মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গনীমতের সম্পদ হতে চুরি করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه عن عبد الله بن عباس أنه قال: ما ظهر الغلول في قوم قط إلا ألقي في قلوبهم الرعب ولا فشا الزنا في قوم قط إلا كثر فيهم الموت ولا نقص قوم المكيال والميزان إلا قطع عنهم الرزق ولا حكم قوم بغير الحق إلا فشا فيهم الدم ولا ختر قوم بالعهد إلا سلط الله عليهم العدو.
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে জাতির মধ্যে গনীমতের মাল চুরি করার প্রবণতা প্রকাশ পায় আল্লাহ্ তাদের মনে দুশমনের ভয় ঢুকিয়ে দেন। যে জাতির মধ্যে যিনা বেশি হয়, তাদের মধ্যে মৃত্যুর আধিক্য ঘটে। যে জাতি মাপে কম দেয় আল্লাহ্ তাদের রিযিক কমিয়ে দেন। যে জাতি ন্যায়বিচার করে না, তাদের মধ্যে রক্তপাত বেশি হবে। আর যে জাতি চুক্তির খেলাফ করে, আল্লাহ্ তাদের উপর দুশমনকে চাপিয়ে দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে জাতির মধ্যে গনীমতের মাল চুরি করার প্রবণতা প্রকাশ পায় আল্লাহ্ তাদের মনে দুশমনের ভয় ঢুকিয়ে দেন। যে জাতির মধ্যে যিনা বেশি হয়, তাদের মধ্যে মৃত্যুর আধিক্য ঘটে। যে জাতি মাপে কম দেয় আল্লাহ্ তাদের রিযিক কমিয়ে দেন। যে জাতি ন্যায়বিচার করে না, তাদের মধ্যে রক্তপাত বেশি হবে। আর যে জাতি চুক্তির খেলাফ করে, আল্লাহ্ তাদের উপর দুশমনকে চাপিয়ে দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه عن عبد الله بن عباس أنه قال: ما ظهر الغلول في قوم قط إلا ألقي في قلوبهم الرعب ولا فشا الزنا في قوم قط إلا كثر فيهم الموت ولا نقص قوم المكيال والميزان إلا قطع عنهم الرزق ولا حكم قوم بغير الحق إلا فشا فيهم الدم ولا ختر قوم بالعهد إلا سلط الله عليهم العدو.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن المغيرة بن أبي بردة الكناني أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى الناس في قبائلهم يدعو لهم وأنه ترك قبيلة من القبائل قال وإن القبيلة وجدوا في بردعة رجل منهم عقد جزع غلولا فأتاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليهم كما يكبر على الميت.
আবদুল্লাহ্ ইবনু মুগীরা ইবনু আবূ বুরদা কেনানী (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের সকল কবীলার লোকদের কাছে এসে তাদের জন্য দোয়া করেছিলেন। কিন্তু একটি কবীলার জন্য দোয়া করেননি। এই কবীলার একটি লোকের বিছানার নিচে আকীক পাথরের তৈরি একটি চুরি করা হার পাওয়া গিয়েছিল। এই কবীলার নিকট এসে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুর্দাদের বেলায় যেমন তাকবীর পড়া হয় তদ্রূপ তাকবীর পাঠ করেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু মুগীরা ইবনু আবূ বুরদা কেনানী (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের সকল কবীলার লোকদের কাছে এসে তাদের জন্য দোয়া করেছিলেন। কিন্তু একটি কবীলার জন্য দোয়া করেননি। এই কবীলার একটি লোকের বিছানার নিচে আকীক পাথরের তৈরি একটি চুরি করা হার পাওয়া গিয়েছিল। এই কবীলার নিকট এসে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুর্দাদের বেলায় যেমন তাকবীর পড়া হয় তদ্রূপ তাকবীর পাঠ করেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن المغيرة بن أبي بردة الكناني أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى الناس في قبائلهم يدعو لهم وأنه ترك قبيلة من القبائل قال وإن القبيلة وجدوا في بردعة رجل منهم عقد جزع غلولا فأتاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليهم كما يكبر على الميت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৩
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان أن زيد بن خالد الجهني قال: توفي رجل يوم حنين وإنهم ذكروه لرسول الله صلى الله عليه وسلم فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلوا على صاحبكم فتغيرت وجوه الناس لذلك فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن صاحبكم قد غل في سبيل الله قال ففتحنا متاعه فوجدنا خرزات من خرز يهود ما تساوين درهمين.
যাইদ ইবনু খালিদ জুহানী (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদে এক ব্যক্তি মারা যায়। অন্যরা রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে এসে এ সংবাদ জানালে তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের এই সঙ্গীর জানাযা পড়ে নাও। এ কথা শুনে সকলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। [কারণ মৃত ব্যক্তির কোন দোষের কারণেই হয়ত রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়াতে অস্বীকার করতেছেন।] যাইদ (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বলেছিলেন : এ ব্যক্তি গনীমত হতে চুরি করে কিছু নিয়ে গিয়েছিল। যাঈদ (রা) বলেন, আমরা ঐ ব্যক্তির আসবাবপত্র খুলে তাতে ইহুদীদের পুতি হতে সামান্য কয়েকটি পুতি পেলাম, দুই দিরহাম পরিমাণ যার মূল্য হবে। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৭১০, নাসাঈ ১৯৫৮, ইবনু মাজাহ ২৮৪৮, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [যয়ীফ আল-আনজামে] ৩৪৮১)
যাইদ ইবনু খালিদ জুহানী (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদে এক ব্যক্তি মারা যায়। অন্যরা রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে এসে এ সংবাদ জানালে তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের এই সঙ্গীর জানাযা পড়ে নাও। এ কথা শুনে সকলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। [কারণ মৃত ব্যক্তির কোন দোষের কারণেই হয়ত রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়াতে অস্বীকার করতেছেন।] যাইদ (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বলেছিলেন : এ ব্যক্তি গনীমত হতে চুরি করে কিছু নিয়ে গিয়েছিল। যাঈদ (রা) বলেন, আমরা ঐ ব্যক্তির আসবাবপত্র খুলে তাতে ইহুদীদের পুতি হতে সামান্য কয়েকটি পুতি পেলাম, দুই দিরহাম পরিমাণ যার মূল্য হবে। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৭১০, নাসাঈ ১৯৫৮, ইবনু মাজাহ ২৮৪৮, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [যয়ীফ আল-আনজামে] ৩৪৮১)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان أن زيد بن خالد الجهني قال: توفي رجل يوم حنين وإنهم ذكروه لرسول الله صلى الله عليه وسلم فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلوا على صاحبكم فتغيرت وجوه الناس لذلك فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن صاحبكم قد غل في سبيل الله قال ففتحنا متاعه فوجدنا خرزات من خرز يهود ما تساوين درهمين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৫
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي عن أبي الغيث سالم مولى ابن مطيع عن أبي هريرة قال: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام خيبر فلم نغنم ذهبا ولا ورقا إلا الأموال الثياب والمتاع قال فأهدى رفاعة بن زيد لرسول الله صلى الله عليه وسلم غلاما أسود يقال له مدعم فوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى وادي القرى حتى إذا كنا بوادي القرى بينما مدعم يحط رحل رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه سهم عائر فأصابه فقتله فقال الناس هنيئا له الجنة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلا والذي نفسي بيده إن الشملة التي أخذ يوم خيبر من المغانم لم تصبها المقاسم لتشتعل عليه نارا قال فلما سمع الناس ذلك جاء رجل بشراك أو شراكين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم شراك أو شراكان من نار.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বরের বৎসর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমরা রওয়ানা হয়েছিলাম। এ যুদ্ধে আমরা সোনা-রূপা হস্তগত করতে পারিনি, তবে অনেক আসবাবপত্র ও কাপড় আমাদের হস্তগত হয়েছিল। রিফা’আ ইবনু যাইদ (রা) মিদ’আম নামের একজন দাস রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে হাদিয়া দিয়েছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াদি-এ কুরার দিকে যাত্রা করেন। সেখানে পৌঁছার পর মিদ’আম রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উটের হাওদা নামাচ্ছিল এমন সময় কোথা হতে একটি তীর এসে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় এবং সে মারা যায়। লোকেরা তখন বলাবলি করতে লাগল : মিদ’আমের জন্য জান্নাত মুবারক হোক। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কখনো নয়। যাঁর হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম, খায়বরের যুদ্ধে গনীমতের মাল বণ্টনের পূর্বে যে চাদর সে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল তা এখন তার গায়ে আগুন হয়ে জ্বলছে। এ কথা শুনে এক ব্যক্তি একটা কি দুটা ফিতা এনে হাযির করল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন, এই একটি বা দুটি ফিতাও আগুনের ছিল। (বুখারী ৪২৩৪, মুসলিম ১১৫)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বরের বৎসর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমরা রওয়ানা হয়েছিলাম। এ যুদ্ধে আমরা সোনা-রূপা হস্তগত করতে পারিনি, তবে অনেক আসবাবপত্র ও কাপড় আমাদের হস্তগত হয়েছিল। রিফা’আ ইবনু যাইদ (রা) মিদ’আম নামের একজন দাস রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে হাদিয়া দিয়েছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াদি-এ কুরার দিকে যাত্রা করেন। সেখানে পৌঁছার পর মিদ’আম রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উটের হাওদা নামাচ্ছিল এমন সময় কোথা হতে একটি তীর এসে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় এবং সে মারা যায়। লোকেরা তখন বলাবলি করতে লাগল : মিদ’আমের জন্য জান্নাত মুবারক হোক। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কখনো নয়। যাঁর হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম, খায়বরের যুদ্ধে গনীমতের মাল বণ্টনের পূর্বে যে চাদর সে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল তা এখন তার গায়ে আগুন হয়ে জ্বলছে। এ কথা শুনে এক ব্যক্তি একটা কি দুটা ফিতা এনে হাযির করল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন, এই একটি বা দুটি ফিতাও আগুনের ছিল। (বুখারী ৪২৩৪, মুসলিম ১১৫)
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي عن أبي الغيث سالم مولى ابن مطيع عن أبي هريرة قال: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام خيبر فلم نغنم ذهبا ولا ورقا إلا الأموال الثياب والمتاع قال فأهدى رفاعة بن زيد لرسول الله صلى الله عليه وسلم غلاما أسود يقال له مدعم فوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى وادي القرى حتى إذا كنا بوادي القرى بينما مدعم يحط رحل رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه سهم عائر فأصابه فقتله فقال الناس هنيئا له الجنة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلا والذي نفسي بيده إن الشملة التي أخذ يوم خيبر من المغانم لم تصبها المقاسم لتشتعل عليه نارا قال فلما سمع الناس ذلك جاء رجل بشراك أو شراكين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم شراك أو شراكان من نار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭২
حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن عمرو بن شعيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صدر من حنين وهو يريد الجعرانة سأله الناس حتى دنت به ناقته من شجرة فتشبكت بردائه حتى نزعته عن ظهره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ردوا علي ردائي أتخافون أن لا أقسم بينكم ما أفاء الله عليكم والذي نفسي بيده لو أفاء الله عليكم مثل سمر تهامة نعما لقسمته بينكم ثم لا تجدوني بخيلا ولا جبانا ولا كذابا فلما نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في الناس فقال أدوا الخياط والمخيط فإن الغلول عار ونار وشنار على أهله يوم القيامة قال ثم تناول من الأرض وبرة من بعير أو شيئا ثم قال: والذي نفسي بيده ما لي مما أفاء الله عليكم ولا مثل هذه إلا الخمس والخمس مردود عليكم.
আমর ইবনু শুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যাবর্তন করে জিয়িরানা নামক স্থানের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর কাছে এসে লোকের গনীমতের হিস্যা চাইতে লাগল, এমনকি লোকের চাপে তাঁরা উট বৃক্ষের নিকট চলে গেল এবং তাঁর চাদর কাঁটায় আটকে পিঠ হতে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার চাদর আমাকে দাও। তোমরা কি মনে কর, যে জিনিস আল্লাহ্ তোমাদেরকে দিয়েছেন তা তোমাদেরকে আমি বেঁচে দেব না? যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, তিহামা প্রান্তরের বাবলা গাছের মতো এত অধিক সংখ্যক পশুও যদি আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে দান করেন তাও তোমাদের মাঝে আমি বণ্টন করে দেব। তোমরা আমাকে কৃপণ, ভীরু ও মিথ্যাবাদী হিসেবে দেখতে পাবে না। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উট হতে অবতরণ করে লোকের সামনে দাঁড়ালেন। অতঃপর বললেন, কেউ যদি একটি সুতা বা সুঁচ নিয়ে যায় তবে তাও দিয়ে দাও। গনীমত হতে কিছু চুরি করা লজ্জা ও জাহান্নামের কারণ হয় এবং কিয়ামতের দিনও ইহা লজ্জা এবং মহাদোষের কারণ হবে। অতঃপর তিনি মাটি হতে বকরী বা উটের একটা পশম হাতে নিয়ে বললেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ সে সত্তার কসম, আল্লাহ্ তা’আল্লা তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন তাতে এতটুকু হিস্যাও আমার নেই। হ্যাঁ, গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ আমি পাই। উহা তোমাদের নিকটই প্রত্যাবর্তিত হয়। (সহীহ, ইমাম নাসাঈ মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ৪১৩৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেন [ইরওয়া] ১২৪০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
আমর ইবনু শুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যাবর্তন করে জিয়িরানা নামক স্থানের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর কাছে এসে লোকের গনীমতের হিস্যা চাইতে লাগল, এমনকি লোকের চাপে তাঁরা উট বৃক্ষের নিকট চলে গেল এবং তাঁর চাদর কাঁটায় আটকে পিঠ হতে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার চাদর আমাকে দাও। তোমরা কি মনে কর, যে জিনিস আল্লাহ্ তোমাদেরকে দিয়েছেন তা তোমাদেরকে আমি বেঁচে দেব না? যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, তিহামা প্রান্তরের বাবলা গাছের মতো এত অধিক সংখ্যক পশুও যদি আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে দান করেন তাও তোমাদের মাঝে আমি বণ্টন করে দেব। তোমরা আমাকে কৃপণ, ভীরু ও মিথ্যাবাদী হিসেবে দেখতে পাবে না। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উট হতে অবতরণ করে লোকের সামনে দাঁড়ালেন। অতঃপর বললেন, কেউ যদি একটি সুতা বা সুঁচ নিয়ে যায় তবে তাও দিয়ে দাও। গনীমত হতে কিছু চুরি করা লজ্জা ও জাহান্নামের কারণ হয় এবং কিয়ামতের দিনও ইহা লজ্জা এবং মহাদোষের কারণ হবে। অতঃপর তিনি মাটি হতে বকরী বা উটের একটা পশম হাতে নিয়ে বললেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ সে সত্তার কসম, আল্লাহ্ তা’আল্লা তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন তাতে এতটুকু হিস্যাও আমার নেই। হ্যাঁ, গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ আমি পাই। উহা তোমাদের নিকটই প্রত্যাবর্তিত হয়। (সহীহ, ইমাম নাসাঈ মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ৪১৩৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেন [ইরওয়া] ১২৪০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن عمرو بن شعيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صدر من حنين وهو يريد الجعرانة سأله الناس حتى دنت به ناقته من شجرة فتشبكت بردائه حتى نزعته عن ظهره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ردوا علي ردائي أتخافون أن لا أقسم بينكم ما أفاء الله عليكم والذي نفسي بيده لو أفاء الله عليكم مثل سمر تهامة نعما لقسمته بينكم ثم لا تجدوني بخيلا ولا جبانا ولا كذابا فلما نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في الناس فقال أدوا الخياط والمخيط فإن الغلول عار ونار وشنار على أهله يوم القيامة قال ثم تناول من الأرض وبرة من بعير أو شيئا ثم قال: والذي نفسي بيده ما لي مما أفاء الله عليكم ولا مثل هذه إلا الخمس والخمس مردود عليكم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আল্লাহর পথের শহীদগণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৯
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده لا يكلم أحد في سبيل الله والله أعلم بمن يكلم في سبيله إلا جاء يوم القيامة وجرحه يثعب دما اللون لون دم والريح ريح المسك.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাহে আহত বা যখমী হবে, আর কে আল্লাহর রাহে আহত হয়েছে তাকে তিনিই ভাল জানেন, সেই ব্যক্তি কিয়ামতের দিন এমনভাবে উঠবে যে, তখন তার শরীর হতে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকবে। এর রং রক্তের রঙের মতোই হবে, কিন্তু ইহা হতে মেশক আম্বরের মতো সুগদ্ধ ছড়াতে থাকবে। (বুখারী ২৮০৩, মুসলিম ১৮৭৬)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাহে আহত বা যখমী হবে, আর কে আল্লাহর রাহে আহত হয়েছে তাকে তিনিই ভাল জানেন, সেই ব্যক্তি কিয়ামতের দিন এমনভাবে উঠবে যে, তখন তার শরীর হতে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকবে। এর রং রক্তের রঙের মতোই হবে, কিন্তু ইহা হতে মেশক আম্বরের মতো সুগদ্ধ ছড়াতে থাকবে। (বুখারী ২৮০৩, মুসলিম ১৮৭৬)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده لا يكلم أحد في سبيل الله والله أعلم بمن يكلم في سبيله إلا جاء يوم القيامة وجرحه يثعب دما اللون لون دم والريح ريح المسك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৮
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يضحك الله إلى رجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما يدخل الجنة يقاتل هذا في سبيل الله فيقتل ثم يتوب الله على القاتل فيقاتل فيستشهد.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা’আলা দুই ব্যক্তিকে দেখে হাসবেন। তাঁরা ছিলেন একজন অন্যজনের হত্যাকারী। তাঁরা দু’জনে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। একজন তো আল্লাহর পথে জিহাদ করতে করতে শহীদ হন। পরে তাঁর হত্যাকারী ইসলাম গ্রহণ করে তিনিও আল্লাহর পথে জিহাদ করে শাহাদাত বরণ করেন। (বুখারী ২৮২৬, মুসলিম ১৮৯০)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা’আলা দুই ব্যক্তিকে দেখে হাসবেন। তাঁরা ছিলেন একজন অন্যজনের হত্যাকারী। তাঁরা দু’জনে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। একজন তো আল্লাহর পথে জিহাদ করতে করতে শহীদ হন। পরে তাঁর হত্যাকারী ইসলাম গ্রহণ করে তিনিও আল্লাহর পথে জিহাদ করে শাহাদাত বরণ করেন। (বুখারী ২৮২৬, মুসলিম ১৮৯০)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يضحك الله إلى رجلين يقتل أحدهما الآخر كلاهما يدخل الجنة يقاتل هذا في سبيل الله فيقتل ثم يتوب الله على القاتل فيقاتل فيستشهد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮০
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب كان يقول اللهم لا تجعل قتلي بيد رجل صلى لك سجدة واحدة يحاجني بها عندك يوم القيامة.
যাইদ ইবনু আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, হে আল্লাহ্! এমন ব্যক্তির হাতে আমাকে হত্যা করায়ো না যে ব্যক্তি তোমাকে একটি সিজদাও করেছে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
যাইদ ইবনু আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, হে আল্লাহ্! এমন ব্যক্তির হাতে আমাকে হত্যা করায়ো না যে ব্যক্তি তোমাকে একটি সিজদাও করেছে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب كان يقول اللهم لا تجعل قتلي بيد رجل صلى لك سجدة واحدة يحاجني بها عندك يوم القيامة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৭
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده لوددت أني أقاتل في سبيل الله فأقتل ثم أحيا فأقتل ثم أحيا فأقتل فكان أبو هريرة يقول ثلاثا أشهد بالله.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, আমি চাই একবার আল্লাহর পথে শহীদ হই, আবার জীবিত হই; আবার শহীদ হই, আবার জীবিত হই; আবার শহীদ হই, আবার জীবিত হই। আবূ হুরায়রা (রা) তিনবার এ কথা উল্লেখ করে বলতেন, আমি সাক্ষী, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই ধরনের কথা বলেছিলেন। (বুখারী ৭২২৭, মুসলিম ১৮৭৬)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, আমি চাই একবার আল্লাহর পথে শহীদ হই, আবার জীবিত হই; আবার শহীদ হই, আবার জীবিত হই; আবার শহীদ হই, আবার জীবিত হই। আবূ হুরায়রা (রা) তিনবার এ কথা উল্লেখ করে বলতেন, আমি সাক্ষী, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এই ধরনের কথা বলেছিলেন। (বুখারী ৭২২৭, মুসলিম ১৮৭৬)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده لوددت أني أقاتل في سبيل الله فأقتل ثم أحيا فأقتل ثم أحيا فأقتل فكان أبو هريرة يقول ثلاثا أشهد بالله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮২
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لشهداء أحد هؤلاء أشهد عليهم فقال أبو بكر الصديق ألسنا يا رسول الله بإخوانهم أسلمنا كما أسلموا وجاهدنا كما جاهدوا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بلى ولكن لا أدري ما تحدثون بعدي فبكى أبو بكر ثم بكى ثم قال أئنا لكائنون بعدك.
উমর ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উহুদের যুদ্ধে শাহাদত বরণকারীদের সম্পর্কে বলেছেন, আমি নিজে ইহাদের সাক্ষী। আবূ বকর সিদ্দীক (রা) তখন আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি এদের ভাই নই? আমরাও তাঁদের মতো ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং তাঁদের মতো আল্লাহর পথে জিহাদে রত রয়েছি। আপনি কি আমাদের পক্ষে সাক্ষী হবেন না? রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, কিন্তু জানা নেই আমার মৃত্যুর পর তোমরা কি করতে শুরু করবে। এ কথা শুনে আবূ বকর (রা) কাঁদতে লাগলেন, তিনি বললেন, আপনার মৃত্যুর পরও আমরা জীবিত থাকব? (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উমর ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উহুদের যুদ্ধে শাহাদত বরণকারীদের সম্পর্কে বলেছেন, আমি নিজে ইহাদের সাক্ষী। আবূ বকর সিদ্দীক (রা) তখন আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি এদের ভাই নই? আমরাও তাঁদের মতো ইসলাম গ্রহণ করেছি এবং তাঁদের মতো আল্লাহর পথে জিহাদে রত রয়েছি। আপনি কি আমাদের পক্ষে সাক্ষী হবেন না? রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, কিন্তু জানা নেই আমার মৃত্যুর পর তোমরা কি করতে শুরু করবে। এ কথা শুনে আবূ বকর (রা) কাঁদতে লাগলেন, তিনি বললেন, আপনার মৃত্যুর পরও আমরা জীবিত থাকব? (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لشهداء أحد هؤلاء أشهد عليهم فقال أبو بكر الصديق ألسنا يا رسول الله بإخوانهم أسلمنا كما أسلموا وجاهدنا كما جاهدوا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بلى ولكن لا أدري ما تحدثون بعدي فبكى أبو بكر ثم بكى ثم قال أئنا لكائنون بعدك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮১
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه أنه قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن قتلت في سبيل الله صابرا محتسبا مقبلا غير مدبر أيكفر الله عني خطاياي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم فلما أدبر الرجل ناداه رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر به فنودي له فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف قلت فأعاد عليه قوله فقال له النبي صلى الله عليه وسلم نعم إلا الدين كذلك قال لي جبريل.
আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ কাতাদা (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে আরয করল : হে আল্লাহর রসূল! সওয়াবের আশায় পলায়ন না করে দুশমনদের মুকাবেলায় ধৈর্যের সঙ্গে লড়তে লড়তে আল্লাহর রাহে যদি শহীদ হতে পারি তবে আল্লাহ্ আমার গুনাহ মাফ করে দিবেন কি? রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে আনতে বললেন। সে এলে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি আমার নিকট কি জিজ্ঞাসা করিয়াছিলে? ঐ ব্যক্তি তার কথা পুনারায় ব্যক্ত করিলে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, ঋণ ব্যতীত অন্য ধরনের গুনাহসমূহ আল্লাহ্ তা’আলা মাফ করে দিবেন। জিবরাঈল (আ) এসে এ কথাই আমাকে জানিয়ে গেছেন। (সহীহ, মুসলিম ১৮৮৫)
আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ কাতাদা (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে আরয করল : হে আল্লাহর রসূল! সওয়াবের আশায় পলায়ন না করে দুশমনদের মুকাবেলায় ধৈর্যের সঙ্গে লড়তে লড়তে আল্লাহর রাহে যদি শহীদ হতে পারি তবে আল্লাহ্ আমার গুনাহ মাফ করে দিবেন কি? রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডেকে আনতে বললেন। সে এলে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি আমার নিকট কি জিজ্ঞাসা করিয়াছিলে? ঐ ব্যক্তি তার কথা পুনারায় ব্যক্ত করিলে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, ঋণ ব্যতীত অন্য ধরনের গুনাহসমূহ আল্লাহ্ তা’আলা মাফ করে দিবেন। জিবরাঈল (আ) এসে এ কথাই আমাকে জানিয়ে গেছেন। (সহীহ, মুসলিম ১৮৮৫)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن عبد الله بن أبي قتادة عن أبيه أنه قال جاء رجل إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله إن قتلت في سبيل الله صابرا محتسبا مقبلا غير مدبر أيكفر الله عني خطاياي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم فلما أدبر الرجل ناداه رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر به فنودي له فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف قلت فأعاد عليه قوله فقال له النبي صلى الله عليه وسلم نعم إلا الدين كذلك قال لي جبريل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৩
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا وقبر يحفر بالمدينة فاطلع رجل في القبر فقال بئس مضجع المؤمن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بئس ما قلت فقال الرجل إني لم أرد هذا يا رسول الله إنما أردت القتل في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا مثل للقتل في سبيل الله ما على الأرض بقعة هي أحب إلي أن يكون قبري بها منها ثلاث مرات يعني المدينة.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক স্থানে উপবিষ্ট ছিলেন। তখন মদীনায় একটি কবর খোঁড়া হচ্ছিল। এক ব্যক্তি কবরটি দেখে বলল, মুসলমানদের জন্য কত খারাপ এই জায়গা। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি গর্হিত কথা বলেছ। ঐ ব্যক্তি বলল, আমার এই কথা বলার উদ্দেশ্য ছিল যে, আল্লাহর রাহে শহীদ হওয়া এই মৃত্যু হতে অনেক ভাল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর রাহে শহীদ হওয়ার চাইতে উত্তম অন্য কিছু নাই সত্য, কিন্তু মদীনা ব্যতীত এমন কোন স্থান নাই, যে স্থানে আমার কবর হতে আমি ভালবাসি। এই কথা তিনি তিনবার উচ্চারণ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক স্থানে উপবিষ্ট ছিলেন। তখন মদীনায় একটি কবর খোঁড়া হচ্ছিল। এক ব্যক্তি কবরটি দেখে বলল, মুসলমানদের জন্য কত খারাপ এই জায়গা। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি গর্হিত কথা বলেছ। ঐ ব্যক্তি বলল, আমার এই কথা বলার উদ্দেশ্য ছিল যে, আল্লাহর রাহে শহীদ হওয়া এই মৃত্যু হতে অনেক ভাল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর রাহে শহীদ হওয়ার চাইতে উত্তম অন্য কিছু নাই সত্য, কিন্তু মদীনা ব্যতীত এমন কোন স্থান নাই, যে স্থানে আমার কবর হতে আমি ভালবাসি। এই কথা তিনি তিনবার উচ্চারণ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا وقبر يحفر بالمدينة فاطلع رجل في القبر فقال بئس مضجع المؤمن فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم بئس ما قلت فقال الرجل إني لم أرد هذا يا رسول الله إنما أردت القتل في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا مثل للقتل في سبيل الله ما على الأرض بقعة هي أحب إلي أن يكون قبري بها منها ثلاث مرات يعني المدينة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শাহাদতের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৪
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب كان يقول اللهم إني أسألك شهادة في سبيلك ووفاة ببلد رسولك.
যাইদ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, হে আল্লাহ্! তোমার রাহে শাহাদত আর তোমার রাসূলের এই নগরে (মদীনা শরীফে) আমার মৃত্যু তোমার কাছে আমি প্রার্থনা করি। [১] (সহীহ, বুখারী ১৮৯০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)
যাইদ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলতেন, হে আল্লাহ্! তোমার রাহে শাহাদত আর তোমার রাসূলের এই নগরে (মদীনা শরীফে) আমার মৃত্যু তোমার কাছে আমি প্রার্থনা করি। [১] (সহীহ, বুখারী ১৮৯০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদের ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن عمر بن الخطاب كان يقول اللهم إني أسألك شهادة في سبيلك ووفاة ببلد رسولك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب قال كرم المؤمن تقواه ودينه حسبه ومروءته خلقه والجرأة والجبن غرائز يضعها الله حيث شاء فالجبان يفر عن أبيه وأمه والجريء يقاتل عما لا يئوب به إلى رحله والقتل حتف من الحتوف والشهيد من احتسب نفسه على الله.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, মু’মিনের সম্মান হল তার তাকওয়া ও পরহেযগারী অর্জনে, আর দ্বীন হল তাঁর শরাফত ও ভদ্রতা। ভদ্রতা ও চক্ষুলজ্জা হল তার চরিত্র। বাহাদুরী ও ভীরুতা উভয়ই হল জন্মগত গুণ। যেখানে ইচ্ছা করেন আল্লাহ্ এগুলোর একটি সেখানে রাখেন। ভীরু ও কাপুরুষ ব্যক্তি মাতাপিতাকে বিপদের মুখে ফেলে পালিয়ে যায় আর বাহাদুর ব্যক্তি এমন ব্যক্তির সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয় যার সম্পর্কে সে জানে যে, এই ব্যক্তি তাকে আর বাড়ি ফিরে যেতে দিবে না (অর্থাৎ মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সে যুদ্ধে লিপ্ত হয়)। মৃত্যুর বিভিন্ন রূপের মধ্যে নিহত হওয়া একটি। শহীদ হল সেই ব্যক্তি, যে সন্তুষ্টচিত্তে নিজের প্রাণ আল্লাহর রাস্তায় সপে দেয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, মু’মিনের সম্মান হল তার তাকওয়া ও পরহেযগারী অর্জনে, আর দ্বীন হল তাঁর শরাফত ও ভদ্রতা। ভদ্রতা ও চক্ষুলজ্জা হল তার চরিত্র। বাহাদুরী ও ভীরুতা উভয়ই হল জন্মগত গুণ। যেখানে ইচ্ছা করেন আল্লাহ্ এগুলোর একটি সেখানে রাখেন। ভীরু ও কাপুরুষ ব্যক্তি মাতাপিতাকে বিপদের মুখে ফেলে পালিয়ে যায় আর বাহাদুর ব্যক্তি এমন ব্যক্তির সাথে লড়াইয়ে লিপ্ত হয় যার সম্পর্কে সে জানে যে, এই ব্যক্তি তাকে আর বাড়ি ফিরে যেতে দিবে না (অর্থাৎ মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সে যুদ্ধে লিপ্ত হয়)। মৃত্যুর বিভিন্ন রূপের মধ্যে নিহত হওয়া একটি। শহীদ হল সেই ব্যক্তি, যে সন্তুষ্টচিত্তে নিজের প্রাণ আল্লাহর রাস্তায় সপে দেয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب قال كرم المؤمن تقواه ودينه حسبه ومروءته خلقه والجرأة والجبن غرائز يضعها الله حيث شاء فالجبان يفر عن أبيه وأمه والجريء يقاتل عما لا يئوب به إلى رحله والقتل حتف من الحتوف والشهيد من احتسب نفسه على الله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শহীদ ব্যক্তির গোসল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أهل العلم أنهم كانوا يقولون الشهداء في سبيل الله لا يغسلون ولا يصلى على أحد منهم وإنهم يدفنون في الثياب التي قتلوا فيها ১৬৮৫-قال مالك وتلك السنة فيمن قتل في المعترك فلم يدرك حتى مات قال وأما من حمل منهم فعاش ما شاء الله بعد ذلك فإنه يغسل ويصلى عليه كما عمل بعمر بن الخطاب.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আহলে ইল্ম হতে তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, তাঁরা বলতেন। আল্লাহর রাহের শহীদগণকে গোসল করান বা তাঁদের করো জানাযা পড়া ঠিক নয়। বরং যে কাপড়ে শহীদ হয়েছেন সেই কাপড়েই তাঁদেরকে দাফন করা উচিত। মালিক (র) বলেন, এটা যুদ্ধের ময়দানে নিহত শহীদগণের হুকুম। আর যুদ্ধের ময়দান হতে জীবিত আনার পর বাড়ি এসে আল্লাহর ইচ্ছায় কিছুক্ষণ বা কিছু কাল পর যাদের মৃত্যু হয় তাঁদেরকে গোসল দেওয়া হবে এবং তাঁদের জানাযাও পড়া হবে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর বেলায়ও এরূপ করা হয়েছিল।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আহলে ইল্ম হতে তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, তাঁরা বলতেন। আল্লাহর রাহের শহীদগণকে গোসল করান বা তাঁদের করো জানাযা পড়া ঠিক নয়। বরং যে কাপড়ে শহীদ হয়েছেন সেই কাপড়েই তাঁদেরকে দাফন করা উচিত। মালিক (র) বলেন, এটা যুদ্ধের ময়দানে নিহত শহীদগণের হুকুম। আর যুদ্ধের ময়দান হতে জীবিত আনার পর বাড়ি এসে আল্লাহর ইচ্ছায় কিছুক্ষণ বা কিছু কাল পর যাদের মৃত্যু হয় তাঁদেরকে গোসল দেওয়া হবে এবং তাঁদের জানাযাও পড়া হবে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর বেলায়ও এরূপ করা হয়েছিল।
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن أهل العلم أنهم كانوا يقولون الشهداء في سبيل الله لا يغسلون ولا يصلى على أحد منهم وإنهم يدفنون في الثياب التي قتلوا فيها ১৬৮৫-قال مالك وتلك السنة فيمن قتل في المعترك فلم يدرك حتى مات قال وأما من حمل منهم فعاش ما شاء الله بعد ذلك فإنه يغسل ويصلى عليه كما عمل بعمر بن الخطاب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৮৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب غسل وكفن وصلي عليه وكان شهيدا يرحمه الله.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে গোসল করান হয়েছিল, কাফন পরান হয়েছিল এবং তাঁর জানাযাও পড়া হয়েছিল অথচ আল্লাহর মেহেরবানীতে আল্লাহর পথে তিনি শাহাদত বরণ করেছিলেন (আল্লাহ্ তাঁর উপর রহমত নাযিল করুন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে গোসল করান হয়েছিল, কাফন পরান হয়েছিল এবং তাঁর জানাযাও পড়া হয়েছিল অথচ আল্লাহর মেহেরবানীতে আল্লাহর পথে তিনি শাহাদত বরণ করেছিলেন (আল্লাহ্ তাঁর উপর রহমত নাযিল করুন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب غسل وكفن وصلي عليه وكان شهيدا يرحمه الله.