মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জের সময় নাহ্‌র করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৩

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بمنى هذا المنحر وكل منى منحر وقال في العمرة هذا المنحر يعني المروة وكل فجاج مكة وطرقها منحر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনা সম্পর্কে বলেছেন, মিনার সারাটা ময়দানই ‘নাহর’ করার স্থান। আর উমরার সম্পর্কে বলেছেন, এর জন্য মারওয়াহ্ উত্তম স্থান। মক্কার প্রতিটি পথ এবং গলিও ‘নাহর’ করার স্থান। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৩৭, তিরমিযী ৮৮৫, ইবনু মাজাহ ৩০১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৬৯৯৭])

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনা সম্পর্কে বলেছেন, মিনার সারাটা ময়দানই ‘নাহর’ করার স্থান। আর উমরার সম্পর্কে বলেছেন, এর জন্য মারওয়াহ্ উত্তম স্থান। মক্কার প্রতিটি পথ এবং গলিও ‘নাহর’ করার স্থান। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৩৭, তিরমিযী ৮৮৫, ইবনু মাজাহ ৩০১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৬৯৯৭])

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بمنى هذا المنحر وكل منى منحر وقال في العمرة هذا المنحر يعني المروة وكل فجاج مكة وطرقها منحر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৫

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن حفصة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت من عمرتك فقال إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر.

উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে বললেন, অন্যরা তো উমরা করে ইহ্‌রাম খুলে ফেলেছে, কিন্তু আপনি খুললেন না? তিনি বললেন, আমি আমার চুল জমাট করে নিয়েছি আর হাদ্‌য়ীর গলায় হার লটকিয়ে দিয়েছি। সুতরাং ‘নাহর’ না করা পর্যন্ত আমি ইহ্‌রাম খুলব না। (বুখারী ১৫৬৬, মুসলিম ১২২৯)

উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে বললেন, অন্যরা তো উমরা করে ইহ্‌রাম খুলে ফেলেছে, কিন্তু আপনি খুললেন না? তিনি বললেন, আমি আমার চুল জমাট করে নিয়েছি আর হাদ্‌য়ীর গলায় হার লটকিয়ে দিয়েছি। সুতরাং ‘নাহর’ না করা পর্যন্ত আমি ইহ্‌রাম খুলব না। (বুখারী ১৫৬৬, মুসলিম ১২২৯)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن حفصة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت من عمرتك فقال إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال أخبرتني عمرة بنت عبد الرحمن أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لخمس ليال بقين من ذي القعدة ولا نرى إلا أنه الحج فلما دنونا من مكة أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يكن معه هدي إذا طاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة أن يحل قالت عائشة فدخل علينا يوم النحر بلحم بقر فقلت ما هذا فقالوا نحر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أزواجه. قال يحيى بن سعيد فذكرت هذا الحديث للقاسم بن محمد فقال أتتك والله بالحديث على وجهه.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তখন যিলকা’দ মাসের পাঁচ দিন অবশিষ্ট ছিল, যখন আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহিত রওয়ানা হলাম। আমাদের এই ধারণাই ছিল যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জের উদ্দেশ্যেই যাচ্ছেন। যখন আমরা মক্কার নিকটবর্তী হলাম তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাদের নিকট হাদ্‌য়ী ছিল না তাদেরকে তাওয়াফ ও সা’য়ী করে ইহরাম খুলে ফেলতে বলেন। আয়েশা (রা) বলেন, ইয়াওমুন্‌নাহরের দিন আমাদের কাছে গরুর গোশত আনা হল। এটা দেখে বললাম এটা কোথা হতে এসেছে? লোকে বলল, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্ত্রীগণের তরফ হতে কুরবানী দিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রা) বলেন, আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মদের নিকট উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, ‘আম্‌রাহ্ বিন্ত আবদুর রহমান এই হাদীসটি সম্পূর্ণরূপে বর্ণনা করেছেন। (বুখারী ১৭০৯, মুসলিম ১২১১)

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তখন যিলকা’দ মাসের পাঁচ দিন অবশিষ্ট ছিল, যখন আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহিত রওয়ানা হলাম। আমাদের এই ধারণাই ছিল যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জের উদ্দেশ্যেই যাচ্ছেন। যখন আমরা মক্কার নিকটবর্তী হলাম তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাদের নিকট হাদ্‌য়ী ছিল না তাদেরকে তাওয়াফ ও সা’য়ী করে ইহরাম খুলে ফেলতে বলেন। আয়েশা (রা) বলেন, ইয়াওমুন্‌নাহরের দিন আমাদের কাছে গরুর গোশত আনা হল। এটা দেখে বললাম এটা কোথা হতে এসেছে? লোকে বলল, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্ত্রীগণের তরফ হতে কুরবানী দিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রা) বলেন, আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মদের নিকট উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, ‘আম্‌রাহ্ বিন্ত আবদুর রহমান এই হাদীসটি সম্পূর্ণরূপে বর্ণনা করেছেন। (বুখারী ১৭০৯, মুসলিম ১২১১)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال أخبرتني عمرة بنت عبد الرحمن أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لخمس ليال بقين من ذي القعدة ولا نرى إلا أنه الحج فلما دنونا من مكة أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يكن معه هدي إذا طاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة أن يحل قالت عائشة فدخل علينا يوم النحر بلحم بقر فقلت ما هذا فقالوا نحر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أزواجه. قال يحيى بن سعيد فذكرت هذا الحديث للقاسم بن محمد فقال أتتك والله بالحديث على وجهه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নাহ্‌র-এর বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৬

حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحر بعض هديه ونحر غيره بعضه.

আলী ইবনু আবি তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় কুরবানীর কিছুসংখ্যক পশু নিজের হাতে ‘নাহর’ করেন আর বাকিগুলো অন্যরা ‘নাহর’ করেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮)

আলী ইবনু আবি তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় কুরবানীর কিছুসংখ্যক পশু নিজের হাতে ‘নাহর’ করেন আর বাকিগুলো অন্যরা ‘নাহর’ করেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮)

حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحر بعض هديه ونحر غيره بعضه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৮

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان ينحر بدنه قياما ১৪৭৫-قال مالك لا يجوز لأحد أن يحلق رأسه حتى ينحر هديه ولا ينبغي لأحد أن ينحر قبل الفجر يوم النحر وإنما العمل كله يوم النحر الذبح ولبس الثياب وإلقاء التفث والحلاق لا يكون شيء من ذلك يفعل قبل يوم النحر.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

পিতা উটগুলোকে দাঁড় করিয়ে ঐগুলোর ‘নাহ্‌র’ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কুরবানী করার পূর্বে মাথা কামানো জায়েয নয়। দশ তারিখের সুবহে সাদিকের পূর্বে কুরবানী করাও জায়েয নয়। কুরবানী করা, কাপড় বদলান, শরীরের ময়লা সাফ করা, মাথা কামান ইত্যাদি বিষয় যিলহজ্জের দশ তারিখে করতে হবে। উহার পূর্বে এই সমস্ত করা জায়েয নয়।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

পিতা উটগুলোকে দাঁড় করিয়ে ঐগুলোর ‘নাহ্‌র’ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কুরবানী করার পূর্বে মাথা কামানো জায়েয নয়। দশ তারিখের সুবহে সাদিকের পূর্বে কুরবানী করাও জায়েয নয়। কুরবানী করা, কাপড় বদলান, শরীরের ময়লা সাফ করা, মাথা কামান ইত্যাদি বিষয় যিলহজ্জের দশ তারিখে করতে হবে। উহার পূর্বে এই সমস্ত করা জায়েয নয়।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان ينحر بدنه قياما ১৪৭৫-قال مالك لا يجوز لأحد أن يحلق رأسه حتى ينحر هديه ولا ينبغي لأحد أن ينحر قبل الفجر يوم النحر وإنما العمل كله يوم النحر الذبح ولبس الثياب وإلقاء التفث والحلاق لا يكون شيء من ذلك يفعل قبل يوم النحر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৭

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال: من نذر بدنة فإنه يقلدها نعلين ويشعرها ثم ينحرها عند البيت أو بمنى يوم النحر ليس لها محل دون ذلك ومن نذر جزورا من الإبل أو البقر فلينحرها حيث شاء.

নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, হাদয়ীর কুরবানী করার মানত করলে উহার গলায় একজোড়া জুতা লটকিয়ে দিবে এবং উহার কুঁজ যখমী করে দিবে। পরে দশ তারিখে কা’বা শরীফের নিকট বা মিনা ময়দানে উহা ‘নাহর’ করবে, এটা দ্বারা ‘নাহর’ করার আর কোন স্থান নেই। আর যদি কেউ উট বা গরু ইত্যাদি কুরবানী করার মানত করে, তবে সে যে স্থানে ইচ্ছা কুরবানী করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, হাদয়ীর কুরবানী করার মানত করলে উহার গলায় একজোড়া জুতা লটকিয়ে দিবে এবং উহার কুঁজ যখমী করে দিবে। পরে দশ তারিখে কা’বা শরীফের নিকট বা মিনা ময়দানে উহা ‘নাহর’ করবে, এটা দ্বারা ‘নাহর’ করার আর কোন স্থান নেই। আর যদি কেউ উট বা গরু ইত্যাদি কুরবানী করার মানত করে, তবে সে যে স্থানে ইচ্ছা কুরবানী করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال: من نذر بدنة فإنه يقلدها نعلين ويشعرها ثم ينحرها عند البيت أو بمنى يوم النحر ليس لها محل دون ذلك ومن نذر جزورا من الإبل أو البقر فلينحرها حيث شاء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মাথা মুণ্ডান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৯

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اللهم ارحم المحلقين قالوا والمقصرين يا رسول الله قال اللهم ارحم المحلقين قالوا والمقصرين يا رسول الله قال والمقصرين.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’আ করছিলেন হে আল্লাহ্, মাথা মুণ্ডনকারীদের উপর আপনি রহম করুন। [১] সাহাবীগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! চুল যারা ছাঁটাবে তাদের জন্যও আল্লাহর রহমতের দু’আ করুন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্! মাথা মুণ্ডনকারীদের রহম করুন। সাহাবীগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! চুল যারা ছাঁটাবে তাদের জন্য আল্লাহ্‌র রহমতের দু’আ করুন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্ ! চুল যারা ছাঁটাবে তাদের প্রতিও রহমত করুন। (বুখারী ১৭২৭, মুসলিম ১৩০১)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দু’আ করছিলেন হে আল্লাহ্, মাথা মুণ্ডনকারীদের উপর আপনি রহম করুন। [১] সাহাবীগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! চুল যারা ছাঁটাবে তাদের জন্যও আল্লাহর রহমতের দু’আ করুন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্! মাথা মুণ্ডনকারীদের রহম করুন। সাহাবীগণ আরয করলেন, হে আল্লাহর রসূল! চুল যারা ছাঁটাবে তাদের জন্য আল্লাহ্‌র রহমতের দু’আ করুন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আল্লাহ্ ! চুল যারা ছাঁটাবে তাদের প্রতিও রহমত করুন। (বুখারী ১৭২৭, মুসলিম ১৩০১)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال اللهم ارحم المحلقين قالوا والمقصرين يا رسول الله قال اللهم ارحم المحلقين قالوا والمقصرين يا رسول الله قال والمقصرين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮০

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أنه كان يدخل مكة ليلا وهو معتمر فيطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ويؤخر الحلاق حتى يصبح قال ولكنه لا يعود إلى البيت فيطوف به حتى يحلق رأسه قال وربما دخل المسجد فأوتر فيه ولا يقرب البيت ১৪৭৯-قال مالك التفث حلاق الشعر ولبس الثياب وما يتبع ذلك ১৪৮قال يحيى سئل مالك عن رجل نسي الحلاق بمنى في الحج هل له رخصة في أن يحلق بمكة قال ذلك واسع والحلاق بمنى أحب إلي ১৪৮১- قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن أحدا لا يحلق رأسه ولا يأخذ من شعره حتى ينحر هديا إن كان معه ولا يحل من شيء حرم عليه حتى يحل بمنى يوم النحر وذلك أن الله تبارك وتعالى قال: { ولا تحلقوا رءوسكم حتى يبلغ الهدي محله }.

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (কাসিম ইবনু মুহাম্মদ) উমরার ইহরাম বেঁধে রাত্রে মক্কায় আসতেন, তাওয়াফ ও সায়ী করার পর ভোর পর্যন্ত মাথা মুণ্ডন করার জন্য অপেক্ষা করতেন। মাথা না কামানো পর্যন্ত বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন না। নিকটবর্তী মসজিদে এসে কখনও কখনও বিতরের নামায আদায় করতেন বটে তবে বায়তুল্লাহর নিকটবর্তী হতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘তাফাস’ অর্থ হল, হজ্জের পর মাথা কামানো এবং কাপড়-চোপড় বদলান ইত্যাদি। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয় হজ্জের সময় একজন মাথা কামাতে ভুলে গেলে কি মক্কায় এসে মাথা মুণ্ডন করতে পারবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, পারবে। তবে মিনাতে অবস্থানকালে উহা করা ভাল। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিষয় এই যতক্ষণ পর্যন্ত হাদয়ী যবেহ করেনি ততক্ষণ কেউ মাথা মুণ্ডন করবে না বা চুল ছাঁটাবে না। আর যতক্ষণ মিনায় পোঁছিয়া যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ইহরাম না খুলবে, ততক্ষণ তার হারাম বিষয়সমূহ হালাল হবে না। কারণ আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন কুরবানী যতক্ষণ তার নিজ স্থলে না পৌঁছাবে ততক্ষণ তোমরা মাথা মুণ্ডন করো না।

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (কাসিম ইবনু মুহাম্মদ) উমরার ইহরাম বেঁধে রাত্রে মক্কায় আসতেন, তাওয়াফ ও সায়ী করার পর ভোর পর্যন্ত মাথা মুণ্ডন করার জন্য অপেক্ষা করতেন। মাথা না কামানো পর্যন্ত বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করতেন না। নিকটবর্তী মসজিদে এসে কখনও কখনও বিতরের নামায আদায় করতেন বটে তবে বায়তুল্লাহর নিকটবর্তী হতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘তাফাস’ অর্থ হল, হজ্জের পর মাথা কামানো এবং কাপড়-চোপড় বদলান ইত্যাদি। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হয় হজ্জের সময় একজন মাথা কামাতে ভুলে গেলে কি মক্কায় এসে মাথা মুণ্ডন করতে পারবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, পারবে। তবে মিনাতে অবস্থানকালে উহা করা ভাল। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট সর্বসম্মত বিষয় এই যতক্ষণ পর্যন্ত হাদয়ী যবেহ করেনি ততক্ষণ কেউ মাথা মুণ্ডন করবে না বা চুল ছাঁটাবে না। আর যতক্ষণ মিনায় পোঁছিয়া যিলহজ্জ মাসের দশ তারিখে ইহরাম না খুলবে, ততক্ষণ তার হারাম বিষয়সমূহ হালাল হবে না। কারণ আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন কুরবানী যতক্ষণ তার নিজ স্থলে না পৌঁছাবে ততক্ষণ তোমরা মাথা মুণ্ডন করো না।

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أنه كان يدخل مكة ليلا وهو معتمر فيطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ويؤخر الحلاق حتى يصبح قال ولكنه لا يعود إلى البيت فيطوف به حتى يحلق رأسه قال وربما دخل المسجد فأوتر فيه ولا يقرب البيت ১৪৭৯-قال مالك التفث حلاق الشعر ولبس الثياب وما يتبع ذلك ১৪৮قال يحيى سئل مالك عن رجل نسي الحلاق بمنى في الحج هل له رخصة في أن يحلق بمكة قال ذلك واسع والحلاق بمنى أحب إلي ১৪৮১- قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن أحدا لا يحلق رأسه ولا يأخذ من شعره حتى ينحر هديا إن كان معه ولا يحل من شيء حرم عليه حتى يحل بمنى يوم النحر وذلك أن الله تبارك وتعالى قال: { ولا تحلقوا رءوسكم حتى يبلغ الهدي محله }.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > চুল ছাঁটা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮১

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أفطر من رمضان وهو يريد الحج لم يأخذ من رأسه ولا من لحيته شيئا حتى يحج قال مالك ليس ذلك على الناس.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন রমযানের রোযা সমাপ্ত করতেন আর ঐ বৎসর হজ্জ করার ইচ্ছা করতেন তখন হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত মাথার চুল কাটতেন না ও দাড়ি ছাঁটতেন না। মালিক (র) বলেন, এ বিষয়টি ওয়াজিব নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন রমযানের রোযা সমাপ্ত করতেন আর ঐ বৎসর হজ্জ করার ইচ্ছা করতেন তখন হজ্জ সমাধা না করা পর্যন্ত মাথার চুল কাটতেন না ও দাড়ি ছাঁটতেন না। মালিক (র) বলেন, এ বিষয়টি ওয়াজিব নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أفطر من رمضان وهو يريد الحج لم يأخذ من رأسه ولا من لحيته شيئا حتى يحج قال مالك ليس ذلك على الناس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৫

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله كان إذا أراد أن يحرم دعا بالجلمين فقص شاربه وأخذ من لحيته قبل أن يركب وقبل أن يهل محرما.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ যখন ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করতেন তখন উটে আরোহণ এবং ইহরাম বেঁধে ‘তালবিয়া’ পাঠ করার পূর্বেই কাঁচি এনে মোচ এবং দাড়ি ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ যখন ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করতেন তখন উটে আরোহণ এবং ইহরাম বেঁধে ‘তালবিয়া’ পাঠ করার পূর্বেই কাঁচি এনে মোচ এবং দাড়ি ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سالم بن عبد الله كان إذا أراد أن يحرم دعا بالجلمين فقص شاربه وأخذ من لحيته قبل أن يركب وقبل أن يهل محرما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৪

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لقي رجلا من أهله يقال له المجبر قد أفاض ولم يحلق ولم يقصر جهل ذلك فأمره عبد الله أن يرجع فيحلق أو يقصر ثم يرجع إلى البيت فيفيض.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

মুজাব্বার নামক কোন এক নিকট-আত্মীয়ের সঙ্গে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাৎ হয়। সে তাওয়াফে যিয়ারত করে গিয়েছিল বটে তবে অজ্ঞতার দরুন মাথার চুল ছাঁটায়নি বা কামায়নি। তাকে তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পুনরায় মক্কায় গিয়ে চুল কামাতে বা ছাঁটাতে এবং পুনরায় তাওয়াফে যিয়ারত করতে নির্দেশ দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

মুজাব্বার নামক কোন এক নিকট-আত্মীয়ের সঙ্গে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাৎ হয়। সে তাওয়াফে যিয়ারত করে গিয়েছিল বটে তবে অজ্ঞতার দরুন মাথার চুল ছাঁটায়নি বা কামায়নি। তাকে তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পুনরায় মক্কায় গিয়ে চুল কামাতে বা ছাঁটাতে এবং পুনরায় তাওয়াফে যিয়ারত করতে নির্দেশ দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه لقي رجلا من أهله يقال له المجبر قد أفاض ولم يحلق ولم يقصر جهل ذلك فأمره عبد الله أن يرجع فيحلق أو يقصر ثم يرجع إلى البيت فيفيض.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮২

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا حلق في حج أو عمرة أخذ من لحيته وشاربه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হজ্জ ও উমরার পরে যখন মাথা মুণ্ডন করতেন তখন দাড়ি ও গোঁফ ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হজ্জ ও উমরার পরে যখন মাথা মুণ্ডন করতেন তখন দাড়ি ও গোঁফ ছেঁটে নিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا حلق في حج أو عمرة أخذ من لحيته وشاربه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৮৩

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا أتى القاسم بن محمد فقال إني أفضت وأفضت معي بأهلي ثم عدلت إلى شعب فذهبت لأدنو من أهلي فقالت إني لم أقصر من شعري بعد فأخذت من شعرها بأسناني ثم وقعت بها فضحك القاسم وقال مرها فلتأخذ من شعرها بالجلمين قال مالك أستحب في مثل هذا أن يهرق دما وذلك أن عبد الله بن عباس قال من نسي من نسكه شيئا فليهرق دما.

রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার স্ত্রী তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করার পর সহবাস করার ইচ্ছায় আমার স্ত্রীকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে গেলাম। আমার স্ত্রী তখন বলল, হজ্জের পর আমি এখনও আমার চুল ছাঁটাইনি। আমি তখন দাঁত দিয়ে তার চুল কেটে তার সাথে মিলিত হই। এখন কি করব? কাসিম (র) হেসে বললেন, যাও, স্ত্রীকে কাঁচির সাহায্যে চুল ছেঁটে নিতে বল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই অবস্থায় স্বামী যদি একটি কুরবানী দেয় তবে উহা ভাল। কেননা আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) বলেছেন, যে কেউ কোন আমল বা রুকন ভুলে বসলে সে এর পরিবর্তে একটি কুরবানী দিবে।

রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র)-এর নিকট এসে বলল, আমি ও আমার স্ত্রী তাওয়াফে যিয়ারত সমাধা করার পর সহবাস করার ইচ্ছায় আমার স্ত্রীকে এক নির্জন স্থানে নিয়ে গেলাম। আমার স্ত্রী তখন বলল, হজ্জের পর আমি এখনও আমার চুল ছাঁটাইনি। আমি তখন দাঁত দিয়ে তার চুল কেটে তার সাথে মিলিত হই। এখন কি করব? কাসিম (র) হেসে বললেন, যাও, স্ত্রীকে কাঁচির সাহায্যে চুল ছেঁটে নিতে বল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই অবস্থায় স্বামী যদি একটি কুরবানী দেয় তবে উহা ভাল। কেননা আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) বলেছেন, যে কেউ কোন আমল বা রুকন ভুলে বসলে সে এর পরিবর্তে একটি কুরবানী দিবে।

و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا أتى القاسم بن محمد فقال إني أفضت وأفضت معي بأهلي ثم عدلت إلى شعب فذهبت لأدنو من أهلي فقالت إني لم أقصر من شعري بعد فأخذت من شعرها بأسناني ثم وقعت بها فضحك القاسم وقال مرها فلتأخذ من شعرها بالجلمين قال مالك أستحب في مثل هذا أن يهرق دما وذلك أن عبد الله بن عباس قال من نسي من نسكه شيئا فليهرق دما.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00