মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল ঢাকা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: ما فوق الذقن من الرأس فلا يخمره المحرم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, থুতনির উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরস্ত নহে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, থুতনির উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরস্ত নহে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: ما فوق الذقن من الرأس فلا يخمره المحرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৬
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال أخبرني الفرافصة بن عمير الحنفي أنه رأى عثمان بن عفان بالعرج يغطي وجهه وهو محرم.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
ফারাফিসা ইবনু উমায়র আল-হানাফী (র) আরজ্ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
ফারাফিসা ইবনু উমায়র আল-হানাফী (র) আরজ্ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال أخبرني الفرافصة بن عمير الحنفي أنه رأى عثمان بن عفان بالعرج يغطي وجهه وهو محرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৮
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كفن ابنه واقد بن عبد الله ومات بالجحفة محرما وخمر رأسه ووجهه وقال لولا أنا حرم لطيبناه ১১৭৪-قال مالك وإنما يعمل الرجل ما دام حيا فإذا مات فقد انقضى العمل.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) নিজে তাঁকে কাফন পরান। তিনি তখন বলেছিলেন আমরা ইহরাম অবস্থায় না হলে তাঁকে সুগন্ধি লাগাতাম। তিনি তাঁর মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢেকে দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায়।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) নিজে তাঁকে কাফন পরান। তিনি তখন বলেছিলেন আমরা ইহরাম অবস্থায় না হলে তাঁকে সুগন্ধি লাগাতাম। তিনি তাঁর মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢেকে দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায়।
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كفن ابنه واقد بن عبد الله ومات بالجحفة محرما وخمر رأسه ووجهه وقال لولا أنا حرم لطيبناه ১১৭৪-قال مالك وإنما يعمل الرجل ما دام حيا فإذا مات فقد انقضى العمل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১০
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أنها قالت، كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع أسماء بنت أبي بكر الصديق.
ফাতিমা বিনতে মুনযির (র) থেকে বর্নিতঃ
আমরা আসমা বিনতে আবূ বক্র (রা)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ফাতিমা বিনতে মুনযির (র) থেকে বর্নিতঃ
আমরা আসমা বিনতে আবূ বক্র (রা)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أنها قالت، كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع أسماء بنت أبي بكر الصديق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول لا تنتقب المرأة المحرمة ولا تلبس القفازين.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না বা হাতে হাতমোজা পরবে না। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী মারফু সনদে ইবনু উমার (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৮৩৮)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না বা হাতে হাতমোজা পরবে না। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী মারফু সনদে ইবনু উমার (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৮৩৮)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول لا تنتقب المرأة المحرمة ولا تلبس القفازين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জের সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১১
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، كنت أطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم لإحرامه قبل أن يحرم ولحله قبل أن يطوف بالبيت.
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
ইহরাম বাঁধার পূর্বে এবং ইহরাম খোলার সময় তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম। (বুখারী ১৫৩৯, মুসলিম ১১৮৯)
নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
ইহরাম বাঁধার পূর্বে এবং ইহরাম খোলার সময় তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম। (বুখারী ১৫৩৯, মুসলিম ১১৮৯)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، كنت أطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم لإحرامه قبل أن يحرم ولحله قبل أن يطوف بالبيت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১২
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس عن عطاء بن أبي رباح أن أعرابيا جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بحنين وعلى الأعرابي قميص وبه أثر صفرة فقال يا رسول الله إني أهللت بعمرة فكيف تأمرني أن أصنع فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم انزع قميصك واغسل هذه الصفرة عنك وافعل في عمرتك ما تفعل في حجك.
‘আতা ইবনু আবি রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন হুনাইনে আবস্থান করতেছিলেন তখন হলুদ চিহ্ন আছে এমন জামা পরিহিত এক বেদুঈন ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমি উমরার নিয়ত করেছি। এখন আপনি আমাকে কি করতে নির্দেশ করেন? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, জামাটি খুলে হলুদ দাগগুলো ধুয়ে ফেল এবং হজ্জের বেলায় যা করতে এখন তাই কর। (বুখারী ১৭৮৯, মুসলিম ১১৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
‘আতা ইবনু আবি রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন হুনাইনে আবস্থান করতেছিলেন তখন হলুদ চিহ্ন আছে এমন জামা পরিহিত এক বেদুঈন ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমি উমরার নিয়ত করেছি। এখন আপনি আমাকে কি করতে নির্দেশ করেন? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, জামাটি খুলে হলুদ দাগগুলো ধুয়ে ফেল এবং হজ্জের বেলায় যা করতে এখন তাই কর। (বুখারী ১৭৮৯, মুসলিম ১১৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس عن عطاء بن أبي رباح أن أعرابيا جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بحنين وعلى الأعرابي قميص وبه أثر صفرة فقال يا رسول الله إني أهللت بعمرة فكيف تأمرني أن أصنع فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم انزع قميصك واغسل هذه الصفرة عنك وافعل في عمرتك ما تفعل في حجك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৩
و حدثني عن مالك عن نافع عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة فقال ممن ريح هذا الطيب فقال معاوية بن أبي سفيان مني يا أمير المؤمنين فقال منك لعمر الله فقال معاوية إن أم حبيبة طيبتني يا أمير المؤمنين فقال عمر عزمت عليك لترجعن فلتغسلنه.
আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি স্থান) ছিলেন। তখন তাঁর নাকে সুগন্ধি অনুভূত হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এই সুগন্ধি কোথা হতে আসছে ? মু’আবিয়া ইবনু আবূ সুফইয়ান (রা) বললেন, আমার নিকট হে আমীরুল মু’মিনীন। [১] উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, এই সুগন্ধি তোমার হতে! অতঃপর মু’আবিয়া বললেন, উম্মে হাবীবা (রা) আমাকে এই সুগন্ধি লাগিয়ে দিয়েছিলেন। উমার (রা) বললেন, তোমাকে বলতেছি, তুমি ফিরে যাও (উম্মে হাবীবার নিকট), তিনি নিশ্চয় এটা ধুয়ে দিবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি স্থান) ছিলেন। তখন তাঁর নাকে সুগন্ধি অনুভূত হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এই সুগন্ধি কোথা হতে আসছে ? মু’আবিয়া ইবনু আবূ সুফইয়ান (রা) বললেন, আমার নিকট হে আমীরুল মু’মিনীন। [১] উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, এই সুগন্ধি তোমার হতে! অতঃপর মু’আবিয়া বললেন, উম্মে হাবীবা (রা) আমাকে এই সুগন্ধি লাগিয়ে দিয়েছিলেন। উমার (রা) বললেন, তোমাকে বলতেছি, তুমি ফিরে যাও (উম্মে হাবীবার নিকট), তিনি নিশ্চয় এটা ধুয়ে দিবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة فقال ممن ريح هذا الطيب فقال معاوية بن أبي سفيان مني يا أمير المؤمنين فقال منك لعمر الله فقال معاوية إن أم حبيبة طيبتني يا أمير المؤمنين فقال عمر عزمت عليك لترجعن فلتغسلنه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৪
و حدثني عن مالك عن الصلت بن زييد عن غير واحد من أهله أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة وإلى جنبه كثير بن الصلت فقال عمر ممن ريح هذا الطيب فقال كثير مني يا أمير المؤمنين لبدت رأسي وأردت أن لا أحلق فقال عمر فاذهب إلى شربة فادلك رأسك حتى تنقيه ففعل كثير بن الصلت قال مالك الشربة حفير تكون عند أصل النخلة.
সালত ইবনু যুয়াইদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সালত ইবনু যুয়াইদ (র) তাঁর পরিবারের একাধিক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় সুগন্ধ দ্রব্যের ঘ্রাণ পেলেন, তাঁর পার্শ্বে ছিলেন কসীর ইবনু সালত। উমার (রা) বললেন, এই সুগন্ধি কার নিকট হতে ? কাসীর বললেন, আমার নিকট হতে। আমার মাথায় তলবীদ করেছি এবং আমি মাথায় চুল মুণ্ডাবার ইরাদা করেছি। উমার (রা) বললেন, তুমি শারাবাতের দিকে গমন কর এবং তোমার মাথা মালিশ কর উহাকে পরিষ্কার করা পর্যন্ত। কসীর ইবনু সালত (র) উহা করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, শারাবাত খেজুর গাছের গোড়ার গর্ত যাতে পানি জমে থাকে।
সালত ইবনু যুয়াইদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সালত ইবনু যুয়াইদ (র) তাঁর পরিবারের একাধিক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় সুগন্ধ দ্রব্যের ঘ্রাণ পেলেন, তাঁর পার্শ্বে ছিলেন কসীর ইবনু সালত। উমার (রা) বললেন, এই সুগন্ধি কার নিকট হতে ? কাসীর বললেন, আমার নিকট হতে। আমার মাথায় তলবীদ করেছি এবং আমি মাথায় চুল মুণ্ডাবার ইরাদা করেছি। উমার (রা) বললেন, তুমি শারাবাতের দিকে গমন কর এবং তোমার মাথা মালিশ কর উহাকে পরিষ্কার করা পর্যন্ত। কসীর ইবনু সালত (র) উহা করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, শারাবাত খেজুর গাছের গোড়ার গর্ত যাতে পানি জমে থাকে।
و حدثني عن مالك عن الصلت بن زييد عن غير واحد من أهله أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة وإلى جنبه كثير بن الصلت فقال عمر ممن ريح هذا الطيب فقال كثير مني يا أمير المؤمنين لبدت رأسي وأردت أن لا أحلق فقال عمر فاذهب إلى شربة فادلك رأسك حتى تنقيه ففعل كثير بن الصلت قال مالك الشربة حفير تكون عند أصل النخلة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعبد الله بن أبي بكر وربيعة بن أبي عبد الرحمن أن الوليد بن عبد الملك سأل سالم بن عبد الله وخارجة بن زيد بن ثابت بعد أن رمى الجمرة وحلق رأسه وقبل أن يفيض عن الطيب فنهاه سالم وأرخص له خارجة بن زيد بن ثابت. ১১৮৩-قال مالك لا بأس أن يدهن الرجل بدهن ليس فيه طيب قبل أن يحرم وقبل أن يفيض من منى بعد رمي الجمرة. ১১৮৪- قال يحيى سئل مالك عن طعام فيه زعفران هل يأكله المحرم فقال أما ما تمسه النار من ذلك فلا بأس به أن يأكله المحرم وأما ما لم تمسه النار من ذلك فلا يأكله المحرم.
ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সাঈদ (র), আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্র (র) এবং রবীআ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
অলিদ ইবনু আবদুল মালিক সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ ও খারিজা ইবনু যায়দ (র)-কে জিজ্ঞেস করলেন, রমীয়ে জামরা (প্রস্তর নিক্ষেপ) এবং মাথা কামাবার পর তওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করা কেমন ? সালিম (র) ইহাকে নিষিদ্ধ বলে মত দিলেন, আর খারিজা ইবনু যায়দ ইবনু সাবিত (র) বললেন, ইহা জায়েয। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহরামের পূর্বে বা তাওয়াফের যিয়ারতের পূর্বে রমীয়ে জামরার পর মিনা হতে প্রত্যাবর্তনকালে গন্ধবিহীন সাধারণ তৈল ব্যবহার করায় কোন অসুবিধা নেই। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, জাফরান মিশ্রিত খাদ্য মুহরিম ব্যক্তি খেতে পারবে কি? তখন তিনি বললেন, আগুনে পরিপাক করা হয়ে থাকলে খেতে পারবে। আর তা না হলে খেতে পারবে না।
ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সাঈদ (র), আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্র (র) এবং রবীআ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
অলিদ ইবনু আবদুল মালিক সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ ও খারিজা ইবনু যায়দ (র)-কে জিজ্ঞেস করলেন, রমীয়ে জামরা (প্রস্তর নিক্ষেপ) এবং মাথা কামাবার পর তওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করা কেমন ? সালিম (র) ইহাকে নিষিদ্ধ বলে মত দিলেন, আর খারিজা ইবনু যায়দ ইবনু সাবিত (র) বললেন, ইহা জায়েয। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহরামের পূর্বে বা তাওয়াফের যিয়ারতের পূর্বে রমীয়ে জামরার পর মিনা হতে প্রত্যাবর্তনকালে গন্ধবিহীন সাধারণ তৈল ব্যবহার করায় কোন অসুবিধা নেই। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, জাফরান মিশ্রিত খাদ্য মুহরিম ব্যক্তি খেতে পারবে কি? তখন তিনি বললেন, আগুনে পরিপাক করা হয়ে থাকলে খেতে পারবে। আর তা না হলে খেতে পারবে না।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعبد الله بن أبي بكر وربيعة بن أبي عبد الرحمن أن الوليد بن عبد الملك سأل سالم بن عبد الله وخارجة بن زيد بن ثابت بعد أن رمى الجمرة وحلق رأسه وقبل أن يفيض عن الطيب فنهاه سالم وأرخص له خارجة بن زيد بن ثابت. ১১৮৩-قال مالك لا بأس أن يدهن الرجل بدهن ليس فيه طيب قبل أن يحرم وقبل أن يفيض من منى بعد رمي الجمرة. ১১৮৪- قال يحيى سئل مالك عن طعام فيه زعفران هل يأكله المحرم فقال أما ما تمسه النار من ذلك فلا بأس به أن يأكله المحرم وأما ما لم تمسه النار من ذلك فلا يأكله المحرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরামের মীকাত বা স্থানসমূহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يهل أهل المدينة من ذي الحليفة ويهل أهل الشام من الجحفة ويهل أهل نجد من قرن قال عبد الله بن عمر وبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ويهل أهل اليمن من يلملم.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মদীনাবাসিগণ যুল-হুলায়ফা হতে, সিরিয়াবাসিগণ জুহফা আর নজ্দবাসিগণ কর্ন হতে ইহরাম বাঁধবে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার বলেন, আমার নিকট আরও রেওয়ায়ত পৌঁছেছে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইয়ামানবাসিগণ ইয়ালাম্লাম্ হতে ইহরাম বাঁধবে। [১] (বুখারী ১৫২৫, মুসলিম ১১৮২)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মদীনাবাসিগণ যুল-হুলায়ফা হতে, সিরিয়াবাসিগণ জুহফা আর নজ্দবাসিগণ কর্ন হতে ইহরাম বাঁধবে। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার বলেন, আমার নিকট আরও রেওয়ায়ত পৌঁছেছে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইয়ামানবাসিগণ ইয়ালাম্লাম্ হতে ইহরাম বাঁধবে। [১] (বুখারী ১৫২৫, মুসলিম ১১৮২)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يهل أهل المدينة من ذي الحليفة ويهل أهل الشام من الجحفة ويهل أهل نجد من قرن قال عبد الله بن عمر وبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ويهل أهل اليمن من يلملم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৭
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل المدينة أن يهلوا من ذي الحليفة وأهل الشام من الجحفة وأهل نجد من قرن .
আবদুল্লাহ্ ইবনু দিনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনাবাসীদের যুল-হুলায়ফা এবং সিরিয়াবাসীদের জুহ্ফা ন্জদবাসিদের করণ হতে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিয়াছেন। (বুখারী ৭৩৪৪, মুসলিম ১১৮২)
আবদুল্লাহ্ ইবনু দিনার (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মদীনাবাসীদের যুল-হুলায়ফা এবং সিরিয়াবাসীদের জুহ্ফা ন্জদবাসিদের করণ হতে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ দিয়াছেন। (বুখারী ৭৩৪৪, মুসলিম ১১৮২)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل المدينة أن يهلوا من ذي الحليفة وأهل الشام من الجحفة وأهل نجد من قرن .
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر أهل من الفرع.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ফুরু’ নামক স্থান হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ফুরু’ নামক স্থান হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر أهل من الفرع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৮
قال عبد الله بن عمر أما هؤلاء الثلاث فسمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم وأخبرت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ويهل أهل اليمن من يلملم.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত তিনটি কথা আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে শুনেছি। আর আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইয়ামনবাসী ইয়ালামলাম হতে ইহ্রাম বাঁধবে। (বুখারী ৭৩৪৪, মুসলিম ১১৮২)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উল্লেখিত তিনটি কথা আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে শুনেছি। আর আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইয়ামনবাসী ইয়ালামলাম হতে ইহ্রাম বাঁধবে। (বুখারী ৭৩৪৪, মুসলিম ১১৮২)
قال عبد الله بن عمر أما هؤلاء الثلاث فسمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم وأخبرت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ويهل أهل اليمن من يلملم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২০
و حدثني عن مالك عن الثقة عنده أن عبد الله بن عمر أهل من إيلياء.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) জনৈক নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির কাছে শুনেছেন যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) এলিয়া (বায়তুল মুকাদ্দাস) হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মালিক (র) জনৈক নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির কাছে শুনেছেন যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) এলিয়া (বায়তুল মুকাদ্দাস) হতে ইহরাম বেঁধেছিলেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن الثقة عنده أن عبد الله بن عمر أهل من إيلياء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২১
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل من الجعرانة بعمرة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জি’ইরানা নামক স্থান হতে ওমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৯৬, তিরমিযী ৯৩৫, নাসাঈ ২৮৬৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জি’ইরানা নামক স্থান হতে ওমরার ইহরাম বেঁধেছিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ১৯৯৬, তিরমিযী ৯৩৫, নাসাঈ ২৮৬৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل من الجعرانة بعمرة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম বাঁধার ও সেই সময় তালবিয়া পাঠ করার পদ্ধতি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২৩
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي في مسجد ذي الحليفة ركعتين فإذا استوت به راحلته أهل.
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলায়ফা নামক স্থানে অবস্থিত মসজিদে দুই রাক’আত নামায আদায় করতেন। অতঃপর যখন উষ্ট্রে আরোহণ করতেন তখন উচ্চঃস্বরে তালবিয়া বা লাব্বায়কা পাঠ করতেন। (বুখারী ১৫১৪, ইমাম মুসলিম ইবনু উমার থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন মুসলিম ১১৮৭, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
হিশাম ইবনু উরওয়াহ্ (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলায়ফা নামক স্থানে অবস্থিত মসজিদে দুই রাক’আত নামায আদায় করতেন। অতঃপর যখন উষ্ট্রে আরোহণ করতেন তখন উচ্চঃস্বরে তালবিয়া বা লাব্বায়কা পাঠ করতেন। (বুখারী ১৫১৪, ইমাম মুসলিম ইবনু উমার থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন মুসলিম ১১৮৭, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي في مسجد ذي الحليفة ركعتين فإذا استوت به راحلته أهل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২৪
و حدثني عن مالك عن موسى بن عقبة عن سالم بن عبد الله أنه سمع أباه يقول بيداؤكم هذه التي تكذبون على رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ما أهل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا من عند المسجد يعني مسجد ذي الحليفة.
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) তাঁর পিতা আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট শুনেছেন, তিনি বলেন, এই স্থানটিতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম বেঁধেছিলেন বলে তোমরা ভুল ধারণা করে থাক। অথচ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলাইফাস্থ মসজিদের নিকট হতে লাব্বায়কা বলেছেন। (বুখারী ১৫৪১, মুসলিম ১১৮৬)
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) থেকে বর্নিতঃ
সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) তাঁর পিতা আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট শুনেছেন, তিনি বলেন, এই স্থানটিতে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম বেঁধেছিলেন বলে তোমরা ভুল ধারণা করে থাক। অথচ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যুল-হুলাইফাস্থ মসজিদের নিকট হতে লাব্বায়কা বলেছেন। (বুখারী ১৫৪১, মুসলিম ১১৮৬)
و حدثني عن مالك عن موسى بن عقبة عن سالم بن عبد الله أنه سمع أباه يقول بيداؤكم هذه التي تكذبون على رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها ما أهل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا من عند المسجد يعني مسجد ذي الحليفة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২৬
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي في مسجد ذي الحليفة ثم يخرج فيركب فإذا استوت به راحلته أحرم.
নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যুল-হুলায়ফাস্থ মসজিদে নামায পড়ে বের হতেন, পরে উটে আরোহণ করে ইহরাম বাঁধতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যুল-হুলায়ফাস্থ মসজিদে নামায পড়ে বের হতেন, পরে উটে আরোহণ করে ইহরাম বাঁধতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يصلي في مسجد ذي الحليفة ثم يخرج فيركب فإذا استوت به راحلته أحرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২৭
- و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الملك بن مروان أهل من عند مسجد ذي الحليفة حين استوت به راحلته وأن أبان بن عثمان أشار عليه بذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান [১] (র) যুল-হুলায়ফার মসজিদ হতে উট যখন সোজা হয়ে দাঁড়াত তখন তালবিয়া পড়েছিলেন। আবান ইবনু উসমান (র) তাঁকে তদ্রূপ করতে বলেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান [১] (র) যুল-হুলায়ফার মসজিদ হতে উট যখন সোজা হয়ে দাঁড়াত তখন তালবিয়া পড়েছিলেন। আবান ইবনু উসমান (র) তাঁকে তদ্রূপ করতে বলেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
- و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الملك بن مروان أهل من عند مسجد ذي الحليفة حين استوت به راحلته وأن أبان بن عثمان أشار عليه بذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২২
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم لبيك اللهم لبيك لبيك لا شريك لك لبيك إن الحمد والنعمة لك والملك لا شريك لك قال وكان عبد الله بن عمر يزيد فيها لبيك لبيك لبيك وسعديك والخير بيديك لبيك والرغباء إليك والعمل.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তালবিয়া এইরূপ لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ [১] নাফি’ (র) বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তৎসঙ্গে এটাও বৃদ্ধি করতেন لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ بِيَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ [২] (বুখারী ১৫৪৯, মুসলিম ১১৮৪)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তালবিয়া এইরূপ لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لَا شَرِيكَ لَكَ [১] নাফি’ (র) বলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তৎসঙ্গে এটাও বৃদ্ধি করতেন لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ بِيَدَيْكَ لَبَّيْكَ وَالرَّغْبَاءُ إِلَيْكَ وَالْعَمَلُ [২] (বুখারী ১৫৪৯, মুসলিম ১১৮৪)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن تلبية رسول الله صلى الله عليه وسلم لبيك اللهم لبيك لبيك لا شريك لك لبيك إن الحمد والنعمة لك والملك لا شريك لك قال وكان عبد الله بن عمر يزيد فيها لبيك لبيك لبيك وسعديك والخير بيديك لبيك والرغباء إليك والعمل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭২৫
و حدثني عن مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن عبيد بن جريج أنه قال لعبد الله بن عمر يا أبا عبد الرحمن رأيتك تصنع أربعا لم أر أحدا من أصحابك يصنعها قال وما هن يا ابن جريج قال رأيتك لا تمس من الأركان إلا اليمانيين ورأيتك تلبس النعال السبتية ورأيتك تصبغ بالصفرة ورأيتك إذا كنت بمكة أهل الناس إذا رأوا الهلال ولم تهلل أنت حتى يكون يوم التروية فقال عبد الله بن عمر أما الأركان فإني لم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم يمس إلا اليمانيين وأما النعال السبتية فإني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبس النعال التي ليس فيها شعر ويتوضأ فيها فأنا أحب أن ألبسها وأما الصفرة فإني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبغ بها فأنا أحب أن أصبغ بها وأما الإهلال فإني لم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم يهل حتى تنبعث به راحلته
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
উবায়দ ইবনু জুরায়জ (র) আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে বললেন, হে আবূ আবদুর রহমান! এমন একটি বিষয় আপনার মধ্যে দেখতে পাই যা আপনার অন্যান্য সাথীর মধ্যে দেখতে পাওয়া যায় না। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, সেগুলো কি ? বলত শুনি। ইবনু জুরায়জ বললেন, তাওয়াফের সময় আপনাকে রুকনে ইয়্যামানী এবং হাজরে আসওয়াদই কেবল ছুঁতে দেখা যায়, লোমশূন্য চামড়ার জুতা আপনি পরিধান করে থাকেন, আপনি হলুদ রঙের খেজাব ব্যবহার করেন, মক্কায় অবস্থান করলে আপনি যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে ইহরাম বেঁধে থাকেন অথচ অন্যরা চাঁদ দেখামাত্র ইহরাম বেঁধে নেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) জবাবে বললেন, রুকনে ইয়্যামানী ও হাজরে আসওয়াদ ব্যতীত অন্য কোন রুকন স্পর্শ করতে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখিনি। লোমশূন্য জুতা পরতেও রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি এবং সে জুতা পরিধান করা অবস্থায় তিনি ওযূও করতেন। তাই উহা পরতে আমার ভাল লাগে। হলুদ রঙের খেজাবও রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ব্যবহার করতে দেখেছি তাই আমার তা ভাল লাগে। আর ইহরাম সম্বন্ধে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে দেখেছি যতক্ষণ তাঁকে নিয়ে যাত্রার জন্য উট্ না দাঁড়াত ততক্ষণ তিনি তালবিয়া পড়তেন না। (সহীহ, বুখারী ১৬৬, মুসলিম ১১৮৭)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
উবায়দ ইবনু জুরায়জ (র) আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে বললেন, হে আবূ আবদুর রহমান! এমন একটি বিষয় আপনার মধ্যে দেখতে পাই যা আপনার অন্যান্য সাথীর মধ্যে দেখতে পাওয়া যায় না। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বললেন, সেগুলো কি ? বলত শুনি। ইবনু জুরায়জ বললেন, তাওয়াফের সময় আপনাকে রুকনে ইয়্যামানী এবং হাজরে আসওয়াদই কেবল ছুঁতে দেখা যায়, লোমশূন্য চামড়ার জুতা আপনি পরিধান করে থাকেন, আপনি হলুদ রঙের খেজাব ব্যবহার করেন, মক্কায় অবস্থান করলে আপনি যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে ইহরাম বেঁধে থাকেন অথচ অন্যরা চাঁদ দেখামাত্র ইহরাম বেঁধে নেন। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) জবাবে বললেন, রুকনে ইয়্যামানী ও হাজরে আসওয়াদ ব্যতীত অন্য কোন রুকন স্পর্শ করতে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখিনি। লোমশূন্য জুতা পরতেও রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে দেখেছি এবং সে জুতা পরিধান করা অবস্থায় তিনি ওযূও করতেন। তাই উহা পরতে আমার ভাল লাগে। হলুদ রঙের খেজাবও রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ব্যবহার করতে দেখেছি তাই আমার তা ভাল লাগে। আর ইহরাম সম্বন্ধে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে দেখেছি যতক্ষণ তাঁকে নিয়ে যাত্রার জন্য উট্ না দাঁড়াত ততক্ষণ তিনি তালবিয়া পড়তেন না। (সহীহ, বুখারী ১৬৬, মুসলিম ১১৮৭)
و حدثني عن مالك عن سعيد بن أبي سعيد المقبري عن عبيد بن جريج أنه قال لعبد الله بن عمر يا أبا عبد الرحمن رأيتك تصنع أربعا لم أر أحدا من أصحابك يصنعها قال وما هن يا ابن جريج قال رأيتك لا تمس من الأركان إلا اليمانيين ورأيتك تلبس النعال السبتية ورأيتك تصبغ بالصفرة ورأيتك إذا كنت بمكة أهل الناس إذا رأوا الهلال ولم تهلل أنت حتى يكون يوم التروية فقال عبد الله بن عمر أما الأركان فإني لم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم يمس إلا اليمانيين وأما النعال السبتية فإني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يلبس النعال التي ليس فيها شعر ويتوضأ فيها فأنا أحب أن ألبسها وأما الصفرة فإني رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصبغ بها فأنا أحب أن أصبغ بها وأما الإهلال فإني لم أر رسول الله صلى الله عليه وسلم يهل حتى تنبعث به راحلته