মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিদায়ী তাওয়াফ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب رد رجلا من مر الظهران لم يكن ودع البيت حتى ودع.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান (মক্কা শরীফ হতে ১৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান) হতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সে ‘তাওয়াফুল বিদা’ করে আসেনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান (মক্কা শরীফ হতে ১৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান) হতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সে ‘তাওয়াফুল বিদা’ করে আসেনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب رد رجلا من مر الظهران لم يكن ودع البيت حتى ودع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৫
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يصدرن أحد من الحاج حتى يطوف بالبيت فإن آخر النسك الطواف بالبيت ১৩৬৬-قال مالك في قول عمر بن الخطاب فإن آخر النسك الطواف بالبيت إن ذلك فيما نرى والله أعلم لقول الله تبارك وتعالى{ ومن يعظم شعائر الله فإنها من تقوى القلوب } وقال { ثم محلها إلى البيت العتيق } فمحل الشعائر كلها وانقضاؤها إلى البيت العتيق.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করে হাজীগণের কেউ যেন মক্কা হতে না ফিরে। কারণ হজ্জের শেষ আমল হল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘শেষ আমল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ’ উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উক্তির অর্থ হল, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেন وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوْبِ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মর্যাদা দেবে উহা তার আল্লাহভীতি হতেই উৎসারিত।’ এ সবকিছুরই সম্পর্ক বায়তুল্লাহর সঙ্গে । সুতরাং হজ্জের সমস্ত রুকন ও আমল বায়তুল্লাহ্তে যেয়েই শেষ হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করে হাজীগণের কেউ যেন মক্কা হতে না ফিরে। কারণ হজ্জের শেষ আমল হল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘শেষ আমল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ’ উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উক্তির অর্থ হল, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেন وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوْبِ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মর্যাদা দেবে উহা তার আল্লাহভীতি হতেই উৎসারিত।’ এ সবকিছুরই সম্পর্ক বায়তুল্লাহর সঙ্গে । সুতরাং হজ্জের সমস্ত রুকন ও আমল বায়তুল্লাহ্তে যেয়েই শেষ হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يصدرن أحد من الحاج حتى يطوف بالبيت فإن آخر النسك الطواف بالبيت ১৩৬৬-قال مالك في قول عمر بن الخطاب فإن آخر النسك الطواف بالبيت إن ذلك فيما نرى والله أعلم لقول الله تبارك وتعالى{ ومن يعظم شعائر الله فإنها من تقوى القلوب } وقال { ثم محلها إلى البيت العتيق } فمحل الشعائر كلها وانقضاؤها إلى البيت العتيق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৭
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: من أفاض فقد قضى الله حجه فإنه إن لم يكن حبسه شيء فهو حقيق أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت وإن حبسه شيء أو عرض له فقد قضى الله حجه. ১৩৬৯-قال مالك ولو أن رجلا جهل أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت حتى صدر لم أر عليه شيئا إلا أن يكون قريبا فيرجع فيطوف بالبيت ثم ينصرف إذا كان قد أفاض.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন, তাওয়াফে ইফাযা (তাওয়াফে যিয়ারত) যে ব্যক্তি করতে পেরেছে আল্লাহ্ তার হজ্জ পুরা করে দিয়েছেন। পরে বিশেষ অসুবিধা দেখা না দিলে সে যেন তাওয়াফূল-বিদা’ও করে নেয়। যদি কোন অসুবিধা দেখা দেয় এবং এই কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করতে না পারে তবে তাওয়াফে ইফাযা আদায় করায় হজ্জ তার পুরো হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারত করার পর তাওয়াফুল বিদা’ জানা না থাকার কারণে যদি কেউ তা না করে মক্কা হতে চলে আসে তবে আর তার জন্য ফিরে যাওয়া জরুরী নয়। তবে মক্কার নিকটবর্তী স্থানে থাকলে পুনরায় গিয়ে বিদায়ী-তাওয়াফ করে নেওয়া উচিত।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন, তাওয়াফে ইফাযা (তাওয়াফে যিয়ারত) যে ব্যক্তি করতে পেরেছে আল্লাহ্ তার হজ্জ পুরা করে দিয়েছেন। পরে বিশেষ অসুবিধা দেখা না দিলে সে যেন তাওয়াফূল-বিদা’ও করে নেয়। যদি কোন অসুবিধা দেখা দেয় এবং এই কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করতে না পারে তবে তাওয়াফে ইফাযা আদায় করায় হজ্জ তার পুরো হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারত করার পর তাওয়াফুল বিদা’ জানা না থাকার কারণে যদি কেউ তা না করে মক্কা হতে চলে আসে তবে আর তার জন্য ফিরে যাওয়া জরুরী নয়। তবে মক্কার নিকটবর্তী স্থানে থাকলে পুনরায় গিয়ে বিদায়ী-তাওয়াফ করে নেওয়া উচিত।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: من أفاض فقد قضى الله حجه فإنه إن لم يكن حبسه شيء فهو حقيق أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت وإن حبسه شيء أو عرض له فقد قضى الله حجه. ১৩৬৯-قال مالك ولو أن رجلا جهل أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت حتى صدر لم أر عليه شيئا إلا أن يكون قريبا فيرجع فيطوف بالبيت ثم ينصرف إذا كان قد أفاض.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাওয়াফের বিবিধ রেওয়ায়ত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২০
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعد بن أبي وقاص كان إذا دخل مكة مراهقا خرج إلى عرفة قبل أن يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ثم يطوف بعد أن يرجع قال مالك وذلك واسع إن شاء الله و১৩৭৪-سئل مالك هل يقف الرجل في الطواف بالبيت الواجب عليه يتحدث مع الرجل فقال لا أحب ذلك له ১৩৭৫- قال مالك لا يطوف أحد بالبيت ولا بين الصفا والمروة إلا وهو طاهر.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাস (রা) মক্কায় পৌঁছে যদি দেখতেন নয় তারিখ অতি নিকটবর্তী (সময় অতি অল্প), তবে তাওয়াফ ও সায়ী করার পূর্বেই আরাফাতে চলে যেতেন এবং সেখান হতে ফিরবার পর তাওয়াফ করতেন। মালিক (র) বলেন, সময় সংকীর্ণ হলে এইরূপ করা (আরাফাতে প্রথমে যাওয়া) জায়েয। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল ওয়াজিব তাওয়াফ আদায় করার সময় কারো সাথে কথা বলার জন্য কি থেমে যাওয়া বৈধ ? তিনি বললেন, আমি তা পছন্দ করি না। মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সা’য়ী পবিত্রতার সহিত করা উচিত।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’দ ইবনু আবি ওয়াককাস (রা) মক্কায় পৌঁছে যদি দেখতেন নয় তারিখ অতি নিকটবর্তী (সময় অতি অল্প), তবে তাওয়াফ ও সায়ী করার পূর্বেই আরাফাতে চলে যেতেন এবং সেখান হতে ফিরবার পর তাওয়াফ করতেন। মালিক (র) বলেন, সময় সংকীর্ণ হলে এইরূপ করা (আরাফাতে প্রথমে যাওয়া) জায়েয। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল ওয়াজিব তাওয়াফ আদায় করার সময় কারো সাথে কথা বলার জন্য কি থেমে যাওয়া বৈধ ? তিনি বললেন, আমি তা পছন্দ করি না। মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সা’য়ী পবিত্রতার সহিত করা উচিত।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعد بن أبي وقاص كان إذا دخل مكة مراهقا خرج إلى عرفة قبل أن يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ثم يطوف بعد أن يرجع قال مالك وذلك واسع إن شاء الله و১৩৭৪-سئل مالك هل يقف الرجل في الطواف بالبيت الواجب عليه يتحدث مع الرجل فقال لا أحب ذلك له ১৩৭৫- قال مالك لا يطوف أحد بالبيت ولا بين الصفا والمروة إلا وهو طاهر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৮
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الأسود محمد بن عبد الرحمن بن نوفل عن عروة بن الزبير عن زينب بنت أبي سلمة عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي فقال طوفي من وراء الناس وأنت راكبة قالت فطفت راكبة بعيري ورسول الله صلى الله عليه وسلم حينئذ يصلي إلى جانب البيت وهو يقرأ بالطور وكتاب مسطور.
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আমার অসুস্থতার কথা জানালে তিনি বললেন, পুরুষদের পেছনে থেকে কোন বাহনে আরোহণ করে তোমার তাওয়াফ আদায় করে নাও। উম্মে সালমা (রা) বলেন, আমি তাওয়াফ করলাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন কা’বা শরীফের এক কোণায় নামাযে দাঁড়িয়ে সূরা তূর পড়িতেছিলেন। (বুখারী ৪৬৪, মুসলিম ১২৭৬)
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আমার অসুস্থতার কথা জানালে তিনি বললেন, পুরুষদের পেছনে থেকে কোন বাহনে আরোহণ করে তোমার তাওয়াফ আদায় করে নাও। উম্মে সালমা (রা) বলেন, আমি তাওয়াফ করলাম, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন কা’বা শরীফের এক কোণায় নামাযে দাঁড়িয়ে সূরা তূর পড়িতেছিলেন। (বুখারী ৪৬৪, মুসলিম ১২৭৬)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الأسود محمد بن عبد الرحمن بن نوفل عن عروة بن الزبير عن زينب بنت أبي سلمة عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي فقال طوفي من وراء الناس وأنت راكبة قالت فطفت راكبة بعيري ورسول الله صلى الله عليه وسلم حينئذ يصلي إلى جانب البيت وهو يقرأ بالطور وكتاب مسطور.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৯
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن أبا ماعز الأسلمي عبد الله بن سفيان أخبره أنه كان جالسا مع عبد الله بن عمر فجاءته امرأة تستفتيه فقالت إني أقبلت أريد أن أطوف بالبيت حتى إذا كنت بباب المسجد هرقت الدماء فرجعت حتى ذهب ذلك عني ثم أقبلت حتى إذا كنت عند باب المسجد هرقت الدماء فرجعت حتى ذهب ذلك عني ثم أقبلت حتى إذا كنت عند باب المسجد هرقت الدماء فقال عبد الله بن عمر إنما ذلك ركضة من الشيطان فاغتسلي ثم استثفري بثوب ثم طوفي.
আবূয যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবা মায়িয আসলামী আবদুল্লাহ্ ইবনু সুফইয়ান (র) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট বসা ছিলেন। তখন এক মহিলা এসে বলল, আমি বায়তুল্লাহ্র তাওয়াফের ইচ্ছা করেছিলাম। মসজিদের দরজা পর্যন্ত পৌঁছাতে আমার ঋতুস্রাব আরম্ভ হল। এমতাবস্থায় আমি ফিরে যাই। পরে ঋতুস্রাব বন্ধ হলে আবার তাওয়াফের জন্য আসি, কিন্তু মসজিদের দরজা পর্যন্ত পৌঁছতেই আবার ঋতুস্রাব শুরু হল। ফলে আবার ফিরে গেলাম। শেষে ঋতুস্রাব বন্ধ হলে আবার তাওয়াফ করতে গেলাম। কিন্তু এইবারও দরজা পর্যন্ত যেতে না যেতে পুনরায় রক্ত দেখা দেয়। এখন কি করব ? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, ইহা শয়তানের কাণ্ড! গোসল করে লজ্জাস্থানে কাপড়ের পট্রি দিয়ে তাওয়াফ সেরে নাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূয যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবা মায়িয আসলামী আবদুল্লাহ্ ইবনু সুফইয়ান (র) তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট বসা ছিলেন। তখন এক মহিলা এসে বলল, আমি বায়তুল্লাহ্র তাওয়াফের ইচ্ছা করেছিলাম। মসজিদের দরজা পর্যন্ত পৌঁছাতে আমার ঋতুস্রাব আরম্ভ হল। এমতাবস্থায় আমি ফিরে যাই। পরে ঋতুস্রাব বন্ধ হলে আবার তাওয়াফের জন্য আসি, কিন্তু মসজিদের দরজা পর্যন্ত পৌঁছতেই আবার ঋতুস্রাব শুরু হল। ফলে আবার ফিরে গেলাম। শেষে ঋতুস্রাব বন্ধ হলে আবার তাওয়াফ করতে গেলাম। কিন্তু এইবারও দরজা পর্যন্ত যেতে না যেতে পুনরায় রক্ত দেখা দেয়। এখন কি করব ? আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, ইহা শয়তানের কাণ্ড! গোসল করে লজ্জাস্থানে কাপড়ের পট্রি দিয়ে তাওয়াফ সেরে নাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أن أبا ماعز الأسلمي عبد الله بن سفيان أخبره أنه كان جالسا مع عبد الله بن عمر فجاءته امرأة تستفتيه فقالت إني أقبلت أريد أن أطوف بالبيت حتى إذا كنت بباب المسجد هرقت الدماء فرجعت حتى ذهب ذلك عني ثم أقبلت حتى إذا كنت عند باب المسجد هرقت الدماء فرجعت حتى ذهب ذلك عني ثم أقبلت حتى إذا كنت عند باب المسجد هرقت الدماء فقال عبد الله بن عمر إنما ذلك ركضة من الشيطان فاغتسلي ثم استثفري بثوب ثم طوفي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সা’য়ী সাফা হতে শুরু হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২১
- حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد بن علي عن أبيه عن جابر بن عبد الله أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول حين خرج من المسجد وهو يريد الصفا وهو يقول نبدأ بما بدأ الله به فبدأ بالصفا.
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদ হতে সাফার উদ্দেশ্যে যখন বের হলেন তখন শুনেছি, তিনি বলতেছেন, আল্লাহ্ যে স্থানটির উল্লেখ প্রথমে করেছিলেন আমরাও সে স্থান হতে শুরু করব। অতঃপর তিনি সাফা হতে সা’য়ী করা শুরু করেন। [১] (সহীহ, মুসলিম ১২১৮)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদ হতে সাফার উদ্দেশ্যে যখন বের হলেন তখন শুনেছি, তিনি বলতেছেন, আল্লাহ্ যে স্থানটির উল্লেখ প্রথমে করেছিলেন আমরাও সে স্থান হতে শুরু করব। অতঃপর তিনি সাফা হতে সা’য়ী করা শুরু করেন। [১] (সহীহ, মুসলিম ১২১৮)
- حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد بن علي عن أبيه عن جابر بن عبد الله أنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول حين خرج من المسجد وهو يريد الصفا وهو يقول نبدأ بما بدأ الله به فبدأ بالصفا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২২
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد بن علي عن أبيه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا وقف على الصفا يكبر ثلاثا ويقول لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير يصنع ذلك ثلاث مرات ويدعو ويصنع على المروة مثل ذلك.
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সাফায় গিয়ে দাঁড়াতেন তখন তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং এ দু’আ পড়তেন لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَه لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ [১] . তিনবার এটা পড়ে পরে দু’আ করতেন। মারওয়া পাহাড়েও তিনি এরূপ করতেন। (সহীহ, মুসলিম ১২১৮, পূর্বের হাদীসেরই অংশ)
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সাফায় গিয়ে দাঁড়াতেন তখন তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন এবং এ দু’আ পড়তেন لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَه لَا شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ [১] . তিনবার এটা পড়ে পরে দু’আ করতেন। মারওয়া পাহাড়েও তিনি এরূপ করতেন। (সহীহ, মুসলিম ১২১৮, পূর্বের হাদীসেরই অংশ)
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد بن علي عن أبيه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا وقف على الصفا يكبر ثلاثا ويقول لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شيء قدير يصنع ذلك ثلاث مرات ويدعو ويصنع على المروة مثل ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২৩
- و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع عبد الله بن عمر وهو على الصفا يدعو يقول اللهم إنك قلت { ادعوني أستجب لكم } وإنك لا تخلف الميعاد وإني أسألك كما هديتني للإسلام أن لا تنزعه مني حتى تتوفاني وأنا مسلم . [১]
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে সাফার উপর দাঁড়িয়ে এই দু’আ পড়তে শুনেছেন اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ { ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ } وَإِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ وَإِنِّي أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِي لِلْإِسْلَامِ أَنْ لَا تَنْزِعَهُ مِنِّي حَتَّى تَتَوَفَّانِي وَأَنَا مُسْلِمٌ. (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে সাফার উপর দাঁড়িয়ে এই দু’আ পড়তে শুনেছেন اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ { ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ } وَإِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ وَإِنِّي أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِي لِلْإِسْلَامِ أَنْ لَا تَنْزِعَهُ مِنِّي حَتَّى تَتَوَفَّانِي وَأَنَا مُسْلِمٌ. (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع عبد الله بن عمر وهو على الصفا يدعو يقول اللهم إنك قلت { ادعوني أستجب لكم } وإنك لا تخلف الميعاد وإني أسألك كما هديتني للإسلام أن لا تنزعه مني حتى تتوفاني وأنا مسلم . [১]
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সা’য়ী সম্পর্কে বিবিধ হাদীস
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২৬
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا نزل من الصفا والمروة مشى حتى إذا انصبت قدماه في بطن الوادي سعى حتى يخرج منه ১৩৮৭-قال مالك في رجل جهل فبدأ بالسعي بين الصفا والمروة قبل أن يطوف بالبيت قال ليرجع فليطف بالبيت ثم ليسع بين الصفا والمروة وإن جهل ذلك حتى يخرج من مكة ويستبعد فإنه يرجع إلى مكة فيطوف بالبيت ويسعى بين الصفا والمروة وإن كان أصاب النساء رجع فطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة حتى يتم ما بقي عليه من تلك العمرة ثم عليه عمرة أخرى والهدي.
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাফা ও মারওয়াতে সা’য়ী করতে এলে সাধারণভাবে হাঁটতেন, মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে (বাতনে ওয়াদী) যখন চলতেন তখন ইহা হতে বের না হওয়া পর্যন্ত দ্রুত চলতেন। (সহীহ, মুসলিম ১২১৮) মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি অজ্ঞতার কারণে তাওয়াফের পূর্বে সা’য়ী করে ফেলে তবে সে ফিরে এসে তাওয়াফ করার পর পুনরায় সা’য়ী করবে। তাওয়াফের কথা ভুলে মক্কা হতে দূরে চলে গেলে যত দূরেই যাক তাকে ফিরে আসতে হবে এবং বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করতে হবে। আর স্ত্রী সহবাস করে থাকলে তবে ফিরে এসে তাওয়াফ ও সা’য়ী করতে হবে এবং উমরার বাকি কার্যাদি সমাধা করবে। তার পক্ষে পুনরায় উমরা করা এবং হাদ্য়ী কুরবানী করা ওয়াজিব।
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাফা ও মারওয়াতে সা’য়ী করতে এলে সাধারণভাবে হাঁটতেন, মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে (বাতনে ওয়াদী) যখন চলতেন তখন ইহা হতে বের না হওয়া পর্যন্ত দ্রুত চলতেন। (সহীহ, মুসলিম ১২১৮) মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি অজ্ঞতার কারণে তাওয়াফের পূর্বে সা’য়ী করে ফেলে তবে সে ফিরে এসে তাওয়াফ করার পর পুনরায় সা’য়ী করবে। তাওয়াফের কথা ভুলে মক্কা হতে দূরে চলে গেলে যত দূরেই যাক তাকে ফিরে আসতে হবে এবং বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করতে হবে। আর স্ত্রী সহবাস করে থাকলে তবে ফিরে এসে তাওয়াফ ও সা’য়ী করতে হবে এবং উমরার বাকি কার্যাদি সমাধা করবে। তার পক্ষে পুনরায় উমরা করা এবং হাদ্য়ী কুরবানী করা ওয়াজিব।
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن جابر بن عبد الله أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا نزل من الصفا والمروة مشى حتى إذا انصبت قدماه في بطن الوادي سعى حتى يخرج منه ১৩৮৭-قال مالك في رجل جهل فبدأ بالسعي بين الصفا والمروة قبل أن يطوف بالبيت قال ليرجع فليطف بالبيت ثم ليسع بين الصفا والمروة وإن جهل ذلك حتى يخرج من مكة ويستبعد فإنه يرجع إلى مكة فيطوف بالبيت ويسعى بين الصفا والمروة وإن كان أصاب النساء رجع فطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة حتى يتم ما بقي عليه من تلك العمرة ثم عليه عمرة أخرى والهدي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২৪
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال قلت لعائشة أم المؤمنين وأنا يومئذ حديث السن أرأيت قول الله تبارك وتعالى { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما } فما على الرجل شيء أن لا يطوف بهما فقالت عائشة كلا لو كان كما تقول لكانت فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما إنما أنزلت هذه الآية في الأنصار كانوا يهلون لمناة وكانت مناة حذو قديد وكانوا يتحرجون أن يطوفوا بين الصفا والمروة فلما جاء الإسلام سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله تبارك وتعالى{ إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما .
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন, আমি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা)-কে বললাম (তখন আমি অল্প বয়ষ্ক), দেখুন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন [১] إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ সুতরাং যে কেউ বায়তুল্লাহ্র হজ্জ বা উমরা করবে তার জন্য এই দুটির মধ্যে সা’য়ী করায় কোন গুনাহ্ নেই’ তাই কেউ যদি সা‘য়ী না করে তবে তাতে তার গুনাহ হবে কি ? তিনি বললেন, সাবধান, তুমি যা বুঝেছ তা ঠিক নয়। তাই যদি হত তবে আয়াতে বলার ভঙ্গী হত ‘এই দুইয়ের মধ্যে সায়ী না করায় কোন গুনাহ্ নেই।’ (অথচ আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন, সা’য়ী করায় কোন গুনাহ্ নেই।) এই আয়াতটি মূলত আনসারদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। এরা জাহিলী যুগে মানাতের উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধে হজ্জের নিয়তে আসত। মক্কার পথে কুদায়দ নামক স্থানের বিপরীতে ছিল ওদের দেবী মানাত। সাফা-মারওয়ায় সা’য়ী করা তারা মনে করত গুনাহ্’র কাজ। ইসলাম আসার পর তারা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন নাযিল হয় এই আয়াত إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوْ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا [২] (বুখারী ১৭৯০, মুসলিম ১২৭৭)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন, আমি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা)-কে বললাম (তখন আমি অল্প বয়ষ্ক), দেখুন, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন [১] إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ সুতরাং যে কেউ বায়তুল্লাহ্র হজ্জ বা উমরা করবে তার জন্য এই দুটির মধ্যে সা’য়ী করায় কোন গুনাহ্ নেই’ তাই কেউ যদি সা‘য়ী না করে তবে তাতে তার গুনাহ হবে কি ? তিনি বললেন, সাবধান, তুমি যা বুঝেছ তা ঠিক নয়। তাই যদি হত তবে আয়াতে বলার ভঙ্গী হত ‘এই দুইয়ের মধ্যে সায়ী না করায় কোন গুনাহ্ নেই।’ (অথচ আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন, সা’য়ী করায় কোন গুনাহ্ নেই।) এই আয়াতটি মূলত আনসারদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছিল। এরা জাহিলী যুগে মানাতের উদ্দেশ্যে ইহরাম বেঁধে হজ্জের নিয়তে আসত। মক্কার পথে কুদায়দ নামক স্থানের বিপরীতে ছিল ওদের দেবী মানাত। সাফা-মারওয়ায় সা’য়ী করা তারা মনে করত গুনাহ্’র কাজ। ইসলাম আসার পর তারা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন নাযিল হয় এই আয়াত إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوْ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا [২] (বুখারী ১৭৯০, মুসলিম ১২৭৭)
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال قلت لعائشة أم المؤمنين وأنا يومئذ حديث السن أرأيت قول الله تبارك وتعالى { إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما } فما على الرجل شيء أن لا يطوف بهما فقالت عائشة كلا لو كان كما تقول لكانت فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما إنما أنزلت هذه الآية في الأنصار كانوا يهلون لمناة وكانت مناة حذو قديد وكانوا يتحرجون أن يطوفوا بين الصفا والمروة فلما جاء الإسلام سألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله تبارك وتعالى{ إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما .
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮২৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن سودة بنت عبد الله بن عمر كانت عند عروة بن الزبير فخرجت تطوف بين الصفا والمروة في حج أو عمرة ماشية وكانت امرأة ثقيلة فجاءت حين انصرف الناس من العشاء فلم تقض طوافها حتى نودي بالأولى من الصبح فقضت طوافها فيما بينها وبينه وكان عروة إذا رآهم يطوفون على الدواب ينهاهم أشد النهي فيعتلون بالمرض حياء منه فيقول لنا فيما بيننا وبينه لقد خاب هؤلاء وخسروا. ১৩৮৩-قال مالك من نسي السعي بين الصفا والمروة في عمرة فلم يذكر حتى يستبعد من مكة أنه يرجع فيسعى وإن كان قد أصاب النساء فليرجع فليسع بين الصفا والمروة حتى يتم ما بقي عليه من تلك العمرة ثم عليه عمرة أخرى والهدي ১৩৮৪-و سئل مالك عن الرجل يلقاه الرجل بين الصفا والمروة فيقف معه يحدثه فقال لا أحب له ذلك ১৩৮৫-قال مالك ومن نسي من طوافه شيئا أو شك فيه فلم يذكر إلا وهو يسعى بين الصفا والمروة فإنه يقطع سعيه ثم يتم طوافه بالبيت على ما يستيقن ويركع ركعتي الطواف ثم يبتدئ سعيه بين الصفا والمروة.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) বর্ণনা করেন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর কন্যা সাওদা (র) ছিলেন উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র)-এর স্ত্রী। একবার হজ্জ বা উমরার সময় তিনি সাফা-মারওয়ার সা’য়ীর জন্য বের হন। তিনি মোটা ধরনের মহিলা ছিলেন। ইশার নামায পড়ে মানুষ যখন বের হয়েছিল তখন তিনি হেঁটে হেঁটে হজ্জ অথবা উমরার তাওয়াফ ও সা’য়ী শুরু করেছিলেন। কিন্তু তখনও সা’য়ী শেষ হতে পারেনি, আর এইদিকে ফজরের আযান হয়ে যায়। সা’য়ী শেষ করতে তাঁর ইশা হতে ফজর পর্যন্ত সময় লেগেছিল। উরওয়াহ্ কাউকেও কোন কিছুতে আরোহণ করে সায়ী করতে দেখলে কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। [১] লোকেরা তাঁকে দেখলে অসুস্থতার বাহানা করত। তিনি পরে আমাদের নিকট আলাপে বলতেন, এরা (যারা সওয়ার হয়ে সা’য়ী করে) ক্ষতিগ্রস্থ, তারা স্বীয় উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারেনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমরা করার সময় সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করতে যদি ভুলে যায় এবং মক্কা হতে দূরে চলে যাওয়ার পর এটা স্মরণ হলে তাকে পুনরায় মক্কায় এসে সা’য়ী করতে হবে। আর এর মধ্যে স্ত্রী সহবাস করে থাকলে তবে ফিরে এসে সা’য়ী করবে এবং দ্বিতীয়বার উমরা করবে এবং হাদয়ী কুরবানী দেবে। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল সা’য়ী করার সময় যদি কেউ কারো সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করে তবে কেমন হবে ? তিনি বললেন, আমি এটাকে পছন্দ করি না। মালিক (র) বলেন, কেউ যদি তাওয়াফ করতে গিয়ে কোন চক্কর ভুলে যায় বা এই সম্পর্কে তার সন্দেহ হয়, পরে সা’য়ী করার সময় যদি তার উহা খেয়াল হয় তবে সা’য়ী মওকুফ করে দেবে এবং প্রথমে য়াকীনের উপর ভিত্তি করে তাওয়াফ পুরা করে দুই রাক’আত তাওয়াফের নামায আদায় করে নূতনভাবে সা’য়ী করবে।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) বর্ণনা করেন আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর কন্যা সাওদা (র) ছিলেন উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র)-এর স্ত্রী। একবার হজ্জ বা উমরার সময় তিনি সাফা-মারওয়ার সা’য়ীর জন্য বের হন। তিনি মোটা ধরনের মহিলা ছিলেন। ইশার নামায পড়ে মানুষ যখন বের হয়েছিল তখন তিনি হেঁটে হেঁটে হজ্জ অথবা উমরার তাওয়াফ ও সা’য়ী শুরু করেছিলেন। কিন্তু তখনও সা’য়ী শেষ হতে পারেনি, আর এইদিকে ফজরের আযান হয়ে যায়। সা’য়ী শেষ করতে তাঁর ইশা হতে ফজর পর্যন্ত সময় লেগেছিল। উরওয়াহ্ কাউকেও কোন কিছুতে আরোহণ করে সায়ী করতে দেখলে কঠোরভাবে নিষেধ করতেন। [১] লোকেরা তাঁকে দেখলে অসুস্থতার বাহানা করত। তিনি পরে আমাদের নিকট আলাপে বলতেন, এরা (যারা সওয়ার হয়ে সা’য়ী করে) ক্ষতিগ্রস্থ, তারা স্বীয় উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারেনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমরা করার সময় সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করতে যদি ভুলে যায় এবং মক্কা হতে দূরে চলে যাওয়ার পর এটা স্মরণ হলে তাকে পুনরায় মক্কায় এসে সা’য়ী করতে হবে। আর এর মধ্যে স্ত্রী সহবাস করে থাকলে তবে ফিরে এসে সা’য়ী করবে এবং দ্বিতীয়বার উমরা করবে এবং হাদয়ী কুরবানী দেবে। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল সা’য়ী করার সময় যদি কেউ কারো সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করে তবে কেমন হবে ? তিনি বললেন, আমি এটাকে পছন্দ করি না। মালিক (র) বলেন, কেউ যদি তাওয়াফ করতে গিয়ে কোন চক্কর ভুলে যায় বা এই সম্পর্কে তার সন্দেহ হয়, পরে সা’য়ী করার সময় যদি তার উহা খেয়াল হয় তবে সা’য়ী মওকুফ করে দেবে এবং প্রথমে য়াকীনের উপর ভিত্তি করে তাওয়াফ পুরা করে দুই রাক’আত তাওয়াফের নামায আদায় করে নূতনভাবে সা’য়ী করবে।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن سودة بنت عبد الله بن عمر كانت عند عروة بن الزبير فخرجت تطوف بين الصفا والمروة في حج أو عمرة ماشية وكانت امرأة ثقيلة فجاءت حين انصرف الناس من العشاء فلم تقض طوافها حتى نودي بالأولى من الصبح فقضت طوافها فيما بينها وبينه وكان عروة إذا رآهم يطوفون على الدواب ينهاهم أشد النهي فيعتلون بالمرض حياء منه فيقول لنا فيما بيننا وبينه لقد خاب هؤلاء وخسروا. ১৩৮৩-قال مالك من نسي السعي بين الصفا والمروة في عمرة فلم يذكر حتى يستبعد من مكة أنه يرجع فيسعى وإن كان قد أصاب النساء فليرجع فليسع بين الصفا والمروة حتى يتم ما بقي عليه من تلك العمرة ثم عليه عمرة أخرى والهدي ১৩৮৪-و سئل مالك عن الرجل يلقاه الرجل بين الصفا والمروة فيقف معه يحدثه فقال لا أحب له ذلك ১৩৮৫-قال مالك ومن نسي من طوافه شيئا أو شك فيه فلم يذكر إلا وهو يسعى بين الصفا والمروة فإنه يقطع سعيه ثم يتم طوافه بالبيت على ما يستيقن ويركع ركعتي الطواف ثم يبتدئ سعيه بين الصفا والمروة.