মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফুফুর মীরাস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৭৪
حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الرحمن بن حنظلة الزرقي أنه أخبره عن مولى لقريش كان قديما يقال له ابن مرسى أنه قال كنت جالسا عند عمر بن الخطاب فلما صلى الظهر قال يا يرفا هلم ذلك الكتاب لكتاب كتبه في شأن العمة فنسأل عنها ونستخبر عنها فأتاه به يرفا فدعا بتور أو قدح فيه ماء فمحا ذلك الكتاب فيه ثم قال لو رضيك الله وارثة أقرك لو رضيك الله أقرك.
কুরায়শ সম্প্রদায়ের এক স্বাধীন করা গোলাম (যাকে ইবনু মিরসা বলা হত) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট বসা ছিলাম, তিনি যুহরের নামায পড়ে য়ারফা নামক সাহাবীকে বললেন, আমার নিকট ঐ কিতাবটি নিয়ে আস, যা ফুফুর মীরাস সম্বন্ধে লেখা হয়েছে। আমি এব্যাপারে লোকের নিকট জিজ্ঞেস করব। অতঃপর উমার (রা) একটি পেয়ালা আনলেন যাতে পানি ছিল। ঐ পানি দ্বারা ঐ কিতাব ধুয়ে ফেললেন এবং বললেন, যদি ফুফুকে অংশ দেয়া আল্লাহর ইচ্ছা থাকত তা হলে স্বীয় কিতাবে উহা উল্লেখ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
কুরায়শ সম্প্রদায়ের এক স্বাধীন করা গোলাম (যাকে ইবনু মিরসা বলা হত) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট বসা ছিলাম, তিনি যুহরের নামায পড়ে য়ারফা নামক সাহাবীকে বললেন, আমার নিকট ঐ কিতাবটি নিয়ে আস, যা ফুফুর মীরাস সম্বন্ধে লেখা হয়েছে। আমি এব্যাপারে লোকের নিকট জিজ্ঞেস করব। অতঃপর উমার (রা) একটি পেয়ালা আনলেন যাতে পানি ছিল। ঐ পানি দ্বারা ঐ কিতাব ধুয়ে ফেললেন এবং বললেন, যদি ফুফুকে অংশ দেয়া আল্লাহর ইচ্ছা থাকত তা হলে স্বীয় কিতাবে উহা উল্লেখ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الرحمن بن حنظلة الزرقي أنه أخبره عن مولى لقريش كان قديما يقال له ابن مرسى أنه قال كنت جالسا عند عمر بن الخطاب فلما صلى الظهر قال يا يرفا هلم ذلك الكتاب لكتاب كتبه في شأن العمة فنسأل عنها ونستخبر عنها فأتاه به يرفا فدعا بتور أو قدح فيه ماء فمحا ذلك الكتاب فيه ثم قال لو رضيك الله وارثة أقرك لو رضيك الله أقرك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৭৫
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن حزم أنه سمع أباه كثيرا يقول كان عمر بن الخطاب يقول عجبا للعمة تورث ولا ترث.
মুহাম্মদ ইবনু আবূ বাক্র ইবনু হাজম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার পিতাকে অনেক বার বলতে শুনেছেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, ফুফুর ব্যাপার আশ্চর্যজনক, তিনি মীরাস পান না কিন্তু তার মীরাস অন্যরা পায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুহাম্মদ ইবনু আবূ বাক্র ইবনু হাজম (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার পিতাকে অনেক বার বলতে শুনেছেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, ফুফুর ব্যাপার আশ্চর্যজনক, তিনি মীরাস পান না কিন্তু তার মীরাস অন্যরা পায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن محمد بن أبي بكر بن حزم أنه سمع أباه كثيرا يقول كان عمر بن الخطاب يقول عجبا للعمة تورث ولا ترث.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আসাবা [১] দের অংশ সম্বন্ধে
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কে মীরাস পাবে না
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যার নিহত হওয়া ইত্যাদি অজ্ঞাত থাকে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৮১
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن غير واحد من علمائهم أنه لم يتوارث من قتل يوم الجمل ويوم صفين ويوم الحرة ثم كان يوم قديد فلم يورث أحد من صاحبه شيئا إلا من علم أنه قتل قبل صاحبه ১৯قال مالك وذلك الأمر الذي لا اختلاف فيه ولا شك عند أحد من أهل العلم ببلدنا وكذلك العمل في كل متوارثين هلكا بغرق أو قتل أو غير ذلك من الموت إذا لم يعلم أيهما مات قبل صاحبه لم يرث أحد منهما من صاحبه شيئا وكان ميراثهما لمن بقي من ورثتهما يرث كل واحد منهما ورثته من الأحياء ১৯و قال مالك لا ينبغي أن يرث أحد أحدا بالشك ولا يرث أحد أحدا إلا باليقين من العلم والشهداء وذلك أن الرجل يهلك هو ومولاه الذي أعتقه أبوه فيقول بنو الرجل العربي قد ورثه أبونا فليس ذلك لهم أن يرثوه بغير علم ولا شهادة إنه مات قبله وإنما يرثه أولى الناس به من الأحياء. قال مالك ومن ذلك أيضا الأخوان للأب والأم يموتان ولأحدهما ولد والآخر لا ولد له ولهما أخ لأبيهما فلا يعلم أيهما مات قبل صاحبه فميراث الذي لا ولد له لأخيه لأبيه وليس لبني أخيه لأبيه وأمه شيء. قال مالك ومن ذلك أيضا أن تهلك العمة وابن أخيها أو ابنة الأخ وعمها فلا يعلم أيهما مات قبل فإن لم يعلم أيهما مات قبل لم يرث العم من ابنة أخيه شيئا ولا يرث ابن الأخ من عمته شيئا
রবীয়া’ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
একাধিক আলেম সূত্রে বর্ণনা করেন যে, জামাল যুদ্ধে, সিফফীন যুদ্ধে এবং হাররা দিবসে যারা নিহত হয়েছেন তারা মীরাস পাননি। এরপর ফুদাইদ দিবসে যারা নিহত হয়েছে তারাও একে অপরের মীরাস পাননি। কিন্তু মীরাস পাবে সেই ক্ষেত্রে যেই ক্ষেত্রে নিশ্চিত জানা গিয়েছে যে, তিনি তার সাথির পূর্বে নিহত হয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন : আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমাদের ‘উলামায়ে কিরামের মধ্যে এ ব্যাপারে কোন বিরোধ নাই। মালিক (র) বলেন : যদি কয়েকজন পানিতে ডুবে অথবা মাটিতে ধ্বসে মৃত্যুবরণ করে অথবা নিহত হয়, আর কে আগে কে পরে মৃত্যুবরণ করেছে তা অজ্ঞাত থাকে তবে তারা এক অন্যের ওয়ারিস হবে না, বরং প্রত্যেকের মাল তাদের ওয়ারিসগণ পাবে, যারা জীবিত রয়েছে। মালিক (র) বলেন : কেউ সন্দেহস্থলে কারো ওয়ারিস হবে না, ওয়ারিস হওয়ার জন্য নিঃসন্দেহ হওয়া প্রয়োজন। যেমন কেউ মৃত্যুবরণ করলে, আর সে তার যে দাসকে মুক্ত করেছিল সেও মৃত্যুবরণ করল, এখন যদি এই সন্তান বলে যে, আমার পিতা এই দাসের ওয়ারিস হবে তবে তা ততক্ষণ পর্যন্ত সাব্যস্ত হবে না যতক্ষণ না সে সাক্ষী দ্বারা প্রমাণ করবে যে, ঐ দাস তার পিতার পূর্বে মারা গিয়েছে। যদি প্রমাণ করতে না পারে তবে ঐ দাসের জীবিত ওয়ারিসগণ তার মাল পাবে। মালিক (র) বলেন, অনুরূপভাবে যদি দুই সহোদর ভাই মারা যায় যাদের একজনের সন্তান রয়েছে অন্যজন নিঃসন্তান, আর তাদের উভয়ের একজন সৎ ভাইও রয়েছে। কিন্তু এটা জানা যায়নি যে, প্রথমে কোন ভাই মরেছে। এখন নিঃসন্তান ভাই-এর মাল তার সৎ ভাই পাবে, তার ভাতিজারা পাবে না। এইরূপে ফুফু ভাতিজা একত্রে মারা গেলে বা চাচা ভাতিজা একত্রে মারা গেলে আর কে আগে মারা গিয়েছে তা জানা নাই, তবে চাচা স্বীয় ভাতিজার এবং ভাতিজা স্বীয় ফুফুর ওয়ারিস হবে না।
রবীয়া’ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
একাধিক আলেম সূত্রে বর্ণনা করেন যে, জামাল যুদ্ধে, সিফফীন যুদ্ধে এবং হাররা দিবসে যারা নিহত হয়েছেন তারা মীরাস পাননি। এরপর ফুদাইদ দিবসে যারা নিহত হয়েছে তারাও একে অপরের মীরাস পাননি। কিন্তু মীরাস পাবে সেই ক্ষেত্রে যেই ক্ষেত্রে নিশ্চিত জানা গিয়েছে যে, তিনি তার সাথির পূর্বে নিহত হয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন : আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমাদের ‘উলামায়ে কিরামের মধ্যে এ ব্যাপারে কোন বিরোধ নাই। মালিক (র) বলেন : যদি কয়েকজন পানিতে ডুবে অথবা মাটিতে ধ্বসে মৃত্যুবরণ করে অথবা নিহত হয়, আর কে আগে কে পরে মৃত্যুবরণ করেছে তা অজ্ঞাত থাকে তবে তারা এক অন্যের ওয়ারিস হবে না, বরং প্রত্যেকের মাল তাদের ওয়ারিসগণ পাবে, যারা জীবিত রয়েছে। মালিক (র) বলেন : কেউ সন্দেহস্থলে কারো ওয়ারিস হবে না, ওয়ারিস হওয়ার জন্য নিঃসন্দেহ হওয়া প্রয়োজন। যেমন কেউ মৃত্যুবরণ করলে, আর সে তার যে দাসকে মুক্ত করেছিল সেও মৃত্যুবরণ করল, এখন যদি এই সন্তান বলে যে, আমার পিতা এই দাসের ওয়ারিস হবে তবে তা ততক্ষণ পর্যন্ত সাব্যস্ত হবে না যতক্ষণ না সে সাক্ষী দ্বারা প্রমাণ করবে যে, ঐ দাস তার পিতার পূর্বে মারা গিয়েছে। যদি প্রমাণ করতে না পারে তবে ঐ দাসের জীবিত ওয়ারিসগণ তার মাল পাবে। মালিক (র) বলেন, অনুরূপভাবে যদি দুই সহোদর ভাই মারা যায় যাদের একজনের সন্তান রয়েছে অন্যজন নিঃসন্তান, আর তাদের উভয়ের একজন সৎ ভাইও রয়েছে। কিন্তু এটা জানা যায়নি যে, প্রথমে কোন ভাই মরেছে। এখন নিঃসন্তান ভাই-এর মাল তার সৎ ভাই পাবে, তার ভাতিজারা পাবে না। এইরূপে ফুফু ভাতিজা একত্রে মারা গেলে বা চাচা ভাতিজা একত্রে মারা গেলে আর কে আগে মারা গিয়েছে তা জানা নাই, তবে চাচা স্বীয় ভাতিজার এবং ভাতিজা স্বীয় ফুফুর ওয়ারিস হবে না।
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن غير واحد من علمائهم أنه لم يتوارث من قتل يوم الجمل ويوم صفين ويوم الحرة ثم كان يوم قديد فلم يورث أحد من صاحبه شيئا إلا من علم أنه قتل قبل صاحبه ১৯قال مالك وذلك الأمر الذي لا اختلاف فيه ولا شك عند أحد من أهل العلم ببلدنا وكذلك العمل في كل متوارثين هلكا بغرق أو قتل أو غير ذلك من الموت إذا لم يعلم أيهما مات قبل صاحبه لم يرث أحد منهما من صاحبه شيئا وكان ميراثهما لمن بقي من ورثتهما يرث كل واحد منهما ورثته من الأحياء ১৯و قال مالك لا ينبغي أن يرث أحد أحدا بالشك ولا يرث أحد أحدا إلا باليقين من العلم والشهداء وذلك أن الرجل يهلك هو ومولاه الذي أعتقه أبوه فيقول بنو الرجل العربي قد ورثه أبونا فليس ذلك لهم أن يرثوه بغير علم ولا شهادة إنه مات قبله وإنما يرثه أولى الناس به من الأحياء. قال مالك ومن ذلك أيضا الأخوان للأب والأم يموتان ولأحدهما ولد والآخر لا ولد له ولهما أخ لأبيهما فلا يعلم أيهما مات قبل صاحبه فميراث الذي لا ولد له لأخيه لأبيه وليس لبني أخيه لأبيه وأمه شيء. قال مالك ومن ذلك أيضا أن تهلك العمة وابن أخيها أو ابنة الأخ وعمها فلا يعلم أيهما مات قبل فإن لم يعلم أيهما مات قبل لم يرث العم من ابنة أخيه شيئا ولا يرث ابن الأخ من عمته شيئا