মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় কোন্ ধরনের প্রাণী হত্যা করা জায়েয

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮৩

- حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خمس من الدواب ليس على المحرم في قتلهن جناح الغراب والحدأة والعقرب والفأرة والكلب العقور.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, পাঁচ প্রকার প্রাণী মুহরিম ব্যক্তি যদি হত্যা করে তবে তার কোন গুনাহ হবে না কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর (বা হিংস্র জন্তু, যথা বাঘ, চিতাবাঘ ইত্যাদি)। (বুখারী ১৮২৮, মুসলিম ১১৯৯)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, পাঁচ প্রকার প্রাণী মুহরিম ব্যক্তি যদি হত্যা করে তবে তার কোন গুনাহ হবে না কাক, চিল, বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর (বা হিংস্র জন্তু, যথা বাঘ, চিতাবাঘ ইত্যাদি)। (বুখারী ১৮২৮, মুসলিম ১১৯৯)

- حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خمس من الدواب ليس على المحرم في قتلهن جناح الغراب والحدأة والعقرب والفأرة والكلب العقور.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮৪

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خمس من الدواب من قتلهن وهو محرم فلا جناح عليه العقرب والفأرة والغراب والحدأة والكلب العقور.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, পাঁচ ধরনের প্রাণী ইহরাম অবস্থায় যদি কেউ হত্যা করে, তবে তার কোন গুনাহ্ হবে না, যথা বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, চিল ও কাক। (বুখারী ৩৩১৫, মুসলিম ১২০০)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, পাঁচ ধরনের প্রাণী ইহরাম অবস্থায় যদি কেউ হত্যা করে, তবে তার কোন গুনাহ্ হবে না, যথা বিচ্ছু, ইঁদুর, হিংস্র কুকুর, চিল ও কাক। (বুখারী ৩৩১৫, মুসলিম ১২০০)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خمس من الدواب من قتلهن وهو محرم فلا جناح عليه العقرب والفأرة والغراب والحدأة والكلب العقور.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮৫

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خمس فواسق يقتلن في الحرم الفأرة والعقرب والغراب والحدأة والكلب العقور.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পাঁচ প্রকার প্রাণী ফাসিক। এগুলো হারাম শরীফের ভিতর ও বাহিরে যেকোন স্থানে পাওয়া গেলে মেরে ফেলা উচিত; যথা ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক, চিল ও হিংস্র কুকুর। (সহীহ, মুসলিম ১১৯৮)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, পাঁচ প্রকার প্রাণী ফাসিক। এগুলো হারাম শরীফের ভিতর ও বাহিরে যেকোন স্থানে পাওয়া গেলে মেরে ফেলা উচিত; যথা ইঁদুর, বিচ্ছু, কাক, চিল ও হিংস্র কুকুর। (সহীহ, মুসলিম ১১৯৮)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال خمس فواسق يقتلن في الحرم الفأرة والعقرب والغراب والحدأة والكلب العقور.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮৬

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن عمر بن الخطاب أمر بقتل الحيات في الحرم ১৩قال مالك في الكلب العقور الذي أمر بقتله في الحرم إن كل ما عقر الناس وعدا عليهم وأخافهم مثل الأسد والنمر والفهد والذئب فهو الكلب العقور وأما ما كان من السباع لا يعدو مثل الضبع والثعلب والهر وما أشبههن من السباع فلا يقتلهن المحرم فإن قتله فداه ১৩وأما ما ضر من الطير فإن المحرم لا يقتله إلا ما سمى النبي صلى الله عليه وسلم الغراب والحدأة وإن قتل المحرم شيئا من الطير سواهما فداه.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হারাম শরীফে সাপ মারার হুকুম দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, হিংস্র কুকুর বলতে যাকে হারাম শরীফে হত্যার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তা এই ধরনের পশুকে বুঝায় যা মানুষকে কামড়ায় বা হামলা করে বা ভয় প্রদর্শন করে, যেমন সিংহ, বাঘ, চিতাবাঘ ইত্যাদি। কিন্তু যে সমস্ত পশু হিংস্র বটে, তবে হামলা করে না, যেমন হায়েনা, শিয়াল, বিড়াল ইত্যাদি পশু- মুহরিম ব্যক্তির এগুলো মারা উচিত নয়। মারলে তার উপর ফিদইয়া দেওয়া ওয়াজিব। আর যে সমস্ত পাখির উল্লেখ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) করেছেন (যেমন কাক ও চিল), এগুলো ব্যতীত অন্যান্য ক্ষতিকারক পাখিও মুহরিম ব্যক্তির জন্য হত্যা করলে তাকে ফিদইয়া দিতে হবে।

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হারাম শরীফে সাপ মারার হুকুম দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, হিংস্র কুকুর বলতে যাকে হারাম শরীফে হত্যার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তা এই ধরনের পশুকে বুঝায় যা মানুষকে কামড়ায় বা হামলা করে বা ভয় প্রদর্শন করে, যেমন সিংহ, বাঘ, চিতাবাঘ ইত্যাদি। কিন্তু যে সমস্ত পশু হিংস্র বটে, তবে হামলা করে না, যেমন হায়েনা, শিয়াল, বিড়াল ইত্যাদি পশু- মুহরিম ব্যক্তির এগুলো মারা উচিত নয়। মারলে তার উপর ফিদইয়া দেওয়া ওয়াজিব। আর যে সমস্ত পাখির উল্লেখ নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) করেছেন (যেমন কাক ও চিল), এগুলো ব্যতীত অন্যান্য ক্ষতিকারক পাখিও মুহরিম ব্যক্তির জন্য হত্যা করলে তাকে ফিদইয়া দিতে হবে।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن عمر بن الخطاب أمر بقتل الحيات في الحرم ১৩قال مالك في الكلب العقور الذي أمر بقتله في الحرم إن كل ما عقر الناس وعدا عليهم وأخافهم مثل الأسد والنمر والفهد والذئب فهو الكلب العقور وأما ما كان من السباع لا يعدو مثل الضبع والثعلب والهر وما أشبههن من السباع فلا يقتلهن المحرم فإن قتله فداه ১৩وأما ما ضر من الطير فإن المحرم لا يقتله إلا ما سمى النبي صلى الله عليه وسلم الغراب والحدأة وإن قتل المحرم شيئا من الطير سواهما فداه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় কি ধরনের কাজ করা জায়েয

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮৮

و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أنها قالت سمعت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تسأل عن المحرم أيحك جسده فقالت نعم فليحككه وليشدد ولو ربطت يداي ولم أجد إلا رجلي لحككت.

আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) থেকে বর্নিতঃ

আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) তাঁর মাতা হতে বর্ণনা করেন নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পত্নী আয়েশা (রা)- কে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ইহরাম অবস্থায় শরীর চুলকাতে পারবে কি ? তিনি (আয়েশা রা.) বলেন, হ্যাঁ, চুলকাতে পারবে, ভালভাবে চুলকাতে পারবে। কেউ আমার হাত বেঁধে রাখলে তবে পা দ্বারা যদি সম্ভব হয়, প্রয়োজন হলে তা দিয়েই আমি চুলকাব। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) থেকে বর্নিতঃ

আলকামা ইবনু আবি আলকামা (র) তাঁর মাতা হতে বর্ণনা করেন নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পত্নী আয়েশা (রা)- কে বলতে শুনেছি, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ইহরাম অবস্থায় শরীর চুলকাতে পারবে কি ? তিনি (আয়েশা রা.) বলেন, হ্যাঁ, চুলকাতে পারবে, ভালভাবে চুলকাতে পারবে। কেউ আমার হাত বেঁধে রাখলে তবে পা দ্বারা যদি সম্ভব হয়, প্রয়োজন হলে তা দিয়েই আমি চুলকাব। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه أنها قالت سمعت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تسأل عن المحرم أيحك جسده فقالت نعم فليحككه وليشدد ولو ربطت يداي ولم أجد إلا رجلي لحككت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮৯

و حدثني عن مالك عن أيوب بن موسى أن عبد الله بن عمر نظر في المرآة لشكو كان بعينيه وهو محرم.

আইয়ূব ইবনু মূসা (র) থেকে বর্নিতঃ

চোখে অসুখ হওয়ায় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায়ও আয়না দেখেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আইয়ূব ইবনু মূসা (র) থেকে বর্নিতঃ

চোখে অসুখ হওয়ায় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায়ও আয়না দেখেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أيوب بن موسى أن عبد الله بن عمر نظر في المرآة لشكو كان بعينيه وهو محرم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮৭

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن ربيعة بن أبي عبد الله بن الهدير أنه رأى عمر بن الخطاب يقرد بعيرا له في طين بالسقيا وهو محرم قال مالك وأنا أكرهه.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

রবী’আ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হুদায়র (র) উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে সুক্ইয়া নামক জনপদে স্বীয় উটের উকুন বের করে কাদায় ফেলতে দেখেছেন, অথচ তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমি একে অপছন্দ করি।

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

রবী’আ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হুদায়র (র) উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে সুক্ইয়া নামক জনপদে স্বীয় উটের উকুন বের করে কাদায় ফেলতে দেখেছেন, অথচ তিনি তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমি একে অপছন্দ করি।

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن ربيعة بن أبي عبد الله بن الهدير أنه رأى عمر بن الخطاب يقرد بعيرا له في طين بالسقيا وهو محرم قال مالك وأنا أكرهه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯০

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره أن ينزع المحرم حلمة أو قرادا عن بعيره قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) মুহরিম ব্যক্তির জন্য উটের উকুন ইত্যাদি বের করা মাকরূহ বলে মনে করতেন। মালিক (র) বলেন, আমার নিকট এই মতটিই অধিক প্রিয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) মুহরিম ব্যক্তির জন্য উটের উকুন ইত্যাদি বের করা মাকরূহ বলে মনে করতেন। মালিক (র) বলেন, আমার নিকট এই মতটিই অধিক প্রিয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره أن ينزع المحرم حلمة أو قرادا عن بعيره قال مالك وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯১

- و حدثني عن مالك عن محمد بن عبد الله بن أبي مريم أنه سأل سعيد بن المسيب عن ظفر له انكسر وهو محرم فقال سعيد اقطعه ১৩১৪-و سئل مالك عن الرجل يشتكي أذنه أيقطر في أذنه من البان الذي لم يطيب وهو محرم فقال لا أرى بذلك بأسا ولو جعله في فيه لم أر بذلك بأسا ১৩১৫-قال مالك ولا بأس أن يبط المحرم خراجه ويفقأ دمله ويقطع عرقه إذا احتاج إلى ذلك.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ মরইয়াম (র) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন, ইহরামকালে আমার একটা নখ ভেঙে গিয়েছে, এখন কি করব ? সাঈদ (র) বললেন, এটা কেটে ফেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মুহরিম ব্যক্তির কানে ব্যথা হলে সে কানে গন্ধবিহীন তেল ব্যবহার করতে পারবে কি ? তিনি বললেন, এতে কোন দোষ নেই। যদি মুখেও ঢালে, তবুও আমি দোষ মনে করি না। মালিক (র) বলেন, মুহরিম ব্যক্তি যদি ফোঁড়া বা ফোস্কা ফাটিয়ে দেয় বা প্রয়োজনে শিঙ্গা লাগায় তবে কোন গুনাহ হবে না।

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ মরইয়াম (র) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন, ইহরামকালে আমার একটা নখ ভেঙে গিয়েছে, এখন কি করব ? সাঈদ (র) বললেন, এটা কেটে ফেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মুহরিম ব্যক্তির কানে ব্যথা হলে সে কানে গন্ধবিহীন তেল ব্যবহার করতে পারবে কি ? তিনি বললেন, এতে কোন দোষ নেই। যদি মুখেও ঢালে, তবুও আমি দোষ মনে করি না। মালিক (র) বলেন, মুহরিম ব্যক্তি যদি ফোঁড়া বা ফোস্কা ফাটিয়ে দেয় বা প্রয়োজনে শিঙ্গা লাগায় তবে কোন গুনাহ হবে না।

- و حدثني عن مالك عن محمد بن عبد الله بن أبي مريم أنه سأل سعيد بن المسيب عن ظفر له انكسر وهو محرم فقال سعيد اقطعه ১৩১৪-و سئل مالك عن الرجل يشتكي أذنه أيقطر في أذنه من البان الذي لم يطيب وهو محرم فقال لا أرى بذلك بأسا ولو جعله في فيه لم أر بذلك بأسا ১৩১৫-قال مالك ولا بأس أن يبط المحرم خراجه ويفقأ دمله ويقطع عرقه إذا احتاج إلى ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জে-বদল

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯২

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن عباس قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر فقالت يا رسول الله إن فريضة الله في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه -قال نعم وذلك في حجة الوداع.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

ফযল ইবনু আব্বাস (রা) রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে তাঁর পেছনে আরোহী ছিলেন। এমন সময় খাস’আম কবীলার এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট মাসআলা জানতে এলেন। ফযল তার দিকে তাকাতে লাগলেন আর সে মহিলাটিও ফযলকে দেখতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফযলের চেহারা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতার উপর হজ্জ এমন সময় ফরয হল যে, বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি এত দুর্বল যে, উটের পিঠে বসতে সক্ষম নন। তাঁর পক্ষ হতে হজ্জ করা আমার জন্য বৈধ হবে কি ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, করে নাও। এই ঘটনাটি ছিল বিদায় হজ্জের। (বুখারী ১৫১৩, মুসলিম ১৩৩৪)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) থেকে বর্নিতঃ

ফযল ইবনু আব্বাস (রা) রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে তাঁর পেছনে আরোহী ছিলেন। এমন সময় খাস’আম কবীলার এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট মাসআলা জানতে এলেন। ফযল তার দিকে তাকাতে লাগলেন আর সে মহিলাটিও ফযলকে দেখতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফযলের চেহারা অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতার উপর হজ্জ এমন সময় ফরয হল যে, বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি এত দুর্বল যে, উটের পিঠে বসতে সক্ষম নন। তাঁর পক্ষ হতে হজ্জ করা আমার জন্য বৈধ হবে কি ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, করে নাও। এই ঘটনাটি ছিল বিদায় হজ্জের। (বুখারী ১৫১৩, মুসলিম ১৩৩৪)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن عباس قال كان الفضل بن عباس رديف رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة من خثعم تستفتيه فجعل الفضل ينظر إليها وتنظر إليه فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يصرف وجه الفضل إلى الشق الآخر فقالت يا رسول الله إن فريضة الله في الحج أدركت أبي شيخا كبيرا لا يستطيع أن يثبت على الراحلة أفأحج عنه -قال نعم وذلك في حجة الوداع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শত্রু দ্বারা পথে বাধাপ্রাপ্ত হলে হজ্জ সম্পাদনে ইচ্ছুক ব্যক্তি কি করবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৩

حدثني يحيى عن مالك قال من حبس بعدو فحال بينه وبين البيت فإنه يحل من كل شيء وينحر هديه ويحلق رأسه حيث حبس وليس عليه قضاء.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

শত্রু যদি কারো যাত্রাপথে বাধার সৃষ্টি করে এবং বায়তুল্লাহ পর্যন্ত সে যদি পৌঁছাতে না পারে তবে যে স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হবে সে স্থানেই সে ইহরাম খুলে ফেলবে ও কুরবানী দিবে এবং মাথা কামাবে। তাকে আর দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করতে হবে না। ৯৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَلَّ هُوَ وَأَصْحَابُهُ بِالْحُدَيْبِيَةِ فَنَحَرُوا الْهَدْيَ وَحَلَقُوا رُءُوسَهُمْ وَحَلُّوا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ قَبْلَ أَنْ يَطُوفُوا بِالْبَيْتِ وَقَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَيْهِ الْهَدْيُ ثُمَّ لَمْ يُعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِهِ وَلَا مِمَّنْ كَانَ مَعَهُ أَنْ يَقْضُوا شَيْئًا وَلَا يَعُودُوا لِشَيْءٍ. মালিক (র) বলেন, তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মক্কার কাফিরগণ হুদায়বিয়ার ময়দানে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে মক্কায় যেতে বাধা দিল। তখন তাঁরা সেখানেই ইহরাম খুলে ফেলেছিলেন, হাদয়ী কুরবানী দিয়েছিলেন এবং মাথা কামায়ে ছিলেন। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ এবং কুরবানীর পশু মক্কায় পৌঁছার পূর্বেই তাঁরা হালাল হয়ে গিয়েছিলেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন সঙ্গী বা সাহাবীকে দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করার বা পুনরায় করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে আমাদের জানা নাই। [১] (হাদীসটি মুরসাল, হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে রয়েছে)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

শত্রু যদি কারো যাত্রাপথে বাধার সৃষ্টি করে এবং বায়তুল্লাহ পর্যন্ত সে যদি পৌঁছাতে না পারে তবে যে স্থানে বাধাপ্রাপ্ত হবে সে স্থানেই সে ইহরাম খুলে ফেলবে ও কুরবানী দিবে এবং মাথা কামাবে। তাকে আর দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করতে হবে না। ৯৫و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَلَّ هُوَ وَأَصْحَابُهُ بِالْحُدَيْبِيَةِ فَنَحَرُوا الْهَدْيَ وَحَلَقُوا رُءُوسَهُمْ وَحَلُّوا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ قَبْلَ أَنْ يَطُوفُوا بِالْبَيْتِ وَقَبْلَ أَنْ يَصِلَ إِلَيْهِ الْهَدْيُ ثُمَّ لَمْ يُعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِهِ وَلَا مِمَّنْ كَانَ مَعَهُ أَنْ يَقْضُوا شَيْئًا وَلَا يَعُودُوا لِشَيْءٍ. মালিক (র) বলেন, তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, মক্কার কাফিরগণ হুদায়বিয়ার ময়দানে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীগণকে মক্কায় যেতে বাধা দিল। তখন তাঁরা সেখানেই ইহরাম খুলে ফেলেছিলেন, হাদয়ী কুরবানী দিয়েছিলেন এবং মাথা কামায়ে ছিলেন। বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ এবং কুরবানীর পশু মক্কায় পৌঁছার পূর্বেই তাঁরা হালাল হয়ে গিয়েছিলেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন সঙ্গী বা সাহাবীকে দ্বিতীয়বার এই হজ্জ কাযা করার বা পুনরায় করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে আমাদের জানা নাই। [১] (হাদীসটি মুরসাল, হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন, তবে এই ঘটনাটি বুখারী ও মুসলিমে রয়েছে)

حدثني يحيى عن مالك قال من حبس بعدو فحال بينه وبين البيت فإنه يحل من كل شيء وينحر هديه ويحلق رأسه حيث حبس وليس عليه قضاء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৯৪

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل بعمرة عام الحديبية ثم إن عبد الله نظر في أمره فقال ما أمرهما إلا واحد ثم التفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت الحج مع العمرة ثم نفذ حتى جاء البيت فطاف طوافا واحدا ورأى ذلك مجزيا عنه وأهدى.১৩২২-قال مالك فهذا الأمر عندنا فيمن أحصر بعدو كما أحصر النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأما من أحصر بغير عدو فإنه لا يحل دون البيت.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

বিশৃংখলার বৎসর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) উমরা করার নিয়তে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় বলেছিলেন বায়তুল্লায় যাওয়ার পথে যদি আমি বাধাপ্রাপ্ত হই, তবে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে থাকাকালীন এই অবস্থায় আমরা যা করেছিলাম আজও তাই করব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুদায়বিয়ার বৎসর শুধু উমরার নিয়তেই মক্কা যাত্রা করেছিলেন এই কথা খেয়াল করে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও শুধু উমরার ইহরাম বাঁধলেন। পরে চিন্তা করে দেখলেন, বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার বেলায় হজ্জ ও উমরার হুকুম একই ধরনের। তোমাদেরকে সাক্ষী বানাচ্ছি যে, আমি এখন হজ্জ ও উমরা উভয়ই আমার উপর ওয়াজিব করে নিলাম। এই বলে তিনি যাত্রা শুরু করলেন এবং বায়তুল্লাহ্ এসে তাওয়াফ সমাধা করলেন, আর এইটুকুই নিজের জন্য যথেষ্ট মনে করলেন। কুরবানীর যে পশু ছিল তাও নাহর করলেন। [১] (বুখারী ১৬৩৯, মুসলিম ১২৩০) মালিক (র) বলেন, আমার মতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ যা করেছিলেন হজ্জের পথে বাধাপ্রাপ্ত হলে তাই করা উচিত। তবে শত্রুর দ্বারা নয়, অন্য কোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে বায়তুল্লাহ্ না যাওয়া পর্যন্ত আর সে হালাল হবে না।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

বিশৃংখলার বৎসর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) উমরা করার নিয়তে মক্কার উদ্দেশ্যে যাত্রা করার সময় বলেছিলেন বায়তুল্লায় যাওয়ার পথে যদি আমি বাধাপ্রাপ্ত হই, তবে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে থাকাকালীন এই অবস্থায় আমরা যা করেছিলাম আজও তাই করব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হুদায়বিয়ার বৎসর শুধু উমরার নিয়তেই মক্কা যাত্রা করেছিলেন এই কথা খেয়াল করে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও শুধু উমরার ইহরাম বাঁধলেন। পরে চিন্তা করে দেখলেন, বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার বেলায় হজ্জ ও উমরার হুকুম একই ধরনের। তোমাদেরকে সাক্ষী বানাচ্ছি যে, আমি এখন হজ্জ ও উমরা উভয়ই আমার উপর ওয়াজিব করে নিলাম। এই বলে তিনি যাত্রা শুরু করলেন এবং বায়তুল্লাহ্ এসে তাওয়াফ সমাধা করলেন, আর এইটুকুই নিজের জন্য যথেষ্ট মনে করলেন। কুরবানীর যে পশু ছিল তাও নাহর করলেন। [১] (বুখারী ১৬৩৯, মুসলিম ১২৩০) মালিক (র) বলেন, আমার মতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ যা করেছিলেন হজ্জের পথে বাধাপ্রাপ্ত হলে তাই করা উচিত। তবে শত্রুর দ্বারা নয়, অন্য কোন কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে বায়তুল্লাহ্ না যাওয়া পর্যন্ত আর সে হালাল হবে না।

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال حين خرج إلى مكة معتمرا في الفتنة إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأهل بعمرة من أجل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل بعمرة عام الحديبية ثم إن عبد الله نظر في أمره فقال ما أمرهما إلا واحد ثم التفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد أشهدكم أني قد أوجبت الحج مع العمرة ثم نفذ حتى جاء البيت فطاف طوافا واحدا ورأى ذلك مجزيا عنه وأهدى.১৩২২-قال مالك فهذا الأمر عندنا فيمن أحصر بعدو كما أحصر النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأما من أحصر بغير عدو فإنه لا يحل دون البيت.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00