মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে অবস্থায় তামাত্তু’ হয় না
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৯
قال مالك من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو ذي الحجة ثم رجع إلى أهله ثم حج من عامه ذلك فليس عليه هدي إنما الهدي على من اعتمر في أشهر الحج ثم أقام حتى الحج ثم حج وكل من انقطع إلى مكة من أهل الآفاق وسكنها ثم اعتمر في أشهر الحج ثم أنشأ الحج منها فليس بمتمتع وليس عليه هدي ولا صيام وهو بمنزلة أهل مكة إذا كان من ساكنيها ১২৫৫-سئل مالك عن رجل من أهل مكة خرج إلى الرباط أو إلى سفر من الأسفار ثم رجع إلى مكة وهو يريد الإقامة بها كان له أهل بمكة أو لا أهل له بها فدخلها بعمرة في أشهر الحج ثم أنشأ الحج وكانت عمرته التي دخل بها من ميقات النبي صلى الله عليه وسلم أو دونه أمتمتع من كان على تلك الحالة فقال مالك ليس عليه ما على المتمتع من الهدي أو الصيام وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { ذلك لمن لم يكن أهله حاضري المسجد الحرام .
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি হজ্জের মাসে উমরা করে বাড়ি ফিরে গেল, আবার সে বৎসরেই হজ্জ করল, ঐ ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে না। কারণ তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাহিরের কোন ব্যক্তি যদি মক্কায় এসে সেখানে স্থায়িভাবে বসবাস করতে শুরু করে এবং হজ্জের মাসে উমরা করে সেই বৎসরেই হজ্জ করে তবে তার হজ্জ তামাত্তু’ হবে না। তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা মক্কার নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় সে মক্কাবাসীদের মত হয়ে গেল। আর মক্কায় স্থায়ী বাসিন্দাদের হজ্জে তামাত্তু’ হয় না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, মক্কায় কোন স্থায়ী বাসিন্দা জিহাদ বা অন্য কোন সফরে বাহিরে চলে গিয়েছিল, পরে সে মক্কায় বসবাস করার উদ্দেশ্যে আবার সেখানে ফিরে এল, সে হজ্জের মাসে উমরার নিয়তে মক্কায় এসে উমরা সমাধা করার পর ঐ বৎসর হজ্জও করল, ঐ ব্যক্তির হজ্জ কি হজ্জে তামাত্তু’ হবে ? মালিক (র) বললেন, না, তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না এবং তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন ذَلِكَ لِمَنْ لَمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ. এটা তাদের জন্য যাদের পরিজনবর্গ মসজিদুল হারামের বাসিন্দা নয়। ২ ১৯৬
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি হজ্জের মাসে উমরা করে বাড়ি ফিরে গেল, আবার সে বৎসরেই হজ্জ করল, ঐ ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে না। কারণ তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাহিরের কোন ব্যক্তি যদি মক্কায় এসে সেখানে স্থায়িভাবে বসবাস করতে শুরু করে এবং হজ্জের মাসে উমরা করে সেই বৎসরেই হজ্জ করে তবে তার হজ্জ তামাত্তু’ হবে না। তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা মক্কার নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় সে মক্কাবাসীদের মত হয়ে গেল। আর মক্কায় স্থায়ী বাসিন্দাদের হজ্জে তামাত্তু’ হয় না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, মক্কায় কোন স্থায়ী বাসিন্দা জিহাদ বা অন্য কোন সফরে বাহিরে চলে গিয়েছিল, পরে সে মক্কায় বসবাস করার উদ্দেশ্যে আবার সেখানে ফিরে এল, সে হজ্জের মাসে উমরার নিয়তে মক্কায় এসে উমরা সমাধা করার পর ঐ বৎসর হজ্জও করল, ঐ ব্যক্তির হজ্জ কি হজ্জে তামাত্তু’ হবে ? মালিক (র) বললেন, না, তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না এবং তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন ذَلِكَ لِمَنْ لَمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ. এটা তাদের জন্য যাদের পরিজনবর্গ মসজিদুল হারামের বাসিন্দা নয়। ২ ১৯৬
قال مالك من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو ذي الحجة ثم رجع إلى أهله ثم حج من عامه ذلك فليس عليه هدي إنما الهدي على من اعتمر في أشهر الحج ثم أقام حتى الحج ثم حج وكل من انقطع إلى مكة من أهل الآفاق وسكنها ثم اعتمر في أشهر الحج ثم أنشأ الحج منها فليس بمتمتع وليس عليه هدي ولا صيام وهو بمنزلة أهل مكة إذا كان من ساكنيها ১২৫৫-سئل مالك عن رجل من أهل مكة خرج إلى الرباط أو إلى سفر من الأسفار ثم رجع إلى مكة وهو يريد الإقامة بها كان له أهل بمكة أو لا أهل له بها فدخلها بعمرة في أشهر الحج ثم أنشأ الحج وكانت عمرته التي دخل بها من ميقات النبي صلى الله عليه وسلم أو دونه أمتمتع من كان على تلك الحالة فقال مالك ليس عليه ما على المتمتع من الهدي أو الصيام وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { ذلك لمن لم يكن أهله حاضري المسجد الحرام .
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উমরা সম্পর্কীয় বিবিধ আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬১
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أنه سمع أبا بكر بن عبد الرحمن يقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت إني قد كنت تجهزت للحج فاعترض لي فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمري في رمضان فإن عمرة فيه كحجة.
সুমাই (র) থেকে বর্নিতঃ
সুমাই (র) আবূ বক্র ইবনু আবদুর রহমান (র)-কে বলতে শুনেছেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে এসে আরয করল হজ্জের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা সত্ত্বেও একটি বাধার কারণে আমি হজ্জ করতে পারিনি, এখন কি করব ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, রমযান মাসে উমরা করে নাও। রমযান মাসের উমরাতে হজ্জের সমান সওয়াব রয়েছে। (আবূ দাঊদ ১৯৮৮, আল বানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনান আবূ দাঊদ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
সুমাই (র) থেকে বর্নিতঃ
সুমাই (র) আবূ বক্র ইবনু আবদুর রহমান (র)-কে বলতে শুনেছেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে এসে আরয করল হজ্জের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা সত্ত্বেও একটি বাধার কারণে আমি হজ্জ করতে পারিনি, এখন কি করব ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, রমযান মাসে উমরা করে নাও। রমযান মাসের উমরাতে হজ্জের সমান সওয়াব রয়েছে। (আবূ দাঊদ ১৯৮৮, আল বানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনান আবূ দাঊদ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أنه سمع أبا بكر بن عبد الرحمن يقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت إني قد كنت تجهزت للحج فاعترض لي فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمري في رمضان فإن عمرة فيه كحجة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬০
حدثني يحيى عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال العمرة إلى العمرة كفارة لما بينهما والحج المبرور ليس له جزاء إلا الجنة.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, এক উমরা আরেক উমরার মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের জন্য কাফফারাস্বরূপ। জান্নাতই মকবুল হজ্জের প্রতিবাদ। (বুখারী ১৭৭৩, মুসলিম ১৩৪৯)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, এক উমরা আরেক উমরার মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের জন্য কাফফারাস্বরূপ। জান্নাতই মকবুল হজ্জের প্রতিবাদ। (বুখারী ১৭৭৩, মুসলিম ১৩৪৯)
حدثني يحيى عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال العمرة إلى العمرة كفارة لما بينهما والحج المبرور ليس له جزاء إلا الجنة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬২
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال افصلوا بين حجكم وعمرتكم فإن ذلك أتم لحج أحدكم وأتم لعمرته أن يعتمر في غير أشهر الحج.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, হজ্জ ও উমরার মাসে তোমরা ব্যবধান রেখো যাতে হজ্জ ও উমরা উভয়ই সম্পূর্ণরূপে আদায় হতে পারে। এর উপায় হল, হজ্জের মাসে তোমরা উমরা করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, হজ্জ ও উমরার মাসে তোমরা ব্যবধান রেখো যাতে হজ্জ ও উমরা উভয়ই সম্পূর্ণরূপে আদায় হতে পারে। এর উপায় হল, হজ্জের মাসে তোমরা উমরা করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال افصلوا بين حجكم وعمرتكم فإن ذلك أتم لحج أحدكم وأتم لعمرته أن يعتمر في غير أشهر الحج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان كان إذا اعتمر ربما لم يحطط عن راحلته حتى يرجع ১২৬১-قال مالك العمرة سنة ولا نعلم أحدا من المسلمين أرخص في تركها ১২৬২-قال مالك ولا أرى لأحد أن يعتمر في السنة مرارا ১২৬৩-قال مالك في المعتمر يقع بأهله إن عليه في ذلك الهدي وعمرة أخرى يبتدئ بها بعد إتمامه التي أفسدها ويحرم من حيث أحرم بعمرته التي أفسدها إلا أن يكون أحرم من مكان أبعد من ميقاته فليس عليه أن يحرم إلا من ميقاته ১২৬৪-قال مالك ومن دخل مكة بعمرة فطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة وهو جنب أو على غير وضوء ثم وقع بأهله ثم ذكر قال يغتسل أو يتوضأ ثم يعود فيطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ويعتمر عمرة أخرى ويهدي وعلى المرأة إذا أصابها زوجها وهي محرمة مثل ذلك ১২৬৫-قال مالك فأما العمرة من التنعيم فإنه من شاء أن يخرج من الحرم ثم يحرم فإن ذلك مجزئ عنه إن شاء الله ولكن الفضل أن يهل من الميقات الذي وقت رسول الله صلى الله عليه وسلم أو ما هو أبعد من التنعيم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছিছে যে, উসমান ইবনু আফফান (রা) যখন উমরা করতেন, মদীনায় ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত উট হতে অবতরণ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমরা করা সুন্নত। এমন কোন মুসলমান দেখা যায়নি যিনি এটা পরিত্যাগ করার অনুমতি দেন। মালিক (র) বলেন, একই বৎসরে একাধিক উমরা করা জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে স্ত্রী সহবাস করলে উমরা বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং তাঁর উপর আরেকটি উমরা কাযা ও একটি কুরবানী করা ওয়াজিব হবে। তাই সত্বর তাকে উহার কাযা আদায় করে নেওয়া উচিত। যে স্থান হতে প্রথম উমরার ইহরাম বেঁধেছিল সেই স্থান হতেই তাকে এই কাযা উমরার ইহরাম বাঁধতে হবে, তবে প্রথম উমরার ইহরাম নির্দিষ্ট মীকাতের পূর্বে বেঁধে থাকলে কাযা উমরার ইহরাম মীকাত হতে বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন ব্যক্তি মক্কায় এল এবং জানাবত (গোসল ফরয হওয়া) অবস্থায় বা ওযূ ব্যতিরেকে সে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করল। পরে ভুলবশত স্ত্রীসহবাস করল। অতঃপর উমরার কথা তার মনে পড়ল। তখন সে গোসল বা ওযূ করে পুনরায় তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করবে এবং তদস্থলে অন্য একটি উমরা কাযা করবে ও একটি কুরবানী দেবে। মহিলাও ইহরামরত অবস্থায় তদ্রূপ কিছু করলে তাকেও (পুরুষদের মত) আমল করতে হবে। তান’য়ীম নামক স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধার ব্যাপারে মালিক (র) বলেন, হারাম শরীফ হতে বের হয়ে যে কোন স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধতে পারবে। আল্লাহর ইচ্ছায় এই ইহরামই মুহরিমের জন্য যথেষ্ট। তবে মীকাত হতে ইহরাম বাঁধা উত্তম। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক নির্ধারিত স্থান হতে ইহরাম বাঁধা নিঃসন্দেহে উত্তম এবং তান’য়ীম হতে দূরে অবস্থিত।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছিছে যে, উসমান ইবনু আফফান (রা) যখন উমরা করতেন, মদীনায় ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত উট হতে অবতরণ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমরা করা সুন্নত। এমন কোন মুসলমান দেখা যায়নি যিনি এটা পরিত্যাগ করার অনুমতি দেন। মালিক (র) বলেন, একই বৎসরে একাধিক উমরা করা জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে স্ত্রী সহবাস করলে উমরা বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং তাঁর উপর আরেকটি উমরা কাযা ও একটি কুরবানী করা ওয়াজিব হবে। তাই সত্বর তাকে উহার কাযা আদায় করে নেওয়া উচিত। যে স্থান হতে প্রথম উমরার ইহরাম বেঁধেছিল সেই স্থান হতেই তাকে এই কাযা উমরার ইহরাম বাঁধতে হবে, তবে প্রথম উমরার ইহরাম নির্দিষ্ট মীকাতের পূর্বে বেঁধে থাকলে কাযা উমরার ইহরাম মীকাত হতে বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন ব্যক্তি মক্কায় এল এবং জানাবত (গোসল ফরয হওয়া) অবস্থায় বা ওযূ ব্যতিরেকে সে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করল। পরে ভুলবশত স্ত্রীসহবাস করল। অতঃপর উমরার কথা তার মনে পড়ল। তখন সে গোসল বা ওযূ করে পুনরায় তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করবে এবং তদস্থলে অন্য একটি উমরা কাযা করবে ও একটি কুরবানী দেবে। মহিলাও ইহরামরত অবস্থায় তদ্রূপ কিছু করলে তাকেও (পুরুষদের মত) আমল করতে হবে। তান’য়ীম নামক স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধার ব্যাপারে মালিক (র) বলেন, হারাম শরীফ হতে বের হয়ে যে কোন স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধতে পারবে। আল্লাহর ইচ্ছায় এই ইহরামই মুহরিমের জন্য যথেষ্ট। তবে মীকাত হতে ইহরাম বাঁধা উত্তম। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক নির্ধারিত স্থান হতে ইহরাম বাঁধা নিঃসন্দেহে উত্তম এবং তান’য়ীম হতে দূরে অবস্থিত।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان كان إذا اعتمر ربما لم يحطط عن راحلته حتى يرجع ১২৬১-قال مالك العمرة سنة ولا نعلم أحدا من المسلمين أرخص في تركها ১২৬২-قال مالك ولا أرى لأحد أن يعتمر في السنة مرارا ১২৬৩-قال مالك في المعتمر يقع بأهله إن عليه في ذلك الهدي وعمرة أخرى يبتدئ بها بعد إتمامه التي أفسدها ويحرم من حيث أحرم بعمرته التي أفسدها إلا أن يكون أحرم من مكان أبعد من ميقاته فليس عليه أن يحرم إلا من ميقاته ১২৬৪-قال مالك ومن دخل مكة بعمرة فطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة وهو جنب أو على غير وضوء ثم وقع بأهله ثم ذكر قال يغتسل أو يتوضأ ثم يعود فيطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ويعتمر عمرة أخرى ويهدي وعلى المرأة إذا أصابها زوجها وهي محرمة مثل ذلك ১২৬৫-قال مالك فأما العمرة من التنعيم فإنه من شاء أن يخرج من الحرم ثم يحرم فإن ذلك مجزئ عنه إن شاء الله ولكن الفضل أن يهل من الميقات الذي وقت رسول الله صلى الله عليه وسلم أو ما هو أبعد من التنعيم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম থাকা অবস্থায় বিবাহ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৪
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا رافع ورجلا من الأنصار فزوجاه ميمونة بنت الحارث ورسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدينة قبل أن يخرج.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর আযাদকৃত গোলাম আবূ রাফি’ এবং জনৈক আনসারী ব্যক্তিকে পাঠালেন। তাঁরা দুজনে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পক্ষে মায়মুনা বিনতে হারিসের কাছে বিবাহের পয়গাম দিলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন মদীনা হতে মক্কার পথে যাত্রা করেননি। (সহীহ, ইমাম তিরমিযী ৮৪১, আবূ রাফি’ থেকে বর্ণনা করেন। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর আযাদকৃত গোলাম আবূ রাফি’ এবং জনৈক আনসারী ব্যক্তিকে পাঠালেন। তাঁরা দুজনে রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পক্ষে মায়মুনা বিনতে হারিসের কাছে বিবাহের পয়গাম দিলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন মদীনা হতে মক্কার পথে যাত্রা করেননি। (সহীহ, ইমাম তিরমিযী ৮৪১, আবূ রাফি’ থেকে বর্ণনা করেন। আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث أبا رافع ورجلا من الأنصار فزوجاه ميمونة بنت الحارث ورسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدينة قبل أن يخرج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৭
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ينكح المحرم ولا يخطب على نفسه ولا على غيره.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, মুহরিম ব্যক্তি বিবাহ করবে না বা বিবাহের পয়গাম দেবে না, নিজের হোক বা অন্যের, সকল অবস্থায়ই তা নিষিদ্ধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, মুহরিম ব্যক্তি বিবাহ করবে না বা বিবাহের পয়গাম দেবে না, নিজের হোক বা অন্যের, সকল অবস্থায়ই তা নিষিদ্ধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: لا ينكح المحرم ولا يخطب على نفسه ولا على غيره.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৬
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين أن أبا غطفان بن طريف المري أخبره أن أباه طريفا تزوج امرأة وهو محرم فرد عمر بن الخطاب نكاحه.
আবূ গাতফান ইবনু তরীফ মূররী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ গাতফান ইবনু তরীফ মূররী (র) বর্ণনা করেন তাঁর পিতা তরীফ ইহরাম অবস্থায় মক্কায় এক মহিলাকে বিবাহ করেন, কিন্তু উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এটা বাতিল বলে ঘোষণা করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ গাতফান ইবনু তরীফ মূররী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ গাতফান ইবনু তরীফ মূররী (র) বর্ণনা করেন তাঁর পিতা তরীফ ইহরাম অবস্থায় মক্কায় এক মহিলাকে বিবাহ করেন, কিন্তু উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এটা বাতিল বলে ঘোষণা করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين أن أبا غطفان بن طريف المري أخبره أن أباه طريفا تزوج امرأة وهو محرم فرد عمر بن الخطاب نكاحه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৫
- و حدثني عن مالك عن نافع عن نبيه بن وهب أخي بني عبد الدار أن عمر بن عبيد الله أرسل إلى أبان بن عثمان وأبان يومئذ أمير الحاج وهما محرمان إني قد أردت أن أنكح طلحة بن عمر بنت شيبة بن جبير وأردت أن تحضر فأنكر ذلك عليه أبان وقال سمعت عثمان بن عفان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا ينكح المحرم ولا ينكح ولا يخطب.
নুবাইহ্ ইবনু ওহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (র)-এর এবং আবান ইবনু উসমান (র)-এর নিকট বলে পাঠালেন, (তাঁরা দু’জনে তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন) শায়বাহ্ ইবনু যুবায়রের মেয়ের সহিত আমার পুত্র তালহা ইবনু উমারের বিবাহ প্রদান করতে ইচ্ছা করেছি। আপনিও এতে শামিল হবেন বলে আশা করি। এই সংবাদ পেয়ে আবান ইবনু উসমান (র) আসতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে বললেন, উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট আমি শুনেছি, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুহরিম (ইহরামরত ব্যক্তি) নিজেও বিবাহ করবে না এবং অন্যকেও বিবাহ করাবে না এবং বিবাহের পয়গামও দিবে না। (সহীহ, মুসলিম ১৪০৯)
নুবাইহ্ ইবনু ওহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে উমার ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (র)-এর এবং আবান ইবনু উসমান (র)-এর নিকট বলে পাঠালেন, (তাঁরা দু’জনে তখন ইহরাম অবস্থায় ছিলেন) শায়বাহ্ ইবনু যুবায়রের মেয়ের সহিত আমার পুত্র তালহা ইবনু উমারের বিবাহ প্রদান করতে ইচ্ছা করেছি। আপনিও এতে শামিল হবেন বলে আশা করি। এই সংবাদ পেয়ে আবান ইবনু উসমান (র) আসতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে বললেন, উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট আমি শুনেছি, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুহরিম (ইহরামরত ব্যক্তি) নিজেও বিবাহ করবে না এবং অন্যকেও বিবাহ করাবে না এবং বিবাহের পয়গামও দিবে না। (সহীহ, মুসলিম ১৪০৯)
- و حدثني عن مالك عن نافع عن نبيه بن وهب أخي بني عبد الدار أن عمر بن عبيد الله أرسل إلى أبان بن عثمان وأبان يومئذ أمير الحاج وهما محرمان إني قد أردت أن أنكح طلحة بن عمر بنت شيبة بن جبير وأردت أن تحضر فأنكر ذلك عليه أبان وقال سمعت عثمان بن عفان يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا ينكح المحرم ولا ينكح ولا يخطب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৮
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسالم بن عبد الله وسليمان بن يسار سئلوا عن نكاح المحرم فقالوا لا ينكح المحرم ولا ينكح ১২৭২-قال مالك في الرجل المحرم إنه يراجع امرأته إن شاء إذا كانت في عدة منه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) জ্ঞাত হয়েছেন যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র), সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে মুহরিম ব্যক্তির বিবাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তাঁরা সকলেই বলেছিলেন মুহরিম ব্যক্তি নিজে বিবাহ করবে না বা বিবাহ করাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মুহরিম ব্যক্তি ইচ্ছা করলে এবং ইদ্দতের ভিতর হইলে তার স্ত্রীর প্রতি রুজু করতে পারে। (রজয়ী তালাক দেয়া স্ত্রীকে গ্রহণ করতে পারে।)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) জ্ঞাত হয়েছেন যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র), সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র)-কে মুহরিম ব্যক্তির বিবাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তাঁরা সকলেই বলেছিলেন মুহরিম ব্যক্তি নিজে বিবাহ করবে না বা বিবাহ করাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মুহরিম ব্যক্তি ইচ্ছা করলে এবং ইদ্দতের ভিতর হইলে তার স্ত্রীর প্রতি রুজু করতে পারে। (রজয়ী তালাক দেয়া স্ত্রীকে গ্রহণ করতে পারে।)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسالم بن عبد الله وسليمان بن يسار سئلوا عن نكاح المحرم فقالوا لا ينكح المحرم ولا ينكح ১২৭২-قال مالك في الرجل المحرم إنه يراجع امرأته إن شاء إذا كانت في عدة منه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুহরিম ব্যক্তির শিঙ্গা লাগানো
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৯
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم احتجم وهو محرم فوق رأسه وهو يومئذ بلحيي جمل مكان بطريق مكة.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
ইহরাম অবস্থায় মাথায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং সেদিন তিনি মক্কাগামী পথের উপর উপস্থিত ‘লাহ্ইয়া জামাল’ নামক স্থানে ছিলেন। (বুখারী ১৮৩৬, ইমাম মুসলিম ইবনু ওয়াইনার বরাত দিয়ে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১২০৩, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি [মুরসাল])
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
ইহরাম অবস্থায় মাথায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং সেদিন তিনি মক্কাগামী পথের উপর উপস্থিত ‘লাহ্ইয়া জামাল’ নামক স্থানে ছিলেন। (বুখারী ১৮৩৬, ইমাম মুসলিম ইবনু ওয়াইনার বরাত দিয়ে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১২০৩, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি [মুরসাল])
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم احتجم وهو محرم فوق رأسه وهو يومئذ بلحيي جمل مكان بطريق مكة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৭০
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول لا يحتجم المحرم إلا مما لا بد له منه ১২৭৬-قال مالك لا يحتجم المحرم إلا من ضرورة.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, বাধ্য না হলে মুহরিমের জন্য শিঙ্গা লাগানো উচিত নয়। মালিক (র)-ও অনুরূপ মত ব্যক্ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, বাধ্য না হলে মুহরিমের জন্য শিঙ্গা লাগানো উচিত নয়। মালিক (র)-ও অনুরূপ মত ব্যক্ত করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول لا يحتجم المحرم إلا مما لا بد له منه ১২৭৬-قال مالك لا يحتجم المحرم إلا من ضرورة.