মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালবীয়া (লাব্বায়কা) মওকুফ করার সময়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৭

حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي بكر الثقفي أنه سأل أنس بن مالك وهما غاديان من منى إلى عرفة كيف كنتم تصنعون في هذا اليوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان يهل المهل منا فلا ينكر عليه ويكبر المكبر فلا ينكر عليه.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্‌র সাকাফী (র) আনাস ইবনু মালিক (রা)-এর সাথে মিনা হতে আরাফাত ময়দানের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি আনাস (রা)-কে বললেন, আজকের দিনে আপনারা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে কি ধরনের আমল করতেন ? আনাস (রা) বললেন, কেউ কেউ উচ্চৈঃস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলতেন, কেউ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলতে থাকতেন। অথচ কেউ কাউকেও নিষেধ করতেন না। (বুখারী ১৬৫৯, মুসলিম ১২৮৫)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্‌র সাকাফী (র) আনাস ইবনু মালিক (রা)-এর সাথে মিনা হতে আরাফাত ময়দানের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি আনাস (রা)-কে বললেন, আজকের দিনে আপনারা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে কি ধরনের আমল করতেন ? আনাস (রা) বললেন, কেউ কেউ উচ্চৈঃস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলতেন, কেউ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলতে থাকতেন। অথচ কেউ কাউকেও নিষেধ করতেন না। (বুখারী ১৬৫৯, মুসলিম ১২৮৫)

حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي بكر الثقفي أنه سأل أنس بن مالك وهما غاديان من منى إلى عرفة كيف كنتم تصنعون في هذا اليوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان يهل المهل منا فلا ينكر عليه ويكبر المكبر فلا ينكر عليه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৯

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تترك التلبية إذا رجعت إلى الموقف.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রা) যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রা) যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تترك التلبية إذا رجعت إلى الموقف.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৮

و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن علي بن أبي طالب كان يلبي في الحج حتى إذا زاغت الشمس من يوم عرفة قطع التلبية قال يحيى قال مالك وذلك الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا.

জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ

জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন আলী ইবনু আবি তালিব (রা) হজ্জের সময় উচ্চৈঃস্বরে লাব্বায়কা বলতে থাকতেন। তবে আরাফাতের দিন সূর্য যখন হেলে পড়ত তখন লাব্বায়কা বলা মওকুফ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ

জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন আলী ইবনু আবি তালিব (রা) হজ্জের সময় উচ্চৈঃস্বরে লাব্বায়কা বলতে থাকতেন। তবে আরাফাতের দিন সূর্য যখন হেলে পড়ত তখন লাব্বায়কা বলা মওকুফ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن علي بن أبي طالب كان يلبي في الحج حتى إذا زاغت الشمس من يوم عرفة قطع التلبية قال يحيى قال مالك وذلك الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪০

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقطع التلبية في الحج إذا انتهى إلى الحرم حتى يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ثم يلبي حتى يغدو من منى إلى عرفة فإذا غدا ترك التلبية وكان يترك التلبية في العمرة إذا دخل الحرم.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হারাম শরীফে তাওয়াফ ও সায়ী করে ‘লাব্বায়কা’ মওকুফ করে দিতেন। পরে আবার লাব্বায়কা বলা শুরু করতেন এবং মিনা হতে সকালে আরাফাত যাত্রার সময় পর্যন্ত তা পাঠ করতেন। আরাফাতের যাত্রার সময় তিনি তা পুনরায় বন্ধ করতেন। উমরার বেলায় হারাম শরীফে প্রবেশ করেই ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করে দিতেন। (বুখারী ১৫৭৩, মুসলিম ১২৫৯)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হারাম শরীফে তাওয়াফ ও সায়ী করে ‘লাব্বায়কা’ মওকুফ করে দিতেন। পরে আবার লাব্বায়কা বলা শুরু করতেন এবং মিনা হতে সকালে আরাফাত যাত্রার সময় পর্যন্ত তা পাঠ করতেন। আরাফাতের যাত্রার সময় তিনি তা পুনরায় বন্ধ করতেন। উমরার বেলায় হারাম শরীফে প্রবেশ করেই ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করে দিতেন। (বুখারী ১৫৭৩, মুসলিম ১২৫৯)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقطع التلبية في الحج إذا انتهى إلى الحرم حتى يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ثم يلبي حتى يغدو من منى إلى عرفة فإذا غدا ترك التلبية وكان يترك التلبية في العمرة إذا دخل الحرم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪১

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول كان عبد الله بن عمر لا يلبي وهو يطوف بالبيت.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তাওয়াফ করার সময় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) ‘লাব্বায়কা’ বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

তাওয়াফ করার সময় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) ‘লাব্বায়কা’ বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول كان عبد الله بن عمر لا يلبي وهو يطوف بالبيت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪২

و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه عن عائشة أم المؤمنين أنها كانت تنزل من عرفة بنمرة ثم تحولت إلى الأراك قالت وكانت عائشة تهل ما كانت في منزلها ومن كان معها فإذا ركبت فتوجهت إلى الموقف تركت الإهلال قالت وكانت عائشة تعتمر بعد الحج من مكة في ذي الحجة ثم تركت ذلك فكانت تخرج قبل هلال المحرم حتى تأتي الجحفة فتقيم بها حتى ترى الهلال فإذا رأت الهلال أهلت بعمرة.

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আরাফাত ময়দানে প্রথমে ‘নামিরা’ নামক স্থানে অবস্থান করতেন, পরে ‘আরাক’ নামক স্থানে অবস্থান করা শুরু করেন। আয়েশা (রা) যতক্ষণ মনযিলে অবস্থান করতেন ততক্ষণ তিনি ও তাঁর সঙ্গীগণ ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করতে থাকতেন। যখন আরাফাতের দিকে যাত্রার জন্য সওয়ার হতেন তখন উহা বন্ধ করে দিতেন। আয়েশা (রা) প্রথমে হজ্জের পর যিলহজ্জ মাসেই মক্কা হতে ইহরাম বেঁধে উমরা করতেন, পরে উহা ত্যাগ করে মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পূর্বে জুহফা এসে অবস্থান করতেন এবং মুহাররম মাসের চাঁদ উঠলে উমরার ইহরাম বাঁধতেন। [২] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আরাফাত ময়দানে প্রথমে ‘নামিরা’ নামক স্থানে অবস্থান করতেন, পরে ‘আরাক’ নামক স্থানে অবস্থান করা শুরু করেন। আয়েশা (রা) যতক্ষণ মনযিলে অবস্থান করতেন ততক্ষণ তিনি ও তাঁর সঙ্গীগণ ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করতে থাকতেন। যখন আরাফাতের দিকে যাত্রার জন্য সওয়ার হতেন তখন উহা বন্ধ করে দিতেন। আয়েশা (রা) প্রথমে হজ্জের পর যিলহজ্জ মাসেই মক্কা হতে ইহরাম বেঁধে উমরা করতেন, পরে উহা ত্যাগ করে মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পূর্বে জুহফা এসে অবস্থান করতেন এবং মুহাররম মাসের চাঁদ উঠলে উমরার ইহরাম বাঁধতেন। [২] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه عن عائشة أم المؤمنين أنها كانت تنزل من عرفة بنمرة ثم تحولت إلى الأراك قالت وكانت عائشة تهل ما كانت في منزلها ومن كان معها فإذا ركبت فتوجهت إلى الموقف تركت الإهلال قالت وكانت عائشة تعتمر بعد الحج من مكة في ذي الحجة ثم تركت ذلك فكانت تخرج قبل هلال المحرم حتى تأتي الجحفة فتقيم بها حتى ترى الهلال فإذا رأت الهلال أهلت بعمرة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৩

- و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن عبد العزيز غدا يوم عرفة من منى فسمع التكبير عاليا فبعث الحرس يصيحون في الناس أيها الناس إنها التلبية.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখ মিনা হতে সকালে আরাফাত ময়দানের দিকে যাত্রা করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলার আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন তিনি কতিপয় সিপাহীকে এ কথা ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন যে, এখনই ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করার সময়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখ মিনা হতে সকালে আরাফাত ময়দানের দিকে যাত্রা করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলার আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন তিনি কতিপয় সিপাহীকে এ কথা ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন যে, এখনই ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করার সময়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

- و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن عبد العزيز غدا يوم عرفة من منى فسمع التكبير عاليا فبعث الحرس يصيحون في الناس أيها الناس إنها التلبية.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানকারী বহিরাগত লোকদের ইহরাম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৫

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن عبد الله بن الزبير أقام بمكة تسع سنين وهو يهل بالحج لهلال ذي الحجة وعروة بن الزبير معه يفعل ذلك ১২২৪-قال يحيى قال مالك وإنما يهل أهل مكة وغيرهم بالحج إذا كانوا بها ومن كان مقيما بمكة من غير أهلها من جوف مكة لا يخرج من الحرم ১২২৫-قال يحيى قال مالك ومن أهل من مكة بالحج فليؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى وكذلك صنع عبد الله بن عمر ১২২৬-و سئل مالك عمن أهل بالحج من أهل المدينة أو غيرهم من مكة لهلال ذي الحجة كيف يصنع بالطواف قال أما الطواف الواجب فليؤخره وهو الذي يصل بينه وبين السعي بين الصفا والمروة وليطف ما بدا له وليصل ركعتين كلما طاف سبعا وقد فعل ذلك أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذين أهلوا بالحج فأخروا الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى رجعوا من منى وفعل ذلك عبد الله بن عمر فكان يهل لهلال ذي الحجة بالحج من مكة ويؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى ১২২৭- و سئل مالك عن رجل من أهل مكة هل يهل من جوف مكة بعمرة قال بل يخرج إلى الحل فيحرم منه.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) নয় বৎসর মক্কায় ছিলেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলেই তিনি ইহরাম বেঁধে নিতেন। উরওয়াহ্ও তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানরত অন্যান্য স্থানের বাসিন্দাগণ হারাম শরীফ হতেই ইহরাম বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, মক্কা হতে যারা ইহরাম বাঁধবে তারা মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করবে না। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করেছিলেন। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মদীনাবাসী এবং মক্কার বাহিরের কোন লোক যদি মক্কায় অবস্থান কালে মক্কা হতে যিলহজ্জ মাসে ইহরাম বাঁধে তবে তাওয়াফে যিয়ারত সম্পর্কে কি করবে? তিনি বললেন, তাওয়াফে ইফাযা বা তাওয়াফে যিয়ারত তখন করবে না। নফল তাওয়াফ যত ইচ্ছা তত করতে পারে। তবে প্রতি তাওয়াফের পর দুই রাক’আত নামায পড়ে নিবে। যে সকল সাহাবী মক্কা হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরাও তদ্রূপ করেছিলেন। তাঁরা মিনা হতে ফিরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সায়ী করেননি। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তাই করতেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর তিনি মক্কা হতে ইহরাম বাঁধতেন এবং মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তিনি তাওয়াফ ও সায়ী করতেন না। মালিক (র)-কে মক্কাবাসী কোন ব্যক্তি উমরার জন্য ইহরাম কোথা হতে বাঁধবে তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হারাম শরীফ হতে উমরার ইহরাম বাঁধা মক্কাবাসীদের জন্য জায়েয নয়। তারা হারামের বাহির হতে ইহরাম বেঁধে আসবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) নয় বৎসর মক্কায় ছিলেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলেই তিনি ইহরাম বেঁধে নিতেন। উরওয়াহ্ও তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানরত অন্যান্য স্থানের বাসিন্দাগণ হারাম শরীফ হতেই ইহরাম বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, মক্কা হতে যারা ইহরাম বাঁধবে তারা মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করবে না। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করেছিলেন। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মদীনাবাসী এবং মক্কার বাহিরের কোন লোক যদি মক্কায় অবস্থান কালে মক্কা হতে যিলহজ্জ মাসে ইহরাম বাঁধে তবে তাওয়াফে যিয়ারত সম্পর্কে কি করবে? তিনি বললেন, তাওয়াফে ইফাযা বা তাওয়াফে যিয়ারত তখন করবে না। নফল তাওয়াফ যত ইচ্ছা তত করতে পারে। তবে প্রতি তাওয়াফের পর দুই রাক’আত নামায পড়ে নিবে। যে সকল সাহাবী মক্কা হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরাও তদ্রূপ করেছিলেন। তাঁরা মিনা হতে ফিরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সায়ী করেননি। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তাই করতেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর তিনি মক্কা হতে ইহরাম বাঁধতেন এবং মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তিনি তাওয়াফ ও সায়ী করতেন না। মালিক (র)-কে মক্কাবাসী কোন ব্যক্তি উমরার জন্য ইহরাম কোথা হতে বাঁধবে তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হারাম শরীফ হতে উমরার ইহরাম বাঁধা মক্কাবাসীদের জন্য জায়েয নয়। তারা হারামের বাহির হতে ইহরাম বেঁধে আসবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن عبد الله بن الزبير أقام بمكة تسع سنين وهو يهل بالحج لهلال ذي الحجة وعروة بن الزبير معه يفعل ذلك ১২২৪-قال يحيى قال مالك وإنما يهل أهل مكة وغيرهم بالحج إذا كانوا بها ومن كان مقيما بمكة من غير أهلها من جوف مكة لا يخرج من الحرم ১২২৫-قال يحيى قال مالك ومن أهل من مكة بالحج فليؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى وكذلك صنع عبد الله بن عمر ১২২৬-و سئل مالك عمن أهل بالحج من أهل المدينة أو غيرهم من مكة لهلال ذي الحجة كيف يصنع بالطواف قال أما الطواف الواجب فليؤخره وهو الذي يصل بينه وبين السعي بين الصفا والمروة وليطف ما بدا له وليصل ركعتين كلما طاف سبعا وقد فعل ذلك أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذين أهلوا بالحج فأخروا الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى رجعوا من منى وفعل ذلك عبد الله بن عمر فكان يهل لهلال ذي الحجة بالحج من مكة ويؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى ১২২৭- و سئل مالك عن رجل من أهل مكة هل يهل من جوف مكة بعمرة قال بل يخرج إلى الحل فيحرم منه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৪

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال يا أهل مكة ما شأن الناس يأتون شعثا وأنتم مدهنون أهلوا إذا رأيتم الهلال.

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) মক্কাবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে মক্কাবাসী! অন্যান্য মানুষ এই সময় উষ্কখুষ্ক চুল ও অপরিপাটি অবস্থায় এখানে আগমন করে, আর তোমরা চুলের তেল মর্দন করে পরিপাটি হয়ে থাক। যিলহজ্জের চাঁদ উঠলে তোমরাও ইহরাম বেঁধে নিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) মক্কাবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে মক্কাবাসী! অন্যান্য মানুষ এই সময় উষ্কখুষ্ক চুল ও অপরিপাটি অবস্থায় এখানে আগমন করে, আর তোমরা চুলের তেল মর্দন করে পরিপাটি হয়ে থাক। যিলহজ্জের চাঁদ উঠলে তোমরাও ইহরাম বেঁধে নিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال يا أهل مكة ما شأن الناس يأتون شعثا وأنتم مدهنون أهلوا إذا رأيتم الهلال.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হাদ্‌য়ী-র গলায় কিছু লটকালেই কেউ মুহরিম হয়ে যায় না

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৭

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سألت عمرة بنت عبد الرحمن عن الذي يبعث بهديه ويقيم هل يحرم عليه شيء فأخبرتني أنها سمعت عائشة تقول لا يحرم إلا من أهل ولبى.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

‘আমরা বিনত আবদুর রহমান (র)-কে জিজ্ঞেস করলাম যদি কেউ মক্কায় হাদয়ী বা কুরবানীর উদ্দেশ্যে পশু প্রেরণ করে কিন্তু নিজে সঙ্গে না যায় তবে তার উপরও কি কোন বিষয় হারাম হবে ? তিনি বললেন, আমি আয়েশা (রা)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি ইহরাম বেঁধেছে এবং লাব্বায়কা পাঠ করেছে কেবল তাকেই মুহরিম বলা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

‘আমরা বিনত আবদুর রহমান (র)-কে জিজ্ঞেস করলাম যদি কেউ মক্কায় হাদয়ী বা কুরবানীর উদ্দেশ্যে পশু প্রেরণ করে কিন্তু নিজে সঙ্গে না যায় তবে তার উপরও কি কোন বিষয় হারাম হবে ? তিনি বললেন, আমি আয়েশা (রা)-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি ইহরাম বেঁধেছে এবং লাব্বায়কা পাঠ করেছে কেবল তাকেই মুহরিম বলা যায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سألت عمرة بنت عبد الرحمن عن الذي يبعث بهديه ويقيم هل يحرم عليه شيء فأخبرتني أنها سمعت عائشة تقول لا يحرم إلا من أهل ولبى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৬

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أن زياد بن أبي سفيان كتب إلى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن عبد الله بن عباس قال من أهدى هديا حرم عليه ما يحرم على الحاج حتى ينحر الهدي وقد بعثت بهدي فاكتبي إلي بأمرك أو مري صاحب الهدي قالت عمرة قالت عائشة ليس كما قال ابن عباس أنا فتلت قلائد هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدي ثم قلدها رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده ثم بعث بها رسول الله صلى الله عليه وسلم مع أبي فلم يحرم على رسول الله صلى الله عليه وسلم شيء أحله الله له حتى نحر الهدي.

‘আমরা বিনত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

যিয়াদ ইবনু আবূ সুফইয়ান নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা)-এর নিকট চিঠি লিখলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) বলেন, যবেহ না হওয়া পর্যন্ত কুরবানীর উদ্দেশ্যে মক্কায় পশু প্রেরণকারীর উপর ইহরাম পালনরত ব্যক্তির মত সকল জিনিস হারাম হয়ে যায়। আমি আপনার নিকট পশু [১] (হাদ্‌য়ী) প্রেরণ করলাম। আশা করি, উক্ত পশুর সাথে প্রেরিত ব্যক্তির নিকট অথবা পত্রযোগে আমাকে উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ফতওয়া জানাবেন। ‘আমরা বলেন, আয়েশা (রা) বললেন, ইবনু আব্বাস (রা) যা বলেছেন তা ঠিক নয়। আমি নিজের হাতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক প্রেরিত পশুর রশি পাকিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে তা উহার গলায় পরিয়ে আমার পিতার সাথে উহা মক্কায় প্রেরণ করেছিলেন। অথচ উক্ত পশুটি যবেহ হওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যেও কোন হালাল জিনিস রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য হারাম হয়নি। (বুখারী ১৭০০, মুসলিম ১৩২১)

‘আমরা বিনত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

যিয়াদ ইবনু আবূ সুফইয়ান নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা)-এর নিকট চিঠি লিখলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) বলেন, যবেহ না হওয়া পর্যন্ত কুরবানীর উদ্দেশ্যে মক্কায় পশু প্রেরণকারীর উপর ইহরাম পালনরত ব্যক্তির মত সকল জিনিস হারাম হয়ে যায়। আমি আপনার নিকট পশু [১] (হাদ্‌য়ী) প্রেরণ করলাম। আশা করি, উক্ত পশুর সাথে প্রেরিত ব্যক্তির নিকট অথবা পত্রযোগে আমাকে উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ফতওয়া জানাবেন। ‘আমরা বলেন, আয়েশা (রা) বললেন, ইবনু আব্বাস (রা) যা বলেছেন তা ঠিক নয়। আমি নিজের হাতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক প্রেরিত পশুর রশি পাকিয়েছিলাম। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে তা উহার গলায় পরিয়ে আমার পিতার সাথে উহা মক্কায় প্রেরণ করেছিলেন। অথচ উক্ত পশুটি যবেহ হওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যেও কোন হালাল জিনিস রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য হারাম হয়নি। (বুখারী ১৭০০, মুসলিম ১৩২১)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أن زياد بن أبي سفيان كتب إلى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن عبد الله بن عباس قال من أهدى هديا حرم عليه ما يحرم على الحاج حتى ينحر الهدي وقد بعثت بهدي فاكتبي إلي بأمرك أو مري صاحب الهدي قالت عمرة قالت عائشة ليس كما قال ابن عباس أنا فتلت قلائد هدي رسول الله صلى الله عليه وسلم بيدي ثم قلدها رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده ثم بعث بها رسول الله صلى الله عليه وسلم مع أبي فلم يحرم على رسول الله صلى الله عليه وسلم شيء أحله الله له حتى نحر الهدي.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৮

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن ربيعة بن عبد الله بن الهدير أنه رأى رجلا متجردا بالعراق فسأل الناس عنه فقالوا إنه أمر بهديه أن يقلد فلذلك تجرد قال ربيعة فلقيت عبد الله بن الزبير فذكرت له ذلك فقال بدعة ورب الكعبة ১২৩২-و سئل مالك عمن خرج بهدي لنفسه فأشعره وقلده بذي الحليفة ولم يحرم هو حتى جاء الجحفة قال لا أحب ذلك ولم يصب من فعله ولا ينبغي له أن يقلد الهدي ولا يشعره إلا عند الإهلال إلا رجل لا يريد الحج فيبعث به ويقيم في أهله ১২৩৩-و سئل مالك هل يخرج بالهدي غير محرم فقال نعم لا بأس بذلك ১২৩৪-و سئل أيضا عما اختلف فيه الناس من الإحرام لتقليد الهدي ممن لا يريد الحج ولا العمرة فقال الأمر عندنا الذي نأخذ به في ذلك قول عائشة أم المؤمنين إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث بهديه ثم أقام فلم يحرم عليه شيء مما أحله الله له حتى نحر هديه.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

রবী’আ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু হুদায়র (র) একবার ইরাকে এক ব্যক্তিকে সেলাইবিহীন কাপড় পরিহিত দেখে জানতে পারলেন যে, এই ব্যক্তি কুরবানীর উদ্দেশ্যে মক্কায় প্রেরিত পশুর গলায় হাড় লটকিয়ে দিয়েছে। তাই সে সেলাইযুক্ত কাপড় খুলে ফেলেছে। রবী’আ বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে এই ঘটনা তাঁকে জানালে তিনি বললেন, কা’বার মালিকের কসম, উহা বিদআত (উহা ঠিক নয়)। ইয়হইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল এক ব্যক্তি নিজে কুরবানীর পশু নিয়ে ঘর হতে বের হল, নিজে তা ইশ্’আর [১] করে যুল-হুলায়ফায় উহার গলায় হাড় লটকাল; কিন্তু জুহফায় গিয়ে সে ইহরাম বাঁধল। ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে আপনি কি বলেন, তিনি বললেন, তার জন্য এটা ঠিক হয়নি। নিজে ইহরাম বেঁধে ইশ্’আর ও তাকলীদ করা তার উচিত ছিল। যে ব্যক্তি পশুর সাথে নিজে যেতে না চায় বরং বাড়িতে থাকতে চায়, সে ইহরাম না বেঁধেই তা পাঠিয়ে দেবে। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল ইহরাম না বেঁধে কেউ হাদয়ী বা মক্কায় প্রেরিতব্য কুরবানী পশু নিয়ে বের হতে পারবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এতে দোষের কিছু নেই। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বা হাড় পরিয়ে মক্কায় পাঠিয়ে দিলে ঐ পশুর মালিক কি মুহরিম গণ্য হবে এই বিষয়ে আলিমগণের মতপার্থক্য রয়েছে। আপনার কি মত ? তিনি বললেন, এই বিষয়ে আমি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) বর্ণিত হাদীসটি গ্রহণ করে থাকি। আয়েশা (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় কুরবানীর পশু প্রেরণ করেছিলেন, কিন্তু নিজে যাননি অথচ কোন জিনিস তাঁর জন্য হারাম হয়নি। আল্লাহ তায়ালা তাঁর জন্য হালাল করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

রবী’আ ইবনু আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু হুদায়র (র) একবার ইরাকে এক ব্যক্তিকে সেলাইবিহীন কাপড় পরিহিত দেখে জানতে পারলেন যে, এই ব্যক্তি কুরবানীর উদ্দেশ্যে মক্কায় প্রেরিত পশুর গলায় হাড় লটকিয়ে দিয়েছে। তাই সে সেলাইযুক্ত কাপড় খুলে ফেলেছে। রবী’আ বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে এই ঘটনা তাঁকে জানালে তিনি বললেন, কা’বার মালিকের কসম, উহা বিদআত (উহা ঠিক নয়)। ইয়হইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল এক ব্যক্তি নিজে কুরবানীর পশু নিয়ে ঘর হতে বের হল, নিজে তা ইশ্’আর [১] করে যুল-হুলায়ফায় উহার গলায় হাড় লটকাল; কিন্তু জুহফায় গিয়ে সে ইহরাম বাঁধল। ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে আপনি কি বলেন, তিনি বললেন, তার জন্য এটা ঠিক হয়নি। নিজে ইহরাম বেঁধে ইশ্’আর ও তাকলীদ করা তার উচিত ছিল। যে ব্যক্তি পশুর সাথে নিজে যেতে না চায় বরং বাড়িতে থাকতে চায়, সে ইহরাম না বেঁধেই তা পাঠিয়ে দেবে। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল ইহরাম না বেঁধে কেউ হাদয়ী বা মক্কায় প্রেরিতব্য কুরবানী পশু নিয়ে বের হতে পারবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এতে দোষের কিছু নেই। মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বা হাড় পরিয়ে মক্কায় পাঠিয়ে দিলে ঐ পশুর মালিক কি মুহরিম গণ্য হবে এই বিষয়ে আলিমগণের মতপার্থক্য রয়েছে। আপনার কি মত ? তিনি বললেন, এই বিষয়ে আমি উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) বর্ণিত হাদীসটি গ্রহণ করে থাকি। আয়েশা (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মক্কায় কুরবানীর পশু প্রেরণ করেছিলেন, কিন্তু নিজে যাননি অথচ কোন জিনিস তাঁর জন্য হারাম হয়নি। আল্লাহ তায়ালা তাঁর জন্য হালাল করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن ربيعة بن عبد الله بن الهدير أنه رأى رجلا متجردا بالعراق فسأل الناس عنه فقالوا إنه أمر بهديه أن يقلد فلذلك تجرد قال ربيعة فلقيت عبد الله بن الزبير فذكرت له ذلك فقال بدعة ورب الكعبة ১২৩২-و سئل مالك عمن خرج بهدي لنفسه فأشعره وقلده بذي الحليفة ولم يحرم هو حتى جاء الجحفة قال لا أحب ذلك ولم يصب من فعله ولا ينبغي له أن يقلد الهدي ولا يشعره إلا عند الإهلال إلا رجل لا يريد الحج فيبعث به ويقيم في أهله ১২৩৩-و سئل مالك هل يخرج بالهدي غير محرم فقال نعم لا بأس بذلك ১২৩৪-و سئل أيضا عما اختلف فيه الناس من الإحرام لتقليد الهدي ممن لا يريد الحج ولا العمرة فقال الأمر عندنا الذي نأخذ به في ذلك قول عائشة أم المؤمنين إن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث بهديه ثم أقام فلم يحرم عليه شيء مما أحله الله له حتى نحر هديه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জ পালনরত অবস্থায় কোন মহিলা যদি ঋতুমতী হয় তবে সে কি করবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৯

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول المرأة الحائض التي تهل بالحج أو العمرة إنها تهل بحجها أو عمرتها إذا أرادت ولكن لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة وهي تشهد المناسك كلها مع الناس غير أنها لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة ولا تقرب المسجد حتى تطهر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধার পর কোন মহিলার যদি হায়েয হয় তবে (এতে তার ইহরাম, বিনষ্ট হবে না) সে যতদিন ইচ্ছা ‘লাব্বায়কা’ বলতে পারবে। তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী সে করবে না। বাকি আমলসমূহ অন্যদের মতই করে যাবে। পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ, সা’য়ী এবং মসজিদে যাওয়া তার জন্য নিষিদ্ধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, হজ্জ বা উমরার ইহরাম বাঁধার পর কোন মহিলার যদি হায়েয হয় তবে (এতে তার ইহরাম, বিনষ্ট হবে না) সে যতদিন ইচ্ছা ‘লাব্বায়কা’ বলতে পারবে। তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সা’য়ী সে করবে না। বাকি আমলসমূহ অন্যদের মতই করে যাবে। পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত তাওয়াফ, সা’য়ী এবং মসজিদে যাওয়া তার জন্য নিষিদ্ধ। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول المرأة الحائض التي تهل بالحج أو العمرة إنها تهل بحجها أو عمرتها إذا أرادت ولكن لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة وهي تشهد المناسك كلها مع الناس غير أنها لا تطوف بالبيت ولا بين الصفا والمروة ولا تقرب المسجد حتى تطهر.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00