মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋতুমতী মহিলার তাওয়াফে যিয়ারত (ইফাযা)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২০

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن صفية بنت حيي حاضت فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال أحابستنا هي فقيل إنها قد أفاضت فقال فلا إذا.

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

(হজ্জের সময়) সফিয়্যা বিন্‌ত হুয়াই (রা)-এর ঋতুস্রাব আরম্ভ হয়। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এটা ব্যক্ত করলে তিনি বললেন, সফিয়্যা যেন আমাদেরকে এখানেই আটকিয়ে রাখবে। তখন তাঁকে বলা হল, ইনি তাওয়াফে যিয়ারত (ইফাযা) আদায় করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। [১] (সহীহ, বুখারী ১৭৫৭)

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

(হজ্জের সময়) সফিয়্যা বিন্‌ত হুয়াই (রা)-এর ঋতুস্রাব আরম্ভ হয়। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এটা ব্যক্ত করলে তিনি বললেন, সফিয়্যা যেন আমাদেরকে এখানেই আটকিয়ে রাখবে। তখন তাঁকে বলা হল, ইনি তাওয়াফে যিয়ারত (ইফাযা) আদায় করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। [১] (সহীহ, বুখারী ১৭৫৭)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن صفية بنت حيي حاضت فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال أحابستنا هي فقيل إنها قد أفاضت فقال فلا إذا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২২

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن عمرة بنت عبد الرحمن أن عائشة أم المؤمنين كانت إذا حجت ومعها نساء تخاف أن يحضن قدمتهن يوم النحر فأفضن فإن حضن بعد ذلك لم تنتظرهن فتنفر بهن وهن حيض إذا كن قد أفضن.

আমরাহ্ বিন্‌ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) অন্য মহিলাদেরকে নিয়ে হজ্জ করতেন এবং যদি তাঁদের কারো ঋতুস্রাবের আশষ্কা দেখা দিত তবে দশ তারিখেই তাঁকে তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করে আসার জন্য পাঠিয়ে দিতেন। তাওয়াফে যিয়ারত করে নেওয়ার পর কারো ঋতুস্রাব হলে তার পাক হওয়ার আর অপেক্ষা করতেন না, গন্তব্যস্থলে রওয়ানা হয়ে পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আমরাহ্ বিন্‌ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) অন্য মহিলাদেরকে নিয়ে হজ্জ করতেন এবং যদি তাঁদের কারো ঋতুস্রাবের আশষ্কা দেখা দিত তবে দশ তারিখেই তাঁকে তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করে আসার জন্য পাঠিয়ে দিতেন। তাওয়াফে যিয়ারত করে নেওয়ার পর কারো ঋতুস্রাব হলে তার পাক হওয়ার আর অপেক্ষা করতেন না, গন্তব্যস্থলে রওয়ানা হয়ে পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن عمرة بنت عبد الرحمن أن عائشة أم المؤمنين كانت إذا حجت ومعها نساء تخاف أن يحضن قدمتهن يوم النحر فأفضن فإن حضن بعد ذلك لم تنتظرهن فتنفر بهن وهن حيض إذا كن قد أفضن.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২১

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن صفية بنت حيي قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها تحبسنا ألم تكن طافت معكن بالبيت قلن بلى قال فاخرجن.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সফিয়্যারতো ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। তিনি বললেন, মনে হয় সে আমাদের আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সাথে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেনি? মহিলাগণ বললেন, হ্যাঁ, করেছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর কি, তা হলে এখন চল। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১)

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সফিয়্যারতো ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। তিনি বললেন, মনে হয় সে আমাদের আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সাথে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেনি? মহিলাগণ বললেন, হ্যাঁ, করেছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর কি, তা হলে এখন চল। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن صفية بنت حيي قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها تحبسنا ألم تكن طافت معكن بالبيت قلن بلى قال فاخرجن.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৩

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر صفية بنت حيي فقيل له قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها حابستنا فقالوا يا رسول الله إنها قد طافت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا إذا ১৫৫৭-قال مالك قال هشام قال عروة قالت عائشة ونحن نذكر ذلك فلم يقدم الناس نساءهم إن كان ذلك لا ينفعهن ولو كان الذي يقولون لأصبح بمنى أكثر من ستة آلاف امرأة حائض كلهن قد أفاضت.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মুল মু’মিনীন সফিয়্যা (রা)-এর কথা জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বললেন, তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন হয়তো সে আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। অন্যরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তিনি তাওয়াফ করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেন, আমরা উপরিউক্ত বিষয় আলোচনা করেছিলাম। তখন আয়েশা (রা) বলেন, মহিলাগণকে যদি পূর্বে তাওয়াফের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া উপকারী না হয়, তবে মানুষ কেন পাঠায়? মানুষের এই ধারণা যদি ঠিক হত, তবে ছয় হাজারেরও অধিক মহিলাকে ঋতুমতী অবস্থায় বিদায়ী তাওয়াফের অপেক্ষায় মিনায় পড়ে থাকতে হত।

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মুল মু’মিনীন সফিয়্যা (রা)-এর কথা জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বললেন, তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন হয়তো সে আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। অন্যরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তিনি তাওয়াফ করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেন, আমরা উপরিউক্ত বিষয় আলোচনা করেছিলাম। তখন আয়েশা (রা) বলেন, মহিলাগণকে যদি পূর্বে তাওয়াফের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া উপকারী না হয়, তবে মানুষ কেন পাঠায়? মানুষের এই ধারণা যদি ঠিক হত, তবে ছয় হাজারেরও অধিক মহিলাকে ঋতুমতী অবস্থায় বিদায়ী তাওয়াফের অপেক্ষায় মিনায় পড়ে থাকতে হত।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر صفية بنت حيي فقيل له قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها حابستنا فقالوا يا رسول الله إنها قد طافت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا إذا ১৫৫৭-قال مالك قال هشام قال عروة قالت عائشة ونحن نذكر ذلك فلم يقدم الناس نساءهم إن كان ذلك لا ينفعهن ولو كان الذي يقولون لأصبح بمنى أكثر من ستة آلاف امرأة حائض كلهن قد أفاضت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৪

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه أن أبا سلمة بن عبد الرحمن أخبره أن أم سليم بنت ملحان استفتت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد حاضت أو ولدت بعدما أفاضت يوم النحر فأذن لها رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرجت ১৫৫৯-قال مالك والمرأة تحيض بمنى تقيم حتى تطوف بالبيت لا بد لها من ذلك وإن كانت قد أفاضت فحاضت بعد الإفاضة فلتنصرف إلى بلدها فإنه قد بلغنا في ذلك رخصة من رسول الله صلى الله عليه وسلم للحائض قال وإن حاضت المرأة بمنى قبل أن تفيض فإن كريها يحبس عليها أكثر مما يحبس النساء الدم.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান (র) খবর দিয়েছেন উম্মে সুলায়ম বিন্‌ত মিলহান (রা)-এর তাওয়াফে যিয়ারতে ঋতুস্রাব শুরু হলে অথবা তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে চলে যেতে অনুমতি দিলেন। পরে তিনি চলে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মিনায় অবস্থানকালে কারো ঋতুস্রাব শুরু হলে তাওয়াফে যিয়ারত না করা পর্যন্ত সে অপেক্ষা করবে। তাওয়াফে যিয়ারত করার পর যদি কারো ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে তার দেশে ফিরে যেতে পারে। কারণ এমন ঋতুমতী মহিলা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর তরফ হতে অনুমতি প্রদানের রেওয়ায়ত আমাদের নিকট পৌঁছেছে। তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বেই যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় এবং তা বন্ধ না হয় তবে ঋতুস্রাবের জন্য নির্ধারিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্ত সে অবস্থান করবে।

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান (র) খবর দিয়েছেন উম্মে সুলায়ম বিন্‌ত মিলহান (রা)-এর তাওয়াফে যিয়ারতে ঋতুস্রাব শুরু হলে অথবা তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে চলে যেতে অনুমতি দিলেন। পরে তিনি চলে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মিনায় অবস্থানকালে কারো ঋতুস্রাব শুরু হলে তাওয়াফে যিয়ারত না করা পর্যন্ত সে অপেক্ষা করবে। তাওয়াফে যিয়ারত করার পর যদি কারো ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে তার দেশে ফিরে যেতে পারে। কারণ এমন ঋতুমতী মহিলা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর তরফ হতে অনুমতি প্রদানের রেওয়ায়ত আমাদের নিকট পৌঁছেছে। তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বেই যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় এবং তা বন্ধ না হয় তবে ঋতুস্রাবের জন্য নির্ধারিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্ত সে অবস্থান করবে।

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه أن أبا سلمة بن عبد الرحمن أخبره أن أم سليم بنت ملحان استفتت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد حاضت أو ولدت بعدما أفاضت يوم النحر فأذن لها رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرجت ১৫৫৯-قال مالك والمرأة تحيض بمنى تقيم حتى تطوف بالبيت لا بد لها من ذلك وإن كانت قد أفاضت فحاضت بعد الإفاضة فلتنصرف إلى بلدها فإنه قد بلغنا في ذلك رخصة من رسول الله صلى الله عليه وسلم للحائض قال وإن حاضت المرأة بمنى قبل أن تفيض فإن كريها يحبس عليها أكثر مما يحبس النساء الدم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বন্য পশু-পাখি হত্যার ফিদ্‌য়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৫

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير أن عمر بن الخطاب قضى في الضبع بكبش وفي الغزال بعنز وفي الأرنب بعناق وفي اليربوع بجفرة.

আবূয্ যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হায়েনার বেলায় একটি মেষ, হরিণের বেলায় একটি ছাগল এবং খরগোশ হত্যার বেলায় এক বৎসর বয়সের ছাগলছানা, বন্য ইঁদুর হত্যার বেলায় চার মাস বয়সের ছাগলছানা প্রদানের বিধান দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূয্ যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হায়েনার বেলায় একটি মেষ, হরিণের বেলায় একটি ছাগল এবং খরগোশ হত্যার বেলায় এক বৎসর বয়সের ছাগলছানা, বন্য ইঁদুর হত্যার বেলায় চার মাস বয়সের ছাগলছানা প্রদানের বিধান দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير أن عمر بن الخطاب قضى في الضبع بكبش وفي الغزال بعنز وفي الأرنب بعناق وفي اليربوع بجفرة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৮

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول في حمام مكة إذا قتل شاة و قال مالك في الرجل من أهل مكة يحرم بالحج أو العمرة وفي بيته فراخ من حمام مكة فيغلق عليها فتموت فقال أرى بأن يفدي ذلك عن كل فرخ بشاة.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার কোন কবুতর শিকার করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মক্কার আধিবাসী কোন ব্যক্তি যদি হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধে আর তার ঘরে যদি মক্কার কবুতরের বাচ্চা থাকে আর ঐ ব্যক্তি কবুতরের বাসার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে যদি ঐ ছানা মারা যায়, তবে প্রতিটি ছানার পরিবর্তে এক একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার কোন কবুতর শিকার করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মক্কার আধিবাসী কোন ব্যক্তি যদি হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধে আর তার ঘরে যদি মক্কার কবুতরের বাচ্চা থাকে আর ঐ ব্যক্তি কবুতরের বাসার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে যদি ঐ ছানা মারা যায়, তবে প্রতিটি ছানার পরিবর্তে এক একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول في حمام مكة إذا قتل شاة و قال مالك في الرجل من أهل مكة يحرم بالحج أو العمرة وفي بيته فراخ من حمام مكة فيغلق عليها فتموت فقال أرى بأن يفدي ذلك عن كل فرخ بشاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৭

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يقول في البقرة من الوحش بقرة وفي الشاة من الظباء شاة.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

একটি বন্য গাভী হত্যা করলে একটি গরু এবং হরিণ হত্যা করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

একটি বন্য গাভী হত্যা করলে একটি গরু এবং হরিণ হত্যা করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يقول في البقرة من الوحش بقرة وفي الشاة من الظباء شاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৯

قال مالك لم أزل أسمع أن في النعامة إذا قتلها المحرم بدنة ১৫৬৮-قال مالك أرى أن في بيضة النعامة عشر ثمن البدنة كما يكون في جنين الحرة غرة عبد أو وليدة وقيمة الغرة خمسون دينارا وذلك عشر دية أمه وكل شيء من النسور أو العقبان أو البزاة أو الرخم فإنه صيد يودى كما يودى الصيد إذا قتله المحرم وكل شيء فدي ففي صغاره مثل ما يكون في كباره وإنما مثل ذلك مثل دية الحر الصغير والكبير فهما بمنزلة واحدة سواء.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইহরামরত ব্যক্তি যদি একটি উটপাখি মেরে ফেলে, তবে তার বদলে একটি উট ফিদ্‌য়া দিতে হবে। এটাই আমি হামেশা শুনে এসেছি। মালিক (র) বলেন, উটপাখির ডিম নষ্ট করলে প্রতিটি ডিমের পরিবর্তে একটি উটের মূল্যের এক-দশমাংস হিসেবে ফিদ্‌য়া দিতে হবে। যেমন, আযাদ কোন মহিলার গর্ভস্থ সন্তান যদি কেউ মেরে ফেলে তবে এর কাফ্ফারায় (মালিক র. বলেছেন) একটি দাসী বা দাস আযাদ করতে হয়। মালিক (র) বলেন, পঞ্চাশ দীনার হচ্ছে একটি মানুষের পূর্ণাঙ্গ দিয়্যতের (রক্তপণ) এক-দশমাংশ। মালিক (র) বলেন, শকুন, বাজ, ঈগল, রখম (এক প্রকার শকুন জাতীয় প্রাণী) শিকার বলে গণ্য। মুহরিম ব্যক্তি এগুলো হত্যা করলেও বদলা আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, প্রাণী ছোট হোক বা বড় হোক যার যে ফিদ্‌য়ার বিধান করা হয়েছে তাই আদায় করতে হবে। দিয়্যতের মধ্যে যেমন বড়- ছোটর তারতম্য হয় না, এইখানেও কোন তারতম্য করা হবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইহরামরত ব্যক্তি যদি একটি উটপাখি মেরে ফেলে, তবে তার বদলে একটি উট ফিদ্‌য়া দিতে হবে। এটাই আমি হামেশা শুনে এসেছি। মালিক (র) বলেন, উটপাখির ডিম নষ্ট করলে প্রতিটি ডিমের পরিবর্তে একটি উটের মূল্যের এক-দশমাংস হিসেবে ফিদ্‌য়া দিতে হবে। যেমন, আযাদ কোন মহিলার গর্ভস্থ সন্তান যদি কেউ মেরে ফেলে তবে এর কাফ্ফারায় (মালিক র. বলেছেন) একটি দাসী বা দাস আযাদ করতে হয়। মালিক (র) বলেন, পঞ্চাশ দীনার হচ্ছে একটি মানুষের পূর্ণাঙ্গ দিয়্যতের (রক্তপণ) এক-দশমাংশ। মালিক (র) বলেন, শকুন, বাজ, ঈগল, রখম (এক প্রকার শকুন জাতীয় প্রাণী) শিকার বলে গণ্য। মুহরিম ব্যক্তি এগুলো হত্যা করলেও বদলা আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, প্রাণী ছোট হোক বা বড় হোক যার যে ফিদ্‌য়ার বিধান করা হয়েছে তাই আদায় করতে হবে। দিয়্যতের মধ্যে যেমন বড়- ছোটর তারতম্য হয় না, এইখানেও কোন তারতম্য করা হবে না।

قال مالك لم أزل أسمع أن في النعامة إذا قتلها المحرم بدنة ১৫৬৮-قال مالك أرى أن في بيضة النعامة عشر ثمن البدنة كما يكون في جنين الحرة غرة عبد أو وليدة وقيمة الغرة خمسون دينارا وذلك عشر دية أمه وكل شيء من النسور أو العقبان أو البزاة أو الرخم فإنه صيد يودى كما يودى الصيد إذا قتله المحرم وكل شيء فدي ففي صغاره مثل ما يكون في كباره وإنما مثل ذلك مثل دية الحر الصغير والكبير فهما بمنزلة واحدة سواء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৬

و حدثني عن مالك عن عبد الملك بن قرير عن محمد بن سيرين أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال إني أجريت أنا وصاحب لي فرسين نستبق إلى ثغرة ثنية فأصبنا ظبيا ونحن محرمان فماذا ترى فقال عمر لرجل إلى جنبه تعال حتى أحكم أنا وأنت قال فحكما عليه بعنز فولى الرجل وهو يقول هذا أمير المؤمنين لا يستطيع أن يحكم في ظبي حتى دعا رجلا يحكم معه فسمع عمر قول الرجل فدعاه فسأله هل تقرأ سورة المائدة قال لا قال فهل تعرف هذا الرجل الذي حكم معي فقال لا فقال لو أخبرتني أنك تقرأ سورة المائدة لأوجعتك ضربا ثم قال إن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة } وهذا عبد الرحمن بن عوف.

মুহাম্মদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার সঙ্গী একটি গিরিপথে আমাদের ঘোড়া দৌড়িয়ে ইহরাম অবস্থায় একটি হরিণ শিকার করে ফেলেছি। উমার (রা) তখন পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যক্তিকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে এর একটি ফয়সালা করে দেই। শেষে তাঁরা দু’জনে ঐ ব্যক্তির উপর একটা বকরী ফিদ্‌য়া প্রদানের বিধান দেন। ঐ ব্যক্তি ফিরে যেতে যেতে বলতেছিল ইনি আমিরুল মু’মিনীন যিনি অন্যের সহযোগিতা ভিন্ন একটি হরিণের ফয়সালা দিতে পারলেন না। উমার (রা) তার উক্তি শুনে ফেললেন। তাকে ডেকে বললেন, তুমি কুরআনুল কারীমের সূরা- মায়িদা পড়েছ কি? সে বলল, জি, না। তিনি বললেন, যিনি আমার সঙ্গে ফয়সালা দিয়েছেন তাঁকে চিন? সে বলল, জি, না। উমার (রা) তখন বললেন, যদি সূরা-ই-মায়িদা পড়েছ বলতে তবে তোমাকে আমি আজ শাস্তি দিতাম। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (সূরা- মায়িদায়) ইরশাদ করেছেন “তোমাদের দুজন ন্যায়নিষ্ঠ সত্যবাদী ব্যক্তি ফিদ্‌য়া সম্পর্কে ফয়সালা করে দেবে। উহা কুরবানীর জন্য হবে যা মক্কায় পৌঁছাবে।” আর যিনি আমার সাথে ফয়সালা প্রদানে সহযোগিতা করেছেন ইনি হচ্ছেন আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুহাম্মদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার সঙ্গী একটি গিরিপথে আমাদের ঘোড়া দৌড়িয়ে ইহরাম অবস্থায় একটি হরিণ শিকার করে ফেলেছি। উমার (রা) তখন পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যক্তিকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে এর একটি ফয়সালা করে দেই। শেষে তাঁরা দু’জনে ঐ ব্যক্তির উপর একটা বকরী ফিদ্‌য়া প্রদানের বিধান দেন। ঐ ব্যক্তি ফিরে যেতে যেতে বলতেছিল ইনি আমিরুল মু’মিনীন যিনি অন্যের সহযোগিতা ভিন্ন একটি হরিণের ফয়সালা দিতে পারলেন না। উমার (রা) তার উক্তি শুনে ফেললেন। তাকে ডেকে বললেন, তুমি কুরআনুল কারীমের সূরা- মায়িদা পড়েছ কি? সে বলল, জি, না। তিনি বললেন, যিনি আমার সঙ্গে ফয়সালা দিয়েছেন তাঁকে চিন? সে বলল, জি, না। উমার (রা) তখন বললেন, যদি সূরা-ই-মায়িদা পড়েছ বলতে তবে তোমাকে আমি আজ শাস্তি দিতাম। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (সূরা- মায়িদায়) ইরশাদ করেছেন “তোমাদের দুজন ন্যায়নিষ্ঠ সত্যবাদী ব্যক্তি ফিদ্‌য়া সম্পর্কে ফয়সালা করে দেবে। উহা কুরবানীর জন্য হবে যা মক্কায় পৌঁছাবে।” আর যিনি আমার সাথে ফয়সালা প্রদানে সহযোগিতা করেছেন ইনি হচ্ছেন আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الملك بن قرير عن محمد بن سيرين أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال إني أجريت أنا وصاحب لي فرسين نستبق إلى ثغرة ثنية فأصبنا ظبيا ونحن محرمان فماذا ترى فقال عمر لرجل إلى جنبه تعال حتى أحكم أنا وأنت قال فحكما عليه بعنز فولى الرجل وهو يقول هذا أمير المؤمنين لا يستطيع أن يحكم في ظبي حتى دعا رجلا يحكم معه فسمع عمر قول الرجل فدعاه فسأله هل تقرأ سورة المائدة قال لا قال فهل تعرف هذا الرجل الذي حكم معي فقال لا فقال لو أخبرتني أنك تقرأ سورة المائدة لأوجعتك ضربا ثم قال إن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة } وهذا عبد الرحمن بن عوف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় পঙ্গপাল হত্যার ফিদ্‌য়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩০

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال يا أمير المؤمنين إني أصبت جرادات بسوطي وأنا محرم فقال له عمر أطعم قبضة من طعام.

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমীরুল মু’মিনীন! আমি ইহরাম অবস্থায় লাঠি দ্বারা কয়েকটি পঙ্গপাল মেরে ফেলেছি। উমার (রা) তখন বললেন, মুষ্টি পরিমাণ খাদ্য কাউকেও দিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমীরুল মু’মিনীন! আমি ইহরাম অবস্থায় লাঠি দ্বারা কয়েকটি পঙ্গপাল মেরে ফেলেছি। উমার (রা) তখন বললেন, মুষ্টি পরিমাণ খাদ্য কাউকেও দিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال يا أمير المؤمنين إني أصبت جرادات بسوطي وأنا محرم فقال له عمر أطعم قبضة من طعام.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩১

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فسأله عن جرادات قتلها وهو محرم فقال عمر لكعب تعال حتى نحكم فقال كعب درهم فقال عمر لكعب إنك لتجد الدراهم لتمرة خير من جرادة.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কিছু পঙ্গপাল মেরে ফেলেছিল। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কাছে সে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি কা’ব (রা)-কে ডেকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে মিলে এর একটা ফয়সালা করি। কা’ব (রা) বললেন, এতে এক দিরহাম কাফফারা দিতে হবে। উমার (রা) কা’ব (রা)-কে বললেন, আপনার নিকট অনেক দিরহাম রয়েছে (তাই এই ধরনের বিধান দিতে পেরেছেন), আমার নিকট একটি পঙ্গপাল হতে একটা খেজুর অনেক শ্রেয়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কিছু পঙ্গপাল মেরে ফেলেছিল। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কাছে সে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি কা’ব (রা)-কে ডেকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে মিলে এর একটা ফয়সালা করি। কা’ব (রা) বললেন, এতে এক দিরহাম কাফফারা দিতে হবে। উমার (রা) কা’ব (রা)-কে বললেন, আপনার নিকট অনেক দিরহাম রয়েছে (তাই এই ধরনের বিধান দিতে পেরেছেন), আমার নিকট একটি পঙ্গপাল হতে একটা খেজুর অনেক শ্রেয়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فسأله عن جرادات قتلها وهو محرم فقال عمر لكعب تعال حتى نحكم فقال كعب درهم فقال عمر لكعب إنك لتجد الدراهم لتمرة خير من جرادة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কুরবানী করার পূর্বে মাথার চুল কামিয়ে ফেললে উহার ফিদ্‌য়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩৩

حدثني عن مالك عن حميد بن قيس عن مجاهد أبي الحجاج عن ابن أبي ليلى عن كعب بن عجرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له لعلك آذاك هوامك فقلت نعم يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة.

কা’ব ইবনু ‘উজরা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, মনে হয় উকুন তাকে খুবই কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম হ্যাঁ, ইয়া রসূলুল্লাহ্! তিনি তখন বললেন, চুল কামায়ে ফেল এবং তিনদিন রোযা রাখ বা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাও বা একটি বকরী কুরবানী দিয়ে দিও। (বুখারী ১৮১৪)

কা’ব ইবনু ‘উজরা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বললেন, মনে হয় উকুন তাকে খুবই কষ্ট দিচ্ছে? আমি বললাম হ্যাঁ, ইয়া রসূলুল্লাহ্! তিনি তখন বললেন, চুল কামায়ে ফেল এবং তিনদিন রোযা রাখ বা ছয়জন মিসকীনকে আহার করাও বা একটি বকরী কুরবানী দিয়ে দিও। (বুখারী ১৮১৪)

حدثني عن مالك عن حميد بن قيس عن مجاهد أبي الحجاج عن ابن أبي ليلى عن كعب بن عجرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال له لعلك آذاك هوامك فقلت نعم يا رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم احلق رأسك وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين أو انسك بشاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩২

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن مالك الجزري عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة أنه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم محرما فآذاه القمل في رأسه فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يحلق رأسه وقال صم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين مدين مدين لكل إنسان أو انسك بشاة أي ذلك فعلت أجزأ عنك.

কা’ব ইবনু ‘উজরা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ছিলেন। তাঁর মাথায় উকুন তাঁকে কষ্ট দিচ্ছিল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন তাঁকে মাথার চুল কামায়ে ফেলতে হুকুম করে বললেন, এর পরিবর্তে তিনদিন রোযা বা ছয়জন মিসকীনের প্রত্যেককে দুই মুদ পরিমাণ খাদ্য কিংবা একটি বকরী কুরবানী দিয়ে দাও। উপরিউক্ত তিনটি বিষয়ের যেকোন একটিই তোমার জন্য যথেষ্ট। (বুখারী ১৮১৫, মুসলিম ১২০১)

কা’ব ইবনু ‘উজরা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ছিলেন। তাঁর মাথায় উকুন তাঁকে কষ্ট দিচ্ছিল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন তাঁকে মাথার চুল কামায়ে ফেলতে হুকুম করে বললেন, এর পরিবর্তে তিনদিন রোযা বা ছয়জন মিসকীনের প্রত্যেককে দুই মুদ পরিমাণ খাদ্য কিংবা একটি বকরী কুরবানী দিয়ে দাও। উপরিউক্ত তিনটি বিষয়ের যেকোন একটিই তোমার জন্য যথেষ্ট। (বুখারী ১৮১৫, মুসলিম ১২০১)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الكريم بن مالك الجزري عن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن كعب بن عجرة أنه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم محرما فآذاه القمل في رأسه فأمره رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يحلق رأسه وقال صم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين مدين مدين لكل إنسان أو انسك بشاة أي ذلك فعلت أجزأ عنك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩৪

و حدثني عن مالك عن عطاء بن عبد الله الخراساني أنه قال: حدثني شيخ بسوق البرم بالكوفة عن كعب بن عجرة أنه قال: جاءني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أنفخ تحت قدر لأصحابي وقد امتلأ رأسي ولحيتي قملا فأخذ بجبهتي ثم قال احلق هذا الشعر وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين وقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم علم أنه ليس عندي ما أنسك به. قال مالك في فدية الأذى إن الأمر فيه أن أحدا لا يفتدي حتى يفعل ما يوجب عليه الفدية وإن الكفارة إنما تكون بعد وجوبها على صاحبها وأنه يضع فديته حيث ما شاء النسك أو الصيام أو الصدقة بمكة أو بغيرها من البلاد. ১৫৭৯-قال مالك لا يصلح للمحرم أن ينتف من شعره شيئا ولا يحلقه ولا يقصره حتى يحل إلا أن يصيبه أذى في رأسه فعليه فدية كما أمره الله تعالى ولا يصلح له أن يقلم أظفاره ولا يقتل قملة ولا يطرحها من رأسه إلى الأرض ولا من جلده ولا من ثوبه فإن طرحها المحرم من جلده أو من ثوبه فليطعم حفنة من طعام. قال مالك من نتف شعرا من أنفه أو من إبطه أو اطلى جسده بنورة أو يحلق عن شجة في رأسه لضرورة أو يحلق قفاه لموضع المحاجم وهو محرم ناسيا أو جاهلا إن من فعل شيئا من ذلك فعليه الفدية في ذلك كله ولا ينبغي له أن يحلق موضع المحاجم ومن جهل فحلق رأسه قبل أن يرمي الجمرة افتدى

কা’ব ইবনু ‘উজরা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার কাছে এলেন। আমি চুলায় আগুন ধরিয়ে সঙ্গীদের জন্য রান্ন-বান্নায় ব্যস্ত ছিলাম। আমার মাথা ও দাড়ি উকুনে ভরা ছিল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পেরেশানী অনুভব করে আমার ললাটে হাত রাখলেন এবং বললেন, চুল কেটে ফেল এবং তিনদিন রোযা রাখ বা ছয় জন মিসকীনকে খাদ্য দিয়ে দাও। আর আমার নিকট কুরবানী করার মত কিছু ছিল না, এ কথা তিনি জানতেন। (বুখারী ৪১৯০, মুসলিম ১২০১, ইমাম মালিক (র)-এর সনদে মুবহাম রয়েছে) মালিক (র) বলেন, অপরাধ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কিছু ফিদ্‌য়া দিবে না। কারণ অপরাধ করার পরই শুধু কাফ্‌ফারা ওয়াজিব হয়ে থাকে। কাফ্‌ফারার বেলায় কুরবানী বা রোযা বা মিসকীনকে খাদ্য প্রদান, এই তিনটির যেকোন একটি এবং মক্কা বা মক্কার বাহিরে যেকোন শহরে উহা আদায় করার ইখতিয়ার রয়েছে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম না খোলা পর্যন্ত মুহরিমের জন্য চুল উপড়ান বা কামানো বা ছাঁটা কিছুই জায়েয নয়। চুলে উকুন ইত্যাদি হয়ে গেলে তা জায়েয। কিন্তু উহার পরিবর্তে আল্লাহর নির্দেশমত ফিদ্‌য়া দিতে হবে। মুহরিমের জন্য নখ কাটা, উকুন মারা বা মাথার চুল হতে উকুন বের করে মাটিতে ফেলে দেওয়া বা শরীর ও কাপড়ের উকুন বের করা জায়েয নয়। এইরূপ করলে এক মুষ্টি খাদ্য খয়রাত করবে। মালিক (র) বলেন, যদি ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নাকের চুল বা বগলতলা বা নাভীর নিচের লোম চিমটি দ্বারা উপড়ায় অথবা মাথায় যখম হওয়ার দরুন প্রয়োজনের খাতিরে চুল কামায় বা শিঙ্গা লাগাবার উদ্দেশ্যে গর্দানের চুল কাটে, এসব জেনে করুক বা ভুলবশত করুক, সকল অবস্থায়ই তার জন্য ফিদ্‌য়া দেওয়া ওয়াজিব। শিঙ্গা লাগানো স্থানের চুল কামানো মুহরিমের জন্য জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, অজ্ঞতার দরুন যদি কেউ কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বেই মাথার চুল কামায়ে ফেলে তবে তাকে ফিদ্‌য়া দিতে হবে।

কা’ব ইবনু ‘উজরা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার কাছে এলেন। আমি চুলায় আগুন ধরিয়ে সঙ্গীদের জন্য রান্ন-বান্নায় ব্যস্ত ছিলাম। আমার মাথা ও দাড়ি উকুনে ভরা ছিল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার পেরেশানী অনুভব করে আমার ললাটে হাত রাখলেন এবং বললেন, চুল কেটে ফেল এবং তিনদিন রোযা রাখ বা ছয় জন মিসকীনকে খাদ্য দিয়ে দাও। আর আমার নিকট কুরবানী করার মত কিছু ছিল না, এ কথা তিনি জানতেন। (বুখারী ৪১৯০, মুসলিম ১২০১, ইমাম মালিক (র)-এর সনদে মুবহাম রয়েছে) মালিক (র) বলেন, অপরাধ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কিছু ফিদ্‌য়া দিবে না। কারণ অপরাধ করার পরই শুধু কাফ্‌ফারা ওয়াজিব হয়ে থাকে। কাফ্‌ফারার বেলায় কুরবানী বা রোযা বা মিসকীনকে খাদ্য প্রদান, এই তিনটির যেকোন একটি এবং মক্কা বা মক্কার বাহিরে যেকোন শহরে উহা আদায় করার ইখতিয়ার রয়েছে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম না খোলা পর্যন্ত মুহরিমের জন্য চুল উপড়ান বা কামানো বা ছাঁটা কিছুই জায়েয নয়। চুলে উকুন ইত্যাদি হয়ে গেলে তা জায়েয। কিন্তু উহার পরিবর্তে আল্লাহর নির্দেশমত ফিদ্‌য়া দিতে হবে। মুহরিমের জন্য নখ কাটা, উকুন মারা বা মাথার চুল হতে উকুন বের করে মাটিতে ফেলে দেওয়া বা শরীর ও কাপড়ের উকুন বের করা জায়েয নয়। এইরূপ করলে এক মুষ্টি খাদ্য খয়রাত করবে। মালিক (র) বলেন, যদি ইহরাম অবস্থায় কোন ব্যক্তি নাকের চুল বা বগলতলা বা নাভীর নিচের লোম চিমটি দ্বারা উপড়ায় অথবা মাথায় যখম হওয়ার দরুন প্রয়োজনের খাতিরে চুল কামায় বা শিঙ্গা লাগাবার উদ্দেশ্যে গর্দানের চুল কাটে, এসব জেনে করুক বা ভুলবশত করুক, সকল অবস্থায়ই তার জন্য ফিদ্‌য়া দেওয়া ওয়াজিব। শিঙ্গা লাগানো স্থানের চুল কামানো মুহরিমের জন্য জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, অজ্ঞতার দরুন যদি কেউ কঙ্কর নিক্ষেপের পূর্বেই মাথার চুল কামায়ে ফেলে তবে তাকে ফিদ্‌য়া দিতে হবে।

و حدثني عن مالك عن عطاء بن عبد الله الخراساني أنه قال: حدثني شيخ بسوق البرم بالكوفة عن كعب بن عجرة أنه قال: جاءني رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا أنفخ تحت قدر لأصحابي وقد امتلأ رأسي ولحيتي قملا فأخذ بجبهتي ثم قال احلق هذا الشعر وصم ثلاثة أيام أو أطعم ستة مساكين وقد كان رسول الله صلى الله عليه وسلم علم أنه ليس عندي ما أنسك به. قال مالك في فدية الأذى إن الأمر فيه أن أحدا لا يفتدي حتى يفعل ما يوجب عليه الفدية وإن الكفارة إنما تكون بعد وجوبها على صاحبها وأنه يضع فديته حيث ما شاء النسك أو الصيام أو الصدقة بمكة أو بغيرها من البلاد. ১৫৭৯-قال مالك لا يصلح للمحرم أن ينتف من شعره شيئا ولا يحلقه ولا يقصره حتى يحل إلا أن يصيبه أذى في رأسه فعليه فدية كما أمره الله تعالى ولا يصلح له أن يقلم أظفاره ولا يقتل قملة ولا يطرحها من رأسه إلى الأرض ولا من جلده ولا من ثوبه فإن طرحها المحرم من جلده أو من ثوبه فليطعم حفنة من طعام. قال مالك من نتف شعرا من أنفه أو من إبطه أو اطلى جسده بنورة أو يحلق عن شجة في رأسه لضرورة أو يحلق قفاه لموضع المحاجم وهو محرم ناسيا أو جاهلا إن من فعل شيئا من ذلك فعليه الفدية في ذلك كله ولا ينبغي له أن يحلق موضع المحاجم ومن جهل فحلق رأسه قبل أن يرمي الجمرة افتدى


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00