মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মহিলা ও শিশুদেরকে প্রথমে রওয়ানা করে দেওয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬৯

و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يكره رمي الجمرة حتى يطلع الفجر من يوم النحر ومن رمى فقد حل له النحر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কতিপয় আলিমের নিকট শুনেছেন যে, তাঁরা ইয়াওমুন-নাহরের ফজর হওয়ার পূর্বে প্রস্তর নিক্ষেপ করা মাকরূহ বলে মনে করতেন। যে ব্যক্তি প্রস্তর নিক্ষেপ করেছে তার জন্য নাহর করা হালাল হয়ে গিয়েছে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কতিপয় আলিমের নিকট শুনেছেন যে, তাঁরা ইয়াওমুন-নাহরের ফজর হওয়ার পূর্বে প্রস্তর নিক্ষেপ করা মাকরূহ বলে মনে করতেন। যে ব্যক্তি প্রস্তর নিক্ষেপ করেছে তার জন্য নাহর করা হালাল হয়ে গিয়েছে।

و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يكره رمي الجمرة حتى يطلع الفجر من يوم النحر ومن رمى فقد حل له النحر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬৬

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن سالم وعبيد الله ابني عبد الله بن عمر أن أباهما عبد الله بن عمر كان يقدم أهله وصبيانه من المزدلفة إلى منى حتى يصلوا الصبح بمنى ويرموا قبل أن يأتي الناس.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) শিশু ও মহিলাদেরকে প্রথম মুযদালিফা হতে মিনায় পাঠিয়ে দিতেন, মিনায় ফজরের নামায আদায় করার পরপরই অন্যান্য লোক আসার পূর্বে যেন তারা প্রস্তর নিক্ষেপ করে নিতে পারেন। (বুখারী ১৬৭৬, মুসলিম ১২৯৫)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) শিশু ও মহিলাদেরকে প্রথম মুযদালিফা হতে মিনায় পাঠিয়ে দিতেন, মিনায় ফজরের নামায আদায় করার পরপরই অন্যান্য লোক আসার পূর্বে যেন তারা প্রস্তর নিক্ষেপ করে নিতে পারেন। (বুখারী ১৬৭৬, মুসলিম ১২৯৫)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن سالم وعبيد الله ابني عبد الله بن عمر أن أباهما عبد الله بن عمر كان يقدم أهله وصبيانه من المزدلفة إلى منى حتى يصلوا الصبح بمنى ويرموا قبل أن يأتي الناس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬৭

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عطاء بن أبي رباح أن مولاة لأسماء بنت أبي بكر أخبرته قالت جئنا مع أسماء ابنة أبي بكر منى بغلس قالت فقلت لها لقد جئنا منى بغلس فقالت قد كنا نصنع ذلك مع من هو خير منك.

আতা ইবনু রাবা’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আসমা বিন্‌ত আবি বক্‌র (রা)-এর আযাদ দাসী বর্ণনা করেন, অন্ধকার থাকতেই আসমা বিন্‌ত আবি বক্‌র (রা)-এর সাথে আমরা মিনায় চলে এলাম। আসমাকে তখন আমি বললাম অন্ধকার থাকতেই যে মিনায় আমরা চলে এলাম? তিনি বললেন, তোমাদের হতে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন অর্থাৎ রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), তাঁর আমলেও আমরা এই ধরনের আমল করেছি। (বুখারী ১৬৭৯, মুসলিম ১২১৯)

আতা ইবনু রাবা’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আসমা বিন্‌ত আবি বক্‌র (রা)-এর আযাদ দাসী বর্ণনা করেন, অন্ধকার থাকতেই আসমা বিন্‌ত আবি বক্‌র (রা)-এর সাথে আমরা মিনায় চলে এলাম। আসমাকে তখন আমি বললাম অন্ধকার থাকতেই যে মিনায় আমরা চলে এলাম? তিনি বললেন, তোমাদের হতে যিনি শ্রেষ্ঠ ছিলেন অর্থাৎ রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), তাঁর আমলেও আমরা এই ধরনের আমল করেছি। (বুখারী ১৬৭৯, মুসলিম ১২১৯)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عطاء بن أبي رباح أن مولاة لأسماء بنت أبي بكر أخبرته قالت جئنا مع أسماء ابنة أبي بكر منى بغلس قالت فقلت لها لقد جئنا منى بغلس فقالت قد كنا نصنع ذلك مع من هو خير منك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬৮

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن طلحة بن عبيد الله كان يقدم نساءه وصبيانه من المزدلفة إلى منى.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (র) তাঁর পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরকে মুযদালিফা হতে মিনায় আগেই পাঠিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (র) তাঁর পরিবারের মহিলা ও শিশুদেরকে মুযদালিফা হতে মিনায় আগেই পাঠিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن طلحة بن عبيد الله كان يقدم نساءه وصبيانه من المزدلفة إلى منى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭০

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أخبرته أنها كانت ترى أسماء بنت أبي بكر بالمزدلفة تأمر الذي يصلي لها ولأصحابها الصبح يصلي لهم الصبح حين يطلع الفجر ثم تركب فتسير إلى منى ولا تقف.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

মুযদালিফা অবস্থানকালে আসমা বিন্‌তে আবি বাক্‌র (রা)-কে দেখেছি, যে ব্যক্তি তাঁদের নামায পড়াতেন তাঁকে তিনি বলতেন, সুবহে সাদিক হওয়ামাত্রই যেন নামায পড়িয়ে দেন। পরে নামায পড়ামাত্র আর বিলম্ব না করে তিনি মিনায় চলে আসতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

মুযদালিফা অবস্থানকালে আসমা বিন্‌তে আবি বাক্‌র (রা)-কে দেখেছি, যে ব্যক্তি তাঁদের নামায পড়াতেন তাঁকে তিনি বলতেন, সুবহে সাদিক হওয়ামাত্রই যেন নামায পড়িয়ে দেন। পরে নামায পড়ামাত্র আর বিলম্ব না করে তিনি মিনায় চলে আসতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أخبرته أنها كانت ترى أسماء بنت أبي بكر بالمزدلفة تأمر الذي يصلي لها ولأصحابها الصبح يصلي لهم الصبح حين يطلع الفجر ثم تركب فتسير إلى منى ولا تقف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আরাফাত হতে প্রত্যাবর্তনের সময় কিরূপে এবং কি গতিতে চলা উচিত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭২

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يحرك راحلته في بطن محسر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বাতনে-মুহাস্‌সির হতে প্রস্তর নিক্ষেপ করার স্থান পর্যন্ত তাঁর উটের গতি দ্রুত করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বাতনে-মুহাস্‌সির হতে প্রস্তর নিক্ষেপ করার স্থান পর্যন্ত তাঁর উটের গতি দ্রুত করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يحرك راحلته في بطن محسر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭১

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال سئل أسامة بن زيد وأنا جالس معه كيف كان يسير رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع حين دفع قال كان يسير العنق فإذا وجد فجوة نص قال مالك قال هشام بن عروة والنص فوق العنق.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

উসামা ইবনু যায়দ (রা)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁকে তখন জিজ্ঞেস করা হল বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরাফাতের ময়দান হতে প্রত্যাবর্তনের সময় কিরূপ গতিতে উট চালাচ্ছিলেন? তিনি বললেন, দ্রুত চালিয়ে ফিরছিলেন। একটু ফাঁক পাইলে তখন খুবই দ্রুতগতিতে চালাতেন। (বুখারী ১৬৬৬, মুসলিম ১২৮৬) মালিক (র) বলেন, হিশাম (র) বলেছেন, ‘নস’ জাতীয় গতি ‘আনাক’ জাতীয় গতি হতে দ্রুততর। [১]

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

উসামা ইবনু যায়দ (রা)-এর নিকট বসা ছিলাম। তাঁকে তখন জিজ্ঞেস করা হল বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরাফাতের ময়দান হতে প্রত্যাবর্তনের সময় কিরূপ গতিতে উট চালাচ্ছিলেন? তিনি বললেন, দ্রুত চালিয়ে ফিরছিলেন। একটু ফাঁক পাইলে তখন খুবই দ্রুতগতিতে চালাতেন। (বুখারী ১৬৬৬, মুসলিম ১২৮৬) মালিক (র) বলেন, হিশাম (র) বলেছেন, ‘নস’ জাতীয় গতি ‘আনাক’ জাতীয় গতি হতে দ্রুততর। [১]

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال سئل أسامة بن زيد وأنا جالس معه كيف كان يسير رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع حين دفع قال كان يسير العنق فإذا وجد فجوة نص قال مالك قال هشام بن عروة والنص فوق العنق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জের সময় নাহ্‌র করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৩

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بمنى هذا المنحر وكل منى منحر وقال في العمرة هذا المنحر يعني المروة وكل فجاج مكة وطرقها منحر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনা সম্পর্কে বলেছেন, মিনার সারাটা ময়দানই ‘নাহর’ করার স্থান। আর উমরার সম্পর্কে বলেছেন, এর জন্য মারওয়াহ্ উত্তম স্থান। মক্কার প্রতিটি পথ এবং গলিও ‘নাহর’ করার স্থান। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৩৭, তিরমিযী ৮৮৫, ইবনু মাজাহ ৩০১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৬৯৯৭])

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মিনা সম্পর্কে বলেছেন, মিনার সারাটা ময়দানই ‘নাহর’ করার স্থান। আর উমরার সম্পর্কে বলেছেন, এর জন্য মারওয়াহ্ উত্তম স্থান। মক্কার প্রতিটি পথ এবং গলিও ‘নাহর’ করার স্থান। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৩৭, তিরমিযী ৮৮৫, ইবনু মাজাহ ৩০১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে ৬৯৯৭])

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بمنى هذا المنحر وكل منى منحر وقال في العمرة هذا المنحر يعني المروة وكل فجاج مكة وطرقها منحر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৫

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن حفصة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت من عمرتك فقال إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر.

উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে বললেন, অন্যরা তো উমরা করে ইহ্‌রাম খুলে ফেলেছে, কিন্তু আপনি খুললেন না? তিনি বললেন, আমি আমার চুল জমাট করে নিয়েছি আর হাদ্‌য়ীর গলায় হার লটকিয়ে দিয়েছি। সুতরাং ‘নাহর’ না করা পর্যন্ত আমি ইহ্‌রাম খুলব না। (বুখারী ১৫৬৬, মুসলিম ১২২৯)

উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে বললেন, অন্যরা তো উমরা করে ইহ্‌রাম খুলে ফেলেছে, কিন্তু আপনি খুললেন না? তিনি বললেন, আমি আমার চুল জমাট করে নিয়েছি আর হাদ্‌য়ীর গলায় হার লটকিয়ে দিয়েছি। সুতরাং ‘নাহর’ না করা পর্যন্ত আমি ইহ্‌রাম খুলব না। (বুখারী ১৫৬৬, মুসলিম ১২২৯)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن حفصة أم المؤمنين أنها قالت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ما شأن الناس حلوا ولم تحلل أنت من عمرتك فقال إني لبدت رأسي وقلدت هديي فلا أحل حتى أنحر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال أخبرتني عمرة بنت عبد الرحمن أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لخمس ليال بقين من ذي القعدة ولا نرى إلا أنه الحج فلما دنونا من مكة أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يكن معه هدي إذا طاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة أن يحل قالت عائشة فدخل علينا يوم النحر بلحم بقر فقلت ما هذا فقالوا نحر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أزواجه. قال يحيى بن سعيد فذكرت هذا الحديث للقاسم بن محمد فقال أتتك والله بالحديث على وجهه.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তখন যিলকা’দ মাসের পাঁচ দিন অবশিষ্ট ছিল, যখন আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহিত রওয়ানা হলাম। আমাদের এই ধারণাই ছিল যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জের উদ্দেশ্যেই যাচ্ছেন। যখন আমরা মক্কার নিকটবর্তী হলাম তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাদের নিকট হাদ্‌য়ী ছিল না তাদেরকে তাওয়াফ ও সা’য়ী করে ইহরাম খুলে ফেলতে বলেন। আয়েশা (রা) বলেন, ইয়াওমুন্‌নাহরের দিন আমাদের কাছে গরুর গোশত আনা হল। এটা দেখে বললাম এটা কোথা হতে এসেছে? লোকে বলল, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্ত্রীগণের তরফ হতে কুরবানী দিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রা) বলেন, আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মদের নিকট উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, ‘আম্‌রাহ্ বিন্ত আবদুর রহমান এই হাদীসটি সম্পূর্ণরূপে বর্ণনা করেছেন। (বুখারী ১৭০৯, মুসলিম ১২১১)

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তখন যিলকা’দ মাসের পাঁচ দিন অবশিষ্ট ছিল, যখন আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহিত রওয়ানা হলাম। আমাদের এই ধারণাই ছিল যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জের উদ্দেশ্যেই যাচ্ছেন। যখন আমরা মক্কার নিকটবর্তী হলাম তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যাদের নিকট হাদ্‌য়ী ছিল না তাদেরকে তাওয়াফ ও সা’য়ী করে ইহরাম খুলে ফেলতে বলেন। আয়েশা (রা) বলেন, ইয়াওমুন্‌নাহরের দিন আমাদের কাছে গরুর গোশত আনা হল। এটা দেখে বললাম এটা কোথা হতে এসেছে? লোকে বলল, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্ত্রীগণের তরফ হতে কুরবানী দিয়েছেন। ইয়াহইয়া (রা) বলেন, আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মদের নিকট উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আল্লাহর কসম, ‘আম্‌রাহ্ বিন্ত আবদুর রহমান এই হাদীসটি সম্পূর্ণরূপে বর্ণনা করেছেন। (বুখারী ১৭০৯, মুসলিম ১২১১)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد قال أخبرتني عمرة بنت عبد الرحمن أنها سمعت عائشة أم المؤمنين تقول: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم لخمس ليال بقين من ذي القعدة ولا نرى إلا أنه الحج فلما دنونا من مكة أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم من لم يكن معه هدي إذا طاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة أن يحل قالت عائشة فدخل علينا يوم النحر بلحم بقر فقلت ما هذا فقالوا نحر رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أزواجه. قال يحيى بن سعيد فذكرت هذا الحديث للقاسم بن محمد فقال أتتك والله بالحديث على وجهه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নাহ্‌র-এর বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৬

حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحر بعض هديه ونحر غيره بعضه.

আলী ইবনু আবি তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় কুরবানীর কিছুসংখ্যক পশু নিজের হাতে ‘নাহর’ করেন আর বাকিগুলো অন্যরা ‘নাহর’ করেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮)

আলী ইবনু আবি তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় কুরবানীর কিছুসংখ্যক পশু নিজের হাতে ‘নাহর’ করেন আর বাকিগুলো অন্যরা ‘নাহর’ করেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮)

حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحر بعض هديه ونحر غيره بعضه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৮

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان ينحر بدنه قياما ১৪৭৫-قال مالك لا يجوز لأحد أن يحلق رأسه حتى ينحر هديه ولا ينبغي لأحد أن ينحر قبل الفجر يوم النحر وإنما العمل كله يوم النحر الذبح ولبس الثياب وإلقاء التفث والحلاق لا يكون شيء من ذلك يفعل قبل يوم النحر.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

পিতা উটগুলোকে দাঁড় করিয়ে ঐগুলোর ‘নাহ্‌র’ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কুরবানী করার পূর্বে মাথা কামানো জায়েয নয়। দশ তারিখের সুবহে সাদিকের পূর্বে কুরবানী করাও জায়েয নয়। কুরবানী করা, কাপড় বদলান, শরীরের ময়লা সাফ করা, মাথা কামান ইত্যাদি বিষয় যিলহজ্জের দশ তারিখে করতে হবে। উহার পূর্বে এই সমস্ত করা জায়েয নয়।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

পিতা উটগুলোকে দাঁড় করিয়ে ঐগুলোর ‘নাহ্‌র’ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, কুরবানী করার পূর্বে মাথা কামানো জায়েয নয়। দশ তারিখের সুবহে সাদিকের পূর্বে কুরবানী করাও জায়েয নয়। কুরবানী করা, কাপড় বদলান, শরীরের ময়লা সাফ করা, মাথা কামান ইত্যাদি বিষয় যিলহজ্জের দশ তারিখে করতে হবে। উহার পূর্বে এই সমস্ত করা জায়েয নয়।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان ينحر بدنه قياما ১৪৭৫-قال مالك لا يجوز لأحد أن يحلق رأسه حتى ينحر هديه ولا ينبغي لأحد أن ينحر قبل الفجر يوم النحر وإنما العمل كله يوم النحر الذبح ولبس الثياب وإلقاء التفث والحلاق لا يكون شيء من ذلك يفعل قبل يوم النحر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৭৭

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال: من نذر بدنة فإنه يقلدها نعلين ويشعرها ثم ينحرها عند البيت أو بمنى يوم النحر ليس لها محل دون ذلك ومن نذر جزورا من الإبل أو البقر فلينحرها حيث شاء.

নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, হাদয়ীর কুরবানী করার মানত করলে উহার গলায় একজোড়া জুতা লটকিয়ে দিবে এবং উহার কুঁজ যখমী করে দিবে। পরে দশ তারিখে কা’বা শরীফের নিকট বা মিনা ময়দানে উহা ‘নাহর’ করবে, এটা দ্বারা ‘নাহর’ করার আর কোন স্থান নেই। আর যদি কেউ উট বা গরু ইত্যাদি কুরবানী করার মানত করে, তবে সে যে স্থানে ইচ্ছা কুরবানী করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, হাদয়ীর কুরবানী করার মানত করলে উহার গলায় একজোড়া জুতা লটকিয়ে দিবে এবং উহার কুঁজ যখমী করে দিবে। পরে দশ তারিখে কা’বা শরীফের নিকট বা মিনা ময়দানে উহা ‘নাহর’ করবে, এটা দ্বারা ‘নাহর’ করার আর কোন স্থান নেই। আর যদি কেউ উট বা গরু ইত্যাদি কুরবানী করার মানত করে, তবে সে যে স্থানে ইচ্ছা কুরবানী করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر قال: من نذر بدنة فإنه يقلدها نعلين ويشعرها ثم ينحرها عند البيت أو بمنى يوم النحر ليس لها محل دون ذلك ومن نذر جزورا من الإبل أو البقر فلينحرها حيث شاء.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00