মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইস্তিলামের সময় হাজরে আসওয়াদে চুমা দেওয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১০

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال وهو يطوف بالبيت للركن الأسود إنما أنت حجر ولولا أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلك ما قبلتك ثم قبله قال مالك سمعت بعض أهل العلم يستحب إذا رفع الذي يطوف بالبيت يده عن الركن اليماني أن يضعها على فيه.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন বায়তুল্লাহর তাওয়াফের সময় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হাজরে আসওয়াদকে লক্ষ করে বলতেন, ‘তুমি শুধু একখানা পাথর, লাভ-লোকসানের কোন ক্ষমতা তোমার নেই। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে যদি তোমাকে চুমা দিতে না দেখতাম তবে আমিও তোমাকে চুমা দিতাম না।’ অতঃপর তিনি হাজরে আসওয়াদ চুমা দিলেন। [১] (বুখারী ১৬০৫, মুসলিম ১২৭০, মুত্তাসিল ভাবে) মালিক (র) বলেন, কতিপয় আলিমকে বলতে শুনেছি, রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম করে হাত দ্বারা মুখ স্পর্শ করা মুস্তাহাব, সরাসরি উহাকে চুমা দিবে না।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন বায়তুল্লাহর তাওয়াফের সময় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হাজরে আসওয়াদকে লক্ষ করে বলতেন, ‘তুমি শুধু একখানা পাথর, লাভ-লোকসানের কোন ক্ষমতা তোমার নেই। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে যদি তোমাকে চুমা দিতে না দেখতাম তবে আমিও তোমাকে চুমা দিতাম না।’ অতঃপর তিনি হাজরে আসওয়াদ চুমা দিলেন। [১] (বুখারী ১৬০৫, মুসলিম ১২৭০, মুত্তাসিল ভাবে) মালিক (র) বলেন, কতিপয় আলিমকে বলতে শুনেছি, রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম করে হাত দ্বারা মুখ স্পর্শ করা মুস্তাহাব, সরাসরি উহাকে চুমা দিবে না।

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال وهو يطوف بالبيت للركن الأسود إنما أنت حجر ولولا أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلك ما قبلتك ثم قبله قال مالك سمعت بعض أهل العلم يستحب إذا رفع الذي يطوف بالبيت يده عن الركن اليماني أن يضعها على فيه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১১

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان لا يجمع بين السبعين لا يصلي بينهما ولكنه كان يصلي بعد كل سبع ركعتين فربما صلى عند المقام أو عند غيره ১৩৫৪-و سئل مالك عن الطواف إن كان أخف على الرجل أن يتطوع به فيقرن بين الأسبوعين أو أكثر ثم يركع ما عليه من ركوع تلك السبوع -قال لا ينبغي ذلك وإنما السنة أن يتبع كل سبع ركعتين ১৩৫৫-قال مالك في الرجل يدخل في الطواف فيسهو حتى يطوف ثمانية أو تسعة أطواف قال يقطع إذا علم أنه قد زاد ثم يصلي ركعتين ولا يعتد بالذي كان زاد ولا ينبغي له أن يبني على التسعة حتى يصلي سبعين جميعا لأن السنة في الطواف أن يتبع كل سبع ركعتين ১৩৫৬-قال مالك ومن شك في طوافه بعدما يركع ركعتي الطواف فليعد فليتمم طوافه على اليقين ثم ليعد الركعتين لأنه لا صلاة لطواف إلا بعد إكمال السبع ومن أصابه شيء ينقض وضوءه وهو يطوف بالبيت أو يسعى بين الصفا والمروة أو بين ذلك فإنه من أصابه ذلك وقد طاف بعض الطواف أو كله ولم يركع ركعتي الطواف فإنه يتوضأ ويستأنف الطواف والركعتين وأما السعي بين الصفا والمروة فإنه لا يقطع ذلك عليه ما أصابه من انتقاض وضوئه ولا يدخل السعي إلا وهو طاهر بوضوء.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি দুই সাব্আর মাঝখানে নামায না পড়ে উভয়কে একত্র করতেন না, বরং তিনি প্রত্যেক সাব্আর পর দুই রাক’আত নামায আদায় করতেন মাকামে ইবরাহীমের নিকট, আর কখনও পড়তেন অন্যত্র। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল কেউ যদি কয়েক সাবআর পর একত্রে সবগুলোর নামায আদায় করে তবে তা জায়েয হবে কি ? তিনি বললেন, জায়েয হবে না। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাক’আত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (র) বলেন, ভুল করে যদি কেউ আট বা নয় চক্কর (তাওয়াফ) দিয়ে ফেলে তবে যখনই মনে পড়বে তাওয়াফ ছেড়ে দিবে এবং দুই রাক’আত নামায আদায় করে নিবে। অতিরিক্ত তাওয়াফগুলো ধর্তব্যের বলে মনে করবে না এবং দুই সাবআ সমাধা করে পরে একত্রে নামায আদায় করা সঙ্গত নয়। প্রতি সাব্আর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাক’আত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ করে দুই রাক’আত নামায আদার করার পর সাত তাওয়াফ (চক্কর) পুরা হয়নি বলে যদি কারো মনে সন্দেহ হয় তবে তাকে য়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস)-এর উপর ভিত্তি করে তাওয়াফ পুরো করে আবার দুই রাক’আত নামায আদায় করতে হবে। কারণ সাত চক্কর পূর্ণ করার পরই তাওয়াফের নামায পড়তে হয়। মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ বা সায়ী করার সময় যদি কারো ওযূ নষ্ট হয়ে যায়, তবে ওযূ করে পুনরায় নতুন করে তাওয়াফ করবে এবং সায়ীর যে কয় চক্কর অবশিষ্ট ছিল তা পুরা করবে।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি দুই সাব্আর মাঝখানে নামায না পড়ে উভয়কে একত্র করতেন না, বরং তিনি প্রত্যেক সাব্আর পর দুই রাক’আত নামায আদায় করতেন মাকামে ইবরাহীমের নিকট, আর কখনও পড়তেন অন্যত্র। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল কেউ যদি কয়েক সাবআর পর একত্রে সবগুলোর নামায আদায় করে তবে তা জায়েয হবে কি ? তিনি বললেন, জায়েয হবে না। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাক’আত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (র) বলেন, ভুল করে যদি কেউ আট বা নয় চক্কর (তাওয়াফ) দিয়ে ফেলে তবে যখনই মনে পড়বে তাওয়াফ ছেড়ে দিবে এবং দুই রাক’আত নামায আদায় করে নিবে। অতিরিক্ত তাওয়াফগুলো ধর্তব্যের বলে মনে করবে না এবং দুই সাবআ সমাধা করে পরে একত্রে নামায আদায় করা সঙ্গত নয়। প্রতি সাব্আর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাক’আত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ করে দুই রাক’আত নামায আদার করার পর সাত তাওয়াফ (চক্কর) পুরা হয়নি বলে যদি কারো মনে সন্দেহ হয় তবে তাকে য়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস)-এর উপর ভিত্তি করে তাওয়াফ পুরো করে আবার দুই রাক’আত নামায আদায় করতে হবে। কারণ সাত চক্কর পূর্ণ করার পরই তাওয়াফের নামায পড়তে হয়। মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ বা সায়ী করার সময় যদি কারো ওযূ নষ্ট হয়ে যায়, তবে ওযূ করে পুনরায় নতুন করে তাওয়াফ করবে এবং সায়ীর যে কয় চক্কর অবশিষ্ট ছিল তা পুরা করবে।

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان لا يجمع بين السبعين لا يصلي بينهما ولكنه كان يصلي بعد كل سبع ركعتين فربما صلى عند المقام أو عند غيره ১৩৫৪-و سئل مالك عن الطواف إن كان أخف على الرجل أن يتطوع به فيقرن بين الأسبوعين أو أكثر ثم يركع ما عليه من ركوع تلك السبوع -قال لا ينبغي ذلك وإنما السنة أن يتبع كل سبع ركعتين ১৩৫৫-قال مالك في الرجل يدخل في الطواف فيسهو حتى يطوف ثمانية أو تسعة أطواف قال يقطع إذا علم أنه قد زاد ثم يصلي ركعتين ولا يعتد بالذي كان زاد ولا ينبغي له أن يبني على التسعة حتى يصلي سبعين جميعا لأن السنة في الطواف أن يتبع كل سبع ركعتين ১৩৫৬-قال مالك ومن شك في طوافه بعدما يركع ركعتي الطواف فليعد فليتمم طوافه على اليقين ثم ليعد الركعتين لأنه لا صلاة لطواف إلا بعد إكمال السبع ومن أصابه شيء ينقض وضوءه وهو يطوف بالبيت أو يسعى بين الصفا والمروة أو بين ذلك فإنه من أصابه ذلك وقد طاف بعض الطواف أو كله ولم يركع ركعتي الطواف فإنه يتوضأ ويستأنف الطواف والركعتين وأما السعي بين الصفا والمروة فإنه لا يقطع ذلك عليه ما أصابه من انتقاض وضوئه ولا يدخل السعي إلا وهو طاهر بوضوء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফজর ও আসরের পর তাওয়াফের নামায আদায় করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১২

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف أن عبد الرحمن بن عبد القاري أخبره أنه طاف بالبيت مع عمر بن الخطاب بعد صلاة الصبح فلما قضى عمر طوافه نظر فلم ير الشمس طلعت فركب حتى أناخ بذي طوى فصلى ركعتين سنة الطواف.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু আবদ আল-কারিয়্যে (র) ফজরের নামাযের পর উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর সঙ্গে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন তাওয়াফ শেষ করেন তখনও সূর্যোদয় হয়নি। তিনি উটে আরোহণ করে বাহিরে গেলেন এবং যী-তুয়া নামক স্থানে পৌঁছে উট হতে অবতরণ করে দুই রাক‘আত নামায আদায় করেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু আবদ আল-কারিয়্যে (র) ফজরের নামাযের পর উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর সঙ্গে বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন তাওয়াফ শেষ করেন তখনও সূর্যোদয় হয়নি। তিনি উটে আরোহণ করে বাহিরে গেলেন এবং যী-তুয়া নামক স্থানে পৌঁছে উট হতে অবতরণ করে দুই রাক‘আত নামায আদায় করেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن حميد بن عبد الرحمن بن عوف أن عبد الرحمن بن عبد القاري أخبره أنه طاف بالبيت مع عمر بن الخطاب بعد صلاة الصبح فلما قضى عمر طوافه نظر فلم ير الشمس طلعت فركب حتى أناخ بذي طوى فصلى ركعتين سنة الطواف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৩

- و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أنه قال لقد رأيت عبد الله بن عباس يطوف بعد صلاة العصر ثم يدخل حجرته فلا أدري ما يصنع.

আবু যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা)-কে আসরের পর তাওয়াফ করতে দেখতে পেলাম। তাওয়াফের পর হুজরায় চলে গেলেন। জানি না সেখানে তিনি কি করেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবু যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা)-কে আসরের পর তাওয়াফ করতে দেখতে পেলাম। তাওয়াফের পর হুজরায় চলে গেলেন। জানি না সেখানে তিনি কি করেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

- و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أنه قال لقد رأيت عبد الله بن عباس يطوف بعد صلاة العصر ثم يدخل حجرته فلا أدري ما يصنع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৪

- و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أنه قال: لقد رأيت البيت يخلو بعد صلاة الصبح وبعد صلاة العصر ما يطوف به أحد. ১৩৬২-قال مالك ومن طاف بالبيت بعض أسبوعه ثم أقيمت صلاة الصبح أو صلاة العصر فإنه يصلي مع الإمام ثم يبني على ما طاف حتى يكمل سبعا ثم لا يصلي حتى تطلع الشمس أو تغرب قال وإن أخرهما حتى يصلي المغرب فلا بأس بذلك. ১৩৬৩-قال مالك ولا بأس أن يطوف الرجل طوافا واحدا بعد الصبح وبعد العصر لا يزيد على سبع واحد ويؤخر الركعتين حتى تطلع الشمس كما صنع عمر بن الخطاب ويؤخرهما بعد العصر حتى تغرب الشمس فإذا غربت الشمس صلاهما إن شاء وإن شاء أخرهما حتى يصلي المغرب لا بأس بذلك.

আবু যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি দেখেছি আসর ও ফজরের পর বায়তুল্লাহ্ খালি হয়ে পড়ত। ঐ সময় কোন তাওয়াফকারী থাকত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ শুরু করার পর ফজর বা আসরের জামাতের তাকবীর শুরু হলে ইহা ত্যাগ করে ইমামের সাথে নামাযে শামিল হওয়া উচিত। নামায পড়ার পর অবশিষ্ট তাওয়াফ পুরা করবে। কিন্তু তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায ফজরের সময় সূর্যোদয় এবং আসরের সময় সূর্য অস্থ না যাওয়া পর্যন্ত আদায় করবে না। মাগরিবের পর যদি উহা পড়ে তবে উহাতেও কোন দোষ নাই। মালিক (র) বলেন, সাত চক্করের উপর বৃদ্ধি না করে যদি কোন ব্যক্তি ফজর ও আসরের পর তাওয়াফ করে এবং তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায সূর্যোদয়ের পর আদায় করে নেয়, যেরূপ উমার ইবনু খাত্তাব (রা) করেছিলেন, তাতে কোন দোষ নেই। আর যদি আসরের পর তাওয়াফ করে থাকে তবে সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে তাওয়াফের নামায আদায় করবে না। সূর্যাস্তের পর ইচ্ছা করলে তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায আদায় করে নিবে অথবা ইচ্ছা করলে মাগরিবের নামায সমাপ্ত করার পর আদায় করবে, এতে কোন ক্ষতি নেই।

আবু যুবায়র মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি দেখেছি আসর ও ফজরের পর বায়তুল্লাহ্ খালি হয়ে পড়ত। ঐ সময় কোন তাওয়াফকারী থাকত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, তাওয়াফ শুরু করার পর ফজর বা আসরের জামাতের তাকবীর শুরু হলে ইহা ত্যাগ করে ইমামের সাথে নামাযে শামিল হওয়া উচিত। নামায পড়ার পর অবশিষ্ট তাওয়াফ পুরা করবে। কিন্তু তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায ফজরের সময় সূর্যোদয় এবং আসরের সময় সূর্য অস্থ না যাওয়া পর্যন্ত আদায় করবে না। মাগরিবের পর যদি উহা পড়ে তবে উহাতেও কোন দোষ নাই। মালিক (র) বলেন, সাত চক্করের উপর বৃদ্ধি না করে যদি কোন ব্যক্তি ফজর ও আসরের পর তাওয়াফ করে এবং তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায সূর্যোদয়ের পর আদায় করে নেয়, যেরূপ উমার ইবনু খাত্তাব (রা) করেছিলেন, তাতে কোন দোষ নেই। আর যদি আসরের পর তাওয়াফ করে থাকে তবে সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে তাওয়াফের নামায আদায় করবে না। সূর্যাস্তের পর ইচ্ছা করলে তাওয়াফের দুই রাক’আত নামায আদায় করে নিবে অথবা ইচ্ছা করলে মাগরিবের নামায সমাপ্ত করার পর আদায় করবে, এতে কোন ক্ষতি নেই।

- و حدثني عن مالك عن أبي الزبير المكي أنه قال: لقد رأيت البيت يخلو بعد صلاة الصبح وبعد صلاة العصر ما يطوف به أحد. ১৩৬২-قال مالك ومن طاف بالبيت بعض أسبوعه ثم أقيمت صلاة الصبح أو صلاة العصر فإنه يصلي مع الإمام ثم يبني على ما طاف حتى يكمل سبعا ثم لا يصلي حتى تطلع الشمس أو تغرب قال وإن أخرهما حتى يصلي المغرب فلا بأس بذلك. ১৩৬৩-قال مالك ولا بأس أن يطوف الرجل طوافا واحدا بعد الصبح وبعد العصر لا يزيد على سبع واحد ويؤخر الركعتين حتى تطلع الشمس كما صنع عمر بن الخطاب ويؤخرهما بعد العصر حتى تغرب الشمس فإذا غربت الشمس صلاهما إن شاء وإن شاء أخرهما حتى يصلي المغرب لا بأس بذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বিদায়ী তাওয়াফ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৬

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب رد رجلا من مر الظهران لم يكن ودع البيت حتى ودع.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান (মক্কা শরীফ হতে ১৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান) হতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সে ‘তাওয়াফুল বিদা’ করে আসেনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান (মক্কা শরীফ হতে ১৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান) হতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ সে ‘তাওয়াফুল বিদা’ করে আসেনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن الخطاب رد رجلا من مر الظهران لم يكن ودع البيت حتى ودع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৫

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يصدرن أحد من الحاج حتى يطوف بالبيت فإن آخر النسك الطواف بالبيت ১৩৬৬-قال مالك في قول عمر بن الخطاب فإن آخر النسك الطواف بالبيت إن ذلك فيما نرى والله أعلم لقول الله تبارك وتعالى{ ومن يعظم شعائر الله فإنها من تقوى القلوب } وقال { ثم محلها إلى البيت العتيق } فمحل الشعائر كلها وانقضاؤها إلى البيت العتيق.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করে হাজীগণের কেউ যেন মক্কা হতে না ফিরে। কারণ হজ্জের শেষ আমল হল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘শেষ আমল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ’ উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উক্তির অর্থ হল, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেন وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوْبِ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মর্যাদা দেবে উহা তার আল্লাহভীতি হতেই উৎসারিত।’ এ সবকিছুরই সম্পর্ক বায়তুল্লাহর সঙ্গে । সুতরাং হজ্জের সমস্ত রুকন ও আমল বায়তুল্লাহ্‌তে যেয়েই শেষ হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করে হাজীগণের কেউ যেন মক্কা হতে না ফিরে। কারণ হজ্জের শেষ আমল হল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘শেষ আমল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ’ উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উক্তির অর্থ হল, আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেন وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوْبِ ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মর্যাদা দেবে উহা তার আল্লাহভীতি হতেই উৎসারিত।’ এ সবকিছুরই সম্পর্ক বায়তুল্লাহর সঙ্গে । সুতরাং হজ্জের সমস্ত রুকন ও আমল বায়তুল্লাহ্‌তে যেয়েই শেষ হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال لا يصدرن أحد من الحاج حتى يطوف بالبيت فإن آخر النسك الطواف بالبيت ১৩৬৬-قال مالك في قول عمر بن الخطاب فإن آخر النسك الطواف بالبيت إن ذلك فيما نرى والله أعلم لقول الله تبارك وتعالى{ ومن يعظم شعائر الله فإنها من تقوى القلوب } وقال { ثم محلها إلى البيت العتيق } فمحل الشعائر كلها وانقضاؤها إلى البيت العتيق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১৭

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: من أفاض فقد قضى الله حجه فإنه إن لم يكن حبسه شيء فهو حقيق أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت وإن حبسه شيء أو عرض له فقد قضى الله حجه. ১৩৬৯-قال مالك ولو أن رجلا جهل أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت حتى صدر لم أر عليه شيئا إلا أن يكون قريبا فيرجع فيطوف بالبيت ثم ينصرف إذا كان قد أفاض.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন, তাওয়াফে ইফাযা (তাওয়াফে যিয়ারত) যে ব্যক্তি করতে পেরেছে আল্লাহ্ তার হজ্জ পুরা করে দিয়েছেন। পরে বিশেষ অসুবিধা দেখা না দিলে সে যেন তাওয়াফূল-বিদা’ও করে নেয়। যদি কোন অসুবিধা দেখা দেয় এবং এই কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করতে না পারে তবে তাওয়াফে ইফাযা আদায় করায় হজ্জ তার পুরো হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারত করার পর তাওয়াফুল বিদা’ জানা না থাকার কারণে যদি কেউ তা না করে মক্কা হতে চলে আসে তবে আর তার জন্য ফিরে যাওয়া জরুরী নয়। তবে মক্কার নিকটবর্তী স্থানে থাকলে পুনরায় গিয়ে বিদায়ী-তাওয়াফ করে নেওয়া উচিত।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন, তাওয়াফে ইফাযা (তাওয়াফে যিয়ারত) যে ব্যক্তি করতে পেরেছে আল্লাহ্ তার হজ্জ পুরা করে দিয়েছেন। পরে বিশেষ অসুবিধা দেখা না দিলে সে যেন তাওয়াফূল-বিদা’ও করে নেয়। যদি কোন অসুবিধা দেখা দেয় এবং এই কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করতে না পারে তবে তাওয়াফে ইফাযা আদায় করায় হজ্জ তার পুরো হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, তাওয়াফে যিয়ারত করার পর তাওয়াফুল বিদা’ জানা না থাকার কারণে যদি কেউ তা না করে মক্কা হতে চলে আসে তবে আর তার জন্য ফিরে যাওয়া জরুরী নয়। তবে মক্কার নিকটবর্তী স্থানে থাকলে পুনরায় গিয়ে বিদায়ী-তাওয়াফ করে নেওয়া উচিত।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: من أفاض فقد قضى الله حجه فإنه إن لم يكن حبسه شيء فهو حقيق أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت وإن حبسه شيء أو عرض له فقد قضى الله حجه. ১৩৬৯-قال مالك ولو أن رجلا جهل أن يكون آخر عهده الطواف بالبيت حتى صدر لم أر عليه شيئا إلا أن يكون قريبا فيرجع فيطوف بالبيت ثم ينصرف إذا كان قد أفاض.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00