মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুআররাস ও মাহাসসাবের নামায
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০২
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي الظهر والعصر والمغرب والعشاء بالمحصب ثم يدخل مكة من الليل فيطوف بالبيت.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যুহর, আসর, মাগরিব এবং ইশার নামায মুহাস্সাব নামক স্থানে আদায় করতেন। অতঃপর রাত্রে মক্কায় গিয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যুহর, আসর, মাগরিব এবং ইশার নামায মুহাস্সাব নামক স্থানে আদায় করতেন। অতঃপর রাত্রে মক্কায় গিয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي الظهر والعصر والمغرب والعشاء بالمحصب ثم يدخل مكة من الليل فيطوف بالبيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০১
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أناخ بالبطحاء التي بذي الحليفة فصلى بها قال نافع وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ১৫২قال مالك لا ينبغي لأحد أن يجاوز المعرس إذا قفل حتى يصلي فيه وإن مر به في غير وقت صلاة فليقم حتى تحل الصلاة ثم صلى ما بدا له لأنه بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عرس به وأن عبد الله بن عمر أناخ به.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলায়ফা ময়দানের প্রস্তরাকীর্ণ স্থানে স্বীয় উট বসিয়ে নামায আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৫৩২, মুসলিম ১২৫৭) নাফি’ (র) বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, হজ্জ সমাধা করে মদীনা ফেরার পথে ‘মাআররাস’ নামক স্থানে প্রত্যেকে যেন নামায আদায় করে। আর নামাযের ওয়াক্ত না হলে ওয়াক্ত হওয়া পর্যন্ত যেন অপেক্ষা করে এবং যত রাক’আত পড়া সহজ তা যেন আদায় করে নেয়। কারণ আমার নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে শেষরাতে অবস্থান করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও সেখানে স্বীয় উট বসাতেন এবং অবস্থান করতেন। [১]
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলায়ফা ময়দানের প্রস্তরাকীর্ণ স্থানে স্বীয় উট বসিয়ে নামায আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৫৩২, মুসলিম ১২৫৭) নাফি’ (র) বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, হজ্জ সমাধা করে মদীনা ফেরার পথে ‘মাআররাস’ নামক স্থানে প্রত্যেকে যেন নামায আদায় করে। আর নামাযের ওয়াক্ত না হলে ওয়াক্ত হওয়া পর্যন্ত যেন অপেক্ষা করে এবং যত রাক’আত পড়া সহজ তা যেন আদায় করে নেয়। কারণ আমার নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে শেষরাতে অবস্থান করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও সেখানে স্বীয় উট বসাতেন এবং অবস্থান করতেন। [১]
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أناخ بالبطحاء التي بذي الحليفة فصلى بها قال نافع وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ১৫২قال مالك لا ينبغي لأحد أن يجاوز المعرس إذا قفل حتى يصلي فيه وإن مر به في غير وقت صلاة فليقم حتى تحل الصلاة ثم صلى ما بدا له لأنه بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عرس به وأن عبد الله بن عمر أناخ به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিনার রাত্রিগুলোতে মক্কায় রাত্রি যাপন করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৩
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أنه قال زعموا أن عمر بن الخطاب كان يبعث رجالا يدخلون الناس من وراء العقبة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
লোকেরা আমার নিকট বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) জামরা-এ-আকাবা বা প্রস্তর নিক্ষেপের স্থানের পশ্চাৎ হতেই লোকদেরকে মিনার দিকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য কিছুসংখ্যক লোক নিযুক্ত করে রাখতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
লোকেরা আমার নিকট বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) জামরা-এ-আকাবা বা প্রস্তর নিক্ষেপের স্থানের পশ্চাৎ হতেই লোকদেরকে মিনার দিকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য কিছুসংখ্যক লোক নিযুক্ত করে রাখতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أنه قال زعموا أن عمر بن الخطاب كان يبعث رجالا يدخلون الناس من وراء العقبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في البيتوتة بمكة ليالي منى لا يبيتن أحد إلا بمنى.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন মিনায় অবস্থানের রাত্রিসমূহে কেউ যেন মিনা ব্যতীত অন্যত্র রাত্রি যাপন না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন মিনায় অবস্থানের রাত্রিসমূহে কেউ যেন মিনা ব্যতীত অন্যত্র রাত্রি যাপন না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في البيتوتة بمكة ليالي منى لا يبيتن أحد إلا بمنى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৪
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يبيتن أحد من الحاج ليالي منى من وراء العقبة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, মিনার রাত্রিসমূহে কেউ যেন জামরা-এ-আকাবার পেছনে অবস্থান না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, মিনার রাত্রিসমূহে কেউ যেন জামরা-এ-আকাবার পেছনে অবস্থান না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يبيتن أحد من الحاج ليالي منى من وراء العقبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কঙ্কর নিক্ষেপ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৬
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا حتى يمل القائم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুস্তার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমার (রা) (দু’আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুস্তার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমার (রা) (দু’আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا حتى يمل القائم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৮
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكبر عند رمي الجمرة كلما رمى بحصاة و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول الحصى التي يرمى بها الجمار مثل حصى الخذف قال مالك وأكبر من ذلك قليلا أعجب إلي.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكبر عند رمي الجمرة كلما رمى بحصاة و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول الحصى التي يرمى بها الجمار مثل حصى الخذف قال مالك وأكبر من ذلك قليلا أعجب إلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا يكبر الله ويسبحه ويحمده ويدعو الله ولا يقف عند جمرة العقبة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দীর্ঘক্ষণ জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার নিকট দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাকবীর-এ-তাশরীক ও হাম্দ পড়তেন এবং দু’আ করতে থাকতেন। জামরা-ই-আকাবা শেষ কঙ্কর নিক্ষেপের কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দীর্ঘক্ষণ জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার নিকট দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাকবীর-এ-তাশরীক ও হাম্দ পড়তেন এবং দু’আ করতে থাকতেন। জামরা-ই-আকাবা শেষ কঙ্কর নিক্ষেপের কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا يكبر الله ويسبحه ويحمده ويدعو الله ولا يقف عند جمرة العقبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من غربت له الشمس من أوسط أيام التشريق وهو بمنى فلا ينفرن حتى يرمي الجمار من الغد.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন কোন আহলে-ইলমের নিকট তিনি শুনেছেন যে, কঙ্কর এত ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করা যায়। মালিক (র) বলেন, আমার মতে উহা হতে কঙ্কর সামান্য বড় হওয়া উচিত। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে ব্যক্তি মিনায় অবস্থান করবে ১৩ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত সে যেন ফিরে না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন কোন আহলে-ইলমের নিকট তিনি শুনেছেন যে, কঙ্কর এত ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করা যায়। মালিক (র) বলেন, আমার মতে উহা হতে কঙ্কর সামান্য বড় হওয়া উচিত। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে ব্যক্তি মিনায় অবস্থান করবে ১৩ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত সে যেন ফিরে না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من غربت له الشمس من أوسط أيام التشريق وهو بمنى فلا ينفرن حتى يرمي الجمار من الغد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১০
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن الناس كانوا إذا رموا الجمار مشوا ذاهبين وراجعين وأول من ركب معاوية بن أبي سفيان.
আবদুর রহমান ইব্নু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কঙ্কর নিক্ষেপের জন্য সাধারণত পায়ে হেঁটে লোকজন আসা-যাওয়া করত। সর্বপ্রথম মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা) আরোহী অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইব্নু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কঙ্কর নিক্ষেপের জন্য সাধারণত পায়ে হেঁটে লোকজন আসা-যাওয়া করত। সর্বপ্রথম মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা) আরোহী অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن الناس كانوا إذا رموا الجمار مشوا ذاهبين وراجعين وأول من ركب معاوية بن أبي سفيان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১২
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ترمى الجمار في الأيام الثلاثة حتى تزول الشمس.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, তিন দিনের প্রত্যেক দিনই সূর্য হেলে পড়ার পর কঙ্কর নিক্ষেপ করা উচিত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, তিন দিনের প্রত্যেক দিনই সূর্য হেলে পড়ার পর কঙ্কর নিক্ষেপ করা উচিত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ترمى الجمار في الأيام الثلاثة حتى تزول الشمس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১১
و حدثني عن مالك أنه سأل عبد الرحمن بن القاسم من أين كان القاسم يرمي جمرة العقبة فقال من حيث تيسر ১৫৩৪-قال يحيى سئل مالك هل يرمى عن الصبي والمريض فقال نعم ويتحرى المريض حين يرمى عنه فيكبر وهو في منزله ويهريق دما فإن صح المريض في أيام التشريق رمى الذي رمي عنه وأهدى وجوب. ১৫৩৫- قال مالك لا أرى على الذي يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير متوض إعادة ولكن لا يتعمد ذلك اااا
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কোথা হতে জামরা-ই-আকাবার কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন? তিনি বললেন, যে স্থান হতে সুবিধা এবং সহজ হত সেই স্থান হতেই তিনি উক্ত সময় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল অসুস্থ ও শিশুদের তরফ হতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইহা জায়েয। তবে অসুস্থ ব্যক্তির কঙ্কর নিক্ষেপের সময় অনুমান করে স্বীয় স্থানে থেকেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং একটি কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে যদি সুস্থ হয়ে পড়ে তবে নিজে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে এবং একটি কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, ওযূ ব্যতীত কঙ্কর নিক্ষেপ করলে বা সা’য়ী করলে উহা পুনরায় আদায় করতে হবে না বটে কিন্তু জেনে শুনে এইরূপ করা উচিত নয়।
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কোথা হতে জামরা-ই-আকাবার কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন? তিনি বললেন, যে স্থান হতে সুবিধা এবং সহজ হত সেই স্থান হতেই তিনি উক্ত সময় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল অসুস্থ ও শিশুদের তরফ হতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইহা জায়েয। তবে অসুস্থ ব্যক্তির কঙ্কর নিক্ষেপের সময় অনুমান করে স্বীয় স্থানে থেকেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং একটি কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে যদি সুস্থ হয়ে পড়ে তবে নিজে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে এবং একটি কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, ওযূ ব্যতীত কঙ্কর নিক্ষেপ করলে বা সা’য়ী করলে উহা পুনরায় আদায় করতে হবে না বটে কিন্তু জেনে শুনে এইরূপ করা উচিত নয়।
و حدثني عن مالك أنه سأل عبد الرحمن بن القاسم من أين كان القاسم يرمي جمرة العقبة فقال من حيث تيسر ১৫৩৪-قال يحيى سئل مالك هل يرمى عن الصبي والمريض فقال نعم ويتحرى المريض حين يرمى عنه فيكبر وهو في منزله ويهريق دما فإن صح المريض في أيام التشريق رمى الذي رمي عنه وأهدى وجوب. ১৫৩৫- قال مالك لا أرى على الذي يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير متوض إعادة ولكن لا يتعمد ذلك اااا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কঙ্কর নিক্ষেপের ব্যাপারে রুখসত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৩
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه أن أبا البداح بن عاصم بن عدي أخبره عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لرعاء الإبل في البيتوتة خارجين عن منى يرمون يوم النحر ثم يرمون الغد ومن بعد الغد ليومين ثم يرمون يوم النفر.
আবুল বাদ্দা বাদ্দাহ ইবনু আসিম ইবনু আদী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উটের রাখালগণকে মিনা ব্যতীত অন্য স্থানেও রাত্রি যাপন করার অনুমতি প্রদান করেছিলেন। দশ তারিখ এবং উহার পরদিন ও উহার পরবর্তী দিন (১১ ও ১২ তারিখে) সে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। চতুর্থ দিন অর্থাৎ ১৩ তারিখেও যদি সে সেখানে অবস্থান করে তবে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। [১] (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৭৫, তিরমিযী ৯৫৫, নাসাঈ ৩০৭৮, ৩০৬৯, ইবনু মাজাহ ৩০৩৬, ৩০৩৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আল ইরওয়া ১০৮])
আবুল বাদ্দা বাদ্দাহ ইবনু আসিম ইবনু আদী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উটের রাখালগণকে মিনা ব্যতীত অন্য স্থানেও রাত্রি যাপন করার অনুমতি প্রদান করেছিলেন। দশ তারিখ এবং উহার পরদিন ও উহার পরবর্তী দিন (১১ ও ১২ তারিখে) সে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। চতুর্থ দিন অর্থাৎ ১৩ তারিখেও যদি সে সেখানে অবস্থান করে তবে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে। [১] (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৭৫, তিরমিযী ৯৫৫, নাসাঈ ৩০৭৮, ৩০৬৯, ইবনু মাজাহ ৩০৩৬, ৩০৩৭, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আল ইরওয়া ১০৮])
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن أبيه أن أبا البداح بن عاصم بن عدي أخبره عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لرعاء الإبل في البيتوتة خارجين عن منى يرمون يوم النحر ثم يرمون الغد ومن بعد الغد ليومين ثم يرمون يوم النفر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عطاء بن أبي رباح أنه سمعه يذكر أنه أرخص للرعاء أن يرموا بالليل يقول في الزمان الأول -قال مالك تفسير الحديث الذي أرخص فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم لرعاء الإبل في تأخير رمي الجمار فيما نرى والله أعلم أنهم يرمون يوم النحر فإذا مضى اليوم الذي يلي يوم النحر رموا من الغد وذلك يوم النفر الأول فيرمون لليوم الذي مضى ثم يرمون ليومهم ذلك لأنه لا يقضي أحد شيئا حتى يجب عليه فإذا وجب عليه ومضى كان القضاء بعد ذلك فإن بدا لهم النفر فقد فرغوا وإن أقاموا إلى الغد رموا مع الناس يوم النفر الآخر ونفروا.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উটের রাখালদেরকে কঙ্কর নিক্ষেপের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আতা ইবনু রাবাহ বলেন, এই অনুমতি প্রথম যুগ হতে প্রচলিত ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবুল বাদদা ইবনু আসিম ইব্নু আদী বর্ণিত উপরিউক্ত হাদীসটির মর্মার্থ হল, সে দশ তারিখে রমী করার পর এগার তারিখ অতিবাহিত হয়ে গেলে বার তারিখে এসে এগার এবং বার উভয় তারিখের রমী করবে। কারণ ওয়াজিব হওয়ার পূর্বে কোন বস্তুর কাযা হয় না; যখন তার উপর ওয়াজিব হল এবং সেদিন অতিবাহিত হল তখন সেদিনের রমী কাযা করতে হবে।
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উটের রাখালদেরকে কঙ্কর নিক্ষেপের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আতা ইবনু রাবাহ বলেন, এই অনুমতি প্রথম যুগ হতে প্রচলিত ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আবুল বাদদা ইবনু আসিম ইব্নু আদী বর্ণিত উপরিউক্ত হাদীসটির মর্মার্থ হল, সে দশ তারিখে রমী করার পর এগার তারিখ অতিবাহিত হয়ে গেলে বার তারিখে এসে এগার এবং বার উভয় তারিখের রমী করবে। কারণ ওয়াজিব হওয়ার পূর্বে কোন বস্তুর কাযা হয় না; যখন তার উপর ওয়াজিব হল এবং সেদিন অতিবাহিত হল তখন সেদিনের রমী কাযা করতে হবে।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عطاء بن أبي رباح أنه سمعه يذكر أنه أرخص للرعاء أن يرموا بالليل يقول في الزمان الأول -قال مالك تفسير الحديث الذي أرخص فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم لرعاء الإبل في تأخير رمي الجمار فيما نرى والله أعلم أنهم يرمون يوم النحر فإذا مضى اليوم الذي يلي يوم النحر رموا من الغد وذلك يوم النفر الأول فيرمون لليوم الذي مضى ثم يرمون ليومهم ذلك لأنه لا يقضي أحد شيئا حتى يجب عليه فإذا وجب عليه ومضى كان القضاء بعد ذلك فإن بدا لهم النفر فقد فرغوا وإن أقاموا إلى الغد رموا مع الناس يوم النفر الآخر ونفروا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১৫
و حدثني عن مالك عن أبي بكر بن نافع عن أبيه أن ابنة أخ لصفية بنت أبي عبيد نفست بالمزدلفة فتخلفت هي وصفية حتى أتتا منى بعد أن غربت الشمس من يوم النحر فأمرهما عبد الله بن عمر أن ترميا الجمرة حين أتتا ولم ير عليهما شيئا ১৫৪২-قال يحيى سئل مالك عمن نسي جمرة من الجمار في بعض أيام منى حتى يمسي قال ليرم أي ساعة ذكر من ليل أو نهار كما يصلي الصلاة إذا نسيها ثم ذكرها ليلا أو نهارا فإن كان ذلك بعد ما صدر وهو بمكة أو بعدما يخرج منها فعليه الهدي واجب.
আবূ বক্র ইবনু নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
সফিয়া বিন্ত আবি উবায়দের ভ্রাতৃকন্যার মুযদালিফায় নিফাস শুরু হয়। শেষে তিনি এবং তাঁর ভ্রাতৃকন্যা সেখানেই থেকে যান। দশ তারিখ যখন তাঁরা মিনায় পৌঁছালেন তখন সূর্য উঠে গিয়েছিল। মিনায় পৌঁছার পর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) উভয়কে কঙ্কর নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। তবে তাঁদের উপর কোন বদলার হুকুম দেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কেউ যদি মিনার দিবসগুলোর কোন তারিখের রমী করতে ভুলে যায় আর এইদিকে সূর্যও অস্তমিত হয়ে যায় তবে সে কি করবে? তিনি বললেন, রাতে বা দিনে যখনই স্বরণ হবে রমী করে নিবে। নামাযের কথা ভুলে গেলে যেমন রাত্রে বা দিনে যখনই স্মরণ হয় তখনই আদায় করে নিতে হয়, এখানেও তাই করবে। তবে মিনা হতে চলে যাওয়ার পর যদি স্মরণ হয় তবে তার উপর কুরবানী দেওয়া ওয়াজিব হবে।
আবূ বক্র ইবনু নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
সফিয়া বিন্ত আবি উবায়দের ভ্রাতৃকন্যার মুযদালিফায় নিফাস শুরু হয়। শেষে তিনি এবং তাঁর ভ্রাতৃকন্যা সেখানেই থেকে যান। দশ তারিখ যখন তাঁরা মিনায় পৌঁছালেন তখন সূর্য উঠে গিয়েছিল। মিনায় পৌঁছার পর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) উভয়কে কঙ্কর নিক্ষেপের নির্দেশ দিলেন। তবে তাঁদের উপর কোন বদলার হুকুম দেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কেউ যদি মিনার দিবসগুলোর কোন তারিখের রমী করতে ভুলে যায় আর এইদিকে সূর্যও অস্তমিত হয়ে যায় তবে সে কি করবে? তিনি বললেন, রাতে বা দিনে যখনই স্বরণ হবে রমী করে নিবে। নামাযের কথা ভুলে গেলে যেমন রাত্রে বা দিনে যখনই স্মরণ হয় তখনই আদায় করে নিতে হয়, এখানেও তাই করবে। তবে মিনা হতে চলে যাওয়ার পর যদি স্মরণ হয় তবে তার উপর কুরবানী দেওয়া ওয়াজিব হবে।
و حدثني عن مالك عن أبي بكر بن نافع عن أبيه أن ابنة أخ لصفية بنت أبي عبيد نفست بالمزدلفة فتخلفت هي وصفية حتى أتتا منى بعد أن غربت الشمس من يوم النحر فأمرهما عبد الله بن عمر أن ترميا الجمرة حين أتتا ولم ير عليهما شيئا ১৫৪২-قال يحيى سئل مالك عمن نسي جمرة من الجمار في بعض أيام منى حتى يمسي قال ليرم أي ساعة ذكر من ليل أو نهار كما يصلي الصلاة إذا نسيها ثم ذكرها ليلا أو نهارا فإن كان ذلك بعد ما صدر وهو بمكة أو بعدما يخرج منها فعليه الهدي واجب.