মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিবাহে যে সকল শর্ত বৈধ নয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৮

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة تشترط على زوجها أنه لا يخرج بها من بلدها فقال سعيد بن المسيب يخرج بها إن شاء. قال مالك فالأمر عندنا أنه إذا شرط الرجل للمرأة وإن كان ذلك عند عقدة النكاح أن لا أنكح عليك ولا أتسرر إن ذلك ليس بشيء إلا أن يكون في ذلك يمين بطلاق أو عتاقة فيجب ذلك عليه ويلزمه.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল : কোন স্ত্রীলোক স্বামীর উপর এই শর্ত আরোপ করেছে যে, স্বামী তাকে নিজ শহর হতে বাহির করবে না। উত্তরে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বললেন : স্বামী ইচ্ছা করলে উহাকে তার শহরের বাইরে নিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই, যদি বিবাহ বন্ধন স্থির করার সময় পুরুষ মহিলার জন্য এই শর্ত মেনে নেয়, “আমি তোমার উপর অন্য বিবাহ করব না এবং কোন ক্রীতদাসীও রাখব না” এরূপ শর্ত অর্থহীন। কিন্তু এরূপ করলে স্ত্রীর তালাক এবং ক্রীতদাসীর আযাদ হওয়ার কথা যুক্ত করা হয়, তবে সে শর্ত স্বামীর উপর ওয়াযিব হবে এবং (শর্ত লঙ্ঘন করলে) তালাক ও আযাদী প্রযোজ্য হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল : কোন স্ত্রীলোক স্বামীর উপর এই শর্ত আরোপ করেছে যে, স্বামী তাকে নিজ শহর হতে বাহির করবে না। উত্তরে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বললেন : স্বামী ইচ্ছা করলে উহাকে তার শহরের বাইরে নিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই, যদি বিবাহ বন্ধন স্থির করার সময় পুরুষ মহিলার জন্য এই শর্ত মেনে নেয়, “আমি তোমার উপর অন্য বিবাহ করব না এবং কোন ক্রীতদাসীও রাখব না” এরূপ শর্ত অর্থহীন। কিন্তু এরূপ করলে স্ত্রীর তালাক এবং ক্রীতদাসীর আযাদ হওয়ার কথা যুক্ত করা হয়, তবে সে শর্ত স্বামীর উপর ওয়াযিব হবে এবং (শর্ত লঙ্ঘন করলে) তালাক ও আযাদী প্রযোজ্য হবে।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة تشترط على زوجها أنه لا يخرج بها من بلدها فقال سعيد بن المسيب يخرج بها إن شاء. قال مالك فالأمر عندنا أنه إذا شرط الرجل للمرأة وإن كان ذلك عند عقدة النكاح أن لا أنكح عليك ولا أتسرر إن ذلك ليس بشيء إلا أن يكون في ذلك يمين بطلاق أو عتاقة فيجب ذلك عليه ويلزمه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুহাল্লিল [১] -এর বিবাহ এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিবাহ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০০

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها سئلت عن رجل طلق امرأته البتة فتزوجها بعده رجل آخر فطلقها قبل أن يمسها هل يصلح لزوجها الأول أن يتزوجها فقالت عائشة لا حتى يذوق عسيلتها.

আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করেছে। কিন্তু সে তাকে স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বেই তালাক দিয়েছে। এই অবস্থাতে প্রথম স্বামীর জন্য তাকে পুনরায় বিবাহ করা বৈধ হবে কি? আয়িশা (রা) বললেন : না, তাকে স্পর্শ (সহবাস) না করা পর্যন্ত বৈধ হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করেছে। কিন্তু সে তাকে স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বেই তালাক দিয়েছে। এই অবস্থাতে প্রথম স্বামীর জন্য তাকে পুনরায় বিবাহ করা বৈধ হবে কি? আয়িশা (রা) বললেন : না, তাকে স্পর্শ (সহবাস) না করা পর্যন্ত বৈধ হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها سئلت عن رجل طلق امرأته البتة فتزوجها بعده رجل آخر فطلقها قبل أن يمسها هل يصلح لزوجها الأول أن يتزوجها فقالت عائشة لا حتى يذوق عسيلتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৯

حدثني يحيى عن مالك عن المسور بن رفاعة القرظي عن الزبير بن عبد الرحمن بن الزبير أن رفاعة بن سموال طلق امرأته تميمة بنت وهب في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا فنكحت عبد الرحمن بن الزبير فاعترض عنها فلم يستطع أن يمسها ففارقها فأراد رفاعة أن ينكحها وهو زوجها الأول الذي كان طلقها فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنهاه عن تزويجها وقال لا تحل لك حتى تذوق العسيلة.

যুবাইর ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ ইবনু সিমওয়াল (র) তাঁর স্ত্রী তামীমা বিন্তে ওয়াহ্ব-কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তামীমা আবদুর রহমান ইব্ন যুবাইরকে বিবাহ করলেন। কিন্তু তাঁর সাথে মিলিত হতে বিপত্তি [২] ঘটল যদ্দরুন আবদুর রহমান তাঁকে স্পর্শ করতে পারল না। তাই তিনি তামীমাকে ত্যাগ করলেন। অতঃপর রিফা’আ তাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করলেন। এই রিফা’আ তার প্রথম স্বামী যিনি তাঁকে তালাক দিয়েছিলেন। রিফা’আ এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উত্থাপন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামীমাকে বিবাহ করতে তাঁকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, لَا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ ‘(অন্য স্বামী) সহবাস না করা পর্যন্ত তামীমা তোমার জন্য হালাল হবে না।” (বুখারী ৫৭৯২, মুসলিম ৪১৩৩)

যুবাইর ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ ইবনু সিমওয়াল (র) তাঁর স্ত্রী তামীমা বিন্তে ওয়াহ্ব-কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তামীমা আবদুর রহমান ইব্ন যুবাইরকে বিবাহ করলেন। কিন্তু তাঁর সাথে মিলিত হতে বিপত্তি [২] ঘটল যদ্দরুন আবদুর রহমান তাঁকে স্পর্শ করতে পারল না। তাই তিনি তামীমাকে ত্যাগ করলেন। অতঃপর রিফা’আ তাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করলেন। এই রিফা’আ তার প্রথম স্বামী যিনি তাঁকে তালাক দিয়েছিলেন। রিফা’আ এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উত্থাপন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামীমাকে বিবাহ করতে তাঁকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, لَا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ ‘(অন্য স্বামী) সহবাস না করা পর্যন্ত তামীমা তোমার জন্য হালাল হবে না।” (বুখারী ৫৭৯২, মুসলিম ৪১৩৩)

حدثني يحيى عن مالك عن المسور بن رفاعة القرظي عن الزبير بن عبد الرحمن بن الزبير أن رفاعة بن سموال طلق امرأته تميمة بنت وهب في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا فنكحت عبد الرحمن بن الزبير فاعترض عنها فلم يستطع أن يمسها ففارقها فأراد رفاعة أن ينكحها وهو زوجها الأول الذي كان طلقها فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنهاه عن تزويجها وقال لا تحل لك حتى تذوق العسيلة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০১

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد سئل عن رجل طلق امرأته البتة ثم تزوجها بعده رجل آخر فمات عنها قبل أن يمسها هل يحل لزوجها الأول أن يراجعها فقال القاسم بن محمد لا يحل لزوجها الأول أن يراجعها. ১৯৪৫-قال مالك في المحلل إنه لا يقيم على نكاحه ذلك حتى يستقبل نكاحا جديدا فإن أصابها في ذلك فلها مهرها

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল, এর পর অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করল। স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বেই সে ব্যক্তির মৃত্যু হল। এইরূপ অবস্থাতে তার প্রথম স্বামীর পক্ষে তাকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে কি? কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ বললেন : প্রথম স্বামীর পক্ষে সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : পূর্ব স্বামী যে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে সেই স্বামীর জন্য স্ত্রীকে হালাল করার উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি বিবাহ করবে তার সেই বিবাহ ভেঙ্গে দেয়া হবে। এবং (হালাল করার নিয়ত ছাড়া) নূতনভাবে দ্বিতীয়বার বিবাহ করবে। কিন্তু (উপরিউক্ত অবৈধ বিবাহে) যদি সে স্ত্রীর সহিত সহবাস করে থাকে তবে স্ত্রী মহর পাবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল, এর পর অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করল। স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বেই সে ব্যক্তির মৃত্যু হল। এইরূপ অবস্থাতে তার প্রথম স্বামীর পক্ষে তাকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে কি? কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ বললেন : প্রথম স্বামীর পক্ষে সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : পূর্ব স্বামী যে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে সেই স্বামীর জন্য স্ত্রীকে হালাল করার উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি বিবাহ করবে তার সেই বিবাহ ভেঙ্গে দেয়া হবে। এবং (হালাল করার নিয়ত ছাড়া) নূতনভাবে দ্বিতীয়বার বিবাহ করবে। কিন্তু (উপরিউক্ত অবৈধ বিবাহে) যদি সে স্ত্রীর সহিত সহবাস করে থাকে তবে স্ত্রী মহর পাবে।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد سئل عن رجل طلق امرأته البتة ثم تزوجها بعده رجل آخر فمات عنها قبل أن يمسها هل يحل لزوجها الأول أن يراجعها فقال القاسم بن محمد لا يحل لزوجها الأول أن يراجعها. ১৯৪৫-قال مالك في المحلل إنه لا يقيم على نكاحه ذلك حتى يستقبل نكاحا جديدا فإن أصابها في ذلك فلها مهرها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে মহিলাকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ করা বৈধ নয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০২

و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কোন নারীকে তার ফুফুর সাথে এবং কোন নারীকে তার খালার সাথে বিবাহে একত্র করা যাবে না [অর্থাৎ একই পুরুষ এইরূপ দুই নারীকে এক সঙ্গে দুই স্ত্রীরূপে গ্রহণ করবে না]। (বুখারী ৫১০৯, মুসলিম ১৪০৮)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : কোন নারীকে তার ফুফুর সাথে এবং কোন নারীকে তার খালার সাথে বিবাহে একত্র করা যাবে না [অর্থাৎ একই পুরুষ এইরূপ দুই নারীকে এক সঙ্গে দুই স্ত্রীরূপে গ্রহণ করবে না]। (বুখারী ৫১০৯, মুসলিম ১৪০৮)

و حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يجمع بين المرأة وعمتها ولا بين المرأة وخالتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৩

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول ينهى أن تنكح المرأة على عمتها أو على خالتها وأن يطأ الرجل وليدة وفي بطنها جنين لغيره.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সঙ্গে একই পুরুষের স্ত্রী হতে নিষেধ করতে হবে। আরো নিষেধ করা হবে, কোন ব্যক্তিকে এমন দাসীর সহিত সহবাস করা হতে, যে দাসীর গর্ভে অন্য পক্ষের সন্তান রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সঙ্গে একই পুরুষের স্ত্রী হতে নিষেধ করতে হবে। আরো নিষেধ করা হবে, কোন ব্যক্তিকে এমন দাসীর সহিত সহবাস করা হতে, যে দাসীর গর্ভে অন্য পক্ষের সন্তান রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول ينهى أن تنكح المرأة على عمتها أو على خالتها وأن يطأ الرجل وليدة وفي بطنها جنين لغيره.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আপন স্ত্রীর জননীর সাথে বিবাহ বৈধ না হওয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৪

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سئل زيد بن ثابت عن رجل تزوج امرأة ثم فارقها قبل أن يصيبها هل تحل له أمها فقال زيد بن ثابت لا الأم مبهمة ليس فيها شرط وإنما الشرط في الربائب.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

যাইদ ইব্নু সাবিত (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি একজন মহিলাকে বিবাহ করেছে। অতঃপর তার সাথে সহবাস করার পূর্বে উহাকে তালাক দিয়েছে। উক্ত ব্যক্তির জন্য সে মহিলার মাতাকে বিবাহ করা বৈধ হবে কি? উত্তরে যাইদ ইব্নু সাবিত (রা) বললেন : না, বৈধ হবে না। কারণ জননীর ব্যাপারে (কুরআনুল করীমে) কোন শর্ত আরোপ করা হয়নি। বরং শর্ত রয়েছে স্ত্রীর সৎ কন্যাদের ব্যাপারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

যাইদ ইব্নু সাবিত (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি একজন মহিলাকে বিবাহ করেছে। অতঃপর তার সাথে সহবাস করার পূর্বে উহাকে তালাক দিয়েছে। উক্ত ব্যক্তির জন্য সে মহিলার মাতাকে বিবাহ করা বৈধ হবে কি? উত্তরে যাইদ ইব্নু সাবিত (রা) বললেন : না, বৈধ হবে না। কারণ জননীর ব্যাপারে (কুরআনুল করীমে) কোন শর্ত আরোপ করা হয়নি। বরং শর্ত রয়েছে স্ত্রীর সৎ কন্যাদের ব্যাপারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سئل زيد بن ثابت عن رجل تزوج امرأة ثم فارقها قبل أن يصيبها هل تحل له أمها فقال زيد بن ثابت لا الأم مبهمة ليس فيها شرط وإنما الشرط في الربائب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০৫

و حدثني عن مالك عن غير واحد أن عبد الله بن مسعود استفتي وهو بالكوفة عن نكاح الأم بعد الابنة إذا لم تكن الابنة مست فأرخص في ذلك ثم إن ابن مسعود قدم المدينة فسأل عن ذلك فأخبر أنه ليس كما قال وإنما الشرط في الربائب فرجع ابن مسعود إلى الكوفة فلم يصل إلى منزله حتى أتى الرجل الذي أفتاه بذلك فأمره أن يفارق امرأته ১৯৫২-قال مالك في الرجل تكون تحته المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنها تحرم عليه امرأته ويفارقهما جميعا ويحرمان عليه أبدا إذا كان قد أصاب الأم فإن لم يصب الأم لم تحرم عليه امرأته وفارق الأم ১৯৫৩-و قال مالك في الرجل يتزوج المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنه لا تحل له أمها أبدا ولا تحل لأبيه ولا لابنه ولا تحل له ابنتها وتحرم عليه امرأته ১৯৫৪-قال مالك فأما الزنا فإنه لا يحرم شيئا من ذلك لأن الله تبارك وتعالى قال { وأمهات نسائكم } فإنما حرم ما كان تزويجا ولم يذكر تحريم الزنا فكل تزويج كان على وجه الحلال يصيب صاحبه امرأته فهو بمنزلة التزويج الحلال فهذا الذي سمعت والذي عليه أمر الناس عندنا

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

একাধিক শায়খ হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইব্নু মাসউদ (রা)-এর নিকট কুফাতে ফতোয়া জিজ্ঞেস করা হল, কোন মহিলার কন্যাকে বিবাহ করার পর উহার সহিত সহবাস না করা হলে, সেই কন্যার মাতাকে বিবাহ করা যাবে কিনা ? তিনি এই বিবাহের ব্যাপারে অনুমতি দিলেন। অতঃপর ইব্নু মাসঊদ (রা) যখন মদীনাতে আগমন করলেন তখন তিনি এই বিষয়ে (অন্যান্য সাহাবীর নিকট) জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে বলা হল যে, তিনি (কুফাতে) যেরূপ বলেছেন আসল ব্যাপার সেরূপ নয়। (শর্ত আরোপ করা হয়েছে কেবলমাত্র পোষ্য কন্যাদের ব্যাপারে।) তারপর ইব্নু মাসঊদ কুফাতে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং নিজ গৃহে না গিয়ে যে ব্যক্তিকে এরূপ ফতোয়া দিয়েছিলেন সে ব্যক্তির নিকট গমন করলেন। অতঃপর সে ব্যক্তিকে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করেছে, অতঃপর সেই মহিলার মাতাকেও বিবাহ করেছে এবং তার (স্ত্রীর মাতার) সহিত সহবাস করেছে, সেই ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে। সে স্ত্রী ও স্ত্রীর মাতা উভয়কে পরিত্যাগ করবে। উভয়ে তার জন্য সর্বদা হারাম হবে। ইহা তখন হবে যখন সে স্ত্রীর মাতার সহিত সহবাস করে। আর যদি সহবাস না করে থাকে তবে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হইবে না। (কেবলমাত্র) স্ত্রীর মাতাকে পরিত্যাগ করবে। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করে, অতঃপর সেই স্ত্রীর মাতাকেও বিবাহ করে এবং তার সাথে সহবাস করে, সে ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রীর মাতা কখনো হালাল হবে না। আর হালাল হবে না তার ছেলের জন্য এবং হালাল হবে না তার পিতার জন্য। আর সে ব্যক্তির জন্য উহার কন্যাও হালাল হবে না এবং তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন : ব্যভিচার ইহার কোনটিকেই হারাম করবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেন : وَأُمَّهَاتُ نِسَائِكُمْ “তোমাদের স্ত্রীগণের মাতাগণও তোমাদের জন্য হারাম।” উক্ত আয়াতে বিবাহের কারণে (স্ত্রীর মাতাকে) হারাম করা হয়েছে। ব্যভিচারের দ্বারা হারাম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যে কোন বিবাহ হালাল পন্থায় অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বামী স্ত্রীর সহিত মিলিত হবে। সেই বিবাহ হালাল বিবাহের মত গণ্য হবে। এটাই আমি শুনেছি। মদীনাবাসীদের নিকট ইহাই গৃহীত মত।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

একাধিক শায়খ হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইব্নু মাসউদ (রা)-এর নিকট কুফাতে ফতোয়া জিজ্ঞেস করা হল, কোন মহিলার কন্যাকে বিবাহ করার পর উহার সহিত সহবাস না করা হলে, সেই কন্যার মাতাকে বিবাহ করা যাবে কিনা ? তিনি এই বিবাহের ব্যাপারে অনুমতি দিলেন। অতঃপর ইব্নু মাসঊদ (রা) যখন মদীনাতে আগমন করলেন তখন তিনি এই বিষয়ে (অন্যান্য সাহাবীর নিকট) জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে বলা হল যে, তিনি (কুফাতে) যেরূপ বলেছেন আসল ব্যাপার সেরূপ নয়। (শর্ত আরোপ করা হয়েছে কেবলমাত্র পোষ্য কন্যাদের ব্যাপারে।) তারপর ইব্নু মাসঊদ কুফাতে প্রত্যাবর্তন করলেন এবং নিজ গৃহে না গিয়ে যে ব্যক্তিকে এরূপ ফতোয়া দিয়েছিলেন সে ব্যক্তির নিকট গমন করলেন। অতঃপর সে ব্যক্তিকে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করেছে, অতঃপর সেই মহিলার মাতাকেও বিবাহ করেছে এবং তার (স্ত্রীর মাতার) সহিত সহবাস করেছে, সেই ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে। সে স্ত্রী ও স্ত্রীর মাতা উভয়কে পরিত্যাগ করবে। উভয়ে তার জন্য সর্বদা হারাম হবে। ইহা তখন হবে যখন সে স্ত্রীর মাতার সহিত সহবাস করে। আর যদি সহবাস না করে থাকে তবে তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হইবে না। (কেবলমাত্র) স্ত্রীর মাতাকে পরিত্যাগ করবে। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করে, অতঃপর সেই স্ত্রীর মাতাকেও বিবাহ করে এবং তার সাথে সহবাস করে, সে ব্যক্তির জন্য তার স্ত্রীর মাতা কখনো হালাল হবে না। আর হালাল হবে না তার ছেলের জন্য এবং হালাল হবে না তার পিতার জন্য। আর সে ব্যক্তির জন্য উহার কন্যাও হালাল হবে না এবং তার স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন : ব্যভিচার ইহার কোনটিকেই হারাম করবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেছেন : وَأُمَّهَاتُ نِسَائِكُمْ “তোমাদের স্ত্রীগণের মাতাগণও তোমাদের জন্য হারাম।” উক্ত আয়াতে বিবাহের কারণে (স্ত্রীর মাতাকে) হারাম করা হয়েছে। ব্যভিচারের দ্বারা হারাম হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যে কোন বিবাহ হালাল পন্থায় অনুষ্ঠিত হবে এবং স্বামী স্ত্রীর সহিত মিলিত হবে। সেই বিবাহ হালাল বিবাহের মত গণ্য হবে। এটাই আমি শুনেছি। মদীনাবাসীদের নিকট ইহাই গৃহীত মত।

و حدثني عن مالك عن غير واحد أن عبد الله بن مسعود استفتي وهو بالكوفة عن نكاح الأم بعد الابنة إذا لم تكن الابنة مست فأرخص في ذلك ثم إن ابن مسعود قدم المدينة فسأل عن ذلك فأخبر أنه ليس كما قال وإنما الشرط في الربائب فرجع ابن مسعود إلى الكوفة فلم يصل إلى منزله حتى أتى الرجل الذي أفتاه بذلك فأمره أن يفارق امرأته ১৯৫২-قال مالك في الرجل تكون تحته المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنها تحرم عليه امرأته ويفارقهما جميعا ويحرمان عليه أبدا إذا كان قد أصاب الأم فإن لم يصب الأم لم تحرم عليه امرأته وفارق الأم ১৯৫৩-و قال مالك في الرجل يتزوج المرأة ثم ينكح أمها فيصيبها إنه لا تحل له أمها أبدا ولا تحل لأبيه ولا لابنه ولا تحل له ابنتها وتحرم عليه امرأته ১৯৫৪-قال مالك فأما الزنا فإنه لا يحرم شيئا من ذلك لأن الله تبارك وتعالى قال { وأمهات نسائكم } فإنما حرم ما كان تزويجا ولم يذكر تحريم الزنا فكل تزويج كان على وجه الحلال يصيب صاحبه امرأته فهو بمنزلة التزويج الحلال فهذا الذي سمعت والذي عليه أمر الناس عندنا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00