মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নফল হিসেবে কোন সৈনিককে অস্ত্রশস্ত্র প্রদান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৬৯
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن القاسم بن محمد أنه قال سمعت رجلا يسأل عبد الله بن عباس عن الأنفال فقال ابن عباس الفرس من النفل والسلب من النفل قال ثم عاد الرجل لمسألته فقال ابن عباس ذلك أيضا ثم قال الرجل الأنفال التي قال الله في كتابه ما هي قال القاسم فلم يزل يسأله حتى كاد أن يحرجه ثم قال ابن عباس أتدرون ما مثل هذا مثل صبيغ الذي ضربه عمر بن الخطاب ১৬৫৬-قال و سئل مالك عمن قتل قتيلا من العدو أيكون له سلبه بغير إذن الإمام قال لا يكون ذلك لأحد بغير إذن الإمام ولا يكون ذلك من الإمام إلا على وجه الاجتهاد ولم يبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قتل قتيلا فله سلبه إلا يوم حنين.
কাশিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা)-এর কাছে আনফাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে এক ব্যক্তিকে শুনেছিলাম। ইবনু আব্বাস (রা) তখন উত্তরে বলেছিলেন : ঘোড়া এবং অস্ত্রশস্ত্র আনফালের মধ্যে শামিল । ঐ ব্যক্তি ঐ প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলে ইবনু আব্বাস (রা) পুনরায় ঐ উত্তর প্রদান করেন। তখন ঐ ব্যক্তি বলল : কুরআনুল কারীমে যে আনফালের আলোচনা করা হয়েছে, সে আনফাল সম্পর্কে আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি। কাশিম (র) বলেন : ঐ ব্যক্তি বার বার একই কথা বলতে লাগল। শেষে ইবনু আব্বাস (রা) বিরক্ত হয়ে বললেন; এই ব্যক্তি সবীগের মতো যাকে উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বেত্রদণ্ড দিয়েছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল মুসলিমদের কোন শত্রুকে হত্যা করতে পারলে মুসলিম রাষ্ট্রনায়কের অনুমতি ব্যতিরেকে তার আসবাবপত্র নিহতকারী পেতে পারে কি? তিনি বললেন : না। ইমাম বা রাষ্ট্রপ্রধান মুনাসিব মনে করলে এ ধরনের হুকুম জারি করতে পারেন। হুনায়ন যুদ্ধ ব্যতীত অন্য কোন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঐ ধরনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমরা জ্ঞাত হইনি।
কাশিম ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা)-এর কাছে আনফাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে এক ব্যক্তিকে শুনেছিলাম। ইবনু আব্বাস (রা) তখন উত্তরে বলেছিলেন : ঘোড়া এবং অস্ত্রশস্ত্র আনফালের মধ্যে শামিল । ঐ ব্যক্তি ঐ প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি করলে ইবনু আব্বাস (রা) পুনরায় ঐ উত্তর প্রদান করেন। তখন ঐ ব্যক্তি বলল : কুরআনুল কারীমে যে আনফালের আলোচনা করা হয়েছে, সে আনফাল সম্পর্কে আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি। কাশিম (র) বলেন : ঐ ব্যক্তি বার বার একই কথা বলতে লাগল। শেষে ইবনু আব্বাস (রা) বিরক্ত হয়ে বললেন; এই ব্যক্তি সবীগের মতো যাকে উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বেত্রদণ্ড দিয়েছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল মুসলিমদের কোন শত্রুকে হত্যা করতে পারলে মুসলিম রাষ্ট্রনায়কের অনুমতি ব্যতিরেকে তার আসবাবপত্র নিহতকারী পেতে পারে কি? তিনি বললেন : না। ইমাম বা রাষ্ট্রপ্রধান মুনাসিব মনে করলে এ ধরনের হুকুম জারি করতে পারেন। হুনায়ন যুদ্ধ ব্যতীত অন্য কোন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ঐ ধরনের নির্দেশ দিয়েছেন বলে আমরা জ্ঞাত হইনি।
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن القاسم بن محمد أنه قال سمعت رجلا يسأل عبد الله بن عباس عن الأنفال فقال ابن عباس الفرس من النفل والسلب من النفل قال ثم عاد الرجل لمسألته فقال ابن عباس ذلك أيضا ثم قال الرجل الأنفال التي قال الله في كتابه ما هي قال القاسم فلم يزل يسأله حتى كاد أن يحرجه ثم قال ابن عباس أتدرون ما مثل هذا مثل صبيغ الذي ضربه عمر بن الخطاب ১৬৫৬-قال و سئل مالك عمن قتل قتيلا من العدو أيكون له سلبه بغير إذن الإمام قال لا يكون ذلك لأحد بغير إذن الإمام ولا يكون ذلك من الإمام إلا على وجه الاجتهاد ولم يبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من قتل قتيلا فله سلبه إلا يوم حنين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৬৮
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرو بن كثير بن أفلح عن أبي محمد مولى أبي قتادة عن أبي قتادة بن ربعي أنه قال: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حنين فلما التقينا كانت للمسلمين جولة قال فرأيت رجلا من المشركين قد علا رجلا من المسلمين قال فاستدرت له حتى أتيته من ورائه فضربته بالسيف على حبل عاتقه فأقبل علي فضمني ضمة وجدت منها ريح الموت ثم أدركه الموت فأرسلني قال فلقيت عمر بن الخطاب فقلت ما بال الناس فقال أمر الله ثم إن الناس رجعوا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثالثة فقمت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لك يا أبا قتادة قال فاقتصصت عليه القصة فقال رجل من القوم صدق يا رسول الله وسلب ذلك القتيل عندي فأرضه عنه يا رسول الله فقال أبو بكر لا هاء الله إذا لا يعمد إلى أسد من أسد الله يقاتل عن الله ورسوله فيعطيك سلبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صدق فأعطه إياه فأعطانيه فبعت الدرع فاشتريت به مخرفا في بني سلمة فإنه لأول مال تأثلته في الإسلام.
আবূ কাতাদা ইবনু রিব্য়ী (রা) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়ন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমরা বের হলাম। প্রচণ্ড চাপে মুসলমানগণ হেঁটে আসেন। কোন এক কাফের সৈন্যকে তখন জনৈক মুসলিম সৈন্যের উপর জয়ী হয়ে যাচ্ছে দেখে পিছন হতে আমি ঐ কাফের সৈন্যটির ঘাড়ে তলওয়ারের এক কোপ বসালাম। সে তখন দৌঁড়ে আমাকে ধরে এমন চাপ দিল যে, আমার মৃত্যুর স্বাদ অনুভূত হতে লাগল। শেষে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। পরে উমার (রা) ইবনু খাত্তাবের সাথে আমার সাক্ষাত হল। আমি বললাম; মানুষের একি হল! তিনি বললেন : আল্লাহর হুকুম। শেষে মুসলিম সৈন্যগণ আবার ময়দানে ফিরে এলেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সে সময় ঘোষণা করলেন : সাক্ষী পেশ করতে পারলে যে তাকে হত্যা করেছেন তার আসবাবপত্র সে-ই পাবে। আবূ কাতাদা বলেন : এই ঘোষণা শুনে আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম : আমার জন্য কে সাক্ষ্য দেবে? এ কথা বলে আমি বসে পড়লাম। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পুনরায় ঐ কথা ঘোষণা করলেন। আমি আবার দাঁড়ালাম এবং বললাম : আমার জন্য কে সাক্ষ্য দেবে? এ কথা বলে আমি বসে পড়লাম। তৃতীয়বার রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথা ঘোষণা করলেন। আমিও উঠে দাঁড়ালাম। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন : আবূ কাতাদা, তোমার কি হল? সমস্ত ঘটনা তখন আমি তাঁকে বিবৃত করলাম। তখন এক ব্যক্তি উঠে বললেন : হে আল্লাহর রসূল, ইনি সত্যিই বলেছেন। ঐ নিহত কাফেরটির আসবাবপত্র আমার কাছে আছে। আপনি তাকে রাজী করিয়ে ঐ আসবাবপত্র আমাকে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। আবূ বক্র (রা) তখন বললেন : আল্লাহ্র কসম, কখনো নয়। আপনি এমন কাজ করার ইচ্ছা করবেন না। আল্লাহর ব্যাঘ্রসমূহ হতে কোন এক ব্যাঘ্র আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের পক্ষে লড়াই করবে আর তুমি আসবাবপত্র নিয়ে যাবে, তা হতে পারে না। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন; আবূ বক্র যথার্থই বলেছেন। আবূ কাতাদাকে ঐ আসবাবপত্র দিয়ে দাও। শেষে ঐ ব্যক্তি উহা আমাকে দিয়ে দিলেন। উহা হতে একটি বর্ম বিক্রয় করে বনু সালিমা মহল্লায় একটা বাগান ক্রয় করে ফেললাম। ইসলাম গ্রহণ করার পর এ সম্পত্তিটুকু আমি লাভ করতে পেরেছিলাম। (বুখারী ৩১৪২, মুসলিম ১৭৫১)
আবূ কাতাদা ইবনু রিব্য়ী (রা) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়ন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমরা বের হলাম। প্রচণ্ড চাপে মুসলমানগণ হেঁটে আসেন। কোন এক কাফের সৈন্যকে তখন জনৈক মুসলিম সৈন্যের উপর জয়ী হয়ে যাচ্ছে দেখে পিছন হতে আমি ঐ কাফের সৈন্যটির ঘাড়ে তলওয়ারের এক কোপ বসালাম। সে তখন দৌঁড়ে আমাকে ধরে এমন চাপ দিল যে, আমার মৃত্যুর স্বাদ অনুভূত হতে লাগল। শেষে সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। পরে উমার (রা) ইবনু খাত্তাবের সাথে আমার সাক্ষাত হল। আমি বললাম; মানুষের একি হল! তিনি বললেন : আল্লাহর হুকুম। শেষে মুসলিম সৈন্যগণ আবার ময়দানে ফিরে এলেন। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সে সময় ঘোষণা করলেন : সাক্ষী পেশ করতে পারলে যে তাকে হত্যা করেছেন তার আসবাবপত্র সে-ই পাবে। আবূ কাতাদা বলেন : এই ঘোষণা শুনে আমি দাঁড়ালাম এবং বললাম : আমার জন্য কে সাক্ষ্য দেবে? এ কথা বলে আমি বসে পড়লাম। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পুনরায় ঐ কথা ঘোষণা করলেন। আমি আবার দাঁড়ালাম এবং বললাম : আমার জন্য কে সাক্ষ্য দেবে? এ কথা বলে আমি বসে পড়লাম। তৃতীয়বার রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ কথা ঘোষণা করলেন। আমিও উঠে দাঁড়ালাম। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন : আবূ কাতাদা, তোমার কি হল? সমস্ত ঘটনা তখন আমি তাঁকে বিবৃত করলাম। তখন এক ব্যক্তি উঠে বললেন : হে আল্লাহর রসূল, ইনি সত্যিই বলেছেন। ঐ নিহত কাফেরটির আসবাবপত্র আমার কাছে আছে। আপনি তাকে রাজী করিয়ে ঐ আসবাবপত্র আমাকে দেয়ার ব্যবস্থা করুন। আবূ বক্র (রা) তখন বললেন : আল্লাহ্র কসম, কখনো নয়। আপনি এমন কাজ করার ইচ্ছা করবেন না। আল্লাহর ব্যাঘ্রসমূহ হতে কোন এক ব্যাঘ্র আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের পক্ষে লড়াই করবে আর তুমি আসবাবপত্র নিয়ে যাবে, তা হতে পারে না। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন; আবূ বক্র যথার্থই বলেছেন। আবূ কাতাদাকে ঐ আসবাবপত্র দিয়ে দাও। শেষে ঐ ব্যক্তি উহা আমাকে দিয়ে দিলেন। উহা হতে একটি বর্ম বিক্রয় করে বনু সালিমা মহল্লায় একটা বাগান ক্রয় করে ফেললাম। ইসলাম গ্রহণ করার পর এ সম্পত্তিটুকু আমি লাভ করতে পেরেছিলাম। (বুখারী ৩১৪২, মুসলিম ১৭৫১)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرو بن كثير بن أفلح عن أبي محمد مولى أبي قتادة عن أبي قتادة بن ربعي أنه قال: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حنين فلما التقينا كانت للمسلمين جولة قال فرأيت رجلا من المشركين قد علا رجلا من المسلمين قال فاستدرت له حتى أتيته من ورائه فضربته بالسيف على حبل عاتقه فأقبل علي فضمني ضمة وجدت منها ريح الموت ثم أدركه الموت فأرسلني قال فلقيت عمر بن الخطاب فقلت ما بال الناس فقال أمر الله ثم إن الناس رجعوا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثالثة فقمت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لك يا أبا قتادة قال فاقتصصت عليه القصة فقال رجل من القوم صدق يا رسول الله وسلب ذلك القتيل عندي فأرضه عنه يا رسول الله فقال أبو بكر لا هاء الله إذا لا يعمد إلى أسد من أسد الله يقاتل عن الله ورسوله فيعطيك سلبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صدق فأعطه إياه فأعطانيه فبعت الدرع فاشتريت به مخرفا في بني سلمة فإنه لأول مال تأثلته في الإسلام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > খুমুস হতে নফল প্রদান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭০
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سعيد بن المسيب أنه قال كان الناس يعطون النفل من الخمس قال مالك وذلك أحسن ما سمعت إلي في ذلك ১৬৫৯-و سئل مالك عن النفل هل يكون في أول مغنم قال ذلك على وجه الاجتهاد من الإمام وليس عندنا في ذلك أمر معروف موقوف إلا اجتهاد السلطان ولم يبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نفل في مغازيه كله. وقد بلغني أنه نفل في بعضها يوم حنين وإنما ذلك على وجه الاجتهاد من الإمام في أول مغنم وفيما بعده اااا
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
মালে গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ হতে (সাহাবা যুগের) লোকগণ ‘নফল দিতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বর্ণনাটি আমার কাছে উত্তম। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল গনীমতের প্রথম ভাগ হতেই কি নফল দিতে হবে? তিনি বললেন, এটা রাষ্ট্রপ্রধানের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আমাদের নিকট এর নির্দিষ্ট রীতি নেই। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক জিহাদেই নফল দিয়েছেন বলে কোন রেওয়ায়ত আমাদের নিকট পৌঁছেনি বরং কতক সময় তা দিয়েছেন, তন্মধ্যে হুনায়ন একটি। এটা ইমামের ইচ্ছাধীন।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
মালে গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ হতে (সাহাবা যুগের) লোকগণ ‘নফল দিতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বর্ণনাটি আমার কাছে উত্তম। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল গনীমতের প্রথম ভাগ হতেই কি নফল দিতে হবে? তিনি বললেন, এটা রাষ্ট্রপ্রধানের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আমাদের নিকট এর নির্দিষ্ট রীতি নেই। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যেক জিহাদেই নফল দিয়েছেন বলে কোন রেওয়ায়ত আমাদের নিকট পৌঁছেনি বরং কতক সময় তা দিয়েছেন, তন্মধ্যে হুনায়ন একটি। এটা ইমামের ইচ্ছাধীন।
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سعيد بن المسيب أنه قال كان الناس يعطون النفل من الخمس قال مالك وذلك أحسن ما سمعت إلي في ذلك ১৬৫৯-و سئل مالك عن النفل هل يكون في أول مغنم قال ذلك على وجه الاجتهاد من الإمام وليس عندنا في ذلك أمر معروف موقوف إلا اجتهاد السلطان ولم يبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نفل في مغازيه كله. وقد بلغني أنه نفل في بعضها يوم حنين وإنما ذلك على وجه الاجتهاد من الإمام في أول مغنم وفيما بعده اااا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জিহাদে ঘোড়ার অংশ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭১
حدثني يحيى عن مالك أنه قال بلغني أن عمر بن عبد العزيز كان يقول للفرس سهمان وللرجل سهم قال مالك ولم أزل أسمع ذلك ১৬৬৩- و سئل مالك عن رجل يحضر بأفراس كثيرة فهل يقسم لها كلها فقال لم أسمع بذلك ولا أرى أن يقسم إلا لفرس واحد الذي يقاتل عليه ১৬৬৪-قال مالك لا أرى البراذين والهجن إلا من الخيل لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { والخيل والبغال والحمير لتركبوها وزينة } وقال عز وجل { وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ومن رباط الخيل ترهبون به عدو الله وعدوكم } فأنا أرى البراذين والهجن من الخيل إذا أجازها الوالي وقد قال سعيد بن المسيب وسئل عن البراذين هل فيها من صدقة فقال وهل في الخيل من صدقةاااا
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) বলেছেন, গনীমতের মধ্যে ঘোড়ার দুই অংশ এবং অশ্বারোহীর এক অংশ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে ইবনু মুসাইয্যের এর মন্তব্যটুকু ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ২৮৬৩, মুসলিম ১৭৬২) মালিক (র) বলেন, আমি উক্ত ধরনের অভিমতই শুনে এসেছি। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল একজন যদি কয়েকটি ঘোড়া জিহাদে নিয়ে আসে তবে সে প্রত্যেকটিরই কি আলাদা অংশ পাবে? তিনি বললেন, না, আমি এরূপ শুনিনি, যে ঘোড়াটির উপর আহরণ করে যুদ্ধ করেছে সেটির হিস্যাই কেবল সে পাবে। মালিক (র) বলেন, আমার মতে তুর্কী ঘোড়া এবং সংকর জাতীয় ঘোড়াও সাধারণ ঘোড়ার হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে। কেননা কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে : “ঘোড়া, গাধা ও খচ্চর তোমাদের আরোহণের জন্য আমি সৃষ্টি করেছি।” [১] আল্লাহ্ তা’আলা আরো ইরশাদ করেন, “কাফেরদের মুকাবিলায় যথাশক্তি যুদ্ধাস্ত্র এবং ঘোড়া তৈরি রাখ যাতে এদের দ্বারা আল্লাহর শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখতে পার। “সুতরাং সরকার যখন গ্রহণ করে নেন তখন আমার মতে তুর্কী ও সংকর জাতীয় ঘোড়াও সাধারণ ঘোড়ার অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। মালিক (র) বলেন, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে কেউ জিজ্ঞেস করেছিল : তুর্কী ঘোড়ারও কি যাকাত দিতে হবে? উত্তরে তিনি বলেছেন, ঘোড়ারও আবার যাকাত ওয়াজিব হয় নাকি?
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) বলেছেন, গনীমতের মধ্যে ঘোড়ার দুই অংশ এবং অশ্বারোহীর এক অংশ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে ইবনু মুসাইয্যের এর মন্তব্যটুকু ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ২৮৬৩, মুসলিম ১৭৬২) মালিক (র) বলেন, আমি উক্ত ধরনের অভিমতই শুনে এসেছি। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল একজন যদি কয়েকটি ঘোড়া জিহাদে নিয়ে আসে তবে সে প্রত্যেকটিরই কি আলাদা অংশ পাবে? তিনি বললেন, না, আমি এরূপ শুনিনি, যে ঘোড়াটির উপর আহরণ করে যুদ্ধ করেছে সেটির হিস্যাই কেবল সে পাবে। মালিক (র) বলেন, আমার মতে তুর্কী ঘোড়া এবং সংকর জাতীয় ঘোড়াও সাধারণ ঘোড়ার হুকুমের অন্তর্ভুক্ত হবে। কেননা কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে : “ঘোড়া, গাধা ও খচ্চর তোমাদের আরোহণের জন্য আমি সৃষ্টি করেছি।” [১] আল্লাহ্ তা’আলা আরো ইরশাদ করেন, “কাফেরদের মুকাবিলায় যথাশক্তি যুদ্ধাস্ত্র এবং ঘোড়া তৈরি রাখ যাতে এদের দ্বারা আল্লাহর শত্রু এবং তোমাদের শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখতে পার। “সুতরাং সরকার যখন গ্রহণ করে নেন তখন আমার মতে তুর্কী ও সংকর জাতীয় ঘোড়াও সাধারণ ঘোড়ার অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। মালিক (র) বলেন, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে কেউ জিজ্ঞেস করেছিল : তুর্কী ঘোড়ারও কি যাকাত দিতে হবে? উত্তরে তিনি বলেছেন, ঘোড়ারও আবার যাকাত ওয়াজিব হয় নাকি?
حدثني يحيى عن مالك أنه قال بلغني أن عمر بن عبد العزيز كان يقول للفرس سهمان وللرجل سهم قال مالك ولم أزل أسمع ذلك ১৬৬৩- و سئل مالك عن رجل يحضر بأفراس كثيرة فهل يقسم لها كلها فقال لم أسمع بذلك ولا أرى أن يقسم إلا لفرس واحد الذي يقاتل عليه ১৬৬৪-قال مالك لا أرى البراذين والهجن إلا من الخيل لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { والخيل والبغال والحمير لتركبوها وزينة } وقال عز وجل { وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ومن رباط الخيل ترهبون به عدو الله وعدوكم } فأنا أرى البراذين والهجن من الخيل إذا أجازها الوالي وقد قال سعيد بن المسيب وسئل عن البراذين هل فيها من صدقة فقال وهل في الخيل من صدقةاااا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গনীমতের সম্পদ হতে চুরি করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه عن عبد الله بن عباس أنه قال: ما ظهر الغلول في قوم قط إلا ألقي في قلوبهم الرعب ولا فشا الزنا في قوم قط إلا كثر فيهم الموت ولا نقص قوم المكيال والميزان إلا قطع عنهم الرزق ولا حكم قوم بغير الحق إلا فشا فيهم الدم ولا ختر قوم بالعهد إلا سلط الله عليهم العدو.
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে জাতির মধ্যে গনীমতের মাল চুরি করার প্রবণতা প্রকাশ পায় আল্লাহ্ তাদের মনে দুশমনের ভয় ঢুকিয়ে দেন। যে জাতির মধ্যে যিনা বেশি হয়, তাদের মধ্যে মৃত্যুর আধিক্য ঘটে। যে জাতি মাপে কম দেয় আল্লাহ্ তাদের রিযিক কমিয়ে দেন। যে জাতি ন্যায়বিচার করে না, তাদের মধ্যে রক্তপাত বেশি হবে। আর যে জাতি চুক্তির খেলাফ করে, আল্লাহ্ তাদের উপর দুশমনকে চাপিয়ে দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে জাতির মধ্যে গনীমতের মাল চুরি করার প্রবণতা প্রকাশ পায় আল্লাহ্ তাদের মনে দুশমনের ভয় ঢুকিয়ে দেন। যে জাতির মধ্যে যিনা বেশি হয়, তাদের মধ্যে মৃত্যুর আধিক্য ঘটে। যে জাতি মাপে কম দেয় আল্লাহ্ তাদের রিযিক কমিয়ে দেন। যে জাতি ন্যায়বিচার করে না, তাদের মধ্যে রক্তপাত বেশি হবে। আর যে জাতি চুক্তির খেলাফ করে, আল্লাহ্ তাদের উপর দুশমনকে চাপিয়ে দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه عن عبد الله بن عباس أنه قال: ما ظهر الغلول في قوم قط إلا ألقي في قلوبهم الرعب ولا فشا الزنا في قوم قط إلا كثر فيهم الموت ولا نقص قوم المكيال والميزان إلا قطع عنهم الرزق ولا حكم قوم بغير الحق إلا فشا فيهم الدم ولا ختر قوم بالعهد إلا سلط الله عليهم العدو.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن المغيرة بن أبي بردة الكناني أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى الناس في قبائلهم يدعو لهم وأنه ترك قبيلة من القبائل قال وإن القبيلة وجدوا في بردعة رجل منهم عقد جزع غلولا فأتاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليهم كما يكبر على الميت.
আবদুল্লাহ্ ইবনু মুগীরা ইবনু আবূ বুরদা কেনানী (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের সকল কবীলার লোকদের কাছে এসে তাদের জন্য দোয়া করেছিলেন। কিন্তু একটি কবীলার জন্য দোয়া করেননি। এই কবীলার একটি লোকের বিছানার নিচে আকীক পাথরের তৈরি একটি চুরি করা হার পাওয়া গিয়েছিল। এই কবীলার নিকট এসে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুর্দাদের বেলায় যেমন তাকবীর পড়া হয় তদ্রূপ তাকবীর পাঠ করেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু মুগীরা ইবনু আবূ বুরদা কেনানী (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের সকল কবীলার লোকদের কাছে এসে তাদের জন্য দোয়া করেছিলেন। কিন্তু একটি কবীলার জন্য দোয়া করেননি। এই কবীলার একটি লোকের বিছানার নিচে আকীক পাথরের তৈরি একটি চুরি করা হার পাওয়া গিয়েছিল। এই কবীলার নিকট এসে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুর্দাদের বেলায় যেমন তাকবীর পড়া হয় তদ্রূপ তাকবীর পাঠ করেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عبد الله بن المغيرة بن أبي بردة الكناني أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أتى الناس في قبائلهم يدعو لهم وأنه ترك قبيلة من القبائل قال وإن القبيلة وجدوا في بردعة رجل منهم عقد جزع غلولا فأتاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر عليهم كما يكبر على الميت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৩
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان أن زيد بن خالد الجهني قال: توفي رجل يوم حنين وإنهم ذكروه لرسول الله صلى الله عليه وسلم فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلوا على صاحبكم فتغيرت وجوه الناس لذلك فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن صاحبكم قد غل في سبيل الله قال ففتحنا متاعه فوجدنا خرزات من خرز يهود ما تساوين درهمين.
যাইদ ইবনু খালিদ জুহানী (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদে এক ব্যক্তি মারা যায়। অন্যরা রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে এসে এ সংবাদ জানালে তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের এই সঙ্গীর জানাযা পড়ে নাও। এ কথা শুনে সকলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। [কারণ মৃত ব্যক্তির কোন দোষের কারণেই হয়ত রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়াতে অস্বীকার করতেছেন।] যাইদ (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বলেছিলেন : এ ব্যক্তি গনীমত হতে চুরি করে কিছু নিয়ে গিয়েছিল। যাঈদ (রা) বলেন, আমরা ঐ ব্যক্তির আসবাবপত্র খুলে তাতে ইহুদীদের পুতি হতে সামান্য কয়েকটি পুতি পেলাম, দুই দিরহাম পরিমাণ যার মূল্য হবে। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৭১০, নাসাঈ ১৯৫৮, ইবনু মাজাহ ২৮৪৮, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [যয়ীফ আল-আনজামে] ৩৪৮১)
যাইদ ইবনু খালিদ জুহানী (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদে এক ব্যক্তি মারা যায়। অন্যরা রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে এসে এ সংবাদ জানালে তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের এই সঙ্গীর জানাযা পড়ে নাও। এ কথা শুনে সকলের মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেল। [কারণ মৃত ব্যক্তির কোন দোষের কারণেই হয়ত রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নামায পড়াতে অস্বীকার করতেছেন।] যাইদ (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বলেছিলেন : এ ব্যক্তি গনীমত হতে চুরি করে কিছু নিয়ে গিয়েছিল। যাঈদ (রা) বলেন, আমরা ঐ ব্যক্তির আসবাবপত্র খুলে তাতে ইহুদীদের পুতি হতে সামান্য কয়েকটি পুতি পেলাম, দুই দিরহাম পরিমাণ যার মূল্য হবে। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৭১০, নাসাঈ ১৯৫৮, ইবনু মাজাহ ২৮৪৮, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [যয়ীফ আল-আনজামে] ৩৪৮১)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان أن زيد بن خالد الجهني قال: توفي رجل يوم حنين وإنهم ذكروه لرسول الله صلى الله عليه وسلم فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال صلوا على صاحبكم فتغيرت وجوه الناس لذلك فزعم زيد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن صاحبكم قد غل في سبيل الله قال ففتحنا متاعه فوجدنا خرزات من خرز يهود ما تساوين درهمين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭৫
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي عن أبي الغيث سالم مولى ابن مطيع عن أبي هريرة قال: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام خيبر فلم نغنم ذهبا ولا ورقا إلا الأموال الثياب والمتاع قال فأهدى رفاعة بن زيد لرسول الله صلى الله عليه وسلم غلاما أسود يقال له مدعم فوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى وادي القرى حتى إذا كنا بوادي القرى بينما مدعم يحط رحل رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه سهم عائر فأصابه فقتله فقال الناس هنيئا له الجنة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلا والذي نفسي بيده إن الشملة التي أخذ يوم خيبر من المغانم لم تصبها المقاسم لتشتعل عليه نارا قال فلما سمع الناس ذلك جاء رجل بشراك أو شراكين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم شراك أو شراكان من نار.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বরের বৎসর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমরা রওয়ানা হয়েছিলাম। এ যুদ্ধে আমরা সোনা-রূপা হস্তগত করতে পারিনি, তবে অনেক আসবাবপত্র ও কাপড় আমাদের হস্তগত হয়েছিল। রিফা’আ ইবনু যাইদ (রা) মিদ’আম নামের একজন দাস রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে হাদিয়া দিয়েছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াদি-এ কুরার দিকে যাত্রা করেন। সেখানে পৌঁছার পর মিদ’আম রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উটের হাওদা নামাচ্ছিল এমন সময় কোথা হতে একটি তীর এসে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় এবং সে মারা যায়। লোকেরা তখন বলাবলি করতে লাগল : মিদ’আমের জন্য জান্নাত মুবারক হোক। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কখনো নয়। যাঁর হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম, খায়বরের যুদ্ধে গনীমতের মাল বণ্টনের পূর্বে যে চাদর সে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল তা এখন তার গায়ে আগুন হয়ে জ্বলছে। এ কথা শুনে এক ব্যক্তি একটা কি দুটা ফিতা এনে হাযির করল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন, এই একটি বা দুটি ফিতাও আগুনের ছিল। (বুখারী ৪২৩৪, মুসলিম ১১৫)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বরের বৎসর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আমরা রওয়ানা হয়েছিলাম। এ যুদ্ধে আমরা সোনা-রূপা হস্তগত করতে পারিনি, তবে অনেক আসবাবপত্র ও কাপড় আমাদের হস্তগত হয়েছিল। রিফা’আ ইবনু যাইদ (রা) মিদ’আম নামের একজন দাস রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে হাদিয়া দিয়েছিলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াদি-এ কুরার দিকে যাত্রা করেন। সেখানে পৌঁছার পর মিদ’আম রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উটের হাওদা নামাচ্ছিল এমন সময় কোথা হতে একটি তীর এসে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় এবং সে মারা যায়। লোকেরা তখন বলাবলি করতে লাগল : মিদ’আমের জন্য জান্নাত মুবারক হোক। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কখনো নয়। যাঁর হাতে আমার প্রাণ সেই সত্তার কসম, খায়বরের যুদ্ধে গনীমতের মাল বণ্টনের পূর্বে যে চাদর সে চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল তা এখন তার গায়ে আগুন হয়ে জ্বলছে। এ কথা শুনে এক ব্যক্তি একটা কি দুটা ফিতা এনে হাযির করল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন, এই একটি বা দুটি ফিতাও আগুনের ছিল। (বুখারী ৪২৩৪, মুসলিম ১১৫)
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي عن أبي الغيث سالم مولى ابن مطيع عن أبي هريرة قال: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام خيبر فلم نغنم ذهبا ولا ورقا إلا الأموال الثياب والمتاع قال فأهدى رفاعة بن زيد لرسول الله صلى الله عليه وسلم غلاما أسود يقال له مدعم فوجه رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى وادي القرى حتى إذا كنا بوادي القرى بينما مدعم يحط رحل رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ جاءه سهم عائر فأصابه فقتله فقال الناس هنيئا له الجنة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كلا والذي نفسي بيده إن الشملة التي أخذ يوم خيبر من المغانم لم تصبها المقاسم لتشتعل عليه نارا قال فلما سمع الناس ذلك جاء رجل بشراك أو شراكين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم شراك أو شراكان من نار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৭২
حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن عمرو بن شعيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صدر من حنين وهو يريد الجعرانة سأله الناس حتى دنت به ناقته من شجرة فتشبكت بردائه حتى نزعته عن ظهره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ردوا علي ردائي أتخافون أن لا أقسم بينكم ما أفاء الله عليكم والذي نفسي بيده لو أفاء الله عليكم مثل سمر تهامة نعما لقسمته بينكم ثم لا تجدوني بخيلا ولا جبانا ولا كذابا فلما نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في الناس فقال أدوا الخياط والمخيط فإن الغلول عار ونار وشنار على أهله يوم القيامة قال ثم تناول من الأرض وبرة من بعير أو شيئا ثم قال: والذي نفسي بيده ما لي مما أفاء الله عليكم ولا مثل هذه إلا الخمس والخمس مردود عليكم.
আমর ইবনু শুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যাবর্তন করে জিয়িরানা নামক স্থানের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর কাছে এসে লোকের গনীমতের হিস্যা চাইতে লাগল, এমনকি লোকের চাপে তাঁরা উট বৃক্ষের নিকট চলে গেল এবং তাঁর চাদর কাঁটায় আটকে পিঠ হতে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার চাদর আমাকে দাও। তোমরা কি মনে কর, যে জিনিস আল্লাহ্ তোমাদেরকে দিয়েছেন তা তোমাদেরকে আমি বেঁচে দেব না? যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, তিহামা প্রান্তরের বাবলা গাছের মতো এত অধিক সংখ্যক পশুও যদি আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে দান করেন তাও তোমাদের মাঝে আমি বণ্টন করে দেব। তোমরা আমাকে কৃপণ, ভীরু ও মিথ্যাবাদী হিসেবে দেখতে পাবে না। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উট হতে অবতরণ করে লোকের সামনে দাঁড়ালেন। অতঃপর বললেন, কেউ যদি একটি সুতা বা সুঁচ নিয়ে যায় তবে তাও দিয়ে দাও। গনীমত হতে কিছু চুরি করা লজ্জা ও জাহান্নামের কারণ হয় এবং কিয়ামতের দিনও ইহা লজ্জা এবং মহাদোষের কারণ হবে। অতঃপর তিনি মাটি হতে বকরী বা উটের একটা পশম হাতে নিয়ে বললেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ সে সত্তার কসম, আল্লাহ্ তা’আল্লা তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন তাতে এতটুকু হিস্যাও আমার নেই। হ্যাঁ, গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ আমি পাই। উহা তোমাদের নিকটই প্রত্যাবর্তিত হয়। (সহীহ, ইমাম নাসাঈ মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ৪১৩৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেন [ইরওয়া] ১২৪০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
আমর ইবনু শুয়াইব (র) থেকে বর্নিতঃ
হুনায়নের জিহাদ হতে যখন রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রত্যাবর্তন করে জিয়িরানা নামক স্থানের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁর কাছে এসে লোকের গনীমতের হিস্যা চাইতে লাগল, এমনকি লোকের চাপে তাঁরা উট বৃক্ষের নিকট চলে গেল এবং তাঁর চাদর কাঁটায় আটকে পিঠ হতে পড়ে গেল। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমার চাদর আমাকে দাও। তোমরা কি মনে কর, যে জিনিস আল্লাহ্ তোমাদেরকে দিয়েছেন তা তোমাদেরকে আমি বেঁচে দেব না? যাঁর হাতে আমার প্রাণ তাঁর কসম, তিহামা প্রান্তরের বাবলা গাছের মতো এত অধিক সংখ্যক পশুও যদি আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে দান করেন তাও তোমাদের মাঝে আমি বণ্টন করে দেব। তোমরা আমাকে কৃপণ, ভীরু ও মিথ্যাবাদী হিসেবে দেখতে পাবে না। রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উট হতে অবতরণ করে লোকের সামনে দাঁড়ালেন। অতঃপর বললেন, কেউ যদি একটি সুতা বা সুঁচ নিয়ে যায় তবে তাও দিয়ে দাও। গনীমত হতে কিছু চুরি করা লজ্জা ও জাহান্নামের কারণ হয় এবং কিয়ামতের দিনও ইহা লজ্জা এবং মহাদোষের কারণ হবে। অতঃপর তিনি মাটি হতে বকরী বা উটের একটা পশম হাতে নিয়ে বললেন, যাঁর হাতে আমার প্রাণ সে সত্তার কসম, আল্লাহ্ তা’আল্লা তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন তাতে এতটুকু হিস্যাও আমার নেই। হ্যাঁ, গনীমতের এক-পঞ্চমাংশ আমি পাই। উহা তোমাদের নিকটই প্রত্যাবর্তিত হয়। (সহীহ, ইমাম নাসাঈ মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ৪১৩৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেন [ইরওয়া] ১২৪০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن عمرو بن شعيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين صدر من حنين وهو يريد الجعرانة سأله الناس حتى دنت به ناقته من شجرة فتشبكت بردائه حتى نزعته عن ظهره فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ردوا علي ردائي أتخافون أن لا أقسم بينكم ما أفاء الله عليكم والذي نفسي بيده لو أفاء الله عليكم مثل سمر تهامة نعما لقسمته بينكم ثم لا تجدوني بخيلا ولا جبانا ولا كذابا فلما نزل رسول الله صلى الله عليه وسلم قام في الناس فقال أدوا الخياط والمخيط فإن الغلول عار ونار وشنار على أهله يوم القيامة قال ثم تناول من الأرض وبرة من بعير أو شيئا ثم قال: والذي نفسي بيده ما لي مما أفاء الله عليكم ولا مثل هذه إلا الخمس والخمس مردود عليكم.