মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋতুমতী স্ত্রীলোকের মক্কায় প্রবেশ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৮

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع فأهللنا بعمرة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان معه هدي فليهلل بالحج مع العمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما جميعا قالت فقدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال انقضي رأسك وامتشطي وأهلي بالحج ودعي العمرة قالت ففعلت فلما قضينا الحج أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم مع عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق إلى التنعيم فاعتمرت فقال هذا مكان عمرتك فطاف الذين أهلوا بالعمرة بالبيت وبين الصفا والمروة ثم حلوا منها ثم طافوا طوافا آخر بعد أن رجعوا من منى لحجهم وأما الذين كانوا أهلوا بالحج أو جمعوا الحج والعمرة فإنما طافوا طوافا واحدا.

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হজ্জের সময় আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যাত্রা করি আমরা উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুরবানীর পশু যার আছে সে যেন হজ্জ ও উমরা উভয়টিরই ইহরাম বেঁধে নেয় এবং কাজ সমাধা না করা পর্যন্ত যেন ইহরাম না খোলে। আয়েশা (রা) বলেন, মক্কায় যখন প্রবেশ করি তখন আমি ঋতুমতী হয়ে পড়ি। ফলে আমি তাওয়াফ এবং সা’য়ী করতে পারলাম না। এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আরয করলে তিনি বললেন, বিনুনি খুলে আঁচড়িয়ে নাও আর উমরা পরিত্যাগ করে হজ্জে ইহরাম বেঁধে নাও। আমি তাই করলাম। আমার হজ্জ আদায়ের পর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রহমান ইবনু আবূ বক্‌র (রা)-এর সাথে আমাকে তান’য়ীম প্রেরণ করেন। তখন সেই স্থান হতে আমি উমরা আদায় করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পূর্বে পরিত্যক্ত উমরার বদল হল তোমার এই উমরা। যারা কেবল উমরার ইহরাম বেঁধেছিল তারা তাওয়াফ ও সা’য়ী করার পর হালাল হয়ে যায় এবং মিনা হতে ফিরে এসে তারা হজ্জের জন্য দ্বিতীয় তাওয়াফ আদায় করবে। আর যারা কেবল হজ্জের বা হজ্জ ও উমরা উভয়ের ইহরাম বেঁধেছিল তারা শুধু একবারই তাওয়াফ আদায় করবে। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) ২২৪و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ بِمِثْلِ ذَلِكَ. উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) আয়েশা (রা) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হজ্জের সময় আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যাত্রা করি আমরা উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুরবানীর পশু যার আছে সে যেন হজ্জ ও উমরা উভয়টিরই ইহরাম বেঁধে নেয় এবং কাজ সমাধা না করা পর্যন্ত যেন ইহরাম না খোলে। আয়েশা (রা) বলেন, মক্কায় যখন প্রবেশ করি তখন আমি ঋতুমতী হয়ে পড়ি। ফলে আমি তাওয়াফ এবং সা’য়ী করতে পারলাম না। এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আরয করলে তিনি বললেন, বিনুনি খুলে আঁচড়িয়ে নাও আর উমরা পরিত্যাগ করে হজ্জে ইহরাম বেঁধে নাও। আমি তাই করলাম। আমার হজ্জ আদায়ের পর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রহমান ইবনু আবূ বক্‌র (রা)-এর সাথে আমাকে তান’য়ীম প্রেরণ করেন। তখন সেই স্থান হতে আমি উমরা আদায় করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পূর্বে পরিত্যক্ত উমরার বদল হল তোমার এই উমরা। যারা কেবল উমরার ইহরাম বেঁধেছিল তারা তাওয়াফ ও সা’য়ী করার পর হালাল হয়ে যায় এবং মিনা হতে ফিরে এসে তারা হজ্জের জন্য দ্বিতীয় তাওয়াফ আদায় করবে। আর যারা কেবল হজ্জের বা হজ্জ ও উমরা উভয়ের ইহরাম বেঁধেছিল তারা শুধু একবারই তাওয়াফ আদায় করবে। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) ২২৪و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ بِمِثْلِ ذَلِكَ. উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) আয়েশা (রা) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع فأهللنا بعمرة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان معه هدي فليهلل بالحج مع العمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما جميعا قالت فقدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال انقضي رأسك وامتشطي وأهلي بالحج ودعي العمرة قالت ففعلت فلما قضينا الحج أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم مع عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق إلى التنعيم فاعتمرت فقال هذا مكان عمرتك فطاف الذين أهلوا بالعمرة بالبيت وبين الصفا والمروة ثم حلوا منها ثم طافوا طوافا آخر بعد أن رجعوا من منى لحجهم وأما الذين كانوا أهلوا بالحج أو جمعوا الحج والعمرة فإنما طافوا طوافا واحدا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৯

حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت قدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال افعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت ولا بين الصفا والمروة حتى تطهري ১৫৫قال مالك في المرأة التي تهل بالعمرة ثم تدخل مكة موافية للحج وهي حائض لا تستطيع الطواف بالبيت إنها إذا خشيت الفوات أهلت بالحج وأهدت وكانت مثل من قرن الحج والعمرة وأجزأ عنها طواف واحد১৫৫১-والمرأة الحائض إذا كانت قد طافت بالبيت وصلت فإنها تسعى بين الصفا والمروة وتقف بعرفة والمزدلفة وترمي الجمار غير أنها لا تفيض حتى تطهر من حيضتها

আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

ঋতুমতী অবস্থায় আমি মক্কায় এসেছিলাম। ফলে আমি তাওয়াফ ও সা’য়ী করিনি। এই কথা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলে তিনি বলেছেন, একজন হাজী যে সমস্ত কাজ করে তুমি তাই করে যাও। তবে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ ও সা’য়ী স্থগিত রাখ। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন মহিলা মক্কায় এলে আর হজ্জের সময় তার ঋতুস্রাব আরম্ভ হওয়ার দরুন সে যদি তাওয়াফ করতে না পারে, পাক হতে হতে হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার আশষ্কা হলে, সে হজ্জের ইহরাম বেঁধে নিবে এবং একটা কুরবানী করবে। কিরান হজ্জকারীর মত তাকেও একবার তাওয়াফ করলেই হবে। তাওয়াফ করে দুই রাক’আত তাওয়াফের নামায আদায় করার পর যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে হজ্জের অন্যান্য আহকাম, যথা সা’য়ী, আরাফাতে মুযদালিফায় অবস্থান এবং প্রস্তর নিক্ষেপ এই অবস্থায়ই চালিয়ে যেতে পারবে। তবে হায়য হতে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত করতে পারবে না।

আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

ঋতুমতী অবস্থায় আমি মক্কায় এসেছিলাম। ফলে আমি তাওয়াফ ও সা’য়ী করিনি। এই কথা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলে তিনি বলেছেন, একজন হাজী যে সমস্ত কাজ করে তুমি তাই করে যাও। তবে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ ও সা’য়ী স্থগিত রাখ। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন মহিলা মক্কায় এলে আর হজ্জের সময় তার ঋতুস্রাব আরম্ভ হওয়ার দরুন সে যদি তাওয়াফ করতে না পারে, পাক হতে হতে হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার আশষ্কা হলে, সে হজ্জের ইহরাম বেঁধে নিবে এবং একটা কুরবানী করবে। কিরান হজ্জকারীর মত তাকেও একবার তাওয়াফ করলেই হবে। তাওয়াফ করে দুই রাক’আত তাওয়াফের নামায আদায় করার পর যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে হজ্জের অন্যান্য আহকাম, যথা সা’য়ী, আরাফাতে মুযদালিফায় অবস্থান এবং প্রস্তর নিক্ষেপ এই অবস্থায়ই চালিয়ে যেতে পারবে। তবে হায়য হতে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত করতে পারবে না।

حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت قدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال افعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت ولا بين الصفا والمروة حتى تطهري ১৫৫قال مالك في المرأة التي تهل بالعمرة ثم تدخل مكة موافية للحج وهي حائض لا تستطيع الطواف بالبيت إنها إذا خشيت الفوات أهلت بالحج وأهدت وكانت مثل من قرن الحج والعمرة وأجزأ عنها طواف واحد১৫৫১-والمرأة الحائض إذا كانت قد طافت بالبيت وصلت فإنها تسعى بين الصفا والمروة وتقف بعرفة والمزدلفة وترمي الجمار غير أنها لا تفيض حتى تطهر من حيضتها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋতুমতী মহিলার তাওয়াফে যিয়ারত (ইফাযা)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২০

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن صفية بنت حيي حاضت فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال أحابستنا هي فقيل إنها قد أفاضت فقال فلا إذا.

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

(হজ্জের সময়) সফিয়্যা বিন্‌ত হুয়াই (রা)-এর ঋতুস্রাব আরম্ভ হয়। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এটা ব্যক্ত করলে তিনি বললেন, সফিয়্যা যেন আমাদেরকে এখানেই আটকিয়ে রাখবে। তখন তাঁকে বলা হল, ইনি তাওয়াফে যিয়ারত (ইফাযা) আদায় করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। [১] (সহীহ, বুখারী ১৭৫৭)

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

(হজ্জের সময়) সফিয়্যা বিন্‌ত হুয়াই (রা)-এর ঋতুস্রাব আরম্ভ হয়। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এটা ব্যক্ত করলে তিনি বললেন, সফিয়্যা যেন আমাদেরকে এখানেই আটকিয়ে রাখবে। তখন তাঁকে বলা হল, ইনি তাওয়াফে যিয়ারত (ইফাযা) আদায় করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। [১] (সহীহ, বুখারী ১৭৫৭)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن صفية بنت حيي حاضت فذكرت ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال أحابستنا هي فقيل إنها قد أفاضت فقال فلا إذا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২২

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن عمرة بنت عبد الرحمن أن عائشة أم المؤمنين كانت إذا حجت ومعها نساء تخاف أن يحضن قدمتهن يوم النحر فأفضن فإن حضن بعد ذلك لم تنتظرهن فتنفر بهن وهن حيض إذا كن قد أفضن.

আমরাহ্ বিন্‌ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) অন্য মহিলাদেরকে নিয়ে হজ্জ করতেন এবং যদি তাঁদের কারো ঋতুস্রাবের আশষ্কা দেখা দিত তবে দশ তারিখেই তাঁকে তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করে আসার জন্য পাঠিয়ে দিতেন। তাওয়াফে যিয়ারত করে নেওয়ার পর কারো ঋতুস্রাব হলে তার পাক হওয়ার আর অপেক্ষা করতেন না, গন্তব্যস্থলে রওয়ানা হয়ে পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আমরাহ্ বিন্‌ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) অন্য মহিলাদেরকে নিয়ে হজ্জ করতেন এবং যদি তাঁদের কারো ঋতুস্রাবের আশষ্কা দেখা দিত তবে দশ তারিখেই তাঁকে তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করে আসার জন্য পাঠিয়ে দিতেন। তাওয়াফে যিয়ারত করে নেওয়ার পর কারো ঋতুস্রাব হলে তার পাক হওয়ার আর অপেক্ষা করতেন না, গন্তব্যস্থলে রওয়ানা হয়ে পড়তেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن عمرة بنت عبد الرحمن أن عائشة أم المؤمنين كانت إذا حجت ومعها نساء تخاف أن يحضن قدمتهن يوم النحر فأفضن فإن حضن بعد ذلك لم تنتظرهن فتنفر بهن وهن حيض إذا كن قد أفضن.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২১

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن صفية بنت حيي قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها تحبسنا ألم تكن طافت معكن بالبيت قلن بلى قال فاخرجن.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সফিয়্যারতো ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। তিনি বললেন, মনে হয় সে আমাদের আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সাথে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেনি? মহিলাগণ বললেন, হ্যাঁ, করেছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর কি, তা হলে এখন চল। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১)

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! সফিয়্যারতো ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। তিনি বললেন, মনে হয় সে আমাদের আটকিয়ে রাখবে। সে কি তোমাদের সাথে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেনি? মহিলাগণ বললেন, হ্যাঁ, করেছিলেন। তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর কি, তা হলে এখন চল। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إن صفية بنت حيي قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها تحبسنا ألم تكن طافت معكن بالبيت قلن بلى قال فاخرجن.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৩

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر صفية بنت حيي فقيل له قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها حابستنا فقالوا يا رسول الله إنها قد طافت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا إذا ১৫৫৭-قال مالك قال هشام قال عروة قالت عائشة ونحن نذكر ذلك فلم يقدم الناس نساءهم إن كان ذلك لا ينفعهن ولو كان الذي يقولون لأصبح بمنى أكثر من ستة آلاف امرأة حائض كلهن قد أفاضت.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মুল মু’মিনীন সফিয়্যা (রা)-এর কথা জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বললেন, তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন হয়তো সে আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। অন্যরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তিনি তাওয়াফ করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেন, আমরা উপরিউক্ত বিষয় আলোচনা করেছিলাম। তখন আয়েশা (রা) বলেন, মহিলাগণকে যদি পূর্বে তাওয়াফের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া উপকারী না হয়, তবে মানুষ কেন পাঠায়? মানুষের এই ধারণা যদি ঠিক হত, তবে ছয় হাজারেরও অধিক মহিলাকে ঋতুমতী অবস্থায় বিদায়ী তাওয়াফের অপেক্ষায় মিনায় পড়ে থাকতে হত।

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মুল মু’মিনীন সফিয়্যা (রা)-এর কথা জিজ্ঞেস করলে তাঁরা বললেন, তাঁর ঋতুস্রাব শুরু হয়েছে। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন হয়তো সে আমাদেরকে আটকিয়ে রাখবে। অন্যরা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! তিনি তাওয়াফ করে নিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তবে আর আটকাবে না। হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেন, আমরা উপরিউক্ত বিষয় আলোচনা করেছিলাম। তখন আয়েশা (রা) বলেন, মহিলাগণকে যদি পূর্বে তাওয়াফের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া উপকারী না হয়, তবে মানুষ কেন পাঠায়? মানুষের এই ধারণা যদি ঠিক হত, তবে ছয় হাজারেরও অধিক মহিলাকে ঋতুমতী অবস্থায় বিদায়ী তাওয়াফের অপেক্ষায় মিনায় পড়ে থাকতে হত।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر صفية بنت حيي فقيل له قد حاضت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلها حابستنا فقالوا يا رسول الله إنها قد طافت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا إذا ১৫৫৭-قال مالك قال هشام قال عروة قالت عائشة ونحن نذكر ذلك فلم يقدم الناس نساءهم إن كان ذلك لا ينفعهن ولو كان الذي يقولون لأصبح بمنى أكثر من ستة آلاف امرأة حائض كلهن قد أفاضت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৪

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه أن أبا سلمة بن عبد الرحمن أخبره أن أم سليم بنت ملحان استفتت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد حاضت أو ولدت بعدما أفاضت يوم النحر فأذن لها رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرجت ১৫৫৯-قال مالك والمرأة تحيض بمنى تقيم حتى تطوف بالبيت لا بد لها من ذلك وإن كانت قد أفاضت فحاضت بعد الإفاضة فلتنصرف إلى بلدها فإنه قد بلغنا في ذلك رخصة من رسول الله صلى الله عليه وسلم للحائض قال وإن حاضت المرأة بمنى قبل أن تفيض فإن كريها يحبس عليها أكثر مما يحبس النساء الدم.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান (র) খবর দিয়েছেন উম্মে সুলায়ম বিন্‌ত মিলহান (রা)-এর তাওয়াফে যিয়ারতে ঋতুস্রাব শুরু হলে অথবা তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে চলে যেতে অনুমতি দিলেন। পরে তিনি চলে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মিনায় অবস্থানকালে কারো ঋতুস্রাব শুরু হলে তাওয়াফে যিয়ারত না করা পর্যন্ত সে অপেক্ষা করবে। তাওয়াফে যিয়ারত করার পর যদি কারো ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে তার দেশে ফিরে যেতে পারে। কারণ এমন ঋতুমতী মহিলা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর তরফ হতে অনুমতি প্রদানের রেওয়ায়ত আমাদের নিকট পৌঁছেছে। তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বেই যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় এবং তা বন্ধ না হয় তবে ঋতুস্রাবের জন্য নির্ধারিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্ত সে অবস্থান করবে।

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান (র) খবর দিয়েছেন উম্মে সুলায়ম বিন্‌ত মিলহান (রা)-এর তাওয়াফে যিয়ারতে ঋতুস্রাব শুরু হলে অথবা তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে চলে যেতে অনুমতি দিলেন। পরে তিনি চলে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মিনায় অবস্থানকালে কারো ঋতুস্রাব শুরু হলে তাওয়াফে যিয়ারত না করা পর্যন্ত সে অপেক্ষা করবে। তাওয়াফে যিয়ারত করার পর যদি কারো ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে তার দেশে ফিরে যেতে পারে। কারণ এমন ঋতুমতী মহিলা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর তরফ হতে অনুমতি প্রদানের রেওয়ায়ত আমাদের নিকট পৌঁছেছে। তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বেই যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় এবং তা বন্ধ না হয় তবে ঋতুস্রাবের জন্য নির্ধারিত পূর্ণ মেয়াদ পর্যন্ত সে অবস্থান করবে।

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه أن أبا سلمة بن عبد الرحمن أخبره أن أم سليم بنت ملحان استفتت رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد حاضت أو ولدت بعدما أفاضت يوم النحر فأذن لها رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرجت ১৫৫৯-قال مالك والمرأة تحيض بمنى تقيم حتى تطوف بالبيت لا بد لها من ذلك وإن كانت قد أفاضت فحاضت بعد الإفاضة فلتنصرف إلى بلدها فإنه قد بلغنا في ذلك رخصة من رسول الله صلى الله عليه وسلم للحائض قال وإن حاضت المرأة بمنى قبل أن تفيض فإن كريها يحبس عليها أكثر مما يحبس النساء الدم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বন্য পশু-পাখি হত্যার ফিদ্‌য়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৫

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير أن عمر بن الخطاب قضى في الضبع بكبش وفي الغزال بعنز وفي الأرنب بعناق وفي اليربوع بجفرة.

আবূয্ যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হায়েনার বেলায় একটি মেষ, হরিণের বেলায় একটি ছাগল এবং খরগোশ হত্যার বেলায় এক বৎসর বয়সের ছাগলছানা, বন্য ইঁদুর হত্যার বেলায় চার মাস বয়সের ছাগলছানা প্রদানের বিধান দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূয্ যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হায়েনার বেলায় একটি মেষ, হরিণের বেলায় একটি ছাগল এবং খরগোশ হত্যার বেলায় এক বৎসর বয়সের ছাগলছানা, বন্য ইঁদুর হত্যার বেলায় চার মাস বয়সের ছাগলছানা প্রদানের বিধান দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير أن عمر بن الخطاب قضى في الضبع بكبش وفي الغزال بعنز وفي الأرنب بعناق وفي اليربوع بجفرة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৮

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول في حمام مكة إذا قتل شاة و قال مالك في الرجل من أهل مكة يحرم بالحج أو العمرة وفي بيته فراخ من حمام مكة فيغلق عليها فتموت فقال أرى بأن يفدي ذلك عن كل فرخ بشاة.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার কোন কবুতর শিকার করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মক্কার আধিবাসী কোন ব্যক্তি যদি হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধে আর তার ঘরে যদি মক্কার কবুতরের বাচ্চা থাকে আর ঐ ব্যক্তি কবুতরের বাসার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে যদি ঐ ছানা মারা যায়, তবে প্রতিটি ছানার পরিবর্তে এক একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার কোন কবুতর শিকার করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মক্কার আধিবাসী কোন ব্যক্তি যদি হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধে আর তার ঘরে যদি মক্কার কবুতরের বাচ্চা থাকে আর ঐ ব্যক্তি কবুতরের বাসার মুখ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে যদি ঐ ছানা মারা যায়, তবে প্রতিটি ছানার পরিবর্তে এক একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول في حمام مكة إذا قتل شاة و قال مالك في الرجل من أهل مكة يحرم بالحج أو العمرة وفي بيته فراخ من حمام مكة فيغلق عليها فتموت فقال أرى بأن يفدي ذلك عن كل فرخ بشاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৭

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يقول في البقرة من الوحش بقرة وفي الشاة من الظباء شاة.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

একটি বন্য গাভী হত্যা করলে একটি গরু এবং হরিণ হত্যা করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

একটি বন্য গাভী হত্যা করলে একটি গরু এবং হরিণ হত্যা করলে একটি বকরী ফিদ্‌য়া দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان يقول في البقرة من الوحش بقرة وفي الشاة من الظباء شاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৯

قال مالك لم أزل أسمع أن في النعامة إذا قتلها المحرم بدنة ১৫৬৮-قال مالك أرى أن في بيضة النعامة عشر ثمن البدنة كما يكون في جنين الحرة غرة عبد أو وليدة وقيمة الغرة خمسون دينارا وذلك عشر دية أمه وكل شيء من النسور أو العقبان أو البزاة أو الرخم فإنه صيد يودى كما يودى الصيد إذا قتله المحرم وكل شيء فدي ففي صغاره مثل ما يكون في كباره وإنما مثل ذلك مثل دية الحر الصغير والكبير فهما بمنزلة واحدة سواء.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইহরামরত ব্যক্তি যদি একটি উটপাখি মেরে ফেলে, তবে তার বদলে একটি উট ফিদ্‌য়া দিতে হবে। এটাই আমি হামেশা শুনে এসেছি। মালিক (র) বলেন, উটপাখির ডিম নষ্ট করলে প্রতিটি ডিমের পরিবর্তে একটি উটের মূল্যের এক-দশমাংস হিসেবে ফিদ্‌য়া দিতে হবে। যেমন, আযাদ কোন মহিলার গর্ভস্থ সন্তান যদি কেউ মেরে ফেলে তবে এর কাফ্ফারায় (মালিক র. বলেছেন) একটি দাসী বা দাস আযাদ করতে হয়। মালিক (র) বলেন, পঞ্চাশ দীনার হচ্ছে একটি মানুষের পূর্ণাঙ্গ দিয়্যতের (রক্তপণ) এক-দশমাংশ। মালিক (র) বলেন, শকুন, বাজ, ঈগল, রখম (এক প্রকার শকুন জাতীয় প্রাণী) শিকার বলে গণ্য। মুহরিম ব্যক্তি এগুলো হত্যা করলেও বদলা আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, প্রাণী ছোট হোক বা বড় হোক যার যে ফিদ্‌য়ার বিধান করা হয়েছে তাই আদায় করতে হবে। দিয়্যতের মধ্যে যেমন বড়- ছোটর তারতম্য হয় না, এইখানেও কোন তারতম্য করা হবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইহরামরত ব্যক্তি যদি একটি উটপাখি মেরে ফেলে, তবে তার বদলে একটি উট ফিদ্‌য়া দিতে হবে। এটাই আমি হামেশা শুনে এসেছি। মালিক (র) বলেন, উটপাখির ডিম নষ্ট করলে প্রতিটি ডিমের পরিবর্তে একটি উটের মূল্যের এক-দশমাংস হিসেবে ফিদ্‌য়া দিতে হবে। যেমন, আযাদ কোন মহিলার গর্ভস্থ সন্তান যদি কেউ মেরে ফেলে তবে এর কাফ্ফারায় (মালিক র. বলেছেন) একটি দাসী বা দাস আযাদ করতে হয়। মালিক (র) বলেন, পঞ্চাশ দীনার হচ্ছে একটি মানুষের পূর্ণাঙ্গ দিয়্যতের (রক্তপণ) এক-দশমাংশ। মালিক (র) বলেন, শকুন, বাজ, ঈগল, রখম (এক প্রকার শকুন জাতীয় প্রাণী) শিকার বলে গণ্য। মুহরিম ব্যক্তি এগুলো হত্যা করলেও বদলা আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, প্রাণী ছোট হোক বা বড় হোক যার যে ফিদ্‌য়ার বিধান করা হয়েছে তাই আদায় করতে হবে। দিয়্যতের মধ্যে যেমন বড়- ছোটর তারতম্য হয় না, এইখানেও কোন তারতম্য করা হবে না।

قال مالك لم أزل أسمع أن في النعامة إذا قتلها المحرم بدنة ১৫৬৮-قال مالك أرى أن في بيضة النعامة عشر ثمن البدنة كما يكون في جنين الحرة غرة عبد أو وليدة وقيمة الغرة خمسون دينارا وذلك عشر دية أمه وكل شيء من النسور أو العقبان أو البزاة أو الرخم فإنه صيد يودى كما يودى الصيد إذا قتله المحرم وكل شيء فدي ففي صغاره مثل ما يكون في كباره وإنما مثل ذلك مثل دية الحر الصغير والكبير فهما بمنزلة واحدة سواء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯২৬

و حدثني عن مالك عن عبد الملك بن قرير عن محمد بن سيرين أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال إني أجريت أنا وصاحب لي فرسين نستبق إلى ثغرة ثنية فأصبنا ظبيا ونحن محرمان فماذا ترى فقال عمر لرجل إلى جنبه تعال حتى أحكم أنا وأنت قال فحكما عليه بعنز فولى الرجل وهو يقول هذا أمير المؤمنين لا يستطيع أن يحكم في ظبي حتى دعا رجلا يحكم معه فسمع عمر قول الرجل فدعاه فسأله هل تقرأ سورة المائدة قال لا قال فهل تعرف هذا الرجل الذي حكم معي فقال لا فقال لو أخبرتني أنك تقرأ سورة المائدة لأوجعتك ضربا ثم قال إن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة } وهذا عبد الرحمن بن عوف.

মুহাম্মদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার সঙ্গী একটি গিরিপথে আমাদের ঘোড়া দৌড়িয়ে ইহরাম অবস্থায় একটি হরিণ শিকার করে ফেলেছি। উমার (রা) তখন পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যক্তিকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে এর একটি ফয়সালা করে দেই। শেষে তাঁরা দু’জনে ঐ ব্যক্তির উপর একটা বকরী ফিদ্‌য়া প্রদানের বিধান দেন। ঐ ব্যক্তি ফিরে যেতে যেতে বলতেছিল ইনি আমিরুল মু’মিনীন যিনি অন্যের সহযোগিতা ভিন্ন একটি হরিণের ফয়সালা দিতে পারলেন না। উমার (রা) তার উক্তি শুনে ফেললেন। তাকে ডেকে বললেন, তুমি কুরআনুল কারীমের সূরা- মায়িদা পড়েছ কি? সে বলল, জি, না। তিনি বললেন, যিনি আমার সঙ্গে ফয়সালা দিয়েছেন তাঁকে চিন? সে বলল, জি, না। উমার (রা) তখন বললেন, যদি সূরা-ই-মায়িদা পড়েছ বলতে তবে তোমাকে আমি আজ শাস্তি দিতাম। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (সূরা- মায়িদায়) ইরশাদ করেছেন “তোমাদের দুজন ন্যায়নিষ্ঠ সত্যবাদী ব্যক্তি ফিদ্‌য়া সম্পর্কে ফয়সালা করে দেবে। উহা কুরবানীর জন্য হবে যা মক্কায় পৌঁছাবে।” আর যিনি আমার সাথে ফয়সালা প্রদানে সহযোগিতা করেছেন ইনি হচ্ছেন আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুহাম্মদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার সঙ্গী একটি গিরিপথে আমাদের ঘোড়া দৌড়িয়ে ইহরাম অবস্থায় একটি হরিণ শিকার করে ফেলেছি। উমার (রা) তখন পার্শ্বে উপবিষ্ট এক ব্যক্তিকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে এর একটি ফয়সালা করে দেই। শেষে তাঁরা দু’জনে ঐ ব্যক্তির উপর একটা বকরী ফিদ্‌য়া প্রদানের বিধান দেন। ঐ ব্যক্তি ফিরে যেতে যেতে বলতেছিল ইনি আমিরুল মু’মিনীন যিনি অন্যের সহযোগিতা ভিন্ন একটি হরিণের ফয়সালা দিতে পারলেন না। উমার (রা) তার উক্তি শুনে ফেললেন। তাকে ডেকে বললেন, তুমি কুরআনুল কারীমের সূরা- মায়িদা পড়েছ কি? সে বলল, জি, না। তিনি বললেন, যিনি আমার সঙ্গে ফয়সালা দিয়েছেন তাঁকে চিন? সে বলল, জি, না। উমার (রা) তখন বললেন, যদি সূরা-ই-মায়িদা পড়েছ বলতে তবে তোমাকে আমি আজ শাস্তি দিতাম। আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর কিতাবে (সূরা- মায়িদায়) ইরশাদ করেছেন “তোমাদের দুজন ন্যায়নিষ্ঠ সত্যবাদী ব্যক্তি ফিদ্‌য়া সম্পর্কে ফয়সালা করে দেবে। উহা কুরবানীর জন্য হবে যা মক্কায় পৌঁছাবে।” আর যিনি আমার সাথে ফয়সালা প্রদানে সহযোগিতা করেছেন ইনি হচ্ছেন আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الملك بن قرير عن محمد بن سيرين أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال إني أجريت أنا وصاحب لي فرسين نستبق إلى ثغرة ثنية فأصبنا ظبيا ونحن محرمان فماذا ترى فقال عمر لرجل إلى جنبه تعال حتى أحكم أنا وأنت قال فحكما عليه بعنز فولى الرجل وهو يقول هذا أمير المؤمنين لا يستطيع أن يحكم في ظبي حتى دعا رجلا يحكم معه فسمع عمر قول الرجل فدعاه فسأله هل تقرأ سورة المائدة قال لا قال فهل تعرف هذا الرجل الذي حكم معي فقال لا فقال لو أخبرتني أنك تقرأ سورة المائدة لأوجعتك ضربا ثم قال إن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة } وهذا عبد الرحمن بن عوف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় পঙ্গপাল হত্যার ফিদ্‌য়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩০

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال يا أمير المؤمنين إني أصبت جرادات بسوطي وأنا محرم فقال له عمر أطعم قبضة من طعام.

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমীরুল মু’মিনীন! আমি ইহরাম অবস্থায় লাঠি দ্বারা কয়েকটি পঙ্গপাল মেরে ফেলেছি। উমার (রা) তখন বললেন, মুষ্টি পরিমাণ খাদ্য কাউকেও দিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমীরুল মু’মিনীন! আমি ইহরাম অবস্থায় লাঠি দ্বারা কয়েকটি পঙ্গপাল মেরে ফেলেছি। উমার (রা) তখন বললেন, মুষ্টি পরিমাণ খাদ্য কাউকেও দিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فقال يا أمير المؤمنين إني أصبت جرادات بسوطي وأنا محرم فقال له عمر أطعم قبضة من طعام.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯৩১

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فسأله عن جرادات قتلها وهو محرم فقال عمر لكعب تعال حتى نحكم فقال كعب درهم فقال عمر لكعب إنك لتجد الدراهم لتمرة خير من جرادة.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কিছু পঙ্গপাল মেরে ফেলেছিল। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কাছে সে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি কা’ব (রা)-কে ডেকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে মিলে এর একটা ফয়সালা করি। কা’ব (রা) বললেন, এতে এক দিরহাম কাফফারা দিতে হবে। উমার (রা) কা’ব (রা)-কে বললেন, আপনার নিকট অনেক দিরহাম রয়েছে (তাই এই ধরনের বিধান দিতে পেরেছেন), আমার নিকট একটি পঙ্গপাল হতে একটা খেজুর অনেক শ্রেয়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কিছু পঙ্গপাল মেরে ফেলেছিল। উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর কাছে সে এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি কা’ব (রা)-কে ডেকে বললেন, চলুন, আমরা দু’জনে মিলে এর একটা ফয়সালা করি। কা’ব (রা) বললেন, এতে এক দিরহাম কাফফারা দিতে হবে। উমার (রা) কা’ব (রা)-কে বললেন, আপনার নিকট অনেক দিরহাম রয়েছে (তাই এই ধরনের বিধান দিতে পেরেছেন), আমার নিকট একটি পঙ্গপাল হতে একটা খেজুর অনেক শ্রেয়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا جاء إلى عمر بن الخطاب فسأله عن جرادات قتلها وهو محرم فقال عمر لكعب تعال حتى نحكم فقال كعب درهم فقال عمر لكعب إنك لتجد الدراهم لتمرة خير من جرادة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00