মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কা’বা শরীফ নির্মাণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০০
- و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عائشة أم المؤمنين قالت ما أبالي أصليت في الحجر أم في البيت.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) বলেছেন, আমি পরওয়া করি না, নামায হাতীমে আদায় করি বা কা’বা শরীফের অভ্যন্তরে আদায় করি। (অর্থাৎ এই দুই স্থানের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে বলে আমি মনে করি না কেননা হাতীমও কা’বার অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) বলেছেন, আমি পরওয়া করি না, নামায হাতীমে আদায় করি বা কা’বা শরীফের অভ্যন্তরে আদায় করি। (অর্থাৎ এই দুই স্থানের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে বলে আমি মনে করি না কেননা হাতীমও কা’বার অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عائشة أم المؤمنين قالت ما أبالي أصليت في الحجر أم في البيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০১
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول سمعت بعض علمائنا يقول: ما حجر الحجر فطاف الناس من ورائه إلا إرادة أن يستوعب الناس الطواف بالبيت كله.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন কতিপয় আলিমের নিকট শুনেছি, তাঁরা বলেন, হাতীমের পাশে দেয়াল উঠানোর এবং তাওয়াফের মধ্যে শামিল করার কারণ হল এতে সম্পূর্ণ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ যেন আদায় হয়ে যায়। (কেননা এটাও বায়তুল্লাহর অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন কতিপয় আলিমের নিকট শুনেছি, তাঁরা বলেন, হাতীমের পাশে দেয়াল উঠানোর এবং তাওয়াফের মধ্যে শামিল করার কারণ হল এতে সম্পূর্ণ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ যেন আদায় হয়ে যায়। (কেননা এটাও বায়তুল্লাহর অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول سمعت بعض علمائنا يقول: ما حجر الحجر فطاف الناس من ورائه إلا إرادة أن يستوعب الناس الطواف بالبيت كله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৯
قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن محمد بن أبي بكر الصديق أخبر عبد الله بن عمر عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ألم تري أن قومك حين بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد إبراهيم قالت فقلت يا رسول الله أفلا تردها على قواعد إبراهيم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا حدثان قومك بالكفر لفعلت قال فقال عبد الله بن عمر لئن كانت عائشة سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر إلا أن البيت لم يتمم على قواعد إبراهيم.
আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তুমি কি লক্ষ করনি, তোমার কওম কুরাইশগণ যখন কাবা শরীফ পুনঃনির্মাণ করে তখন ইবরাহীম (আ) যে চৌহদ্দি নিয়ে এটা নির্মাণ করেছিলেন ইহা হতে কিছু কমিয়ে ফেলেছিল ? আয়েশা (রা) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! ইবরাহীম (আ) যেমন বানিয়ে ছিলেন তদ্রূপ আপনি বানিয়ে দিচ্ছেন না কেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কওমের কুফরির অবস্থা যদি অতি নিকট না হত তবে নিশ্চয়ই আমি তদ্রূপ বানিয়ে দিতাম। [১] আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, আয়েশা (রা) যদি এটা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হতে শুনে থাকেন, আমার ধারণা এই কারণেই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সময় হাতীম সংলগ্ন রুকনে শামী এবং রুকনে ইরাকী ইস্তিলাম করতেন না, ছুঁতেন না। কেননা ইবরাহীম (আ)-এর বুনিয়াদের উপর কা’বা শরীফের নির্মাণ হয়নি। (বুখারী ১৫৮৩, মুসলিম ১৩৩৩)
আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তুমি কি লক্ষ করনি, তোমার কওম কুরাইশগণ যখন কাবা শরীফ পুনঃনির্মাণ করে তখন ইবরাহীম (আ) যে চৌহদ্দি নিয়ে এটা নির্মাণ করেছিলেন ইহা হতে কিছু কমিয়ে ফেলেছিল ? আয়েশা (রা) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! ইবরাহীম (আ) যেমন বানিয়ে ছিলেন তদ্রূপ আপনি বানিয়ে দিচ্ছেন না কেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কওমের কুফরির অবস্থা যদি অতি নিকট না হত তবে নিশ্চয়ই আমি তদ্রূপ বানিয়ে দিতাম। [১] আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, আয়েশা (রা) যদি এটা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হতে শুনে থাকেন, আমার ধারণা এই কারণেই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সময় হাতীম সংলগ্ন রুকনে শামী এবং রুকনে ইরাকী ইস্তিলাম করতেন না, ছুঁতেন না। কেননা ইবরাহীম (আ)-এর বুনিয়াদের উপর কা’বা শরীফের নির্মাণ হয়নি। (বুখারী ১৫৮৩, মুসলিম ১৩৩৩)
قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن محمد بن أبي بكر الصديق أخبر عبد الله بن عمر عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ألم تري أن قومك حين بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد إبراهيم قالت فقلت يا رسول الله أفلا تردها على قواعد إبراهيم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا حدثان قومك بالكفر لفعلت قال فقال عبد الله بن عمر لئن كانت عائشة سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر إلا أن البيت لم يتمم على قواعد إبراهيم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাওয়াফের সময় রমল করা (কিছুটা দ্রুত হাঁটা)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০২
حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن جابر بن عبد الله أنه قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم رمل من الحجر الأسود حتى انتهى إليه ثلاثة أطواف قال مالك وذلك الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا.
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে দেখেছি, হাজরে আসওয়াদ হতে আরম্ভ করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তাওয়াফে (চক্করে) তিনি রমল করেছেন। [১] (সহীহ, মুসলিম ১২৬৩) মালিক (র) বলেন, আমাদের শহরস্থ আলিমদের অভিমত এটাই।
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে দেখেছি, হাজরে আসওয়াদ হতে আরম্ভ করে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তাওয়াফে (চক্করে) তিনি রমল করেছেন। [১] (সহীহ, মুসলিম ১২৬৩) মালিক (র) বলেন, আমাদের শহরস্থ আলিমদের অভিমত এটাই।
حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه عن جابر بن عبد الله أنه قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم رمل من الحجر الأسود حتى انتهى إليه ثلاثة أطواف قال مالك وذلك الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০৩
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يرمل من الحجر الأسود إلى الحجر الأسود ثلاثة أطواف ويمشي أربعة أطواف.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হাজরে আসওয়াদ হতে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিন তাওয়াফে রমল করতেন আর বাকি তাওয়াফগুলোতে সাধারণভাবে চলতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হাজরে আসওয়াদ হতে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিন তাওয়াফে রমল করতেন আর বাকি তাওয়াফগুলোতে সাধারণভাবে চলতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يرمل من الحجر الأسود إلى الحجر الأسود ثلاثة أطواف ويمشي أربعة أطواف.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه رأى عبد الله بن الزبير أحرم بعمرة من التنعيم قال ثم رأيته يسعى حول البيت الأشواط الثلاثة.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-কে তান’য়ীম নামক স্থান হতে উমরার ইহ্রাম বাঁধতে দেখেছেন এবং বায়তুল্লাহ্র চতুষ্পার্শ্বে প্রথম তিন তাওয়াফে রমল করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-কে তান’য়ীম নামক স্থান হতে উমরার ইহ্রাম বাঁধতে দেখেছেন এবং বায়তুল্লাহ্র চতুষ্পার্শ্বে প্রথম তিন তাওয়াফে রমল করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه رأى عبد الله بن الزبير أحرم بعمرة من التنعيم قال ثم رأيته يسعى حول البيت الأشواط الثلاثة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০৪
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان إذا طاف بالبيت يسعى الأشواط الثلاثة يقول اللهم لا إله إلا أنتا وأنت تحي بعد ما أمتا يخفض صوته بذلك.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা যখন বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ করতেন তখন তিন তাওয়াফে দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে চলতেন এবং এই দু’আ পড়তেন اَللّٰهُمَّ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَا وَأَنْتَ تُحْيِ بَعْدَ مَا أَمَتَّا [২]
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর পিতা যখন বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ করতেন তখন তিন তাওয়াফে দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে চলতেন এবং এই দু’আ পড়তেন اَللّٰهُمَّ لَاۤ إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَا وَأَنْتَ تُحْيِ بَعْدَ مَا أَمَتَّا [২]
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان إذا طاف بالبيت يسعى الأشواط الثلاثة يقول اللهم لا إله إلا أنتا وأنت تحي بعد ما أمتا يخفض صوته بذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০৬
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أحرم من مكة لم يطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى وكان لا يرمل إذا طاف حول البيت إذا أحرم من مكة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন মক্কা হতে ইহরাম বাঁধতেন তখন মীনা হতে ফিরে না আসা পর্যন্ত বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করতেন না, রমলও করতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন মক্কা হতে ইহরাম বাঁধতেন তখন মীনা হতে ফিরে না আসা পর্যন্ত বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করতেন না, রমলও করতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا أحرم من مكة لم يطف بالبيت ولا بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى وكان لا يرمل إذا طاف حول البيت إذا أحرم من مكة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তাওয়াফ করার সময় ‘ইস্তিলাম’ [১] করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০৯
- و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان إذا طاف بالبيت يستلم الأركان كلها وكان لا يدع اليماني إلا أن يغلب عليه.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) বর্ণনা করেন তাঁর পিতা উরওয়া বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করার সময় সকল রুকনই ছুঁতেন। বিশেষত একান্ত বাধ্য না হলে রুকনে ইয়ামানীর ইস্তিলাম পরিত্যাগ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) বর্ণনা করেন তাঁর পিতা উরওয়া বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করার সময় সকল রুকনই ছুঁতেন। বিশেষত একান্ত বাধ্য না হলে রুকনে ইয়ামানীর ইস্তিলাম পরিত্যাগ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن أباه كان إذا طاف بالبيت يستلم الأركان كلها وكان لا يدع اليماني إلا أن يغلب عليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০৮
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعبد الرحمن بن عوف كيف صنعت يا أبا محمد في استلام الركن فقال عبد الرحمن استلمت وتركت فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم أصبت.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা)-কে বললেন, হে আবূ মুহাম্মদ, কিরূপে তুমি হাজরে আসওয়াদে ইস্তিলাম কর? তিনি বললেন, কখনও ইস্তিলাম করেছি আর কখনও করিনি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি ঠিক করেছ। (হাকিম ৩/৩০৬, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা)-কে বললেন, হে আবূ মুহাম্মদ, কিরূপে তুমি হাজরে আসওয়াদে ইস্তিলাম কর? তিনি বললেন, কখনও ইস্তিলাম করেছি আর কখনও করিনি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি ঠিক করেছ। (হাকিম ৩/৩০৬, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعبد الرحمن بن عوف كيف صنعت يا أبا محمد في استلام الركن فقال عبد الرحمن استلمت وتركت فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم أصبت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০৭
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قضى طوافه بالبيت وركع الركعتين وأراد أن يخرج إلى الصفا والمروة استلم الركن الأسود قبل أن يخرج.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফ করার পর দুই রাক’আত নামায আদায় করলেন। অতঃপর তিনি সাফা-মারওয়াব দিকে রওয়ানা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি হাজরে আসওয়াদ ইস্তিলাম (স্পর্শ) করলেন। (সহীহ, মুসলিম ১২১৮, ইমাম মুসলিম হাদীসটিকে জাবের (র)-এর বরাত দিয়ে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল।)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফ করার পর দুই রাক’আত নামায আদায় করলেন। অতঃপর তিনি সাফা-মারওয়াব দিকে রওয়ানা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি হাজরে আসওয়াদ ইস্তিলাম (স্পর্শ) করলেন। (সহীহ, মুসলিম ১২১৮, ইমাম মুসলিম হাদীসটিকে জাবের (র)-এর বরাত দিয়ে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন। তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল।)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قضى طوافه بالبيت وركع الركعتين وأراد أن يخرج إلى الصفا والمروة استلم الركن الأسود قبل أن يخرج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইস্তিলামের সময় হাজরে আসওয়াদে চুমা দেওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮১০
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال وهو يطوف بالبيت للركن الأسود إنما أنت حجر ولولا أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلك ما قبلتك ثم قبله قال مالك سمعت بعض أهل العلم يستحب إذا رفع الذي يطوف بالبيت يده عن الركن اليماني أن يضعها على فيه.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন বায়তুল্লাহর তাওয়াফের সময় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হাজরে আসওয়াদকে লক্ষ করে বলতেন, ‘তুমি শুধু একখানা পাথর, লাভ-লোকসানের কোন ক্ষমতা তোমার নেই। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে যদি তোমাকে চুমা দিতে না দেখতাম তবে আমিও তোমাকে চুমা দিতাম না।’ অতঃপর তিনি হাজরে আসওয়াদ চুমা দিলেন। [১] (বুখারী ১৬০৫, মুসলিম ১২৭০, মুত্তাসিল ভাবে) মালিক (র) বলেন, কতিপয় আলিমকে বলতে শুনেছি, রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম করে হাত দ্বারা মুখ স্পর্শ করা মুস্তাহাব, সরাসরি উহাকে চুমা দিবে না।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন বায়তুল্লাহর তাওয়াফের সময় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হাজরে আসওয়াদকে লক্ষ করে বলতেন, ‘তুমি শুধু একখানা পাথর, লাভ-লোকসানের কোন ক্ষমতা তোমার নেই। রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে যদি তোমাকে চুমা দিতে না দেখতাম তবে আমিও তোমাকে চুমা দিতাম না।’ অতঃপর তিনি হাজরে আসওয়াদ চুমা দিলেন। [১] (বুখারী ১৬০৫, মুসলিম ১২৭০, মুত্তাসিল ভাবে) মালিক (র) বলেন, কতিপয় আলিমকে বলতে শুনেছি, রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম করে হাত দ্বারা মুখ স্পর্শ করা মুস্তাহাব, সরাসরি উহাকে চুমা দিবে না।
حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال وهو يطوف بالبيت للركن الأسود إنما أنت حجر ولولا أني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قبلك ما قبلتك ثم قبله قال مالك سمعت بعض أهل العلم يستحب إذا رفع الذي يطوف بالبيت يده عن الركن اليماني أن يضعها على فيه.