মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন্ ধরনের পশু হাদ্‌য়ীর উপযুক্ত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩৭

و حدثني عن مالك عن أبي جعفر القارئ أن عبد الله بن عياش بن أبي ربيعة المخزومي أهدى بدنتين إحداهما بختية.

আবূ জা’ফর কারী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আইয়াশ ইবনু আবি রবী’আ মাখযুমী দুটি উটের কুরবানী করেছিলেন। এর মধ্যে একটি বুখতী ধরনের উষ্ট্রীও ছিল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ জা’ফর কারী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আইয়াশ ইবনু আবি রবী’আ মাখযুমী দুটি উটের কুরবানী করেছিলেন। এর মধ্যে একটি বুখতী ধরনের উষ্ট্রীও ছিল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي جعفر القارئ أن عبد الله بن عياش بن أبي ربيعة المخزومي أهدى بدنتين إحداهما بختية.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩৫

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه كان يرى عبد الله بن عمر يهدي في الحج بدنتين بدنتين وفي العمرة بدنة بدنة قال ورأيته في العمرة ينحر بدنة وهي قائمة في دار خالد بن أسيد وكان فيها منزله قال ولقد رأيته طعن في لبة بدنته حتى خرجت الحربة من تحت كتفها.

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হজ্জের সময় দুটি করে আর উমরার সময় একটি করে কুরবানী দিতেন। আমি তাঁকে খালিদ ইবনু উসাইদের ঘরে বাঁধা তাঁর উমরার কুরবানীর উটটিকে নাহর করতে দেখেছি। আমি উমরার সময় দেখেছি তাঁর কুরবানীর উটের উপর এমন জোরে বর্শা মেরেছিলেন (নাহর করার জন্য) যে, উহা ভেদ করে অপরদিকে গিয়ে ঘাড়ের নিচ দিকে বের হয়ে গিয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হজ্জের সময় দুটি করে আর উমরার সময় একটি করে কুরবানী দিতেন। আমি তাঁকে খালিদ ইবনু উসাইদের ঘরে বাঁধা তাঁর উমরার কুরবানীর উটটিকে নাহর করতে দেখেছি। আমি উমরার সময় দেখেছি তাঁর কুরবানীর উটের উপর এমন জোরে বর্শা মেরেছিলেন (নাহর করার জন্য) যে, উহা ভেদ করে অপরদিকে গিয়ে ঘাড়ের নিচ দিকে বের হয়ে গিয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه كان يرى عبد الله بن عمر يهدي في الحج بدنتين بدنتين وفي العمرة بدنة بدنة قال ورأيته في العمرة ينحر بدنة وهي قائمة في دار خالد بن أسيد وكان فيها منزله قال ولقد رأيته طعن في لبة بدنته حتى خرجت الحربة من تحت كتفها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩৬

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن عبد العزيز أهدى جملا في حج أو عمرة.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) হজ্জ কিংবা উমরার সময় একটি উট হাদ্‌য়ী হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) হজ্জ কিংবা উমরার সময় একটি উট হাদ্‌য়ী হিসেবে প্রেরণ করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن عبد العزيز أهدى جملا في حج أو عمرة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩৮

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول إذا نتجت الناقة فليحمل ولدها حتى ينحر معها فإن لم يوجد له محمل حمل على أمه حتى ينحر معها.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, কুরবানীর উদ্দেশ্যে প্রেরিত উষ্ট্রীর যদি বাচ্চা পয়দা হয় তবে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকেও কুরবানীর জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। লইয়া যাওয়ার জন্য যদি কোন যানবাহন না পাওয়া যায় তবে বাচ্চাটিকে মার উপর চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে মার সাথে বাচ্চাটিকে নাহর করা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, কুরবানীর উদ্দেশ্যে প্রেরিত উষ্ট্রীর যদি বাচ্চা পয়দা হয় তবে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকেও কুরবানীর জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। লইয়া যাওয়ার জন্য যদি কোন যানবাহন না পাওয়া যায় তবে বাচ্চাটিকে মার উপর চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে মার সাথে বাচ্চাটিকে নাহর করা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول إذا نتجت الناقة فليحمل ولدها حتى ينحر معها فإن لم يوجد له محمل حمل على أمه حتى ينحر معها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩৩

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدى جملا كان لأبي جهل بن هشام في حج أو عمرة

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র ইবনু হাযম (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জ বা উমরাতে একটি উট যাহা পূর্বে (আবূ জাহ্‌ল ইবনু হিশামের ছিল) হাদ্‌য়ী হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। [১] (হাসান আবূ দাঊদ ১৭৪৯, ইমাম আবূ দাঊদ সাহাবী ইবনু আব্বাস এর বরাতে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ, সুনানে আবূ দাঊদ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র ইবনু হাযম (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জ বা উমরাতে একটি উট যাহা পূর্বে (আবূ জাহ্‌ল ইবনু হিশামের ছিল) হাদ্‌য়ী হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। [১] (হাসান আবূ দাঊদ ১৭৪৯, ইমাম আবূ দাঊদ সাহাবী ইবনু আব্বাস এর বরাতে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ, সুনানে আবূ দাঊদ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدى جملا كان لأبي جهل بن هشام في حج أو عمرة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩৪

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال اركبها فقال يا رسول الله إنها بدنة فقال اركبها ويلك في الثانية أو الثالثة.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটি কুরবানীর উট হাকিয়ে নিয়ে যেতে দেখতে পেয়ে বললেন, এর উপর আরোহণ কর। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল, এটা তো কুরবানীর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক, আরোহণ কর। এই কথা তিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারে বলেছিলেন। [১] (বুখারী ১৬৮৯, মুসলিম ১৩২২)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক ব্যক্তিকে একটি কুরবানীর উট হাকিয়ে নিয়ে যেতে দেখতে পেয়ে বললেন, এর উপর আরোহণ কর। সে বলল, হে আল্লাহর রসূল, এটা তো কুরবানীর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক, আরোহণ কর। এই কথা তিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয়বারে বলেছিলেন। [১] (বুখারী ১৬৮৯, মুসলিম ১৩২২)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى رجلا يسوق بدنة فقال اركبها فقال يا رسول الله إنها بدنة فقال اركبها ويلك في الثانية أو الثالثة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৩৯

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه قال: إذا اضطررت إلى بدنتك فاركبها ركوبا غير فادح وإذا اضطررت إلى لبنها فاشرب بعد ما يروى فصيلها فإذا نحرتها فانحر فصيلها معها.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

কুরবানীর উদ্দেশ্যে নীত কুরবানীর পশুর উপর প্রয়োজন হলে আরোহণ করতে পার। তবে এভাবে ব্যবহার করবে না যে, উহার কোমর ভেঙে যায়। দুধের প্রয়োজন হলে এর বাচ্চা পরিতৃপ্ত হয়ে খাওয়ার পর (অবশিষ্ট দুধ) পান করতে পার, আর একে নাহর করার সময় বাচ্চাটিকেও নাহর করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

কুরবানীর উদ্দেশ্যে নীত কুরবানীর পশুর উপর প্রয়োজন হলে আরোহণ করতে পার। তবে এভাবে ব্যবহার করবে না যে, উহার কোমর ভেঙে যায়। দুধের প্রয়োজন হলে এর বাচ্চা পরিতৃপ্ত হয়ে খাওয়ার পর (অবশিষ্ট দুধ) পান করতে পার, আর একে নাহর করার সময় বাচ্চাটিকেও নাহর করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه قال: إذا اضطررت إلى بدنتك فاركبها ركوبا غير فادح وإذا اضطررت إلى لبنها فاشرب بعد ما يروى فصيلها فإذا نحرتها فانحر فصيلها معها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হাদ্‌য়ী হাঁকিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪২

و حدثني مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: في الضحايا والبدن الثني فما فوقه.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কুরবানীর উট পাঁচ বা ততোধিক বৎসর বয়সের হতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৯و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ لَا يَشُقُّ جِلَالَ بُدْنِهِ وَلَا يُجَلِّلُهَا حَتَّى يَغْدُوَ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তাঁর কুরবানীর উটের কাপড়-চোপড় মিনা হতে আরাফাতে না যাওয়া পর্যন্ত ছিড়তেন না বা পরাতেন না। (মাওকুফ, হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِبَنِيهِ يَا بَنِيَّ لَا يُهْدِيَنَّ أَحَدُكُمْ مِنْ الْبُدْنِ شَيْئًا يَسْتَحْيِي أَنْ يُهْدِيَهُ لِكَرِيمِهِ فَإِنَّ اللهَ أَكْرَمُ الْكُرَمَاءِ وَأَحَقُّ مَنْ اخْتِيرَ لَهُ. হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি স্বীয় পুত্রগণকে বলতেন, বৎসগণ আল্লাহর নামে তোমরা এমন উট কুরবানী দিও না একজন দোস্তকে যা দিতে লজ্জা কর। আল্লাহ তা’আলা সবচাইতে সম্মানিত। সুতরাং সর্বোত্তম বস্তুই তাঁর জন্য নির্বাচন করা উচিত।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কুরবানীর উট পাঁচ বা ততোধিক বৎসর বয়সের হতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৯و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ لَا يَشُقُّ جِلَالَ بُدْنِهِ وَلَا يُجَلِّلُهَا حَتَّى يَغْدُوَ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তাঁর কুরবানীর উটের কাপড়-চোপড় মিনা হতে আরাফাতে না যাওয়া পর্যন্ত ছিড়তেন না বা পরাতেন না। (মাওকুফ, হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِبَنِيهِ يَا بَنِيَّ لَا يُهْدِيَنَّ أَحَدُكُمْ مِنْ الْبُدْنِ شَيْئًا يَسْتَحْيِي أَنْ يُهْدِيَهُ لِكَرِيمِهِ فَإِنَّ اللهَ أَكْرَمُ الْكُرَمَاءِ وَأَحَقُّ مَنْ اخْتِيرَ لَهُ. হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি স্বীয় পুত্রগণকে বলতেন, বৎসগণ আল্লাহর নামে তোমরা এমন উট কুরবানী দিও না একজন দোস্তকে যা দিতে লজ্জা কর। আল্লাহ তা’আলা সবচাইতে সম্মানিত। সুতরাং সর্বোত্তম বস্তুই তাঁর জন্য নির্বাচন করা উচিত।

و حدثني مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: في الضحايا والبدن الثني فما فوقه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪১

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا طعن في سنام هديه وهو يشعره قال بسم الله والله أكبر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইশআর করার উদ্দেশ্যে যখন কুরবানীর উটের কুঁজে যখম করতেন তখন ‘বিসমিল্লাহি্‌ ওয়াল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ: الْهَدْيُ مَا قُلِّدَ وَأُشْعِرَ وَوُقِفَ بِهِ بِعَرَفَةَ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কাদয়ী হল সেই পশু যার গলায় হার লটকানো হয়েছে, যার কুঁজ চিরে যখম করা হয়েছে এবং আরাফাতের ময়দানে নিয়ে দাঁড় করানো হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৬و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُجَلِّلُ بُدْنَهُ الْقُبَاطِيَّ وَالْأَنْمَاطَ وَالْحُلَلَ ثُمَّ يَبْعَثُ بِهَا إِلَى الْكَعْبَةِ فَيَكْسُوهَا إِيَّاهَا. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) কুরবানীর উটসমূহকে মিসরীয় কুবাতি ও আনমাত কাপড় পরাতেন। কুরবানীর পর কাপড়সমূহ বায়তুল্লাহর গিলাফ হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৭و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللهِ بْنَ دِينَارٍ مَا كَانَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ يَصْنَعُ بِجِلَالِ بُدْنِهِ حِينَ كُسِيَتْ الْكَعْبَةُ هَذِهِ الْكِسْوَةَ قَالَ كَانَ يَتَصَدَّقُ بِهَا. মালিক (র) আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (রা)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন পরে বায়তুল্লাহ্‌র জন্য যখন আলাদা গিলাফ বানিয়ে নেওয়া হল তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) কুরবানীর উটসমূহের এই কাপড়-চোপড় কি করতেন? তিনি বললেন, এইগুলো তিনি তখন খয়রাত করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইশআর করার উদ্দেশ্যে যখন কুরবানীর উটের কুঁজে যখম করতেন তখন ‘বিসমিল্লাহি্‌ ওয়াল্লাহু আকবার’ বলতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ: الْهَدْيُ مَا قُلِّدَ وَأُشْعِرَ وَوُقِفَ بِهِ بِعَرَفَةَ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, কাদয়ী হল সেই পশু যার গলায় হার লটকানো হয়েছে, যার কুঁজ চিরে যখম করা হয়েছে এবং আরাফাতের ময়দানে নিয়ে দাঁড় করানো হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৬و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يُجَلِّلُ بُدْنَهُ الْقُبَاطِيَّ وَالْأَنْمَاطَ وَالْحُلَلَ ثُمَّ يَبْعَثُ بِهَا إِلَى الْكَعْبَةِ فَيَكْسُوهَا إِيَّاهَا. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) কুরবানীর উটসমূহকে মিসরীয় কুবাতি ও আনমাত কাপড় পরাতেন। কুরবানীর পর কাপড়সমূহ বায়তুল্লাহর গিলাফ হিসেবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৪৭و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللهِ بْنَ دِينَارٍ مَا كَانَ عَبْدُ اللهِ بْنُ عُمَرَ يَصْنَعُ بِجِلَالِ بُدْنِهِ حِينَ كُسِيَتْ الْكَعْبَةُ هَذِهِ الْكِسْوَةَ قَالَ كَانَ يَتَصَدَّقُ بِهَا. মালিক (র) আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (রা)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন পরে বায়তুল্লাহ্‌র জন্য যখন আলাদা গিলাফ বানিয়ে নেওয়া হল তখন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) কুরবানীর উটসমূহের এই কাপড়-চোপড় কি করতেন? তিনি বললেন, এইগুলো তিনি তখন খয়রাত করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا طعن في سنام هديه وهو يشعره قال بسم الله والله أكبر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪০

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان إذا أهدى هديا من المدينة قلده وأشعره بذي الحليفة يقلده قبل أن يشعره وذلك في مكان واحد وهو موجه للقبلة يقلده بنعلين ويشعره من الشق الأيسر ثم يساق معه حتى يوقف به مع الناس بعرفة ثم يدفع به معهم إذا دفعوا فإذا قدم منى غداة النحر نحره قبل أن يحلق أو يقصر وكان هو ينحر هديه بيده يصفهن قياما ويوجههن إلى القبلة ثم يأكل ويطعم.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) মদীনা হতে যখন কুরবানীর পশু (হাদ্‌য়ী) নিয়ে যেতেন তখন যুল-হুলায়ফা পৌঁছে এর গলায় চিহ্নের জন্য কিছু একটা লটকিয়ে দিতেন এবং সেখানেই উহার ইশআর (কাঁধের চামড়া যখম করে রক্ত মাখিয়ে দেওয়া) করতেন। প্রথমে ঐ পশুটির মুখ কিবলার দিকে করে এর গলায় দুটি জুতা লটকিয়ে দিতেন, পরে বাম দিকের কাঁধের চামড়া চিরে তা রক্তাক্ত করতেন এবং নিজের সঙ্গে তা হাঁকিয়ে নিয়ে চলতেন। আরাফাতে পৌঁছে সকলে যেখানে অবস্থান করতেন, তিনিও সেখানে অবস্থান করতেন। সকলেই যখন ফিরে আসত কুরবানীর পশুটিও সঙ্গে ফিরত। ইয়াওমুন নাহরের সকালে মিনায় পৌঁছে মাথা কামানো বা চুল ছাঁটার পূর্বেই কুরবানীর পশুটি নাহর করতেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) স্বীয় কুরবানীর পশুটি স্বহস্তে নাহর করতেন। কিবলামুখ করে প্রথমে কুরবানীর পশুগুলো কাতার করে দাঁড় করাতেন, পরে এগুলো নাহর করতেন এবং এই গোশত নিজেও খেতেন এবং অন্যদেরকেও খাওয়াইতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) মদীনা হতে যখন কুরবানীর পশু (হাদ্‌য়ী) নিয়ে যেতেন তখন যুল-হুলায়ফা পৌঁছে এর গলায় চিহ্নের জন্য কিছু একটা লটকিয়ে দিতেন এবং সেখানেই উহার ইশআর (কাঁধের চামড়া যখম করে রক্ত মাখিয়ে দেওয়া) করতেন। প্রথমে ঐ পশুটির মুখ কিবলার দিকে করে এর গলায় দুটি জুতা লটকিয়ে দিতেন, পরে বাম দিকের কাঁধের চামড়া চিরে তা রক্তাক্ত করতেন এবং নিজের সঙ্গে তা হাঁকিয়ে নিয়ে চলতেন। আরাফাতে পৌঁছে সকলে যেখানে অবস্থান করতেন, তিনিও সেখানে অবস্থান করতেন। সকলেই যখন ফিরে আসত কুরবানীর পশুটিও সঙ্গে ফিরত। ইয়াওমুন নাহরের সকালে মিনায় পৌঁছে মাথা কামানো বা চুল ছাঁটার পূর্বেই কুরবানীর পশুটি নাহর করতেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) স্বীয় কুরবানীর পশুটি স্বহস্তে নাহর করতেন। কিবলামুখ করে প্রথমে কুরবানীর পশুগুলো কাতার করে দাঁড় করাতেন, পরে এগুলো নাহর করতেন এবং এই গোশত নিজেও খেতেন এবং অন্যদেরকেও খাওয়াইতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان إذا أهدى هديا من المدينة قلده وأشعره بذي الحليفة يقلده قبل أن يشعره وذلك في مكان واحد وهو موجه للقبلة يقلده بنعلين ويشعره من الشق الأيسر ثم يساق معه حتى يوقف به مع الناس بعرفة ثم يدفع به معهم إذا دفعوا فإذا قدم منى غداة النحر نحره قبل أن يحلق أو يقصر وكان هو ينحر هديه بيده يصفهن قياما ويوجههن إلى القبلة ثم يأكل ويطعم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হাদ্‌য়ীর পশু যদি ক্লান্ত হয়ে যায় বা হারিয়ে যায় তবে কি করতে হবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪৪

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال من ساق بدنة تطوعا فعطبت فنحرها ثم خلى بينها وبين الناس يأكلونها فليس عليه شيء وإن أكل منها أو أمر من يأكل منها غرمها.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি হাদ্‌য়ী নিয়ে রওয়ানা হয়েছে, সে যদি এটাকে পথে মারা যেতে দেখে, তবে ‘নাহর’ করে রেখে দেবে, যাতে লোকজন উহা খেয়ে নিতে পারে। ঐ ব্যক্তির কোন বদলা দিতে হবে না। কিন্তু এর গোশত নিজে খেলে বা অন্য কাউকেও খেতে বললে বদলা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَ ذَلِكَ. মালিক (র) সাওর ইবনু যায়দ দীলি (র) হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা)-ও উপরিউক্ত মত ব্যক্ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি হাদ্‌য়ী নিয়ে রওয়ানা হয়েছে, সে যদি এটাকে পথে মারা যেতে দেখে, তবে ‘নাহর’ করে রেখে দেবে, যাতে লোকজন উহা খেয়ে নিতে পারে। ঐ ব্যক্তির কোন বদলা দিতে হবে না। কিন্তু এর গোশত নিজে খেলে বা অন্য কাউকেও খেতে বললে বদলা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ مِثْلَ ذَلِكَ. মালিক (র) সাওর ইবনু যায়দ দীলি (র) হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা)-ও উপরিউক্ত মত ব্যক্ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال من ساق بدنة تطوعا فعطبت فنحرها ثم خلى بينها وبين الناس يأكلونها فليس عليه شيء وإن أكل منها أو أمر من يأكل منها غرمها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪৫

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال من أهدى بدنة جزاء أو نذرا أو هدي تمتع فأصيبت في الطريق فعليه البدل.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, কাফফারা, মানত বা হজ্জে তামাত্তু’র কুরবানীর উট নিয়ে রওয়ানা হওয়ার পর পথে যদি মারা যায় বা নষ্ট হয়ে যায় তবে এর পরিবর্তে আরেকটি উট কুরবানী দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৫৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ أَهْدَى بَدَنَةً ثُمَّ ضَلَّتْ أَوْ مَاتَتْ فَإِنَّهَا إِنْ كَانَتْ نَذْرًا أَبْدَلَهَا وَإِنْ كَانَتْ تَطَوُّعًا فَإِنْ شَاءَ أَبْدَلَهَا وَإِنْ شَاءَ تَرَكَهَا. ১৪১৯-و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ أَهْلَ الْعِلْمِ يَقُولُونَ لَا يَأْكُلُ صَاحِبُ الْهَدْيِ مِنْ الْجَزَاءِ وَالنُّسُكِ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, কুরবানীর পশু পথে মারা গেলে বা হারিয়ে গেলে তা মানতের হয়ে থাকলে এর পরিবর্তে আরেকটি কুরবানী দিতে হবে, আর নফলী হয়ে থাকলে আরেকটি কুরবানী দেওয়া না দেওয়া মালিকের ইচ্ছাধীন থাকবে। মালিক (র) বলেন, তিনি বিজ্ঞ আলিমগণকে বলতে শুনেছেন, শাস্তিস্বরূপ অথবা ইহরামের পরিপন্থী পরিচ্ছন্নতা ও আরাম-আয়েশ গ্রহণ করার দরুন যে হাদ্‌য়ী (কুরবানী) ওয়াজিব তা হতে কুরবানী প্রদানকারী আহার করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, কাফফারা, মানত বা হজ্জে তামাত্তু’র কুরবানীর উট নিয়ে রওয়ানা হওয়ার পর পথে যদি মারা যায় বা নষ্ট হয়ে যায় তবে এর পরিবর্তে আরেকটি উট কুরবানী দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ১৫৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ: مَنْ أَهْدَى بَدَنَةً ثُمَّ ضَلَّتْ أَوْ مَاتَتْ فَإِنَّهَا إِنْ كَانَتْ نَذْرًا أَبْدَلَهَا وَإِنْ كَانَتْ تَطَوُّعًا فَإِنْ شَاءَ أَبْدَلَهَا وَإِنْ شَاءَ تَرَكَهَا. ১৪১৯-و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ سَمِعَ أَهْلَ الْعِلْمِ يَقُولُونَ لَا يَأْكُلُ صَاحِبُ الْهَدْيِ مِنْ الْجَزَاءِ وَالنُّسُكِ. নাফি’ (র) হতে বর্ণিত; আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, কুরবানীর পশু পথে মারা গেলে বা হারিয়ে গেলে তা মানতের হয়ে থাকলে এর পরিবর্তে আরেকটি কুরবানী দিতে হবে, আর নফলী হয়ে থাকলে আরেকটি কুরবানী দেওয়া না দেওয়া মালিকের ইচ্ছাধীন থাকবে। মালিক (র) বলেন, তিনি বিজ্ঞ আলিমগণকে বলতে শুনেছেন, শাস্তিস্বরূপ অথবা ইহরামের পরিপন্থী পরিচ্ছন্নতা ও আরাম-আয়েশ গ্রহণ করার দরুন যে হাদ্‌য়ী (কুরবানী) ওয়াজিব তা হতে কুরবানী প্রদানকারী আহার করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال من أهدى بدنة جزاء أو نذرا أو هدي تمتع فأصيبت في الطريق فعليه البدل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪৩

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن صاحب هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يا رسول الله كيف أصنع بما عطب من الهدي فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم كل بدنة عطبت من الهدي فانحرها ثم ألق قلادتها في دمها ثم خل بينها وبين الناس يأكلونها.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদ্‌য়ী নিয়ে যাচ্ছিলেন সে ব্যক্তি তাঁকে বলল, পথে যদি হাদ্‌য়ীর কোন একটি মারা যাওয়ার উপক্রম হয় তবে কি করবে? তিনি বললেন, এমন হতে দেখলে ঐ পশুটিকে ‘নাহর’ করে গলায় বাঁধা হারটি রক্ত মেখে রেখে দেবে। এতে লোকগণ এর গোশত খেয়ে নিতে পারবে। [১] (সহীহ, আবূ দাঊদ মুত্তাসিল সনদে নাজিয়ার বরাত দিয়ে বর্ণনা করেন, [আবূ দাঊদ ১৭৬২, তিরমিযী ৯১০, ইবনু মাজাহ ৩১০৬] আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ সুনানে আবূ দাঊদ] এবং ইমাম মুসলিম মারফু ও মুত্তাসিল সনদে আবূ আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন ১৯২৫)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদ্‌য়ী নিয়ে যাচ্ছিলেন সে ব্যক্তি তাঁকে বলল, পথে যদি হাদ্‌য়ীর কোন একটি মারা যাওয়ার উপক্রম হয় তবে কি করবে? তিনি বললেন, এমন হতে দেখলে ঐ পশুটিকে ‘নাহর’ করে গলায় বাঁধা হারটি রক্ত মেখে রেখে দেবে। এতে লোকগণ এর গোশত খেয়ে নিতে পারবে। [১] (সহীহ, আবূ দাঊদ মুত্তাসিল সনদে নাজিয়ার বরাত দিয়ে বর্ণনা করেন, [আবূ দাঊদ ১৭৬২, তিরমিযী ৯১০, ইবনু মাজাহ ৩১০৬] আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [সহীহ সুনানে আবূ দাঊদ] এবং ইমাম মুসলিম মারফু ও মুত্তাসিল সনদে আবূ আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন ১৯২৫)

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن صاحب هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يا رسول الله كيف أصنع بما عطب من الهدي فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم كل بدنة عطبت من الهدي فانحرها ثم ألق قلادتها في دمها ثم خل بينها وبين الناس يأكلونها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুহরিম ব্যক্তি স্ত্রী সহবাস করলে তার কুরবানী

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪৬

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب وعلي بن أبي طالب وأبا هريرة سئلوا عن رجل أصاب أهله وهو محرم بالحج فقالوا ينفذان يمضيان لوجههما حتى يقضيا حجهما ثم عليهما حج قابل والهدي قال وقال علي بن أبي طالب وإذا أهلا بالحج من عام قابل تفرقا حتى يقضيا حجهما.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা), আলী ইবনু আবি তালিব (রা) ও আবূ হুরায়রা (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ইহরাম অবস্থায় কেউ যদি স্ত্রীর সহিত সহবাস করে তবে সে কি করবে? তাঁরা বললেন, স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই হজ্জের অবশিষ্ট রুকনগুলো আদায় করে হজ্জ পুরা করবে। আগামী বৎসর তাদেরকে পুনরায় হজ্জ করতে হবে এবং কুরবানী দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আলী ইবনু আবি তালিব (রা) বলেছেন, আগামী বৎসর পুনরায় হজ্জের ইহরাম বাঁধলে হজ্জ পুরা না হওয়া পর্যন্ত তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনে আলাদা আলাদা থাকবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা), আলী ইবনু আবি তালিব (রা) ও আবূ হুরায়রা (রা)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ইহরাম অবস্থায় কেউ যদি স্ত্রীর সহিত সহবাস করে তবে সে কি করবে? তাঁরা বললেন, স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই হজ্জের অবশিষ্ট রুকনগুলো আদায় করে হজ্জ পুরা করবে। আগামী বৎসর তাদেরকে পুনরায় হজ্জ করতে হবে এবং কুরবানী দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আলী ইবনু আবি তালিব (রা) বলেছেন, আগামী বৎসর পুনরায় হজ্জের ইহরাম বাঁধলে হজ্জ পুরা না হওয়া পর্যন্ত তারা স্বামী-স্ত্রী দু’জনে আলাদা আলাদা থাকবে।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب وعلي بن أبي طالب وأبا هريرة سئلوا عن رجل أصاب أهله وهو محرم بالحج فقالوا ينفذان يمضيان لوجههما حتى يقضيا حجهما ثم عليهما حج قابل والهدي قال وقال علي بن أبي طالب وإذا أهلا بالحج من عام قابل تفرقا حتى يقضيا حجهما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮৪৭

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول: ما ترون في رجل وقع بامرأته وهو محرم فلم يقل له القوم شيئا فقال سعيد إن رجلا وقع بامرأته وهو محرم فبعث إلى المدينة يسأل عن ذلك فقال بعض الناس يفرق بينهما إلى عام قابل فقال سعيد بن المسيب لينفذا لوجههما فليتما حجهما الذي أفسداه فإذا فرغا رجعا فإن أدركهما حج قابل فعليهما الحج والهدي ويهلان من حيث أهلا بحجهما الذي أفسداه ويتفرقان حتى يقضيا حجهما قال مالك يهديان جميعا بدنة بدنة. ১৪২৩-قال مالك في رجل وقع بامرأته في الحج ما بينه وبين أن يدفع من عرفة ويرمي الجمرة إنه يجب عليه الهدي وحج قابل قال فإن كانت إصابته أهله بعد رمي الجمرة فإنما عليه أن يعتمر ويهدي وليس عليه حج قابل. ১৪২৪-قال مالك والذي يفسد الحج أو العمرة حتى يجب عليه في ذلك الهدي في الحج أو العمرة التقاء الختانين وإن لم يكن ماء دافق قال ويوجب ذلك أيضا الماء الدافق إذا كان من مباشرة فأما رجل ذكر شيئا حتى خرج منه ماء دافق فلا أرى عليه شيئا ১৪২৫-ولو أن رجلا قبل امرأته ولم يكن من ذلك ماء دافق لم يكن عليه في القبلة إلا الهدي ১৪২৬-وليس على المرأة التي يصيبها زوجها وهي محرمة مرارا في الحج أو العمرة وهي له في ذلك مطاوعة إلا الهدي وحج قابل إن أصابها في الحج وإن كان أصابها في العمرة فإنما عليها قضاء العمرة التي أفسدت والهدي .

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সমবেত লোকদেরকে লক্ষ করে বলতেছিলেন ইহরাম অবস্থায় যে ব্যক্তি স্ত্রী-সহবাস করে তার সম্পর্কে তোমরা কি বল? উপস্থিত সকলেই চুপ হয়ে রইলেন। শেষে সাঈদ (রা) নিজেই বললেন, এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছিল। পরে সে এই সম্পর্কে মাসআলা জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তিকে মদীনা শরীফে প্রেরণ করে। কেউ কেউ জবাব দিলেন স্বামী-স্ত্রী এক বৎসর পর্যন্ত দু’জনেই আলাদা হয়ে থাকবে। কিন্তু সাঈদ (র) বললেন, এই বৎসর তারা হজ্জে অবশিষ্ট কাজসমূহ পুরা করবে। পরের বৎসর জীবিত থাকলে পুনরায় হজ্জ করবে এবং কুরবানী দিবে। প্রথম হজ্জের ইহরাম যে স্থান হতে বেঁধেছিল এই হজ্জের ইহরামও সেই স্থান হতে বাঁধবে। আর কাযা হজ্জ করতে যখন আসবে তখন দু’জনেই তারা হজ্জ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আলাদা আলাদা থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উভয়কেই এক একটি করে কুরবানী করতে হবে। মালিক (র) বলেন, আরাফাতে অবস্থানের পর এবং প্রস্তর নিক্ষেপের পূর্বে যদি কেউ স্ত্রী সহবাস করে তবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হবে এবং আগামী বৎসর পুনরায় তাকে হজ্জ করতে হবে। রমিয়ে হাজর বা প্রস্তর নিক্ষেপের পর যদি স্ত্রী সহবাস করে, তবে তাকে একটি উমরা এবং একটি কুরবানী করতে হবে। পরেরবার পুনরায় হজ্জ করতে হবে না। মালিক (র) বলেন, স্খলন না হয়ে শুধু পুরুষাঙ্গ প্রবিষ্ট হলেও হজ্জ ও উমরা বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং হাদ্‌য়ী ওয়াজিব হবে। প্রবিষ্ট না হয়েও যদি রতিলীলায় স্খলন হয়ে যায় তবুও হজ্জ বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর কল্পনা করার দরুন যদি কারো স্খলন হয়ে যায় তবে এতে কিছুই ওয়াজিব হবে না। মালিক (র) বলেন, কেউ স্ত্রীকে চুমা খেলে স্খলন না হলেও তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, কোন মুহরিম মহিলার স্বামী যদি তার সম্মতিক্রমে তার সঙ্গে হজ্জ ও উমরার মধ্যে কয়েকবার সহবাস করে তবে ঐ মহিলাকে পরের বৎসর এই হজ্জের কাযা আদায় করতে হবে এবং কুরবানী দিতে হবে। আর এইরূপ সহবাস উমরার মধ্যে হলেও অতি সত্বর উমরা কাযা করতে হবে ও কুরবানী দিতে হবে।

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সমবেত লোকদেরকে লক্ষ করে বলতেছিলেন ইহরাম অবস্থায় যে ব্যক্তি স্ত্রী-সহবাস করে তার সম্পর্কে তোমরা কি বল? উপস্থিত সকলেই চুপ হয়ে রইলেন। শেষে সাঈদ (রা) নিজেই বললেন, এক ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করেছিল। পরে সে এই সম্পর্কে মাসআলা জিজ্ঞেস করার জন্য এক ব্যক্তিকে মদীনা শরীফে প্রেরণ করে। কেউ কেউ জবাব দিলেন স্বামী-স্ত্রী এক বৎসর পর্যন্ত দু’জনেই আলাদা হয়ে থাকবে। কিন্তু সাঈদ (র) বললেন, এই বৎসর তারা হজ্জে অবশিষ্ট কাজসমূহ পুরা করবে। পরের বৎসর জীবিত থাকলে পুনরায় হজ্জ করবে এবং কুরবানী দিবে। প্রথম হজ্জের ইহরাম যে স্থান হতে বেঁধেছিল এই হজ্জের ইহরামও সেই স্থান হতে বাঁধবে। আর কাযা হজ্জ করতে যখন আসবে তখন দু’জনেই তারা হজ্জ পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আলাদা আলাদা থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উভয়কেই এক একটি করে কুরবানী করতে হবে। মালিক (র) বলেন, আরাফাতে অবস্থানের পর এবং প্রস্তর নিক্ষেপের পূর্বে যদি কেউ স্ত্রী সহবাস করে তবে তার উপর কুরবানী করা ওয়াজিব হবে এবং আগামী বৎসর পুনরায় তাকে হজ্জ করতে হবে। রমিয়ে হাজর বা প্রস্তর নিক্ষেপের পর যদি স্ত্রী সহবাস করে, তবে তাকে একটি উমরা এবং একটি কুরবানী করতে হবে। পরেরবার পুনরায় হজ্জ করতে হবে না। মালিক (র) বলেন, স্খলন না হয়ে শুধু পুরুষাঙ্গ প্রবিষ্ট হলেও হজ্জ ও উমরা বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং হাদ্‌য়ী ওয়াজিব হবে। প্রবিষ্ট না হয়েও যদি রতিলীলায় স্খলন হয়ে যায় তবুও হজ্জ বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর কল্পনা করার দরুন যদি কারো স্খলন হয়ে যায় তবে এতে কিছুই ওয়াজিব হবে না। মালিক (র) বলেন, কেউ স্ত্রীকে চুমা খেলে স্খলন না হলেও তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, কোন মুহরিম মহিলার স্বামী যদি তার সম্মতিক্রমে তার সঙ্গে হজ্জ ও উমরার মধ্যে কয়েকবার সহবাস করে তবে ঐ মহিলাকে পরের বৎসর এই হজ্জের কাযা আদায় করতে হবে এবং কুরবানী দিতে হবে। আর এইরূপ সহবাস উমরার মধ্যে হলেও অতি সত্বর উমরা কাযা করতে হবে ও কুরবানী দিতে হবে।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول: ما ترون في رجل وقع بامرأته وهو محرم فلم يقل له القوم شيئا فقال سعيد إن رجلا وقع بامرأته وهو محرم فبعث إلى المدينة يسأل عن ذلك فقال بعض الناس يفرق بينهما إلى عام قابل فقال سعيد بن المسيب لينفذا لوجههما فليتما حجهما الذي أفسداه فإذا فرغا رجعا فإن أدركهما حج قابل فعليهما الحج والهدي ويهلان من حيث أهلا بحجهما الذي أفسداه ويتفرقان حتى يقضيا حجهما قال مالك يهديان جميعا بدنة بدنة. ১৪২৩-قال مالك في رجل وقع بامرأته في الحج ما بينه وبين أن يدفع من عرفة ويرمي الجمرة إنه يجب عليه الهدي وحج قابل قال فإن كانت إصابته أهله بعد رمي الجمرة فإنما عليه أن يعتمر ويهدي وليس عليه حج قابل. ১৪২৪-قال مالك والذي يفسد الحج أو العمرة حتى يجب عليه في ذلك الهدي في الحج أو العمرة التقاء الختانين وإن لم يكن ماء دافق قال ويوجب ذلك أيضا الماء الدافق إذا كان من مباشرة فأما رجل ذكر شيئا حتى خرج منه ماء دافق فلا أرى عليه شيئا ১৪২৫-ولو أن رجلا قبل امرأته ولم يكن من ذلك ماء دافق لم يكن عليه في القبلة إلا الهدي ১৪২৬-وليس على المرأة التي يصيبها زوجها وهي محرمة مرارا في الحج أو العمرة وهي له في ذلك مطاوعة إلا الهدي وحج قابل إن أصابها في الحج وإن كان أصابها في العمرة فإنما عليها قضاء العمرة التي أفسدت والهدي .


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00