মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পায়ে হেঁটে কা’বা শরীফে যাওয়ার অঙ্গীকার করা
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পাপকার্যে মানত বৈধ নয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০০৭
حدثني يحيى عن مالك عن حميد بن قيس وثور بن زيد الديلي أنهما أخبراه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأحدهما يزيد في الحديث على صاحبه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا قائما في الشمس فقال ما بال هذا فقالوا نذر أن لا يتكلم ولا يستظل من الشمس ولا يجلس ويصوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم مروه فليتكلم وليستظل وليجلس وليتم صيامه ১৭২৪-قال مالك ولم أسمع أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره بكفارة وقد أمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتم ما كان لله طاعة ويترك ما كان لله معصية.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
হুমায়দ ইবনু কায়স (রা) এবং সাউর ইবন দীলী (রা) তাঁরা দু’জনে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে তাঁর নিকট রেওয়ায়ত বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একবার রৌদ্রে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, এই ব্যক্তির কি হয়েছে? তাঁরা বললেন, এই ব্যক্তি মানত করেছে যে, সে কারো সাথে কথা বলবে না, ছায়ায় দাঁড়াবে না, কোথাও বসবে না এবং সর্বদাই সে রোযা রাখবে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন, তাঁকে বলে দাও, সে যেন কথা বলে, ছায়ায় দাঁড়ায় ও বসে, আর যেন রোযা পুরা করে নেয়। (সহীহ, ইমাম বুখারী ইবনু আব্বাস থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, বুখারী ৬৭০৪, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মরসাল) মালিক (র) বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাফ্ফারার নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমি শুনিনি। তিনি তাঁকে যা ইবাদত তা পূরণ করা এবং যা নাফরমানী তা বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
হুমায়দ ইবনু কায়স (রা) এবং সাউর ইবন দীলী (রা) তাঁরা দু’জনে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে তাঁর নিকট রেওয়ায়ত বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একবার রৌদ্রে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে পেলেন। তিনি বললেন, এই ব্যক্তির কি হয়েছে? তাঁরা বললেন, এই ব্যক্তি মানত করেছে যে, সে কারো সাথে কথা বলবে না, ছায়ায় দাঁড়াবে না, কোথাও বসবে না এবং সর্বদাই সে রোযা রাখবে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন, তাঁকে বলে দাও, সে যেন কথা বলে, ছায়ায় দাঁড়ায় ও বসে, আর যেন রোযা পুরা করে নেয়। (সহীহ, ইমাম বুখারী ইবনু আব্বাস থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, বুখারী ৬৭০৪, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মরসাল) মালিক (র) বলেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিকে কোন কাফ্ফারার নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমি শুনিনি। তিনি তাঁকে যা ইবাদত তা পূরণ করা এবং যা নাফরমানী তা বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন।
حدثني يحيى عن مالك عن حميد بن قيس وثور بن زيد الديلي أنهما أخبراه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأحدهما يزيد في الحديث على صاحبه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا قائما في الشمس فقال ما بال هذا فقالوا نذر أن لا يتكلم ولا يستظل من الشمس ولا يجلس ويصوم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم مروه فليتكلم وليستظل وليجلس وليتم صيامه ১৭২৪-قال مالك ولم أسمع أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره بكفارة وقد أمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتم ما كان لله طاعة ويترك ما كان لله معصية.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০০৯
و حدثني عن مالك عن طلحة بن عبد الملك الأيلي عن القاسم بن محمد ابن الصديق عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من نذر أن يطيع الله فليطعه ومن نذر أن يعصي الله فلا يعصه ১৭২৭-قال يحيى و سمعت قوله تعالى يقول معنى قول رسول الله صلى الله عليه وسلم من نذر أن يعصي الله فلا يعصه أن ينذر الرجل أن يمشي إلى الشام أو إلى مصر أو إلى الربذة أو ما أشبه ذلك مما ليس لله بطاعة إن كلم فلانا أو ما أشبه ذلك فليس عليه في شيء من ذلك شيء إن هو كلمه أو حنث بما حلف عليه لأنه ليس لله في هذه الأشياء طاعة وإنما يوفى لله بما له فيه طاعة.
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্য করার মানত করে সে অবশ্যই তাঁর আনুগত্য করবে আর যে আল্লাহর নাফরমানী করবে সে তার নাফরমানী করবে না। (সহীহ, বুখারী ৬৬৯৬, ৬৭০০) মালিক (র) বলেন : গুনাহর কাজ করার মানত যদি কেউ করে তবে সে যেন ঐ গুনাহ না করে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই কথার মর্ম হল, যে সমস্ত কাজের সওয়াব নাই তেমন কাজে মানত করিয়া উহা ভাঙ্গিয়া ফেলিলে তবে তার উপর কিছুই ওয়াজিব হবে না। যেমন কেউ শাম বা মিসর বা রাবাযা যাওয়ার মানত করিল। তদ্রুপ কাহারও সঙ্গে কথা না বলার মানত করিল অথবা মন্দ কাজ করার কসম করিল, যেহেতু এইসব কাজে আল্লাহর ফরমানবরদারী নাই। এইগুলি পুরণ না করিলে কিছুই ওয়াজিব হবে না। যে কাজে আল্লাহর আনুগত্য রয়েছে সেই ধরনের কাজে মানত করিলে ইহা পুরণ করা জরুরী হয়।
আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্য করার মানত করে সে অবশ্যই তাঁর আনুগত্য করবে আর যে আল্লাহর নাফরমানী করবে সে তার নাফরমানী করবে না। (সহীহ, বুখারী ৬৬৯৬, ৬৭০০) মালিক (র) বলেন : গুনাহর কাজ করার মানত যদি কেউ করে তবে সে যেন ঐ গুনাহ না করে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই কথার মর্ম হল, যে সমস্ত কাজের সওয়াব নাই তেমন কাজে মানত করিয়া উহা ভাঙ্গিয়া ফেলিলে তবে তার উপর কিছুই ওয়াজিব হবে না। যেমন কেউ শাম বা মিসর বা রাবাযা যাওয়ার মানত করিল। তদ্রুপ কাহারও সঙ্গে কথা না বলার মানত করিল অথবা মন্দ কাজ করার কসম করিল, যেহেতু এইসব কাজে আল্লাহর ফরমানবরদারী নাই। এইগুলি পুরণ না করিলে কিছুই ওয়াজিব হবে না। যে কাজে আল্লাহর আনুগত্য রয়েছে সেই ধরনের কাজে মানত করিলে ইহা পুরণ করা জরুরী হয়।
و حدثني عن مالك عن طلحة بن عبد الملك الأيلي عن القاسم بن محمد ابن الصديق عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من نذر أن يطيع الله فليطعه ومن نذر أن يعصي الله فلا يعصه ১৭২৭-قال يحيى و سمعت قوله تعالى يقول معنى قول رسول الله صلى الله عليه وسلم من نذر أن يعصي الله فلا يعصه أن ينذر الرجل أن يمشي إلى الشام أو إلى مصر أو إلى الربذة أو ما أشبه ذلك مما ليس لله بطاعة إن كلم فلانا أو ما أشبه ذلك فليس عليه في شيء من ذلك شيء إن هو كلمه أو حنث بما حلف عليه لأنه ليس لله في هذه الأشياء طاعة وإنما يوفى لله بما له فيه طاعة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০০৮
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه سمعه يقول أتت امرأة إلى عبد الله بن عباس فقالت إني نذرت أن أنحر ابني فقال ابن عباس لا تنحري ابنك وكفري عن يمينك فقال شيخ عند ابن عباس وكيف يكون في هذا كفارة فقال ابن عباس إن الله تعالى قال { والذين يظاهرون } منكم { من نسائهم } ثم جعل فيه من الكفارة ما قد رأيت.
ইয়াহইয়া ইবনু সাইদ (র) থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র)-কে বলতে শুনেছেন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (র)-এর নিকট একজন মহিলা এসে বলল, আমার পুত্রকে কুরবানী দেওয়ার মানত করেছি। তিনি বললেন, পুত্রকে জবাই করো না এবং তোমার কসমের কাফ্ফারা দিয়ে দাও। এক ব্যক্তি তখন বলে উঠল : কাফ্ফারা কি করে হতে পারে? ইবনু ‘আব্বাস বললেন, স্ত্রীর সাথে যিহার করাও গুনাহ। উহাতেও আল্লাহ্ তা’আলা কাফ্ফারার বিধান রেখেছেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাইদ (র) থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র)-কে বলতে শুনেছেন ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (র)-এর নিকট একজন মহিলা এসে বলল, আমার পুত্রকে কুরবানী দেওয়ার মানত করেছি। তিনি বললেন, পুত্রকে জবাই করো না এবং তোমার কসমের কাফ্ফারা দিয়ে দাও। এক ব্যক্তি তখন বলে উঠল : কাফ্ফারা কি করে হতে পারে? ইবনু ‘আব্বাস বললেন, স্ত্রীর সাথে যিহার করাও গুনাহ। উহাতেও আল্লাহ্ তা’আলা কাফ্ফারার বিধান রেখেছেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه سمعه يقول أتت امرأة إلى عبد الله بن عباس فقالت إني نذرت أن أنحر ابني فقال ابن عباس لا تنحري ابنك وكفري عن يمينك فقال شيخ عند ابن عباس وكيف يكون في هذا كفارة فقال ابن عباس إن الله تعالى قال { والذين يظاهرون } منكم { من نسائهم } ثم جعل فيه من الكفارة ما قد رأيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নিরর্থক কসমের বিবরণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০১০
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها كانت تقول لغو اليمين قول الإنسان لا والله لا والله ১৭৩০-قال مالك أحسن ما سمعت في هذا أن اللغو حلف الإنسان على الشيء يستيقن أنه كذلك ثم يوجد على غير ذلك فهو اللغو ১৭৩১-قال مالك وعقد اليمين أن يحلف الرجل أن لا يبيع ثوبه بعشرة دنانير ثم يبيعه بذلك أو يحلف ليضربن غلامه ثم لا يضربه ونحو هذا فهذا الذي يكفر صاحبه عن يمينه وليس في اللغو كفارة ১৭৩২-قال مالك فأما الذي يحلف على الشيء وهو يعلم أنه آثم ويحلف على الكذب وهو يعلم ليرضي به أحدا أو ليعتذر به إلى معتذر إليه أو ليقطع به مالا فهذا أعظم من أن تكون فيه كفارة.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
যে, উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা) বলতেন : কথায় কথায় লা ওয়াল্লাহি, বালা ওয়াল্লাহি (না, আল্লাহর কসম, হ্যাঁ আল্লাহর কসম) ধরনের কসম করা য়ামীন লাগব হবে (অর্থাৎ শরীয়তের দৃষ্টিতে উহা কসম বলে ধর্তব্য হবে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : য়ামীনে লাগব হল সত্য মনে কয়ে কোন বিষয়ে কসম করা অথচ পরে তা বিপরীত বলে সাব্যস্ত হয়। এই বিষয়ে এটাই উত্তম যা আমি শুনেছি। মালিক (র) বলেন : ভবিষ্যতে কোন কাজ করা না করা সম্পর্কে কসম করা হলে তা পূরণ করা বাধ্যতামূলক, যেমন কেউ বলল : আল্লাহর কসম, এই কাপড়টি আমি দশ দীনারে বিক্রয় করব না। কিন্তু পরে দশ দীনারে তা বিক্রয় করে দিল বা কেউ বলল : আল্লাহর কসম, এই ব্যক্তির গোলামকে আমি মারব, পরে মারল না ইত্যাদি। এই ধরনের কসমের কাফ্ফারা ওয়াজিব হয়। আর য়ামীনে লাগব-এর জন্য কাফ্ফারা নেই।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
যে, উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা) বলতেন : কথায় কথায় লা ওয়াল্লাহি, বালা ওয়াল্লাহি (না, আল্লাহর কসম, হ্যাঁ আল্লাহর কসম) ধরনের কসম করা য়ামীন লাগব হবে (অর্থাৎ শরীয়তের দৃষ্টিতে উহা কসম বলে ধর্তব্য হবে না)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : য়ামীনে লাগব হল সত্য মনে কয়ে কোন বিষয়ে কসম করা অথচ পরে তা বিপরীত বলে সাব্যস্ত হয়। এই বিষয়ে এটাই উত্তম যা আমি শুনেছি। মালিক (র) বলেন : ভবিষ্যতে কোন কাজ করা না করা সম্পর্কে কসম করা হলে তা পূরণ করা বাধ্যতামূলক, যেমন কেউ বলল : আল্লাহর কসম, এই কাপড়টি আমি দশ দীনারে বিক্রয় করব না। কিন্তু পরে দশ দীনারে তা বিক্রয় করে দিল বা কেউ বলল : আল্লাহর কসম, এই ব্যক্তির গোলামকে আমি মারব, পরে মারল না ইত্যাদি। এই ধরনের কসমের কাফ্ফারা ওয়াজিব হয়। আর য়ামীনে লাগব-এর জন্য কাফ্ফারা নেই।
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها كانت تقول لغو اليمين قول الإنسان لا والله لا والله ১৭৩০-قال مالك أحسن ما سمعت في هذا أن اللغو حلف الإنسان على الشيء يستيقن أنه كذلك ثم يوجد على غير ذلك فهو اللغو ১৭৩১-قال مالك وعقد اليمين أن يحلف الرجل أن لا يبيع ثوبه بعشرة دنانير ثم يبيعه بذلك أو يحلف ليضربن غلامه ثم لا يضربه ونحو هذا فهذا الذي يكفر صاحبه عن يمينه وليس في اللغو كفارة ১৭৩২-قال مالك فأما الذي يحلف على الشيء وهو يعلم أنه آثم ويحلف على الكذب وهو يعلم ليرضي به أحدا أو ليعتذر به إلى معتذر إليه أو ليقطع به مالا فهذا أعظم من أن تكون فيه كفارة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ধরনের কসমে কাফ্ফারা ওয়াজিব হয় না
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০১১
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول من قال والله ثم قال إن شاء الله ثم لم يفعل الذي حلف عليه لم يحنث ১৭৩৫-قال مالك أحسن ما سمعت في الثنيا أنها لصاحبها ما لم يقطع كلامه وما كان من ذلك نسقا يتبع بعضه بعضا قبل أن يسكت فإذا سكت وقطع كلامه فلا ثنيا له ১৭৩৬-قال يحيى و قال مالك في الرجل يقول كفر بالله أو أشرك بالله ثم يحنث إنه ليس عليه كفارة وليس بكافر ولا مشرك حتى يكون قلبه مضمرا على الشرك والكفر وليستغفر الله ولا يعد إلى شيء من ذلك وبئس ما صنع.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন : যদি কেউ কসম করে ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চাহেন) বলে তবে কসমকৃত কাজটি না করলে এই কসম ভঙ্গ হবে না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ‘ইনশাআল্লাহ’ কসমের সঙ্গে সঙ্গে এবং কথার ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে বলতে হবে। কেউ কসম করে কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর যদি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলে তবে আর উহা ধর্তব্য হবে না। মালিক (র) বলেন : কেউ বলল, আমি যদি এই কাজ করি তবে আমি কাফের বা মুশরিক। পরে যদি ঐ ব্যক্তি কাজটি করে ফেলে তবে তার কাফ্ফারা ওয়াজিব হবে। কিন্তু অন্তরে শিরক কুফরীর আকীদা না হলে এতে কাফের বা মুশরিক হয়ে যাবে না। তবে গুনাহগার হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কিছু করবে না বলে তাকে তাওবা করতে হবে। এই ধরনের কসম অতি নিন্দনীয়।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন : যদি কেউ কসম করে ইনশাআল্লাহ (যদি আল্লাহ চাহেন) বলে তবে কসমকৃত কাজটি না করলে এই কসম ভঙ্গ হবে না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ‘ইনশাআল্লাহ’ কসমের সঙ্গে সঙ্গে এবং কথার ধারাবাহিকতা বজায় থাকতে বলতে হবে। কেউ কসম করে কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর যদি ‘ইনশাআল্লাহ’ বলে তবে আর উহা ধর্তব্য হবে না। মালিক (র) বলেন : কেউ বলল, আমি যদি এই কাজ করি তবে আমি কাফের বা মুশরিক। পরে যদি ঐ ব্যক্তি কাজটি করে ফেলে তবে তার কাফ্ফারা ওয়াজিব হবে। কিন্তু অন্তরে শিরক কুফরীর আকীদা না হলে এতে কাফের বা মুশরিক হয়ে যাবে না। তবে গুনাহগার হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কিছু করবে না বলে তাকে তাওবা করতে হবে। এই ধরনের কসম অতি নিন্দনীয়।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول من قال والله ثم قال إن شاء الله ثم لم يفعل الذي حلف عليه لم يحنث ১৭৩৫-قال مالك أحسن ما سمعت في الثنيا أنها لصاحبها ما لم يقطع كلامه وما كان من ذلك نسقا يتبع بعضه بعضا قبل أن يسكت فإذا سكت وقطع كلامه فلا ثنيا له ১৭৩৬-قال يحيى و قال مالك في الرجل يقول كفر بالله أو أشرك بالله ثم يحنث إنه ليس عليه كفارة وليس بكافر ولا مشرك حتى يكون قلبه مضمرا على الشرك والكفر وليستغفر الله ولا يعد إلى شيء من ذلك وبئس ما صنع.