মুয়াত্তা ইমাম মালিক > চুল ছাঁটা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮১
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أفطر من رمضان وهو يريد الحج لم يأخذ من رأسه ولا من لحيته شيئا حتى يحج قال مالك ليس ذلك على الناس.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন রমযানের রোযা সমাপ্ত করতেন আর ঐ বৎসর হজ্জ করার ইচ্ছা করতেন তখন হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত মাথার চুল কাটতেন না ও দাড়ি ছাঁটতেন না। মালিক (র) বলেন, এ বিষয়টি ওয়াজিব নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন রমযানের রোযা সমাপ্ত করতেন আর ঐ বৎসর হজ্জ করার ইচ্ছা করতেন তখন হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত মাথার চুল কাটতেন না ও দাড়ি ছাঁটতেন না। মালিক (র) বলেন, এ বিষয়টি ওয়াজিব নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أفطر من رمضان وهو يريد الحج لم يأخذ من رأسه ولا من لحيته شيئا حتى يحج قال مالك ليس ذلك على الناس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৫
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله كان إذا أراد أن يحرم دعا بالجلمين فقص شاربه وأخذ من لحيته قبل أن يركب وقبل أن يهل محرما.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ যখন ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করতেন তখন উটে আরোহণ এবং ইহরাম বেঁধে ‘তালবিয়া’ পাঠ করার পূর্বেই কাঁচি এনে মোচ এবং দাড়ি ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ যখন ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করতেন তখন উটে আরোহণ এবং ইহরাম বেঁধে ‘তালবিয়া’ পাঠ করার পূর্বেই কাঁচি এনে মোচ এবং দাড়ি ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله كان إذا أراد أن يحرم دعا بالجلمين فقص شاربه وأخذ من لحيته قبل أن يركب وقبل أن يهل محرما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৪
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لقي رجلا من أهله يقال له المجبر قد أفاض ولم يحلق ولم يقصر جهل ذلك فأمره عبد الله أن يرجع فيحلق أو يقصر ثم يرجع إلى البيت فيفيض.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
মুজাব্বার নামক কোন এক নিকট-আত্মীয়ের সঙ্গে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাৎ হয়। সে তাওয়াফে যিয়ারত করে গিয়েছিল বটে তবে অজ্ঞতার দরুন মাথার চুল ছাঁটায়নি বা কামায়নি। তাকে তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পুনরায় মক্কায় গিয়ে চুল কামাতে বা ছাঁটাতে এবং পুনরায় তাওয়াফে যিয়ারত করতে নির্দেশ দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
মুজাব্বার নামক কোন এক নিকট-আত্মীয়ের সঙ্গে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাৎ হয়। সে তাওয়াফে যিয়ারত করে গিয়েছিল বটে তবে অজ্ঞতার দরুন মাথার চুল ছাঁটায়নি বা কামায়নি। তাকে তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পুনরায় মক্কায় গিয়ে চুল কামাতে বা ছাঁটাতে এবং পুনরায় তাওয়াফে যিয়ারত করতে নির্দেশ দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لقي رجلا من أهله يقال له المجبر قد أفاض ولم يحلق ولم يقصر جهل ذلك فأمره عبد الله أن يرجع فيحلق أو يقصر ثم يرجع إلى البيت فيفيض.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮২
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا حلق في حج أو عمرة أخذ من لحيته وشاربه.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হজ্জ ও উমরার পরে যখন মাথা মুণ্ডন করতেন তখন দাড়ি ও গোঁফ ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হজ্জ ও উমরার পরে যখন মাথা মুণ্ডন করতেন তখন দাড়ি ও গোঁফ ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا حلق في حج أو عمرة أخذ من لحيته وشاربه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৩
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا أتى القاسم بن محمد فقال إني أفضت وأفضت معي بأهلي ثم عدلت إلى شعب فذهبت لأدنو من أهلي فقالت إني لم أقصر من شعري بعد فأخذت من شعرها بأسناني ثم وقعت بها فضحك القاسم وقال مرها فلتأخذ من شعرها بالجلمين قال مالك أستحب في مثل هذا أن يهرق دما وذلك أن عبد الله بن عباس قال من نسي من نسكه شيئا فليهرق دما.
রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার স্ত্রী তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করার পর সহবাস করার ইচ্ছায় আমার স্ত্রীকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে গেলাম। আমার স্ত্রী তখন বলল, হজ্জের পর আমি এখনও আমার চুল ছাঁটাইনি। আমি তখন দাঁত দিয়ে তার চুল কেটে তার সাথে মিলিত হই। এখন কি করব? কাসিম (র) হেসে বললেন, যাও, স্ত্রীকে কাঁচির সাহায্যে চুল ছেঁটে নিতে বল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই অবস্থায় স্বামী যদি একটি কুরবানী দেয় তবে উহা ভাল। কেননা আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) বলেছেন, যে কেউ কোন আমল বা রুকন ভুলে বসলে সে এর পরিবর্তে একটি কুরবানী দিবে।
রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার স্ত্রী তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করার পর সহবাস করার ইচ্ছায় আমার স্ত্রীকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে গেলাম। আমার স্ত্রী তখন বলল, হজ্জের পর আমি এখনও আমার চুল ছাঁটাইনি। আমি তখন দাঁত দিয়ে তার চুল কেটে তার সাথে মিলিত হই। এখন কি করব? কাসিম (র) হেসে বললেন, যাও, স্ত্রীকে কাঁচির সাহায্যে চুল ছেঁটে নিতে বল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই অবস্থায় স্বামী যদি একটি কুরবানী দেয় তবে উহা ভাল। কেননা আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) বলেছেন, যে কেউ কোন আমল বা রুকন ভুলে বসলে সে এর পরিবর্তে একটি কুরবানী দিবে।
و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا أتى القاسم بن محمد فقال إني أفضت وأفضت معي بأهلي ثم عدلت إلى شعب فذهبت لأدنو من أهلي فقالت إني لم أقصر من شعري بعد فأخذت من شعرها بأسناني ثم وقعت بها فضحك القاسم وقال مرها فلتأخذ من شعرها بالجلمين قال مالك أستحب في مثل هذا أن يهرق دما وذلك أن عبد الله بن عباس قال من نسي من نسكه شيئا فليهرق دما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > চুল জমাট বাঁধানো
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৭
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قال من عقص رأسه أو ضفر أو لبد فقد وجب عليه الحلاق.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, (ইহ্রাম বাঁধার সময়) যে চুল খোঁপা বানিয়ে নেয় বা বেণী গেঁথে নেয় বা আঠালো কিছু দ্বারা জমিয়ে নেয় তার জন্য (ইহ্রাম খোলার সময়) মুণ্ডন করা ওয়াজিব। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, (ইহ্রাম বাঁধার সময়) যে চুল খোঁপা বানিয়ে নেয় বা বেণী গেঁথে নেয় বা আঠালো কিছু দ্বারা জমিয়ে নেয় তার জন্য (ইহ্রাম খোলার সময়) মুণ্ডন করা ওয়াজিব। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قال من عقص رأسه أو ضفر أو لبد فقد وجب عليه الحلاق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال من ضفر رأسه فليحلق ولا تشبهوا بالتلبيد.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, (ইহরাম বাঁধার সময়) যে ব্যক্তি মাথার চুল বেণী করে নিবে সে (ইহ্রাম খোলার সময়) যেন এটা কামায়ে ফেলে। ‘তালবীদ’ (আঠাল কোন পদার্থ দ্বারা মাথার চুল জমাট করা) সদৃশ যেন কেউ চুল জমাট না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, (ইহরাম বাঁধার সময়) যে ব্যক্তি মাথার চুল বেণী করে নিবে সে (ইহ্রাম খোলার সময়) যেন এটা কামায়ে ফেলে। ‘তালবীদ’ (আঠাল কোন পদার্থ দ্বারা মাথার চুল জমাট করা) সদৃশ যেন কেউ চুল জমাট না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال من ضفر رأسه فليحلق ولا تشبهوا بالتلبيد.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কা’বা ঘরের অভ্যন্তরে নামায আদায় করা, নামায কসর পড়া এবং আরাফাতে তাড়াতাড়ি খুতবা পাঠ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৮
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة هو وأسامة بن زيد وبلال بن رباح وعثمان بن طلحة الحجبي فأغلقها عليه ومكث فيها قال عبد الله فسألت بلالا حين خرج ما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال جعل عمودا عن يمينه وعمودين عن يساره وثلاثة أعمدة وراءه وكان البيت يومئذ على ستة أعمدة ثم صلى.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উসামা ইবনু যায়দ (রা) বিলাল ইবনু রাবাহ্ (রা) এবং উসমান ইবনু তালহা হাযাবী (রা)-কে নিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কা’বা শরীফের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন এবং দরজা বন্ধ করে দেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে কিছুক্ষণ রয়ে গেলেন। আবদুল্লাহ বলেন, বিলাল যখন বের হয়ে এলেন তখন তাঁকে আমি জিজ্ঞেস করলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে কি করেছেন? তিনি বললেন, একটি স্তম্ভ ডানে এবং তিনটি স্তম্ভ পেছনে রেখে তিনি সেখানে নামায আদায় করেছেন। তখনকার সময়ে কা’বা শরীফের ভিতর মোট ছয়টি স্তম্ভ ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উসামা ইবনু যায়দ (রা) বিলাল ইবনু রাবাহ্ (রা) এবং উসমান ইবনু তালহা হাযাবী (রা)-কে নিয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কা’বা শরীফের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন এবং দরজা বন্ধ করে দেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে কিছুক্ষণ রয়ে গেলেন। আবদুল্লাহ বলেন, বিলাল যখন বের হয়ে এলেন তখন তাঁকে আমি জিজ্ঞেস করলাম রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখানে কি করেছেন? তিনি বললেন, একটি স্তম্ভ ডানে এবং তিনটি স্তম্ভ পেছনে রেখে তিনি সেখানে নামায আদায় করেছেন। তখনকার সময়ে কা’বা শরীফের ভিতর মোট ছয়টি স্তম্ভ ছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل الكعبة هو وأسامة بن زيد وبلال بن رباح وعثمان بن طلحة الحجبي فأغلقها عليه ومكث فيها قال عبد الله فسألت بلالا حين خرج ما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال جعل عمودا عن يمينه وعمودين عن يساره وثلاثة أعمدة وراءه وكان البيت يومئذ على ستة أعمدة ثم صلى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৯
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أنه قال: كتب عبد الملك بن مروان إلى الحجاج بن يوسف أن لا تخالف عبد الله بن عمر في شيء من أمر الحج قال فلما كان يوم عرفة جاءه عبد الله بن عمر حين زالت الشمس وأنا معه فصاح به عند سرادقه أين هذا فخرج عليه الحجاج وعليه ملحفة معصفرة فقال ما لك يا أبا عبد الرحمن. فقال الرواح إن كنت تريد السنة فقال أهذه الساعة قال نعم قال فأنظرني حتى أفيض علي ماء ثم أخرج فنزل عبد الله حتى خرج الحجاج فسار بيني وبين أبي فقلت له إن كنت تريد أن تصيب السنة اليوم فاقصر الخطبة وعجل الصلاة قال فجعل الحجاج ينظر إلى عبد الله بن عمر كيما يسمع ذلك منه فلما رأى ذلك عبد الله قال صدق سالم.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান তদীয় গভর্নর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফকে নির্দেশ দিয়ে লিখেছিলেন হজ্জে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর কোন কাজে বিরোধিতা করবে না। সালিম (র) বলেন, আরাফাতের দিন সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে পড়ামাত্রই আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফের তাঁবুতে আসেন। আমিও তাঁর সাথে ছিলাম। তিনি বললেন হাজ্জাজ কোথায়? হাজ্জাজ তখন কুসুম রঙের চাদর শরীরে ছেড়ে বের হয়ে এসে বললেন, হে আবূ আবদুর রহমান, ব্যাপার কি? ইবনু উমার (রা) বললেন পবিত্র সুন্নতের অনুসরণ করে যদি চলার ইচ্ছা থাকে তবে জলদি চল। হাজ্জাজ বললেন, এখনই? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এখনই। হাজ্জাজ বললেন, একটু সময় দিন, গোসল করে নেই। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তখন সাওয়ারী হতে নেমে এলেন। কিছুক্ষণ পরেই হাজ্জাজও এলেন এবং আমার ও আমার পিতার (ইবনু উমার) মাঝখানে এসে দাঁড়ালেন। আমি তখন তাঁকে বললামঃ পবিত্র সুন্নতের অনুসরণ করে চলার ইচ্ছা থাকলে আজ খুতবাটা একটু হালকা করে পড়ো এবং নামায বেশি বিলম্ব করো না, জলদি করে পড়ে নিও। এই কথা শুনে হাজ্জাজ আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর মুখ হতে এটা শোনার জন্য তাঁর দিকে তাকালেন। তিনি তখন বললেন, হ্যাঁ, সালিম সত্য কথাই বলেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান তদীয় গভর্নর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফকে নির্দেশ দিয়ে লিখেছিলেন হজ্জে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর কোন কাজে বিরোধিতা করবে না। সালিম (র) বলেন, আরাফাতের দিন সূর্য পশ্চিম দিকে হেলে পড়ামাত্রই আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফের তাঁবুতে আসেন। আমিও তাঁর সাথে ছিলাম। তিনি বললেন হাজ্জাজ কোথায়? হাজ্জাজ তখন কুসুম রঙের চাদর শরীরে ছেড়ে বের হয়ে এসে বললেন, হে আবূ আবদুর রহমান, ব্যাপার কি? ইবনু উমার (রা) বললেন পবিত্র সুন্নতের অনুসরণ করে যদি চলার ইচ্ছা থাকে তবে জলদি চল। হাজ্জাজ বললেন, এখনই? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এখনই। হাজ্জাজ বললেন, একটু সময় দিন, গোসল করে নেই। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তখন সাওয়ারী হতে নেমে এলেন। কিছুক্ষণ পরেই হাজ্জাজও এলেন এবং আমার ও আমার পিতার (ইবনু উমার) মাঝখানে এসে দাঁড়ালেন। আমি তখন তাঁকে বললামঃ পবিত্র সুন্নতের অনুসরণ করে চলার ইচ্ছা থাকলে আজ খুতবাটা একটু হালকা করে পড়ো এবং নামায বেশি বিলম্ব করো না, জলদি করে পড়ে নিও। এই কথা শুনে হাজ্জাজ আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর মুখ হতে এটা শোনার জন্য তাঁর দিকে তাকালেন। তিনি তখন বললেন, হ্যাঁ, সালিম সত্য কথাই বলেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أنه قال: كتب عبد الملك بن مروان إلى الحجاج بن يوسف أن لا تخالف عبد الله بن عمر في شيء من أمر الحج قال فلما كان يوم عرفة جاءه عبد الله بن عمر حين زالت الشمس وأنا معه فصاح به عند سرادقه أين هذا فخرج عليه الحجاج وعليه ملحفة معصفرة فقال ما لك يا أبا عبد الرحمن. فقال الرواح إن كنت تريد السنة فقال أهذه الساعة قال نعم قال فأنظرني حتى أفيض علي ماء ثم أخرج فنزل عبد الله حتى خرج الحجاج فسار بيني وبين أبي فقلت له إن كنت تريد أن تصيب السنة اليوم فاقصر الخطبة وعجل الصلاة قال فجعل الحجاج ينظر إلى عبد الله بن عمر كيما يسمع ذلك منه فلما رأى ذلك عبد الله قال صدق سالم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আট তারিখে মিনাতে নামায পড়া, মিনা এবং আরাফাতে জুম’আর নামায পড়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৯০
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي الظهر والعصر والمغرب والعشاء والصبح بمنى ثم يغدو إذا طلعت الشمس إلى عرفة ১৪৯৬-قال مالك والأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن الإمام لا يجهر بالقرآن في الظهر يوم عرفة وأنه يخطب الناس يوم عرفة وأن الصلاة يوم عرفة إنما هي ظهر وإن وافقت الجمعة فإنما هي ظهر ولكنها قصرت من أجل السفر قال مالك في إمام الحاج إذا وافق يوم الجمعة يوم عرفة أو يوم النحر أو بعض أيام التشريق إنه لا يجمع في شيء من تلك الأيام .
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) যুহর, আসর, মাগরিব, ইশা এবং ফজরের নামায মিনা ময়দানে পড়তেন এবং সকালে সূর্যোদয়ের পর আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল, আরাফাত দিবসে ইমাম যুহরের নামাযে ‘কিরাআত’ জোরে পড়বেন না। হ্যাঁ, আরাফাতের দিন খুতবা দিবেন। মূলত আরাফাতের নামায যুহরেরই নামায। তবে সফরের কারণে উহা কসর বা সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হয়েছে। [১] মালিক (র) বলেন, ইয়াওমে-আরাফা বা ইয়াওমুননাহার বা আইয়্যামে তাশরীকের দিন যদি জুম’আর দিন হয় তবে ঐ সমস্ত দিনে ইমামুল-হজ্জ জুম’আর নামায পড়াবেন না।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) যুহর, আসর, মাগরিব, ইশা এবং ফজরের নামায মিনা ময়দানে পড়তেন এবং সকালে সূর্যোদয়ের পর আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল, আরাফাত দিবসে ইমাম যুহরের নামাযে ‘কিরাআত’ জোরে পড়বেন না। হ্যাঁ, আরাফাতের দিন খুতবা দিবেন। মূলত আরাফাতের নামায যুহরেরই নামায। তবে সফরের কারণে উহা কসর বা সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হয়েছে। [১] মালিক (র) বলেন, ইয়াওমে-আরাফা বা ইয়াওমুননাহার বা আইয়্যামে তাশরীকের দিন যদি জুম’আর দিন হয় তবে ঐ সমস্ত দিনে ইমামুল-হজ্জ জুম’আর নামায পড়াবেন না।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي الظهر والعصر والمغرب والعشاء والصبح بمنى ثم يغدو إذا طلعت الشمس إلى عرفة ১৪৯৬-قال مالك والأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن الإمام لا يجهر بالقرآن في الظهر يوم عرفة وأنه يخطب الناس يوم عرفة وأن الصلاة يوم عرفة إنما هي ظهر وإن وافقت الجمعة فإنما هي ظهر ولكنها قصرت من أجل السفر قال مالك في إمام الحاج إذا وافق يوم الجمعة يوم عرفة أو يوم النحر أو بعض أيام التشريق إنه لا يجمع في شيء من تلك الأيام .