মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পর্দা টাঙানো

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৪

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قضى في المرأة إذا تزوجها الرجل أنه إذا أرخيت الستور فقد وجب الصداق.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ফায়সালা দিয়েছেন যে, কোন মহিলাকে কোন পুরুষ বিবাহ করলে এবং বিবাহের পর (স্বামী স্ত্রী গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর) পর্দা টাঙ্গান হলে তবে স্বামীর উপর মহর ওয়াজিব হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ফায়সালা দিয়েছেন যে, কোন মহিলাকে কোন পুরুষ বিবাহ করলে এবং বিবাহের পর (স্বামী স্ত্রী গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর) পর্দা টাঙ্গান হলে তবে স্বামীর উপর মহর ওয়াজিব হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قضى في المرأة إذا تزوجها الرجل أنه إذا أرخيت الستور فقد وجب الصداق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৫

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن زيد بن ثابت كان يقول إذا دخل الرجل بامرأته فأرخيت عليهما الستور فقد وجب الصداق ১৪-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا دخل الرجل بالمرأة في بيتها صدق الرجل عليها وإذا دخلت عليه في بيته صدقت عليه قال مالك أرى ذلك في المسيس إذا دخل عليها في بيتها فقالت قد مسني وقال لم أمسها صدق عليها فإن دخلت عليه في بيته فقال لم أمسها وقالت قد مسني صدقت عليه.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করার পর পর্দা টাঙ্গানো হলে তার মহরানা ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সহিত স্ত্রীর গৃহে মিলিত হলে সঙ্গম সম্পর্কে স্বামীর কথাই সত্য বলে গণ্য হবে। আর যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে আগমন করে এবং মিলিত হয় সেই ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাই গ্রাহ্য করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমি মনে করি, উহা হচ্ছে স্পর্শ করার ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর গৃহে তার সাথে মিলিত হলে তবে স্ত্রী যদি বলে, “সে আমাকে স্পর্শ (সহবাস) করেছে” আর স্বামী বলে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” এমতাবস্থায় স্বামীর দাবী বিশ্বাসযোগ্য হবে। পক্ষান্তরে যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে মিলিত হয়, অতঃপর (সহবাসের ব্যাপারে) স্বামী দাবি করে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” স্ত্রী দাবি করে, “আমাকে সে স্পর্শ করেছে।” এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি বিশ্বাসযোগ্য হবে।

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করার পর পর্দা টাঙ্গানো হলে তার মহরানা ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সহিত স্ত্রীর গৃহে মিলিত হলে সঙ্গম সম্পর্কে স্বামীর কথাই সত্য বলে গণ্য হবে। আর যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে আগমন করে এবং মিলিত হয় সেই ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাই গ্রাহ্য করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমি মনে করি, উহা হচ্ছে স্পর্শ করার ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর গৃহে তার সাথে মিলিত হলে তবে স্ত্রী যদি বলে, “সে আমাকে স্পর্শ (সহবাস) করেছে” আর স্বামী বলে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” এমতাবস্থায় স্বামীর দাবী বিশ্বাসযোগ্য হবে। পক্ষান্তরে যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে মিলিত হয়, অতঃপর (সহবাসের ব্যাপারে) স্বামী দাবি করে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” স্ত্রী দাবি করে, “আমাকে সে স্পর্শ করেছে।” এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি বিশ্বাসযোগ্য হবে।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن زيد بن ثابت كان يقول إذا دخل الرجل بامرأته فأرخيت عليهما الستور فقد وجب الصداق ১৪-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا دخل الرجل بالمرأة في بيتها صدق الرجل عليها وإذا دخلت عليه في بيته صدقت عليه قال مالك أرى ذلك في المسيس إذا دخل عليها في بيتها فقالت قد مسني وقال لم أمسها صدق عليها فإن دخلت عليه في بيته فقال لم أمسها وقالت قد مسني صدقت عليه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আইয়্যেম ও বাকেরা-এর নিকট অবস্থান করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৭

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه كان يقول للبكر سبع وللثيب ثلاث قال مالك وذلك الأمر عندنا ১৯৩৭-قال مالك فإن كانت له امرأة غير التي تزوج فإنه يقسم بينهما بعد أن تمضي أيام التي تزوج بالسواء ولا يحسب على التي تزوج ما أقام عندها.

হুমাইদ তাবীল (র) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইব্নু মালিক (রা) বলতেন : (অবস্থানের হক) কুমারীর জন্য সাত দিন, আর অকুমারীর জন্য তিন দিন। মালিক (র) বলেন, মদীনাবাসীদের আমলও অনুরূপ। (বুখারী ৫২১৩, মুসলিম ১৪৬১) মালিক (র) বলেন : নতুন স্ত্রী ব্যতীত যদি কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, তবে যে স্ত্রীকে (সদ্য) বিবাহ করেছে সেই স্ত্রীর (নির্দিষ্ট বিশেষ) দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সে উভয়ের মধ্যে সমান সমান পালা ভাগ করবে। আর (সদ্য) বিবাহিতা স্ত্রীর নিকট যে কয়দিন অবস্থান করেছে পালা বণ্টনের মধ্যে সেই দিনগুলো হিসাব করা হবে না।

হুমাইদ তাবীল (র) থেকে বর্নিতঃ

আনাস ইব্নু মালিক (রা) বলতেন : (অবস্থানের হক) কুমারীর জন্য সাত দিন, আর অকুমারীর জন্য তিন দিন। মালিক (র) বলেন, মদীনাবাসীদের আমলও অনুরূপ। (বুখারী ৫২১৩, মুসলিম ১৪৬১) মালিক (র) বলেন : নতুন স্ত্রী ব্যতীত যদি কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, তবে যে স্ত্রীকে (সদ্য) বিবাহ করেছে সেই স্ত্রীর (নির্দিষ্ট বিশেষ) দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সে উভয়ের মধ্যে সমান সমান পালা ভাগ করবে। আর (সদ্য) বিবাহিতা স্ত্রীর নিকট যে কয়দিন অবস্থান করেছে পালা বণ্টনের মধ্যে সেই দিনগুলো হিসাব করা হবে না।

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه كان يقول للبكر سبع وللثيب ثلاث قال مالك وذلك الأمر عندنا ১৯৩৭-قال مالك فإن كانت له امرأة غير التي تزوج فإنه يقسم بينهما بعد أن تمضي أيام التي تزوج بالسواء ولا يحسب على التي تزوج ما أقام عندها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৬

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام المخزومي عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة وأصبحت عنده قال لها ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت عندك وسبعت عندهن وإن شئت ثلثت عندك ودرت فقالت ثلث.

আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশাম মাখযুমী (র) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উম্মুল মু’মিনীন) উম্মে সালামাহ্ (রা)-কে বিবাহ করেন এবং উম্মে সালামাই (রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রাত্রি যাপন করে) ফজর করলেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন : “তোমার স্বামীর নিকট তোমার মর্যাদা কম নয়। তুমি ইচ্ছা করলে আমি তোমার নিকট এক সপ্তাহ অবস্থান করব এবং অন্যান্য স্ত্রীর নিকটও এক এক সপ্তাহ করে অবস্থান করব। আর যদি তুমি ইচ্ছা কর আমি তোমার নিকট তিনদিন অবস্থান করব আর অন্যান্য স্ত্রীর নিকট পর্যায়ক্রমে অবস্থান করব। উম্মে সালামাহ্ (রা) বললেন : আমার নিকট তিনদিন অবস্থান করুন। (সহীহ, মুসলিম ১৪৬০)

আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশাম মাখযুমী (র) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উম্মুল মু’মিনীন) উম্মে সালামাহ্ (রা)-কে বিবাহ করেন এবং উম্মে সালামাই (রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রাত্রি যাপন করে) ফজর করলেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন : “তোমার স্বামীর নিকট তোমার মর্যাদা কম নয়। তুমি ইচ্ছা করলে আমি তোমার নিকট এক সপ্তাহ অবস্থান করব এবং অন্যান্য স্ত্রীর নিকটও এক এক সপ্তাহ করে অবস্থান করব। আর যদি তুমি ইচ্ছা কর আমি তোমার নিকট তিনদিন অবস্থান করব আর অন্যান্য স্ত্রীর নিকট পর্যায়ক্রমে অবস্থান করব। উম্মে সালামাহ্ (রা) বললেন : আমার নিকট তিনদিন অবস্থান করুন। (সহীহ, মুসলিম ১৪৬০)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام المخزومي عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة وأصبحت عنده قال لها ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت عندك وسبعت عندهن وإن شئت ثلثت عندك ودرت فقالت ثلث.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিবাহে যে সকল শর্ত বৈধ নয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৮

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة تشترط على زوجها أنه لا يخرج بها من بلدها فقال سعيد بن المسيب يخرج بها إن شاء. قال مالك فالأمر عندنا أنه إذا شرط الرجل للمرأة وإن كان ذلك عند عقدة النكاح أن لا أنكح عليك ولا أتسرر إن ذلك ليس بشيء إلا أن يكون في ذلك يمين بطلاق أو عتاقة فيجب ذلك عليه ويلزمه.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল : কোন স্ত্রীলোক স্বামীর উপর এই শর্ত আরোপ করেছে যে, স্বামী তাকে নিজ শহর হতে বাহির করবে না। উত্তরে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বললেন : স্বামী ইচ্ছা করলে উহাকে তার শহরের বাইরে নিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই, যদি বিবাহ বন্ধন স্থির করার সময় পুরুষ মহিলার জন্য এই শর্ত মেনে নেয়, “আমি তোমার উপর অন্য বিবাহ করব না এবং কোন ক্রীতদাসীও রাখব না” এরূপ শর্ত অর্থহীন। কিন্তু এরূপ করলে স্ত্রীর তালাক এবং ক্রীতদাসীর আযাদ হওয়ার কথা যুক্ত করা হয়, তবে সে শর্ত স্বামীর উপর ওয়াযিব হবে এবং (শর্ত লঙ্ঘন করলে) তালাক ও আযাদী প্রযোজ্য হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল : কোন স্ত্রীলোক স্বামীর উপর এই শর্ত আরোপ করেছে যে, স্বামী তাকে নিজ শহর হতে বাহির করবে না। উত্তরে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বললেন : স্বামী ইচ্ছা করলে উহাকে তার শহরের বাইরে নিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই, যদি বিবাহ বন্ধন স্থির করার সময় পুরুষ মহিলার জন্য এই শর্ত মেনে নেয়, “আমি তোমার উপর অন্য বিবাহ করব না এবং কোন ক্রীতদাসীও রাখব না” এরূপ শর্ত অর্থহীন। কিন্তু এরূপ করলে স্ত্রীর তালাক এবং ক্রীতদাসীর আযাদ হওয়ার কথা যুক্ত করা হয়, তবে সে শর্ত স্বামীর উপর ওয়াযিব হবে এবং (শর্ত লঙ্ঘন করলে) তালাক ও আযাদী প্রযোজ্য হবে।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة تشترط على زوجها أنه لا يخرج بها من بلدها فقال سعيد بن المسيب يخرج بها إن شاء. قال مالك فالأمر عندنا أنه إذا شرط الرجل للمرأة وإن كان ذلك عند عقدة النكاح أن لا أنكح عليك ولا أتسرر إن ذلك ليس بشيء إلا أن يكون في ذلك يمين بطلاق أو عتاقة فيجب ذلك عليه ويلزمه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুহাল্লিল [১] -এর বিবাহ এবং এই জাতীয় অন্যান্য বিবাহ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০০

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها سئلت عن رجل طلق امرأته البتة فتزوجها بعده رجل آخر فطلقها قبل أن يمسها هل يصلح لزوجها الأول أن يتزوجها فقالت عائشة لا حتى يذوق عسيلتها.

আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করেছে। কিন্তু সে তাকে স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বেই তালাক দিয়েছে। এই অবস্থাতে প্রথম স্বামীর জন্য তাকে পুনরায় বিবাহ করা বৈধ হবে কি? আয়িশা (রা) বললেন : না, তাকে স্পর্শ (সহবাস) না করা পর্যন্ত বৈধ হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছে। তারপর তাকে অন্য এক ব্যক্তি বিবাহ করেছে। কিন্তু সে তাকে স্পর্শ (সহবাস) করার পূর্বেই তালাক দিয়েছে। এই অবস্থাতে প্রথম স্বামীর জন্য তাকে পুনরায় বিবাহ করা বৈধ হবে কি? আয়িশা (রা) বললেন : না, তাকে স্পর্শ (সহবাস) না করা পর্যন্ত বৈধ হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها سئلت عن رجل طلق امرأته البتة فتزوجها بعده رجل آخر فطلقها قبل أن يمسها هل يصلح لزوجها الأول أن يتزوجها فقالت عائشة لا حتى يذوق عسيلتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৯

حدثني يحيى عن مالك عن المسور بن رفاعة القرظي عن الزبير بن عبد الرحمن بن الزبير أن رفاعة بن سموال طلق امرأته تميمة بنت وهب في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا فنكحت عبد الرحمن بن الزبير فاعترض عنها فلم يستطع أن يمسها ففارقها فأراد رفاعة أن ينكحها وهو زوجها الأول الذي كان طلقها فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنهاه عن تزويجها وقال لا تحل لك حتى تذوق العسيلة.

যুবাইর ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ ইবনু সিমওয়াল (র) তাঁর স্ত্রী তামীমা বিন্তে ওয়াহ্ব-কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তামীমা আবদুর রহমান ইব্ন যুবাইরকে বিবাহ করলেন। কিন্তু তাঁর সাথে মিলিত হতে বিপত্তি [২] ঘটল যদ্দরুন আবদুর রহমান তাঁকে স্পর্শ করতে পারল না। তাই তিনি তামীমাকে ত্যাগ করলেন। অতঃপর রিফা’আ তাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করলেন। এই রিফা’আ তার প্রথম স্বামী যিনি তাঁকে তালাক দিয়েছিলেন। রিফা’আ এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উত্থাপন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামীমাকে বিবাহ করতে তাঁকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, لَا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ ‘(অন্য স্বামী) সহবাস না করা পর্যন্ত তামীমা তোমার জন্য হালাল হবে না।” (বুখারী ৫৭৯২, মুসলিম ৪১৩৩)

যুবাইর ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ

রিফা’আ ইবনু সিমওয়াল (র) তাঁর স্ত্রী তামীমা বিন্তে ওয়াহ্ব-কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে তিন তালাক দিলেন। অতঃপর তামীমা আবদুর রহমান ইব্ন যুবাইরকে বিবাহ করলেন। কিন্তু তাঁর সাথে মিলিত হতে বিপত্তি [২] ঘটল যদ্দরুন আবদুর রহমান তাঁকে স্পর্শ করতে পারল না। তাই তিনি তামীমাকে ত্যাগ করলেন। অতঃপর রিফা’আ তাকে বিবাহ করতে ইচ্ছা করলেন। এই রিফা’আ তার প্রথম স্বামী যিনি তাঁকে তালাক দিয়েছিলেন। রিফা’আ এই বিষয়টি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উত্থাপন করলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামীমাকে বিবাহ করতে তাঁকে নিষেধ করলেন এবং বললেন, لَا تَحِلُّ لَكَ حَتَّى تَذُوقَ الْعُسَيْلَةَ ‘(অন্য স্বামী) সহবাস না করা পর্যন্ত তামীমা তোমার জন্য হালাল হবে না।” (বুখারী ৫৭৯২, মুসলিম ৪১৩৩)

حدثني يحيى عن مالك عن المسور بن رفاعة القرظي عن الزبير بن عبد الرحمن بن الزبير أن رفاعة بن سموال طلق امرأته تميمة بنت وهب في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثا فنكحت عبد الرحمن بن الزبير فاعترض عنها فلم يستطع أن يمسها ففارقها فأراد رفاعة أن ينكحها وهو زوجها الأول الذي كان طلقها فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فنهاه عن تزويجها وقال لا تحل لك حتى تذوق العسيلة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১০১

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد سئل عن رجل طلق امرأته البتة ثم تزوجها بعده رجل آخر فمات عنها قبل أن يمسها هل يحل لزوجها الأول أن يراجعها فقال القاسم بن محمد لا يحل لزوجها الأول أن يراجعها. ১৯৪৫-قال مالك في المحلل إنه لا يقيم على نكاحه ذلك حتى يستقبل نكاحا جديدا فإن أصابها في ذلك فلها مهرها

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল, এর পর অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করল। স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বেই সে ব্যক্তির মৃত্যু হল। এইরূপ অবস্থাতে তার প্রথম স্বামীর পক্ষে তাকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে কি? কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ বললেন : প্রথম স্বামীর পক্ষে সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : পূর্ব স্বামী যে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে সেই স্বামীর জন্য স্ত্রীকে হালাল করার উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি বিবাহ করবে তার সেই বিবাহ ভেঙ্গে দেয়া হবে। এবং (হালাল করার নিয়ত ছাড়া) নূতনভাবে দ্বিতীয়বার বিবাহ করবে। কিন্তু (উপরিউক্ত অবৈধ বিবাহে) যদি সে স্ত্রীর সহিত সহবাস করে থাকে তবে স্ত্রী মহর পাবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে প্রশ্ন করা হল, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল, এর পর অন্য এক ব্যক্তি তাকে বিবাহ করল। স্ত্রীকে স্পর্শ করার পূর্বেই সে ব্যক্তির মৃত্যু হল। এইরূপ অবস্থাতে তার প্রথম স্বামীর পক্ষে তাকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে কি? কাশেম ইব্নু মুহাম্মাদ বললেন : প্রথম স্বামীর পক্ষে সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করা হালাল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : পূর্ব স্বামী যে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে সেই স্বামীর জন্য স্ত্রীকে হালাল করার উদ্দেশ্যে যে ব্যক্তি বিবাহ করবে তার সেই বিবাহ ভেঙ্গে দেয়া হবে। এবং (হালাল করার নিয়ত ছাড়া) নূতনভাবে দ্বিতীয়বার বিবাহ করবে। কিন্তু (উপরিউক্ত অবৈধ বিবাহে) যদি সে স্ত্রীর সহিত সহবাস করে থাকে তবে স্ত্রী মহর পাবে।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد سئل عن رجل طلق امرأته البتة ثم تزوجها بعده رجل آخر فمات عنها قبل أن يمسها هل يحل لزوجها الأول أن يراجعها فقال القاسم بن محمد لا يحل لزوجها الأول أن يراجعها. ১৯৪৫-قال مالك في المحلل إنه لا يقيم على نكاحه ذلك حتى يستقبل نكاحا جديدا فإن أصابها في ذلك فلها مهرها


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00