মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কঙ্কর নিক্ষেপ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৬

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا حتى يمل القائم.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুস্‌তার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমার (রা) (দু’আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুস্‌তার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমার (রা) (দু’আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا حتى يمل القائم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৮

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكبر عند رمي الجمرة كلما رمى بحصاة و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول الحصى التي يرمى بها الجمار مثل حصى الخذف قال مالك وأكبر من ذلك قليلا أعجب إلي.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكبر عند رمي الجمرة كلما رمى بحصاة و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول الحصى التي يرمى بها الجمار مثل حصى الخذف قال مالك وأكبر من ذلك قليلا أعجب إلي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৭

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا يكبر الله ويسبحه ويحمده ويدعو الله ولا يقف عند جمرة العقبة.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দীর্ঘক্ষণ জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার নিকট দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাকবীর-এ-তাশরীক ও হাম্‌দ পড়তেন এবং দু’আ করতে থাকতেন। জামরা-ই-আকাবা শেষ কঙ্কর নিক্ষেপের কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দীর্ঘক্ষণ জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার নিকট দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাকবীর-এ-তাশরীক ও হাম্‌দ পড়তেন এবং দু’আ করতে থাকতেন। জামরা-ই-আকাবা শেষ কঙ্কর নিক্ষেপের কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا يكبر الله ويسبحه ويحمده ويدعو الله ولا يقف عند جمرة العقبة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৯

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من غربت له الشمس من أوسط أيام التشريق وهو بمنى فلا ينفرن حتى يرمي الجمار من الغد.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কোন কোন আহলে-ইলমের নিকট তিনি শুনেছেন যে, কঙ্কর এত ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করা যায়। মালিক (র) বলেন, আমার মতে উহা হতে কঙ্কর সামান্য বড় হওয়া উচিত। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে ব্যক্তি মিনায় অবস্থান করবে ১৩ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত সে যেন ফিরে না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কোন কোন আহলে-ইলমের নিকট তিনি শুনেছেন যে, কঙ্কর এত ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করা যায়। মালিক (র) বলেন, আমার মতে উহা হতে কঙ্কর সামান্য বড় হওয়া উচিত। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে ব্যক্তি মিনায় অবস্থান করবে ১৩ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত সে যেন ফিরে না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من غربت له الشمس من أوسط أيام التشريق وهو بمنى فلا ينفرن حتى يرمي الجمار من الغد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১০

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن الناس كانوا إذا رموا الجمار مشوا ذاهبين وراجعين وأول من ركب معاوية بن أبي سفيان.

আবদুর রহমান ইব্‌নু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

কঙ্কর নিক্ষেপের জন্য সাধারণত পায়ে হেঁটে লোকজন আসা-যাওয়া করত। সর্বপ্রথম মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা) আরোহী অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুর রহমান ইব্‌নু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

কঙ্কর নিক্ষেপের জন্য সাধারণত পায়ে হেঁটে লোকজন আসা-যাওয়া করত। সর্বপ্রথম মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা) আরোহী অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن الناس كانوا إذا رموا الجمار مشوا ذاهبين وراجعين وأول من ركب معاوية بن أبي سفيان.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১২

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ترمى الجمار في الأيام الثلاثة حتى تزول الشمس.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, তিন দিনের প্রত্যেক দিনই সূর্য হেলে পড়ার পর কঙ্কর নিক্ষেপ করা উচিত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, তিন দিনের প্রত্যেক দিনই সূর্য হেলে পড়ার পর কঙ্কর নিক্ষেপ করা উচিত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ترمى الجمار في الأيام الثلاثة حتى تزول الشمس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১১

و حدثني عن مالك أنه سأل عبد الرحمن بن القاسم من أين كان القاسم يرمي جمرة العقبة فقال من حيث تيسر ১৫৩৪-قال يحيى سئل مالك هل يرمى عن الصبي والمريض فقال نعم ويتحرى المريض حين يرمى عنه فيكبر وهو في منزله ويهريق دما فإن صح المريض في أيام التشريق رمى الذي رمي عنه وأهدى وجوب. ১৫৩৫- قال مالك لا أرى على الذي يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير متوض إعادة ولكن لا يتعمد ذلك اااا

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কোথা হতে জামরা-ই-আকাবার কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন? তিনি বললেন, যে স্থান হতে সুবিধা এবং সহজ হত সেই স্থান হতেই তিনি উক্ত সময় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল অসুস্থ ও শিশুদের তরফ হতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইহা জায়েয। তবে অসুস্থ ব্যক্তির কঙ্কর নিক্ষেপের সময় অনুমান করে স্বীয় স্থানে থেকেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং একটি কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে যদি সুস্থ হয়ে পড়ে তবে নিজে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে এবং একটি কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, ওযূ ব্যতীত কঙ্কর নিক্ষেপ করলে বা সা’য়ী করলে উহা পুনরায় আদায় করতে হবে না বটে কিন্তু জেনে শুনে এইরূপ করা উচিত নয়।

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কোথা হতে জামরা-ই-আকাবার কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন? তিনি বললেন, যে স্থান হতে সুবিধা এবং সহজ হত সেই স্থান হতেই তিনি উক্ত সময় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল অসুস্থ ও শিশুদের তরফ হতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইহা জায়েয। তবে অসুস্থ ব্যক্তির কঙ্কর নিক্ষেপের সময় অনুমান করে স্বীয় স্থানে থেকেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং একটি কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে যদি সুস্থ হয়ে পড়ে তবে নিজে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে এবং একটি কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, ওযূ ব্যতীত কঙ্কর নিক্ষেপ করলে বা সা’য়ী করলে উহা পুনরায় আদায় করতে হবে না বটে কিন্তু জেনে শুনে এইরূপ করা উচিত নয়।

و حدثني عن مالك أنه سأل عبد الرحمن بن القاسم من أين كان القاسم يرمي جمرة العقبة فقال من حيث تيسر ১৫৩৪-قال يحيى سئل مالك هل يرمى عن الصبي والمريض فقال نعم ويتحرى المريض حين يرمى عنه فيكبر وهو في منزله ويهريق دما فإن صح المريض في أيام التشريق رمى الذي رمي عنه وأهدى وجوب. ১৫৩৫- قال مالك لا أرى على الذي يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير متوض إعادة ولكن لا يتعمد ذلك اااا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কঙ্কর নিক্ষেপের ব্যাপারে রুখসত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৩

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه أن أبا البداح بن عاصم بن عدي أخبره عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لرعاء الإبل في البيتوتة خارجين عن منى يرمون يوم النحر ثم يرمون الغد ومن بعد الغد ليومين ثم يرمون يوم النفر.

আবুল বাদ্‌দা বাদ্দাহ ইবনু আসিম ইবনু আদী (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উটের রাখালগণকে মিনা ব্যতীত অন্য স্থানেও রাত্রি যাপন করার অনুমতি প্রদান করেছিলেন। দশ তারিখ এবং উহার পরদিন ও উহার পরবর্তী দিন (১১ ও ১২ তারিখে) সে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। চতুর্থ দিন অর্থাৎ ১৩ তারিখেও যদি সে সেখানে অবস্থান করে তবে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। [১] (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৭৫, তিরমিযী ৯৫৫, নাসাঈ ৩০৭৮, ৩০৬৯, ইবনু মাজাহ ৩০৩৬, ৩০৩৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আল ইরওয়া ১০৮])

আবুল বাদ্‌দা বাদ্দাহ ইবনু আসিম ইবনু আদী (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উটের রাখালগণকে মিনা ব্যতীত অন্য স্থানেও রাত্রি যাপন করার অনুমতি প্রদান করেছিলেন। দশ তারিখ এবং উহার পরদিন ও উহার পরবর্তী দিন (১১ ও ১২ তারিখে) সে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। চতুর্থ দিন অর্থাৎ ১৩ তারিখেও যদি সে সেখানে অবস্থান করে তবে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। [১] (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৭৫, তিরমিযী ৯৫৫, নাসাঈ ৩০৭৮, ৩০৬৯, ইবনু মাজাহ ৩০৩৬, ৩০৩৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আল ইরওয়া ১০৮])

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه أن أبا البداح بن عاصم بن عدي أخبره عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لرعاء الإبل في البيتوتة خارجين عن منى يرمون يوم النحر ثم يرمون الغد ومن بعد الغد ليومين ثم يرمون يوم النفر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عطاء بن أبي رباح أنه سمعه يذكر أنه أرخص للرعاء أن يرموا بالليل يقول في الزمان الأول -قال مالك تفسير الحديث الذي أرخص فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم لرعاء الإبل في تأخير رمي الجمار فيما نرى والله أعلم أنهم يرمون يوم النحر فإذا مضى اليوم الذي يلي يوم النحر رموا من الغد وذلك يوم النفر الأول فيرمون لليوم الذي مضى ثم يرمون ليومهم ذلك لأنه لا يقضي أحد شيئا حتى يجب عليه فإذا وجب عليه ومضى كان القضاء بعد ذلك فإن بدا لهم النفر فقد فرغوا وإن أقاموا إلى الغد رموا مع الناس يوم النفر الآخر ونفروا.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উটের রাখালদেরকে কঙ্কর নিক্ষেপের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আতা ইবনু রাবাহ বলেন, এই অনুমতি প্রথম যুগ হতে প্রচলিত ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবুল বাদদা ইবনু আসিম ইব্‌নু আদী বর্ণিত উপরিউক্ত হাদীসটির মর্মার্থ হল, সে দশ তারিখে রমী করার পর এগার তারিখ অতিবাহিত হয়ে গেলে বার তারিখে এসে এগার এবং বার উভয় তারিখের রমী করবে। কারণ ওয়াজিব হওয়ার পূর্বে কোন বস্তুর কাযা হয় না; যখন তার উপর ওয়াজিব হল এবং সেদিন অতিবাহিত হল তখন সেদিনের রমী কাযা করতে হবে।

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উটের রাখালদেরকে কঙ্কর নিক্ষেপের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আতা ইবনু রাবাহ বলেন, এই অনুমতি প্রথম যুগ হতে প্রচলিত ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবুল বাদদা ইবনু আসিম ইব্‌নু আদী বর্ণিত উপরিউক্ত হাদীসটির মর্মার্থ হল, সে দশ তারিখে রমী করার পর এগার তারিখ অতিবাহিত হয়ে গেলে বার তারিখে এসে এগার এবং বার উভয় তারিখের রমী করবে। কারণ ওয়াজিব হওয়ার পূর্বে কোন বস্তুর কাযা হয় না; যখন তার উপর ওয়াজিব হল এবং সেদিন অতিবাহিত হল তখন সেদিনের রমী কাযা করতে হবে।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عطاء بن أبي رباح أنه سمعه يذكر أنه أرخص للرعاء أن يرموا بالليل يقول في الزمان الأول -قال مالك تفسير الحديث الذي أرخص فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم لرعاء الإبل في تأخير رمي الجمار فيما نرى والله أعلم أنهم يرمون يوم النحر فإذا مضى اليوم الذي يلي يوم النحر رموا من الغد وذلك يوم النفر الأول فيرمون لليوم الذي مضى ثم يرمون ليومهم ذلك لأنه لا يقضي أحد شيئا حتى يجب عليه فإذا وجب عليه ومضى كان القضاء بعد ذلك فإن بدا لهم النفر فقد فرغوا وإن أقاموا إلى الغد رموا مع الناس يوم النفر الآخر ونفروا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৫

و حدثني عن مالك عن أبي بكر بن نافع عن أبيه أن ابنة أخ لصفية بنت أبي عبيد نفست بالمزدلفة فتخلفت هي وصفية حتى أتتا منى بعد أن غربت الشمس من يوم النحر فأمرهما عبد الله بن عمر أن ترميا الجمرة حين أتتا ولم ير عليهما شيئا ১৫৪২-قال يحيى سئل مالك عمن نسي جمرة من الجمار في بعض أيام منى حتى يمسي قال ليرم أي ساعة ذكر من ليل أو نهار كما يصلي الصلاة إذا نسيها ثم ذكرها ليلا أو نهارا فإن كان ذلك بعد ما صدر وهو بمكة أو بعدما يخرج منها فعليه الهدي واجب.

আবূ বক্‌র ইবনু নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

সফিয়া বিন্‌ত আবি উবায়দের ভ্রাতৃকন্যার মুযদালিফায় নিফাস শুরু হয়। শেষে তিনি এবং তাঁর ভ্রাতৃকন্যা সেখানেই থেকে যান। দশ তারিখ যখন তাঁরা মিনায় পৌঁছালেন তখন সূর্য উঠে গিয়েছিল। মিনায় পৌঁছার পর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) উভয়কে কঙ্কর নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। তবে তাঁদের উপর কোন বদলার হুকুম দেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কেউ যদি মিনার দিবসগুলোর কোন তারিখের রমী করতে ভুলে যায় আর এইদিকে সূর্যও অস্তমিত হয়ে যায় তবে সে কি করবে? তিনি বললেন, রাতে বা দিনে যখনই স্বরণ হবে রমী করে নিবে। নামাযের কথা ভুলে গেলে যেমন রাত্রে বা দিনে যখনই স্মরণ হয় তখনই আদায় করে নিতে হয়, এখানেও তাই করবে। তবে মিনা হতে চলে যাওয়ার পর যদি স্মরণ হয় তবে তার উপর কুরবানী দেওয়া ওয়াজিব হবে।

আবূ বক্‌র ইবনু নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

সফিয়া বিন্‌ত আবি উবায়দের ভ্রাতৃকন্যার মুযদালিফায় নিফাস শুরু হয়। শেষে তিনি এবং তাঁর ভ্রাতৃকন্যা সেখানেই থেকে যান। দশ তারিখ যখন তাঁরা মিনায় পৌঁছালেন তখন সূর্য উঠে গিয়েছিল। মিনায় পৌঁছার পর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) উভয়কে কঙ্কর নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। তবে তাঁদের উপর কোন বদলার হুকুম দেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কেউ যদি মিনার দিবসগুলোর কোন তারিখের রমী করতে ভুলে যায় আর এইদিকে সূর্যও অস্তমিত হয়ে যায় তবে সে কি করবে? তিনি বললেন, রাতে বা দিনে যখনই স্বরণ হবে রমী করে নিবে। নামাযের কথা ভুলে গেলে যেমন রাত্রে বা দিনে যখনই স্মরণ হয় তখনই আদায় করে নিতে হয়, এখানেও তাই করবে। তবে মিনা হতে চলে যাওয়ার পর যদি স্মরণ হয় তবে তার উপর কুরবানী দেওয়া ওয়াজিব হবে।

و حدثني عن مالك عن أبي بكر بن نافع عن أبيه أن ابنة أخ لصفية بنت أبي عبيد نفست بالمزدلفة فتخلفت هي وصفية حتى أتتا منى بعد أن غربت الشمس من يوم النحر فأمرهما عبد الله بن عمر أن ترميا الجمرة حين أتتا ولم ير عليهما شيئا ১৫৪২-قال يحيى سئل مالك عمن نسي جمرة من الجمار في بعض أيام منى حتى يمسي قال ليرم أي ساعة ذكر من ليل أو نهار كما يصلي الصلاة إذا نسيها ثم ذكرها ليلا أو نهارا فإن كان ذلك بعد ما صدر وهو بمكة أو بعدما يخرج منها فعليه الهدي واجب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাওয়াফে যিয়ারত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৬

حدثني يحيى عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب خطب الناس بعرفة وعلمهم أمر الحج وقال لهم فيما قال إذا جئتم منى فمن رمى الجمرة فقد حل له ما حرم على الحاج إلا النساء والطيب لا يمس أحد نساء ولا طيبا حتى يطوف بالبيت.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আরাফাতের ময়দানের সমবেত লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। হজ্জের আরকান ও আহকাম সম্পর্কে তাদেরকে শিক্ষা দেন। অন্যান্য কথার মধ্যে তিনি এটাও বলেন যে, মিনা আগমন এবং কঙ্কর নিক্ষেপের পর স্ত্রীসহবাস এবং সুগন্ধি দ্রব্য ব্যতীত তোমাদের জন্য সবকিছুই হালাল হয়ে যাবে। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ (তাওয়াফে যিয়ারত বা ইফাযা) না করা পর্যন্ত তোমাদের কেউ যেন সুগন্ধি দ্রব্য ও স্ত্রী স্পর্শ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আরাফাতের ময়দানের সমবেত লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। হজ্জের আরকান ও আহকাম সম্পর্কে তাদেরকে শিক্ষা দেন। অন্যান্য কথার মধ্যে তিনি এটাও বলেন যে, মিনা আগমন এবং কঙ্কর নিক্ষেপের পর স্ত্রীসহবাস এবং সুগন্ধি দ্রব্য ব্যতীত তোমাদের জন্য সবকিছুই হালাল হয়ে যাবে। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ (তাওয়াফে যিয়ারত বা ইফাযা) না করা পর্যন্ত তোমাদের কেউ যেন সুগন্ধি দ্রব্য ও স্ত্রী স্পর্শ না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب خطب الناس بعرفة وعلمهم أمر الحج وقال لهم فيما قال إذا جئتم منى فمن رمى الجمرة فقد حل له ما حرم على الحاج إلا النساء والطيب لا يمس أحد نساء ولا طيبا حتى يطوف بالبيت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৭

و حدثني عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال من رمى الجمرة ثم حلق أو قصر ونحر هديا إن كان معه فقد حل له ما حرم عليه إلا النساء والطيب حتى يطوف بالبيت.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি কঙ্কর নিক্ষেপ, মাথা কামান বা ছাঁটান এবং কুরবানী ওয়াজিব থাকলে উহা আদায় করেছেন, তার জন্য সুগন্ধি দ্রব্য এবং স্ত্রীসম্ভোগ ব্যতীত আর সকল কিছুই হালাল হয়ে গিয়েছে। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফের পর তার জন্য এ দুটিও হালাল হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি কঙ্কর নিক্ষেপ, মাথা কামান বা ছাঁটান এবং কুরবানী ওয়াজিব থাকলে উহা আদায় করেছেন, তার জন্য সুগন্ধি দ্রব্য এবং স্ত্রীসম্ভোগ ব্যতীত আর সকল কিছুই হালাল হয়ে গিয়েছে। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফের পর তার জন্য এ দুটিও হালাল হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع وعبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال من رمى الجمرة ثم حلق أو قصر ونحر هديا إن كان معه فقد حل له ما حرم عليه إلا النساء والطيب حتى يطوف بالبيت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋতুমতী স্ত্রীলোকের মক্কায় প্রবেশ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৮

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع فأهللنا بعمرة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان معه هدي فليهلل بالحج مع العمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما جميعا قالت فقدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال انقضي رأسك وامتشطي وأهلي بالحج ودعي العمرة قالت ففعلت فلما قضينا الحج أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم مع عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق إلى التنعيم فاعتمرت فقال هذا مكان عمرتك فطاف الذين أهلوا بالعمرة بالبيت وبين الصفا والمروة ثم حلوا منها ثم طافوا طوافا آخر بعد أن رجعوا من منى لحجهم وأما الذين كانوا أهلوا بالحج أو جمعوا الحج والعمرة فإنما طافوا طوافا واحدا.

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হজ্জের সময় আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যাত্রা করি আমরা উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুরবানীর পশু যার আছে সে যেন হজ্জ ও উমরা উভয়টিরই ইহরাম বেঁধে নেয় এবং কাজ সমাধা না করা পর্যন্ত যেন ইহরাম না খোলে। আয়েশা (রা) বলেন, মক্কায় যখন প্রবেশ করি তখন আমি ঋতুমতী হয়ে পড়ি। ফলে আমি তাওয়াফ এবং সা’য়ী করতে পারলাম না। এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আরয করলে তিনি বললেন, বিনুনি খুলে আঁচড়িয়ে নাও আর উমরা পরিত্যাগ করে হজ্জে ইহরাম বেঁধে নাও। আমি তাই করলাম। আমার হজ্জ আদায়ের পর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রহমান ইবনু আবূ বক্‌র (রা)-এর সাথে আমাকে তান’য়ীম প্রেরণ করেন। তখন সেই স্থান হতে আমি উমরা আদায় করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পূর্বে পরিত্যক্ত উমরার বদল হল তোমার এই উমরা। যারা কেবল উমরার ইহরাম বেঁধেছিল তারা তাওয়াফ ও সা’য়ী করার পর হালাল হয়ে যায় এবং মিনা হতে ফিরে এসে তারা হজ্জের জন্য দ্বিতীয় তাওয়াফ আদায় করবে। আর যারা কেবল হজ্জের বা হজ্জ ও উমরা উভয়ের ইহরাম বেঁধেছিল তারা শুধু একবারই তাওয়াফ আদায় করবে। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) ২২৪و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ بِمِثْلِ ذَلِكَ. উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) আয়েশা (রা) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

বিদায় হজ্জের সময় আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যাত্রা করি আমরা উমরার ইহরাম বেঁধেছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, কুরবানীর পশু যার আছে সে যেন হজ্জ ও উমরা উভয়টিরই ইহরাম বেঁধে নেয় এবং কাজ সমাধা না করা পর্যন্ত যেন ইহরাম না খোলে। আয়েশা (রা) বলেন, মক্কায় যখন প্রবেশ করি তখন আমি ঋতুমতী হয়ে পড়ি। ফলে আমি তাওয়াফ এবং সা’য়ী করতে পারলাম না। এ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আরয করলে তিনি বললেন, বিনুনি খুলে আঁচড়িয়ে নাও আর উমরা পরিত্যাগ করে হজ্জে ইহরাম বেঁধে নাও। আমি তাই করলাম। আমার হজ্জ আদায়ের পর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রহমান ইবনু আবূ বক্‌র (রা)-এর সাথে আমাকে তান’য়ীম প্রেরণ করেন। তখন সেই স্থান হতে আমি উমরা আদায় করি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পূর্বে পরিত্যক্ত উমরার বদল হল তোমার এই উমরা। যারা কেবল উমরার ইহরাম বেঁধেছিল তারা তাওয়াফ ও সা’য়ী করার পর হালাল হয়ে যায় এবং মিনা হতে ফিরে এসে তারা হজ্জের জন্য দ্বিতীয় তাওয়াফ আদায় করবে। আর যারা কেবল হজ্জের বা হজ্জ ও উমরা উভয়ের ইহরাম বেঁধেছিল তারা শুধু একবারই তাওয়াফ আদায় করবে। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) ২২৪و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ بِمِثْلِ ذَلِكَ. উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) আয়েশা (রা) হতে অনুরূপ রেওয়ায়ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع فأهللنا بعمرة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان معه هدي فليهلل بالحج مع العمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما جميعا قالت فقدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال انقضي رأسك وامتشطي وأهلي بالحج ودعي العمرة قالت ففعلت فلما قضينا الحج أرسلني رسول الله صلى الله عليه وسلم مع عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق إلى التنعيم فاعتمرت فقال هذا مكان عمرتك فطاف الذين أهلوا بالعمرة بالبيت وبين الصفا والمروة ثم حلوا منها ثم طافوا طوافا آخر بعد أن رجعوا من منى لحجهم وأما الذين كانوا أهلوا بالحج أو جمعوا الحج والعمرة فإنما طافوا طوافا واحدا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৯

حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت قدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال افعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت ولا بين الصفا والمروة حتى تطهري ১৫৫قال مالك في المرأة التي تهل بالعمرة ثم تدخل مكة موافية للحج وهي حائض لا تستطيع الطواف بالبيت إنها إذا خشيت الفوات أهلت بالحج وأهدت وكانت مثل من قرن الحج والعمرة وأجزأ عنها طواف واحد১৫৫১-والمرأة الحائض إذا كانت قد طافت بالبيت وصلت فإنها تسعى بين الصفا والمروة وتقف بعرفة والمزدلفة وترمي الجمار غير أنها لا تفيض حتى تطهر من حيضتها

আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

ঋতুমতী অবস্থায় আমি মক্কায় এসেছিলাম। ফলে আমি তাওয়াফ ও সা’য়ী করিনি। এই কথা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলে তিনি বলেছেন, একজন হাজী যে সমস্ত কাজ করে তুমি তাই করে যাও। তবে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ ও সা’য়ী স্থগিত রাখ। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন মহিলা মক্কায় এলে আর হজ্জের সময় তার ঋতুস্রাব আরম্ভ হওয়ার দরুন সে যদি তাওয়াফ করতে না পারে, পাক হতে হতে হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার আশষ্কা হলে, সে হজ্জের ইহরাম বেঁধে নিবে এবং একটা কুরবানী করবে। কিরান হজ্জকারীর মত তাকেও একবার তাওয়াফ করলেই হবে। তাওয়াফ করে দুই রাক’আত তাওয়াফের নামায আদায় করার পর যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে হজ্জের অন্যান্য আহকাম, যথা সা’য়ী, আরাফাতে মুযদালিফায় অবস্থান এবং প্রস্তর নিক্ষেপ এই অবস্থায়ই চালিয়ে যেতে পারবে। তবে হায়য হতে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত করতে পারবে না।

আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

ঋতুমতী অবস্থায় আমি মক্কায় এসেছিলাম। ফলে আমি তাওয়াফ ও সা’য়ী করিনি। এই কথা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট পেশ করলে তিনি বলেছেন, একজন হাজী যে সমস্ত কাজ করে তুমি তাই করে যাও। তবে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ ও সা’য়ী স্থগিত রাখ। (বুখারী ২৯৪, মুসলিম ১২১১) মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন মহিলা মক্কায় এলে আর হজ্জের সময় তার ঋতুস্রাব আরম্ভ হওয়ার দরুন সে যদি তাওয়াফ করতে না পারে, পাক হতে হতে হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার আশষ্কা হলে, সে হজ্জের ইহরাম বেঁধে নিবে এবং একটা কুরবানী করবে। কিরান হজ্জকারীর মত তাকেও একবার তাওয়াফ করলেই হবে। তাওয়াফ করে দুই রাক’আত তাওয়াফের নামায আদায় করার পর যদি ঋতুস্রাব শুরু হয় তবে সে হজ্জের অন্যান্য আহকাম, যথা সা’য়ী, আরাফাতে মুযদালিফায় অবস্থান এবং প্রস্তর নিক্ষেপ এই অবস্থায়ই চালিয়ে যেতে পারবে। তবে হায়য হতে পাক না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফে যিয়ারত করতে পারবে না।

حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أنها قالت قدمت مكة وأنا حائض فلم أطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة فشكوت ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال افعلي ما يفعل الحاج غير أن لا تطوفي بالبيت ولا بين الصفا والمروة حتى تطهري ১৫৫قال مالك في المرأة التي تهل بالعمرة ثم تدخل مكة موافية للحج وهي حائض لا تستطيع الطواف بالبيت إنها إذا خشيت الفوات أهلت بالحج وأهدت وكانت مثل من قرن الحج والعمرة وأجزأ عنها طواف واحد১৫৫১-والمرأة الحائض إذا كانت قد طافت بالبيت وصلت فإنها تسعى بين الصفا والمروة وتقف بعرفة والمزدلفة وترمي الجمار غير أنها لا تفيض حتى تطهر من حيضتها


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00