মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আইয়্যামে তাশরীকের তাকবীর
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০০
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن عمر بن الخطاب خرج الغد من يوم النحر حين ارتفع النهار شيئا فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثانية من يومه ذلك بعد ارتفاع النهار فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثالثة حين زاغت الشمس فكبر فكبر الناس بتكبيره حتى يتصل التكبير ويبلغ البيت فيعلم أن عمر قد خرج يرمي. قال مالك الأمر عندنا أن التكبير في أيام التشريق دبر الصلوات وأول ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الظهر من يوم النحر وآخر ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الصبح من آخر أيام التشريق ثم يقطع التكبير ১৫১৬-قال مالك والتكبير في أيام التشريق على الرجال والنساء من كان في جماعة أو وحده بمنى أو بالآفاق كلها واجب وإنما يأتم الناس في ذلك بإمام الحاج وبالناس بمنى لأنهم إذا رجعوا وانقضى الإحرام ائتموا بهم حتى يكونوا مثلهم في الحل فأما من لم يكن حاجا فإنه لا يأتم بهم إلا في تكبير أيام التشريق ১৫১৭-قال مالك الأيام المعدودات أيام التشريق.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ১০ তারিখ একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। তাঁর সঙ্গিগণও তাকবীর বলতে শুরু করেন। পরের দিন তিনি একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। এবং সঙ্গিগণও তখন পড়া শুরু করেন। তৃতীয় দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পর তিনি তাকবীর বললেন। সঙ্গিগণও তখন তাকবীর বললেন। সমস্বরে তাকবীর বলার এই আওয়ায মক্কা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। অন্যান্য মানুষ তখন বুঝতে পারে যে, উমার (রা) প্রস্তর নিক্ষেপের (রমীয়ে জামরাহ্) জন্য রওয়ানা হয়ে গিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট হুকুম হল, আইয়্যামে তাশরীকের সময় প্রত্যেক নামাযের পর তাকবীর পড়তে হবে। ইমাম প্রথমে তাকবীর বলবেন, মুকতাদি গণ তাঁর অনুসরণ করবেন। যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখের যুহর হতে তাকবীর বলা শুরু করবেন এবং ১৩ তারিখ ফজরের সময় তা শেষ করবে। ইমাম-মুকতাদি সকলেই এই তাকবীর পাঠ করবেন। নারী-পুরুষ সকলের উপরই পাঠ করা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়ুক বা একাকী, মিনায় অবস্থানরত থাকুক বা অন্য কোনখানে, সকল অবস্থায়ই উহা পাঠ করতে হবে। ইমামুল-হজ্জ এবং মিনার ময়দানে অবস্থিত হাজীগণের অনুসরণ করবে অন্যান্য লোক। তাকবীরের বেলায় তারা যখন মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করবে ও ইহরাম ভঙ্গ করবে, তখন মুহলিদের (ইহরাম অবস্থায় যারা নেই) অনুসরণ করবে যাতে তাদেরই মত হয় অর্থাৎ মুহরিম ও মুহিল দুই দলের মধ্যে তাকবীর বলার ব্যাপারে পার্থক্য নেই। আর যারা হজ্জ সম্পাদনকারী নয়, তারা কেবল আইয়্যামে তাশরীকের বেলায় হাজীদের অনুসরণ করবে। মালিক (র) বলেন, কুরআনে উল্লেখিত ‘আইয়্যামে মা’দুদাত’ হল আইয়্যামে তাশরীক। [১]
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ১০ তারিখ একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। তাঁর সঙ্গিগণও তাকবীর বলতে শুরু করেন। পরের দিন তিনি একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। এবং সঙ্গিগণও তখন পড়া শুরু করেন। তৃতীয় দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পর তিনি তাকবীর বললেন। সঙ্গিগণও তখন তাকবীর বললেন। সমস্বরে তাকবীর বলার এই আওয়ায মক্কা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। অন্যান্য মানুষ তখন বুঝতে পারে যে, উমার (রা) প্রস্তর নিক্ষেপের (রমীয়ে জামরাহ্) জন্য রওয়ানা হয়ে গিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট হুকুম হল, আইয়্যামে তাশরীকের সময় প্রত্যেক নামাযের পর তাকবীর পড়তে হবে। ইমাম প্রথমে তাকবীর বলবেন, মুকতাদি গণ তাঁর অনুসরণ করবেন। যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখের যুহর হতে তাকবীর বলা শুরু করবেন এবং ১৩ তারিখ ফজরের সময় তা শেষ করবে। ইমাম-মুকতাদি সকলেই এই তাকবীর পাঠ করবেন। নারী-পুরুষ সকলের উপরই পাঠ করা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়ুক বা একাকী, মিনায় অবস্থানরত থাকুক বা অন্য কোনখানে, সকল অবস্থায়ই উহা পাঠ করতে হবে। ইমামুল-হজ্জ এবং মিনার ময়দানে অবস্থিত হাজীগণের অনুসরণ করবে অন্যান্য লোক। তাকবীরের বেলায় তারা যখন মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করবে ও ইহরাম ভঙ্গ করবে, তখন মুহলিদের (ইহরাম অবস্থায় যারা নেই) অনুসরণ করবে যাতে তাদেরই মত হয় অর্থাৎ মুহরিম ও মুহিল দুই দলের মধ্যে তাকবীর বলার ব্যাপারে পার্থক্য নেই। আর যারা হজ্জ সম্পাদনকারী নয়, তারা কেবল আইয়্যামে তাশরীকের বেলায় হাজীদের অনুসরণ করবে। মালিক (র) বলেন, কুরআনে উল্লেখিত ‘আইয়্যামে মা’দুদাত’ হল আইয়্যামে তাশরীক। [১]
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن عمر بن الخطاب خرج الغد من يوم النحر حين ارتفع النهار شيئا فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثانية من يومه ذلك بعد ارتفاع النهار فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثالثة حين زاغت الشمس فكبر فكبر الناس بتكبيره حتى يتصل التكبير ويبلغ البيت فيعلم أن عمر قد خرج يرمي. قال مالك الأمر عندنا أن التكبير في أيام التشريق دبر الصلوات وأول ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الظهر من يوم النحر وآخر ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الصبح من آخر أيام التشريق ثم يقطع التكبير ১৫১৬-قال مالك والتكبير في أيام التشريق على الرجال والنساء من كان في جماعة أو وحده بمنى أو بالآفاق كلها واجب وإنما يأتم الناس في ذلك بإمام الحاج وبالناس بمنى لأنهم إذا رجعوا وانقضى الإحرام ائتموا بهم حتى يكونوا مثلهم في الحل فأما من لم يكن حاجا فإنه لا يأتم بهم إلا في تكبير أيام التشريق ১৫১৭-قال مالك الأيام المعدودات أيام التشريق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুআররাস ও মাহাসসাবের নামায
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০২
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي الظهر والعصر والمغرب والعشاء بالمحصب ثم يدخل مكة من الليل فيطوف بالبيت.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যুহর, আসর, মাগরিব এবং ইশার নামায মুহাস্সাব নামক স্থানে আদায় করতেন। অতঃপর রাত্রে মক্কায় গিয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যুহর, আসর, মাগরিব এবং ইশার নামায মুহাস্সাব নামক স্থানে আদায় করতেন। অতঃপর রাত্রে মক্কায় গিয়ে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي الظهر والعصر والمغرب والعشاء بالمحصب ثم يدخل مكة من الليل فيطوف بالبيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০১
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أناخ بالبطحاء التي بذي الحليفة فصلى بها قال نافع وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ১৫২قال مالك لا ينبغي لأحد أن يجاوز المعرس إذا قفل حتى يصلي فيه وإن مر به في غير وقت صلاة فليقم حتى تحل الصلاة ثم صلى ما بدا له لأنه بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عرس به وأن عبد الله بن عمر أناخ به.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলায়ফা ময়দানের প্রস্তরাকীর্ণ স্থানে স্বীয় উট বসিয়ে নামায আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৫৩২, মুসলিম ১২৫৭) নাফি’ (র) বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, হজ্জ সমাধা করে মদীনা ফেরার পথে ‘মাআররাস’ নামক স্থানে প্রত্যেকে যেন নামায আদায় করে। আর নামাযের ওয়াক্ত না হলে ওয়াক্ত হওয়া পর্যন্ত যেন অপেক্ষা করে এবং যত রাক’আত পড়া সহজ তা যেন আদায় করে নেয়। কারণ আমার নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে শেষরাতে অবস্থান করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও সেখানে স্বীয় উট বসাতেন এবং অবস্থান করতেন। [১]
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলায়ফা ময়দানের প্রস্তরাকীর্ণ স্থানে স্বীয় উট বসিয়ে নামায আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৫৩২, মুসলিম ১২৫৭) নাফি’ (র) বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, হজ্জ সমাধা করে মদীনা ফেরার পথে ‘মাআররাস’ নামক স্থানে প্রত্যেকে যেন নামায আদায় করে। আর নামাযের ওয়াক্ত না হলে ওয়াক্ত হওয়া পর্যন্ত যেন অপেক্ষা করে এবং যত রাক’আত পড়া সহজ তা যেন আদায় করে নেয়। কারণ আমার নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে শেষরাতে অবস্থান করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-ও সেখানে স্বীয় উট বসাতেন এবং অবস্থান করতেন। [১]
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أناخ بالبطحاء التي بذي الحليفة فصلى بها قال نافع وكان عبد الله بن عمر يفعل ذلك ১৫২قال مالك لا ينبغي لأحد أن يجاوز المعرس إذا قفل حتى يصلي فيه وإن مر به في غير وقت صلاة فليقم حتى تحل الصلاة ثم صلى ما بدا له لأنه بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عرس به وأن عبد الله بن عمر أناخ به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিনার রাত্রিগুলোতে মক্কায় রাত্রি যাপন করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৩
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أنه قال زعموا أن عمر بن الخطاب كان يبعث رجالا يدخلون الناس من وراء العقبة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
লোকেরা আমার নিকট বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) জামরা-এ-আকাবা বা প্রস্তর নিক্ষেপের স্থানের পশ্চাৎ হতেই লোকদেরকে মিনার দিকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য কিছুসংখ্যক লোক নিযুক্ত করে রাখতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
লোকেরা আমার নিকট বলেছেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) জামরা-এ-আকাবা বা প্রস্তর নিক্ষেপের স্থানের পশ্চাৎ হতেই লোকদেরকে মিনার দিকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য কিছুসংখ্যক লোক নিযুক্ত করে রাখতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أنه قال زعموا أن عمر بن الخطاب كان يبعث رجالا يدخلون الناس من وراء العقبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في البيتوتة بمكة ليالي منى لا يبيتن أحد إلا بمنى.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন মিনায় অবস্থানের রাত্রিসমূহে কেউ যেন মিনা ব্যতীত অন্যত্র রাত্রি যাপন না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন মিনায় অবস্থানের রাত্রিসমূহে কেউ যেন মিনা ব্যতীত অন্যত্র রাত্রি যাপন না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في البيتوتة بمكة ليالي منى لا يبيتن أحد إلا بمنى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৪
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يبيتن أحد من الحاج ليالي منى من وراء العقبة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, মিনার রাত্রিসমূহে কেউ যেন জামরা-এ-আকাবার পেছনে অবস্থান না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, মিনার রাত্রিসমূহে কেউ যেন জামরা-এ-আকাবার পেছনে অবস্থান না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يبيتن أحد من الحاج ليالي منى من وراء العقبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কঙ্কর নিক্ষেপ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৬
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا حتى يمل القائم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুস্তার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমার (রা) (দু’আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
জামরা-ই-উলার (প্রথম কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) ও জামরা-ই-বুস্তার (মধ্যবর্তী কঙ্কর নিক্ষেপের স্থান) নিকট উমার (রা) (দু’আর জন্য) এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতেন যে, দণ্ডায়মান অন্য লোকজন বিরক্ত হয়ে যেত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا حتى يمل القائم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৮
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكبر عند رمي الجمرة كلما رمى بحصاة و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول الحصى التي يرمى بها الجمار مثل حصى الخذف قال مالك وأكبر من ذلك قليلا أعجب إلي.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) প্রতিটি কঙ্কর নিক্ষেপের সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكبر عند رمي الجمرة كلما رمى بحصاة و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول الحصى التي يرمى بها الجمار مثل حصى الخذف قال مالك وأكبر من ذلك قليلا أعجب إلي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا يكبر الله ويسبحه ويحمده ويدعو الله ولا يقف عند جمرة العقبة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দীর্ঘক্ষণ জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার নিকট দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাকবীর-এ-তাশরীক ও হাম্দ পড়তেন এবং দু’আ করতে থাকতেন। জামরা-ই-আকাবা শেষ কঙ্কর নিক্ষেপের কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) দীর্ঘক্ষণ জামরা-ই-উলা এবং জামরা-ই-বুসতার নিকট দাঁড়িয়ে থাকতেন। তাকবীর-এ-তাশরীক ও হাম্দ পড়তেন এবং দু’আ করতে থাকতেন। জামরা-ই-আকাবা শেষ কঙ্কর নিক্ষেপের কাছে তিনি দাঁড়াতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقف عند الجمرتين الأوليين وقوفا طويلا يكبر الله ويسبحه ويحمده ويدعو الله ولا يقف عند جمرة العقبة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من غربت له الشمس من أوسط أيام التشريق وهو بمنى فلا ينفرن حتى يرمي الجمار من الغد.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন কোন আহলে-ইলমের নিকট তিনি শুনেছেন যে, কঙ্কর এত ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করা যায়। মালিক (র) বলেন, আমার মতে উহা হতে কঙ্কর সামান্য বড় হওয়া উচিত। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে ব্যক্তি মিনায় অবস্থান করবে ১৩ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত সে যেন ফিরে না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কোন কোন আহলে-ইলমের নিকট তিনি শুনেছেন যে, কঙ্কর এত ছোট হওয়া উচিত যাতে দুই আঙ্গুল দ্বারা নিক্ষেপ করা যায়। মালিক (র) বলেন, আমার মতে উহা হতে কঙ্কর সামান্য বড় হওয়া উচিত। নাফি’ (র) হতে বর্ণিত আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, ১২ তারিখের সূর্যাস্ত পর্যন্ত যে ব্যক্তি মিনায় অবস্থান করবে ১৩ তারিখে কঙ্কর নিক্ষেপ না করা পর্যন্ত সে যেন ফিরে না যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من غربت له الشمس من أوسط أيام التشريق وهو بمنى فلا ينفرن حتى يرمي الجمار من الغد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১০
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن الناس كانوا إذا رموا الجمار مشوا ذاهبين وراجعين وأول من ركب معاوية بن أبي سفيان.
আবদুর রহমান ইব্নু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কঙ্কর নিক্ষেপের জন্য সাধারণত পায়ে হেঁটে লোকজন আসা-যাওয়া করত। সর্বপ্রথম মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা) আরোহী অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইব্নু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কঙ্কর নিক্ষেপের জন্য সাধারণত পায়ে হেঁটে লোকজন আসা-যাওয়া করত। সর্বপ্রথম মুয়াবিয়া ইবনু আবূ সুফিয়ান (রা) আরোহী অবস্থায় কঙ্কর নিক্ষেপ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن الناس كانوا إذا رموا الجمار مشوا ذاهبين وراجعين وأول من ركب معاوية بن أبي سفيان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১২
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ترمى الجمار في الأيام الثلاثة حتى تزول الشمس.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, তিন দিনের প্রত্যেক দিনই সূর্য হেলে পড়ার পর কঙ্কর নিক্ষেপ করা উচিত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, তিন দিনের প্রত্যেক দিনই সূর্য হেলে পড়ার পর কঙ্কর নিক্ষেপ করা উচিত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ترمى الجمار في الأيام الثلاثة حتى تزول الشمس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯১১
و حدثني عن مالك أنه سأل عبد الرحمن بن القاسم من أين كان القاسم يرمي جمرة العقبة فقال من حيث تيسر ১৫৩৪-قال يحيى سئل مالك هل يرمى عن الصبي والمريض فقال نعم ويتحرى المريض حين يرمى عنه فيكبر وهو في منزله ويهريق دما فإن صح المريض في أيام التشريق رمى الذي رمي عنه وأهدى وجوب. ১৫৩৫- قال مالك لا أرى على الذي يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير متوض إعادة ولكن لا يتعمد ذلك اااا
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কোথা হতে জামরা-ই-আকাবার কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন? তিনি বললেন, যে স্থান হতে সুবিধা এবং সহজ হত সেই স্থান হতেই তিনি উক্ত সময় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল অসুস্থ ও শিশুদের তরফ হতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইহা জায়েয। তবে অসুস্থ ব্যক্তির কঙ্কর নিক্ষেপের সময় অনুমান করে স্বীয় স্থানে থেকেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং একটি কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে যদি সুস্থ হয়ে পড়ে তবে নিজে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে এবং একটি কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, ওযূ ব্যতীত কঙ্কর নিক্ষেপ করলে বা সা’য়ী করলে উহা পুনরায় আদায় করতে হবে না বটে কিন্তু জেনে শুনে এইরূপ করা উচিত নয়।
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) কোথা হতে জামরা-ই-আকাবার কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন? তিনি বললেন, যে স্থান হতে সুবিধা এবং সহজ হত সেই স্থান হতেই তিনি উক্ত সময় কঙ্কর নিক্ষেপ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল অসুস্থ ও শিশুদের তরফ হতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা যায় কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, ইহা জায়েয। তবে অসুস্থ ব্যক্তির কঙ্কর নিক্ষেপের সময় অনুমান করে স্বীয় স্থানে থেকেই ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে এবং একটি কুরবানী করবে। আইয়্যামে তাশরীকের মধ্যে যদি সুস্থ হয়ে পড়ে তবে নিজে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে এবং একটি কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, ওযূ ব্যতীত কঙ্কর নিক্ষেপ করলে বা সা’য়ী করলে উহা পুনরায় আদায় করতে হবে না বটে কিন্তু জেনে শুনে এইরূপ করা উচিত নয়।
و حدثني عن مالك أنه سأل عبد الرحمن بن القاسم من أين كان القاسم يرمي جمرة العقبة فقال من حيث تيسر ১৫৩৪-قال يحيى سئل مالك هل يرمى عن الصبي والمريض فقال نعم ويتحرى المريض حين يرمى عنه فيكبر وهو في منزله ويهريق دما فإن صح المريض في أيام التشريق رمى الذي رمي عنه وأهدى وجوب. ১৫৩৫- قال مالك لا أرى على الذي يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير متوض إعادة ولكن لا يتعمد ذلك اااا