মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কি ধরনের পশু কুরবানী করা দুরস্ত নয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০১৯

حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن الحارث عن عبيد بن فيروز عن البراء بن عازب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل ماذا يتقى من الضحايا فأشار بيده وقال أربعا وكان البراء يشير بيده ويقول يدي أقصر من يد رسول الله صلى الله عليه وسلم العرجاء البين ظلعها والعوراء البين عورها والمريضة البين مرضها والعجفاء التي لا تنقي.

বারা ইবনু আযিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : কি ধরনের পশু কুরবানী করা উচিত নয়। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন অঙ্গুলি দ্বারা গুণে বললেন : চার ধরনের পশু হতে বিরত থাকা উচিত। বারা ইবনু আযিব (রা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুকরণে অঙ্গুল গুণে এই হাদীস বর্ণনা করতেন। বলতেন : আমার হাত রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাত হতে ছোট। এমন খোঁড়া যা হাঁটতে অক্ষম। এমন কানা যা সকলেই ধরতে পারে। স্পষ্ট রোগা। এমন কৃশ যার হাড্ডির মগজ পর্যন্ত শুকিয়ে গিয়েছে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৮০২, তিরমিযী ১৪৯৭, ইবনু মাজাহ ৩১৪৪, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ আলজামে ৮৮৬])

বারা ইবনু আযিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল : কি ধরনের পশু কুরবানী করা উচিত নয়। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন অঙ্গুলি দ্বারা গুণে বললেন : চার ধরনের পশু হতে বিরত থাকা উচিত। বারা ইবনু আযিব (রা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুকরণে অঙ্গুল গুণে এই হাদীস বর্ণনা করতেন। বলতেন : আমার হাত রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাত হতে ছোট। এমন খোঁড়া যা হাঁটতে অক্ষম। এমন কানা যা সকলেই ধরতে পারে। স্পষ্ট রোগা। এমন কৃশ যার হাড্ডির মগজ পর্যন্ত শুকিয়ে গিয়েছে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৮০২, তিরমিযী ১৪৯৭, ইবনু মাজাহ ৩১৪৪, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ আলজামে ৮৮৬])

حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن الحارث عن عبيد بن فيروز عن البراء بن عازب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل ماذا يتقى من الضحايا فأشار بيده وقال أربعا وكان البراء يشير بيده ويقول يدي أقصر من يد رسول الله صلى الله عليه وسلم العرجاء البين ظلعها والعوراء البين عورها والمريضة البين مرضها والعجفاء التي لا تنقي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২০

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يتقي من الضحايا والبدن التي لم تسن والتي نقص من خلقها قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

মুসিন্না [১] নয় বা অঙ্গহীন এমন পশুর কুরবানী করা হতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বিরত থাকতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন: আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এই বিষয়টি আমার অধিক প্রিয়।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

মুসিন্না [১] নয় বা অঙ্গহীন এমন পশুর কুরবানী করা হতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বিরত থাকতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন: আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এই বিষয়টি আমার অধিক প্রিয়।

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يتقي من الضحايا والبدن التي لم تسن والتي نقص من خلقها قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কি ধরনের পশু কুরবানী করা মুস্তাহাব

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২১

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر ضحى مرة بالمدينة قال نافع فأمرني أن أشتري له كبشا فحيلا أقرن ثم أذبحه يوم الأضحى في مصلى الناس قال نافع ففعلت ثم حمل إلى عبد الله بن عمر فحلق رأسه حين ذبح الكبش وكان مريضا لم يشهد العيد مع الناس قال نافع وكان عبد الله بن عمر يقول ليس حلاق الرأس بواجب على من ضحى وقد فعله ابن عمر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

একবার আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা) মদীনায় কুরবানী করেন। আমাকে বললেন : শিংওয়ালা একটি ছাগল খরিদ করে ঈদুল আযহার দিন ইদগাহে নিয়ে যবেহ কর। আমি তাই করলাম। যবেহকৃত ছাগলটি তাঁর নিকট পাঠিয়ে দেয়া হল। তিনি তখন তাঁর মাথার চুল কাটলেন। সে সময় তিনি অসুস্থ ছিলেন। ঈদের জামাতে হাজির হতে পারেননি। নাফি’ (র) বলেন : ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা) বলতেন কুরবানীদাতার উপর মাথা মুন্ডন ওয়াজিব নয়। তবে তিনি নিজে মাথা মুন্ডন করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

একবার আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা) মদীনায় কুরবানী করেন। আমাকে বললেন : শিংওয়ালা একটি ছাগল খরিদ করে ঈদুল আযহার দিন ইদগাহে নিয়ে যবেহ কর। আমি তাই করলাম। যবেহকৃত ছাগলটি তাঁর নিকট পাঠিয়ে দেয়া হল। তিনি তখন তাঁর মাথার চুল কাটলেন। সে সময় তিনি অসুস্থ ছিলেন। ঈদের জামাতে হাজির হতে পারেননি। নাফি’ (র) বলেন : ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রা) বলতেন কুরবানীদাতার উপর মাথা মুন্ডন ওয়াজিব নয়। তবে তিনি নিজে মাথা মুন্ডন করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر ضحى مرة بالمدينة قال نافع فأمرني أن أشتري له كبشا فحيلا أقرن ثم أذبحه يوم الأضحى في مصلى الناس قال نافع ففعلت ثم حمل إلى عبد الله بن عمر فحلق رأسه حين ذبح الكبش وكان مريضا لم يشهد العيد مع الناس قال نافع وكان عبد الله بن عمر يقول ليس حلاق الرأس بواجب على من ضحى وقد فعله ابن عمر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঈদের জামাআত হতে ইমামের প্রত্যাবর্তনের পূর্বে কুরবানী করা দুরস্ত নয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২২

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن بشير بن يسار أن أبا بردة بن نيار ذبح ضحيته قبل أن يذبح رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأضحى فزعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره أن يعود بضحية أخرى قال أبو بردة لا أجد إلا جذعا يا رسول الله قال وإن لم تجد إلا جذعا فاذبح.

বুশাইর ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কুরবানী করবার আগেই কুরবানী করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে পুনরায় কুরবানী করতে নির্দেশ দেন। আবূ বুরদা বললেন : আমার নিকট এক বৎসরের এক বকরী ব্যতীত আর কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এটিকেই কুরবানী দিয়ে দাও। (বুখারী ৯৫১, ৯৫৫, মুসলিম ১৯৬১)

বুশাইর ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কুরবানী করবার আগেই কুরবানী করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে পুনরায় কুরবানী করতে নির্দেশ দেন। আবূ বুরদা বললেন : আমার নিকট এক বৎসরের এক বকরী ব্যতীত আর কিছুই নেই। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এটিকেই কুরবানী দিয়ে দাও। (বুখারী ৯৫১, ৯৫৫, মুসলিম ১৯৬১)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن بشير بن يسار أن أبا بردة بن نيار ذبح ضحيته قبل أن يذبح رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الأضحى فزعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمره أن يعود بضحية أخرى قال أبو بردة لا أجد إلا جذعا يا رسول الله قال وإن لم تجد إلا جذعا فاذبح.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২৩

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عباد بن تميم أن عويمر بن أشقر ذبح ضحيته قبل أن يغدو يوم الأضحى وأنه ذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأمره أن يعود بضحية أخرى.

আব্বাদ ইবনু তামীম (র) থেকে বর্নিতঃ

উয়াইমির ইবনু আশকর (রা) ইয়াউমুল আযহাতে (যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখে) ঈদের নামাযের পূর্বে কুরবানী করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই কথা উল্লেখ করা হলে তিনি তাঁকে পুনরায় কুরবানী করতে নির্দেশ দেন। (সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৫৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ ইবনু মাজাহ])

আব্বাদ ইবনু তামীম (র) থেকে বর্নিতঃ

উয়াইমির ইবনু আশকর (রা) ইয়াউমুল আযহাতে (যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখে) ঈদের নামাযের পূর্বে কুরবানী করেছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই কথা উল্লেখ করা হলে তিনি তাঁকে পুনরায় কুরবানী করতে নির্দেশ দেন। (সহীহ, ইবনু মাজাহ ৩১৫৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ ইবনু মাজাহ])

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عباد بن تميم أن عويمر بن أشقر ذبح ضحيته قبل أن يغدو يوم الأضحى وأنه ذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأمره أن يعود بضحية أخرى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কুরবানীর গোশত রেখে দেয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২৪

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير المكي عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن أكل لحوم الضحايا بعد ثلاثة أيام ثم قال بعد كلوا وتصدقوا وتزودوا وادخروا.

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছিলেন। পরে বললেন : তোমরা নিজেরা তা খাও, পাথেয় হিসেবে ব্যবহার কর এবং (ভবিষ্যতের জন্য) রেখে দাও। (সহীহ, মুসলিম ১৯৭২)

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছিলেন। পরে বললেন : তোমরা নিজেরা তা খাও, পাথেয় হিসেবে ব্যবহার কর এবং (ভবিষ্যতের জন্য) রেখে দাও। (সহীহ, মুসলিম ১৯৭২)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير المكي عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن أكل لحوم الضحايا بعد ثلاثة أيام ثم قال بعد كلوا وتصدقوا وتزودوا وادخروا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২৬

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن أبي سعيد الخدري أنه قدم من سفر فقدم إليه أهله لحما فقال انظروا أن يكون هذا من لحوم الأضحى فقالوا هو منها فقال أبو سعيد ألم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنها فقالوا إنه قد كان من رسول الله صلى الله عليه وسلم بعدك أمر فخرج أبو سعيد فسأل عن ذلك فأخبر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نهيتكم عن لحوم الأضحى بعد ثلاث فكلوا وتصدقوا وادخروا ونهيتكم عن الانتباذ فانتبذوا وكل مسكر حرام ونهيتكم عن زيارة القبور فزوروها ولا تقولوا هجرا يعني لا تقولوا سوءا.

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্নিতঃ

একবার সফর হতে ফিরবার পর পরিবারের লোকেরা তাঁর সামনে গোশত পেশ করেন। তিনি এটা দেখে বললেন : এটা কুরবানীর গোশত নয় তো? তাঁরা বললেন; হ্যাঁ কুরবানীর। আবূ সা’ঈদ (রা) বললেন : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা নিষেধ করেন নাই কি? তাঁরা বললেন : আপনি যাওয়ার পর এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্য হুকুম প্রদান করেছেন। আবূ সা’ঈদ খুদরী (রা) এই বিষয়টি ভাল করে অনুসন্ধান করে দেখার উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়েন। তখন তিনি জানতে পারেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তিন দিন পর কুরবানীর গোশত খেতে আমি তোমাদেরকে নিষেধ করেছিলাম, এখন যে কোন পাত্রে ইচ্ছা তোমরা তা বানাতে পার, তবে (মনে রেখ) সকল নেশা সৃষ্টিকারী বস্তু হারাম। কবর যিয়ারত করতে তোমাদেরকে আমি নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত করতে যেতে পারে, তবে মুখে যেন কোন মন্দ কথা উচ্চারিত না হয়। (সহীহ, বুখারী ৩৯৯৭)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্নিতঃ

একবার সফর হতে ফিরবার পর পরিবারের লোকেরা তাঁর সামনে গোশত পেশ করেন। তিনি এটা দেখে বললেন : এটা কুরবানীর গোশত নয় তো? তাঁরা বললেন; হ্যাঁ কুরবানীর। আবূ সা’ঈদ (রা) বললেন : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা নিষেধ করেন নাই কি? তাঁরা বললেন : আপনি যাওয়ার পর এই বিষয়ে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্য হুকুম প্রদান করেছেন। আবূ সা’ঈদ খুদরী (রা) এই বিষয়টি ভাল করে অনুসন্ধান করে দেখার উদ্দেশ্যে বের হয়ে পড়েন। তখন তিনি জানতে পারেন, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : তিন দিন পর কুরবানীর গোশত খেতে আমি তোমাদেরকে নিষেধ করেছিলাম, এখন যে কোন পাত্রে ইচ্ছা তোমরা তা বানাতে পার, তবে (মনে রেখ) সকল নেশা সৃষ্টিকারী বস্তু হারাম। কবর যিয়ারত করতে তোমাদেরকে আমি নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর যিয়ারত করতে যেতে পারে, তবে মুখে যেন কোন মন্দ কথা উচ্চারিত না হয়। (সহীহ, বুখারী ৩৯৯৭)

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن أبي سعيد الخدري أنه قدم من سفر فقدم إليه أهله لحما فقال انظروا أن يكون هذا من لحوم الأضحى فقالوا هو منها فقال أبو سعيد ألم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنها فقالوا إنه قد كان من رسول الله صلى الله عليه وسلم بعدك أمر فخرج أبو سعيد فسأل عن ذلك فأخبر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نهيتكم عن لحوم الأضحى بعد ثلاث فكلوا وتصدقوا وادخروا ونهيتكم عن الانتباذ فانتبذوا وكل مسكر حرام ونهيتكم عن زيارة القبور فزوروها ولا تقولوا هجرا يعني لا تقولوا سوءا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১০২৫

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عبد الله بن واقد أنه قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل لحوم الضحايا بعد ثلاث. قال عبد الله بن أبي بكر فذكرت ذلك لعمرة بنت عبد الرحمن فقالت صدق سمعت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول دف ناس من أهل البادية حضرة الأضحى في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ادخروا لثلاث وتصدقوا بما بقي قالت فلما كان بعد ذلك قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم لقد كان الناس ينتفعون بضحاياهم ويجملون منها الودك ويتخذون منها الأسقية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وما ذلك أو كما قال قالوا نهيت عن لحوم الضحايا بعد ثلاث فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما نهيتكم من أجل الدافة التي دفت عليكم فكلوا وتصدقوا وادخروا يعني بالدافة قوما مساكين قدموا المدينة.

আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াকিদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিন দিনের পর কুরবানীর গোশত খেতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (র) বলেন : এই কথা আমি ‘আমরা বিন্ত আবদুর রহমানকে গিয়ে শুনালাম। তিনি বললেন : ‘আবদুল্লাহ সত্য বলেছেন। নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা)-এর কাছে শুনেছি : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় একবার ঈদুল আযহার দিন কিছু সংখ্যক বেদুঈন আসেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তিন দিনের মতো গোশত রেখে বাকীটা খয়রাত করে দাও। এর পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বলা হল, পূর্বে লোকেরা কুরবানীর পশু দ্বারা ফায়দা লাভ করত। এর চর্বি রেখে দিত এবং চামড়া দ্বারা মশক বানিয়ে রাখত। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমরা কি বলতে চাও? বলা হল : আপনি তিন দিনের অতিরিক্ত কুরবানীর গোশত রাখতে নিষেধ করেছেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কিছু অভাবী লোক গ্রাম হতে এসে পড়েছিল, তাই তিন দিনের অতিরিক্ত গোশত রাখতে আমি নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা তা খাও, খয়রাত কর এবং জমা করে রেখে দাও। (সহীহ, মুসলিম ১৯৭১)

আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াকিদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিন দিনের পর কুরবানীর গোশত খেতে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (র) বলেন : এই কথা আমি ‘আমরা বিন্ত আবদুর রহমানকে গিয়ে শুনালাম। তিনি বললেন : ‘আবদুল্লাহ সত্য বলেছেন। নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা)-এর কাছে শুনেছি : রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় একবার ঈদুল আযহার দিন কিছু সংখ্যক বেদুঈন আসেন। তখন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তিন দিনের মতো গোশত রেখে বাকীটা খয়রাত করে দাও। এর পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে বলা হল, পূর্বে লোকেরা কুরবানীর পশু দ্বারা ফায়দা লাভ করত। এর চর্বি রেখে দিত এবং চামড়া দ্বারা মশক বানিয়ে রাখত। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমরা কি বলতে চাও? বলা হল : আপনি তিন দিনের অতিরিক্ত কুরবানীর গোশত রাখতে নিষেধ করেছেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : কিছু অভাবী লোক গ্রাম হতে এসে পড়েছিল, তাই তিন দিনের অতিরিক্ত গোশত রাখতে আমি নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা তা খাও, খয়রাত কর এবং জমা করে রেখে দাও। (সহীহ, মুসলিম ১৯৭১)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عبد الله بن واقد أنه قال: نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل لحوم الضحايا بعد ثلاث. قال عبد الله بن أبي بكر فذكرت ذلك لعمرة بنت عبد الرحمن فقالت صدق سمعت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول دف ناس من أهل البادية حضرة الأضحى في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ادخروا لثلاث وتصدقوا بما بقي قالت فلما كان بعد ذلك قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم لقد كان الناس ينتفعون بضحاياهم ويجملون منها الودك ويتخذون منها الأسقية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وما ذلك أو كما قال قالوا نهيت عن لحوم الضحايا بعد ثلاث فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما نهيتكم من أجل الدافة التي دفت عليكم فكلوا وتصدقوا وادخروا يعني بالدافة قوما مساكين قدموا المدينة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00