মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জে ইফরাদ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩১
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أفرد الحج.
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জে ইফরাদ আদায় করেছিলেন। [১] (সহীহ, মুসিলম ১২১১)
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জে ইফরাদ আদায় করেছিলেন। [১] (সহীহ, মুসিলম ১২১১)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أفرد الحج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩২
و حدثني عن مالك عن أبي الأسود محمد بن عبد الرحمن قال وكان يتيما في حجر عروة بن الزبير عن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أفرد الحج.
উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র উম্মুল মু’মিনীর আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জে-ইফরাদ’ আদায় করেছেন। (সহীহ, হাদীসটি মূলত মুত্তাফাক আলাইহি, ইতি পূর্বে এরূপ বর্ণনা অতিবাহিত হয়েছে)
উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র উম্মুল মু’মিনীর আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয়ই রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জে-ইফরাদ’ আদায় করেছেন। (সহীহ, হাদীসটি মূলত মুত্তাফাক আলাইহি, ইতি পূর্বে এরূপ বর্ণনা অতিবাহিত হয়েছে)
و حدثني عن مالك عن أبي الأسود محمد بن عبد الرحمن قال وكان يتيما في حجر عروة بن الزبير عن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أفرد الحج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৩
-و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم يقولون من أهل بحج مفرد ثم بدا له أن يهل بعده بعمرة فليس له ذلك قال مالك وذلك الذي أدركت عليه أهل العلم ببلدنا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
বিজ্ঞ আলিমগণের নিকট শুনেছি, তাঁরা বলতেন কেউ হজ্জের ইফরাদের ইহরাম করলে তার জন্য উমরার ইহরাম বাঁধা জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, আমি এই শহরের (মদীনা শরীফ) আলিমগণকে উক্তরূপ অভিমত পোষণ করতে দেখেছি।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
বিজ্ঞ আলিমগণের নিকট শুনেছি, তাঁরা বলতেন কেউ হজ্জের ইফরাদের ইহরাম করলে তার জন্য উমরার ইহরাম বাঁধা জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন, আমি এই শহরের (মদীনা শরীফ) আলিমগণকে উক্তরূপ অভিমত পোষণ করতে দেখেছি।
-و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم يقولون من أهل بحج مفرد ثم بدا له أن يهل بعده بعمرة فليس له ذلك قال مالك وذلك الذي أدركت عليه أهل العلم ببلدنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩০
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الأسود محمد بن عبد الرحمن عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع فمنا من أهل بعمرة ومنا من أهل بحجة وعمرة ومنا من أهل بالحج وأهل رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحج فأما من أهل بعمرة فحل وأما من أهل بحج أو جمع الحج والعمرة فلم يحلوا حتى كان يوم النحر.
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
(হাজ্জাতুল বিদা) বিদায় হজ্জের সময় আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে রওয়ানা হলাম। আমাদের মধ্যে কেউ শুধু উমরার, আর কেউ কেউ উমরা ও হজ্জ উভয়ের, আর কেউ শুধু হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে বেঁধেছিলেন শুধু হজ্জের ইহরাম। সুতরাং যারা শুধু উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরা উমরা করেই ইহরাম খুলে ফেলেছেন। আর যাঁরা হজ্জ ও উমরা উভয়ের বা শুধু হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরা দশ তারিখ পর্যন্ত আর ইহরাম খুলেননি। (বুখারী ১৫৬২, মুসলিম ১২১১)
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
(হাজ্জাতুল বিদা) বিদায় হজ্জের সময় আমরা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে রওয়ানা হলাম। আমাদের মধ্যে কেউ শুধু উমরার, আর কেউ কেউ উমরা ও হজ্জ উভয়ের, আর কেউ শুধু হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে বেঁধেছিলেন শুধু হজ্জের ইহরাম। সুতরাং যারা শুধু উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরা উমরা করেই ইহরাম খুলে ফেলেছেন। আর যাঁরা হজ্জ ও উমরা উভয়ের বা শুধু হজ্জের ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরা দশ তারিখ পর্যন্ত আর ইহরাম খুলেননি। (বুখারী ১৫৬২, মুসলিম ১২১১)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الأسود محمد بن عبد الرحمن عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت: خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع فمنا من أهل بعمرة ومنا من أهل بحجة وعمرة ومنا من أهل بالحج وأهل رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحج فأما من أهل بعمرة فحل وأما من أهل بحج أو جمع الحج والعمرة فلم يحلوا حتى كان يوم النحر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জে কিরান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৫
و حدثني عن مالك عن محمد بن عبد الرحمن عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع خرج إلى الحج فمن أصحابه من أهل بحج ومنهم من جمع الحج والعمرة ومنهم من أهل بعمرة فقط فأما من أهل بحج أو جمع الحج والعمرة فلم يحلل وأما من كان أهل بعمرة فحلوا.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জের উদ্দেশ্যে যখন রওয়ানা হন তখন সাহাবীদের মধ্যে কেউ কেউ কেবল হজ্জের, আর কেউ কেউ হজ্জ ও উমরা উভয়ের, আর কেউ কেউ কেবল উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন। যাঁরা হজ্জ ও উমরা উভয়ের বা কেবল হজ্জের নিয়ত করেছিলেন, তাঁরা ইহরাম খোলেননি, আর যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরা উমরা আদায় করে ইহরাম খুলে ফেলেছিলেন। (হাদীসটি পূর্বে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করা হয়েছে। ইবনু উমার (রা) থেকে ইমাম বুখারী বর্ণনা করেন ১৮০৬, মুসলিম ১২৩০, আর রসূল এর বাণী ==== অত্র অংশ ইমাম বুখারী ১৫৫৬ নং হাদীসে ইমাম মুসলিম ১২১১, নং হাদীস বর্ণনা করেন)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হজ্জের উদ্দেশ্যে যখন রওয়ানা হন তখন সাহাবীদের মধ্যে কেউ কেউ কেবল হজ্জের, আর কেউ কেউ হজ্জ ও উমরা উভয়ের, আর কেউ কেউ কেবল উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন। যাঁরা হজ্জ ও উমরা উভয়ের বা কেবল হজ্জের নিয়ত করেছিলেন, তাঁরা ইহরাম খোলেননি, আর যারা উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরা উমরা আদায় করে ইহরাম খুলে ফেলেছিলেন। (হাদীসটি পূর্বে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করা হয়েছে। ইবনু উমার (রা) থেকে ইমাম বুখারী বর্ণনা করেন ১৮০৬, মুসলিম ১২৩০, আর রসূল এর বাণী ==== অত্র অংশ ইমাম বুখারী ১৫৫৬ নং হাদীসে ইমাম মুসলিম ১২১১, নং হাদীস বর্ণনা করেন)
و حدثني عن مالك عن محمد بن عبد الرحمن عن سليمان بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع خرج إلى الحج فمن أصحابه من أهل بحج ومنهم من جمع الحج والعمرة ومنهم من أهل بعمرة فقط فأما من أهل بحج أو جمع الحج والعمرة فلم يحلل وأما من كان أهل بعمرة فحلوا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৪
حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن المقداد بن الأسود دخل على علي بن أبي طالب بالسقيا وهو ينجع بكرات له دقيقا وخبطا فقال هذا عثمان بن عفان ينهى عن أن يقرن بين الحج والعمرة فخرج علي بن أبي طالب وعلى يديه أثر الدقيق والخبط فما أنسى أثر الدقيق والخبط على ذراعيه حتى دخل على عثمان بن عفان فقال أنت تنهى عن أن يقرن بين الحج والعمرة فقال عثمان ذلك رأيي فخرج علي مغضبا وهو يقول لبيك اللهم لبيك بحجة وعمرة معا. قال مالك الأمر عندنا أن من قرن الحج والعمرة لم يأخذ من شعره شيئا ولم يحلل من شيء حتى ينحر هديا إن كان معه ويحل بمنى يوم النحر.
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন মিকদাদ ইব্নু আসওয়াদ (রা) সুক্ইয়াতে [১] আলী ইবনু আবূ তালিব (রা)-এর নিকট আসলেন। আলী (রা) তখন উটের বাচ্চাগুলোকে পানিতে গোলা আটা এবং ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন। মিকদাদ (রা) বললেন, উসমান ইবনু আফফান (রা) হজ্জে কিরান করতে নিষেধ করতেছেন। এটা শুনে আলী (রা) ঐ অবস্থায়ই উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে গেলেন। তখনও তাঁর হাতে আটা লেগেছিল। আজ পর্যন্ত আমি তাঁর হাতের আটার দাগ ভুলতে পারিনি। তিনি উসমান (রা)-এর নিকট গিয়ে বললেন, আপনি হজ্জে কিরান নিষেধ করেন ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এটা আমার মত। আলী (রা) ক্রোধান্বিত হয়ে বের হয়ে গেলেন এবং বললেন, لَبَّيْكَ اللهُمَّ لَبَّيْكَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ مَعًا. ‘হে আল্লাহ্, আমি হজ্জ ও উমরা উভয়ের এক সঙ্গে তালবিয়া পাঠ করলাম। [২] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, হজ্জে কিরানের ইহরামকারী ব্যক্তি দশ তারিখে কুরবানীর পশু যবেহ না করা (তার সঙ্গে পশু هَدْيً থাকলে) এবং মিনায় গিয়ে ইহরাম না খোলা পর্যন্ত নিজের চুল কাটবে না। এবং ইহরাম অবস্থায় যা নিষিদ্ধ তা করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন মিকদাদ ইব্নু আসওয়াদ (রা) সুক্ইয়াতে [১] আলী ইবনু আবূ তালিব (রা)-এর নিকট আসলেন। আলী (রা) তখন উটের বাচ্চাগুলোকে পানিতে গোলা আটা এবং ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন। মিকদাদ (রা) বললেন, উসমান ইবনু আফফান (রা) হজ্জে কিরান করতে নিষেধ করতেছেন। এটা শুনে আলী (রা) ঐ অবস্থায়ই উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে গেলেন। তখনও তাঁর হাতে আটা লেগেছিল। আজ পর্যন্ত আমি তাঁর হাতের আটার দাগ ভুলতে পারিনি। তিনি উসমান (রা)-এর নিকট গিয়ে বললেন, আপনি হজ্জে কিরান নিষেধ করেন ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, এটা আমার মত। আলী (রা) ক্রোধান্বিত হয়ে বের হয়ে গেলেন এবং বললেন, لَبَّيْكَ اللهُمَّ لَبَّيْكَ بِحَجَّةٍ وَعُمْرَةٍ مَعًا. ‘হে আল্লাহ্, আমি হজ্জ ও উমরা উভয়ের এক সঙ্গে তালবিয়া পাঠ করলাম। [২] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, হজ্জে কিরানের ইহরামকারী ব্যক্তি দশ তারিখে কুরবানীর পশু যবেহ না করা (তার সঙ্গে পশু هَدْيً থাকলে) এবং মিনায় গিয়ে ইহরাম না খোলা পর্যন্ত নিজের চুল কাটবে না। এবং ইহরাম অবস্থায় যা নিষিদ্ধ তা করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن المقداد بن الأسود دخل على علي بن أبي طالب بالسقيا وهو ينجع بكرات له دقيقا وخبطا فقال هذا عثمان بن عفان ينهى عن أن يقرن بين الحج والعمرة فخرج علي بن أبي طالب وعلى يديه أثر الدقيق والخبط فما أنسى أثر الدقيق والخبط على ذراعيه حتى دخل على عثمان بن عفان فقال أنت تنهى عن أن يقرن بين الحج والعمرة فقال عثمان ذلك رأيي فخرج علي مغضبا وهو يقول لبيك اللهم لبيك بحجة وعمرة معا. قال مالك الأمر عندنا أن من قرن الحج والعمرة لم يأخذ من شعره شيئا ولم يحلل من شيء حتى ينحر هديا إن كان معه ويحل بمنى يوم النحر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৬
و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقولون من أهل بعمرة ثم بدا له أن يهل بحج معها فذلك له ما لم يطف بالبيت وبين الصفا والمروة وقد صنع ذلك ابن عمر حين قال إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم التفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد أشهدكم أني أوجبت الحج مع العمرة قال مالك وقد أهل أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع بالعمرة ثم قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان معه هدي فليهلل بالحج مع العمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما جميعا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) কতিপয় বিজ্ঞ আলিমের কাছে শুনেছেন, তাঁরা বলেন, কেউ প্রথমে কেবল উমরার ইহরাম বাঁধল, পরে সে যদি উমরার সাথে হজ্জেরও ইহরাম বাঁধতে চায় তবে তাওয়াফ ও সায়ী বায়নাস্-সাফা ওয়াল মারওয়ার (সাফা ও মারওয়ার পর্বতদ্বয়ের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট দৌড়ান) পূর্ব পর্যন্ত তা পারে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) তাই করেছিলেন। তিনি একবার বলেছিলেন যদি বায়তুল্লাহ্ পৌঁছাতে বাধাপ্রাপ্ত হই তবে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় যা করেছিলেন আমিও তাই করব। মালিক (র) বলেন, বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁদেরকে বললেন, যাদের সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে তারা এই সাথে হজ্জের ইহরামও বেঁধে নেবে। অতঃপর একত্রে ইহরাম খুলবে। (মাওসুল, ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিত হাদীস রয়েছে বুখারীতে ১৮০৬, মুসলিম ১২৩০)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) কতিপয় বিজ্ঞ আলিমের কাছে শুনেছেন, তাঁরা বলেন, কেউ প্রথমে কেবল উমরার ইহরাম বাঁধল, পরে সে যদি উমরার সাথে হজ্জেরও ইহরাম বাঁধতে চায় তবে তাওয়াফ ও সায়ী বায়নাস্-সাফা ওয়াল মারওয়ার (সাফা ও মারওয়ার পর্বতদ্বয়ের মধ্যবর্তী নির্দিষ্ট দৌড়ান) পূর্ব পর্যন্ত তা পারে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) তাই করেছিলেন। তিনি একবার বলেছিলেন যদি বায়তুল্লাহ্ পৌঁছাতে বাধাপ্রাপ্ত হই তবে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় যা করেছিলেন আমিও তাই করব। মালিক (র) বলেন, বিদায় হজ্জের সময় রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ উমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন। পরে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁদেরকে বললেন, যাদের সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে তারা এই সাথে হজ্জের ইহরামও বেঁধে নেবে। অতঃপর একত্রে ইহরাম খুলবে। (মাওসুল, ইবনু উমার (রা) হতে বর্ণিত হাদীস রয়েছে বুখারীতে ১৮০৬, মুসলিম ১২৩০)
و حدثني عن مالك أنه سمع بعض أهل العلم يقولون من أهل بعمرة ثم بدا له أن يهل بحج معها فذلك له ما لم يطف بالبيت وبين الصفا والمروة وقد صنع ذلك ابن عمر حين قال إن صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم التفت إلى أصحابه فقال ما أمرهما إلا واحد أشهدكم أني أوجبت الحج مع العمرة قال مالك وقد أهل أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عام حجة الوداع بالعمرة ثم قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم من كان معه هدي فليهلل بالحج مع العمرة ثم لا يحل حتى يحل منهما جميعا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালবীয়া (লাব্বায়কা) মওকুফ করার সময়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৭
حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي بكر الثقفي أنه سأل أنس بن مالك وهما غاديان من منى إلى عرفة كيف كنتم تصنعون في هذا اليوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان يهل المهل منا فلا ينكر عليه ويكبر المكبر فلا ينكر عليه.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্র সাকাফী (র) আনাস ইবনু মালিক (রা)-এর সাথে মিনা হতে আরাফাত ময়দানের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি আনাস (রা)-কে বললেন, আজকের দিনে আপনারা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে কি ধরনের আমল করতেন ? আনাস (রা) বললেন, কেউ কেউ উচ্চৈঃস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলতেন, কেউ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলতে থাকতেন। অথচ কেউ কাউকেও নিষেধ করতেন না। (বুখারী ১৬৫৯, মুসলিম ১২৮৫)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবনু আবূ বক্র সাকাফী (র) আনাস ইবনু মালিক (রা)-এর সাথে মিনা হতে আরাফাত ময়দানের দিকে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি আনাস (রা)-কে বললেন, আজকের দিনে আপনারা রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে কি ধরনের আমল করতেন ? আনাস (রা) বললেন, কেউ কেউ উচ্চৈঃস্বরে ‘লাব্বায়কা’ বলতেন, কেউ বা ‘আল্লাহু আকবার’ বলতে থাকতেন। অথচ কেউ কাউকেও নিষেধ করতেন না। (বুখারী ১৬৫৯, মুসলিম ১২৮৫)
حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن أبي بكر الثقفي أنه سأل أنس بن مالك وهما غاديان من منى إلى عرفة كيف كنتم تصنعون في هذا اليوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان يهل المهل منا فلا ينكر عليه ويكبر المكبر فلا ينكر عليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৯
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تترك التلبية إذا رجعت إلى الموقف.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রা) যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর স্ত্রী আয়েশা (রা) যখন আরাফাতের দিকে যাত্রা করতেন, তখন লাব্বায়কা বলা বন্ধ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها كانت تترك التلبية إذا رجعت إلى الموقف.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৩৮
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن علي بن أبي طالب كان يلبي في الحج حتى إذا زاغت الشمس من يوم عرفة قطع التلبية قال يحيى قال مالك وذلك الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا.
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন আলী ইবনু আবি তালিব (রা) হজ্জের সময় উচ্চৈঃস্বরে লাব্বায়কা বলতে থাকতেন। তবে আরাফাতের দিন সূর্য যখন হেলে পড়ত তখন লাব্বায়কা বলা মওকুফ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) থেকে বর্নিতঃ
জা’ফর ইবনু মুহাম্মদ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন আলী ইবনু আবি তালিব (রা) হজ্জের সময় উচ্চৈঃস্বরে লাব্বায়কা বলতে থাকতেন। তবে আরাফাতের দিন সূর্য যখন হেলে পড়ত তখন লাব্বায়কা বলা মওকুফ করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن جعفر بن محمد عن أبيه أن علي بن أبي طالب كان يلبي في الحج حتى إذا زاغت الشمس من يوم عرفة قطع التلبية قال يحيى قال مالك وذلك الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪০
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقطع التلبية في الحج إذا انتهى إلى الحرم حتى يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ثم يلبي حتى يغدو من منى إلى عرفة فإذا غدا ترك التلبية وكان يترك التلبية في العمرة إذا دخل الحرم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হারাম শরীফে তাওয়াফ ও সায়ী করে ‘লাব্বায়কা’ মওকুফ করে দিতেন। পরে আবার লাব্বায়কা বলা শুরু করতেন এবং মিনা হতে সকালে আরাফাত যাত্রার সময় পর্যন্ত তা পাঠ করতেন। আরাফাতের যাত্রার সময় তিনি তা পুনরায় বন্ধ করতেন। উমরার বেলায় হারাম শরীফে প্রবেশ করেই ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করে দিতেন। (বুখারী ১৫৭৩, মুসলিম ১২৫৯)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) হারাম শরীফে তাওয়াফ ও সায়ী করে ‘লাব্বায়কা’ মওকুফ করে দিতেন। পরে আবার লাব্বায়কা বলা শুরু করতেন এবং মিনা হতে সকালে আরাফাত যাত্রার সময় পর্যন্ত তা পাঠ করতেন। আরাফাতের যাত্রার সময় তিনি তা পুনরায় বন্ধ করতেন। উমরার বেলায় হারাম শরীফে প্রবেশ করেই ‘লাব্বায়কা’ বলা বন্ধ করে দিতেন। (বুখারী ১৫৭৩, মুসলিম ১২৫৯)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقطع التلبية في الحج إذا انتهى إلى الحرم حتى يطوف بالبيت وبين الصفا والمروة ثم يلبي حتى يغدو من منى إلى عرفة فإذا غدا ترك التلبية وكان يترك التلبية في العمرة إذا دخل الحرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪১
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول كان عبد الله بن عمر لا يلبي وهو يطوف بالبيت.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তাওয়াফ করার সময় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) ‘লাব্বায়কা’ বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
তাওয়াফ করার সময় আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) ‘লাব্বায়কা’ বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه كان يقول كان عبد الله بن عمر لا يلبي وهو يطوف بالبيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪২
و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه عن عائشة أم المؤمنين أنها كانت تنزل من عرفة بنمرة ثم تحولت إلى الأراك قالت وكانت عائشة تهل ما كانت في منزلها ومن كان معها فإذا ركبت فتوجهت إلى الموقف تركت الإهلال قالت وكانت عائشة تعتمر بعد الحج من مكة في ذي الحجة ثم تركت ذلك فكانت تخرج قبل هلال المحرم حتى تأتي الجحفة فتقيم بها حتى ترى الهلال فإذا رأت الهلال أهلت بعمرة.
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আরাফাত ময়দানে প্রথমে ‘নামিরা’ নামক স্থানে অবস্থান করতেন, পরে ‘আরাক’ নামক স্থানে অবস্থান করা শুরু করেন। আয়েশা (রা) যতক্ষণ মনযিলে অবস্থান করতেন ততক্ষণ তিনি ও তাঁর সঙ্গীগণ ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করতে থাকতেন। যখন আরাফাতের দিকে যাত্রার জন্য সওয়ার হতেন তখন উহা বন্ধ করে দিতেন। আয়েশা (রা) প্রথমে হজ্জের পর যিলহজ্জ মাসেই মক্কা হতে ইহরাম বেঁধে উমরা করতেন, পরে উহা ত্যাগ করে মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পূর্বে জুহফা এসে অবস্থান করতেন এবং মুহাররম মাসের চাঁদ উঠলে উমরার ইহরাম বাঁধতেন। [২] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আরাফাত ময়দানে প্রথমে ‘নামিরা’ নামক স্থানে অবস্থান করতেন, পরে ‘আরাক’ নামক স্থানে অবস্থান করা শুরু করেন। আয়েশা (রা) যতক্ষণ মনযিলে অবস্থান করতেন ততক্ষণ তিনি ও তাঁর সঙ্গীগণ ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করতে থাকতেন। যখন আরাফাতের দিকে যাত্রার জন্য সওয়ার হতেন তখন উহা বন্ধ করে দিতেন। আয়েশা (রা) প্রথমে হজ্জের পর যিলহজ্জ মাসেই মক্কা হতে ইহরাম বেঁধে উমরা করতেন, পরে উহা ত্যাগ করে মুহাররম মাসের চাঁদ দেখার পূর্বে জুহফা এসে অবস্থান করতেন এবং মুহাররম মাসের চাঁদ উঠলে উমরার ইহরাম বাঁধতেন। [২] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن علقمة بن أبي علقمة عن أمه عن عائشة أم المؤمنين أنها كانت تنزل من عرفة بنمرة ثم تحولت إلى الأراك قالت وكانت عائشة تهل ما كانت في منزلها ومن كان معها فإذا ركبت فتوجهت إلى الموقف تركت الإهلال قالت وكانت عائشة تعتمر بعد الحج من مكة في ذي الحجة ثم تركت ذلك فكانت تخرج قبل هلال المحرم حتى تأتي الجحفة فتقيم بها حتى ترى الهلال فإذا رأت الهلال أهلت بعمرة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৩
- و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن عبد العزيز غدا يوم عرفة من منى فسمع التكبير عاليا فبعث الحرس يصيحون في الناس أيها الناس إنها التلبية.
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখ মিনা হতে সকালে আরাফাত ময়দানের দিকে যাত্রা করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলার আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন তিনি কতিপয় সিপাহীকে এ কথা ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন যে, এখনই ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করার সময়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) যিলহজ্জ মাসের নবম তারিখ মিনা হতে সকালে আরাফাত ময়দানের দিকে যাত্রা করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলার আওয়াজ শুনতে পেলেন। তখন তিনি কতিপয় সিপাহীকে এ কথা ঘোষণা করতে নির্দেশ দিলেন যে, এখনই ‘লাব্বায়কা’ পাঠ করার সময়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن عمر بن عبد العزيز غدا يوم عرفة من منى فسمع التكبير عاليا فبعث الحرس يصيحون في الناس أيها الناس إنها التلبية.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানকারী বহিরাগত লোকদের ইহরাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৫
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن عبد الله بن الزبير أقام بمكة تسع سنين وهو يهل بالحج لهلال ذي الحجة وعروة بن الزبير معه يفعل ذلك ১২২৪-قال يحيى قال مالك وإنما يهل أهل مكة وغيرهم بالحج إذا كانوا بها ومن كان مقيما بمكة من غير أهلها من جوف مكة لا يخرج من الحرم ১২২৫-قال يحيى قال مالك ومن أهل من مكة بالحج فليؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى وكذلك صنع عبد الله بن عمر ১২২৬-و سئل مالك عمن أهل بالحج من أهل المدينة أو غيرهم من مكة لهلال ذي الحجة كيف يصنع بالطواف قال أما الطواف الواجب فليؤخره وهو الذي يصل بينه وبين السعي بين الصفا والمروة وليطف ما بدا له وليصل ركعتين كلما طاف سبعا وقد فعل ذلك أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذين أهلوا بالحج فأخروا الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى رجعوا من منى وفعل ذلك عبد الله بن عمر فكان يهل لهلال ذي الحجة بالحج من مكة ويؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى ১২২৭- و سئل مالك عن رجل من أهل مكة هل يهل من جوف مكة بعمرة قال بل يخرج إلى الحل فيحرم منه.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) নয় বৎসর মক্কায় ছিলেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলেই তিনি ইহরাম বেঁধে নিতেন। উরওয়াহ্ও তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানরত অন্যান্য স্থানের বাসিন্দাগণ হারাম শরীফ হতেই ইহরাম বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, মক্কা হতে যারা ইহরাম বাঁধবে তারা মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করবে না। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করেছিলেন। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মদীনাবাসী এবং মক্কার বাহিরের কোন লোক যদি মক্কায় অবস্থান কালে মক্কা হতে যিলহজ্জ মাসে ইহরাম বাঁধে তবে তাওয়াফে যিয়ারত সম্পর্কে কি করবে? তিনি বললেন, তাওয়াফে ইফাযা বা তাওয়াফে যিয়ারত তখন করবে না। নফল তাওয়াফ যত ইচ্ছা তত করতে পারে। তবে প্রতি তাওয়াফের পর দুই রাক’আত নামায পড়ে নিবে। যে সকল সাহাবী মক্কা হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরাও তদ্রূপ করেছিলেন। তাঁরা মিনা হতে ফিরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সায়ী করেননি। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তাই করতেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর তিনি মক্কা হতে ইহরাম বাঁধতেন এবং মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তিনি তাওয়াফ ও সায়ী করতেন না। মালিক (র)-কে মক্কাবাসী কোন ব্যক্তি উমরার জন্য ইহরাম কোথা হতে বাঁধবে তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হারাম শরীফ হতে উমরার ইহরাম বাঁধা মক্কাবাসীদের জন্য জায়েয নয়। তারা হারামের বাহির হতে ইহরাম বেঁধে আসবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) নয় বৎসর মক্কায় ছিলেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা গেলেই তিনি ইহরাম বেঁধে নিতেন। উরওয়াহ্ও তদ্রূপ করতেন। মালিক (র) বলেন, মক্কাবাসী এবং মক্কায় অবস্থানরত অন্যান্য স্থানের বাসিন্দাগণ হারাম শরীফ হতেই ইহরাম বাঁধবে। মালিক (র) বলেন, মক্কা হতে যারা ইহরাম বাঁধবে তারা মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করবে না। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তদ্রূপ করেছিলেন। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল মদীনাবাসী এবং মক্কার বাহিরের কোন লোক যদি মক্কায় অবস্থান কালে মক্কা হতে যিলহজ্জ মাসে ইহরাম বাঁধে তবে তাওয়াফে যিয়ারত সম্পর্কে কি করবে? তিনি বললেন, তাওয়াফে ইফাযা বা তাওয়াফে যিয়ারত তখন করবে না। নফল তাওয়াফ যত ইচ্ছা তত করতে পারে। তবে প্রতি তাওয়াফের পর দুই রাক’আত নামায পড়ে নিবে। যে সকল সাহাবী মক্কা হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন তাঁরাও তদ্রূপ করেছিলেন। তাঁরা মিনা হতে ফিরে না আসা পর্যন্ত তাওয়াফ ও সায়ী করেননি। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-ও তাই করতেন। যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখার পর তিনি মক্কা হতে ইহরাম বাঁধতেন এবং মিনা হতে ঘুরে না আসা পর্যন্ত তিনি তাওয়াফ ও সায়ী করতেন না। মালিক (র)-কে মক্কাবাসী কোন ব্যক্তি উমরার জন্য ইহরাম কোথা হতে বাঁধবে তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, হারাম শরীফ হতে উমরার ইহরাম বাঁধা মক্কাবাসীদের জন্য জায়েয নয়। তারা হারামের বাহির হতে ইহরাম বেঁধে আসবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أن عبد الله بن الزبير أقام بمكة تسع سنين وهو يهل بالحج لهلال ذي الحجة وعروة بن الزبير معه يفعل ذلك ১২২৪-قال يحيى قال مالك وإنما يهل أهل مكة وغيرهم بالحج إذا كانوا بها ومن كان مقيما بمكة من غير أهلها من جوف مكة لا يخرج من الحرم ১২২৫-قال يحيى قال مالك ومن أهل من مكة بالحج فليؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى وكذلك صنع عبد الله بن عمر ১২২৬-و سئل مالك عمن أهل بالحج من أهل المدينة أو غيرهم من مكة لهلال ذي الحجة كيف يصنع بالطواف قال أما الطواف الواجب فليؤخره وهو الذي يصل بينه وبين السعي بين الصفا والمروة وليطف ما بدا له وليصل ركعتين كلما طاف سبعا وقد فعل ذلك أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذين أهلوا بالحج فأخروا الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى رجعوا من منى وفعل ذلك عبد الله بن عمر فكان يهل لهلال ذي الحجة بالحج من مكة ويؤخر الطواف بالبيت والسعي بين الصفا والمروة حتى يرجع من منى ১২২৭- و سئل مالك عن رجل من أهل مكة هل يهل من جوف مكة بعمرة قال بل يخرج إلى الحل فيحرم منه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭৪৪
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال يا أهل مكة ما شأن الناس يأتون شعثا وأنتم مدهنون أهلوا إذا رأيتم الهلال.
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) মক্কাবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে মক্কাবাসী! অন্যান্য মানুষ এই সময় উষ্কখুষ্ক চুল ও অপরিপাটি অবস্থায় এখানে আগমন করে, আর তোমরা চুলের তেল মর্দন করে পরিপাটি হয়ে থাক। যিলহজ্জের চাঁদ উঠলে তোমরাও ইহরাম বেঁধে নিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু কাসিম (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) মক্কাবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন যে মক্কাবাসী! অন্যান্য মানুষ এই সময় উষ্কখুষ্ক চুল ও অপরিপাটি অবস্থায় এখানে আগমন করে, আর তোমরা চুলের তেল মর্দন করে পরিপাটি হয়ে থাক। যিলহজ্জের চাঁদ উঠলে তোমরাও ইহরাম বেঁধে নিও। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال يا أهل مكة ما شأن الناس يأتون شعثا وأنتم مدهنون أهلوا إذا رأيتم الهلال.