মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন ধরনের শিকারকৃত বস্তু মুহরিম খেতে পারে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭২

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن الزبير بن العوام كان يتزود صفيف الظباء وهو محرم قال مالك والصفيف القديد.

উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

যুবায়র ইবনু আওয়াম (রা) ইহরাম অবস্থায় পাথেয় হিসেবে হরিণের ভুনা গোশত সঙ্গে নিতেন। মালিক (র) বলেন, সফীফ অর্থ হল ‘কাদীদ’ অর্থাৎ শুকনা গোশত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

যুবায়র ইবনু আওয়াম (রা) ইহরাম অবস্থায় পাথেয় হিসেবে হরিণের ভুনা গোশত সঙ্গে নিতেন। মালিক (র) বলেন, সফীফ অর্থ হল ‘কাদীদ’ অর্থাৎ শুকনা গোশত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن الزبير بن العوام كان يتزود صفيف الظباء وهو محرم قال مالك والصفيف القديد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭৩

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عطاء بن يسار أخبره عن أبي قتادة في الحمار الوحشي مثل حديث أبي النضر إلا أن في حديث زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال هل معكم من لحمه شيء.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

‘আতা ইবনু ইয়াসার (র) আবূ কাতাদা (রা)-র বন্য গাধা শিকার সম্পর্কে আবূন্ নাযরের হাদীসটির মতই বর্ণনা করেছেন। তবে যায়দ ইবনু আসলাম (র) বর্ণিত হাদীসে শিকার সংক্রান্ত ঘটনায় নিম্নোক্ত বাক্যটি রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বলেছেন, উহার কোন গোশত অবশিষ্ট আছে কি? (বুখারী ৫৪৯১, মুসলিম ১১৯৬)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

‘আতা ইবনু ইয়াসার (র) আবূ কাতাদা (রা)-র বন্য গাধা শিকার সম্পর্কে আবূন্ নাযরের হাদীসটির মতই বর্ণনা করেছেন। তবে যায়দ ইবনু আসলাম (র) বর্ণিত হাদীসে শিকার সংক্রান্ত ঘটনায় নিম্নোক্ত বাক্যটি রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বলেছেন, উহার কোন গোশত অবশিষ্ট আছে কি? (বুখারী ৫৪৯১, মুসলিম ১১৯৬)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم أن عطاء بن يسار أخبره عن أبي قتادة في الحمار الوحشي مثل حديث أبي النضر إلا أن في حديث زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال هل معكم من لحمه شيء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭১

- حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله التيمي عن نافع مولى أبي قتادة الأنصاري عن أبي قتادة أنه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا كانوا ببعض طريق مكة تخلف مع أصحاب له محرمين وهو غير محرم فرأى حمارا وحشيا فاستوى على فرسه فسأل أصحابه أن يناولوه سوطه فأبوا عليه فسألهم رمحه فأبوا فأخذه ثم شد على الحمار فقتله فأكل منه بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بعضهم فلما أدركوا رسول الله صلى الله عليه وسلم سألوه عن ذلك فقال إنما هي طعمة أطعمكموها الله.

উমার ইবনু আবদুল্লাহ্ মাওলা আবূন নাযর (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু আবদুল্লাহ্ মাওলা আবূন নাযর (র) নাফি’ (র) হতে বর্ণনা করেন তিনি ছিলেন আবূ কাতাদার মাওলা। নাফি’ (র) বলেছেন, আবূ কাতাদা আনসারী (রা) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এক সফরে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ছিলেন। কতিপয় মুহরিম সঙ্গীসহ তিনি পেছনে থেকে যান। তিনি নিজে অবশ্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় ছিলেন না। হঠাৎ একটা বন্য গাধা দৃষ্টিগোচর হল, তৎক্ষণাৎ একটি ঘোড়ায় আরোহণ করে তিনি উহা শিকার করতে ছুটলেন। সঙ্গীদের নিকট চাবুক চাইলেন; কিন্তু কেউই দিলেন না, বর্শাখানা চাইলে তাও কেউ দিলেন না। শেষে তিনি নিজে ঘোড়া হতে নেমে এসে বর্শা সংগ্রহ করলেন এবং উক্ত গাধাটিকে শিকার করলেন। সঙ্গিগণের কেউ কেউ এর গোশত খেলেন, আর কেউ কেউ খেতে অস্বীকৃতি জানালেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যখন সাক্ষাৎ হল তখন উক্ত ঘটনা তাঁকে জানালে তিনি বললেন, উহা এমন এক খাদ্য ছিল যা আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে খাওয়াইছেন। [১] (বুখারী ৫৪৯১, মুসলিম ১১৯৬)

উমার ইবনু আবদুল্লাহ্ মাওলা আবূন নাযর (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু আবদুল্লাহ্ মাওলা আবূন নাযর (র) নাফি’ (র) হতে বর্ণনা করেন তিনি ছিলেন আবূ কাতাদার মাওলা। নাফি’ (র) বলেছেন, আবূ কাতাদা আনসারী (রা) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এক সফরে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ছিলেন। কতিপয় মুহরিম সঙ্গীসহ তিনি পেছনে থেকে যান। তিনি নিজে অবশ্য ইহরাম বাঁধা অবস্থায় ছিলেন না। হঠাৎ একটা বন্য গাধা দৃষ্টিগোচর হল, তৎক্ষণাৎ একটি ঘোড়ায় আরোহণ করে তিনি উহা শিকার করতে ছুটলেন। সঙ্গীদের নিকট চাবুক চাইলেন; কিন্তু কেউই দিলেন না, বর্শাখানা চাইলে তাও কেউ দিলেন না। শেষে তিনি নিজে ঘোড়া হতে নেমে এসে বর্শা সংগ্রহ করলেন এবং উক্ত গাধাটিকে শিকার করলেন। সঙ্গিগণের কেউ কেউ এর গোশত খেলেন, আর কেউ কেউ খেতে অস্বীকৃতি জানালেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে যখন সাক্ষাৎ হল তখন উক্ত ঘটনা তাঁকে জানালে তিনি বললেন, উহা এমন এক খাদ্য ছিল যা আল্লাহ্ তা’আলা তোমাদেরকে খাওয়াইছেন। [১] (বুখারী ৫৪৯১, মুসলিম ১১৯৬)

- حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله التيمي عن نافع مولى أبي قتادة الأنصاري عن أبي قتادة أنه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا كانوا ببعض طريق مكة تخلف مع أصحاب له محرمين وهو غير محرم فرأى حمارا وحشيا فاستوى على فرسه فسأل أصحابه أن يناولوه سوطه فأبوا عليه فسألهم رمحه فأبوا فأخذه ثم شد على الحمار فقتله فأكل منه بعض أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبى بعضهم فلما أدركوا رسول الله صلى الله عليه وسلم سألوه عن ذلك فقال إنما هي طعمة أطعمكموها الله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يحدث عن أبي هريرة أنه أقبل من البحرين حتى إذا كان بالربذة وجد ركبا من أهل العراق محرمين فسألوه عن لحم صيد وجدوه عند أهل الربذة فأمرهم بأكله قال أبو هريرة ثم إني شككت فيما أمرتهم به فلما قدمت المدينة ذكرت ذلك لعمر بن الخطاب فقال عمر ماذا أمرتهم به فقال أمرتهم بأكله فقال عمر بن الخطاب لو أمرتهم بغير ذلك لفعلت بك يتواعده.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বাহরাইন হতে আসতেছিলেন। রবাজা নামক স্থানে ইহরাম বাঁধা অবস্থায় কতিপয় ইরাকী আরোহীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হল। তারা তাঁকে শিকারের গোশত খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। উক্ত শিকার রবাজাবাসীদের ছিল। আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, পরে এই ফতওয়া সম্পর্কে আমার মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। মদীনায় এসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে তা জানালাম। তিনি বললেন, তুমি তাদেরকে এ সম্পর্কে কি বলেছিলে ? আমি বললাম তাদেরকে উহা খেতে পারে বলে মত দিয়েছিলাম। তখন তিনি বললেন, এট না বলে অন্য কিছু যদি বলতে তবে তোমাকে আমি শায়েস্তা করতাম অর্থাৎ তিনি তাকে ভয় দেখালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বাহরাইন হতে আসতেছিলেন। রবাজা নামক স্থানে ইহরাম বাঁধা অবস্থায় কতিপয় ইরাকী আরোহীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হল। তারা তাঁকে শিকারের গোশত খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। উক্ত শিকার রবাজাবাসীদের ছিল। আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, পরে এই ফতওয়া সম্পর্কে আমার মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। মদীনায় এসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে তা জানালাম। তিনি বললেন, তুমি তাদেরকে এ সম্পর্কে কি বলেছিলে ? আমি বললাম তাদেরকে উহা খেতে পারে বলে মত দিয়েছিলাম। তখন তিনি বললেন, এট না বলে অন্য কিছু যদি বলতে তবে তোমাকে আমি শায়েস্তা করতাম অর্থাৎ তিনি তাকে ভয় দেখালেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يحدث عن أبي هريرة أنه أقبل من البحرين حتى إذا كان بالربذة وجد ركبا من أهل العراق محرمين فسألوه عن لحم صيد وجدوه عند أهل الربذة فأمرهم بأكله قال أبو هريرة ثم إني شككت فيما أمرتهم به فلما قدمت المدينة ذكرت ذلك لعمر بن الخطاب فقال عمر ماذا أمرتهم به فقال أمرتهم بأكله فقال عمر بن الخطاب لو أمرتهم بغير ذلك لفعلت بك يتواعده.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد الأنصاري أنه قال أخبرني محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن عيسى بن طلحة بن عبيد الله عن عمير بن سلمة الضمري عن البهزي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج يريد مكة وهو محرم حتى إذا كان بالروحاء إذا حمار وحشي عقير فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال دعوه فإنه يوشك أن يأتي صاحبه فجاء البهزي وهو صاحبه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله شأنكم بهذا الحمار فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا بكر فقسمه بين الرفاق ثم مضى حتى إذا كان بالأثابة بين الرويثة والعرج إذا ظبي حاقف في ظل فيه سهم فزعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر رجلا أن يقف عنده لا يريبه أحد من الناس حتى يجاوزه.

ঈসা ইবনু তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

ঈসা ইবনু তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ্ (র) উমায়র ইবনু সালমা জমরী (র) হতে বর্ণনা করেন উমায়র তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, বাহযী [১] (রা) বর্ণনা করেন ইহরাম বেঁধে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন, রওহা নামক স্থানে পৌঁছে একটি বন্য গাধা দেখতে পাওয়া গেল। এটা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আলোচনা করলে তিনি বললেন, ছেড়ে দাও. এখন হয়তো উহার মালিক আসবে। ততক্ষণে বাহযী এসে পৌঁছালেন, আর তিনিই উহার মালিক ছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটা আপনার, সকল ইখতিয়ার আপনারই। শেষে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নির্দেশে আবূ বক্‌র (রা) সঙ্গীদের মধ্যে উহার গোশত বণ্টন করে দেন। পরে সকলেই সম্মুখে অগ্রসর হলেন। রুয়াইসা ও ‘আরজ নামক স্থানদ্বয়ের মধ্যবর্তী উসায়া নামক স্থানে যখন পৌঁছালেন তখন একটি গাছের ছায়ায় একটি তীরবিদ্ধ হরিণ মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল। বর্ণনাকারী ধারণা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন এক ব্যক্তিকে হরিণটির নিকট দাঁড়িয়ে পাহারা দিতে নির্দেশ দিলেন, যাতে সকলেই তাকে অতিক্রম করে সম্মুখে চলে না যাওয়া পর্যন্ত কেউ উহার কোন কিছু করতে না পারে। (সহীহ, নাসাঈ ২৮১৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])

ঈসা ইবনু তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

ঈসা ইবনু তালহা ইবনু ওবায়দুল্লাহ্ (র) উমায়র ইবনু সালমা জমরী (র) হতে বর্ণনা করেন উমায়র তাঁকে খবর দিয়েছেন যে, বাহযী [১] (রা) বর্ণনা করেন ইহরাম বেঁধে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন, রওহা নামক স্থানে পৌঁছে একটি বন্য গাধা দেখতে পাওয়া গেল। এটা সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে আলোচনা করলে তিনি বললেন, ছেড়ে দাও. এখন হয়তো উহার মালিক আসবে। ততক্ষণে বাহযী এসে পৌঁছালেন, আর তিনিই উহার মালিক ছিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! এটা আপনার, সকল ইখতিয়ার আপনারই। শেষে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নির্দেশে আবূ বক্‌র (রা) সঙ্গীদের মধ্যে উহার গোশত বণ্টন করে দেন। পরে সকলেই সম্মুখে অগ্রসর হলেন। রুয়াইসা ও ‘আরজ নামক স্থানদ্বয়ের মধ্যবর্তী উসায়া নামক স্থানে যখন পৌঁছালেন তখন একটি গাছের ছায়ায় একটি তীরবিদ্ধ হরিণ মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল। বর্ণনাকারী ধারণা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন এক ব্যক্তিকে হরিণটির নিকট দাঁড়িয়ে পাহারা দিতে নির্দেশ দিলেন, যাতে সকলেই তাকে অতিক্রম করে সম্মুখে চলে না যাওয়া পর্যন্ত কেউ উহার কোন কিছু করতে না পারে। (সহীহ, নাসাঈ ২৮১৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد الأنصاري أنه قال أخبرني محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن عيسى بن طلحة بن عبيد الله عن عمير بن سلمة الضمري عن البهزي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج يريد مكة وهو محرم حتى إذا كان بالروحاء إذا حمار وحشي عقير فذكر ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال دعوه فإنه يوشك أن يأتي صاحبه فجاء البهزي وهو صاحبه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله شأنكم بهذا الحمار فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا بكر فقسمه بين الرفاق ثم مضى حتى إذا كان بالأثابة بين الرويثة والعرج إذا ظبي حاقف في ظل فيه سهم فزعم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر رجلا أن يقف عنده لا يريبه أحد من الناس حتى يجاوزه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭৬

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أنه سمع أبا هريرة يحدث عبد الله بن عمر أنه مر به قوم محرمون بالربذة فاستفتوه في لحم صيد وجدوا ناسا أحلة يأكلونه فأفتاهم بأكله قال ثم قدمت المدينة على عمر بن الخطاب فسألته عن ذلك فقال بم أفتيتهم قال فقلت أفتيتهم بأكله قال فقال عمر لو أفتيتهم بغير ذلك لأوجعتك.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) আবূ হুরায়রা (রা)-কে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। আবূ হুরায়রা (রা) বলতেছিলেন, যে রবাজা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় কতিপয় লোকের সাথে তাঁর সাক্ষাত হয়। ইহরামবিহীন লোকের শিকারকৃত পশু যা তারা খাচ্ছে সে পশুর গোশত তারা খেতে পারবে কিনা এই সম্পর্কে তাঁর ফতওয়া জিজ্ঞেস করা হল। তিনি তাদেরকে তা খেতে পারে বলে ফতওয়া দেন। তিনি বলেন, পরে মদীনায় এসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তুমি কি ফতওয়া দিয়েছিলে ? আমি বললাম ঐ গোশত খেতে পারে বলে ফতওয়া দিয়েছিলাম। তিনি বললেন, এই ফতওয়া না দিয়ে যদি অন্য কোন ফতওয়া তুমি দিতে তবে তোমাকে আমি শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) আবূ হুরায়রা (রা)-কে আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। আবূ হুরায়রা (রা) বলতেছিলেন, যে রবাজা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় কতিপয় লোকের সাথে তাঁর সাক্ষাত হয়। ইহরামবিহীন লোকের শিকারকৃত পশু যা তারা খাচ্ছে সে পশুর গোশত তারা খেতে পারবে কিনা এই সম্পর্কে তাঁর ফতওয়া জিজ্ঞেস করা হল। তিনি তাদেরকে তা খেতে পারে বলে ফতওয়া দেন। তিনি বলেন, পরে মদীনায় এসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তুমি কি ফতওয়া দিয়েছিলে ? আমি বললাম ঐ গোশত খেতে পারে বলে ফতওয়া দিয়েছিলাম। তিনি বললেন, এই ফতওয়া না দিয়ে যদি অন্য কোন ফতওয়া তুমি দিতে তবে তোমাকে আমি শাস্তি দিতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله أنه سمع أبا هريرة يحدث عبد الله بن عمر أنه مر به قوم محرمون بالربذة فاستفتوه في لحم صيد وجدوا ناسا أحلة يأكلونه فأفتاهم بأكله قال ثم قدمت المدينة على عمر بن الخطاب فسألته عن ذلك فقال بم أفتيتهم قال فقلت أفتيتهم بأكله قال فقال عمر لو أفتيتهم بغير ذلك لأوجعتك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭৭

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن كعب الأحبار أقبل من الشام في ركب حتى إذا كانوا ببعض الطريق وجدوا لحم صيد فأفتاهم كعب بأكله قال فلما قدموا على عمر بن الخطاب بالمدينة ذكروا ذلك له فقال من أفتاكم بهذا قالوا كعب قال فإني قد أمرته عليكم حتى ترجعوا ثم لما كانوا ببعض طريق مكة مرت بهم رجل من جراد فأفتاهم كعب أن يأخذوه فيأكلوه فلما قدموا على عمر بن الخطاب ذكروا له ذلك فقال ما حملك على أن تفتيهم بهذا قال هو من صيد البحر قال وما يدريك قال يا أمير المؤمنين والذي نفسي بيده إن هي إلا نثرة حوت ينثره في كل عام مرتين ১২৮৫-و سئل مالك عما يوجد من لحوم الصيد على الطريق هل يبتاعه المحرم فقال أما ما كان من ذلك يعترض به الحاج ومن أجلهم صيد فإني أكرهه وأنهى عنه فأما أن يكون عند رجل لم يرد به المحرمين فوجده محرم فابتاعه فلا بأس به. ১২৮৬-قال مالك فيمن أحرم وعنده صيد قد صاده أو ابتاعه فليس عليه أن يرسله ولا بأس أن يجعله عند أهله ১২৮৭- قال مالك في صيد الحيتان في البحر والأنهار والبرك وما أشبه ذلك إنه حلال للمحرم أن يصطاده.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

কা’ব আহবার (র) যখন সিরিয়া হতে আসেন কতিপয় ইহরাম বাঁধা আরোহীও তখন তাঁর সঙ্গী হয়। পথে তাঁরা কিছু শিকারের গোশত পেলেন। কা’ব (র) তাদেরকে তা খেতে অনুমতি দিলেন। ঐ আরোহী দল মদীনায় এসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে উক্ত ঘটনা জানালেন। তিনি বললেন, তোমাদেরকে উক্ত গোশত খেতে কে ফতওয়া দিয়েছিলেন ? তাঁরা বললেন, কা’ব (র)। তিনি বললেন, ফিরে না আসা পর্যন্ত কা’বকে আমি তোমাদের আমীর বানিয়ে দিলাম। পরে মক্কার পথে তাঁরা অনেক পঙ্গপাল দেখতে পেলেন। কা’ব তাদেরকে তা খেতে বলে দিলেন। তাঁরা ফিরে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে তা জানালেন। তিনি কা’বকে বললেন, কি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তুমি এই ধরনের ফতওয়া দিলে ? কা’ব বললেন, এ জাতীয় পঙ্গপাল (টিড্ডী) সামুদ্র্রিক প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত (আর মুহরিমের জন্য সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া জায়েয)। উমার (রা) বললেন, এটা কেমন করে কা’ব বললেন, আমীরুল মু’মিনীন ! সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, এ জাতীয় পঙ্গপাল এক প্রকার সামুদ্রিক মাছের হাঁচি হতে জন্ম হয়ে থাকে। উহা বৎসরে মাত্র দু’বারই হাঁচি দিয়া থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল পথে শিকারের গোশত পাওয়া গেলে মুহরিম ব্যক্তি তা ক্রয় করতে পারে কি? তিনি বললেন, হজ্জযাত্রীদের নিয়তে শিকার করে থাকলে তা আমার কাছে মাকরূহ বলে মনে হয়, তবে সাধারণভাবে বিশেষ কোন নিয়ত ব্যতিরেকে শিকার করা হয়ে থাকলে উহা ক্রয় করায় দোষের কিছুই নেই। মালিক (র) বলেন, ইহরাম বাঁধার সময় কোন ব্যক্তির নিকট তৎকর্তৃক শিকারকৃত কোন পশু ছিল অথবা শিকারকৃত কোন পশু ক্রয় করল। তবে তা ছেড়ে দেয়া তার জন্য জরুরী নয়, বরং বাড়িতে তা রেখে যাবে। মালিক (র) বলেন, সমুদ্র, নদী-নালা এবং পুকুর ইত্যাদির মাছ মুহরিমগণ শিকার করতে পারবে।

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

কা’ব আহবার (র) যখন সিরিয়া হতে আসেন কতিপয় ইহরাম বাঁধা আরোহীও তখন তাঁর সঙ্গী হয়। পথে তাঁরা কিছু শিকারের গোশত পেলেন। কা’ব (র) তাদেরকে তা খেতে অনুমতি দিলেন। ঐ আরোহী দল মদীনায় এসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে উক্ত ঘটনা জানালেন। তিনি বললেন, তোমাদেরকে উক্ত গোশত খেতে কে ফতওয়া দিয়েছিলেন ? তাঁরা বললেন, কা’ব (র)। তিনি বললেন, ফিরে না আসা পর্যন্ত কা’বকে আমি তোমাদের আমীর বানিয়ে দিলাম। পরে মক্কার পথে তাঁরা অনেক পঙ্গপাল দেখতে পেলেন। কা’ব তাদেরকে তা খেতে বলে দিলেন। তাঁরা ফিরে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে তা জানালেন। তিনি কা’বকে বললেন, কি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তুমি এই ধরনের ফতওয়া দিলে ? কা’ব বললেন, এ জাতীয় পঙ্গপাল (টিড্ডী) সামুদ্র্রিক প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত (আর মুহরিমের জন্য সামুদ্রিক প্রাণী খাওয়া জায়েয)। উমার (রা) বললেন, এটা কেমন করে কা’ব বললেন, আমীরুল মু’মিনীন ! সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ, এ জাতীয় পঙ্গপাল এক প্রকার সামুদ্রিক মাছের হাঁচি হতে জন্ম হয়ে থাকে। উহা বৎসরে মাত্র দু’বারই হাঁচি দিয়া থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল পথে শিকারের গোশত পাওয়া গেলে মুহরিম ব্যক্তি তা ক্রয় করতে পারে কি? তিনি বললেন, হজ্জযাত্রীদের নিয়তে শিকার করে থাকলে তা আমার কাছে মাকরূহ বলে মনে হয়, তবে সাধারণভাবে বিশেষ কোন নিয়ত ব্যতিরেকে শিকার করা হয়ে থাকলে উহা ক্রয় করায় দোষের কিছুই নেই। মালিক (র) বলেন, ইহরাম বাঁধার সময় কোন ব্যক্তির নিকট তৎকর্তৃক শিকারকৃত কোন পশু ছিল অথবা শিকারকৃত কোন পশু ক্রয় করল। তবে তা ছেড়ে দেয়া তার জন্য জরুরী নয়, বরং বাড়িতে তা রেখে যাবে। মালিক (র) বলেন, সমুদ্র, নদী-নালা এবং পুকুর ইত্যাদির মাছ মুহরিমগণ শিকার করতে পারবে।

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن كعب الأحبار أقبل من الشام في ركب حتى إذا كانوا ببعض الطريق وجدوا لحم صيد فأفتاهم كعب بأكله قال فلما قدموا على عمر بن الخطاب بالمدينة ذكروا ذلك له فقال من أفتاكم بهذا قالوا كعب قال فإني قد أمرته عليكم حتى ترجعوا ثم لما كانوا ببعض طريق مكة مرت بهم رجل من جراد فأفتاهم كعب أن يأخذوه فيأكلوه فلما قدموا على عمر بن الخطاب ذكروا له ذلك فقال ما حملك على أن تفتيهم بهذا قال هو من صيد البحر قال وما يدريك قال يا أمير المؤمنين والذي نفسي بيده إن هي إلا نثرة حوت ينثره في كل عام مرتين ১২৮৫-و سئل مالك عما يوجد من لحوم الصيد على الطريق هل يبتاعه المحرم فقال أما ما كان من ذلك يعترض به الحاج ومن أجلهم صيد فإني أكرهه وأنهى عنه فأما أن يكون عند رجل لم يرد به المحرمين فوجده محرم فابتاعه فلا بأس به. ১২৮৬-قال مالك فيمن أحرم وعنده صيد قد صاده أو ابتاعه فليس عليه أن يرسله ولا بأس أن يجعله عند أهله ১২৮৭- قال مالك في صيد الحيتان في البحر والأنهار والبرك وما أشبه ذلك إنه حلال للمحرم أن يصطاده.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ধরনের শিকার মুহরিম খেতে পারে না

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭৮

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس عن الصعب بن جثامة الليثي أنه أهدى لرسول الله صلى الله عليه وسلم حمارا وحشيا وهو بالأبواء أو بودان فرده عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم ما في وجهي قال إنا لم نرده عليك إلا أنا حرم.

সা’ব ইবনু জাসসামা লায়সী (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবওয়া বা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করতেছিলেন। তখন তিনি (রাবী) একটা বন্য গাধা হাদিয়া হিসেবে তাঁর খেদমতে পেশ করেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা ফিরিয়ে দিলেন। সা’ব (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এতে আমার চেহারায় দুঃখের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেতে দেখে বললেন, আমরা মুহরিম, (ইহরাম) অবস্থায় আছি। কেবল এজন্য এটা ফিরিয়ে দিয়েছি। (বুখারী ১৮২৫, মুসলিম ১১৯৩)

সা’ব ইবনু জাসসামা লায়সী (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবওয়া বা ওয়াদ্দান নামক স্থানে অবস্থান করতেছিলেন। তখন তিনি (রাবী) একটা বন্য গাধা হাদিয়া হিসেবে তাঁর খেদমতে পেশ করেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা ফিরিয়ে দিলেন। সা’ব (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এতে আমার চেহারায় দুঃখের অভিব্যক্তি প্রকাশ পেতে দেখে বললেন, আমরা মুহরিম, (ইহরাম) অবস্থায় আছি। কেবল এজন্য এটা ফিরিয়ে দিয়েছি। (বুখারী ১৮২৫, মুসলিম ১১৯৩)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود عن عبد الله بن عباس عن الصعب بن جثامة الليثي أنه أهدى لرسول الله صلى الله عليه وسلم حمارا وحشيا وهو بالأبواء أو بودان فرده عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم ما في وجهي قال إنا لم نرده عليك إلا أنا حرم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭৯

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عبد الله بن عامر بن ربيعة قال رأيت عثمان بن عفان بالعرج وهو محرم في يوم صائف قد غطى وجهه بقطيفة أرجوان ثم أتي بلحم صيد فقال لأصحابه كلوا فقالوا أو لا تأكل أنت فقال إني لست كهيئتكم إنما صيد من أجلي.

আবদুল্লাহ্ ইবনু রবী’আ (র) থেকে বর্নিতঃ

গরমের সময় আরজ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরামের হালতে একটি লাল কম্বল দ্বারা মুখ ঢেকে বসে থাকতে দেখলাম। সে সময় শিকার করা জন্তুর কিছু গোশত তাঁর কাছে পেশ করা হয়। তিনি সঙ্গীদেরকে তা খেয়ে নিতে বললেন। সঙ্গীরা বললেন, আপনি নিজে খাচ্ছেন না ? উসমান (রা) বললেন, আমি তোমাদের মত নই, এটা আমার জন্য শিকার করা হয়েছে, সুতরাং আমি খেতে পারি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু রবী’আ (র) থেকে বর্নিতঃ

গরমের সময় আরজ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরামের হালতে একটি লাল কম্বল দ্বারা মুখ ঢেকে বসে থাকতে দেখলাম। সে সময় শিকার করা জন্তুর কিছু গোশত তাঁর কাছে পেশ করা হয়। তিনি সঙ্গীদেরকে তা খেয়ে নিতে বললেন। সঙ্গীরা বললেন, আপনি নিজে খাচ্ছেন না ? উসমান (রা) বললেন, আমি তোমাদের মত নই, এটা আমার জন্য শিকার করা হয়েছে, সুতরাং আমি খেতে পারি না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن عبد الله بن عامر بن ربيعة قال رأيت عثمان بن عفان بالعرج وهو محرم في يوم صائف قد غطى وجهه بقطيفة أرجوان ثم أتي بلحم صيد فقال لأصحابه كلوا فقالوا أو لا تأكل أنت فقال إني لست كهيئتكم إنما صيد من أجلي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮০

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت له يا ابن أختي إنما هي عشر ليال فإن تخلج في نفسك شيء فدعه تعني أكل لحم الصيد. ১২৯২-قال مالك في الرجل المحرم يصاد من أجله صيد فيصنع له ذلك الصيد فيأكل منه وهو يعلم أنه من أجله صيد فإن عليه جزاء ذلك الصيد كله ১২৯৩-و سئل مالك عن الرجل يضطر إلى أكل الميتة وهو محرم أيصيد الصيد فيأكله أم يأكل الميتة فقال بل يأكل الميتة وذلك أن الله تبارك وتعالى لم يرخص للمحرم في أكل الصيد ولا في أخذه في حال من الأحوال وقد أرخص في الميتة على حال الضرورة ১২৯৪-قال مالك وأما ما قتل المحرم أو ذبح من الصيد فلا يحل أكله لحلال ولا لمحرم لأنه ليس بذكي كان خطأ أو عمدا فأكله لا يحل وقد سمعت ذلك من غير واحد والذي يقتل الصيد ثم يأكله إنما عليه كفارة واحدة مثل من قتله ولم يأكل منه.

উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) তাঁকে বলেছেন, ভ্রাতুষ্পুত্র, ইহরামের মাত্র দশটা দিন বাকি। মনে যদি দ্বিধা-সন্দেহের সৃষ্টি হয়, তবে শিকারের গোশত খাওয়া এই কয়দিন একেবারেই ছেড়ে দাও। মালিক (র) বলেন, মুহরিম ব্যক্তির নিয়তে কোন প্রাণী শিকার করা হয়ে থাকলে, আর ঐ ব্যক্তি তা জানা থাকা সত্ত্বেও যদি উক্ত শিকার ভক্ষণ করে, তবে তাকে উহার পরিবর্তে বদলা আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল যদি খাদ্যাভাবের দরুন মুহরিম ব্যক্তির জন্য মৃত পশু খাওয়া জায়েয হয়, এমতাবস্থায় সে মৃত প্রাণী খাবে, না শিকারকৃত প্রাণী খাবে ? তিনি বললেন, সে মৃত প্রাণী খাবে। কারণ আল্লাহ্ তা’আলা কালামে পাকে উপায়হীন অবস্থায় মৃত প্রাণী খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন, পক্ষান্তরে মুহরিমের জন্য কোন অবস্থায়ই শিকারকৃত প্রাণী আহারের অনুমতি প্রদান করেননি। মালিক (র) বলেন, মুহরিম যদি কোন প্রাণী শিকার করে বা ঐ জাতীয় প্রাণী যবেহ করে, তবে তা খাওয়া মুহরিম বা হালাল (যিনি ইহরাম অবস্থায় নাই) কোন ব্যক্তির জন্যই জায়েয নয়। কেননা শরীয়তের দৃষ্টিতে তা যবেহ বলে গণ্য হয় না। মালিক (র) বলেন, শিকার সে নিজে আহার করুক বা শিকার করার পর নিজে আহার না করুক, উভয় অবস্থায়ই তাকে একই ধরনের কাফফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) তাঁকে বলেছেন, ভ্রাতুষ্পুত্র, ইহরামের মাত্র দশটা দিন বাকি। মনে যদি দ্বিধা-সন্দেহের সৃষ্টি হয়, তবে শিকারের গোশত খাওয়া এই কয়দিন একেবারেই ছেড়ে দাও। মালিক (র) বলেন, মুহরিম ব্যক্তির নিয়তে কোন প্রাণী শিকার করা হয়ে থাকলে, আর ঐ ব্যক্তি তা জানা থাকা সত্ত্বেও যদি উক্ত শিকার ভক্ষণ করে, তবে তাকে উহার পরিবর্তে বদলা আদায় করতে হবে। মালিক (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল যদি খাদ্যাভাবের দরুন মুহরিম ব্যক্তির জন্য মৃত পশু খাওয়া জায়েয হয়, এমতাবস্থায় সে মৃত প্রাণী খাবে, না শিকারকৃত প্রাণী খাবে ? তিনি বললেন, সে মৃত প্রাণী খাবে। কারণ আল্লাহ্ তা’আলা কালামে পাকে উপায়হীন অবস্থায় মৃত প্রাণী খাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন, পক্ষান্তরে মুহরিমের জন্য কোন অবস্থায়ই শিকারকৃত প্রাণী আহারের অনুমতি প্রদান করেননি। মালিক (র) বলেন, মুহরিম যদি কোন প্রাণী শিকার করে বা ঐ জাতীয় প্রাণী যবেহ করে, তবে তা খাওয়া মুহরিম বা হালাল (যিনি ইহরাম অবস্থায় নাই) কোন ব্যক্তির জন্যই জায়েয নয়। কেননা শরীয়তের দৃষ্টিতে তা যবেহ বলে গণ্য হয় না। মালিক (র) বলেন, শিকার সে নিজে আহার করুক বা শিকার করার পর নিজে আহার না করুক, উভয় অবস্থায়ই তাকে একই ধরনের কাফফারা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أنها قالت له يا ابن أختي إنما هي عشر ليال فإن تخلج في نفسك شيء فدعه تعني أكل لحم الصيد. ১২৯২-قال مالك في الرجل المحرم يصاد من أجله صيد فيصنع له ذلك الصيد فيأكل منه وهو يعلم أنه من أجله صيد فإن عليه جزاء ذلك الصيد كله ১২৯৩-و سئل مالك عن الرجل يضطر إلى أكل الميتة وهو محرم أيصيد الصيد فيأكله أم يأكل الميتة فقال بل يأكل الميتة وذلك أن الله تبارك وتعالى لم يرخص للمحرم في أكل الصيد ولا في أخذه في حال من الأحوال وقد أرخص في الميتة على حال الضرورة ১২৯৪-قال مالك وأما ما قتل المحرم أو ذبح من الصيد فلا يحل أكله لحلال ولا لمحرم لأنه ليس بذكي كان خطأ أو عمدا فأكله لا يحل وقد سمعت ذلك من غير واحد والذي يقتل الصيد ثم يأكله إنما عليه كفارة واحدة مثل من قتله ولم يأكل منه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হারাম শরীফের এলাকায় শিকার করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮১

قال مالك كل شيء صيد في الحرم أو أرسل عليه كلب في الحرم فقتل ذلك الصيد في الحل فإنه لا يحل أكله وعلى من فعل ذلك جزاء الصيد فأما الذي يرسل كلبه على الصيد في الحل فيطلبه حتى يصيده في الحرم فإنه لا يؤكل وليس عليه في ذلك جزاء إلا أن يكون أرسله عليه وهو قريب من الحرم فإن أرسله قريبا من الحرم فعليه جزاؤه.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

হারাম শরীফের এলাকায় যদি কোন প্রাণী শিকার করা হয় বা হারাম শরীফের এলাকায় কোন প্রাণীকে লক্ষ করে শিকারী কুকুর ছাড়া হয় আর তা যদি হারাম শরীফের বাইরে নিয়েও তাকে শিকার করে তবু উক্ত পশু খাওয়া হালাল নয়। যে ব্যক্তি ঐ ধরনের কাজ করবে তাকে কাফফারা হিসেবে তার বদলা দিতে হবে। আর যদি হারাম শরীফের বাহিরে কোন প্রাণীকে লক্ষ করে শিকারী কুকুর ছাড়া হয় আর তা হারাম শরীফের ভেতর এনে শিকার করে, তবে তাও খাওয়া জায়েয নয়, কিন্তু উক্ত ব্যক্তির উপর কাফ্‌ফারা আসবে না। তবে হারাম শরীফের অতি নিকট সীমানায় যদি কুকুর ছেড়ে থাকে তবে তাকেও কাফ্‌ফারা দিতে হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

হারাম শরীফের এলাকায় যদি কোন প্রাণী শিকার করা হয় বা হারাম শরীফের এলাকায় কোন প্রাণীকে লক্ষ করে শিকারী কুকুর ছাড়া হয় আর তা যদি হারাম শরীফের বাইরে নিয়েও তাকে শিকার করে তবু উক্ত পশু খাওয়া হালাল নয়। যে ব্যক্তি ঐ ধরনের কাজ করবে তাকে কাফফারা হিসেবে তার বদলা দিতে হবে। আর যদি হারাম শরীফের বাহিরে কোন প্রাণীকে লক্ষ করে শিকারী কুকুর ছাড়া হয় আর তা হারাম শরীফের ভেতর এনে শিকার করে, তবে তাও খাওয়া জায়েয নয়, কিন্তু উক্ত ব্যক্তির উপর কাফ্‌ফারা আসবে না। তবে হারাম শরীফের অতি নিকট সীমানায় যদি কুকুর ছেড়ে থাকে তবে তাকেও কাফ্‌ফারা দিতে হবে।

قال مالك كل شيء صيد في الحرم أو أرسل عليه كلب في الحرم فقتل ذلك الصيد في الحل فإنه لا يحل أكله وعلى من فعل ذلك جزاء الصيد فأما الذي يرسل كلبه على الصيد في الحل فيطلبه حتى يصيده في الحرم فإنه لا يؤكل وليس عليه في ذلك جزاء إلا أن يكون أرسله عليه وهو قريب من الحرم فإن أرسله قريبا من الحرم فعليه جزاؤه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শিকার করার প্রতিফল

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৮২

قال مالك قال الله تبارك وتعالى { يا أيها الذين آمنوا لا تقتلوا الصيد وأنتم حرم ومن قتله منكم متعمدا فجزاء مثل ما قتل من النعم يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة أو كفارة طعام مساكين أو عدل ذلك صياما ليذوق وبال أمره } قال مالك فالذي يصيد الصيد وهو حلال ثم يقتله وهو محرم بمنزلة الذي يبتاعه وهو محرم ثم يقتله وقد نهى الله عن قتله فعليه جزاؤه - ১২৯৯-والأمر عندنا أن من أصاب الصيد وهو محرم حكم عليه بالجزاء. قال يحيى قال مالك أحسن ما سمعت في الذي يقتل الصيد فيحكم عليه فيه أن يقوم الصيد الذي أصاب فينظر كم ثمنه من الطعام فيطعم كل مسكين مدا أو يصوم مكان كل مد يوما وينظر كم عدة المساكين فإن كانوا عشرة صام عشرة أيام وإن كانوا عشرين مسكينا صام عشرين يوما عددهم ما كانوا وإن كانوا أكثر من ستين مسكينا قال مالك سمعت أنه يحكم على من قتل الصيد في الحرم وهو حلال بمثل ما يحكم به على المحرم الذي يقتل الصيد في الحرم وهو محرم.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেন হে মু’মিনগণ, ইহরাম অবস্থায় তোমরা কোন প্রাণী শিকার করো না। কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে শিকার করে তবে যা শিকার করল তদ্রূপ একটি গৃহপালিত পশু তাকে বদলা দিতে হবে। এর ফয়সালা তোমাদের মধ্যে দুজন তাকওয়ার অধিকারী লোক করে দেবে। এইরূপ ধার্যকৃত পশু কুরবানী হিসেবে মক্কায় প্রেরিত হবে অথবা উহার কাফফারা হবে মিসকীনকে আহার্য দান করা বা সমপরিমাণ রোযা রাখা যাতে সে স্বীয় কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে পারে। মালিক (র) বলেন, কোন ইহরামবিহীন ব্যক্তি যদি কোন প্রাণী শিকার করে পরে ইহরাম বেঁধে উক্ত শিকার বধ করে তবে সে ঐ মুহরিম ব্যক্তির মত, যে ব্যক্তি শিকারকৃত প্রাণী খরিদ করে বধ করে। আল্লাহ্ উহা হতে নিষেধ করেছেন, সুতরাং উক্ত ব্যক্তির উপরও উহার বিনিময় প্রদান ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হল, মুহরিম একা বা দলবদ্ধভাবে যেভাবেই শিকার করুন না কেন তাঁর উপর বদলা দেওয়ার হুকুম প্রযোজ্য হবে। মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে সর্বোত্তম যে কথা আমি শুনেছি তা হল শিকারকৃত প্রাণীটির মূল্য হিসেব করে দেখা হবে যে, ঐ মূল্যের বিনিময়ে কত পরিমাণ শস্য বাজারে পাওয়া যায়। পরে এক এক ‘মুদ’ পরিমাণ শস্য এক একজন মিসকীনদের দিয়ে দেওয়া হবে বা এক এক মুদ হিসেবে যত পরিমাণ মুদ হবে তত সংখ্যক রোযা রাখবে। মিসকীনদের সংখ্যা হিসেবে তা হবে। দশজন মিসকীন হলে দশ রোযা, বিশজন হলে বিশ রোযা, এইভাবে সংখ্যা ষাটের অধিকও যদি হয়ে যায় তবে তত পরিমাণ রোযা তাকে রাখতে হবে। মালিক (র) বলেন, আমি শুনেছি যে, ইহরামবিহীন ব্যক্তি হারাম শরীফের অভ্যন্তরে কোন প্রাণী শিকার করলে তার উপর ইহরাম বেঁধে হারমের ভিতর বধ করার মত হুকুম হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেন হে মু’মিনগণ, ইহরাম অবস্থায় তোমরা কোন প্রাণী শিকার করো না। কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে শিকার করে তবে যা শিকার করল তদ্রূপ একটি গৃহপালিত পশু তাকে বদলা দিতে হবে। এর ফয়সালা তোমাদের মধ্যে দুজন তাকওয়ার অধিকারী লোক করে দেবে। এইরূপ ধার্যকৃত পশু কুরবানী হিসেবে মক্কায় প্রেরিত হবে অথবা উহার কাফফারা হবে মিসকীনকে আহার্য দান করা বা সমপরিমাণ রোযা রাখা যাতে সে স্বীয় কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে পারে। মালিক (র) বলেন, কোন ইহরামবিহীন ব্যক্তি যদি কোন প্রাণী শিকার করে পরে ইহরাম বেঁধে উক্ত শিকার বধ করে তবে সে ঐ মুহরিম ব্যক্তির মত, যে ব্যক্তি শিকারকৃত প্রাণী খরিদ করে বধ করে। আল্লাহ্ উহা হতে নিষেধ করেছেন, সুতরাং উক্ত ব্যক্তির উপরও উহার বিনিময় প্রদান ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত হল, মুহরিম একা বা দলবদ্ধভাবে যেভাবেই শিকার করুন না কেন তাঁর উপর বদলা দেওয়ার হুকুম প্রযোজ্য হবে। মালিক (র) বলেন, এই বিষয়ে সর্বোত্তম যে কথা আমি শুনেছি তা হল শিকারকৃত প্রাণীটির মূল্য হিসেব করে দেখা হবে যে, ঐ মূল্যের বিনিময়ে কত পরিমাণ শস্য বাজারে পাওয়া যায়। পরে এক এক ‘মুদ’ পরিমাণ শস্য এক একজন মিসকীনদের দিয়ে দেওয়া হবে বা এক এক মুদ হিসেবে যত পরিমাণ মুদ হবে তত সংখ্যক রোযা রাখবে। মিসকীনদের সংখ্যা হিসেবে তা হবে। দশজন মিসকীন হলে দশ রোযা, বিশজন হলে বিশ রোযা, এইভাবে সংখ্যা ষাটের অধিকও যদি হয়ে যায় তবে তত পরিমাণ রোযা তাকে রাখতে হবে। মালিক (র) বলেন, আমি শুনেছি যে, ইহরামবিহীন ব্যক্তি হারাম শরীফের অভ্যন্তরে কোন প্রাণী শিকার করলে তার উপর ইহরাম বেঁধে হারমের ভিতর বধ করার মত হুকুম হবে।

قال مالك قال الله تبارك وتعالى { يا أيها الذين آمنوا لا تقتلوا الصيد وأنتم حرم ومن قتله منكم متعمدا فجزاء مثل ما قتل من النعم يحكم به ذوا عدل منكم هديا بالغ الكعبة أو كفارة طعام مساكين أو عدل ذلك صياما ليذوق وبال أمره } قال مالك فالذي يصيد الصيد وهو حلال ثم يقتله وهو محرم بمنزلة الذي يبتاعه وهو محرم ثم يقتله وقد نهى الله عن قتله فعليه جزاؤه - ১২৯৯-والأمر عندنا أن من أصاب الصيد وهو محرم حكم عليه بالجزاء. قال يحيى قال مالك أحسن ما سمعت في الذي يقتل الصيد فيحكم عليه فيه أن يقوم الصيد الذي أصاب فينظر كم ثمنه من الطعام فيطعم كل مسكين مدا أو يصوم مكان كل مد يوما وينظر كم عدة المساكين فإن كانوا عشرة صام عشرة أيام وإن كانوا عشرين مسكينا صام عشرين يوما عددهم ما كانوا وإن كانوا أكثر من ستين مسكينا قال مالك سمعت أنه يحكم على من قتل الصيد في الحرم وهو حلال بمثل ما يحكم به على المحرم الذي يقتل الصيد في الحرم وهو محرم.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00