মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শাহাদতের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৪

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب كان يقول اللهم إني أسألك شهادة في سبيلك ووفاة ببلد رسولك.

যাইদ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, হে আল্লাহ্! তোমার রাহে শাহাদত আর তোমার রাসূলের এই নগরে (মদীনা শরীফে) আমার মৃত্যু তোমার কাছে আমি প্রার্থনা করি। [১] (সহীহ, বুখারী ১৮৯০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)

যাইদ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, হে আল্লাহ্! তোমার রাহে শাহাদত আর তোমার রাসূলের এই নগরে (মদীনা শরীফে) আমার মৃত্যু তোমার কাছে আমি প্রার্থনা করি। [১] (সহীহ, বুখারী ১৮৯০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب كان يقول اللهم إني أسألك شهادة في سبيلك ووفاة ببلد رسولك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب قال كرم المؤمن تقواه ودينه حسبه ومروءته خلقه والجرأة والجبن غرائز يضعها الله حيث شاء فالجبان يفر عن أبيه وأمه والجريء يقاتل عما لا يئوب به إلى رحله والقتل حتف من الحتوف والشهيد من احتسب نفسه على الله.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, মু’মিনের সম্মান হল তার তাকওয়া ও পরহেযগারী অর্জনে, আর দ্বীন হল তাঁর শরাফত ও ভদ্রতা। ভদ্রতা ও চক্ষুলজ্জা হল তার চরিত্র। বাহাদুরী ও ভীরুতা উভয়ই হল জন্মগত গুণ। যেখানে ইচ্ছা করেন আল্লাহ্ এগুলোর একটি সেখানে রাখেন। ভীরু ও কাপুরুষ ব্যক্তি মাতাপিতাকে বিপদের মুখে ফেলে পালিয়ে যায় আর বাহাদুর ব্যক্তি এমন ব্যক্তির সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয় যার সম্পর্কে সে জানে যে, এই ব্যক্তি তাকে আর বাড়ি ফিরে যেতে দিবে না (অর্থাৎ মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সে যুদ্ধে লিপ্ত হয়)। মৃত্যুর বিভিন্ন রূপের মধ্যে নিহত হওয়া একটি। শহীদ হল সেই ব্যক্তি, যে সন্তুষ্টচিত্তে নিজের প্রাণ আল্লাহর রাস্তায় সপে দেয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, মু’মিনের সম্মান হল তার তাকওয়া ও পরহেযগারী অর্জনে, আর দ্বীন হল তাঁর শরাফত ও ভদ্রতা। ভদ্রতা ও চক্ষুলজ্জা হল তার চরিত্র। বাহাদুরী ও ভীরুতা উভয়ই হল জন্মগত গুণ। যেখানে ইচ্ছা করেন আল্লাহ্ এগুলোর একটি সেখানে রাখেন। ভীরু ও কাপুরুষ ব্যক্তি মাতাপিতাকে বিপদের মুখে ফেলে পালিয়ে যায় আর বাহাদুর ব্যক্তি এমন ব্যক্তির সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয় যার সম্পর্কে সে জানে যে, এই ব্যক্তি তাকে আর বাড়ি ফিরে যেতে দিবে না (অর্থাৎ মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সে যুদ্ধে লিপ্ত হয়)। মৃত্যুর বিভিন্ন রূপের মধ্যে নিহত হওয়া একটি। শহীদ হল সেই ব্যক্তি, যে সন্তুষ্টচিত্তে নিজের প্রাণ আল্লাহর রাস্তায় সপে দেয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب قال كرم المؤمن تقواه ودينه حسبه ومروءته خلقه والجرأة والجبن غرائز يضعها الله حيث شاء فالجبان يفر عن أبيه وأمه والجريء يقاتل عما لا يئوب به إلى رحله والقتل حتف من الحتوف والشهيد من احتسب نفسه على الله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শহীদ ব্যক্তির গোসল

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৭

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أهل العلم أنهم كانوا يقولون الشهداء في سبيل الله لا يغسلون ولا يصلى على أحد منهم وإنهم يدفنون في الثياب التي قتلوا فيها ১৬৮৫-قال مالك وتلك السنة فيمن قتل في المعترك فلم يدرك حتى مات قال وأما من حمل منهم فعاش ما شاء الله بعد ذلك فإنه يغسل ويصلى عليه كما عمل بعمر بن الخطاب.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আহলে ইল্‌ম হতে তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, তাঁরা বলতেন। আল্লাহর রাহের শহীদগণকে গোসল করান বা তাঁদের করো জানাযা পড়া ঠিক নয়। বরং যে কাপড়ে শহীদ হয়েছেন সেই কাপড়েই তাঁদেরকে দাফন করা উচিত। মালিক (র) বলেন, এটা যুদ্ধের ময়দানে নিহত শহীদগণের হুকুম। আর যুদ্ধের ময়দান হতে জীবিত আনার পর বাড়ি এসে আল্লাহর ইচ্ছায় কিছুক্ষণ বা কিছু কাল পর যাদের মৃত্যু হয় তাঁদেরকে গোসল দেওয়া হবে এবং তাঁদের জানাযাও পড়া হবে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর বেলায়ও এরূপ করা হয়েছিল।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আহলে ইল্‌ম হতে তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, তাঁরা বলতেন। আল্লাহর রাহের শহীদগণকে গোসল করান বা তাঁদের করো জানাযা পড়া ঠিক নয়। বরং যে কাপড়ে শহীদ হয়েছেন সেই কাপড়েই তাঁদেরকে দাফন করা উচিত। মালিক (র) বলেন, এটা যুদ্ধের ময়দানে নিহত শহীদগণের হুকুম। আর যুদ্ধের ময়দান হতে জীবিত আনার পর বাড়ি এসে আল্লাহর ইচ্ছায় কিছুক্ষণ বা কিছু কাল পর যাদের মৃত্যু হয় তাঁদেরকে গোসল দেওয়া হবে এবং তাঁদের জানাযাও পড়া হবে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর বেলায়ও এরূপ করা হয়েছিল।

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أهل العلم أنهم كانوا يقولون الشهداء في سبيل الله لا يغسلون ولا يصلى على أحد منهم وإنهم يدفنون في الثياب التي قتلوا فيها ১৬৮৫-قال مالك وتلك السنة فيمن قتل في المعترك فلم يدرك حتى مات قال وأما من حمل منهم فعاش ما شاء الله بعد ذلك فإنه يغسل ويصلى عليه كما عمل بعمر بن الخطاب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৬

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب غسل وكفن وصلي عليه وكان شهيدا يرحمه الله.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে গোসল করান হয়েছিল, কাফন পরান হয়েছিল এবং তাঁর জানাযাও পড়া হয়েছিল অথচ আল্লাহর মেহেরবানীতে আল্লাহর পথে তিনি শাহাদত বরণ করেছিলেন (আল্লাহ্ তাঁর উপর রহমত নাযিল করুন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে গোসল করান হয়েছিল, কাফন পরান হয়েছিল এবং তাঁর জানাযাও পড়া হয়েছিল অথচ আল্লাহর মেহেরবানীতে আল্লাহর পথে তিনি শাহাদত বরণ করেছিলেন (আল্লাহ্ তাঁর উপর রহমত নাযিল করুন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب غسل وكفن وصلي عليه وكان شهيدا يرحمه الله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আল্লাহর রাহে মুজাহিদের জন্য যা, তা অন্য কোন কিছুর নামে বণ্টন করা হারাম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৮

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب كان يحمل في العام الواحد على أربعين ألف بعير يحمل الرجل إلى الشام على بعير ويحمل الرجلين إلى العراق على بعير فجاءه رجل من أهل العراق فقال احملني وسحيما فقال له عمر بن الخطاب نشدتك الله أسحيم زق قال له نعم.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

মুজাহিদগণের আরোহণের জন্য উমার ইবনু খাত্তাব (রা) প্রতি বৎসর চল্লিশ হাজার উট প্রদান করতেন। তিনি সিরিয়াগামী সৈন্যদলের প্রতিজনকে একটি করে এবং ইরাকগামীদের প্রতি দু’জনকে একটি করে উট দিতেন। একদিন জনৈক ইরাকী এসে তাঁকে বলল, আমাকে এবং সুহাইমকে একটি উট দিন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলতেছি, সুহাইম বলতে কি তুমি তোমারি পানির মশকটিকেই বুঝাচ্ছ? সে বলল, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

মুজাহিদগণের আরোহণের জন্য উমার ইবনু খাত্তাব (রা) প্রতি বৎসর চল্লিশ হাজার উট প্রদান করতেন। তিনি সিরিয়াগামী সৈন্যদলের প্রতিজনকে একটি করে এবং ইরাকগামীদের প্রতি দু’জনকে একটি করে উট দিতেন। একদিন জনৈক ইরাকী এসে তাঁকে বলল, আমাকে এবং সুহাইমকে একটি উট দিন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলতেছি, সুহাইম বলতে কি তুমি তোমারি পানির মশকটিকেই বুঝাচ্ছ? সে বলল, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب كان يحمل في العام الواحد على أربعين ألف بعير يحمل الرجل إلى الشام على بعير ويحمل الرجلين إلى العراق على بعير فجاءه رجل من أهل العراق فقال احملني وسحيما فقال له عمر بن الخطاب نشدتك الله أسحيم زق قال له نعم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জিহাদে উৎসাহ প্রদান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৯২

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رغب في الجهاد وذكر الجنة ورجل من الأنصار يأكل تمرات في يده فقال إني لحريص على الدنيا إن جلست حتى أفرغ منهن فرمى ما في يده فحمل بسيفه فقاتل حتى قتل.

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবীদেরকে জিহাদের উৎসাহ দিতে যেয়ে জান্নাতের অবস্থা বর্ণনা করেন। এমন সময় জনৈক আনসারী সাহাবী [১] যিনি কয়েকটি খেজুর হাতে নিয়ে তখন খাচ্ছিলেন, তিনি বলে উঠলেন : এই খেজুরগুলো খেয়েছি শেষ করা পর্যন্ত যদি আমি অপেক্ষা করি তবে সত্যি আমি দুনিয়া লোভী বলে প্রমাণিত হব। শেষ পর্যন্ত বাকি খেজুরগুলো দূরে ছুঁড়ে ফেললেন এবং তালোয়ার হাতে নিয়ে লড়াইয়ের ভিড়ে ঢুকে পড়লেন এবং লড়াই করতে করতে শহীদ হয়ে গেলেন। (ইমাম বুখারী জাবের (রা) মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ৪০৪৬, মুসলিম ১৮৯৯, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাহাবীদেরকে জিহাদের উৎসাহ দিতে যেয়ে জান্নাতের অবস্থা বর্ণনা করেন। এমন সময় জনৈক আনসারী সাহাবী [১] যিনি কয়েকটি খেজুর হাতে নিয়ে তখন খাচ্ছিলেন, তিনি বলে উঠলেন : এই খেজুরগুলো খেয়েছি শেষ করা পর্যন্ত যদি আমি অপেক্ষা করি তবে সত্যি আমি দুনিয়া লোভী বলে প্রমাণিত হব। শেষ পর্যন্ত বাকি খেজুরগুলো দূরে ছুঁড়ে ফেললেন এবং তালোয়ার হাতে নিয়ে লড়াইয়ের ভিড়ে ঢুকে পড়লেন এবং লড়াই করতে করতে শহীদ হয়ে গেলেন। (ইমাম বুখারী জাবের (রা) মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ৪০৪৬, মুসলিম ১৮৯৯, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رغب في الجهاد وذكر الجنة ورجل من الأنصار يأكل تمرات في يده فقال إني لحريص على الدنيا إن جلست حتى أفرغ منهن فرمى ما في يده فحمل بسيفه فقاتل حتى قتل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৯৩

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن معاذ بن جبل أنه قال الغزو غزوان فغزو تنفق فيه الكريمة ويياسر فيه الشريك ويطاع فيه ذو الأمر ويجتنب فيه الفساد فذلك الغزو خير كله وغزو لا تنفق فيه الكريمة ولا يياسر فيه الشريك ولا يطاع فيه ذو الأمر ولا يجتنب فيه الفساد فذلك الغزو لا يرجع صاحبه كفافا.

মুআয ইবনু জাবাল (রা) থেকে বর্নিতঃ

জিহাদ দুই প্রকার। এক হল যাতে একজন সর্বোত্তম সম্পদ ব্যয় করে। সাথীদের সাথে প্রেম-প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকে। সেনাধ্যক্ষের নির্দেশ পালন করে এবং বিশৃংখলা সৃষ্টি হতে সে বেঁচে থাকে। এই ধরনের জিহাদ সম্পূর্ণভাবে সওয়াবের। আরেক ধরনের জিহাদ হল যাতে একজন উত্তম সম্পদ ব্যয় করে না, সঙ্গীদের সাথে প্রীতির সম্পর্ক রাখে না, সেনাধ্যক্ষের নির্দেশের অবাধ্যতা করে এবং বিশৃংখলা সৃষ্টি করা হতে বিরত থাকে না। এই ধরনের জিহাদে সওয়াব লাভ হওয়া তো দূরের কথা, গুনাহ না নিয়ে ফিরে আসতে পারাটাই অনেক মুশকিল। (হাসান মারফু, আবূ দাঊদ ২৫১৫, নাসাঈ ৩১৮৮, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৪১৭৪])

মুআয ইবনু জাবাল (রা) থেকে বর্নিতঃ

জিহাদ দুই প্রকার। এক হল যাতে একজন সর্বোত্তম সম্পদ ব্যয় করে। সাথীদের সাথে প্রেম-প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকে। সেনাধ্যক্ষের নির্দেশ পালন করে এবং বিশৃংখলা সৃষ্টি হতে সে বেঁচে থাকে। এই ধরনের জিহাদ সম্পূর্ণভাবে সওয়াবের। আরেক ধরনের জিহাদ হল যাতে একজন উত্তম সম্পদ ব্যয় করে না, সঙ্গীদের সাথে প্রীতির সম্পর্ক রাখে না, সেনাধ্যক্ষের নির্দেশের অবাধ্যতা করে এবং বিশৃংখলা সৃষ্টি করা হতে বিরত থাকে না। এই ধরনের জিহাদে সওয়াব লাভ হওয়া তো দূরের কথা, গুনাহ না নিয়ে ফিরে আসতে পারাটাই অনেক মুশকিল। (হাসান মারফু, আবূ দাঊদ ২৫১৫, নাসাঈ ৩১৮৮, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৪১৭৪])

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن معاذ بن جبل أنه قال الغزو غزوان فغزو تنفق فيه الكريمة ويياسر فيه الشريك ويطاع فيه ذو الأمر ويجتنب فيه الفساد فذلك الغزو خير كله وغزو لا تنفق فيه الكريمة ولا يياسر فيه الشريك ولا يطاع فيه ذو الأمر ولا يجتنب فيه الفساد فذلك الغزو لا يرجع صاحبه كفافا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৯০

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأحببت أن لا أتخلف عن سرية تخرج في سبيل الله ولكني لا أجد ما أحملهم عليه ولا يجدون ما يتحملون عليه فيخرجون ويشق عليهم أن يتخلفوا بعدي فوددت أني أقاتل في سبيل الله فأقتل ثم أحيا فأقتل ثم أحيا فأقتل.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার উম্মতের জন্য যদি কষ্টকর না হত তবে আল্লাহর রাহে গমনকারী প্রত্যেকটি সৈন্যদলের সঙ্গে যেতে আমি বিরত হতাম না। আমার নিকট এত অধিক বাহন নাই যে, প্রত্যেককেই-এক একটা দিতে পারি আর তাদের নিজেদের নিকট এমন কোন বাহন নাই যাতে আরোহণ করে তারা জিহাদে যেতে পারে। আমি নিজে যদি চলে যাই তবে তাদের এখানে থাকতে কষ্ট হয়। আমার তো ইচছা হয় আল্লাহর পথে লড়তে যেয়ে আমি শহীদ হই, আবার জীবিত হই, আবার শহীদ হই, আবার জীবিত হই, আবার শহীদ হই। (বুখারী ২৯৭২, মুসলিম ১৮৭৬)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার উম্মতের জন্য যদি কষ্টকর না হত তবে আল্লাহর রাহে গমনকারী প্রত্যেকটি সৈন্যদলের সঙ্গে যেতে আমি বিরত হতাম না। আমার নিকট এত অধিক বাহন নাই যে, প্রত্যেককেই-এক একটা দিতে পারি আর তাদের নিজেদের নিকট এমন কোন বাহন নাই যাতে আরোহণ করে তারা জিহাদে যেতে পারে। আমি নিজে যদি চলে যাই তবে তাদের এখানে থাকতে কষ্ট হয়। আমার তো ইচছা হয় আল্লাহর পথে লড়তে যেয়ে আমি শহীদ হই, আবার জীবিত হই, আবার শহীদ হই, আবার জীবিত হই, আবার শহীদ হই। (বুখারী ২৯৭২, মুসলিম ১৮৭৬)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لولا أن أشق على أمتي لأحببت أن لا أتخلف عن سرية تخرج في سبيل الله ولكني لا أجد ما أحملهم عليه ولا يجدون ما يتحملون عليه فيخرجون ويشق عليهم أن يتخلفوا بعدي فوددت أني أقاتل في سبيل الله فأقتل ثم أحيا فأقتل ثم أحيا فأقتل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৯১

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال: لما كان يوم أحد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من يأتيني بخبر سعد بن الربيع الأنصاري فقال رجل أنا يا رسول الله فذهب الرجل يطوف بين القتلى فقال له سعد بن الربيع ما شأنك فقال له الرجل بعثني إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم لآتيه بخبرك قال فاذهب إليه فاقرأه مني السلام وأخبره أني قد طعنت اثنتي عشرة طعنة وأني قد أنفذت مقاتلي وأخبر قومك أنه لا عذر لهم عند الله إن قتل رسول الله صلى الله عليه وسلم وواحد منهم حي.

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সা’দ ইবনু রবী ‘আনসারী (রা)-এর খবর আমাকে কে এনে দিতে পারবে? এক ব্যক্তি উঠে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি পারব। এই ব্যক্তি সা’দকে পড়ে থাকা লাশগুলোর মধ্যে খুঁজতে লাগলেন। এবং সেই স্থানে গিয়ে তাঁকে আহত হয়ে পড়ে থাকতে দেখতে পেলেন। সা’দ বললেন : কি ব্যাপার? লোকটি বললেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তালাশ করে আপনার খবর নিয়ে যেতে আমাকে পাঠিয়েছেন। সা’দ বললেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে আমার সালাম দিবে। আমার এই শরীরে বারটি আঘাত লেগেছে। প্রত্যেকটি আঘাতই মরাত্মক। তোমার সম্প্রদায়কে বলবে, তোমাদের একজন জীবিত থাকতেও যদি আল্লাহ্ না করুন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শহীদ হয়ে যান, তবে আল্লাহর দরবারে তোমাদের কোন ওযর ও জবাবদিহি কবূল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের দিন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, সা’দ ইবনু রবী ‘আনসারী (রা)-এর খবর আমাকে কে এনে দিতে পারবে? এক ব্যক্তি উঠে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমি পারব। এই ব্যক্তি সা’দকে পড়ে থাকা লাশগুলোর মধ্যে খুঁজতে লাগলেন। এবং সেই স্থানে গিয়ে তাঁকে আহত হয়ে পড়ে থাকতে দেখতে পেলেন। সা’দ বললেন : কি ব্যাপার? লোকটি বললেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তালাশ করে আপনার খবর নিয়ে যেতে আমাকে পাঠিয়েছেন। সা’দ বললেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে আমার সালাম দিবে। আমার এই শরীরে বারটি আঘাত লেগেছে। প্রত্যেকটি আঘাতই মরাত্মক। তোমার সম্প্রদায়কে বলবে, তোমাদের একজন জীবিত থাকতেও যদি আল্লাহ্ না করুন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শহীদ হয়ে যান, তবে আল্লাহর দরবারে তোমাদের কোন ওযর ও জবাবদিহি কবূল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال: لما كان يوم أحد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من يأتيني بخبر سعد بن الربيع الأنصاري فقال رجل أنا يا رسول الله فذهب الرجل يطوف بين القتلى فقال له سعد بن الربيع ما شأنك فقال له الرجل بعثني إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم لآتيه بخبرك قال فاذهب إليه فاقرأه مني السلام وأخبره أني قد طعنت اثنتي عشرة طعنة وأني قد أنفذت مقاتلي وأخبر قومك أنه لا عذر لهم عند الله إن قتل رسول الله صلى الله عليه وسلم وواحد منهم حي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৯

حدثني يحيى عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب إلى قباء يدخل على أم حرام بنت ملحان فتطعمه وكانت أم حرام تحت عبادة بن الصامت فدخل عليها رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فأطعمته وجلست تفلي في رأسه فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ثم استيقظ وهو يضحك قالت فقلت ما يضحكك يا رسول الله قال ناس من أمتي عرضوا علي غزاة في سبيل الله يركبون ثبج هذا البحر ملوكا على الأسرة أو مثل الملوك على الأسرة يشك إسحق قالت فقلت له يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم فدعا لها ثم وضع رأسه فنام ثم استيقظ يضحك قالت فقلت له يا رسول الله ما يضحكك قال ناس من أمتي عرضوا علي غزاة في سبيل الله ملوكا على الأسرة أو مثل الملوك على الأسرة كما قال في الأولى قالت فقلت يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم فقال أنت من الأولين قال فركبت البحر في زمان معاوية فصرعت عن دابتها حين خرجت من البحر فهلكت.

আনাস ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কোবায় তশরীফ নিয়ে যেতেন তখন উম্মে হারাম বিনত মিলহান (রা)-এর বাড়িতে যেতেন। উম্মে হারাম (রা) তাঁকে সেখানে আহার করাতেন। উম্মে হারাম (রা) ছিলেন উবাদা ইবনু সামেত (রা)-এর স্ত্রী। একদিন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাড়িতে গেলেন। উম্মে হারাম তাঁকে আহার করিয়ে মাথার চুল বাছতে বসে গেলেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুমিয়ে পড়লেন, হঠাৎ হাসতে হাসতে তিনি জাগ্রত হলেন। উম্মে হারাম (রা) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! হাসছেন কেন? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক আমাকে দেখানো হল বাদশাহগণ যেমন সিংহাসনে আসীন হন তদ্রূপ তারা জিহাদ করার জন্য সমুদ্রের বুকে আরোহণ করতেছে। উম্মে হারাম (রা) তখন আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! দু‘আ করে দিন আমাকেও যেন আল্লাহ্ তা’আলা এদের মধ্যে শামিল করে নেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু‘আ করলেন এবং আবার ঘুমিয়ে পড়লেন। পুনরায় তিনি হেসে জাগ্রত হয়ে উঠলেন। উম্মে হারাম (রা) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! হাসছেন কেন? তিনি বললেন, আমাকে দেখানো হল আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক লোক বাদশাহদের সিংহাসনারোহী হওয়ার মতো জিহাদের উদ্দেশ্যে সমুদ্রের বুকে বিচরণ করতেছে। উম্মে হারাম (রা) আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! দু‘আ করে দিন, আল্লাহ্ যেন আমাকে এদের অন্তুর্ভুক্ত করে দেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন; তুমি তো প্রথম দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েছ। পরে এই উম্মে হারাম (রা) মু’আবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা)-এর সাথে জিহাদে সমুদ্রযাত্রায় শরীক হয়েছিলেন। ফিরবার পথে জাহাজ হতে অবতরণ করার পর সওয়ারী হতে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। (বুখারী ২৭৮৯, ২৮০০, মুসলিম ১৯১২)

আনাস ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কোবায় তশরীফ নিয়ে যেতেন তখন উম্মে হারাম বিনত মিলহান (রা)-এর বাড়িতে যেতেন। উম্মে হারাম (রা) তাঁকে সেখানে আহার করাতেন। উম্মে হারাম (রা) ছিলেন উবাদা ইবনু সামেত (রা)-এর স্ত্রী। একদিন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বাড়িতে গেলেন। উম্মে হারাম তাঁকে আহার করিয়ে মাথার চুল বাছতে বসে গেলেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঘুমিয়ে পড়লেন, হঠাৎ হাসতে হাসতে তিনি জাগ্রত হলেন। উম্মে হারাম (রা) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! হাসছেন কেন? রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক আমাকে দেখানো হল বাদশাহগণ যেমন সিংহাসনে আসীন হন তদ্রূপ তারা জিহাদ করার জন্য সমুদ্রের বুকে আরোহণ করতেছে। উম্মে হারাম (রা) তখন আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! দু‘আ করে দিন আমাকেও যেন আল্লাহ্ তা’আলা এদের মধ্যে শামিল করে নেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু‘আ করলেন এবং আবার ঘুমিয়ে পড়লেন। পুনরায় তিনি হেসে জাগ্রত হয়ে উঠলেন। উম্মে হারাম (রা) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! হাসছেন কেন? তিনি বললেন, আমাকে দেখানো হল আমার উম্মতের কিছু সংখ্যক লোক বাদশাহদের সিংহাসনারোহী হওয়ার মতো জিহাদের উদ্দেশ্যে সমুদ্রের বুকে বিচরণ করতেছে। উম্মে হারাম (রা) আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! দু‘আ করে দিন, আল্লাহ্ যেন আমাকে এদের অন্তুর্ভুক্ত করে দেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন; তুমি তো প্রথম দলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েছ। পরে এই উম্মে হারাম (রা) মু’আবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা)-এর সাথে জিহাদে সমুদ্রযাত্রায় শরীক হয়েছিলেন। ফিরবার পথে জাহাজ হতে অবতরণ করার পর সওয়ারী হতে পড়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। (বুখারী ২৭৮৯, ২৮০০, মুসলিম ১৯১২)

حدثني يحيى عن مالك عن إسحق بن عبد الله بن أبي طلحة عن أنس بن مالك قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا ذهب إلى قباء يدخل على أم حرام بنت ملحان فتطعمه وكانت أم حرام تحت عبادة بن الصامت فدخل عليها رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فأطعمته وجلست تفلي في رأسه فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ثم استيقظ وهو يضحك قالت فقلت ما يضحكك يا رسول الله قال ناس من أمتي عرضوا علي غزاة في سبيل الله يركبون ثبج هذا البحر ملوكا على الأسرة أو مثل الملوك على الأسرة يشك إسحق قالت فقلت له يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم فدعا لها ثم وضع رأسه فنام ثم استيقظ يضحك قالت فقلت له يا رسول الله ما يضحكك قال ناس من أمتي عرضوا علي غزاة في سبيل الله ملوكا على الأسرة أو مثل الملوك على الأسرة كما قال في الأولى قالت فقلت يا رسول الله ادع الله أن يجعلني منهم فقال أنت من الأولين قال فركبت البحر في زمان معاوية فصرعت عن دابتها حين خرجت من البحر فهلكت.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00