মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জ পালনরত অবস্থায় কোন মহিলা যদি ঋতুমতী হয় তবে সে কি করবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৯

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول المرأة الحائض التي تهل بالحج أو العمرة إنها تهل بحجها أو عمرتها إذا أرادت ولكن لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة وهي تشهد المناسك كلها مع الناس غير أنها لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة ولا تقرب المسجد حتى تطهر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধার পর কোন মহিলার যদি হায়েয হয় তবে (এতে তার ইহরাম, বিনষ্ট হবে না) সে যতদিন ইচ্ছা ‘লাব্বায়কা’ বলতে পারবে। তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী সে করবে না। বাকি আমলসমূহ অন্যদের মতই করে যাবে। পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ, সা’য়ী এবং মসজিদে যাওয়া তার জন্য নিষিদ্ধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধার পর কোন মহিলার যদি হায়েয হয় তবে (এতে তার ইহরাম, বিনষ্ট হবে না) সে যতদিন ইচ্ছা ‘লাব্বায়কা’ বলতে পারবে। তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী সে করবে না। বাকি আমলসমূহ অন্যদের মতই করে যাবে। পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ, সা’য়ী এবং মসজিদে যাওয়া তার জন্য নিষিদ্ধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول المرأة الحائض التي تهل بالحج أو العمرة إنها تهل بحجها أو عمرتها إذا أرادت ولكن لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة وهي تشهد المناسك كلها مع الناس غير أنها لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة ولا تقرب المسجد حتى تطهر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জের মাসসমূহে উমরা করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫০

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر ثلاثا عام الحديبية وعام القضية وعام الجعرانة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনবার উমরা করেছেন, একবার হুদায়বিয়ার বৎসর, আরেকবার উমরাতুল কাযা, আরেকবার উমরা-ই-জি ‘ইররানা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনবার উমরা করেছেন, একবার হুদায়বিয়ার বৎসর, আরেকবার উমরাতুল কাযা, আরেকবার উমরা-ই-জি ‘ইররানা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر ثلاثا عام الحديبية وعام القضية وعام الجعرانة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫১

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يعتمر إلا ثلاثا إحداهن في شوال واثنتين في ذي القعدة.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনবার উমরা করেছেন। এক উমরা শাওয়ালে আর দুই উমরা যিলকদে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনবার উমরা করেছেন। এক উমরা শাওয়ালে আর দুই উমরা যিলকদে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يعتمر إلا ثلاثا إحداهن في شوال واثنتين في ذي القعدة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫২

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة الأسلمي أن رجلا سأل سعيد بن المسيب فقال أعتمر قبل أن أحج فقال سعيد نعم قد اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يحج.

আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) বর্ণনা করেন এক ব্যক্তি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে জিজ্ঞেস করল হজ্জের পূর্বে উমরা আদায় করব কি ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও হজ্জের পূর্বে উমরা করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু হারমালা আসলামী (র) বর্ণনা করেন এক ব্যক্তি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে জিজ্ঞেস করল হজ্জের পূর্বে উমরা আদায় করব কি ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও হজ্জের পূর্বে উমরা করেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن حرملة الأسلمي أن رجلا سأل سعيد بن المسيب فقال أعتمر قبل أن أحج فقال سعيد نعم قد اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يحج.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৩

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن أبي سلمة استأذن عمر بن الخطاب أن يعتمر في شوال فأذن له فاعتمر ثم قفل إلى أهله ولم يحج.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

নিশ্চয় উমার ইবনু আবী সালমা (র) উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট শাওয়াল মাসে উমরা করার অনুমতি চাইলে তিনি অনুমতি দেন। অতঃপর তিনি উমরা আদায় করে হজ্জ না করে বাড়ি ফিরে আসেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

নিশ্চয় উমার ইবনু আবী সালমা (র) উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর নিকট শাওয়াল মাসে উমরা করার অনুমতি চাইলে তিনি অনুমতি দেন। অতঃপর তিনি উমরা আদায় করে হজ্জ না করে বাড়ি ফিরে আসেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن أبي سلمة استأذن عمر بن الخطاب أن يعتمر في شوال فأذن له فاعتمر ثم قفل إلى أهله ولم يحج.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উমরার মধ্যে কোন সময় লাব্বায়কা বলা বন্ধ করা যাবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৪

- حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقطع التلبية في العمرة إذا دخل الحرم ১২৪৪-قال مالك فيمن أحرم من التنعيم إنه يقطع التلبية حين يرى البيت ১২৪৫-قال يحيى سئل مالك عن الرجل يعتمر من بعض المواقيت وهو من أهل المدينة أو غيرهم متى يقطع التلبية قال أما المهل من المواقيت فإنه يقطع التلبية إذا انتهى إلى الحرم قال وبلغني أن عبد الله بن عمر كان يصنع ذلك.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি উমরাতে হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘তান’য়ীম’ (মক্কার অদূরবর্তী হারাম শরীফ বহির্ভূত একটি স্থান) হতে যে ব্যক্তি উমরায় ইহরাম বাঁধবে, বায়তুল্লাহ্ শরীফ দৃষ্টিগোচর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ না করে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মক্কার বাহিরে বসবাসকারী ব্যক্তি ‘মীকাত’ হতে উমরার ইহরাম বেঁধে আসলে কখন তাকে ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতে হবে ? তিনি বললেন, হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর সে উহা বন্ধ করে দেবে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করতেন বলে জানা গিয়েছে।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন তিনি উমরাতে হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ‘তান’য়ীম’ (মক্কার অদূরবর্তী হারাম শরীফ বহির্ভূত একটি স্থান) হতে যে ব্যক্তি উমরায় ইহরাম বাঁধবে, বায়তুল্লাহ্ শরীফ দৃষ্টিগোচর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ না করে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মক্কার বাহিরে বসবাসকারী ব্যক্তি ‘মীকাত’ হতে উমরার ইহরাম বেঁধে আসলে কখন তাকে ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করতে হবে ? তিনি বললেন, হারাম শরীফে প্রবেশ করার পর সে উহা বন্ধ করে দেবে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করতেন বলে জানা গিয়েছে।

- حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يقطع التلبية في العمرة إذا دخل الحرم ১২৪৪-قال مالك فيمن أحرم من التنعيم إنه يقطع التلبية حين يرى البيت ১২৪৫-قال يحيى سئل مالك عن الرجل يعتمر من بعض المواقيت وهو من أهل المدينة أو غيرهم متى يقطع التلبية قال أما المهل من المواقيت فإنه يقطع التلبية إذا انتهى إلى الحرم قال وبلغني أن عبد الله بن عمر كان يصنع ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জে তামাত্তু’

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৬

و حدثني عن مالك عن صدقة بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال والله لأن أعتمر قبل الحج وأهدي أحب إلي من أن أعتمر بعد الحج في ذي الحجة.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর কসম, হজ্জের পূর্বে উমরা করা এবং কুরবানীর পশু সঙ্গে নিয়ে যাওয়া যিলহজ্জ মাসে হজ্জ করে আবার উমরা করা হতে আমার কাছে বেশি প্রিয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহর কসম, হজ্জের পূর্বে উমরা করা এবং কুরবানীর পশু সঙ্গে নিয়ে যাওয়া যিলহজ্জ মাসে হজ্জ করে আবার উমরা করা হতে আমার কাছে বেশি প্রিয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن صدقة بن يسار عن عبد الله بن عمر أنه قال والله لأن أعتمر قبل الحج وأهدي أحب إلي من أن أعتمر بعد الحج في ذي الحجة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৮

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وما استيسر من الهدي فمن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন শাওয়াল, যিলকা’দা ও যিলহজ্জ মাসে উমরা করে যদি কেউ হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থান করে এবং হজ্জ করে নেয় তবে তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। সামর্থ্য থাকলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। অসমর্থ হলে হজ্জের সময় তিনদিন এবং হজ্জের পর বাড়ি ফিরে সাত দিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে বলতে শুনেছেন শাওয়াল, যিলকা’দা ও যিলহজ্জ মাসে উমরা করে যদি কেউ হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থান করে এবং হজ্জ করে নেয় তবে তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। সামর্থ্য থাকলে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে। অসমর্থ হলে হজ্জের সময় তিনদিন এবং হজ্জের পর বাড়ি ফিরে সাত দিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من اعتمر في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وما استيسر من الهدي فمن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৫

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن محمد بن عبد الله بن الحارث بن نوفل بن عبد المطلب أنه حدثه أنه سمع سعد بن أبي وقاص والضحاك بن قيس عام حج معاوية بن أبي سفيان وهما يذكران التمتع بالعمرة إلى الحج فقال الضحاك بن قيس لا يفعل ذلك إلا من جهل أمر الله عز وجل فقال سعد بئس ما قلت يا ابن أخي فقال الضحاك فإن عمر بن الخطاب قد نهى عن ذلك فقال سعد قد صنعها رسول الله صلى الله عليه وسلم وصنعناها معه.

মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হারিস (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওককাস (রা) ও যাহ্‌হাক ইবনু কায়েস (রা)-এর মধ্যে হজ্জে তামাত্তু’ সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল। যাহ্‌হাক (রা) বললেন : আল্লাহ তা’আলার হুকুম-আহকাম সম্পর্কে অজ্ঞ লোকেরাই হজ্জে তামাত্তু’ করে। সা’দ বললেন, ভ্রাতুষ্পত্র, তোমার কথাটা ঠিক হয়নি। যাহ্‌হাক (রা) বললেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হজ্জে তামাত্তু’ করা নিষেধ করেছেন। সা’দ (রা) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে হজ্জে তামাত্তু’ করেছেন আর আমরাও তাঁর সঙ্গে উহা করেছি। (তিরমিযী ৮২২, নাসাঈ ২৭৩৪, উমার (রা) তামাত্তু নিষেধ করেছেন বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত রয়েছে আবূ মূসা (রা) হতে,)

মুহাম্মদ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইবনু হারিস (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু আবি ওককাস (রা) ও যাহ্‌হাক ইবনু কায়েস (রা)-এর মধ্যে হজ্জে তামাত্তু’ সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল। যাহ্‌হাক (রা) বললেন : আল্লাহ তা’আলার হুকুম-আহকাম সম্পর্কে অজ্ঞ লোকেরাই হজ্জে তামাত্তু’ করে। সা’দ বললেন, ভ্রাতুষ্পত্র, তোমার কথাটা ঠিক হয়নি। যাহ্‌হাক (রা) বললেন, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) হজ্জে তামাত্তু’ করা নিষেধ করেছেন। সা’দ (রা) বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে হজ্জে তামাত্তু’ করেছেন আর আমরাও তাঁর সঙ্গে উহা করেছি। (তিরমিযী ৮২২, নাসাঈ ২৭৩৪, উমার (রা) তামাত্তু নিষেধ করেছেন বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত রয়েছে আবূ মূসা (রা) হতে,)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن محمد بن عبد الله بن الحارث بن نوفل بن عبد المطلب أنه حدثه أنه سمع سعد بن أبي وقاص والضحاك بن قيس عام حج معاوية بن أبي سفيان وهما يذكران التمتع بالعمرة إلى الحج فقال الضحاك بن قيس لا يفعل ذلك إلا من جهل أمر الله عز وجل فقال سعد بئس ما قلت يا ابن أخي فقال الضحاك فإن عمر بن الخطاب قد نهى عن ذلك فقال سعد قد صنعها رسول الله صلى الله عليه وسلم وصنعناها معه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৫৭

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: من اعتمر في أشهر الحج في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة قبل الحج ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وعليه ما استيسر من الهدي فإن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع قال مالك وذلك إذا أقام حتى الحج ثم حج من عامه ১২৫قال مالك في رجل من أهل مكة انقطع إلى غيرها وسكن سواها ثم قدم معتمرا في أشهر الحج ثم أقام بمكة حتى أنشأ الحج منها إنه متمتع يجب عليه الهدي أو الصيام إن لم يجد هديا وأنه لا يكون مثل أهل مكة ১২৫১-و سئل مالك عن رجل من غير أهل مكة دخل مكة بعمرة في أشهر الحج وهو يريد الإقامة بمكة حتى ينشئ الحج أمتمتع هو فقال نعم هو متمتع وليس هو مثل أهل مكة وإن أراد الإقامة وذلك أنه دخل مكة وليس هو من أهلها وإنما الهدي أو الصيام على من لم يكن من أهل مكة وأن هذا الرجل يريد الإقامة ولا يدري ما يبدو له بعد ذلك وليس هو من أهل مكة.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

যদি কেউ হজ্জের মাসে অর্থাৎ শাওয়াল, যিলকা’দা, যিলহজ্জ মাসে হজ্জের পূর্বে উমরা আদায় করে মক্কায় এতদিন অবস্থান করে, যতদিনে সে হজ্জই আদায় করতে পারে, তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তার উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। যদি কুরবানী করার সামর্থ্য তার না থাকে তবে মক্কায় অবস্থানকালে তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে আর সাতদিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উক্ত হুকুম তখনই প্রযোজ্য হবে যখন উমরা সমাপন করে হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থানরত থাকবে এবং হজ্জও করবে। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাসিন্দা কোন ব্যক্তি অন্য কোথাও গিয়ে বসতি স্থাপন করল। হজ্জের মাসে সে উমরা করতে এসে মক্কা শরীফে অবস্থান করে হজ্জ সমাধা করল। তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। এই ব্যক্তির উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। কুরবানী করতে না পারলে তাকে রোযা রাখতে হবে। মক্কায় অপরাপর স্থায়ী বাসিন্দার মত তার হুকুম হবে না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল হজ্জের মাসে মক্কার বাহিরের অধিবাসী এক ব্যক্তি উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কায় এল এবং উমরা করে হজ্জ সমাধা করার নিয়তে মক্কায় রয়ে গেল। তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে কি ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, মক্কাবাসীদের মত তার হুকুম হবে না। মক্কায় থাকবার নিয়ত যদিও সে করেছে, কিন্তু সে মক্কায় যখন প্রথম পদাপর্ণ করেছিল তখন সে মক্কার বাসিন্দা ছিল না। সুতরাং কুরবানী দেওয়া এবং কুরবানী দিতে হলে রোযা রাখা এইরূপ ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হবে। এই ব্যক্তি মক্কায় কেবল অবস্থান করার নিয়ত করেছে এবং সামনের ব্যাপার কি হবে তাও সে জানে না। এমতাবস্থায় সে মক্কাবাসী বলে গণ্য হবে না।

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

যদি কেউ হজ্জের মাসে অর্থাৎ শাওয়াল, যিলকা’দা, যিলহজ্জ মাসে হজ্জের পূর্বে উমরা আদায় করে মক্কায় এতদিন অবস্থান করে, যতদিনে সে হজ্জই আদায় করতে পারে, তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তার উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। যদি কুরবানী করার সামর্থ্য তার না থাকে তবে মক্কায় অবস্থানকালে তিনদিন এবং বাড়ি ফিরে আর সাতদিন তাকে রোযা রাখতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উক্ত হুকুম তখনই প্রযোজ্য হবে যখন উমরা সমাপন করে হজ্জ পর্যন্ত মক্কায় অবস্থানরত থাকবে এবং হজ্জও করবে। মালিক (র) বলেন, মক্কার বাসিন্দা কোন ব্যক্তি অন্য কোথাও গিয়ে বসতি স্থাপন করল। হজ্জের মাসে সে উমরা করতে এসে মক্কা শরীফে অবস্থান করে হজ্জ সমাধা করল। তার এই হজ্জ হজ্জে তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে। এই ব্যক্তির উপর কুরবানী করা জরুরী হবে। কুরবানী করতে না পারলে তাকে রোযা রাখতে হবে। মক্কায় অপরাপর স্থায়ী বাসিন্দার মত তার হুকুম হবে না। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল হজ্জের মাসে মক্কার বাহিরের অধিবাসী এক ব্যক্তি উমরার ইহরাম বেঁধে মক্কায় এল এবং উমরা করে হজ্জ সমাধা করার নিয়তে মক্কায় রয়ে গেল। তার এই হজ্জ তামাত্তু’ বলে গণ্য হবে কি ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, মক্কাবাসীদের মত তার হুকুম হবে না। মক্কায় থাকবার নিয়ত যদিও সে করেছে, কিন্তু সে মক্কায় যখন প্রথম পদাপর্ণ করেছিল তখন সে মক্কার বাসিন্দা ছিল না। সুতরাং কুরবানী দেওয়া এবং কুরবানী দিতে হলে রোযা রাখা এইরূপ ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হবে। এই ব্যক্তি মক্কায় কেবল অবস্থান করার নিয়ত করেছে এবং সামনের ব্যাপার কি হবে তাও সে জানে না। এমতাবস্থায় সে মক্কাবাসী বলে গণ্য হবে না।

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: من اعتمر في أشهر الحج في شوال أو ذي القعدة أو في ذي الحجة قبل الحج ثم أقام بمكة حتى يدركه الحج فهو متمتع إن حج وعليه ما استيسر من الهدي فإن لم يجد فصيام ثلاثة أيام في الحج وسبعة إذا رجع قال مالك وذلك إذا أقام حتى الحج ثم حج من عامه ১২৫قال مالك في رجل من أهل مكة انقطع إلى غيرها وسكن سواها ثم قدم معتمرا في أشهر الحج ثم أقام بمكة حتى أنشأ الحج منها إنه متمتع يجب عليه الهدي أو الصيام إن لم يجد هديا وأنه لا يكون مثل أهل مكة ১২৫১-و سئل مالك عن رجل من غير أهل مكة دخل مكة بعمرة في أشهر الحج وهو يريد الإقامة بمكة حتى ينشئ الحج أمتمتع هو فقال نعم هو متمتع وليس هو مثل أهل مكة وإن أراد الإقامة وذلك أنه دخل مكة وليس هو من أهلها وإنما الهدي أو الصيام على من لم يكن من أهل مكة وأن هذا الرجل يريد الإقامة ولا يدري ما يبدو له بعد ذلك وليس هو من أهل مكة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00