মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উমরার মধ্যে কোন সময় লাব্বায়কা বলা বন্ধ করা যাবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৪
- حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقطع التلبية في العمرة إذا دخل الحرم ১২৪৪-قال مالك فيمن أحرم من التنعيم إنه يقطع التلبية حين يرى البيت ১২৪৫-قال يحيى سئل مالك عن الرجل يعتمر من بعض المواقيت وهو من أهل المدينة أو غيرهم متى يقطع التلبية قال أما المهل من المواقيت فإنه يقطع التلبية إذا انتهى إلى الحرم قال وبلغني أن عبد الله بن عمر كان يصنع ذلك.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি উমরাতে হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘তান’য়ীম’ (মক্কার অদূরবর্তী হারাম শরীফ বহির্ভূত একটি স্থান) হতে যে ব্যক্তি উমরায় ইহরাম বাঁধবে, বায়তুল্লাহ্ শরীফ দৃষ্টিগোচর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ না করে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মক্কার বাহিরে বসবাসকারী ব্যক্তি ‘মীকাত’ হতে উমরার ইহরাম বেঁধে আসলে কখন তাকে ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতে হবে ? তিনি বললেন, হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর সে উহা বন্ধ করে দেবে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করতেন বলে জানা গিয়েছে।
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি উমরাতে হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘তান’য়ীম’ (মক্কার অদূরবর্তী হারাম শরীফ বহির্ভূত একটি স্থান) হতে যে ব্যক্তি উমরায় ইহরাম বাঁধবে, বায়তুল্লাহ্ শরীফ দৃষ্টিগোচর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ না করে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মক্কার বাহিরে বসবাসকারী ব্যক্তি ‘মীকাত’ হতে উমরার ইহরাম বেঁধে আসলে কখন তাকে ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতে হবে ? তিনি বললেন, হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর সে উহা বন্ধ করে দেবে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করতেন বলে জানা গিয়েছে।
- حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقطع التلبية في العمرة إذا دخل الحرم ১২৪৪-قال مالك فيمن أحرم من التنعيم إنه يقطع التلبية حين يرى البيت ১২৪৫-قال يحيى سئل مالك عن الرجل يعتمر من بعض المواقيت وهو من أهل المدينة أو غيرهم متى يقطع التلبية قال أما المهل من المواقيت فإنه يقطع التلبية إذا انتهى إلى الحرم قال وبلغني أن عبد الله بن عمر كان يصنع ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জে তামাত্তু’
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৬
و حدثني عن مالك عن صدقة بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال والله لأن أعتمر قبل الحج وأهدي أحب إلي من أن أعتمر بعد الحج في ذي الحجة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর কসম, হজ্জের পূর্বে উমরা করা এবং কুরবানীর পশু সঙ্গে নিয়ে যাওয়া যিলহজ্জ মাসে হজ্জ করে আবার উমরা করা হতে আমার কাছে বেশি প্রিয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর কসম, হজ্জের পূর্বে উমরা করা এবং কুরবানীর পশু সঙ্গে নিয়ে যাওয়া যিলহজ্জ মাসে হজ্জ করে আবার উমরা করা হতে আমার কাছে বেশি প্রিয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن صدقة بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال والله لأن أعتمر قبل الحج وأهدي أحب إلي من أن أعتمر بعد الحج في ذي الحجة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৮
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وما استيسر من الهدي فمن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন শাওয়াল, যিলকা’দা ও যিলহজ্জ মাসে উমরা করে যদি কেউ হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থান করে এবং হজ্জ করে নেয় তবে তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। সামর্থ্য থাকলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। অসমর্থ হলে হজ্জের সময় তিনদিন এবং হজ্জের পর বাড়ি ফিরে সাত দিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন শাওয়াল, যিলকা’দা ও যিলহজ্জ মাসে উমরা করে যদি কেউ হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থান করে এবং হজ্জ করে নেয় তবে তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। সামর্থ্য থাকলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। অসমর্থ হলে হজ্জের সময় তিনদিন এবং হজ্জের পর বাড়ি ফিরে সাত দিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وما استيسر من الهدي فمن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৫
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن محمد بن عبد الله بن الحارث بن نوفل بن عبد المطلب أنه حدثه أنه سمع سعد بن أبي وقاص والضحاك بن قيس عام حج معاوية بن أبي سفيان وهما يذكران التمتع بالعمرة إلى الحج فقال الضحاك بن قيس لا يفعل ذلك إلا من جهل أمر الله عز وجل فقال سعد بئس ما قلت يا ابن أخي فقال الضحاك فإن عمر بن الخطاب قد نهى عن ذلك فقال سعد قد صنعها رسول الله صلى الله عليه وسلم وصنعناها معه.
মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হারিস (র) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওককাস (রা) ও যাহ্হাক ইবনু কায়েস (রা)-এর মধ্যে হজ্জে তামাত্তু’ সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল। যাহ্হাক (রা) বললেন : আল্লাহ তা’আলার হুকুম-আহকাম সম্পর্কে অজ্ঞ লোকেরাই হজ্জে তামাত্তু’ করে। সা’দ বললেন, ভ্রাতুষ্পত্র, তোমার কথাটা ঠিক হয়নি। যাহ্হাক (রা) বললেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হজ্জে তামাত্তু’ করা নিষেধ করেছেন। সা’দ (রা) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে হজ্জে তামাত্তু’ করেছেন আর আমরাও তাঁর সঙ্গে উহা করেছি। (তিরমিযী ৮২২, নাসাঈ ২৭৩৪, উমার (রা) তামাত্তু নিষেধ করেছেন বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত রয়েছে আবূ মূসা (রা) হতে,)
মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হারিস (র) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওককাস (রা) ও যাহ্হাক ইবনু কায়েস (রা)-এর মধ্যে হজ্জে তামাত্তু’ সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল। যাহ্হাক (রা) বললেন : আল্লাহ তা’আলার হুকুম-আহকাম সম্পর্কে অজ্ঞ লোকেরাই হজ্জে তামাত্তু’ করে। সা’দ বললেন, ভ্রাতুষ্পত্র, তোমার কথাটা ঠিক হয়নি। যাহ্হাক (রা) বললেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হজ্জে তামাত্তু’ করা নিষেধ করেছেন। সা’দ (রা) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে হজ্জে তামাত্তু’ করেছেন আর আমরাও তাঁর সঙ্গে উহা করেছি। (তিরমিযী ৮২২, নাসাঈ ২৭৩৪, উমার (রা) তামাত্তু নিষেধ করেছেন বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত রয়েছে আবূ মূসা (রা) হতে,)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن محمد بن عبد الله بن الحارث بن نوفل بن عبد المطلب أنه حدثه أنه سمع سعد بن أبي وقاص والضحاك بن قيس عام حج معاوية بن أبي سفيان وهما يذكران التمتع بالعمرة إلى الحج فقال الضحاك بن قيس لا يفعل ذلك إلا من جهل أمر الله عز وجل فقال سعد بئس ما قلت يا ابن أخي فقال الضحاك فإن عمر بن الخطاب قد نهى عن ذلك فقال سعد قد صنعها رسول الله صلى الله عليه وسلم وصنعناها معه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৭
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: من اعتمر في أشهر الحج في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة قبل الحج ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وعليه ما استيسر من الهدي فإن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع قال مالك وذلك إذا أقام حتى الحج ثم حج من عامه ১২৫قال مالك في رجل من أهل مكة انقطع إلى غيرها وسكن سواها ثم قدم معتمرا في أشهر الحج ثم أقام بمكة حتى أنشأ الحج منها إنه متمتع يجب عليه الهدي أو الصيام إن لم يجد هديا وأنه لا يكون مثل أهل مكة ১২৫১-و سئل مالك عن رجل من غير أهل مكة دخل مكة بعمرة في أشهر الحج وهو يريد الإقامة بمكة حتى ينشئ الحج أمتمتع هو فقال نعم هو متمتع وليس هو مثل أهل مكة وإن أراد الإقامة وذلك أنه دخل مكة وليس هو من أهلها وإنما الهدي أو الصيام على من لم يكن من أهل مكة وأن هذا الرجل يريد الإقامة ولا يدري ما يبدو له بعد ذلك وليس هو من أهل مكة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ হজ্জের মাসে অর্থাৎ শাওয়াল, যিলকা’দা, যিলহজ্জ মাসে হজ্জের পূর্বে উমরা আদায় করে মক্কায় এতদিন অবস্থান করে, যতদিনে সে হজ্জই আদায় করতে পারে, তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তার উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। যদি কুরবানী করার সামর্থ্য তার না থাকে তবে মক্কায় অবস্থানকালে তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে আর সাতদিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উক্ত হুকুম তখনই প্রযোজ্য হবে যখন উমরা সমাপন করে হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থানরত থাকবে এবং হজ্জও করবে। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাসিন্দা কোন ব্যক্তি অন্য কোথাও গিয়ে বসতি স্থাপন করল। হজ্জের মাসে সে উমরা করতে এসে মক্কা শরীফে অবস্থান করে হজ্জ সমাধা করল। তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। এই ব্যক্তির উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। কুরবানী করতে না পারলে তাকে রোযা রাখতে হবে। মক্কায় অপরাপর স্থায়ী বাসিন্দার মত তার হুকুম হবে না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল হজ্জের মাসে মক্কার বাহিরের অধিবাসী এক ব্যক্তি উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কায় এল এবং উমরা করে হজ্জ সমাধা করার নিয়তে মক্কায় রয়ে গেল। তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে কি ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, মক্কাবাসীদের মত তার হুকুম হবে না। মক্কায় থাকবার নিয়ত যদিও সে করেছে, কিন্তু সে মক্কায় যখন প্রথম পদাপর্ণ করেছিল তখন সে মক্কার বাসিন্দা ছিল না। সুতরাং কুরবানী দেওয়া এবং কুরবানী দিতে হলে রোযা রাখা এইরূপ ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হবে। এই ব্যক্তি মক্কায় কেবল অবস্থান করার নিয়ত করেছে এবং সামনের ব্যাপার কি হবে তাও সে জানে না। এমতাবস্থায় সে মক্কাবাসী বলে গণ্য হবে না।
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ হজ্জের মাসে অর্থাৎ শাওয়াল, যিলকা’দা, যিলহজ্জ মাসে হজ্জের পূর্বে উমরা আদায় করে মক্কায় এতদিন অবস্থান করে, যতদিনে সে হজ্জই আদায় করতে পারে, তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তার উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। যদি কুরবানী করার সামর্থ্য তার না থাকে তবে মক্কায় অবস্থানকালে তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে আর সাতদিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উক্ত হুকুম তখনই প্রযোজ্য হবে যখন উমরা সমাপন করে হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থানরত থাকবে এবং হজ্জও করবে। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাসিন্দা কোন ব্যক্তি অন্য কোথাও গিয়ে বসতি স্থাপন করল। হজ্জের মাসে সে উমরা করতে এসে মক্কা শরীফে অবস্থান করে হজ্জ সমাধা করল। তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। এই ব্যক্তির উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। কুরবানী করতে না পারলে তাকে রোযা রাখতে হবে। মক্কায় অপরাপর স্থায়ী বাসিন্দার মত তার হুকুম হবে না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল হজ্জের মাসে মক্কার বাহিরের অধিবাসী এক ব্যক্তি উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কায় এল এবং উমরা করে হজ্জ সমাধা করার নিয়তে মক্কায় রয়ে গেল। তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে কি ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, মক্কাবাসীদের মত তার হুকুম হবে না। মক্কায় থাকবার নিয়ত যদিও সে করেছে, কিন্তু সে মক্কায় যখন প্রথম পদাপর্ণ করেছিল তখন সে মক্কার বাসিন্দা ছিল না। সুতরাং কুরবানী দেওয়া এবং কুরবানী দিতে হলে রোযা রাখা এইরূপ ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হবে। এই ব্যক্তি মক্কায় কেবল অবস্থান করার নিয়ত করেছে এবং সামনের ব্যাপার কি হবে তাও সে জানে না। এমতাবস্থায় সে মক্কাবাসী বলে গণ্য হবে না।
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: من اعتمر في أشهر الحج في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة قبل الحج ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وعليه ما استيسر من الهدي فإن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع قال مالك وذلك إذا أقام حتى الحج ثم حج من عامه ১২৫قال مالك في رجل من أهل مكة انقطع إلى غيرها وسكن سواها ثم قدم معتمرا في أشهر الحج ثم أقام بمكة حتى أنشأ الحج منها إنه متمتع يجب عليه الهدي أو الصيام إن لم يجد هديا وأنه لا يكون مثل أهل مكة ১২৫১-و سئل مالك عن رجل من غير أهل مكة دخل مكة بعمرة في أشهر الحج وهو يريد الإقامة بمكة حتى ينشئ الحج أمتمتع هو فقال نعم هو متمتع وليس هو مثل أهل مكة وإن أراد الإقامة وذلك أنه دخل مكة وليس هو من أهلها وإنما الهدي أو الصيام على من لم يكن من أهل مكة وأن هذا الرجل يريد الإقامة ولا يدري ما يبدو له بعد ذلك وليس هو من أهل مكة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে অবস্থায় তামাত্তু’ হয় না
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৯
قال مالك من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو ذي الحجة ثم رجع إلى أهله ثم حج من عامه ذلك فليس عليه هدي إنما الهدي على من اعتمر في أشهر الحج ثم أقام حتى الحج ثم حج وكل من انقطع إلى مكة من أهل الآفاق وسكنها ثم اعتمر في أشهر الحج ثم أنشأ الحج منها فليس بمتمتع وليس عليه هدي ولا صيام وهو بمنزلة أهل مكة إذا كان من ساكنيها ১২৫৫-سئل مالك عن رجل من أهل مكة خرج إلى الرباط أو إلى سفر من الأسفار ثم رجع إلى مكة وهو يريد الإقامة بها كان له أهل بمكة أو لا أهل له بها فدخلها بعمرة في أشهر الحج ثم أنشأ الحج وكانت عمرته التي دخل بها من ميقات النبي صلى الله عليه وسلم أو دونه أمتمتع من كان على تلك الحالة فقال مالك ليس عليه ما على المتمتع من الهدي أو الصيام وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { ذلك لمن لم يكن أهله حاضري المسجد الحرام .
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি হজ্জের মাসে উমরা করে বাড়ি ফিরে গেল, আবার সে বৎসরেই হজ্জ করল, ঐ ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে না। কারণ তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাহিরের কোন ব্যক্তি যদি মক্কায় এসে সেখানে স্থায়িভাবে বসবাস করতে শুরু করে এবং হজ্জের মাসে উমরা করে সেই বৎসরেই হজ্জ করে তবে তার হজ্জ তামাত্তু’ হবে না। তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা মক্কার নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় সে মক্কাবাসীদের মত হয়ে গেল। আর মক্কায় স্থায়ী বাসিন্দাদের হজ্জে তামাত্তু’ হয় না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, মক্কায় কোন স্থায়ী বাসিন্দা জিহাদ বা অন্য কোন সফরে বাহিরে চলে গিয়েছিল, পরে সে মক্কায় বসবাস করার উদ্দেশ্যে আবার সেখানে ফিরে এল, সে হজ্জের মাসে উমরার নিয়তে মক্কায় এসে উমরা সমাধা করার পর ঐ বৎসর হজ্জও করল, ঐ ব্যক্তির হজ্জ কি হজ্জে তামাত্তু’ হবে ? মালিক (র) বললেন, না, তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না এবং তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন ذَلِكَ لِمَنْ لَمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ. এটা তাদের জন্য যাদের পরিজনবর্গ মসজিদুল হারামের বাসিন্দা নয়। ২ ১৯৬
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি হজ্জের মাসে উমরা করে বাড়ি ফিরে গেল, আবার সে বৎসরেই হজ্জ করল, ঐ ব্যক্তির উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে না। কারণ তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাহিরের কোন ব্যক্তি যদি মক্কায় এসে সেখানে স্থায়িভাবে বসবাস করতে শুরু করে এবং হজ্জের মাসে উমরা করে সেই বৎসরেই হজ্জ করে তবে তার হজ্জ তামাত্তু’ হবে না। তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা মক্কার নাগরিকত্ব গ্রহণ করায় সে মক্কাবাসীদের মত হয়ে গেল। আর মক্কায় স্থায়ী বাসিন্দাদের হজ্জে তামাত্তু’ হয় না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, মক্কায় কোন স্থায়ী বাসিন্দা জিহাদ বা অন্য কোন সফরে বাহিরে চলে গিয়েছিল, পরে সে মক্কায় বসবাস করার উদ্দেশ্যে আবার সেখানে ফিরে এল, সে হজ্জের মাসে উমরার নিয়তে মক্কায় এসে উমরা সমাধা করার পর ঐ বৎসর হজ্জও করল, ঐ ব্যক্তির হজ্জ কি হজ্জে তামাত্তু’ হবে ? মালিক (র) বললেন, না, তার হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে না এবং তার উপর কুরবানী বা রোযা কিছুই ওয়াজিব হবে না। কেননা আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন ذَلِكَ لِمَنْ لَمْ يَكُنْ أَهْلُهُ حَاضِرِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ. এটা তাদের জন্য যাদের পরিজনবর্গ মসজিদুল হারামের বাসিন্দা নয়। ২ ১৯৬
قال مالك من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو ذي الحجة ثم رجع إلى أهله ثم حج من عامه ذلك فليس عليه هدي إنما الهدي على من اعتمر في أشهر الحج ثم أقام حتى الحج ثم حج وكل من انقطع إلى مكة من أهل الآفاق وسكنها ثم اعتمر في أشهر الحج ثم أنشأ الحج منها فليس بمتمتع وليس عليه هدي ولا صيام وهو بمنزلة أهل مكة إذا كان من ساكنيها ১২৫৫-سئل مالك عن رجل من أهل مكة خرج إلى الرباط أو إلى سفر من الأسفار ثم رجع إلى مكة وهو يريد الإقامة بها كان له أهل بمكة أو لا أهل له بها فدخلها بعمرة في أشهر الحج ثم أنشأ الحج وكانت عمرته التي دخل بها من ميقات النبي صلى الله عليه وسلم أو دونه أمتمتع من كان على تلك الحالة فقال مالك ليس عليه ما على المتمتع من الهدي أو الصيام وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { ذلك لمن لم يكن أهله حاضري المسجد الحرام .
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উমরা সম্পর্কীয় বিবিধ আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬১
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أنه سمع أبا بكر بن عبد الرحمن يقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت إني قد كنت تجهزت للحج فاعترض لي فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمري في رمضان فإن عمرة فيه كحجة.
সুমাই (র) থেকে বর্নিতঃ
সুমাই (র) আবূ বক্র ইবনু আবদুর রহমান (র)-কে বলতে শুনেছেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে এসে আরয করল হজ্জের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা সত্ত্বেও একটি বাধার কারণে আমি হজ্জ করতে পারিনি, এখন কি করব ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, রমযান মাসে উমরা করে নাও। রমযান মাসের উমরাতে হজ্জের সমান সওয়াব রয়েছে। (আবূ দাঊদ ১৯৮৮, আল বানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনান আবূ দাঊদ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
সুমাই (র) থেকে বর্নিতঃ
সুমাই (র) আবূ বক্র ইবনু আবদুর রহমান (র)-কে বলতে শুনেছেন, এক মহিলা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর খিদমতে এসে আরয করল হজ্জের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করা সত্ত্বেও একটি বাধার কারণে আমি হজ্জ করতে পারিনি, এখন কি করব ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, রমযান মাসে উমরা করে নাও। রমযান মাসের উমরাতে হজ্জের সমান সওয়াব রয়েছে। (আবূ দাঊদ ১৯৮৮, আল বানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনান আবূ দাঊদ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أنه سمع أبا بكر بن عبد الرحمن يقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت إني قد كنت تجهزت للحج فاعترض لي فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمري في رمضان فإن عمرة فيه كحجة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬০
حدثني يحيى عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال العمرة إلى العمرة كفارة لما بينهما والحج المبرور ليس له جزاء إلا الجنة.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, এক উমরা আরেক উমরার মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের জন্য কাফফারাস্বরূপ। জান্নাতই মকবুল হজ্জের প্রতিবাদ। (বুখারী ১৭৭৩, মুসলিম ১৩৪৯)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, এক উমরা আরেক উমরার মধ্যবর্তী গুনাহসমূহের জন্য কাফফারাস্বরূপ। জান্নাতই মকবুল হজ্জের প্রতিবাদ। (বুখারী ১৭৭৩, মুসলিম ১৩৪৯)
حدثني يحيى عن مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن عن أبي صالح السمان عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال العمرة إلى العمرة كفارة لما بينهما والحج المبرور ليس له جزاء إلا الجنة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬২
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال افصلوا بين حجكم وعمرتكم فإن ذلك أتم لحج أحدكم وأتم لعمرته أن يعتمر في غير أشهر الحج.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, হজ্জ ও উমরার মাসে তোমরা ব্যবধান রেখো যাতে হজ্জ ও উমরা উভয়ই সম্পূর্ণরূপে আদায় হতে পারে। এর উপায় হল, হজ্জের মাসে তোমরা উমরা করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, হজ্জ ও উমরার মাসে তোমরা ব্যবধান রেখো যাতে হজ্জ ও উমরা উভয়ই সম্পূর্ণরূপে আদায় হতে পারে। এর উপায় হল, হজ্জের মাসে তোমরা উমরা করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال افصلوا بين حجكم وعمرتكم فإن ذلك أتم لحج أحدكم وأتم لعمرته أن يعتمر في غير أشهر الحج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৬৩
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان كان إذا اعتمر ربما لم يحطط عن راحلته حتى يرجع ১২৬১-قال مالك العمرة سنة ولا نعلم أحدا من المسلمين أرخص في تركها ১২৬২-قال مالك ولا أرى لأحد أن يعتمر في السنة مرارا ১২৬৩-قال مالك في المعتمر يقع بأهله إن عليه في ذلك الهدي وعمرة أخرى يبتدئ بها بعد إتمامه التي أفسدها ويحرم من حيث أحرم بعمرته التي أفسدها إلا أن يكون أحرم من مكان أبعد من ميقاته فليس عليه أن يحرم إلا من ميقاته ১২৬৪-قال مالك ومن دخل مكة بعمرة فطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة وهو جنب أو على غير وضوء ثم وقع بأهله ثم ذكر قال يغتسل أو يتوضأ ثم يعود فيطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ويعتمر عمرة أخرى ويهدي وعلى المرأة إذا أصابها زوجها وهي محرمة مثل ذلك ১২৬৫-قال مالك فأما العمرة من التنعيم فإنه من شاء أن يخرج من الحرم ثم يحرم فإن ذلك مجزئ عنه إن شاء الله ولكن الفضل أن يهل من الميقات الذي وقت رسول الله صلى الله عليه وسلم أو ما هو أبعد من التنعيم.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছিছে যে, উসমান ইবনু আফফান (রা) যখন উমরা করতেন, মদীনায় ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত উট হতে অবতরণ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমরা করা সুন্নত। এমন কোন মুসলমান দেখা যায়নি যিনি এটা পরিত্যাগ করার অনুমতি দেন। মালিক (র) বলেন, একই বৎসরে একাধিক উমরা করা জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে স্ত্রী সহবাস করলে উমরা বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং তাঁর উপর আরেকটি উমরা কাযা ও একটি কুরবানী করা ওয়াজিব হবে। তাই সত্বর তাকে উহার কাযা আদায় করে নেওয়া উচিত। যে স্থান হতে প্রথম উমরার ইহরাম বেঁধেছিল সেই স্থান হতেই তাকে এই কাযা উমরার ইহরাম বাঁধতে হবে, তবে প্রথম উমরার ইহরাম নির্দিষ্ট মীকাতের পূর্বে বেঁধে থাকলে কাযা উমরার ইহরাম মীকাত হতে বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন ব্যক্তি মক্কায় এল এবং জানাবত (গোসল ফরয হওয়া) অবস্থায় বা ওযূ ব্যতিরেকে সে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করল। পরে ভুলবশত স্ত্রীসহবাস করল। অতঃপর উমরার কথা তার মনে পড়ল। তখন সে গোসল বা ওযূ করে পুনরায় তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করবে এবং তদস্থলে অন্য একটি উমরা কাযা করবে ও একটি কুরবানী দেবে। মহিলাও ইহরামরত অবস্থায় তদ্রূপ কিছু করলে তাকেও (পুরুষদের মত) আমল করতে হবে। তান’য়ীম নামক স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধার ব্যাপারে মালিক (র) বলেন, হারাম শরীফ হতে বের হয়ে যে কোন স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধতে পারবে। আল্লাহর ইচ্ছায় এই ইহরামই মুহরিমের জন্য যথেষ্ট। তবে মীকাত হতে ইহরাম বাঁধা উত্তম। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক নির্ধারিত স্থান হতে ইহরাম বাঁধা নিঃসন্দেহে উত্তম এবং তান’য়ীম হতে দূরে অবস্থিত।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছিছে যে, উসমান ইবনু আফফান (রা) যখন উমরা করতেন, মদীনায় ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত উট হতে অবতরণ করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমরা করা সুন্নত। এমন কোন মুসলমান দেখা যায়নি যিনি এটা পরিত্যাগ করার অনুমতি দেন। মালিক (র) বলেন, একই বৎসরে একাধিক উমরা করা জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে স্ত্রী সহবাস করলে উমরা বিনষ্ট হয়ে যাবে এবং তাঁর উপর আরেকটি উমরা কাযা ও একটি কুরবানী করা ওয়াজিব হবে। তাই সত্বর তাকে উহার কাযা আদায় করে নেওয়া উচিত। যে স্থান হতে প্রথম উমরার ইহরাম বেঁধেছিল সেই স্থান হতেই তাকে এই কাযা উমরার ইহরাম বাঁধতে হবে, তবে প্রথম উমরার ইহরাম নির্দিষ্ট মীকাতের পূর্বে বেঁধে থাকলে কাযা উমরার ইহরাম মীকাত হতে বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, উমরার ইহরাম বেঁধে কোন ব্যক্তি মক্কায় এল এবং জানাবত (গোসল ফরয হওয়া) অবস্থায় বা ওযূ ব্যতিরেকে সে তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করল। পরে ভুলবশত স্ত্রীসহবাস করল। অতঃপর উমরার কথা তার মনে পড়ল। তখন সে গোসল বা ওযূ করে পুনরায় তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী করবে এবং তদস্থলে অন্য একটি উমরা কাযা করবে ও একটি কুরবানী দেবে। মহিলাও ইহরামরত অবস্থায় তদ্রূপ কিছু করলে তাকেও (পুরুষদের মত) আমল করতে হবে। তান’য়ীম নামক স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধার ব্যাপারে মালিক (র) বলেন, হারাম শরীফ হতে বের হয়ে যে কোন স্থান হতে উমরার ইহরাম বাঁধতে পারবে। আল্লাহর ইচ্ছায় এই ইহরামই মুহরিমের জন্য যথেষ্ট। তবে মীকাত হতে ইহরাম বাঁধা উত্তম। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক নির্ধারিত স্থান হতে ইহরাম বাঁধা নিঃসন্দেহে উত্তম এবং তান’য়ীম হতে দূরে অবস্থিত।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عثمان بن عفان كان إذا اعتمر ربما لم يحطط عن راحلته حتى يرجع ১২৬১-قال مالك العمرة سنة ولا نعلم أحدا من المسلمين أرخص في تركها ১২৬২-قال مالك ولا أرى لأحد أن يعتمر في السنة مرارا ১২৬৩-قال مالك في المعتمر يقع بأهله إن عليه في ذلك الهدي وعمرة أخرى يبتدئ بها بعد إتمامه التي أفسدها ويحرم من حيث أحرم بعمرته التي أفسدها إلا أن يكون أحرم من مكان أبعد من ميقاته فليس عليه أن يحرم إلا من ميقاته ১২৬৪-قال مالك ومن دخل مكة بعمرة فطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة وهو جنب أو على غير وضوء ثم وقع بأهله ثم ذكر قال يغتسل أو يتوضأ ثم يعود فيطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ويعتمر عمرة أخرى ويهدي وعلى المرأة إذا أصابها زوجها وهي محرمة مثل ذلك ১২৬৫-قال مالك فأما العمرة من التنعيم فإنه من شاء أن يخرج من الحرم ثم يحرم فإن ذلك مجزئ عنه إن شاء الله ولكن الفضل أن يهل من الميقات الذي وقت رسول الله صلى الله عليه وسلم أو ما هو أبعد من التنعيم.