মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জে-বদল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯২
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن عباس قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر فقالت يا رسول الله إن فريضة الله في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه -قال نعم وذلك في حجة الوداع.
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ
ফযল ইবনু আব্বাস (রা) রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে তাঁর পেছনে আরোহী ছিলেন। এমন সময় খাস’আম কবীলার এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট মাসআলা জানতে এলেন। ফযল তার দিকে তাকাতে লাগলেন আর সে মহিলাটিও ফযলকে দেখতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফযলের চেহারা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতার উপর হজ্জ এমন সময় ফরয হল যে, বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি এত দুর্বল যে, উটের পিঠে বসতে সক্ষম নন। তাঁর পক্ষ হতে হজ্জ করা আমার জন্য বৈধ হবে কি ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, করে নাও। এই ঘটনাটি ছিল বিদায় হজ্জের। (বুখারী ১৫১৩, মুসলিম ১৩৩৪)
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ
ফযল ইবনু আব্বাস (রা) রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে তাঁর পেছনে আরোহী ছিলেন। এমন সময় খাস’আম কবীলার এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট মাসআলা জানতে এলেন। ফযল তার দিকে তাকাতে লাগলেন আর সে মহিলাটিও ফযলকে দেখতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফযলের চেহারা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতার উপর হজ্জ এমন সময় ফরয হল যে, বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি এত দুর্বল যে, উটের পিঠে বসতে সক্ষম নন। তাঁর পক্ষ হতে হজ্জ করা আমার জন্য বৈধ হবে কি ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, করে নাও। এই ঘটনাটি ছিল বিদায় হজ্জের। (বুখারী ১৫১৩, মুসলিম ১৩৩৪)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن عباس قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر فقالت يا رسول الله إن فريضة الله في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه -قال نعم وذلك في حجة الوداع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শত্রু দ্বারা পথে বাধাপ্রাপ্ত হলে হজ্জ সম্পাদনে ইচ্ছুক ব্যক্তি কি করবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৩
حدثني يحيى عن مالك قال من حبس بعدو فحال بينه وبين البيت فإنه يحل من كل شيء وينحر هديه ويحلق رأسه حيث حبس وليس عليه قضاء.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
শত্রু যদি কারো যাত্রাপথে বাধার সৃষ্টি করে এবং বায়তুল্লাহ পর্যন্ত সে যদি পৌঁছাতে না পারে তবে যে স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হবে সে স্থানেই সে ইহরাম খুলে ফেলবে ও কুরবানী দিবে এবং মাথা কামাবে। তাকে আর দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করতে হবে না। ৯৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَلَّ هُوَ وَأَصْحَابُهُ بِالْحُدَيْبِيَةِ فَنَحَرُوا الْهَدْيَ وَحَلَقُوا رُءُوسَهُمْ وَحَلُّوا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ قَبْلَ أَنْ يَطُوفُوا بِالْبَيْتِ وَقَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَيْهِ الْهَدْيُ ثُمَّ لَمْ يُعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِهِ وَلَا مِمَّنْ كَانَ مَعَهُ أَنْ يَقْضُوا شَيْئًا وَلَا يَعُودُوا لِشَيْءٍ. মালিক (র) বলেন, তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মক্কার কাফিরগণ হুদায়বিয়ার ময়দানে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে মক্কায় যেতে বাধা দিল। তখন তাঁরা সেখানেই ইহরাম খুলে ফেলেছিলেন, হাদয়ী কুরবানী দিয়েছিলেন এবং মাথা কামায়ে ছিলেন। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ এবং কুরবানীর পশু মক্কায় পৌঁছার পূর্বেই তাঁরা হালাল হয়ে গিয়েছিলেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন সঙ্গী বা সাহাবীকে দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করার বা পুনরায় করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে আমাদের জানা নাই। [১] (হাদীসটি মুরসাল, হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে রয়েছে)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
শত্রু যদি কারো যাত্রাপথে বাধার সৃষ্টি করে এবং বায়তুল্লাহ পর্যন্ত সে যদি পৌঁছাতে না পারে তবে যে স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হবে সে স্থানেই সে ইহরাম খুলে ফেলবে ও কুরবানী দিবে এবং মাথা কামাবে। তাকে আর দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করতে হবে না। ৯৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَلَّ هُوَ وَأَصْحَابُهُ بِالْحُدَيْبِيَةِ فَنَحَرُوا الْهَدْيَ وَحَلَقُوا رُءُوسَهُمْ وَحَلُّوا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ قَبْلَ أَنْ يَطُوفُوا بِالْبَيْتِ وَقَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَيْهِ الْهَدْيُ ثُمَّ لَمْ يُعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِهِ وَلَا مِمَّنْ كَانَ مَعَهُ أَنْ يَقْضُوا شَيْئًا وَلَا يَعُودُوا لِشَيْءٍ. মালিক (র) বলেন, তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মক্কার কাফিরগণ হুদায়বিয়ার ময়দানে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে মক্কায় যেতে বাধা দিল। তখন তাঁরা সেখানেই ইহরাম খুলে ফেলেছিলেন, হাদয়ী কুরবানী দিয়েছিলেন এবং মাথা কামায়ে ছিলেন। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ এবং কুরবানীর পশু মক্কায় পৌঁছার পূর্বেই তাঁরা হালাল হয়ে গিয়েছিলেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন সঙ্গী বা সাহাবীকে দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করার বা পুনরায় করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে আমাদের জানা নাই। [১] (হাদীসটি মুরসাল, হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে রয়েছে)
حدثني يحيى عن مالك قال من حبس بعدو فحال بينه وبين البيت فإنه يحل من كل شيء وينحر هديه ويحلق رأسه حيث حبس وليس عليه قضاء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৪
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل بعمرة عام الحديبية ثم إن عبد الله نظر في أمره فقال ما أمرهما إلا واحد ثم التفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت الحج مع العمرة ثم نفذ حتى جاء البيت فطاف طوافا واحدا ورأى ذلك مجزيا عنه وأهدى.১৩২২-قال مالك فهذا الأمر عندنا فيمن أحصر بعدو كما أحصر النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأما من أحصر بغير عدو فإنه لا يحل دون البيت.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
বিশৃংখলার বৎসর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) উমরা করার নিয়তে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় বলেছিলেন বায়তুল্লায় যাওয়ার পথে যদি আমি বাধাপ্রাপ্ত হই, তবে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে থাকাকালীন এই অবস্থায় আমরা যা করেছিলাম আজও তাই করব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুদায়বিয়ার বৎসর শুধু উমরার নিয়তেই মক্কা যাত্রা করেছিলেন এই কথা খেয়াল করে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও শুধু উমরার ইহরাম বাঁধলেন। পরে চিন্তা করে দেখলেন, বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার বেলায় হজ্জ ও উমরার হুকুম একই ধরনের। তোমাদেরকে সাক্ষী বানাচ্ছি যে, আমি এখন হজ্জ ও উমরা উভয়ই আমার উপর ওয়াজিব করে নিলাম। এই বলে তিনি যাত্রা শুরু করলেন এবং বায়তুল্লাহ্ এসে তাওয়াফ সমাধা করলেন, আর এইটুকুই নিজের জন্য যথেষ্ট মনে করলেন। কুরবানীর যে পশু ছিল তাও নাহর করলেন। [১] (বুখারী ১৬৩৯, মুসলিম ১২৩০) মালিক (র) বলেন, আমার মতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ যা করেছিলেন হজ্জের পথে বাধাপ্রাপ্ত হলে তাই করা উচিত। তবে শত্রুর দ্বারা নয়, অন্য কোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে বায়তুল্লাহ্ না যাওয়া পর্যন্ত আর সে হালাল হবে না।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
বিশৃংখলার বৎসর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) উমরা করার নিয়তে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় বলেছিলেন বায়তুল্লায় যাওয়ার পথে যদি আমি বাধাপ্রাপ্ত হই, তবে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে থাকাকালীন এই অবস্থায় আমরা যা করেছিলাম আজও তাই করব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুদায়বিয়ার বৎসর শুধু উমরার নিয়তেই মক্কা যাত্রা করেছিলেন এই কথা খেয়াল করে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও শুধু উমরার ইহরাম বাঁধলেন। পরে চিন্তা করে দেখলেন, বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার বেলায় হজ্জ ও উমরার হুকুম একই ধরনের। তোমাদেরকে সাক্ষী বানাচ্ছি যে, আমি এখন হজ্জ ও উমরা উভয়ই আমার উপর ওয়াজিব করে নিলাম। এই বলে তিনি যাত্রা শুরু করলেন এবং বায়তুল্লাহ্ এসে তাওয়াফ সমাধা করলেন, আর এইটুকুই নিজের জন্য যথেষ্ট মনে করলেন। কুরবানীর যে পশু ছিল তাও নাহর করলেন। [১] (বুখারী ১৬৩৯, মুসলিম ১২৩০) মালিক (র) বলেন, আমার মতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ যা করেছিলেন হজ্জের পথে বাধাপ্রাপ্ত হলে তাই করা উচিত। তবে শত্রুর দ্বারা নয়, অন্য কোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে বায়তুল্লাহ্ না যাওয়া পর্যন্ত আর সে হালাল হবে না।
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل بعمرة عام الحديبية ثم إن عبد الله نظر في أمره فقال ما أمرهما إلا واحد ثم التفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت الحج مع العمرة ثم نفذ حتى جاء البيت فطاف طوافا واحدا ورأى ذلك مجزيا عنه وأهدى.১৩২২-قال مالك فهذا الأمر عندنا فيمن أحصر بعدو كما أحصر النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأما من أحصر بغير عدو فإنه لا يحل دون البيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শত্রু ব্যতীত অন্য কোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে কি করণীয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تقول: المحرم لا يحله إلا البيت.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) বলতেন, ইহরামকে শুধু বায়তুল্লাহই হালাল করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) বলতেন, ইহরামকে শুধু বায়তুল্লাহই হালাল করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تقول: المحرم لا يحله إلا البيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৫
حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أنه قال: المحصر بمرض لا يحل حتى يطوف بالبيت ويسعى بين الصفا والمروة فإذا اضطر إلى لبس شيء من الثياب التي لا بد له منها أو الدواء صنع ذلك وافتدى.
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
অসুস্থতার কারণে যদি কারো যাত্রা বাধাপ্রাপ্ত হয় তবে তাওয়াফ ও সাফা মারওয়ার সা’য়ী করা ব্যতীত সে হালাল হবে না। কোন কাপড় বা ঔষধ ব্যবহার করার প্রয়োজন হলে (যা ইহরাম অবস্থায় জায়েয নয়) তা ব্যবহার করবে এবং উহার ফিদইয়া দেবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
অসুস্থতার কারণে যদি কারো যাত্রা বাধাপ্রাপ্ত হয় তবে তাওয়াফ ও সাফা মারওয়ার সা’য়ী করা ব্যতীত সে হালাল হবে না। কোন কাপড় বা ঔষধ ব্যবহার করার প্রয়োজন হলে (যা ইহরাম অবস্থায় জায়েয নয়) তা ব্যবহার করবে এবং উহার ফিদইয়া দেবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أنه قال: المحصر بمرض لا يحل حتى يطوف بالبيت ويسعى بين الصفا والمروة فإذا اضطر إلى لبس شيء من الثياب التي لا بد له منها أو الدواء صنع ذلك وافتدى.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৭
و حدثني عن مالك عن أيوب بن أبي تميمة السختياني عن رجل من أهل البصرة كان قديما أنه قال: خرجت إلى مكة حتى إذا كنت ببعض الطريق كسرت فخذي فأرسلت إلى مكة وبها عبد الله بن عباس وعبد الله بن عمر والناس فلم يرخص لي أحد أن أحل فأقمت على ذلك الماء سبعة أشهر حتى أحللت بعمرة.
আইয়ূব ইবনু আবি তামীমা সাখতীয়ানী (র) থেকে বর্নিতঃ
আইয়ূব ইবনু আবি তামীমা সাখতীয়ানী (র) বসরার জনৈক প্রবীণ [১] ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেন, মক্কার উদ্দেশ্যে একবার রওয়ানা হলাম। পথে উট হতে পড়ে আমার উরু ভেঙে যায়। মক্কায় আমি একজনকে পাঠালাম। তখন সেখানে আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা), আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) এবং আরও অনেক বিজ্ঞ লোক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের কেউই আমাকে এই অবস্থায় ইহ্রাম খুলতে অনুমতি দিলেন না। ফলে সাত মাস পর্যন্ত সেখানে আমি পড়ে রইলাম। শেষে সুস্থ হয়ে উমরা আদায় করে ইহরাম খুললাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আইয়ূব ইবনু আবি তামীমা সাখতীয়ানী (র) থেকে বর্নিতঃ
আইয়ূব ইবনু আবি তামীমা সাখতীয়ানী (র) বসরার জনৈক প্রবীণ [১] ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন তিনি বলেন, মক্কার উদ্দেশ্যে একবার রওয়ানা হলাম। পথে উট হতে পড়ে আমার উরু ভেঙে যায়। মক্কায় আমি একজনকে পাঠালাম। তখন সেখানে আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা), আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) এবং আরও অনেক বিজ্ঞ লোক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের কেউই আমাকে এই অবস্থায় ইহ্রাম খুলতে অনুমতি দিলেন না। ফলে সাত মাস পর্যন্ত সেখানে আমি পড়ে রইলাম। শেষে সুস্থ হয়ে উমরা আদায় করে ইহরাম খুললাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أيوب بن أبي تميمة السختياني عن رجل من أهل البصرة كان قديما أنه قال: خرجت إلى مكة حتى إذا كنت ببعض الطريق كسرت فخذي فأرسلت إلى مكة وبها عبد الله بن عباس وعبد الله بن عمر والناس فلم يرخص لي أحد أن أحل فأقمت على ذلك الماء سبعة أشهر حتى أحللت بعمرة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৮
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أنه قال: من حبس دون البيت بمرض فإنه لا يحل حتى يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, অসুস্থতার কারণে যদি কেউ যাত্রা করেও কাবায় পৌঁছাতে না পারে তবে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সা’য়ী না করা পর্যন্ত সে আর হালাল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ حُزَابَةَ الْمَخْزُومِيَّ صُرِعَ بِبَعْضِ طَرِيقِ مَكَّةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَسَأَلَ عَلَى الْمَاءِ الَّذِي كَانَ عَلَيْهِ عَنْ الْعُلَمَاءِ فَوَجَدَ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ الزُّبَيْرِ وَمَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ فَذَكَرَ لَهُمْ الَّذِي عَرَضَ لَهُ فَكُلُّهُمْ أَمَرَهُ أَنْ يَتَدَاوَى بِمَا لَا بُدَّ لَهُ مِنْهُ وَيَفْتَدِيَ فَإِذَا صَحَّ اعْتَمَرَ فَحَلَّ مِنْ إِحْرَامِهِ ثُمَّ عَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَيُهْدِي مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ ১৩২৯-قَالَ مَالِك وَعَلَى هَذَا الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِيمَنْ أُحْصِرَ بِغَيْرِ عَدُوٍّ وَقَدْ أَمَرَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَبَا أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيَّ وَهَبَّارَ بْنَ الْأَسْوَدِ حِينَ فَاتَهُمَا الْحَجُّ وَأَتَيَا يَوْمَ النَّحْرِ أَنْ يَحِلَّا بِعُمْرَةٍ ثُمَّ يَرْجِعَا حَلَالًا ثُمَّ يَحُجَّانِ عَامًا قَابِلًا وَيُهْدِيَانِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعَ إِلَى أَهْلِهِ. قَالَ مَالِك وَكُلُّ مَنْ حُبِسَ عَنْ الْحَجِّ بَعْدَ مَا يُحْرِمُ إِمَّا بِمَرَضٍ أَوْ بِغَيْرِهِ أَوْ بِخَطَإٍ مِنْ الْعَدَدِ أَوْ خَفِيَ عَلَيْهِ الْهِلَالُ فَهُوَ مُحْصَرٌ عَلَيْهِ مَا عَلَى الْمُحْصَرِ. ১৩৩১-قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِك عَمَّنْ أَهَلَّ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ بِالْحَجِّ ثُمَّ أَصَابَهُ كَسْرٌ أَوْ بَطْنٌ مُتَحَرِّقٌ أَوْ امْرَأَةٌ تُطْلَقُ قَالَ مَنْ أَصَابَهُ هَذَا مِنْهُمْ فَهُوَ مُحْصَرٌ يَكُونُ عَلَيْهِ مِثْلُ مَا عَلَى أَهْلِ الْآفَاقِ إِذَا هُمْ أُحْصِرُوْ. ১৩৩২-قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ قَدِمَ مُعْتَمِرًا فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ حَتَّى إِذَا قَضَى عُمْرَتَهُ أَهَلَّ بِالْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ ثُمَّ كُسِرَ أَوْ أَصَابَهُ أَمْرٌ لَا يَقْدِرُ عَلَى أَنْ يَحْضُرَ مَعَ النَّاسِ الْمَوْقِفَ قَالَ مَالِك أَرَى أَنْ يُقِيمَ حَتَّى إِذَا بَرَأَ خَرَجَ إِلَى الْحِلِّ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى مَكَّةَ فَيَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَيَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ يَحِلُّ ثُمَّ عَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَالْهَدْيُ ১৩৩৩-قَالَ مَالِك فِيمَنْ أَهَلَّ بِالْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ ثُمَّ طَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ مَرِضَ فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَحْضُرَ مَعَ النَّاسِ الْمَوْقِفَ قَالَ مَالِك إِذَا فَاتَهُ الْحَجُّ فَإِنْ اسْتَطَاعَ خَرَجَ إِلَى الْحِلِّ فَدَخَلَ بِعُمْرَةٍ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لِأَنَّ الطَّوَافَ الْأَوَّلَ لَمْ يَكُنْ اااا نَوَاهُ لِلْعُمْرَةِ فَلِذَلِكَ يَعْمَلُ بِهَذَا وَعَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَالْهَدْيُ فَإِنْ كَانَ مِنْ غَيْرِ أَهْلِ مَكَّةَ فَأَصَابَهُ مَرَضٌ حَالَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْحَجِّ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَلَّ بِعُمْرَةٍ وَطَافَ بِالْبَيْتِ طَوَافًا آخَرَ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لِأَنَّ طَوَافَهُ الْأَوَّلَ وَسَعْيَهُ إِنَّمَا كَانَ نَوَاهُ لِلْحَجِّ وَعَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَالْهَدْيُ. সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রা) হতে বর্ণিত; মা’বদ ইবনু হুযাবা মাখযুমী (র) মক্কা আসার পথে তাঁর বাহন হতে পড়ে গিয়ে আহত হন। তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। অতঃপর একটি কূপের নিকট যাত্রা বিরতি করলেন এবং খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন যে, সেখানে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা), আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) এবং মারওয়ান ইবনুল হাকাম (রা) আছেন। তাঁদের নিকট উক্ত ঘটনা বর্ণনা করলে তাঁরা বললেন, প্রয়োজনীয় ঔষধ ব্যবহার কর আর উহার ফিদইয়া আদায় করে দিও। সুস্থ হওয়ার পর উমরা আদায় করে ইহরাম খুলে ফেলো। আগামী বৎসর পুনরায় এই হজ্জ আদায় করে নিও এবং সামর্থ্যানুযায়ী কুরবানী দিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, শত্রু ছাড়া অন্য কোন কারণে হজ্জে বাধ্যপ্রাপ্ত হলে আমাদের নিকটও মাসআলা অনুরূপ। মালিক (র) বলেন, আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) এবং হাব্বান ইবনু আসওয়াদ (রা) যখন হজ্জের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারলেন না এবং নাহরের দিন উপস্থিত হলেন, সেই বৎসর দশ তারিখে মক্কায় গিয়ে পৌঁছালেন, তখন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাদেরকে বলেছিলেন উমরা করে ইহরাম খুলে নিন এবং এই বৎসর ফিরে যান। আগামী বৎসর হজ্জ করবেন এবং কুরবানী দিবেন। কুরবানীর সামর্থ্য না হলে আপনাদেরকে হজ্জের সময় তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে সাতদিন রোযা রাখতে হবে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম বাঁধার পর অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে যেমন তারিখে ভুল করার দরুন, যদি হজ্জ করতে না পারে তবে তার হুকুম মুহসারের মত হবে। [১] ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মক্কাবাসী কোন ব্যক্তি হজ্জের নিয়তে ইহরাম বাঁধার পর তার পা ভেঙে গেল বা দাস্ত শুরু হল, এখন সে কি করবে ? তিনি বললেন, তার হুকুম মুহসারের মত। মক্কার বাহিরের অধিবাসী কোন ব্যক্তির ইহসার বা বাধ্যপ্রাপ্ত হলে যে হুকুম, এখানেও সে হুকুম প্রযোজ্য হবে। মালিক (র) বলেন, হজ্জের মাসে কোন ব্যক্তি উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কা এল এবং উমরা সমাধা করে মক্কা হতে পুনরায় হজ্জের ইহরাম বাঁধার পর তার পা ভেঙে গেল বা এমন কোন কষ্ট পেল যাতে সে আরাফাতে যেতে আর সক্ষম হল না। তখন সে যখন সুস্থ হবে হারাম শরীফের বারে গিয়ে মক্কায় ফিরে আসবে এবং তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করে ইহরাম খুলে ফেলবে। পরে আগামী বৎসর পুনরায় হজ্জ করবে এবং কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, কোন ব্যক্তি হজ্জের মওসুমে উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কায় প্রবেশ করল। অতঃপর উমরা পূর্ণ করে মক্কা হতে হজ্জের ইহরাম বাঁধল। অতঃপর (দুর্ঘটনায় হাত পা) ভাঙল অথবা অন্য কোন বাধার সম্মুখীন হল। ফলে অন্য লোকদের সঙ্গে আরাফাতে উপস্থিত হতে পারেনি। মালিক (র) বলেন, উক্ত ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় থাকবে। যখন সে সুস্থ হবে, হিলের (হারাম শরীফের বারে) দিকে যাবে। অতঃপর মক্কার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। তাওয়াফ করবে ও সাফা-মারওয় সা’য়ী করবে এবং হালাল হবে। তার উপর আগামী বৎসর হাদ্য়ী ও হজ্জ ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি মক্কা হতে হজ্জের ইহ্রাম বেঁধেছে, তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সা’য়ী করেছে, অতঃপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং লোকের সঙ্গে আরাফাতে উপস্থিত হতে পারেনি। তিনি বলেন, যদি সে হজ্জ করতে না পারে যখন সম্ভব হবে তখন সে হিলের দিকে যাবে এবং উমরার নিয়ত করে মক্কায় প্রবেশ করবে। এর কারণ, প্রথমে সে তাওয়াফ ও উমরার নিয়ত করেনি। এইজন্য সে পুনরায় তাওয়াফ ও সা’য়ী করবে এবং তার উপর আগামী বৎসর হাদ্য়ী ও হজ্জ ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি হজ্জের ইহরাম বেঁধেছে সে যদি মক্কার বাহিরের লোক হয়, সে অসুস্থতার দরুন যদি হজ্জ করতে না পারে, অথচ এর পূর্বে সে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সায়ী করেছিল, সেই ব্যক্তি উমরা করে হালাল হবে এবং আরেকবার বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করবে। কারণ তার পূর্বের তাওয়াফ ও সায়ী ছিল হজ্জের নিয়তে। তার উপর আগামী বৎসর হাদ্য়ী ও হজ্জ ওয়াজিব হবে।
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, অসুস্থতার কারণে যদি কেউ যাত্রা করেও কাবায় পৌঁছাতে না পারে তবে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সা’য়ী না করা পর্যন্ত সে আর হালাল হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ سَعِيدَ بْنَ حُزَابَةَ الْمَخْزُومِيَّ صُرِعَ بِبَعْضِ طَرِيقِ مَكَّةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ فَسَأَلَ عَلَى الْمَاءِ الَّذِي كَانَ عَلَيْهِ عَنْ الْعُلَمَاءِ فَوَجَدَ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ وَعَبْدَ اللهِ بْنَ الزُّبَيْرِ وَمَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ فَذَكَرَ لَهُمْ الَّذِي عَرَضَ لَهُ فَكُلُّهُمْ أَمَرَهُ أَنْ يَتَدَاوَى بِمَا لَا بُدَّ لَهُ مِنْهُ وَيَفْتَدِيَ فَإِذَا صَحَّ اعْتَمَرَ فَحَلَّ مِنْ إِحْرَامِهِ ثُمَّ عَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَيُهْدِي مَا اسْتَيْسَرَ مِنْ الْهَدْيِ ১৩২৯-قَالَ مَالِك وَعَلَى هَذَا الْأَمْرُ عِنْدَنَا فِيمَنْ أُحْصِرَ بِغَيْرِ عَدُوٍّ وَقَدْ أَمَرَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَبَا أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيَّ وَهَبَّارَ بْنَ الْأَسْوَدِ حِينَ فَاتَهُمَا الْحَجُّ وَأَتَيَا يَوْمَ النَّحْرِ أَنْ يَحِلَّا بِعُمْرَةٍ ثُمَّ يَرْجِعَا حَلَالًا ثُمَّ يَحُجَّانِ عَامًا قَابِلًا وَيُهْدِيَانِ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَصِيَامُ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ فِي الْحَجِّ وَسَبْعَةٍ إِذَا رَجَعَ إِلَى أَهْلِهِ. قَالَ مَالِك وَكُلُّ مَنْ حُبِسَ عَنْ الْحَجِّ بَعْدَ مَا يُحْرِمُ إِمَّا بِمَرَضٍ أَوْ بِغَيْرِهِ أَوْ بِخَطَإٍ مِنْ الْعَدَدِ أَوْ خَفِيَ عَلَيْهِ الْهِلَالُ فَهُوَ مُحْصَرٌ عَلَيْهِ مَا عَلَى الْمُحْصَرِ. ১৩৩১-قَالَ يَحْيَى سُئِلَ مَالِك عَمَّنْ أَهَلَّ مِنْ أَهْلِ مَكَّةَ بِالْحَجِّ ثُمَّ أَصَابَهُ كَسْرٌ أَوْ بَطْنٌ مُتَحَرِّقٌ أَوْ امْرَأَةٌ تُطْلَقُ قَالَ مَنْ أَصَابَهُ هَذَا مِنْهُمْ فَهُوَ مُحْصَرٌ يَكُونُ عَلَيْهِ مِثْلُ مَا عَلَى أَهْلِ الْآفَاقِ إِذَا هُمْ أُحْصِرُوْ. ১৩৩২-قَالَ مَالِك فِي رَجُلٍ قَدِمَ مُعْتَمِرًا فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ حَتَّى إِذَا قَضَى عُمْرَتَهُ أَهَلَّ بِالْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ ثُمَّ كُسِرَ أَوْ أَصَابَهُ أَمْرٌ لَا يَقْدِرُ عَلَى أَنْ يَحْضُرَ مَعَ النَّاسِ الْمَوْقِفَ قَالَ مَالِك أَرَى أَنْ يُقِيمَ حَتَّى إِذَا بَرَأَ خَرَجَ إِلَى الْحِلِّ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى مَكَّةَ فَيَطُوفُ بِالْبَيْتِ وَيَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ يَحِلُّ ثُمَّ عَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَالْهَدْيُ ১৩৩৩-قَالَ مَالِك فِيمَنْ أَهَلَّ بِالْحَجِّ مِنْ مَكَّةَ ثُمَّ طَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ مَرِضَ فَلَمْ يَسْتَطِعْ أَنْ يَحْضُرَ مَعَ النَّاسِ الْمَوْقِفَ قَالَ مَالِك إِذَا فَاتَهُ الْحَجُّ فَإِنْ اسْتَطَاعَ خَرَجَ إِلَى الْحِلِّ فَدَخَلَ بِعُمْرَةٍ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لِأَنَّ الطَّوَافَ الْأَوَّلَ لَمْ يَكُنْ اااا نَوَاهُ لِلْعُمْرَةِ فَلِذَلِكَ يَعْمَلُ بِهَذَا وَعَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَالْهَدْيُ فَإِنْ كَانَ مِنْ غَيْرِ أَهْلِ مَكَّةَ فَأَصَابَهُ مَرَضٌ حَالَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْحَجِّ فَطَافَ بِالْبَيْتِ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَلَّ بِعُمْرَةٍ وَطَافَ بِالْبَيْتِ طَوَافًا آخَرَ وَسَعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ لِأَنَّ طَوَافَهُ الْأَوَّلَ وَسَعْيَهُ إِنَّمَا كَانَ نَوَاهُ لِلْحَجِّ وَعَلَيْهِ حَجُّ قَابِلٍ وَالْهَدْيُ. সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রা) হতে বর্ণিত; মা’বদ ইবনু হুযাবা মাখযুমী (র) মক্কা আসার পথে তাঁর বাহন হতে পড়ে গিয়ে আহত হন। তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। অতঃপর একটি কূপের নিকট যাত্রা বিরতি করলেন এবং খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন যে, সেখানে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা), আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) এবং মারওয়ান ইবনুল হাকাম (রা) আছেন। তাঁদের নিকট উক্ত ঘটনা বর্ণনা করলে তাঁরা বললেন, প্রয়োজনীয় ঔষধ ব্যবহার কর আর উহার ফিদইয়া আদায় করে দিও। সুস্থ হওয়ার পর উমরা আদায় করে ইহরাম খুলে ফেলো। আগামী বৎসর পুনরায় এই হজ্জ আদায় করে নিও এবং সামর্থ্যানুযায়ী কুরবানী দিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, শত্রু ছাড়া অন্য কোন কারণে হজ্জে বাধ্যপ্রাপ্ত হলে আমাদের নিকটও মাসআলা অনুরূপ। মালিক (র) বলেন, আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) এবং হাব্বান ইবনু আসওয়াদ (রা) যখন হজ্জের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারলেন না এবং নাহরের দিন উপস্থিত হলেন, সেই বৎসর দশ তারিখে মক্কায় গিয়ে পৌঁছালেন, তখন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাদেরকে বলেছিলেন উমরা করে ইহরাম খুলে নিন এবং এই বৎসর ফিরে যান। আগামী বৎসর হজ্জ করবেন এবং কুরবানী দিবেন। কুরবানীর সামর্থ্য না হলে আপনাদেরকে হজ্জের সময় তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে সাতদিন রোযা রাখতে হবে। মালিক (র) বলেন, ইহরাম বাঁধার পর অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে যেমন তারিখে ভুল করার দরুন, যদি হজ্জ করতে না পারে তবে তার হুকুম মুহসারের মত হবে। [১] ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মক্কাবাসী কোন ব্যক্তি হজ্জের নিয়তে ইহরাম বাঁধার পর তার পা ভেঙে গেল বা দাস্ত শুরু হল, এখন সে কি করবে ? তিনি বললেন, তার হুকুম মুহসারের মত। মক্কার বাহিরের অধিবাসী কোন ব্যক্তির ইহসার বা বাধ্যপ্রাপ্ত হলে যে হুকুম, এখানেও সে হুকুম প্রযোজ্য হবে। মালিক (র) বলেন, হজ্জের মাসে কোন ব্যক্তি উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কা এল এবং উমরা সমাধা করে মক্কা হতে পুনরায় হজ্জের ইহরাম বাঁধার পর তার পা ভেঙে গেল বা এমন কোন কষ্ট পেল যাতে সে আরাফাতে যেতে আর সক্ষম হল না। তখন সে যখন সুস্থ হবে হারাম শরীফের বারে গিয়ে মক্কায় ফিরে আসবে এবং তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করে ইহরাম খুলে ফেলবে। পরে আগামী বৎসর পুনরায় হজ্জ করবে এবং কুরবানী দিবে। মালিক (র) বলেন, কোন ব্যক্তি হজ্জের মওসুমে উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কায় প্রবেশ করল। অতঃপর উমরা পূর্ণ করে মক্কা হতে হজ্জের ইহরাম বাঁধল। অতঃপর (দুর্ঘটনায় হাত পা) ভাঙল অথবা অন্য কোন বাধার সম্মুখীন হল। ফলে অন্য লোকদের সঙ্গে আরাফাতে উপস্থিত হতে পারেনি। মালিক (র) বলেন, উক্ত ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় থাকবে। যখন সে সুস্থ হবে, হিলের (হারাম শরীফের বারে) দিকে যাবে। অতঃপর মক্কার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। তাওয়াফ করবে ও সাফা-মারওয় সা’য়ী করবে এবং হালাল হবে। তার উপর আগামী বৎসর হাদ্য়ী ও হজ্জ ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি মক্কা হতে হজ্জের ইহ্রাম বেঁধেছে, তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সা’য়ী করেছে, অতঃপর সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং লোকের সঙ্গে আরাফাতে উপস্থিত হতে পারেনি। তিনি বলেন, যদি সে হজ্জ করতে না পারে যখন সম্ভব হবে তখন সে হিলের দিকে যাবে এবং উমরার নিয়ত করে মক্কায় প্রবেশ করবে। এর কারণ, প্রথমে সে তাওয়াফ ও উমরার নিয়ত করেনি। এইজন্য সে পুনরায় তাওয়াফ ও সা’য়ী করবে এবং তার উপর আগামী বৎসর হাদ্য়ী ও হজ্জ ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি হজ্জের ইহরাম বেঁধেছে সে যদি মক্কার বাহিরের লোক হয়, সে অসুস্থতার দরুন যদি হজ্জ করতে না পারে, অথচ এর পূর্বে সে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সায়ী করেছিল, সেই ব্যক্তি উমরা করে হালাল হবে এবং আরেকবার বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করবে। কারণ তার পূর্বের তাওয়াফ ও সায়ী ছিল হজ্জের নিয়তে। তার উপর আগামী বৎসর হাদ্য়ী ও হজ্জ ওয়াজিব হবে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أنه قال: من حبس دون البيت بمرض فإنه لا يحل حتى يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কা’বা শরীফ নির্মাণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০০
- و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عائشة أم المؤمنين قالت ما أبالي أصليت في الحجر أم في البيت.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) বলেছেন, আমি পরওয়া করি না, নামায হাতীমে আদায় করি বা কা’বা শরীফের অভ্যন্তরে আদায় করি। (অর্থাৎ এই দুই স্থানের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে বলে আমি মনে করি না কেননা হাতীমও কা’বার অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) বলেছেন, আমি পরওয়া করি না, নামায হাতীমে আদায় করি বা কা’বা শরীফের অভ্যন্তরে আদায় করি। (অর্থাৎ এই দুই স্থানের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে বলে আমি মনে করি না কেননা হাতীমও কা’বার অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن عائشة أم المؤمنين قالت ما أبالي أصليت في الحجر أم في البيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৮০১
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول سمعت بعض علمائنا يقول: ما حجر الحجر فطاف الناس من ورائه إلا إرادة أن يستوعب الناس الطواف بالبيت كله.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন কতিপয় আলিমের নিকট শুনেছি, তাঁরা বলেন, হাতীমের পাশে দেয়াল উঠানোর এবং তাওয়াফের মধ্যে শামিল করার কারণ হল এতে সম্পূর্ণ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ যেন আদায় হয়ে যায়। (কেননা এটাও বায়তুল্লাহর অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন কতিপয় আলিমের নিকট শুনেছি, তাঁরা বলেন, হাতীমের পাশে দেয়াল উঠানোর এবং তাওয়াফের মধ্যে শামিল করার কারণ হল এতে সম্পূর্ণ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ যেন আদায় হয়ে যায়। (কেননা এটাও বায়তুল্লাহর অংশ)। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول سمعت بعض علمائنا يقول: ما حجر الحجر فطاف الناس من ورائه إلا إرادة أن يستوعب الناس الطواف بالبيت كله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৯
قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن محمد بن أبي بكر الصديق أخبر عبد الله بن عمر عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ألم تري أن قومك حين بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد إبراهيم قالت فقلت يا رسول الله أفلا تردها على قواعد إبراهيم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا حدثان قومك بالكفر لفعلت قال فقال عبد الله بن عمر لئن كانت عائشة سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر إلا أن البيت لم يتمم على قواعد إبراهيم.
আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তুমি কি লক্ষ করনি, তোমার কওম কুরাইশগণ যখন কাবা শরীফ পুনঃনির্মাণ করে তখন ইবরাহীম (আ) যে চৌহদ্দি নিয়ে এটা নির্মাণ করেছিলেন ইহা হতে কিছু কমিয়ে ফেলেছিল ? আয়েশা (রা) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! ইবরাহীম (আ) যেমন বানিয়ে ছিলেন তদ্রূপ আপনি বানিয়ে দিচ্ছেন না কেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কওমের কুফরির অবস্থা যদি অতি নিকট না হত তবে নিশ্চয়ই আমি তদ্রূপ বানিয়ে দিতাম। [১] আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, আয়েশা (রা) যদি এটা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হতে শুনে থাকেন, আমার ধারণা এই কারণেই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সময় হাতীম সংলগ্ন রুকনে শামী এবং রুকনে ইরাকী ইস্তিলাম করতেন না, ছুঁতেন না। কেননা ইবরাহীম (আ)-এর বুনিয়াদের উপর কা’বা শরীফের নির্মাণ হয়নি। (বুখারী ১৫৮৩, মুসলিম ১৩৩৩)
আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তুমি কি লক্ষ করনি, তোমার কওম কুরাইশগণ যখন কাবা শরীফ পুনঃনির্মাণ করে তখন ইবরাহীম (আ) যে চৌহদ্দি নিয়ে এটা নির্মাণ করেছিলেন ইহা হতে কিছু কমিয়ে ফেলেছিল ? আয়েশা (রা) বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! ইবরাহীম (আ) যেমন বানিয়ে ছিলেন তদ্রূপ আপনি বানিয়ে দিচ্ছেন না কেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার কওমের কুফরির অবস্থা যদি অতি নিকট না হত তবে নিশ্চয়ই আমি তদ্রূপ বানিয়ে দিতাম। [১] আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, আয়েশা (রা) যদি এটা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট হতে শুনে থাকেন, আমার ধারণা এই কারণেই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সময় হাতীম সংলগ্ন রুকনে শামী এবং রুকনে ইরাকী ইস্তিলাম করতেন না, ছুঁতেন না। কেননা ইবরাহীম (আ)-এর বুনিয়াদের উপর কা’বা শরীফের নির্মাণ হয়নি। (বুখারী ১৫৮৩, মুসলিম ১৩৩৩)
قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أن عبد الله بن محمد بن أبي بكر الصديق أخبر عبد الله بن عمر عن عائشة أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ألم تري أن قومك حين بنوا الكعبة اقتصروا عن قواعد إبراهيم قالت فقلت يا رسول الله أفلا تردها على قواعد إبراهيم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لولا حدثان قومك بالكفر لفعلت قال فقال عبد الله بن عمر لئن كانت عائشة سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أرى رسول الله صلى الله عليه وسلم ترك استلام الركنين اللذين يليان الحجر إلا أن البيت لم يتمم على قواعد إبراهيم.