মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ধরনের যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া মাকরূহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৩৮
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن أبي مرة مولى عقيل بن أبي طالب أنه سأل أبا هريرة عن شاة ذبحت فتحرك بعضها فأمره أن يأكلها ثم سأل عن ذلك زيد بن ثابت فقال إن الميتة لتتحرك ونهاه عن ذلك ১৭৯১-و سئل مالك عن شاة تردت فتكسرت فأدركها صاحبها فذبحها فسال الدم منها ولم تتحرك فقال مالك إذا كان ذبحها ونفسها يجري وهي تطرف فليأكلها.
আকীল ইবনু আবূ তালীব (রা) থেকে বর্নিতঃ
একটি বকরী যবেহ করার পর উহার অংশ বিশেষ (পা) নড়াচড়া করেছিল, উহা খাওয়া কি জায়েয হবে? আবূ হুরায়রা (রা) বললেন : খেতে পার। পরে আবূ মুররা যাইদ ইবনু সাবিত (রা)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন : মৃত পশুও অনেক সময় নড়ে উঠতে পারে এবং তা খেতে তিনি নিষেধ করে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : কোন একটি বকরী উপর হতে পড়ে তার পা ভেঙ্গে যায়। তখন মালিক তাকে যবেহ করে ফেলে। যবেহ করার সময় রক্ত বের হয়েছিল বটে, তবে তা নড়াচড়া করেনি। এর গোশত খাওয়া কি জায়েয হবে? মালিক (র) বললেন : যবেহ করার সময় যদি রক্ত প্রবাহিত হয় এবং চক্ষু নড়ে তবে উহার গোশত খেতে পার।
আকীল ইবনু আবূ তালীব (রা) থেকে বর্নিতঃ
একটি বকরী যবেহ করার পর উহার অংশ বিশেষ (পা) নড়াচড়া করেছিল, উহা খাওয়া কি জায়েয হবে? আবূ হুরায়রা (রা) বললেন : খেতে পার। পরে আবূ মুররা যাইদ ইবনু সাবিত (রা)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন : মৃত পশুও অনেক সময় নড়ে উঠতে পারে এবং তা খেতে তিনি নিষেধ করে দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : কোন একটি বকরী উপর হতে পড়ে তার পা ভেঙ্গে যায়। তখন মালিক তাকে যবেহ করে ফেলে। যবেহ করার সময় রক্ত বের হয়েছিল বটে, তবে তা নড়াচড়া করেনি। এর গোশত খাওয়া কি জায়েয হবে? মালিক (র) বললেন : যবেহ করার সময় যদি রক্ত প্রবাহিত হয় এবং চক্ষু নড়ে তবে উহার গোশত খেতে পার।
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن أبي مرة مولى عقيل بن أبي طالب أنه سأل أبا هريرة عن شاة ذبحت فتحرك بعضها فأمره أن يأكلها ثم سأل عن ذلك زيد بن ثابت فقال إن الميتة لتتحرك ونهاه عن ذلك ১৭৯১-و سئل مالك عن شاة تردت فتكسرت فأدركها صاحبها فذبحها فسال الدم منها ولم تتحرك فقال مالك إذا كان ذبحها ونفسها يجري وهي تطرف فليأكلها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যবেহকৃত পশুর উদরস্থ বাচ্চার যবেহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৪০
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول ذكاة ما في بطن الذبيحة في ذكاة أمه إذا كان قد تم خلقه ونبت شعره.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রা) থেকে বর্নিতঃ
উদরস্থ বাচ্চাটি যদি পূর্ণাঙ্গ হয়ে থাকে এবং উহার লোম গজিয়ে থাকে তবে মায়ের যবেহ বাচ্চার যবেহ বলে গণ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রা) থেকে বর্নিতঃ
উদরস্থ বাচ্চাটি যদি পূর্ণাঙ্গ হয়ে থাকে এবং উহার লোম গজিয়ে থাকে তবে মায়ের যবেহ বাচ্চার যবেহ বলে গণ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول ذكاة ما في بطن الذبيحة في ذكاة أمه إذا كان قد تم خلقه ونبت شعره.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০৩৯
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: إذا نحرت الناقة فذكاة ما في بطنها في ذكاتها إذا كان قد تم خلقه ونبت شعره فإذا خرج من بطن أمه ذبح حتى يخرج الدم من جوفه.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উটনী নাহর করা হলে উহার উদরস্থ বাচ্চাটিরও যবেহ হয়েছে বলে গণ্য হবে। শর্ত হল, বাচ্চার সমস্ত অঙ্গ পূর্ণ হতে হবে এবং উহার লোম গজাতে হবে। আর বাচ্চাটি যদি জীবিত বের হয় তবে রক্ত বের করে দেওয়ার উদ্দেশ্য আলাদাভাবে উহা যবেহ করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উটনী নাহর করা হলে উহার উদরস্থ বাচ্চাটিরও যবেহ হয়েছে বলে গণ্য হবে। শর্ত হল, বাচ্চার সমস্ত অঙ্গ পূর্ণ হতে হবে এবং উহার লোম গজাতে হবে। আর বাচ্চাটি যদি জীবিত বের হয় তবে রক্ত বের করে দেওয়ার উদ্দেশ্য আলাদাভাবে উহা যবেহ করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: إذا نحرت الناقة فذكاة ما في بطنها في ذكاتها إذا كان قد تم خلقه ونبت شعره فإذا خرج من بطن أمه ذبح حتى يخرج الدم من جوفه.