মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মহর ও উপঢৌকন
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯০
حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءته امرأة فقالت يا رسول الله إني قد وهبت نفسي لك فقامت قياما طويلا فقام رجل فقال يا رسول الله زوجنيها إن لم تكن لك بها حاجة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هل عندك من شيء تصدقها إياه فقال ما عندي إلا إزاري هذا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن أعطيتها إياه جلست لا إزار لك فالتمس شيئا فقال ما أجد شيئا قال التمس ولو خاتما من حديد فالتمس فلم يجد شيئا فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم هل معك من القرآن شيء فقال نعم معي سورة كذا وسورة كذا لسور سماها فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنكحتكها بما معك من القرآن.
সাহ্ল ইবনু সা’দ সায়িদী (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একজন মহিলা এসে বললঃ ইয়া রসূলুল্লাহ ! আমি আমার সত্তাকে আপনার জন্য হিবা (দান) করলাম। ইহা বলার পর সে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করল। অতঃপর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল : ইয়া রসূলুল্লাহ ! আপনার প্রয়োজন না থাকলে এই মহিলাকে আমার নিকট বিবাহ দিন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এই মহিলাকে মোহরানা বাবদ দিবার মত তোমার কাছে কিছু আছে কি ? লোকটি বলল : আমার নিকট আমার এই তাহ্বন্দ্ (পরিচ্ছেদ-লুঙ্গী অথবা পায়জামা) ব্যতীত আর কিছু নেই। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার এই তাহ্বন্দ্ উহাকে প্রদান করলে তোমার নিকট কোন পরিচ্ছেদ থাকবে না। তাই তুমি অন্য কিছু তালাশ কর। সে ব্যক্তি বলল : আমি কিছু পাব না। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তুমি একটি লোহার আংটিও পাও কিনা দেখ। সে তালাশ করল। কিন্তু কিছুই পেল না। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : কুরআনের কিছু অংশ তোমার জানা আছে কি? সে সূরার নাম উল্লেখ করে বলল : অমুক অমুক সূরা আমার কণ্ঠস্থ আছে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কুরআন শরীফের যে কয়টি সূরা তোমার কণ্ঠস্থ আছে সেইগুলির বিনিময়ে এই মহিলাকে আমি তোমার নিকট বিবাহ দিলাম। অর্থাৎ এ সূরাগুলো তুমি তাকে শিখিয়ে দিবে। (বুখারী ৫১৩৪, মুসলিম ১৪২৫)
সাহ্ল ইবনু সা’দ সায়িদী (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একজন মহিলা এসে বললঃ ইয়া রসূলুল্লাহ ! আমি আমার সত্তাকে আপনার জন্য হিবা (দান) করলাম। ইহা বলার পর সে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করল। অতঃপর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল : ইয়া রসূলুল্লাহ ! আপনার প্রয়োজন না থাকলে এই মহিলাকে আমার নিকট বিবাহ দিন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এই মহিলাকে মোহরানা বাবদ দিবার মত তোমার কাছে কিছু আছে কি ? লোকটি বলল : আমার নিকট আমার এই তাহ্বন্দ্ (পরিচ্ছেদ-লুঙ্গী অথবা পায়জামা) ব্যতীত আর কিছু নেই। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার এই তাহ্বন্দ্ উহাকে প্রদান করলে তোমার নিকট কোন পরিচ্ছেদ থাকবে না। তাই তুমি অন্য কিছু তালাশ কর। সে ব্যক্তি বলল : আমি কিছু পাব না। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তুমি একটি লোহার আংটিও পাও কিনা দেখ। সে তালাশ করল। কিন্তু কিছুই পেল না। অতঃপর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : কুরআনের কিছু অংশ তোমার জানা আছে কি? সে সূরার নাম উল্লেখ করে বলল : অমুক অমুক সূরা আমার কণ্ঠস্থ আছে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কুরআন শরীফের যে কয়টি সূরা তোমার কণ্ঠস্থ আছে সেইগুলির বিনিময়ে এই মহিলাকে আমি তোমার নিকট বিবাহ দিলাম। অর্থাৎ এ সূরাগুলো তুমি তাকে শিখিয়ে দিবে। (বুখারী ৫১৩৪, মুসলিম ১৪২৫)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سهل بن سعد الساعدي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءته امرأة فقالت يا رسول الله إني قد وهبت نفسي لك فقامت قياما طويلا فقام رجل فقال يا رسول الله زوجنيها إن لم تكن لك بها حاجة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هل عندك من شيء تصدقها إياه فقال ما عندي إلا إزاري هذا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن أعطيتها إياه جلست لا إزار لك فالتمس شيئا فقال ما أجد شيئا قال التمس ولو خاتما من حديد فالتمس فلم يجد شيئا فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم هل معك من القرآن شيء فقال نعم معي سورة كذا وسورة كذا لسور سماها فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنكحتكها بما معك من القرآن.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯২
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابنة عبيد الله بن عمر وأمها بنت زيد بن الخطاب كانت تحت ابن لعبد الله بن عمر فمات ولم يدخل بها ولم يسم لها صداقا فابتغت أمها صداقها فقال عبد الله بن عمر ليس لها صداق ولو كان لها صداق لم نمسكه ولم نظلمها فأبت أمها أن تقبل ذلك فجعلوا بينهم زيد بن ثابت فقضى أن لا صداق لها ولها الميراث.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর কন্যা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্রের স্ত্রী ছিলেন এবং তার মাতা ছিলেন যাইদ ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কন্যা। তাঁর সাথে তলব সহবাসের পূর্বে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হল। অথচ তাঁর মহর ধার্যকৃত ছিল না। স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর মাতা মোহরানা করলেন। আবদুল্লাহ ইব্নু উমার (রা) বললেন : তিনি মহর পাবেন না। যদি তাঁর পাওনা থাকত, তবে আমরা অবশ্যই দিতাম এবং তার হক আদায় করতে কোন প্রকার ক্রটি করতাম না। কন্যার মাতা এই কথা মানলেন না। যাইদ ইব্নু সাবিত (রা) তাদের উভয়ের মীমাংসাকারী নিযুক্ত হলেন। তিনি রায় দিলেন যে, কন্যা মোহরানা পাবেন না। তিনি স্বামীর সম্পদে উত্তরাধিকারিণী হবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর কন্যা আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্রের স্ত্রী ছিলেন এবং তার মাতা ছিলেন যাইদ ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কন্যা। তাঁর সাথে তলব সহবাসের পূর্বে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হল। অথচ তাঁর মহর ধার্যকৃত ছিল না। স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর মাতা মোহরানা করলেন। আবদুল্লাহ ইব্নু উমার (রা) বললেন : তিনি মহর পাবেন না। যদি তাঁর পাওনা থাকত, তবে আমরা অবশ্যই দিতাম এবং তার হক আদায় করতে কোন প্রকার ক্রটি করতাম না। কন্যার মাতা এই কথা মানলেন না। যাইদ ইব্নু সাবিত (রা) তাদের উভয়ের মীমাংসাকারী নিযুক্ত হলেন। তিনি রায় দিলেন যে, কন্যা মোহরানা পাবেন না। তিনি স্বামীর সম্পদে উত্তরাধিকারিণী হবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن ابنة عبيد الله بن عمر وأمها بنت زيد بن الخطاب كانت تحت ابن لعبد الله بن عمر فمات ولم يدخل بها ولم يسم لها صداقا فابتغت أمها صداقها فقال عبد الله بن عمر ليس لها صداق ولو كان لها صداق لم نمسكه ولم نظلمها فأبت أمها أن تقبل ذلك فجعلوا بينهم زيد بن ثابت فقضى أن لا صداق لها ولها الميراث.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯১
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال قال عمر بن الخطاب أيما رجل تزوج امرأة وبها جنون أو جذام أو برص فمسها فلها صداقها كاملا وذلك لزوجها غرم على وليها ১৯২২-قال مالك وإنما يكون ذلك غرما على وليها لزوجها إذا كان وليها الذي أنكحها هو أبوها أو أخوها أو من يرى أنه يعلم ذلك منها فأما إذا كان وليها الذي أنكحها ابن عم أو مولى أو من العشيرة ممن يرى أنه لا يعلم ذلك منها فليس عليه غرم وترد تلك المرأة ما أخذته من صداقها ويترك لها قدر ما تستحل به.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করল যে মহিলার পাগলামী, কুষ্ঠ ও শ্বেত রোগ রয়েছে, উক্ত ব্যক্তি সে মহিলার সাথে সহবাস করলে সে মহিলা পূর্ণ মোহরানার হকদার হবে এবং উক্ত মহিলার অভিভাবকের উপর সেই মোহরানার অর্থ দণ্ড বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যদি উক্ত মহিলার অভিভাবক, যে তাকে বিবাহ দিয়েছে তার পিতা বা ভাই অথবা এমন কোন আত্মীয় হয়, যে মহিলার রোগের খবর জানে, তবে তার স্বামীকে মোহরানার অর্থ ফেরৎ দিতে হবে। পক্ষান্তরে যদি উক্ত মহিলার অভিভাবক তার চাচাত ভাই অথবা তার আযাদকৃত গোলাম অথবা তার গোত্রের অন্য কোন লোক হয়, যার সম্পর্কে ধারণা করা যায় যে, সে তার রোগের খবর জানে না। তবে তার উপর অর্থদন্ড বর্তাবে না। উক্ত মহিলা মোহরানার নিম্নতম পরিমাণ অর্থ রেখে মোহরানার অবশিষ্ট অংশ স্বামীকে ফেরৎ দিবে।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : যে ব্যক্তি কোন মহিলাকে বিবাহ করল যে মহিলার পাগলামী, কুষ্ঠ ও শ্বেত রোগ রয়েছে, উক্ত ব্যক্তি সে মহিলার সাথে সহবাস করলে সে মহিলা পূর্ণ মোহরানার হকদার হবে এবং উক্ত মহিলার অভিভাবকের উপর সেই মোহরানার অর্থ দণ্ড বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যদি উক্ত মহিলার অভিভাবক, যে তাকে বিবাহ দিয়েছে তার পিতা বা ভাই অথবা এমন কোন আত্মীয় হয়, যে মহিলার রোগের খবর জানে, তবে তার স্বামীকে মোহরানার অর্থ ফেরৎ দিতে হবে। পক্ষান্তরে যদি উক্ত মহিলার অভিভাবক তার চাচাত ভাই অথবা তার আযাদকৃত গোলাম অথবা তার গোত্রের অন্য কোন লোক হয়, যার সম্পর্কে ধারণা করা যায় যে, সে তার রোগের খবর জানে না। তবে তার উপর অর্থদন্ড বর্তাবে না। উক্ত মহিলা মোহরানার নিম্নতম পরিমাণ অর্থ রেখে মোহরানার অবশিষ্ট অংশ স্বামীকে ফেরৎ দিবে।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه قال قال عمر بن الخطاب أيما رجل تزوج امرأة وبها جنون أو جذام أو برص فمسها فلها صداقها كاملا وذلك لزوجها غرم على وليها ১৯২২-قال مالك وإنما يكون ذلك غرما على وليها لزوجها إذا كان وليها الذي أنكحها هو أبوها أو أخوها أو من يرى أنه يعلم ذلك منها فأما إذا كان وليها الذي أنكحها ابن عم أو مولى أو من العشيرة ممن يرى أنه لا يعلم ذلك منها فليس عليه غرم وترد تلك المرأة ما أخذته من صداقها ويترك لها قدر ما تستحل به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز كتب في خلافته إلى بعض عماله أن كل ما اشترط المنكح من كان أبا أو غيره من حباء أو كرامة فهو للمرأة إن ابتغته ১৯২৫-قال مالك في المرأة ينكحها أبوها ويشترط في صداقها الحباء يحبى به إن ما كان من شرط يقع به النكاح فهو لابنته إن ابتغته وإن فارقها زوجها قبل أن يدخل بها فلزوجها شطر الحباء الذي وقع به النكاح.
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) তাঁর খিলাফতকালে জনৈক কর্মকর্তার নিকট এই মর্মে পত্র লিখলেন যে, বিবাহ প্রদানকারী তিনি পিতা হোক বা অন্য কেউ স্বামীর নিকট হতে কোন প্রকার উপঢৌকন বা সম্মানীর শর্ত করে থাকলে স্ত্রী দাবী করলে সে তা পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) সেই মহিলা সম্পর্কে বলেন, যে মহিলাকে তার পিতা বিবাহ দিয়েছে এবং কন্যার মোহরানাতে কন্যার পিতা নিজের জন্য কিছু উপঢৌকনের শর্ত করেছে। তবে যেসব শর্তে বিবাহ সংঘটিত হয়েছে, সেই সব প্রাপ্য হবে কন্যার, যদি সে দাবি করে। আর যদি তার স্বামী সহবাসের পূর্বে তাকে তালাক দেয় তবে শর্তকৃত উপঢৌকন স্বামীকে পরিশোধ করতে হবে না। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি তার অপ্রাপ্ত বয়স্ক পুত্রকে বিবাহ দেয়, যে পুত্র কোন সম্পদের মালিক নয়। বিবাহ অনুষ্ঠানে যদি সে পুত্র সম্পদের মালিক না থাকে তবে মহর ওয়াজিব হবে তার পিতার উপর। আর যদি পুত্র সম্পদের মালিক থাকে তবে পিতা স্বয়ং মহর-এর দায়িত্ব গ্রহণ না করে থাকে তবে পুত্রের সম্পদ হতে মহর আদায় করতে হবে। কেননা পুত্র পিতার কর্তৃত্বাধীন থাকলে এবং পুত্র অপ্রাপ্ত বয়স্ক হলে এই বিবাহ পুত্রের জন্য অপরিহার্য হবে। মালিক (র) বলেন : কোন ব্যক্তি সহবাসের পূর্বে তার কুমারী স্ত্রীকে তালাক দিল। কন্যার পিতা তার কন্যার অর্ধেক মহর মাফ করে দিল। কন্যার পিতা যে পরিমাণ মহর মাফ করে দিল সে পরিমাণ মহর না দেওয়া স্বামীর জন্য বৈধ হবে। মালিক (র) বলেন, উপরিউক্ত মাস‘আলার দলীল এই যে, আল্লাহ তা’আলা কুরআনুল করীমে ইরশাদ করেছে, إِلَّا أَنْ يَعْفُوْنَ “যদি না স্ত্রী মাফ করে দেয়।” এতে ঐ সকল স্ত্রীলোকের কথা বলা হয়েছে যাদের সাথে তাদের স্বামীগণ সহবাস করেছে। أَوْ يَعْفُوَ الَّذِي بِيَدِهِ عُقْدَةُ النِّكَاحِ. “অথবা যার হাতে বিবাহ বন্ধন রয়েছে সে মাফ করে দেয়।” [১] আয়াতে উল্লেখিত, “যার হাতে বিবাহ বন্ধন রয়েছে” দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, কুমারী কন্যার পিতা এবং ক্রীতদাসীর মালিক যাদের হাতে বিবাহ বন্ধনের অধিকার রয়েছে।” মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে আমি এইরূপই শুনেছি এবং আমাদের মদীনাবাসীর আমলও অনুরূপ। মালিক (র) বলেন, ইহুদী অথবা খ্রিস্টান মহিলা ইহুদী অথবা খ্রিস্টান স্বামীর বিবাহ বন্ধনে থাকলে এবং ইহুদী অথবা খ্রিস্টান মহিলা স্বামীর সহিত সহবাসের পূর্বে মুসলমান হলে তবে মহর তাদের প্রাপ্য হবে না। মালিক (র) বলেন : দীনার-এর এক-চতুর্থাংশের কম পরিমাণ মহর-এর বিনিময়ে মহিলাকে বিবাহ দেওয়া আমি বৈধ মনে করি না। এই পরিমাণই হচ্ছে সর্বনিম্ন পরিমাণ যাতে চোরের হাত কাটা হয়।
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) তাঁর খিলাফতকালে জনৈক কর্মকর্তার নিকট এই মর্মে পত্র লিখলেন যে, বিবাহ প্রদানকারী তিনি পিতা হোক বা অন্য কেউ স্বামীর নিকট হতে কোন প্রকার উপঢৌকন বা সম্মানীর শর্ত করে থাকলে স্ত্রী দাবী করলে সে তা পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) সেই মহিলা সম্পর্কে বলেন, যে মহিলাকে তার পিতা বিবাহ দিয়েছে এবং কন্যার মোহরানাতে কন্যার পিতা নিজের জন্য কিছু উপঢৌকনের শর্ত করেছে। তবে যেসব শর্তে বিবাহ সংঘটিত হয়েছে, সেই সব প্রাপ্য হবে কন্যার, যদি সে দাবি করে। আর যদি তার স্বামী সহবাসের পূর্বে তাকে তালাক দেয় তবে শর্তকৃত উপঢৌকন স্বামীকে পরিশোধ করতে হবে না। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি তার অপ্রাপ্ত বয়স্ক পুত্রকে বিবাহ দেয়, যে পুত্র কোন সম্পদের মালিক নয়। বিবাহ অনুষ্ঠানে যদি সে পুত্র সম্পদের মালিক না থাকে তবে মহর ওয়াজিব হবে তার পিতার উপর। আর যদি পুত্র সম্পদের মালিক থাকে তবে পিতা স্বয়ং মহর-এর দায়িত্ব গ্রহণ না করে থাকে তবে পুত্রের সম্পদ হতে মহর আদায় করতে হবে। কেননা পুত্র পিতার কর্তৃত্বাধীন থাকলে এবং পুত্র অপ্রাপ্ত বয়স্ক হলে এই বিবাহ পুত্রের জন্য অপরিহার্য হবে। মালিক (র) বলেন : কোন ব্যক্তি সহবাসের পূর্বে তার কুমারী স্ত্রীকে তালাক দিল। কন্যার পিতা তার কন্যার অর্ধেক মহর মাফ করে দিল। কন্যার পিতা যে পরিমাণ মহর মাফ করে দিল সে পরিমাণ মহর না দেওয়া স্বামীর জন্য বৈধ হবে। মালিক (র) বলেন, উপরিউক্ত মাস‘আলার দলীল এই যে, আল্লাহ তা’আলা কুরআনুল করীমে ইরশাদ করেছে, إِلَّا أَنْ يَعْفُوْنَ “যদি না স্ত্রী মাফ করে দেয়।” এতে ঐ সকল স্ত্রীলোকের কথা বলা হয়েছে যাদের সাথে তাদের স্বামীগণ সহবাস করেছে। أَوْ يَعْفُوَ الَّذِي بِيَدِهِ عُقْدَةُ النِّكَاحِ. “অথবা যার হাতে বিবাহ বন্ধন রয়েছে সে মাফ করে দেয়।” [১] আয়াতে উল্লেখিত, “যার হাতে বিবাহ বন্ধন রয়েছে” দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, কুমারী কন্যার পিতা এবং ক্রীতদাসীর মালিক যাদের হাতে বিবাহ বন্ধনের অধিকার রয়েছে।” মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে আমি এইরূপই শুনেছি এবং আমাদের মদীনাবাসীর আমলও অনুরূপ। মালিক (র) বলেন, ইহুদী অথবা খ্রিস্টান মহিলা ইহুদী অথবা খ্রিস্টান স্বামীর বিবাহ বন্ধনে থাকলে এবং ইহুদী অথবা খ্রিস্টান মহিলা স্বামীর সহিত সহবাসের পূর্বে মুসলমান হলে তবে মহর তাদের প্রাপ্য হবে না। মালিক (র) বলেন : দীনার-এর এক-চতুর্থাংশের কম পরিমাণ মহর-এর বিনিময়ে মহিলাকে বিবাহ দেওয়া আমি বৈধ মনে করি না। এই পরিমাণই হচ্ছে সর্বনিম্ন পরিমাণ যাতে চোরের হাত কাটা হয়।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز كتب في خلافته إلى بعض عماله أن كل ما اشترط المنكح من كان أبا أو غيره من حباء أو كرامة فهو للمرأة إن ابتغته ১৯২৫-قال مالك في المرأة ينكحها أبوها ويشترط في صداقها الحباء يحبى به إن ما كان من شرط يقع به النكاح فهو لابنته إن ابتغته وإن فارقها زوجها قبل أن يدخل بها فلزوجها شطر الحباء الذي وقع به النكاح.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পর্দা টাঙানো
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৪
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قضى في المرأة إذا تزوجها الرجل أنه إذا أرخيت الستور فقد وجب الصداق.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ফায়সালা দিয়েছেন যে, কোন মহিলাকে কোন পুরুষ বিবাহ করলে এবং বিবাহের পর (স্বামী স্ত্রী গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর) পর্দা টাঙ্গান হলে তবে স্বামীর উপর মহর ওয়াজিব হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ফায়সালা দিয়েছেন যে, কোন মহিলাকে কোন পুরুষ বিবাহ করলে এবং বিবাহের পর (স্বামী স্ত্রী গৃহাভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর) পর্দা টাঙ্গান হলে তবে স্বামীর উপর মহর ওয়াজিব হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قضى في المرأة إذا تزوجها الرجل أنه إذا أرخيت الستور فقد وجب الصداق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৫
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن زيد بن ثابت كان يقول إذا دخل الرجل بامرأته فأرخيت عليهما الستور فقد وجب الصداق ১৪-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا دخل الرجل بالمرأة في بيتها صدق الرجل عليها وإذا دخلت عليه في بيته صدقت عليه قال مالك أرى ذلك في المسيس إذا دخل عليها في بيتها فقالت قد مسني وقال لم أمسها صدق عليها فإن دخلت عليه في بيته فقال لم أمسها وقالت قد مسني صدقت عليه.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করার পর পর্দা টাঙ্গানো হলে তার মহরানা ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সহিত স্ত্রীর গৃহে মিলিত হলে সঙ্গম সম্পর্কে স্বামীর কথাই সত্য বলে গণ্য হবে। আর যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে আগমন করে এবং মিলিত হয় সেই ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাই গ্রাহ্য করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমি মনে করি, উহা হচ্ছে স্পর্শ করার ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর গৃহে তার সাথে মিলিত হলে তবে স্ত্রী যদি বলে, “সে আমাকে স্পর্শ (সহবাস) করেছে” আর স্বামী বলে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” এমতাবস্থায় স্বামীর দাবী বিশ্বাসযোগ্য হবে। পক্ষান্তরে যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে মিলিত হয়, অতঃপর (সহবাসের ব্যাপারে) স্বামী দাবি করে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” স্ত্রী দাবি করে, “আমাকে সে স্পর্শ করেছে।” এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি বিশ্বাসযোগ্য হবে।
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকট প্রবেশ করার পর পর্দা টাঙ্গানো হলে তার মহরানা ওয়াজিব হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলতেন : কোন ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর সহিত স্ত্রীর গৃহে মিলিত হলে সঙ্গম সম্পর্কে স্বামীর কথাই সত্য বলে গণ্য হবে। আর যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে আগমন করে এবং মিলিত হয় সেই ক্ষেত্রে স্ত্রীর কথাই গ্রাহ্য করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমি মনে করি, উহা হচ্ছে স্পর্শ করার ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর গৃহে তার সাথে মিলিত হলে তবে স্ত্রী যদি বলে, “সে আমাকে স্পর্শ (সহবাস) করেছে” আর স্বামী বলে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” এমতাবস্থায় স্বামীর দাবী বিশ্বাসযোগ্য হবে। পক্ষান্তরে যদি স্ত্রী স্বামীর গৃহে মিলিত হয়, অতঃপর (সহবাসের ব্যাপারে) স্বামী দাবি করে, “আমি তাকে স্পর্শ করিনি।” স্ত্রী দাবি করে, “আমাকে সে স্পর্শ করেছে।” এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর দাবি বিশ্বাসযোগ্য হবে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن زيد بن ثابت كان يقول إذا دخل الرجل بامرأته فأرخيت عليهما الستور فقد وجب الصداق ১৪-و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا دخل الرجل بالمرأة في بيتها صدق الرجل عليها وإذا دخلت عليه في بيته صدقت عليه قال مالك أرى ذلك في المسيس إذا دخل عليها في بيتها فقالت قد مسني وقال لم أمسها صدق عليها فإن دخلت عليه في بيته فقال لم أمسها وقالت قد مسني صدقت عليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আইয়্যেম ও বাকেরা-এর নিকট অবস্থান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৭
و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه كان يقول للبكر سبع وللثيب ثلاث قال مالك وذلك الأمر عندنا ১৯৩৭-قال مالك فإن كانت له امرأة غير التي تزوج فإنه يقسم بينهما بعد أن تمضي أيام التي تزوج بالسواء ولا يحسب على التي تزوج ما أقام عندها.
হুমাইদ তাবীল (র) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইব্নু মালিক (রা) বলতেন : (অবস্থানের হক) কুমারীর জন্য সাত দিন, আর অকুমারীর জন্য তিন দিন। মালিক (র) বলেন, মদীনাবাসীদের আমলও অনুরূপ। (বুখারী ৫২১৩, মুসলিম ১৪৬১) মালিক (র) বলেন : নতুন স্ত্রী ব্যতীত যদি কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, তবে যে স্ত্রীকে (সদ্য) বিবাহ করেছে সেই স্ত্রীর (নির্দিষ্ট বিশেষ) দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সে উভয়ের মধ্যে সমান সমান পালা ভাগ করবে। আর (সদ্য) বিবাহিতা স্ত্রীর নিকট যে কয়দিন অবস্থান করেছে পালা বণ্টনের মধ্যে সেই দিনগুলো হিসাব করা হবে না।
হুমাইদ তাবীল (র) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইব্নু মালিক (রা) বলতেন : (অবস্থানের হক) কুমারীর জন্য সাত দিন, আর অকুমারীর জন্য তিন দিন। মালিক (র) বলেন, মদীনাবাসীদের আমলও অনুরূপ। (বুখারী ৫২১৩, মুসলিম ১৪৬১) মালিক (র) বলেন : নতুন স্ত্রী ব্যতীত যদি কোন ব্যক্তির স্ত্রী থাকে, তবে যে স্ত্রীকে (সদ্য) বিবাহ করেছে সেই স্ত্রীর (নির্দিষ্ট বিশেষ) দিন অতিবাহিত হওয়ার পর সে উভয়ের মধ্যে সমান সমান পালা ভাগ করবে। আর (সদ্য) বিবাহিতা স্ত্রীর নিকট যে কয়দিন অবস্থান করেছে পালা বণ্টনের মধ্যে সেই দিনগুলো হিসাব করা হবে না।
و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه كان يقول للبكر سبع وللثيب ثلاث قال مالك وذلك الأمر عندنا ১৯৩৭-قال مالك فإن كانت له امرأة غير التي تزوج فإنه يقسم بينهما بعد أن تمضي أيام التي تزوج بالسواء ولا يحسب على التي تزوج ما أقام عندها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৬
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام المخزومي عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة وأصبحت عنده قال لها ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت عندك وسبعت عندهن وإن شئت ثلثت عندك ودرت فقالت ثلث.
আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশাম মাখযুমী (র) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উম্মুল মু’মিনীন) উম্মে সালামাহ্ (রা)-কে বিবাহ করেন এবং উম্মে সালামাই (রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রাত্রি যাপন করে) ফজর করলেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন : “তোমার স্বামীর নিকট তোমার মর্যাদা কম নয়। তুমি ইচ্ছা করলে আমি তোমার নিকট এক সপ্তাহ অবস্থান করব এবং অন্যান্য স্ত্রীর নিকটও এক এক সপ্তাহ করে অবস্থান করব। আর যদি তুমি ইচ্ছা কর আমি তোমার নিকট তিনদিন অবস্থান করব আর অন্যান্য স্ত্রীর নিকট পর্যায়ক্রমে অবস্থান করব। উম্মে সালামাহ্ (রা) বললেন : আমার নিকট তিনদিন অবস্থান করুন। (সহীহ, মুসলিম ১৪৬০)
আবদুর রহমান ইবনু হারিস ইবনু হিশাম মাখযুমী (র) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উম্মুল মু’মিনীন) উম্মে সালামাহ্ (রা)-কে বিবাহ করেন এবং উম্মে সালামাই (রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট রাত্রি যাপন করে) ফজর করলেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন : “তোমার স্বামীর নিকট তোমার মর্যাদা কম নয়। তুমি ইচ্ছা করলে আমি তোমার নিকট এক সপ্তাহ অবস্থান করব এবং অন্যান্য স্ত্রীর নিকটও এক এক সপ্তাহ করে অবস্থান করব। আর যদি তুমি ইচ্ছা কর আমি তোমার নিকট তিনদিন অবস্থান করব আর অন্যান্য স্ত্রীর নিকট পর্যায়ক্রমে অবস্থান করব। উম্মে সালামাহ্ (রা) বললেন : আমার নিকট তিনদিন অবস্থান করুন। (সহীহ, মুসলিম ১৪৬০)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام المخزومي عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين تزوج أم سلمة وأصبحت عنده قال لها ليس بك على أهلك هوان إن شئت سبعت عندك وسبعت عندهن وإن شئت ثلثت عندك ودرت فقالت ثلث.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিবাহে যে সকল শর্ত বৈধ নয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৯৮
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة تشترط على زوجها أنه لا يخرج بها من بلدها فقال سعيد بن المسيب يخرج بها إن شاء. قال مالك فالأمر عندنا أنه إذا شرط الرجل للمرأة وإن كان ذلك عند عقدة النكاح أن لا أنكح عليك ولا أتسرر إن ذلك ليس بشيء إلا أن يكون في ذلك يمين بطلاق أو عتاقة فيجب ذلك عليه ويلزمه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল : কোন স্ত্রীলোক স্বামীর উপর এই শর্ত আরোপ করেছে যে, স্বামী তাকে নিজ শহর হতে বাহির করবে না। উত্তরে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বললেন : স্বামী ইচ্ছা করলে উহাকে তার শহরের বাইরে নিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই, যদি বিবাহ বন্ধন স্থির করার সময় পুরুষ মহিলার জন্য এই শর্ত মেনে নেয়, “আমি তোমার উপর অন্য বিবাহ করব না এবং কোন ক্রীতদাসীও রাখব না” এরূপ শর্ত অর্থহীন। কিন্তু এরূপ করলে স্ত্রীর তালাক এবং ক্রীতদাসীর আযাদ হওয়ার কথা যুক্ত করা হয়, তবে সে শর্ত স্বামীর উপর ওয়াযিব হবে এবং (শর্ত লঙ্ঘন করলে) তালাক ও আযাদী প্রযোজ্য হবে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল : কোন স্ত্রীলোক স্বামীর উপর এই শর্ত আরোপ করেছে যে, স্বামী তাকে নিজ শহর হতে বাহির করবে না। উত্তরে সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বললেন : স্বামী ইচ্ছা করলে উহাকে তার শহরের বাইরে নিতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই, যদি বিবাহ বন্ধন স্থির করার সময় পুরুষ মহিলার জন্য এই শর্ত মেনে নেয়, “আমি তোমার উপর অন্য বিবাহ করব না এবং কোন ক্রীতদাসীও রাখব না” এরূপ শর্ত অর্থহীন। কিন্তু এরূপ করলে স্ত্রীর তালাক এবং ক্রীতদাসীর আযাদ হওয়ার কথা যুক্ত করা হয়, তবে সে শর্ত স্বামীর উপর ওয়াযিব হবে এবং (শর্ত লঙ্ঘন করলে) তালাক ও আযাদী প্রযোজ্য হবে।
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة تشترط على زوجها أنه لا يخرج بها من بلدها فقال سعيد بن المسيب يخرج بها إن شاء. قال مالك فالأمر عندنا أنه إذا شرط الرجل للمرأة وإن كان ذلك عند عقدة النكاح أن لا أنكح عليك ولا أتسرر إن ذلك ليس بشيء إلا أن يكون في ذلك يمين بطلاق أو عتاقة فيجب ذلك عليه ويلزمه.