মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে স্ত্রী সহবাস করলে তার কুরবানী

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫০

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير المكي عن عطاء بن أبي رباح عن عبد الله بن عباس أنه سئل عن رجل وقع بأهله وهو بمنى قبل أن يفيض فأمره أن ينحر بدنة.

আতা ইবনু রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হল, যে ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মিনাতে তাওয়াফে ইফাযার পূর্বে স্ত্রী সহবাস করেছে, তিনি তাকে একটি উট কুরবানী করতে হুকুম দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আতা ইবনু রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা)-এর নিকট এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হল, যে ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় মিনাতে তাওয়াফে ইফাযার পূর্বে স্ত্রী সহবাস করেছে, তিনি তাকে একটি উট কুরবানী করতে হুকুম দেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزبير المكي عن عطاء بن أبي رباح عن عبد الله بن عباس أنه سئل عن رجل وقع بأهله وهو بمنى قبل أن يفيض فأمره أن ينحر بدنة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫১

و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي عن عكرمة مولى ابن عباس قال لا أظنه إلا عن عبد الله بن عباس أنه قال: الذي يصيب أهله قبل أن يفيض يعتمر ويهدي.

ইকরামা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারত করার পূর্বে কেউ যদি স্ত্রীসহবাস করে তবে তাকে উমরা এবং কুরবানী করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইকরামা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারত করার পূর্বে কেউ যদি স্ত্রীসহবাস করে তবে তাকে উমরা এবং কুরবানী করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي عن عكرمة مولى ابن عباس قال لا أظنه إلا عن عبد الله بن عباس أنه قال: الذي يصيب أهله قبل أن يفيض يعتمر ويهدي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫২

و حدثني عن مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقول في ذلك مثل قول عكرمة عن ابن عباس قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.

ইকরামা (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) হতে যেরূপ বর্ণনা করেছেন মালিক (র) রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমানকে এ সম্পর্কে অনুরূপ বলতে শুনেছেন। মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে ইটাই আমার পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৬২و سُئِلَ مَالِك عَنْ رَجُلٍ نَسِيَ الْإِفَاضَةَ حَتَّى خَرَجَ مِنْ مَكَّةَ وَرَجَعَ إِلَى بِلَادِهِ فَقَالَ أَرَى إِنْ لَمْ يَكُنْ أَصَابَ النِّسَاءَ فَلْيَرْجِعْ فَلْيُفِضْ وَإِنْ كَانَ أَصَابَ النِّسَاءَ فَلْيَرْجِعْ فَلْيُفِضْ ثُمَّ لْيَعْتَمِرْ وَلْيُهْدِ وَلَا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَشْتَرِيَ هَدْيَهُ مِنْ مَكَّةَ وَيَنْحَرَهُ بِهَا وَلَكِنْ إِنْ لَمْ يَكُنْ سَاقَهُ مَعَهُ مِنْ حَيْثُ اعْتَمَرَ فَلْيَشْتَرِهِ بِمَكَّةَ ثُمَّ لْيُخْرِجْهُ إِلَى الْحِلِّ فَلْيَسُقْهُ مِنْهُ إِلَى مَكَّةَ ثُمَّ يَنْحَرُهُ بِهَا. ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল তাওয়াফে যিয়ারত ভুলে গিয়ে যদি বাড়ি ফিরে আসে তবে সে কি করবে? তিনি বললেন, স্ত্রীসম্ভোগ না করে থাকলে মক্কায় ফিরে যাবে এবং তাওয়াফে যিয়ারত আদায় করবে। আর স্ত্রীসম্ভোগ করে থাকলে মক্কায় ফিরে গিয়ে তাওয়াফ আদায় করবে এবং উমরা করে একটি কুরবানী দিবে। মক্কা হতে উট ক্রয় করে কুরবানী দিলে হবে না। সঙ্গে যদি কুরবানীর পশু এনে না থাকে তবে মক্কা হতে কুরবানীর পশু কিনে এটাসহ হারাম শরীফের বাহিরে চলে যাবে এবং সে স্থান হতে এটাকে মক্কায় হাঁকিয়ে নিয়া আসবে এবং পশু সেখানে ‘নাহর’ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইকরামা (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) হতে যেরূপ বর্ণনা করেছেন মালিক (র) রবী’আ ইবনু আবূ আবদুর রহমানকে এ সম্পর্কে অনুরূপ বলতে শুনেছেন। মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে ইটাই আমার পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৬২و سُئِلَ مَالِك عَنْ رَجُلٍ نَسِيَ الْإِفَاضَةَ حَتَّى خَرَجَ مِنْ مَكَّةَ وَرَجَعَ إِلَى بِلَادِهِ فَقَالَ أَرَى إِنْ لَمْ يَكُنْ أَصَابَ النِّسَاءَ فَلْيَرْجِعْ فَلْيُفِضْ وَإِنْ كَانَ أَصَابَ النِّسَاءَ فَلْيَرْجِعْ فَلْيُفِضْ ثُمَّ لْيَعْتَمِرْ وَلْيُهْدِ وَلَا يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَشْتَرِيَ هَدْيَهُ مِنْ مَكَّةَ وَيَنْحَرَهُ بِهَا وَلَكِنْ إِنْ لَمْ يَكُنْ سَاقَهُ مَعَهُ مِنْ حَيْثُ اعْتَمَرَ فَلْيَشْتَرِهِ بِمَكَّةَ ثُمَّ لْيُخْرِجْهُ إِلَى الْحِلِّ فَلْيَسُقْهُ مِنْهُ إِلَى مَكَّةَ ثُمَّ يَنْحَرُهُ بِهَا. ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল তাওয়াফে যিয়ারত ভুলে গিয়ে যদি বাড়ি ফিরে আসে তবে সে কি করবে? তিনি বললেন, স্ত্রীসম্ভোগ না করে থাকলে মক্কায় ফিরে যাবে এবং তাওয়াফে যিয়ারত আদায় করবে। আর স্ত্রীসম্ভোগ করে থাকলে মক্কায় ফিরে গিয়ে তাওয়াফ আদায় করবে এবং উমরা করে একটি কুরবানী দিবে। মক্কা হতে উট ক্রয় করে কুরবানী দিলে হবে না। সঙ্গে যদি কুরবানীর পশু এনে না থাকে তবে মক্কা হতে কুরবানীর পশু কিনে এটাসহ হারাম শরীফের বাহিরে চলে যাবে এবং সে স্থান হতে এটাকে মক্কায় হাঁকিয়ে নিয়া আসবে এবং পশু সেখানে ‘নাহর’ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقول في ذلك مثل قول عكرمة عن ابن عباس قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সামর্থ্যানুসারে কুরবানী করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৩

و حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب كان يقول { ما استيسر من الهدي } شاة.

জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আলী ইবনু আবি তালিব (রা) বলতেন, [১] مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ এই কথার অর্থ হল, অন্তত একটি বকরী কুরবানী করা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আলী ইবনু আবি তালিব (রা) বলতেন, [১] مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ এই কথার অর্থ হল, অন্তত একটি বকরী কুরবানী করা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي بن أبي طالب كان يقول { ما استيسر من الهدي } شاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৪

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يقول ما استيسر من الهدي شاة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك لأن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { يا أيها الذين آمنوا لا تقتلوا الصيد وأنتم حرم ومن قتله منكم متعمدا فجزاء مثل ما قتل من النعم يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة أو كفارة طعام مساكين أو عدل ذلك صياما } فمما يحكم به في الهدي شاة وقد سماها الله هديا وذلك الذي لا اختلاف فيه عندنا وكيف يشك أحد في ذلك وكل شيء لا يبلغ أن يحكم فيه ببعير أو بقرة فالحكم فيه شاة وما لا يبلغ أن يحكم فيه بشاة فهو كفارة من صيام أو إطعام مساكين.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) বলেছেন, مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ এর অর্থ হল, অন্তত একটি বকরী কুরবানী করা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বর্ণনাটি আমার নিকট খুবই প্রিয়। কেননা কুরআনুল করীমে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, হে মু’মিনগণ, তোমরা যখন ইহরাম অবস্থায় থাক তখন তোমরা কোন প্রাণী বধ করো না। কেউ যদি কোনকিছু ইচ্ছাকৃতভাবে বধ করে তবে যে ধরনের পশু সে বধ করেছে সেই ধরনের কোন পশু তাকে প্রতিদান (জরিমানা) দিতে হবে। তোমাদের দুইজন ন্যায়নিষ্ঠ লোক এর ফয়সালা করে দেবে। এই প্রতিদান বায়তুল্লাহতে প্রেরিত হাদ্‌য়ী হবে অথবা কাফ্‌ফারা হিসেবে হবে যা মিসকীনদেরকে আহার করানো হবে অথবা তাকে তৎপরিমাণ রোযা রাখতে হবে যাতে সে তার কৃতকর্মের শাস্তি ভোগ করে নেয়। যা হোক, শিকারকৃত পশুর পরিবর্তে কোন সময়ে বকরীও ওয়াজিব হতে পারে। উক্ত আয়াতে উহাকেও হাদ্‌য়ী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কথায় একজন কি করে সন্দেহ করতে পারে? কারণ যে পশু উট বা গরুর সমতুল্য নয় উহার প্রতিদানে (জরিমানা) একটি বকরীই ওয়াজিব হতে পারে। একটি বকরীর সমতুল্যও যেখানে হবে না সেখানে কাফফারা ওয়াজিব হবে। সে রোযার মাধ্যমে উহা আদায় করুক বা মিসকীনদেরকে আহার করিয়ে তা আদায় করুক, উভয় অবস্থায় ইহা কাফফারা হিসেবেই গণ্য হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) বলেছেন, مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ এর অর্থ হল, অন্তত একটি বকরী কুরবানী করা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (র) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই বর্ণনাটি আমার নিকট খুবই প্রিয়। কেননা কুরআনুল করীমে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, হে মু’মিনগণ, তোমরা যখন ইহরাম অবস্থায় থাক তখন তোমরা কোন প্রাণী বধ করো না। কেউ যদি কোনকিছু ইচ্ছাকৃতভাবে বধ করে তবে যে ধরনের পশু সে বধ করেছে সেই ধরনের কোন পশু তাকে প্রতিদান (জরিমানা) দিতে হবে। তোমাদের দুইজন ন্যায়নিষ্ঠ লোক এর ফয়সালা করে দেবে। এই প্রতিদান বায়তুল্লাহতে প্রেরিত হাদ্‌য়ী হবে অথবা কাফ্‌ফারা হিসেবে হবে যা মিসকীনদেরকে আহার করানো হবে অথবা তাকে তৎপরিমাণ রোযা রাখতে হবে যাতে সে তার কৃতকর্মের শাস্তি ভোগ করে নেয়। যা হোক, শিকারকৃত পশুর পরিবর্তে কোন সময়ে বকরীও ওয়াজিব হতে পারে। উক্ত আয়াতে উহাকেও হাদ্‌য়ী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কথায় একজন কি করে সন্দেহ করতে পারে? কারণ যে পশু উট বা গরুর সমতুল্য নয় উহার প্রতিদানে (জরিমানা) একটি বকরীই ওয়াজিব হতে পারে। একটি বকরীর সমতুল্যও যেখানে হবে না সেখানে কাফফারা ওয়াজিব হবে। সে রোযার মাধ্যমে উহা আদায় করুক বা মিসকীনদেরকে আহার করিয়ে তা আদায় করুক, উভয় অবস্থায় ইহা কাফফারা হিসেবেই গণ্য হবে।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عباس كان يقول ما استيسر من الهدي شاة قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك لأن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { يا أيها الذين آمنوا لا تقتلوا الصيد وأنتم حرم ومن قتله منكم متعمدا فجزاء مثل ما قتل من النعم يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة أو كفارة طعام مساكين أو عدل ذلك صياما } فمما يحكم به في الهدي شاة وقد سماها الله هديا وذلك الذي لا اختلاف فيه عندنا وكيف يشك أحد في ذلك وكل شيء لا يبلغ أن يحكم فيه ببعير أو بقرة فالحكم فيه شاة وما لا يبلغ أن يحكم فيه بشاة فهو كفارة من صيام أو إطعام مساكين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৫

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ আয়াতটির অর্থ হল অন্ততপক্ষে একটি উট বা গাভী কুরবানী করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ আয়াতটির অর্থ হল অন্ততপক্ষে একটি উট বা গাভী কুরবানী করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৬

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن مولاة لعمرة بنت عبد الرحمن يقال لها رقية أخبرته أنها خرجت مع عمرة بنت عبد الرحمن إلى مكة قالت فدخلت عمرة مكة يوم التروية وأنا معها فطافت بالبيت وبين الصفا والمروة ثم دخلت صفة المسجد فقالت أمعك مقصان فقلت لا فقالت فالتمسيه لي فالتمسته حتى جئت به فأخذت من قرون رأسها فلما كان يوم النحر ذبحت شاة.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) থেকে বর্নিতঃ

আম্‌রাহ বিন্‌ত আবদুর রহমানের আদায়কৃত দাসী রুকাইয়া (র) খবর দিয়েছেন তিনি একবার ‘আমরাহ্ বিন্‌ত আবদুর রহমানের সঙ্গে মক্কা অভিমুখে রওয়ানা হন। তিনি বলেন, যিলহজ্জ মাসের অষ্টম তারিখে তিনি (আমরাহ) মক্কায় গিয়ে উপনীত হন। আমি তাঁর সাথে সাথেই ছিলাম। তিনি কা’বা শরীফের তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করে মসজিদে গেলেন। আমাকে বললেন, তোমার নিকট কাঁচি আছে কি? আমি বললাম নাই। তিনি বললেন, একটি কাঁচি খুঁজে আন। আমি তাই করলাম। তিনি উহা দ্বারা তাঁর চুলের কিছু অংশ কাটলেন। পরে কুরবানীর দিন (ইয়াওমুন-নাহরে) তিনি একটি বকরী যবেহ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) থেকে বর্নিতঃ

আম্‌রাহ বিন্‌ত আবদুর রহমানের আদায়কৃত দাসী রুকাইয়া (র) খবর দিয়েছেন তিনি একবার ‘আমরাহ্ বিন্‌ত আবদুর রহমানের সঙ্গে মক্কা অভিমুখে রওয়ানা হন। তিনি বলেন, যিলহজ্জ মাসের অষ্টম তারিখে তিনি (আমরাহ) মক্কায় গিয়ে উপনীত হন। আমি তাঁর সাথে সাথেই ছিলাম। তিনি কা’বা শরীফের তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করে মসজিদে গেলেন। আমাকে বললেন, তোমার নিকট কাঁচি আছে কি? আমি বললাম নাই। তিনি বললেন, একটি কাঁচি খুঁজে আন। আমি তাই করলাম। তিনি উহা দ্বারা তাঁর চুলের কিছু অংশ কাটলেন। পরে কুরবানীর দিন (ইয়াওমুন-নাহরে) তিনি একটি বকরী যবেহ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن مولاة لعمرة بنت عبد الرحمن يقال لها رقية أخبرته أنها خرجت مع عمرة بنت عبد الرحمن إلى مكة قالت فدخلت عمرة مكة يوم التروية وأنا معها فطافت بالبيت وبين الصفا والمروة ثم دخلت صفة المسجد فقالت أمعك مقصان فقلت لا فقالت فالتمسيه لي فالتمسته حتى جئت به فأخذت من قرون رأسها فلما كان يوم النحر ذبحت شاة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কুরবানী হাদ্‌য়ী-র বিভিন্ন আহকাম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৮

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: المرأة المحرمة إذا حلت لم تمتشط حتى تأخذ من قرون رأسها وإن كان لها هدي لم تأخذ من شعرها شيئا حتى تنحر هديها.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরামরত স্ত্রীলোক তার চুলের গোছা না কাটা পর্যন্ত সে চুল আচঁড়াবে না। সঙ্গে হাদ্‌য়ী থাকলে তা যবেহ না করা পর্যন্ত সে চুল কাটবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরামরত স্ত্রীলোক তার চুলের গোছা না কাটা পর্যন্ত সে চুল আচঁড়াবে না। সঙ্গে হাদ্‌য়ী থাকলে তা যবেহ না করা পর্যন্ত সে চুল কাটবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: المرأة المحرمة إذا حلت لم تمتشط حتى تأخذ من قرون رأسها وإن كان لها هدي لم تأخذ من شعرها شيئا حتى تنحر هديها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৭

حدثني يحيى عن مالك عن صدقة بن يسار المكي أن رجلا من أهل اليمن جاء إلى عبد الله بن عمر وقد ضفر رأسه فقال يا أبا عبد الرحمن إني قدمت بعمرة مفردة فقال له عبد الله بن عمر لو كنت معك أو سألتني لأمرتك أن تقرن فقال اليماني قد كان ذلك فقال عبد الله بن عمر خذ ما تطاير من رأسك وأهد فقالت امرأة من أهل العراق ما هديه يا أبا عبد الرحمن فقال هديه فقالت له ما هديه فقال عبد الله بن عمر لو لم أجد إلا أن أذبح شاة لكان أحب إلي من أن أصوم.

সাদাকাহ ইবনু ইয়াসার মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

ইয়ামনের অধিবাসী এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট আসে। চুলগুলো তার জটপাকানো ছিল। সে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! আমি শুধু উমরার হইরাম বেঁধে এসেছি। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তুমি যদি আমার সঙ্গে থাকতে বা আমার নিকট পূর্বে জিজ্ঞেস করতে তবে তোমাকে আমি হজ্জে কিরান করার কথা বলতাম। লোকটি বললঃ উহার সময় অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তোমরা এই লম্বা চুলগুলো কেটে ফেল এবং কুরবানী কর। ইরাকের অধিবাসী একজন মহিলা তখন বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! এই লোকটির হাদয়ী (কুরবানী) কি হবে? তিনি বললেন, উত্তম হাদয়ী সে দিবে। মহিলাটি পুনরায় বলল, ইহা কি হবে? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, যবেহ করবার জন্য বকরী ব্যতীত অন্য কিছু যদি না পায় বা দিতে অসমর্থ হয়, তবে আমার কাছে রোযা রাখা অপেক্ষা বকরী হাদয়ী দেওয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাদাকাহ ইবনু ইয়াসার মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

ইয়ামনের অধিবাসী এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট আসে। চুলগুলো তার জটপাকানো ছিল। সে বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! আমি শুধু উমরার হইরাম বেঁধে এসেছি। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তুমি যদি আমার সঙ্গে থাকতে বা আমার নিকট পূর্বে জিজ্ঞেস করতে তবে তোমাকে আমি হজ্জে কিরান করার কথা বলতাম। লোকটি বললঃ উহার সময় অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন, তোমরা এই লম্বা চুলগুলো কেটে ফেল এবং কুরবানী কর। ইরাকের অধিবাসী একজন মহিলা তখন বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! এই লোকটির হাদয়ী (কুরবানী) কি হবে? তিনি বললেন, উত্তম হাদয়ী সে দিবে। মহিলাটি পুনরায় বলল, ইহা কি হবে? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, যবেহ করবার জন্য বকরী ব্যতীত অন্য কিছু যদি না পায় বা দিতে অসমর্থ হয়, তবে আমার কাছে রোযা রাখা অপেক্ষা বকরী হাদয়ী দেওয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن صدقة بن يسار المكي أن رجلا من أهل اليمن جاء إلى عبد الله بن عمر وقد ضفر رأسه فقال يا أبا عبد الرحمن إني قدمت بعمرة مفردة فقال له عبد الله بن عمر لو كنت معك أو سألتني لأمرتك أن تقرن فقال اليماني قد كان ذلك فقال عبد الله بن عمر خذ ما تطاير من رأسك وأهد فقالت امرأة من أهل العراق ما هديه يا أبا عبد الرحمن فقال هديه فقالت له ما هديه فقال عبد الله بن عمر لو لم أجد إلا أن أذبح شاة لكان أحب إلي من أن أصوم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৫৯

و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول لا يشترك الرجل وامرأته في بدنة واحدة ليهد كل واحد منهما بدنة بدنة ৪৪৪-و سئل مالك عمن بعث معه بهدي ينحره في حج وهو مهل بعمرة هل ينحره إذا حل أم يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته فقال بل يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته. ১৪৪৫-قال مالك والذي يحكم عليه بالهدي في قتل الصيد أو يجب عليه هدي في غير ذلك فإن هديه لا يكون إلا بمكة كما قال الله تبارك وتعالى { هديا بالغ الكعبة } وأما ما عدل به الهدي من الصيام أو الصدقة فإن ذلك يكون بغير مكة حيث أحب صاحبه أن يفعله فعله.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কতিপয় আলিমের কাছে শুনেছেন স্বামী-স্ত্রী কুরবানীতে একই উটে শরীক হবে না। প্রত্যেকেরই আলাদা উট কুরবানী করা উচিত। মালিক (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, হজ্জের সময় ‘নাহর’ করার জন্য যদি কারো সঙ্গে মক্কায় হাদ্‌য়ী পাঠিয়ে দেয় আর সে নিজে উমরার ইহরাম বেঁধে আসে তবে উমরা শেষ হতেই সে ঐ হাদ্‌য়ীটি ‘নাহর’ করতে পারবে কি অথবা উহা ‘নাহর’ করার জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে কি অপেক্ষা করবে? তিনি উত্তরে বললেন, উমরা করে সে ইহরাম খুলে ফেলবে এবং কুরবানীর জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এবং ‘ইয়াওমুন-নাহরের সময় উহাকে সে ‘নাহর’ করবে এবং এই কুরবানীকে তার উমরারই অংশবিশেষ জানবে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম অবস্থায় শিকার করার কারণে বা অন্য কোন কারণে যদি কারো উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হয়ে যায়, তবে উহাকে মক্কায় নিয়ে আসা উচিত। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, هَدْيًا بَالِغَ الْكَعْبَةِ এমন হাদ্‌য়ী যা কা’বায় পৌঁছায়।’ শিকার করার কারণে বা কুরবানীর পরিবর্তে রোযা বা সাদকা করতে হলে তার ইখতিয়ার থাকবে হারাম্ বা হারাম্ শরীফের বাহিরে যেকোন স্থানে ইচ্ছা সে উহা করতে পারবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

কতিপয় আলিমের কাছে শুনেছেন স্বামী-স্ত্রী কুরবানীতে একই উটে শরীক হবে না। প্রত্যেকেরই আলাদা উট কুরবানী করা উচিত। মালিক (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, হজ্জের সময় ‘নাহর’ করার জন্য যদি কারো সঙ্গে মক্কায় হাদ্‌য়ী পাঠিয়ে দেয় আর সে নিজে উমরার ইহরাম বেঁধে আসে তবে উমরা শেষ হতেই সে ঐ হাদ্‌য়ীটি ‘নাহর’ করতে পারবে কি অথবা উহা ‘নাহর’ করার জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সে কি অপেক্ষা করবে? তিনি উত্তরে বললেন, উমরা করে সে ইহরাম খুলে ফেলবে এবং কুরবানীর জন্য হজ্জ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এবং ‘ইয়াওমুন-নাহরের সময় উহাকে সে ‘নাহর’ করবে এবং এই কুরবানীকে তার উমরারই অংশবিশেষ জানবে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম অবস্থায় শিকার করার কারণে বা অন্য কোন কারণে যদি কারো উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হয়ে যায়, তবে উহাকে মক্কায় নিয়ে আসা উচিত। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন, هَدْيًا بَالِغَ الْكَعْبَةِ এমন হাদ্‌য়ী যা কা’বায় পৌঁছায়।’ শিকার করার কারণে বা কুরবানীর পরিবর্তে রোযা বা সাদকা করতে হলে তার ইখতিয়ার থাকবে হারাম্ বা হারাম্ শরীফের বাহিরে যেকোন স্থানে ইচ্ছা সে উহা করতে পারবে।

و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقول لا يشترك الرجل وامرأته في بدنة واحدة ليهد كل واحد منهما بدنة بدنة ৪৪৪-و سئل مالك عمن بعث معه بهدي ينحره في حج وهو مهل بعمرة هل ينحره إذا حل أم يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته فقال بل يؤخره حتى ينحره في الحج ويحل هو من عمرته. ১৪৪৫-قال مالك والذي يحكم عليه بالهدي في قتل الصيد أو يجب عليه هدي في غير ذلك فإن هديه لا يكون إلا بمكة كما قال الله تبارك وتعالى { هديا بالغ الكعبة } وأما ما عدل به الهدي من الصيام أو الصدقة فإن ذلك يكون بغير مكة حيث أحب صاحبه أن يفعله فعله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬০

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن يعقوب بن خالد المخزومي عن أبي أسماء مولى عبد الله بن جعفر أنه أخبره أنه كان مع عبد الله بن جعفر فخرج معه من المدينة فمروا على حسين بن علي وهو مريض بالسقيا فأقام عليه عبد الله بن جعفر حتى إذا خاف الفوات خرج وبعث إلى علي بن أبي طالب وأسماء بنت عميس وهما بالمدينة فقدما عليه ثم إن حسينا أشار إلى رأسه فأمر علي برأسه فحلق ثم نسك عنه بالسقيا فنحر عنه بعيرا قال يحيى بن سعيد وكان حسين خرج مع عثمان بن عفان في سفره ذلك إلى مكة.

আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুর রহমান ইবনু জা’ফর (র)-এর সহিত মদীনা হতে যাত্রা করেন, পথে সুক্ইয়া নামক স্থানে হুসায়ন ইবনু আলী (রা)-এর সাথে তাদের সাক্ষাৎ হয়। তিনি [হুসায়ন (রা)] সেখানে অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফরও সেখানে রয়ে গেলেন। হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি পুনরায় রওয়ানা হয়ে পড়েন এবং একজন লোককে খবর দিয়ে আলী ইবনু আবি তালিব (রা) ও তাঁর স্ত্রী আসমা বিন্‌ত উমাইসের নিকট পাঠিয়ে দিলেন। তাঁরা ঐ সময় মদীনায় ছিলেন। তাঁরা খবর পেয়ে সুকইয়ায় অসুস্থ পুত্রের নিকট এলেন। তিনি (হুসায়ন রা.) নিজের মাথার দিকে ইশারা করে দেখালেন। আলী (রা)-এর নির্দেশে তখন সেখানেই তাঁর মাথা কামান হল এবং একটি উট কুরবানী দেওয়া হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, হুসায়ন (রা) ঐ সময় উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর সহিত হজ্জ করতে রাওয়ানা হয়েছেন।

আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুর রহমান ইবনু জা’ফর (র)-এর সহিত মদীনা হতে যাত্রা করেন, পথে সুক্ইয়া নামক স্থানে হুসায়ন ইবনু আলী (রা)-এর সাথে তাদের সাক্ষাৎ হয়। তিনি [হুসায়ন (রা)] সেখানে অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফরও সেখানে রয়ে গেলেন। হজ্জের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি পুনরায় রওয়ানা হয়ে পড়েন এবং একজন লোককে খবর দিয়ে আলী ইবনু আবি তালিব (রা) ও তাঁর স্ত্রী আসমা বিন্‌ত উমাইসের নিকট পাঠিয়ে দিলেন। তাঁরা ঐ সময় মদীনায় ছিলেন। তাঁরা খবর পেয়ে সুকইয়ায় অসুস্থ পুত্রের নিকট এলেন। তিনি (হুসায়ন রা.) নিজের মাথার দিকে ইশারা করে দেখালেন। আলী (রা)-এর নির্দেশে তখন সেখানেই তাঁর মাথা কামান হল এবং একটি উট কুরবানী দেওয়া হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) বলেন, হুসায়ন (রা) ঐ সময় উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর সহিত হজ্জ করতে রাওয়ানা হয়েছেন।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن يعقوب بن خالد المخزومي عن أبي أسماء مولى عبد الله بن جعفر أنه أخبره أنه كان مع عبد الله بن جعفر فخرج معه من المدينة فمروا على حسين بن علي وهو مريض بالسقيا فأقام عليه عبد الله بن جعفر حتى إذا خاف الفوات خرج وبعث إلى علي بن أبي طالب وأسماء بنت عميس وهما بالمدينة فقدما عليه ثم إن حسينا أشار إلى رأسه فأمر علي برأسه فحلق ثم نسك عنه بالسقيا فنحر عنه بعيرا قال يحيى بن سعيد وكان حسين خرج مع عثمان بن عفان في سفره ذلك إلى مكة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আরাফাত ও মুযদালিফায় অবস্থান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬১

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عرفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن عرنة والمزدلفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن محسر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আরাফাতের সারা ময়দানে অবস্থান করা যায়, তবে তোমরা ‘বাতনে উরানায়’ অবস্থান করো না। এমনিভাবে মুযদালিফার সারা ময়দানে অবস্থান করা যায় তবে তোমরা ‘বাতনে মুহাস্‌সিরে’ অবস্থান করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮, আর ইমাম মলিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি, মুরসাল)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আরাফাতের সারা ময়দানে অবস্থান করা যায়, তবে তোমরা ‘বাতনে উরানায়’ অবস্থান করো না। এমনিভাবে মুযদালিফার সারা ময়দানে অবস্থান করা যায় তবে তোমরা ‘বাতনে মুহাস্‌সিরে’ অবস্থান করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম জাবের (রা) থেকে বর্ণনা করেন ১২১৮, আর ইমাম মলিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি, মুরসাল)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال عرفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن عرنة والمزدلفة كلها موقف وارتفعوا عن بطن محسر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৬২

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن عبد الله بن الزبير أنه كان يقول اعلموا أن عرفة كلها موقف إلا بطن عرنة وأن المزدلفة كلها موقف إلا بطن محسر ১৪৫قال مالك قال الله تبارك وتعالى { فلا رفث ولا فسوق ولا جدال في الحج } قال فالرفث إصابة النساء والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم } قال والفسوق الذبح للأنصاب والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أو فسقا أهل لغير الله به }. قال والجدال في الحج أن قريشا كانت تقف عند المشعر الحرام بالمزدلفة بقزح وكانت العرب وغيرهم يقفون بعرفة فكانوا يتجادلون يقول هؤلاء نحن أصوب ويقول هؤلاء نحن أصوب فقال الله تعالى و { لكل أمة جعلنا منسكا هم ناسكوه فلا ينازعنك في الأمر وادع إلى ربك إنك لعلى هدى مستقيم } فهذا الجدال فيما نرى والله أعلم وقد سمعت ذلك من أهل العلم

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ

তোমরা বিশ্বাস কর ‘বাতনে উরানা’ ব্যতীত সমগ্র আরাফাতের ময়দানই অবস্থান করার স্থান, এমনভাবে বাতনে মুহাসসির ব্যতীত মুযদালিফার সারাটা ময়দানেই অবস্থান করা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجِّ [১] ‘রাফাস’ অর্থ হল স্ত্রীসম্ভোগ। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তা’আলা অন্যত্র ইরশাদ করেন أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ [২] মালিক (র) বলেন, ফুসুক অর্থ হল, দেব- দেবীর নামে পশু উৎসর্গ করা, আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তাআলা ইরশাদ করেন, أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللهِ بِهِ [৩] মালিক (র) বলেন, হজ্জে জিদাল বা ঝগড়া-বিবাদ হল, কুরাইশ গোত্রের লোকজন তৎকালে হজ্জের সময় মুযদালিফার কুযাহ্ নামক স্থানে অবস্থান করত। আর অন্যরা আরাফাতে অবস্থান করত। উভয় দল তখন পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত হত, একদল বলত, আমরাই সত্যপথের অনুসারী; অপর দল বলত, আমরাই কেবল সত্যপথের অনুসারী। আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত নাযিল করে ইরশাদ করলেন, لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ فَلَا يُنَازِعُنَّكَ فِي الْأَمْرِ وَادْعُ إِلَى رَبِّكَ إِنَّكَ لَعَلَى هُدًى مُسْتَقِيمٍ [৪] হজ্জের সময় ঝগড়া-বিবাদ বলতে এই কথাই বোঝানো হয়েছে। আল্লাহ্ অধিক জ্ঞাত। আলিমগণের নিকটও আমি এই ব্যাখ্যা শুনেছি।

আবদুল্লাহ্‌ ইবনু যুবায়র (রা) থেকে বর্নিতঃ

তোমরা বিশ্বাস কর ‘বাতনে উরানা’ ব্যতীত সমগ্র আরাফাতের ময়দানই অবস্থান করার স্থান, এমনভাবে বাতনে মুহাসসির ব্যতীত মুযদালিফার সারাটা ময়দানেই অবস্থান করা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الْحَجِّ [১] ‘রাফাস’ অর্থ হল স্ত্রীসম্ভোগ। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তা’আলা অন্যত্র ইরশাদ করেন أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ [২] মালিক (র) বলেন, ফুসুক অর্থ হল, দেব- দেবীর নামে পশু উৎসর্গ করা, আল্লাহই অধিক জ্ঞাত। আল্লাহ্ তাআলা ইরশাদ করেন, أَوْ فِسْقًا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللهِ بِهِ [৩] মালিক (র) বলেন, হজ্জে জিদাল বা ঝগড়া-বিবাদ হল, কুরাইশ গোত্রের লোকজন তৎকালে হজ্জের সময় মুযদালিফার কুযাহ্ নামক স্থানে অবস্থান করত। আর অন্যরা আরাফাতে অবস্থান করত। উভয় দল তখন পরস্পর ঝগড়ায় লিপ্ত হত, একদল বলত, আমরাই সত্যপথের অনুসারী; অপর দল বলত, আমরাই কেবল সত্যপথের অনুসারী। আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত নাযিল করে ইরশাদ করলেন, لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ فَلَا يُنَازِعُنَّكَ فِي الْأَمْرِ وَادْعُ إِلَى رَبِّكَ إِنَّكَ لَعَلَى هُدًى مُسْتَقِيمٍ [৪] হজ্জের সময় ঝগড়া-বিবাদ বলতে এই কথাই বোঝানো হয়েছে। আল্লাহ্ অধিক জ্ঞাত। আলিমগণের নিকটও আমি এই ব্যাখ্যা শুনেছি।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن عبد الله بن الزبير أنه كان يقول اعلموا أن عرفة كلها موقف إلا بطن عرنة وأن المزدلفة كلها موقف إلا بطن محسر ১৪৫قال مالك قال الله تبارك وتعالى { فلا رفث ولا فسوق ولا جدال في الحج } قال فالرفث إصابة النساء والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم } قال والفسوق الذبح للأنصاب والله أعلم قال الله تبارك وتعالى { أو فسقا أهل لغير الله به }. قال والجدال في الحج أن قريشا كانت تقف عند المشعر الحرام بالمزدلفة بقزح وكانت العرب وغيرهم يقفون بعرفة فكانوا يتجادلون يقول هؤلاء نحن أصوب ويقول هؤلاء نحن أصوب فقال الله تعالى و { لكل أمة جعلنا منسكا هم ناسكوه فلا ينازعنك في الأمر وادع إلى ربك إنك لعلى هدى مستقيم } فهذا الجدال فيما نرى والله أعلم وقد سمعت ذلك من أهل العلم


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00