকে তার ফুফুর সাথে এবং কোন নারীকে তার খালার সাথে বিবাহে একত্র করা যাবে না [অর্থাৎ একই পুরুষ এইরূপ দুই নারীকে এক সঙ্গে দুই স্ত্রীরূপে গ্রহণ করবে না]। (বুখারী ৫১০৯, মুসলিম ১৪০৮)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কোন নারীকে তার ফুফুর সাথে এবং কোন নারীকে তার খালার সাথে বিবাহে একত্র করা যাবে না [অর্থাৎ একই পুরুষ এইরূপ দুই নারীকে এক সঙ্গে দুই স্ত্রীরূপে গ্রহণ করবে না]। (বুখারী ৫১০৯, মুসলিম ১৪০৮)

و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৩

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول ينهى أن تنكح المرأة على عمتها أو على خالتها وأن يطأ الرجل وليدة وفي بطنها جنين لغيره.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সঙ্গে একই পুরুষের স্ত্রী হতে নিষেধ করতে হবে। আরো নিষেধ করা হবে, কোন ব্যক্তিকে এমন দাসীর সহিত সহবাস করা হতে, যে দাসীর গর্ভে অন্য পক্ষের সন্তান রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সঙ্গে একই পুরুষের স্ত্রী হতে নিষেধ করতে হবে। আরো নিষেধ করা হবে, কোন ব্যক্তিকে এমন দাসীর সহিত সহবাস করা হতে, যে দাসীর গর্ভে অন্য পক্ষের সন্তান রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول ينهى أن تنكح المرأة على عمتها أو على خالتها وأن يطأ الرجل وليدة وفي بطنها جنين لغيره.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আপন স্ত্রীর জননীর সাথে বিবাহ বৈধ না হওয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৪

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سئل زيد بن ثابت عن رجل تزوج امرأة ثم فارقها قبل أن يصيبها هل تحل له أمها فقال زيد بن ثابت لا الأم مبهمة ليس فيها شرط وإنما الشرط في الربائب.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

যাইদ ইব্নু সাবিত (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি একজন মহিলাকে বিবাহ করেছে। অতঃপর তার সাথে সহবাস করার পূর্বে উহাকে তালাক দিয়েছে। উক্ত ব্যক্তির জন্য সে মহিলার মাতাকে বিবাহ করা বৈধ হবে কি? উত্তরে যাইদ ইব্নু সাবিত (রা) বললেন : না, বৈধ হবে না। কারণ জননীর ব্যাপারে (কুরআনুল করীমে) কোন শর্ত আরোপ করা হয়নি। বরং শর্ত রয়েছে স্ত্রীর সৎ কন্যাদের ব্যাপারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

যাইদ ইব্নু সাবিত (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি একজন মহিলাকে বিবাহ করেছে। অতঃপর তার সাথে সহবাস করার পূর্বে উহাকে তালাক দিয়েছে। উক্ত ব্যক্তির জন্য সে মহিলার মাতাকে বিবাহ করা বৈধ হবে কি? উত্তরে যাইদ ইব্নু সাবিত (রা) বললেন : না, বৈধ হবে না। কারণ জননীর ব্যাপারে (কুরআনুল করীমে) কোন শর্ত আরোপ করা হয়নি। বরং শর্ত রয়েছে স্ত্রীর সৎ কন্যাদের ব্যাপারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سئل زيد بن ثابت عن رجل تزوج امرأة ثم فارقها قبل أن يصيبها هل تحل له أمها فقال زيد بن ثابت لا الأم مبهمة ليس فيها شرط وإنما الشرط في الربائب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৫

و حدثني عن مالك عن غير واحد أن عبد الله بن مسعود استفتي وهو بالكوفة عن نكاح الأم بعد الابنة إذا لم تكن الابنة مست فأرخص في ذلك ثم إن ابن مسعود قدم المدينة فسأل عن ذلك فأخبر أنه ليس كما قال وإنما الشرط في الربائب فرجع ابن مسعود إلى الكوفة فلم يصل إلى منزله حتى أتى الرجل الذي أفتاه بذلك فأمره أن يفارق امرأته ১৯৫২-قال مالك في الرجل تكون تحته المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنها تحرم عليه امرأته ويفارقهما جميعا ويحرمان عليه أبدا إذا كان قد أصاب الأم فإن لم يصب الأم لم تحرم عليه امرأته وفارق الأم ১৯৫৩-و قال مالك في الرجل يتزوج المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنه لا تحل له أمها أبدا ولا تحل لأبيه ولا لابنه ولا تحل له ابنتها وتحرم عليه امرأته ১৯৫৪-قال مالك فأما الزنا فإنه لا يحرم شيئا من ذلك لأن الله تبارك وتعالى قال { وأمهات نسائكم } فإنما حرم ما كان تزويجا ولم يذكر تحريم الزنا فكل تزويج كان على وجه الحلال يصيب صاحبه امرأته فهو بمنزلة التزويج الحلال فهذا الذي سمعت والذي عليه أمر الناس عندنا

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

একাধিক শায়খ হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইব্নু মাসউদ (রা)-এর নিকট কুফাতে ফতোয়া জিজ্ঞেস করা হল, কোন মহিলার কন্যাকে বিবাহ করার পর উহার সহিত সহবাস না করা হলে, সেই কন্যার মাতাকে বিবাহ করা যাবে কিনা ? তিনি এই বিবাহের ব্যাপারে অনুমতি দিলেন। অতঃপর ইব্নু মাসঊদ (রা) যখন মদীনাতে আগমন করলেন তখন তিনি এই বিষয়ে (অন্যান্য সাহাবীর নিকট) জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে বলা হল যে, তিনি (কুফাতে) যেরূপ বলেছেন আসল ব্যাপার সেরূপ নয়। (শর্ত আরোপ করা হয়েছে কেবলমাত্র পোষ্য কন্যাদের ব্যাপারে।) তারপর ইব্নু মাসঊদ কুফাতে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং নিজ গৃহে না গিয়ে যে ব্যক্তিকে এরূপ ফতোয়া দিয়েছিলেন সে ব্যক্তির নিকট গমন করলেন। অতঃপর সে ব্যক্তিকে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করেছে, অতঃপর সেই মহিলার মাতাকেও বিবাহ করেছে এবং তার (স্ত্রীর মাতার) সহিত সহবাস করেছে, সেই ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে। সে স্ত্রী ও স্ত্রীর মাতা উভয়কে পরিত্যাগ করবে। উভয়ে তার জন্য সর্বদা হারাম হবে। ইহা তখন হবে যখন সে স্ত্রীর মাতার সহিত সহবাস করে। আর যদি সহবাস না করে থাকে তবে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হইবে না। (কেবলমাত্র) স্ত্রীর মাতাকে পরিত্যাগ করবে। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করে, অতঃপর সেই স্ত্রীর মাতাকেও বিবাহ করে এবং তার সাথে সহবাস করে, সে ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রীর মাতা কখনো হালাল হবে না। আর হালাল হবে না তার ছেলের জন্য এবং হালাল হবে না তার পিতার জন্য। আর সে ব্যক্তির জন্য উহার কন্যাও হালাল হবে না এবং তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন : ব্যভিচার ইহার কোনটিকেই হারাম করবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেন : وَأُمَّهَاتُ نِسَائِكُمْ “তোমাদের স্ত্রীগণের মাতাগণও তোমাদের জন্য হারাম।” উক্ত আয়াতে বিবাহের কারণে (স্ত্রীর মাতাকে) হারাম করা হয়েছে। ব্যভিচারের দ্বারা হারাম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যে কোন বিবাহ হালাল পন্থায় অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বামী স্ত্রীর সহিত মিলিত হবে। সেই বিবাহ হালাল বিবাহের মত গণ্য হবে। এটাই আমি শুনেছি। মদীনাবাসীদের নিকট ইহাই গৃহীত মত।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

একাধিক শায়খ হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইব্নু মাসউদ (রা)-এর নিকট কুফাতে ফতোয়া জিজ্ঞেস করা হল, কোন মহিলার কন্যাকে বিবাহ করার পর উহার সহিত সহবাস না করা হলে, সেই কন্যার মাতাকে বিবাহ করা যাবে কিনা ? তিনি এই বিবাহের ব্যাপারে অনুমতি দিলেন। অতঃপর ইব্নু মাসঊদ (রা) যখন মদীনাতে আগমন করলেন তখন তিনি এই বিষয়ে (অন্যান্য সাহাবীর নিকট) জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে বলা হল যে, তিনি (কুফাতে) যেরূপ বলেছেন আসল ব্যাপার সেরূপ নয়। (শর্ত আরোপ করা হয়েছে কেবলমাত্র পোষ্য কন্যাদের ব্যাপারে।) তারপর ইব্নু মাসঊদ কুফাতে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং নিজ গৃহে না গিয়ে যে ব্যক্তিকে এরূপ ফতোয়া দিয়েছিলেন সে ব্যক্তির নিকট গমন করলেন। অতঃপর সে ব্যক্তিকে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করেছে, অতঃপর সেই মহিলার মাতাকেও বিবাহ করেছে এবং তার (স্ত্রীর মাতার) সহিত সহবাস করেছে, সেই ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে। সে স্ত্রী ও স্ত্রীর মাতা উভয়কে পরিত্যাগ করবে। উভয়ে তার জন্য সর্বদা হারাম হবে। ইহা তখন হবে যখন সে স্ত্রীর মাতার সহিত সহবাস করে। আর যদি সহবাস না করে থাকে তবে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হইবে না। (কেবলমাত্র) স্ত্রীর মাতাকে পরিত্যাগ করবে। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করে, অতঃপর সেই স্ত্রীর মাতাকেও বিবাহ করে এবং তার সাথে সহবাস করে, সে ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রীর মাতা কখনো হালাল হবে না। আর হালাল হবে না তার ছেলের জন্য এবং হালাল হবে না তার পিতার জন্য। আর সে ব্যক্তির জন্য উহার কন্যাও হালাল হবে না এবং তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন : ব্যভিচার ইহার কোনটিকেই হারাম করবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেন : وَأُمَّهَاتُ نِسَائِكُمْ “তোমাদের স্ত্রীগণের মাতাগণও তোমাদের জন্য হারাম।” উক্ত আয়াতে বিবাহের কারণে (স্ত্রীর মাতাকে) হারাম করা হয়েছে। ব্যভিচারের দ্বারা হারাম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যে কোন বিবাহ হালাল পন্থায় অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বামী স্ত্রীর সহিত মিলিত হবে। সেই বিবাহ হালাল বিবাহের মত গণ্য হবে। এটাই আমি শুনেছি। মদীনাবাসীদের নিকট ইহাই গৃহীত মত।

و حدثني عن مالك عن غير واحد أن عبد الله بن مسعود استفتي وهو بالكوفة عن نكاح الأم بعد الابنة إذا لم تكن الابنة مست فأرخص في ذلك ثم إن ابن مسعود قدم المدينة فسأل عن ذلك فأخبر أنه ليس كما قال وإنما الشرط في الربائب فرجع ابن مسعود إلى الكوفة فلم يصل إلى منزله حتى أتى الرجل الذي أفتاه بذلك فأمره أن يفارق امرأته ১৯৫২-قال مالك في الرجل تكون تحته المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنها تحرم عليه امرأته ويفارقهما جميعا ويحرمان عليه أبدا إذا كان قد أصاب الأم فإن لم يصب الأم لم تحرم عليه امرأته وفارق الأم ১৯৫৩-و قال مالك في الرجل يتزوج المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنه لا تحل له أمها أبدا ولا تحل لأبيه ولا لابنه ولا تحل له ابنتها وتحرم عليه امرأته ১৯৫৪-قال مالك فأما الزنا فإنه لا يحرم شيئا من ذلك لأن الله تبارك وتعالى قال { وأمهات نسائكم } فإنما حرم ما كان تزويجا ولم يذكر تحريم الزنا فكل تزويج كان على وجه الحلال يصيب صاحبه امرأته فهو بمنزلة التزويج الحلال فهذا الذي سمعت والذي عليه أمر الناس عندنا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে মহিলার সহিত অবৈধ পন্থায় সহবাস করা হয়েছে সে মহিলার মাতাকে বিবাহ করা

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিভিন্ন অবৈধ বিবাহ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৬

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار والشغار أن يزوج الرجل ابنته على أن يزوجه الآخر ابنته ليس بينهما صداق.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকাহ শিগারকে নিষিদ্ধ করেছেন। শিগার হচ্ছে : কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে এই শর্তে অন্যের নিকট বিবাহ দিচ্ছে যে, কন্যার জামাতা ব্যক্তিটি তার আপন কন্যাকে ঐ ব্যক্তির নিকট (যার কন্যাকে সে নিজে বিবাহ করেছে তার নিকট অর্থাৎ শ্বশুরের নিকট) বিবাহ দিবে। আর এতদুভয়ের মধ্যে কোন মহরও ধার্য করা হয়নি। (বুখারী ৫১১২, মুসলিম ১৪১৫)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকাহ শিগারকে নিষিদ্ধ করেছেন। শিগার হচ্ছে : কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে এই শর্তে অন্যের নিকট বিবাহ দিচ্ছে যে, কন্যার জামাতা ব্যক্তিটি তার আপন কন্যাকে ঐ ব্যক্তির নিকট (যার কন্যাকে সে নিজে বিবাহ করেছে তার নিকট অর্থাৎ শ্বশুরের নিকট) বিবাহ দিবে। আর এতদুভয়ের মধ্যে কোন মহরও ধার্য করা হয়নি। (বুখারী ৫১১২, মুসলিম ১৪১৫)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الشغار والشغار أن يزوج الرجل ابنته على أن يزوجه الآخر ابنته ليس بينهما صداق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৭

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عبد الرحمن ومجمع ابني يزيد بن جارية الأنصاري عن خنساء بنت خدام الأنصارية أن أباها زوجها وهي ثيب فكرهت ذلك فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد نكاحه.

ইয়াযিদ ইবনু জারিয়াহ আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যখন অকুমারী (সাইয়্যিব) ছিলেন তখন তার পিতা তাকে বিবাহ দিলেন। তিনি এ বিবাহকে পছন্দ করলেন না। তাই তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে এলেন (এবং তাঁর অসন্তুষ্টির কথা জানালেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই বিবাহকে রদ করে দিলেন। (সহীহ, বুখারী ৫১৩৮)

ইয়াযিদ ইবনু জারিয়াহ আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি যখন অকুমারী (সাইয়্যিব) ছিলেন তখন তার পিতা তাকে বিবাহ দিলেন। তিনি এ বিবাহকে পছন্দ করলেন না। তাই তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে এলেন (এবং তাঁর অসন্তুষ্টির কথা জানালেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই বিবাহকে রদ করে দিলেন। (সহীহ, বুখারী ৫১৩৮)

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عبد الرحمن ومجمع ابني يزيد بن جارية الأنصاري عن خنساء بنت خدام الأنصارية أن أباها زوجها وهي ثيب فكرهت ذلك فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فرد نكاحه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৮

و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن عمر بن الخطاب أتي بنكاح لم يشهد عليه إلا رجل وامرأة فقال هذا نكاح السر ولا أجيزه ولو كنت تقدمت فيه لرجمت.

আবূ যুবাইর মাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এমন একটি বিবাহের ঘটনা উপস্থিত করা হল, যে বিবাহে একজন পুরুষ ও একজন নারী ব্যতীত অন্য কোন সাক্ষী ছিল না। তিনি বললেন : এটা গোপন বিবাহ। আমি একে জায়েয বলি না। যদি আমার এ সিদ্ধান্ত আমি পূর্বে প্রকাশ করতাম তবে আমি তোমাকে শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ যুবাইর মাক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এমন একটি বিবাহের ঘটনা উপস্থিত করা হল, যে বিবাহে একজন পুরুষ ও একজন নারী ব্যতীত অন্য কোন সাক্ষী ছিল না। তিনি বললেন : এটা গোপন বিবাহ। আমি একে জায়েয বলি না। যদি আমার এ সিদ্ধান্ত আমি পূর্বে প্রকাশ করতাম তবে আমি তোমাকে শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن عمر بن الخطاب أتي بنكاح لم يشهد عليه إلا رجل وامرأة فقال هذا نكاح السر ولا أجيزه ولو كنت تقدمت فيه لرجمت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৯

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وعن سليمان بن يسار أن طليحة الأسدية كانت تحت رشيد الثقفي فطلقها فنكحت في عدتها فضربها عمر بن الخطاب وضرب زوجها بالمخفقة ضربات وفرق بينهما ثم قال عمر بن الخطاب أيما امرأة نكحت في عدتها فإن كان زوجها الذي تزوجها لم يدخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من زوجها الأول ثم كان الآخر خاطبا من الخطاب وإن كان دخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من الأول ثم اعتدت من الآخر ثم لا يجتمعان أبدا قال مالك وقال سعيد بن المسيب ولها مهرها بما استحل منها ১৯৬২-قال مالك الأمر عندنا في المرأة الحرة يتوفى عنها زوجها فتعتد أربعة أشهر وعشرا إنها لا تنكح إن ارتابت من حيضتها حتى تستبرئ نفسها من تلك الريبة إذا خافت الحمل.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তুলায়হা আসদিয়া রুশাইদ ছাক্বাফী (রা)-এর স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাঁকে তালাক দিলেন। তারপর তুলায়হা ইদ্দতের ভিতরে বিবাহ করলেন। এই কারণে উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাকে এবং তার স্বামীকে কয়েকটি চাবুক মারলেন এবং উভয়কে পৃথক করে দিলেন। তারপর উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন : যে স্ত্রীলোক ইদ্দতের ভিতর বিবাহ করিয়াছে, বিবাহকারী তার সেই স্বামী যদি তার সাথে সহবাস না করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। তারপর স্ত্রীলোকটি প্রথম স্বামীর পক্ষের অসম্পূর্ণ ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামী স্বাভাবিক নিয়মে বিবাহের প্রস্তাবকারীগণের মধ্যে একজন প্রস্তাবকারী হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি দ্বিতীয় ব্যক্তি তার সাথে সহবাস করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করা হবে। তারপর প্রথম স্বামীর (পক্ষের) অবশিষ্ট ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামীর ইদ্দত পূর্ণ করবে। আর তাঁরা (দ্বিতীয় স্বামী ও স্ত্রী) উভয়ে আর কখনো মিলিত হতে পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন : সেই স্ত্রীলোক মহর-এর হকদার হবে। কারণ তার সঙ্গে (বিবাহের মাধ্যমে) সহবাস করা হয়েছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের সিদ্ধান্ত হল, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, এমন স্বাধীন নারী চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। আর তার হায়েযের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় গর্ভধারণের আশংকা দেখা দিলে সে নারী সন্দেহমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ করবে না।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তুলায়হা আসদিয়া রুশাইদ ছাক্বাফী (রা)-এর স্ত্রী ছিলেন। তিনি তাঁকে তালাক দিলেন। তারপর তুলায়হা ইদ্দতের ভিতরে বিবাহ করলেন। এই কারণে উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাকে এবং তার স্বামীকে কয়েকটি চাবুক মারলেন এবং উভয়কে পৃথক করে দিলেন। তারপর উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন : যে স্ত্রীলোক ইদ্দতের ভিতর বিবাহ করিয়াছে, বিবাহকারী তার সেই স্বামী যদি তার সাথে সহবাস না করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। তারপর স্ত্রীলোকটি প্রথম স্বামীর পক্ষের অসম্পূর্ণ ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামী স্বাভাবিক নিয়মে বিবাহের প্রস্তাবকারীগণের মধ্যে একজন প্রস্তাবকারী হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি দ্বিতীয় ব্যক্তি তার সাথে সহবাস করে থাকে তবে উভয়কে পৃথক করা হবে। তারপর প্রথম স্বামীর (পক্ষের) অবশিষ্ট ইদ্দত পূর্ণ করবে। অতঃপর দ্বিতীয় স্বামীর ইদ্দত পূর্ণ করবে। আর তাঁরা (দ্বিতীয় স্বামী ও স্ত্রী) উভয়ে আর কখনো মিলিত হতে পারবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেছেন : সেই স্ত্রীলোক মহর-এর হকদার হবে। কারণ তার সঙ্গে (বিবাহের মাধ্যমে) সহবাস করা হয়েছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের সিদ্ধান্ত হল, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, এমন স্বাধীন নারী চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। আর তার হায়েযের ব্যাপারে সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় গর্ভধারণের আশংকা দেখা দিলে সে নারী সন্দেহমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ করবে না।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب وعن سليمان بن يسار أن طليحة الأسدية كانت تحت رشيد الثقفي فطلقها فنكحت في عدتها فضربها عمر بن الخطاب وضرب زوجها بالمخفقة ضربات وفرق بينهما ثم قال عمر بن الخطاب أيما امرأة نكحت في عدتها فإن كان زوجها الذي تزوجها لم يدخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من زوجها الأول ثم كان الآخر خاطبا من الخطاب وإن كان دخل بها فرق بينهما ثم اعتدت بقية عدتها من الأول ثم اعتدت من الآخر ثم لا يجتمعان أبدا قال مالك وقال سعيد بن المسيب ولها مهرها بما استحل منها ১৯৬২-قال مالك الأمر عندنا في المرأة الحرة يتوفى عنها زوجها فتعتد أربعة أشهر وعشرا إنها لا تنكح إن ارتابت من حيضتها حتى تستبرئ نفسها من تلك الريبة إذا خافت الحمل.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00