মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কুরবানী হাদ্য়ী-র বিভিন্ন আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৮
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: المرأة المحرمة إذا حلت لم تمتشط حتى تأخذ من قرون رأسها وإن كان لها هدي لم تأخذ من شعرها شيئا حتى تنحر هديها.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরামরত স্ত্রীলোক তার চুলের গোছা না কাটা পর্যন্ত সে চুল আচঁড়াবে না। সঙ্গে হাদ্য়ী থাকলে তা যবেহ না করা পর্যন্ত সে চুল কাটবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরামরত স্ত্রীলোক তার চুলের গোছা না কাটা পর্যন্ত সে চুল আচঁড়াবে না। সঙ্গে হাদ্য়ী থাকলে তা যবেহ না করা পর্যন্ত সে চুল কাটবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: المرأة المحرمة إذا حلت لم تمتشط حتى تأخذ من قرون رأسها وإن كان لها هدي لم تأخذ من شعرها شيئا حتى تنحر هديها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৭
حدثني يحيى عن مالك عن صدقة بن يسار المكي أن رجلا من أهل اليمن جاء إلى عبد الله بن عمر وقد ضفر رأسه فقال يا أبا عبد الرحمن إني قدمت بعمرة مفردة فقال له عبد الله بن عمر لو كنت معك أو سألتني لأمرتك أن تقرن فقال اليماني قد كان ذلك فقال عبد الله بن عمر خذ ما تطاير من رأسك وأهد فقالت امرأة من أهل العراق ما هديه يا أبا عبد الرحمن فقال هديه فقالت له ما هديه فقال عبد الله بن عمر لو لم أجد إلا أن أذبح شاة لكان أحب إلي من أن أصوم.
সাদাকাহ ইবনু ইয়াসার মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়ামনের অধিবাসী এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট আসে। চুলগুলো তার জটপাকানো ছিল। সে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! আমি শুধু উমরার হইরাম বেঁধে এসেছি। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তুমি যদি আমার সঙ্গে থাকতে বা আমার নিকট পূর্বে জিজ্ঞেস করতে তবে তোমাকে আমি হজ্জে কিরান করার কথা বলতাম। লোকটি বললঃ উহার সময় অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তোমরা এই লম্বা চুলগুলো কেটে ফেল এবং কুরবানী কর। ইরাকের অধিবাসী একজন মহিলা তখন বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! এই লোকটির হাদয়ী (কুরবানী) কি হবে? তিনি বললেন, উত্তম হাদয়ী সে দিবে। মহিলাটি পুনরায় বলল, ইহা কি হবে? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, যবেহ করবার জন্য বকরী ব্যতীত অন্য কিছু যদি না পায় বা দিতে অসমর্থ হয়, তবে আমার কাছে রোযা রাখা অপেক্ষা বকরী হাদয়ী দেওয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাদাকাহ ইবনু ইয়াসার মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়ামনের অধিবাসী এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট আসে। চুলগুলো তার জটপাকানো ছিল। সে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! আমি শুধু উমরার হইরাম বেঁধে এসেছি। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তুমি যদি আমার সঙ্গে থাকতে বা আমার নিকট পূর্বে জিজ্ঞেস করতে তবে তোমাকে আমি হজ্জে কিরান করার কথা বলতাম। লোকটি বললঃ উহার সময় অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তোমরা এই লম্বা চুলগুলো কেটে ফেল এবং কুরবানী কর। ইরাকের অধিবাসী একজন মহিলা তখন বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! এই লোকটির হাদয়ী (কুরবানী) কি হবে? তিনি বললেন, উত্তম হাদয়ী সে দিবে। মহিলাটি পুনরায় বলল, ইহা কি হবে? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, যবেহ করবার জন্য বকরী ব্যতীত অন্য কিছু যদি না পায় বা দিতে অসমর্থ হয়, তবে আমার কাছে রোযা রাখা অপেক্ষা বকরী হাদয়ী দেওয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن صدقة بن يسار المكي أن رجلا من أهل اليمن جاء إلى عبد الله بن عمر وقد ضفر رأسه فقال يا أبا عبد الرحمن إني قدمت بعمرة مفردة فقال له عبد الله بن عمر لو كنت معك أو سألتني لأمرتك أن تقرن فقال اليماني قد كان ذلك فقال عبد الله بن عمر خذ ما تطاير من رأسك وأهد فقالت امرأة من أهل العراق ما هديه يا أبا عبد الرحمن فقال هديه فقالت له ما هديه فقال عبد الله بن عمر لو لم أجد إلا أن أذبح شاة لكان أحب إلي من أن أصوم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৯
و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول لا يشترك الرجل وامرأته في بدنة واحدة ليهد كل واحد منهما بدنة بدنة ৪৪৪-و سئل مالك عمن بعث معه بهدي ينحره في حج وهو مهل بعمرة هل ينحره إذا حل أم يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته فقال بل يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته. ১৪৪৫-قال مالك والذي يحكم عليه بالهدي في قتل الصيد أو يجب عليه هدي في غير ذلك فإن هديه لا يكون إلا بمكة كما قال الله تبارك وتعالى { هديا بالغ الكعبة } وأما ما عدل به الهدي من الصيام أو الصدقة فإن ذلك يكون بغير مكة حيث أحب صاحبه أن يفعله فعله.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কতিপয় আলিমের কাছে শুনেছেন স্বামী-স্ত্রী কুরবানীতে একই উটে শরীক হবে না। প্রত্যেকেরই আলাদা উট কুরবানী করা উচিত। মালিক (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, হজ্জের সময় ‘নাহর’ করার জন্য যদি কারো সঙ্গে মক্কায় হাদ্য়ী পাঠিয়ে দেয় আর সে নিজে উমরার ইহরাম বেঁধে আসে তবে উমরা শেষ হতেই সে ঐ হাদ্য়ীটি ‘নাহর’ করতে পারবে কি অথবা উহা ‘নাহর’ করার জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে কি অপেক্ষা করবে? তিনি উত্তরে বললেন, উমরা করে সে ইহরাম খুলে ফেলবে এবং কুরবানীর জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এবং ‘ইয়াওমুন-নাহরের সময় উহাকে সে ‘নাহর’ করবে এবং এই কুরবানীকে তার উমরারই অংশবিশেষ জানবে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম অবস্থায় শিকার করার কারণে বা অন্য কোন কারণে যদি কারো উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হয়ে যায়, তবে উহাকে মক্কায় নিয়ে আসা উচিত। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, هَدْيًا بَالِغَ الْكَعْبَةِ এমন হাদ্য়ী যা কা’বায় পৌঁছায়।’ শিকার করার কারণে বা কুরবানীর পরিবর্তে রোযা বা সাদকা করতে হলে তার ইখতিয়ার থাকবে হারাম্ বা হারাম্ শরীফের বাহিরে যেকোন স্থানে ইচ্ছা সে উহা করতে পারবে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কতিপয় আলিমের কাছে শুনেছেন স্বামী-স্ত্রী কুরবানীতে একই উটে শরীক হবে না। প্রত্যেকেরই আলাদা উট কুরবানী করা উচিত। মালিক (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, হজ্জের সময় ‘নাহর’ করার জন্য যদি কারো সঙ্গে মক্কায় হাদ্য়ী পাঠিয়ে দেয় আর সে নিজে উমরার ইহরাম বেঁধে আসে তবে উমরা শেষ হতেই সে ঐ হাদ্য়ীটি ‘নাহর’ করতে পারবে কি অথবা উহা ‘নাহর’ করার জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে কি অপেক্ষা করবে? তিনি উত্তরে বললেন, উমরা করে সে ইহরাম খুলে ফেলবে এবং কুরবানীর জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এবং ‘ইয়াওমুন-নাহরের সময় উহাকে সে ‘নাহর’ করবে এবং এই কুরবানীকে তার উমরারই অংশবিশেষ জানবে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম অবস্থায় শিকার করার কারণে বা অন্য কোন কারণে যদি কারো উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হয়ে যায়, তবে উহাকে মক্কায় নিয়ে আসা উচিত। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, هَدْيًا بَالِغَ الْكَعْبَةِ এমন হাদ্য়ী যা কা’বায় পৌঁছায়।’ শিকার করার কারণে বা কুরবানীর পরিবর্তে রোযা বা সাদকা করতে হলে তার ইখতিয়ার থাকবে হারাম্ বা হারাম্ শরীফের বাহিরে যেকোন স্থানে ইচ্ছা সে উহা করতে পারবে।
و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول لا يشترك الرجل وامرأته في بدنة واحدة ليهد كل واحد منهما بدنة بدنة ৪৪৪-و سئل مالك عمن بعث معه بهدي ينحره في حج وهو مهل بعمرة هل ينحره إذا حل أم يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته فقال بل يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته. ১৪৪৫-قال مالك والذي يحكم عليه بالهدي في قتل الصيد أو يجب عليه هدي في غير ذلك فإن هديه لا يكون إلا بمكة كما قال الله تبارك وتعالى { هديا بالغ الكعبة } وأما ما عدل به الهدي من الصيام أو الصدقة فإن ذلك يكون بغير مكة حيث أحب صاحبه أن يفعله فعله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬০
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن يعقوب بن خالد المخزومي عن أبي أسماء مولى عبد الله بن جعفر أنه أخبره أنه كان مع عبد الله بن جعفر فخرج معه من المدينة فمروا على حسين بن علي وهو مريض بالسقيا فأقام عليه عبد الله بن جعفر حتى إذا خاف الفوات خرج وبعث إلى علي بن أبي طالب وأسماء بنت عميس وهما بالمدينة فقدما عليه ثم إن حسينا أشار إلى رأسه فأمر علي برأسه فحلق ثم نسك عنه بالسقيا فنحر عنه بعيرا قال يحيى بن سعيد وكان حسين خرج مع عثمان بن عفان في سفره ذلك إلى مكة.
আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুর রহমান ইবনু জা’ফর (র)-এর সহিত মদীনা হতে যাত্রা করেন, পথে সুক্ইয়া নামক স্থানে হুসায়ন ইবনু আলী (রা)-এর সাথে তাদের সাক্ষাৎ হয়। তিনি [হুসায়ন (রা)] সেখানে অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফরও সেখানে রয়ে গেলেন। হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি পুনরায় রওয়ানা হয়ে পড়েন এবং একজন লোককে খবর দিয়ে আলী ইবনু আবি তালিব (রা) ও তাঁর স্ত্রী আসমা বিন্ত উমাইসের নিকট পাঠিয়ে দিলেন। তাঁরা ঐ সময় মদীনায় ছিলেন। তাঁরা খবর পেয়ে সুকইয়ায় অসুস্থ পুত্রের নিকট এলেন। তিনি (হুসায়ন রা.) নিজের মাথার দিকে ইশারা করে দেখালেন। আলী (রা)-এর নির্দেশে তখন সেখানেই তাঁর মাথা কামান হল এবং একটি উট কুরবানী দেওয়া হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, হুসায়ন (রা) ঐ সময় উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর সহিত হজ্জ করতে রাওয়ানা হয়েছেন।
আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুর রহমান ইবনু জা’ফর (র)-এর সহিত মদীনা হতে যাত্রা করেন, পথে সুক্ইয়া নামক স্থানে হুসায়ন ইবনু আলী (রা)-এর সাথে তাদের সাক্ষাৎ হয়। তিনি [হুসায়ন (রা)] সেখানে অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফরও সেখানে রয়ে গেলেন। হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি পুনরায় রওয়ানা হয়ে পড়েন এবং একজন লোককে খবর দিয়ে আলী ইবনু আবি তালিব (রা) ও তাঁর স্ত্রী আসমা বিন্ত উমাইসের নিকট পাঠিয়ে দিলেন। তাঁরা ঐ সময় মদীনায় ছিলেন। তাঁরা খবর পেয়ে সুকইয়ায় অসুস্থ পুত্রের নিকট এলেন। তিনি (হুসায়ন রা.) নিজের মাথার দিকে ইশারা করে দেখালেন। আলী (রা)-এর নির্দেশে তখন সেখানেই তাঁর মাথা কামান হল এবং একটি উট কুরবানী দেওয়া হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, হুসায়ন (রা) ঐ সময় উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর সহিত হজ্জ করতে রাওয়ানা হয়েছেন।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن يعقوب بن خالد المخزومي عن أبي أسماء مولى عبد الله بن جعفر أنه أخبره أنه كان مع عبد الله بن جعفر فخرج معه من المدينة فمروا على حسين بن علي وهو مريض بالسقيا فأقام عليه عبد الله بن جعفر حتى إذا خاف الفوات خرج وبعث إلى علي بن أبي طالب وأسماء بنت عميس وهما بالمدينة فقدما عليه ثم إن حسينا أشار إلى رأسه فأمر علي برأسه فحلق ثم نسك عنه بالسقيا فنحر عنه بعيرا قال يحيى بن سعيد وكان حسين خرج مع عثمان بن عفان في سفره ذلك إلى مكة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আরাফাত ও মুযদালিফায় অবস্থান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬১
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عرفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن عرنة والمزدلفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن محسر.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আরাফাতের সারা ময়দানে অবস্থান করা যায়, তবে তোমরা ‘বাতনে উরানায়’ অবস্থান করো না। এমনিভাবে মুযদালিফার সারা ময়দানে অবস্থান করা যায় তবে তোমরা ‘বাতনে মুহাস্সিরে’ অবস্থান করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮, আর ইমাম মলিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি, মুরসাল)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আরাফাতের সারা ময়দানে অবস্থান করা যায়, তবে তোমরা ‘বাতনে উরানায়’ অবস্থান করো না। এমনিভাবে মুযদালিফার সারা ময়দানে অবস্থান করা যায় তবে তোমরা ‘বাতনে মুহাস্সিরে’ অবস্থান করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮, আর ইমাম মলিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি, মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عرفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن عرنة والمزدلفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن محسر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬২
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن عبد الله بن الزبير أنه كان يقول اعلموا أن عرفة كلها موقف إلا بطن عرنة وأن المزدلفة كلها موقف إلا بطن محسر ১৪৫قال مالك قال الله تبارك وتعالى { فلا رفث ولا فسوق ولا جدال في الحج } قال فالرفث إصابة النساء والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم } قال والفسوق الذبح للأنصاب والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أو فسقا أهل لغير الله به }. قال والجدال في الحج أن قريشا كانت تقف عند المشعر الحرام بالمزدلفة بقزح وكانت العرب وغيرهم يقفون بعرفة فكانوا يتجادلون يقول هؤلاء نحن أصوب ويقول هؤلاء نحن أصوب فقال الله تعالى و { لكل أمة جعلنا منسكا هم ناسكوه فلا ينازعنك في الأمر وادع إلى ربك إنك لعلى هدى مستقيم } فهذا الجدال فيما نرى والله أعلم وقد سمعت ذلك من أهل العلم
আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ
তোমরা বিশ্বাস কর ‘বাতনে উরানা’ ব্যতীত সমগ্র আরাফাতের ময়দানই অবস্থান করার স্থান, এমনভাবে বাতনে মুহাসসির ব্যতীত মুযদালিফার সারাটা ময়দানেই অবস্থান করা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجِّ [১] ‘রাফাস’ অর্থ হল স্ত্রীসম্ভোগ। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তা’আলা অন্যত্র ইরশাদ করেন أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ [২] মালিক (র) বলেন, ফুসুক অর্থ হল, দেব- দেবীর নামে পশু উৎসর্গ করা, আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তাআলা ইরশাদ করেন, أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللهِ بِهِ [৩] মালিক (র) বলেন, হজ্জে জিদাল বা ঝগড়া-বিবাদ হল, কুরাইশ গোত্রের লোকজন তৎকালে হজ্জের সময় মুযদালিফার কুযাহ্ নামক স্থানে অবস্থান করত। আর অন্যরা আরাফাতে অবস্থান করত। উভয় দল তখন পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত হত, একদল বলত, আমরাই সত্যপথের অনুসারী; অপর দল বলত, আমরাই কেবল সত্যপথের অনুসারী। আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত নাযিল করে ইরশাদ করলেন, لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ فَلَا يُنَازِعُنَّكَ فِي الْأَمْرِ وَادْعُ إِلَى رَبِّكَ إِنَّكَ لَعَلَى هُدًى مُسْتَقِيمٍ [৪] হজ্জের সময় ঝগড়া-বিবাদ বলতে এই কথাই বোঝানো হয়েছে। আল্লাহ্ অধিক জ্ঞাত। আলিমগণের নিকটও আমি এই ব্যাখ্যা শুনেছি।
আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ
তোমরা বিশ্বাস কর ‘বাতনে উরানা’ ব্যতীত সমগ্র আরাফাতের ময়দানই অবস্থান করার স্থান, এমনভাবে বাতনে মুহাসসির ব্যতীত মুযদালিফার সারাটা ময়দানেই অবস্থান করা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجِّ [১] ‘রাফাস’ অর্থ হল স্ত্রীসম্ভোগ। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তা’আলা অন্যত্র ইরশাদ করেন أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ [২] মালিক (র) বলেন, ফুসুক অর্থ হল, দেব- দেবীর নামে পশু উৎসর্গ করা, আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তাআলা ইরশাদ করেন, أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللهِ بِهِ [৩] মালিক (র) বলেন, হজ্জে জিদাল বা ঝগড়া-বিবাদ হল, কুরাইশ গোত্রের লোকজন তৎকালে হজ্জের সময় মুযদালিফার কুযাহ্ নামক স্থানে অবস্থান করত। আর অন্যরা আরাফাতে অবস্থান করত। উভয় দল তখন পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত হত, একদল বলত, আমরাই সত্যপথের অনুসারী; অপর দল বলত, আমরাই কেবল সত্যপথের অনুসারী। আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত নাযিল করে ইরশাদ করলেন, لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ فَلَا يُنَازِعُنَّكَ فِي الْأَمْرِ وَادْعُ إِلَى رَبِّكَ إِنَّكَ لَعَلَى هُدًى مُسْتَقِيمٍ [৪] হজ্জের সময় ঝগড়া-বিবাদ বলতে এই কথাই বোঝানো হয়েছে। আল্লাহ্ অধিক জ্ঞাত। আলিমগণের নিকটও আমি এই ব্যাখ্যা শুনেছি।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن عبد الله بن الزبير أنه كان يقول اعلموا أن عرفة كلها موقف إلا بطن عرنة وأن المزدلفة كلها موقف إلا بطن محسر ১৪৫قال مالك قال الله تبارك وتعالى { فلا رفث ولا فسوق ولا جدال في الحج } قال فالرفث إصابة النساء والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم } قال والفسوق الذبح للأنصاب والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أو فسقا أهل لغير الله به }. قال والجدال في الحج أن قريشا كانت تقف عند المشعر الحرام بالمزدلفة بقزح وكانت العرب وغيرهم يقفون بعرفة فكانوا يتجادلون يقول هؤلاء نحن أصوب ويقول هؤلاء نحن أصوب فقال الله تعالى و { لكل أمة جعلنا منسكا هم ناسكوه فلا ينازعنك في الأمر وادع إلى ربك إنك لعلى هدى مستقيم } فهذا الجدال فيما نرى والله أعلم وقد سمعت ذلك من أهل العلم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অপবিত্র অবস্থায় ওয়াকুফ (অবস্থান) করা এবং আরোহী অবস্থায় ওয়াকুফ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬৩
سئل مالك هل يقف الرجل بعرفة أو بالمزدلفة أو يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير طاهر فقال كل أمر تصنعه الحائض من أمر الحج فالرجل يصنعه وهو غير طاهر ثم لا يكون عليه شيء في ذلك ولكن الفضل أن يكون الرجل في ذلك كله طاهرا ولا ينبغي له أن يتعمد ذلك১৪৫৩-و سئل مالك عن الوقوف بعرفة للراكب أينزل أم يقف راكبا فقال بل يقف راكبا إلا أن يكون به أو بدابته علة فالله أعذر بالعذر.
ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল অপবিত্র কোন ব্যক্তি আরাফাত বা মুযদালিফায় অবস্থান বা প্রস্তর নিক্ষেপ বা সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করতে পারবে কি? তিনি বললেন, ঋতুমতী স্ত্রীলোক হজ্জের যে সমস্ত আহকাম-আরকান আদায় করতে পারে তার ওযূবিহীন অবস্থায় তাকে আদায় করতে হয়। তদ্রূপ ওযূ ছাড়া পুরুষ ও স্ত্রীলোক এইগুলো করতে পারে। এতে দোষের কিছু হয় না। তবে ওযূসহ ঐ সমস্ত বিষয় আদায় করা উত্তম। স্বেচ্ছায় ওযূবিহীন অবস্থায় এইসব কাজ করা ঠিক নয় । মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল কোন ব্যক্তি আরোহী হলে আরাফাতে অবস্থানকালে সে আরোহী অবস্থায় থাকবে কিনা। তিনি বললেন, আরোহী অবস্থায় ওয়াকুফ করবে। তবে তার বা তার ভারবাহী পশুর কোন অসুবিধা থাকলে আল্লাহ্ তা’আলা কবূল করবেন।
ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল অপবিত্র কোন ব্যক্তি আরাফাত বা মুযদালিফায় অবস্থান বা প্রস্তর নিক্ষেপ বা সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করতে পারবে কি? তিনি বললেন, ঋতুমতী স্ত্রীলোক হজ্জের যে সমস্ত আহকাম-আরকান আদায় করতে পারে তার ওযূবিহীন অবস্থায় তাকে আদায় করতে হয়। তদ্রূপ ওযূ ছাড়া পুরুষ ও স্ত্রীলোক এইগুলো করতে পারে। এতে দোষের কিছু হয় না। তবে ওযূসহ ঐ সমস্ত বিষয় আদায় করা উত্তম। স্বেচ্ছায় ওযূবিহীন অবস্থায় এইসব কাজ করা ঠিক নয় । মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল কোন ব্যক্তি আরোহী হলে আরাফাতে অবস্থানকালে সে আরোহী অবস্থায় থাকবে কিনা। তিনি বললেন, আরোহী অবস্থায় ওয়াকুফ করবে। তবে তার বা তার ভারবাহী পশুর কোন অসুবিধা থাকলে আল্লাহ্ তা’আলা কবূল করবেন।
سئل مالك هل يقف الرجل بعرفة أو بالمزدلفة أو يرمي الجمار أو يسعى بين الصفا والمروة وهو غير طاهر فقال كل أمر تصنعه الحائض من أمر الحج فالرجل يصنعه وهو غير طاهر ثم لا يكون عليه شيء في ذلك ولكن الفضل أن يكون الرجل في ذلك كله طاهرا ولا ينبغي له أن يتعمد ذلك১৪৫৩-و سئل مالك عن الوقوف بعرفة للراكب أينزل أم يقف راكبا فقال بل يقف راكبا إلا أن يكون به أو بدابته علة فالله أعذر بالعذر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যার হজ্জ ছুটে গিয়েছে তার আরাফাতে অবস্থান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬৪
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من لم يقف بعرفة من ليلة المزدلفة قبل أن يطلع الفجر فقد فاته الحج ومن وقف بعرفة من ليلة المزدلفة من قبل أن يطلع الفجر فقد أدرك الحج.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, মুযদালিফার রাত্রির (১০ তারিখের রাত্রি) কিছু অংশ হতে আরাফাতে অবস্থান না করলে হজ্জ হবে না। আর যে ব্যক্তি ইয়াওমুন-নাহরের ফজর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আরাফাতে অবস্থান করতে পারবে তার হজ্জ হয়ে যাবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, মুযদালিফার রাত্রির (১০ তারিখের রাত্রি) কিছু অংশ হতে আরাফাতে অবস্থান না করলে হজ্জ হবে না। আর যে ব্যক্তি ইয়াওমুন-নাহরের ফজর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আরাফাতে অবস্থান করতে পারবে তার হজ্জ হয়ে যাবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول من لم يقف بعرفة من ليلة المزدلفة قبل أن يطلع الفجر فقد فاته الحج ومن وقف بعرفة من ليلة المزدلفة من قبل أن يطلع الفجر فقد أدرك الحج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: من أدركه الفجر من ليلة المزدلفة ولم يقف بعرفة فقد فاته الحج ومن وقف بعرفة من ليلة المزدلفة قبل أن يطلع الفجر فقد أدرك الحج. ১৪৫৭-قال مالك في العبد يعتق في الموقف بعرفة فإن ذلك لا يجزي عنه من حجة الإسلام إلا أن يكون لم يحرم فيحرم بعد أن يعتق ثم يقف بعرفة من تلك الليلة قبل أن يطلع الفجر فإن فعل ذلك أجزأ عنه وإن لم يحرم حتى طلع الفجر كان بمنزلة من فاته الحج إذا لم يدرك الوقوف بعرفة قبل طلوع الفجر من ليلة المزدلفة ويكون على العبد حجة الإسلام يقضيها.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, মুযদালিফার রাত ফজর হওয়া পর্যন্তও যদি কেউ (কিছু সময়ের জন্য) আরাফাতে অবস্থান না করে থাকে তবে তার হজ্জ বিনষ্ট হবে। আর যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতে ফজরের পূর্ব পর্যন্ত ইহরাম বেঁধে (কিছু সময়) আরাফাতে অবস্থান করতে পারবে তার হজ্জ হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আরাফাতে অবস্থানকালে যদি কোন ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যায় তবে এই হজ্জ দ্বারা তার ফরয হজ্জ আদায় হবে না। কিন্তু আযাদ হওয়ার পূর্বে সে যদি ইহরাম না বেঁধে থাকে এবং আযাদ হওয়ার পর ইয়াওমুন-নাহরের ফজরের পূর্বে ইহরাম বেঁধে আরাফাতে অবস্থান করে নিতে পারে তবে তার ফরয হজ্জ আদায় হয়ে যাবে। আর ইয়াওমুন-নাহরের ফজর পর্যন্ত সে যদি ইহরাম না বাঁধে তবে তার অবস্থা ঐ ব্যক্তির মত হবে যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাত্রের ফজর পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করে নাই, ফলে তার হজ্জ বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে। সুতরাং ঐ আযাদ ক্রীতদাসেরও পুনরায় ফরয হজ্জ আদায় করতে হবে।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, মুযদালিফার রাত ফজর হওয়া পর্যন্তও যদি কেউ (কিছু সময়ের জন্য) আরাফাতে অবস্থান না করে থাকে তবে তার হজ্জ বিনষ্ট হবে। আর যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতে ফজরের পূর্ব পর্যন্ত ইহরাম বেঁধে (কিছু সময়) আরাফাতে অবস্থান করতে পারবে তার হজ্জ হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আরাফাতে অবস্থানকালে যদি কোন ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যায় তবে এই হজ্জ দ্বারা তার ফরয হজ্জ আদায় হবে না। কিন্তু আযাদ হওয়ার পূর্বে সে যদি ইহরাম না বেঁধে থাকে এবং আযাদ হওয়ার পর ইয়াওমুন-নাহরের ফজরের পূর্বে ইহরাম বেঁধে আরাফাতে অবস্থান করে নিতে পারে তবে তার ফরয হজ্জ আদায় হয়ে যাবে। আর ইয়াওমুন-নাহরের ফজর পর্যন্ত সে যদি ইহরাম না বাঁধে তবে তার অবস্থা ঐ ব্যক্তির মত হবে যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাত্রের ফজর পর্যন্ত আরাফাতে অবস্থান করে নাই, ফলে তার হজ্জ বিনষ্ট হয়ে গিয়েছে। সুতরাং ঐ আযাদ ক্রীতদাসেরও পুনরায় ফরয হজ্জ আদায় করতে হবে।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: من أدركه الفجر من ليلة المزدلفة ولم يقف بعرفة فقد فاته الحج ومن وقف بعرفة من ليلة المزدلفة قبل أن يطلع الفجر فقد أدرك الحج. ১৪৫৭-قال مالك في العبد يعتق في الموقف بعرفة فإن ذلك لا يجزي عنه من حجة الإسلام إلا أن يكون لم يحرم فيحرم بعد أن يعتق ثم يقف بعرفة من تلك الليلة قبل أن يطلع الفجر فإن فعل ذلك أجزأ عنه وإن لم يحرم حتى طلع الفجر كان بمنزلة من فاته الحج إذا لم يدرك الوقوف بعرفة قبل طلوع الفجر من ليلة المزدلفة ويكون على العبد حجة الإسلام يقضيها.