মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুযদালিফায় নামায

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯৪

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي المغرب والعشاء بالمزدلفة جميعا.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ উমার (রা) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশার নামায একত্রে আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ উমার (রা) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশার নামায একত্রে আদায় করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي المغرب والعشاء بالمزدلفة جميعا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯৩

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عدي بن ثابت الأنصاري أن عبد الله بن يزيد الخطمي أخبره أن أبا أيوب الأنصاري أخبره أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع المغرب والعشاء بالمزدلفة جميعا.

আবূ আইয়ূব আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৬৭৪, মুসলিম ১২৮৭)

আবূ আইয়ূব আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশা একত্রে আদায় করেছিলেন। (বুখারী ১৬৭৪, মুসলিম ১২৮৭)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عدي بن ثابت الأنصاري أن عبد الله بن يزيد الخطمي أخبره أن أبا أيوب الأنصاري أخبره أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع المغرب والعشاء بالمزدلفة جميعا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯১

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى المغرب والعشاء بالمزدلفة جميعا.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশার নামায একত্রে আদায় করেছেন। (বুখারী ১০৯২, মুসলিম ১২৮৮)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশার নামায একত্রে আদায় করেছেন। (বুখারী ১০৯২, মুসলিম ১২৮৮)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى المغرب والعشاء بالمزدلفة جميعا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯২

و حدثني عن مالك عن موسى بن عقبة عن كريب مولى ابن عباس عن أسامة بن زيد أنه سمعه يقول دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفة حتى إذا كان بالشعب نزل فبال فتوضأ فلم يسبغ الوضوء فقلت له الصلاة يا رسول الله فقال الصلاة أمامك فركب فلما جاء المزدلفة نزل فتوضأ فأسبغ الوضوء ثم أقيمت الصلاة فصلى المغرب ثم أناخ كل إنسان بعيره في منزله ثم أقيمت العشاء فصلاها ولم يصل بينهما شيئا.

উসামা ইবনু যায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গিরিপথে পৌঁছে প্রস্রাব করার জন্য নামলেন এবং পরে ওযূ করলেন, কিন্তু পূর্ণভাবে করলেন না। [১] আমি তাঁকে বললাম হে আল্লাহর রসূল, নামাযের কি হবে? তিনি বললেন, আরও এগিয়ে আমরা নামায আদায় করব। তিনি মুযদালিফায় পৌঁছে পূর্ণভাবে ওযূ করলেন। তখন নামাযের তকবীর হল। তিনি মাগরিবের নামায আদায় করলেন। প্রত্যেকেই স্ব স্ব উট স্ব স্ব স্থানে বেঁধে রাখলেন। অতঃপর আবার ইশার নামাযের তকবীর হল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইশার নামায আদায় করলেন। তখন এই উভয় নামাযের মধ্যে আর কোন (নফল) নামায তিনি পড়েননি। (বুখারী ১৩৯, মুসলিম ১২৮০)

উসামা ইবনু যায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) গিরিপথে পৌঁছে প্রস্রাব করার জন্য নামলেন এবং পরে ওযূ করলেন, কিন্তু পূর্ণভাবে করলেন না। [১] আমি তাঁকে বললাম হে আল্লাহর রসূল, নামাযের কি হবে? তিনি বললেন, আরও এগিয়ে আমরা নামায আদায় করব। তিনি মুযদালিফায় পৌঁছে পূর্ণভাবে ওযূ করলেন। তখন নামাযের তকবীর হল। তিনি মাগরিবের নামায আদায় করলেন। প্রত্যেকেই স্ব স্ব উট স্ব স্ব স্থানে বেঁধে রাখলেন। অতঃপর আবার ইশার নামাযের তকবীর হল। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইশার নামায আদায় করলেন। তখন এই উভয় নামাযের মধ্যে আর কোন (নফল) নামায তিনি পড়েননি। (বুখারী ১৩৯, মুসলিম ১২৮০)

و حدثني عن مالك عن موسى بن عقبة عن كريب مولى ابن عباس عن أسامة بن زيد أنه سمعه يقول دفع رسول الله صلى الله عليه وسلم من عرفة حتى إذا كان بالشعب نزل فبال فتوضأ فلم يسبغ الوضوء فقلت له الصلاة يا رسول الله فقال الصلاة أمامك فركب فلما جاء المزدلفة نزل فتوضأ فأسبغ الوضوء ثم أقيمت الصلاة فصلى المغرب ثم أناخ كل إنسان بعيره في منزله ثم أقيمت العشاء فصلاها ولم يصل بينهما شيئا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিনা’য় নামায

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯৫

قال مالك في أهل مكة إنهم يصلون بمن إذا حجوا ركعتين ركعتين حتى ينصرفوا إلى مكة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার অধিবাসী কোন ব্যক্তি হজ্জ করলে মিনায় সে নামায কসর আদায় করবে এবং মক্কায় পুনরায় প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত সে কসরই আদায় করতে থাকবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কার অধিবাসী কোন ব্যক্তি হজ্জ করলে মিনায় সে নামায কসর আদায় করবে এবং মক্কায় পুনরায় প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত সে কসরই আদায় করতে থাকবে।

قال مالك في أهل مكة إنهم يصلون بمن إذا حجوا ركعتين ركعتين حتى ينصرفوا إلى مكة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯৭

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب لما قدم مكة صلى بهم ركعتين ثم انصرف فقال يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ثم صلى عمر بن الخطاب ركعتين بمنى ولم يبلغنا أنه قال لهم شيئا

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) যখন মক্কায় আসেন তখন দুই রাক’আত নামায আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, হে মাক্কাবাসিগণ, তোমরা স্ব স্ব নামায পূর্ণ করে নাও। কারণ আমরা মুসাফির (তাই আমাদেরকে কসর আদায় করতে হয়েছে)। পরে তিনি মিনায় গিয়ে দুই রাক’আতই আদায় করলেন। তবে সেখানেও তিনি নামাযের পর কিছু বলেছিলেন বলে আমরা সংবাদ পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) যখন মক্কায় আসেন তখন দুই রাক’আত নামায আদায় করলেন। অতঃপর বললেন, হে মাক্কাবাসিগণ, তোমরা স্ব স্ব নামায পূর্ণ করে নাও। কারণ আমরা মুসাফির (তাই আমাদেরকে কসর আদায় করতে হয়েছে)। পরে তিনি মিনায় গিয়ে দুই রাক’আতই আদায় করলেন। তবে সেখানেও তিনি নামাযের পর কিছু বলেছিলেন বলে আমরা সংবাদ পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب لما قدم مكة صلى بهم ركعتين ثم انصرف فقال يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ثم صلى عمر بن الخطاب ركعتين بمنى ولم يبلغنا أنه قال لهم شيئا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯৬

و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الصلاة الرباعية بمنى ركعتين وأن أبا بكر صلاها بمنى ركعتين وأن عمر بن الخطاب صلاها بمنى ركعتين وأن عثمان صلاها بمنى ركعتين شطر إمارته ثم أتمها بعد.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনায় দুই রাক’আত কসর নামায আদায় করেছিলেন। আবূ বক্‌র (রা) এবং উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাঁদের আমলে দুই রাক’আত করে আদায় করেছিলেন। এমন কি উসমান ইবনু আফফান (রা)-ও তাঁর খিলাফতের কিছুকাল দুই রাক’আত করে আদায় করেছেন, কিন্তু পরে তিনি চার রাক’আত করে পড়তে শুরু করেন। (বুখারী ১০৮২, উমার (রা) থেকে মুত্তাসিল সনদে, মুসলিম ৬৯৪)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনায় দুই রাক’আত কসর নামায আদায় করেছিলেন। আবূ বক্‌র (রা) এবং উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাঁদের আমলে দুই রাক’আত করে আদায় করেছিলেন। এমন কি উসমান ইবনু আফফান (রা)-ও তাঁর খিলাফতের কিছুকাল দুই রাক’আত করে আদায় করেছেন, কিন্তু পরে তিনি চার রাক’আত করে পড়তে শুরু করেন। (বুখারী ১০৮২, উমার (রা) থেকে মুত্তাসিল সনদে, মুসলিম ৬৯৪)

و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الصلاة الرباعية بمنى ركعتين وأن أبا بكر صلاها بمنى ركعتين وأن عمر بن الخطاب صلاها بمنى ركعتين وأن عثمان صلاها بمنى ركعتين شطر إمارته ثم أتمها بعد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯৮

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب صلى للناس بمكة ركعتين فلما انصرف قال يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ثم صلى عمر ركعتين بمنى ولم يبلغنا أنه قال لهم شيئا. سئل مالك عن أهل مكة كيف صلاتهم بعرفة أركعتان أم أربع وكيف بأمير الحاج إن كان من أهل مكة أيصلي الظهر والعصر بعرفة أربع ركعات أو ركعتين وكيف صلاة أهل مكة في إقامتهم فقال مالك يصلي أهل مكة بعرفة ومنى ما أقاموا بهما ركعتين ركعتين يقصرون الصلاة حتى يرجعوا إلى مكة. قال وأمير الحاج أيضا إذا كان من أهل مكة قصر الصلاة بعرفة وأيام منى. وإن كان أحد ساكنا بمنى مقيما بها فإن ذلك يتم الصلاة بمنى وإن كان أحد ساكنا بعرفة مقيما بها فإن ذلك يتم الصلاة بها أيضا.

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) দুই রাক’আত নামায আদায় করে বলেছিলেন হে মক্কাবাসিগণ! আমরা মুসাফির। তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ করে নাও। পরে মিনায়ও তিনি দুই রাক’আত নামায পড়েন। কিন্তু সেখানেও কিছু বলেছিলেন বলে আমরা সংবাদ পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল মক্কাবাসিগণ আরাফাতের ময়দানে চার রাক’আত আদায় করবে, না দুই রাক’আত আদায় করবে? অনুরূপভাবে আমীরে হজ্জ যদি মক্কাবাসী হন তবে তিনি এই ব্যাপারে কি করবেন? মক্কাবাসীগণ মিনায় থাকাকালে কসর (দুই আক’আত) আদায় করবে কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, মক্কাবাসিগণ যতক্ষণ মিনা ও আরাফাতে অবস্থান করবে মক্কায় প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত কসরই আদায় করবে। আমীরে-হজ্জও যদি মক্কাবাসী হন তিনিও কসর আদায় করবেন। মালিক (র) বলেন, মিনা এবং আরাফাতের বাসিন্দাগণ কসর আদায় করবে না, পূর্ণ নামায আদায় করবে।

যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

মক্কায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) দুই রাক’আত নামায আদায় করে বলেছিলেন হে মক্কাবাসিগণ! আমরা মুসাফির। তোমরা তোমাদের নামায পূর্ণ করে নাও। পরে মিনায়ও তিনি দুই রাক’আত নামায পড়েন। কিন্তু সেখানেও কিছু বলেছিলেন বলে আমরা সংবাদ পাইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল মক্কাবাসিগণ আরাফাতের ময়দানে চার রাক’আত আদায় করবে, না দুই রাক’আত আদায় করবে? অনুরূপভাবে আমীরে হজ্জ যদি মক্কাবাসী হন তবে তিনি এই ব্যাপারে কি করবেন? মক্কাবাসীগণ মিনায় থাকাকালে কসর (দুই আক’আত) আদায় করবে কিনা? উত্তরে তিনি বললেন, মক্কাবাসিগণ যতক্ষণ মিনা ও আরাফাতে অবস্থান করবে মক্কায় প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত কসরই আদায় করবে। আমীরে-হজ্জও যদি মক্কাবাসী হন তিনিও কসর আদায় করবেন। মালিক (র) বলেন, মিনা এবং আরাফাতের বাসিন্দাগণ কসর আদায় করবে না, পূর্ণ নামায আদায় করবে।

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن عمر بن الخطاب صلى للناس بمكة ركعتين فلما انصرف قال يا أهل مكة أتموا صلاتكم فإنا قوم سفر ثم صلى عمر ركعتين بمنى ولم يبلغنا أنه قال لهم شيئا. سئل مالك عن أهل مكة كيف صلاتهم بعرفة أركعتان أم أربع وكيف بأمير الحاج إن كان من أهل مكة أيصلي الظهر والعصر بعرفة أربع ركعات أو ركعتين وكيف صلاة أهل مكة في إقامتهم فقال مالك يصلي أهل مكة بعرفة ومنى ما أقاموا بهما ركعتين ركعتين يقصرون الصلاة حتى يرجعوا إلى مكة. قال وأمير الحاج أيضا إذا كان من أهل مكة قصر الصلاة بعرفة وأيام منى. وإن كان أحد ساكنا بمنى مقيما بها فإن ذلك يتم الصلاة بمنى وإن كان أحد ساكنا بعرفة مقيما بها فإن ذلك يتم الصلاة بها أيضا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিনা এবং মক্কায় ‘মুকীম’ ব্যক্তির নামায

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯৯

حدثني يحيى عن مالك أنه قال من قدم مكة لهلال ذي الحجة فأهل بالحج فإنه يتم الصلاة حتى يخرج من مكة لمنى فيقصر وذلك أنه قد أجمع على مقام أكثر من أربع ليال.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যিলহজ্জের চাঁদ উদয় হওয়ামাত্র যদি কেউ মক্কায় এসে হজ্জের ইহরাম বেঁধে নেয় তবে যতদিন সে মক্কায় অবস্থান করবে ততদিন নামায পূর্ণ আদায় করবে (কসর আদায় করবে না)। কেননা সে চার দিনেরও অতিরিক্ত দিন এখানে অবস্থান করার নিয়ত করেছে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যিলহজ্জের চাঁদ উদয় হওয়ামাত্র যদি কেউ মক্কায় এসে হজ্জের ইহরাম বেঁধে নেয় তবে যতদিন সে মক্কায় অবস্থান করবে ততদিন নামায পূর্ণ আদায় করবে (কসর আদায় করবে না)। কেননা সে চার দিনেরও অতিরিক্ত দিন এখানে অবস্থান করার নিয়ত করেছে।

حدثني يحيى عن مالك أنه قال من قدم مكة لهلال ذي الحجة فأهل بالحج فإنه يتم الصلاة حتى يخرج من مكة لمنى فيقصر وذلك أنه قد أجمع على مقام أكثر من أربع ليال.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আইয়্যামে তাশরীকের তাকবীর

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৯০০

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن عمر بن الخطاب خرج الغد من يوم النحر حين ارتفع النهار شيئا فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثانية من يومه ذلك بعد ارتفاع النهار فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثالثة حين زاغت الشمس فكبر فكبر الناس بتكبيره حتى يتصل التكبير ويبلغ البيت فيعلم أن عمر قد خرج يرمي. قال مالك الأمر عندنا أن التكبير في أيام التشريق دبر الصلوات وأول ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الظهر من يوم النحر وآخر ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الصبح من آخر أيام التشريق ثم يقطع التكبير ১৫১৬-قال مالك والتكبير في أيام التشريق على الرجال والنساء من كان في جماعة أو وحده بمنى أو بالآفاق كلها واجب وإنما يأتم الناس في ذلك بإمام الحاج وبالناس بمنى لأنهم إذا رجعوا وانقضى الإحرام ائتموا بهم حتى يكونوا مثلهم في الحل فأما من لم يكن حاجا فإنه لا يأتم بهم إلا في تكبير أيام التشريق ১৫১৭-قال مالك الأيام المعدودات أيام التشريق.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ১০ তারিখ একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। তাঁর সঙ্গিগণও তাকবীর বলতে শুরু করেন। পরের দিন তিনি একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। এবং সঙ্গিগণও তখন পড়া শুরু করেন। তৃতীয় দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পর তিনি তাকবীর বললেন। সঙ্গিগণও তখন তাকবীর বললেন। সমস্বরে তাকবীর বলার এই আওয়ায মক্কা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। অন্যান্য মানুষ তখন বুঝতে পারে যে, উমার (রা) প্রস্তর নিক্ষেপের (রমীয়ে জামরাহ্) জন্য রওয়ানা হয়ে গিয়ে‎ছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট হুকুম হল, আইয়্যামে তাশরীকের সময় প্রত্যেক নামাযের পর তাকবীর পড়তে হবে। ইমাম প্রথমে তাকবীর বলবেন, মুকতাদি গণ তাঁর অনুসরণ করবেন। যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখের যুহর হতে তাকবীর বলা শুরু করবেন এবং ১৩ তারিখ ফজরের সময় তা শেষ করবে। ইমাম-মুকতাদি সকলেই এই তাকবীর পাঠ করবেন। নারী-পুরুষ সকলের উপরই পাঠ করা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়ুক বা একাকী, মিনায় অবস্থানরত থাকুক বা অন্য কোনখানে, সকল অবস্থায়ই উহা পাঠ করতে হবে। ইমামুল-হজ্জ এবং মিনার ময়দানে অবস্থিত হাজীগণের অনুসরণ করবে অন্যান্য লোক। তাকবীরের বেলায় তারা যখন মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করবে ও ইহরাম ভঙ্গ করবে, তখন মুহলিদের (ইহরাম অবস্থায় যারা নেই) অনুসরণ করবে যাতে তাদেরই মত হয় অর্থাৎ মুহরিম ও মুহিল দুই দলের মধ্যে তাকবীর বলার ব্যাপারে পার্থক্য নেই। আর যারা হজ্জ সম্পাদনকারী নয়, তারা কেবল আইয়্যামে তাশরীকের বেলায় হাজীদের অনুসরণ করবে। মালিক (র) বলেন, কুরআনে উল্লেখিত ‘আইয়্যামে মা’দুদাত’ হল আইয়্যামে তাশরীক। [১]

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) ১০ তারিখ একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। তাঁর সঙ্গিগণও তাকবীর বলতে শুরু করেন। পরের দিন তিনি একটু বেলা হয়ে এলে তাকবীর পড়া শুরু করেন। এবং সঙ্গিগণও তখন পড়া শুরু করেন। তৃতীয় দিন সূর্য হেলে যাওয়ার পর তিনি তাকবীর বললেন। সঙ্গিগণও তখন তাকবীর বললেন। সমস্বরে তাকবীর বলার এই আওয়ায মক্কা পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছায়। অন্যান্য মানুষ তখন বুঝতে পারে যে, উমার (রা) প্রস্তর নিক্ষেপের (রমীয়ে জামরাহ্) জন্য রওয়ানা হয়ে গিয়ে‎ছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট হুকুম হল, আইয়্যামে তাশরীকের সময় প্রত্যেক নামাযের পর তাকবীর পড়তে হবে। ইমাম প্রথমে তাকবীর বলবেন, মুকতাদি গণ তাঁর অনুসরণ করবেন। যিলহজ্জ মাসের ১০ তারিখের যুহর হতে তাকবীর বলা শুরু করবেন এবং ১৩ তারিখ ফজরের সময় তা শেষ করবে। ইমাম-মুকতাদি সকলেই এই তাকবীর পাঠ করবেন। নারী-পুরুষ সকলের উপরই পাঠ করা ওয়াজিব। জামাতে নামায পড়ুক বা একাকী, মিনায় অবস্থানরত থাকুক বা অন্য কোনখানে, সকল অবস্থায়ই উহা পাঠ করতে হবে। ইমামুল-হজ্জ এবং মিনার ময়দানে অবস্থিত হাজীগণের অনুসরণ করবে অন্যান্য লোক। তাকবীরের বেলায় তারা যখন মিনা হতে প্রত্যাবর্তন করবে ও ইহরাম ভঙ্গ করবে, তখন মুহলিদের (ইহরাম অবস্থায় যারা নেই) অনুসরণ করবে যাতে তাদেরই মত হয় অর্থাৎ মুহরিম ও মুহিল দুই দলের মধ্যে তাকবীর বলার ব্যাপারে পার্থক্য নেই। আর যারা হজ্জ সম্পাদনকারী নয়, তারা কেবল আইয়্যামে তাশরীকের বেলায় হাজীদের অনুসরণ করবে। মালিক (র) বলেন, কুরআনে উল্লেখিত ‘আইয়্যামে মা’দুদাত’ হল আইয়্যামে তাশরীক। [১]

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن عمر بن الخطاب خرج الغد من يوم النحر حين ارتفع النهار شيئا فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثانية من يومه ذلك بعد ارتفاع النهار فكبر فكبر الناس بتكبيره ثم خرج الثالثة حين زاغت الشمس فكبر فكبر الناس بتكبيره حتى يتصل التكبير ويبلغ البيت فيعلم أن عمر قد خرج يرمي. قال مالك الأمر عندنا أن التكبير في أيام التشريق دبر الصلوات وأول ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الظهر من يوم النحر وآخر ذلك تكبير الإمام والناس معه دبر صلاة الصبح من آخر أيام التشريق ثم يقطع التكبير ১৫১৬-قال مالك والتكبير في أيام التشريق على الرجال والنساء من كان في جماعة أو وحده بمنى أو بالآفاق كلها واجب وإنما يأتم الناس في ذلك بإمام الحاج وبالناس بمنى لأنهم إذا رجعوا وانقضى الإحرام ائتموا بهم حتى يكونوا مثلهم في الحل فأما من لم يكن حاجا فإنه لا يأتم بهم إلا في تكبير أيام التشريق ১৫১৭-قال مالك الأيام المعدودات أيام التشريق.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00