মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরিধান করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০১

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران أو ورس وقال من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين.

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ারস রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরতে পারবে, কিন্তু টাখনার নিচ পর্যন্ত তা কেটে নিবে। (সহীহ, বুখারী ৫৮৫২, মুসলিম ১১৭৭)

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ারস রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরতে পারবে, কিন্তু টাখনার নিচ পর্যন্ত তা কেটে নিবে। (সহীহ, বুখারী ৫৮৫২, মুসলিম ১১৭৭)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران أو ورس وقال من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৩

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن أسماء بنت أبي بكر أنها كانت تلبس الثياب المعصفرات المشبعات وهي محرمة ليس فيها زعفران ১১৬৬-قال يحيى سئل مالك عن ثوب مسه طيب ثم ذهب منه ريح الطيب هل يحرم فيه فقال نعم ما لم يكن فيه صباغ من زعفران أو ورس.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আসমা বিনত আবূ বক্‌র (রা) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরতেন। তবে এতে জাফরান মিশ্রিত হত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, সুগন্ধি বিদূরিত হয়ে গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, হ্যাঁ, পরতে পারে। তবে শর্ত হল জাফরান এবং ওয়ার্‌স-এর রঙ যেন তাতে না থাকে।

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আসমা বিনত আবূ বক্‌র (রা) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরতেন। তবে এতে জাফরান মিশ্রিত হত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, সুগন্ধি বিদূরিত হয়ে গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, হ্যাঁ, পরতে পারে। তবে শর্ত হল জাফরান এবং ওয়ার্‌স-এর রঙ যেন তাতে না থাকে।

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن أسماء بنت أبي بكر أنها كانت تلبس الثياب المعصفرات المشبعات وهي محرمة ليس فيها زعفران ১১৬৬-قال يحيى سئل مالك عن ثوب مسه طيب ثم ذهب منه ريح الطيب هل يحرم فيه فقال نعم ما لم يكن فيه صباغ من زعفران أو ورس.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০২

و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع أسلم مولى عمر بن الخطاب يحدث عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب رأى على طلحة بن عبيد الله ثوبا مصبوغا وهو محرم فقال عمر ما هذا الثوب المصبوغ يا طلحة فقال طلحة يا أمير المؤمنين إنما هو مدر فقال عمر إنكم أيها الرهط أئمة يقتدي بكم الناس فلو أن رجلا جاهلا رأى هذا الثوب لقال إن طلحة بن عبيد الله كان يلبس الثياب المصبغة في الإحرام فلا تلبسوا أيها الرهط شيئا من هذه الثياب المصبغة.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাল্‌হা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরতে দেখে তাঁকে বললেন, তাল্‌হা, এ রঙিন কাপড় কেন ? তিনি বললেন, আমীরুল মু’মিনীন, এটা তো মাটির রঙ। এতে দোষ কি ? উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, দেখ, তোমরা হলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করে চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখলে মনে করবে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাল্‌হা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরতে দেখে তাঁকে বললেন, তাল্‌হা, এ রঙিন কাপড় কেন ? তিনি বললেন, আমীরুল মু’মিনীন, এটা তো মাটির রঙ। এতে দোষ কি ? উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, দেখ, তোমরা হলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করে চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখলে মনে করবে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع أسلم مولى عمر بن الخطاب يحدث عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب رأى على طلحة بن عبيد الله ثوبا مصبوغا وهو محرم فقال عمر ما هذا الثوب المصبوغ يا طلحة فقال طلحة يا أمير المؤمنين إنما هو مدر فقال عمر إنكم أيها الرهط أئمة يقتدي بكم الناس فلو أن رجلا جاهلا رأى هذا الثوب لقال إن طلحة بن عبيد الله كان يلبس الثياب المصبغة في الإحرام فلا تلبسوا أيها الرهط شيئا من هذه الثياب المصبغة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরামকালে কোমরবন্ধ বাঁধা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৪

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره لبس المنطقة للمحرم.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাঁধা মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাঁধা মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره لبس المنطقة للمحرم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول في المنطقة يلبسها المحرم تحت ثيابه أنه لا بأس بذلك إذا جعل طرفيها جميعا سيورا يعقد بعضها إلى بعض قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (র) বলেন, উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরলে কোন অসুবিধা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহ আমি শুনেছি।

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (র) বলেন, উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরলে কোন অসুবিধা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহ আমি শুনেছি।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول في المنطقة يلبسها المحرم تحت ثيابه أنه لا بأس بذلك إذا جعل طرفيها جميعا سيورا يعقد بعضها إلى بعض قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল ঢাকা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৭

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: ما فوق الذقن من الرأس فلا يخمره المحرم.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, থুতনির উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরস্ত নহে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, থুতনির উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরস্ত নহে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: ما فوق الذقن من الرأس فلا يخمره المحرم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৬

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال أخبرني الفرافصة بن عمير الحنفي أنه رأى عثمان بن عفان بالعرج يغطي وجهه وهو محرم.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

ফারাফিসা ইবনু উমায়র আল-হানাফী (র) আরজ্ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

ফারাফিসা ইবনু উমায়র আল-হানাফী (র) আরজ্ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال أخبرني الفرافصة بن عمير الحنفي أنه رأى عثمان بن عفان بالعرج يغطي وجهه وهو محرم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৮

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كفن ابنه واقد بن عبد الله ومات بالجحفة محرما وخمر رأسه ووجهه وقال لولا أنا حرم لطيبناه ১১৭৪-قال مالك وإنما يعمل الرجل ما دام حيا فإذا مات فقد انقضى العمل.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) নিজে তাঁকে কাফন পরান। তিনি তখন বলেছিলেন আমরা ইহরাম অবস্থায় না হলে তাঁকে সুগন্ধি লাগাতাম। তিনি তাঁর মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢেকে দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায়।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) নিজে তাঁকে কাফন পরান। তিনি তখন বলেছিলেন আমরা ইহরাম অবস্থায় না হলে তাঁকে সুগন্ধি লাগাতাম। তিনি তাঁর মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢেকে দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায়।

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كفن ابنه واقد بن عبد الله ومات بالجحفة محرما وخمر رأسه ووجهه وقال لولا أنا حرم لطيبناه ১১৭৪-قال مالك وإنما يعمل الرجل ما دام حيا فإذا مات فقد انقضى العمل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১০

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أنها قالت، كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع أسماء بنت أبي بكر الصديق.

ফাতিমা বিনতে মুনযির (র) থেকে বর্নিতঃ

আমরা আসমা বিনতে আবূ বক্‌র (রা)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ফাতিমা বিনতে মুনযির (র) থেকে বর্নিতঃ

আমরা আসমা বিনতে আবূ বক্‌র (রা)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أنها قالت، كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع أسماء بنت أبي بكر الصديق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৯

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول لا تنتقب المرأة المحرمة ولا تلبس القفازين.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না বা হাতে হাতমোজা পরবে না। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী মারফু সনদে ইবনু উমার (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৮৩৮)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না বা হাতে হাতমোজা পরবে না। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী মারফু সনদে ইবনু উমার (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৮৩৮)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول لا تنتقب المرأة المحرمة ولا تلبس القفازين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > হজ্জের সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১১

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، كنت أطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم لإحرامه قبل أن يحرم ولحله قبل أن يطوف بالبيت.

নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

ইহরাম বাঁধার পূর্বে এবং ইহরাম খোলার সময় তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম। (বুখারী ১৫৩৯, মুসলিম ১১৮৯)

নাবী (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

ইহরাম বাঁধার পূর্বে এবং ইহরাম খোলার সময় তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)কে সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম। (বুখারী ১৫৩৯, মুসলিম ১১৮৯)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الرحمن بن القاسم عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت، كنت أطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم لإحرامه قبل أن يحرم ولحله قبل أن يطوف بالبيت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১২

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس عن عطاء بن أبي رباح أن أعرابيا جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بحنين وعلى الأعرابي قميص وبه أثر صفرة فقال يا رسول الله إني أهللت بعمرة فكيف تأمرني أن أصنع فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم انزع قميصك واغسل هذه الصفرة عنك وافعل في عمرتك ما تفعل في حجك.

‘আতা ইবনু আবি রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন হুনাইনে আবস্থান করতেছিলেন তখন হলুদ চিহ্ন আছে এমন জামা পরিহিত এক বেদুঈন ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমি উমরার নিয়ত করেছি। এখন আপনি আমাকে কি করতে নির্দেশ করেন? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, জামাটি খুলে হলুদ দাগগুলো ধুয়ে ফেল এবং হজ্জের বেলায় যা করতে এখন তাই কর। (বুখারী ১৭৮৯, মুসলিম ১১৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

‘আতা ইবনু আবি রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন হুনাইনে আবস্থান করতেছিলেন তখন হলুদ চিহ্ন আছে এমন জামা পরিহিত এক বেদুঈন ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে বলল, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমি উমরার নিয়ত করেছি। এখন আপনি আমাকে কি করতে নির্দেশ করেন? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, জামাটি খুলে হলুদ দাগগুলো ধুয়ে ফেল এবং হজ্জের বেলায় যা করতে এখন তাই কর। (বুখারী ১৭৮৯, মুসলিম ১১৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس عن عطاء بن أبي رباح أن أعرابيا جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو بحنين وعلى الأعرابي قميص وبه أثر صفرة فقال يا رسول الله إني أهللت بعمرة فكيف تأمرني أن أصنع فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم انزع قميصك واغسل هذه الصفرة عنك وافعل في عمرتك ما تفعل في حجك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৩

و حدثني عن مالك عن نافع عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة فقال ممن ريح هذا الطيب فقال معاوية بن أبي سفيان مني يا أمير المؤمنين فقال منك لعمر الله فقال معاوية إن أم حبيبة طيبتني يا أمير المؤمنين فقال عمر عزمت عليك لترجعن فلتغسلنه.

আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি স্থান) ছিলেন। তখন তাঁর নাকে সুগন্ধি অনুভূত হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এই সুগন্ধি কোথা হতে আসছে ? মু’আবিয়া ইবনু আবূ সুফইয়ান (রা) বললেন, আমার নিকট হে আমীরুল মু’মিনীন। [১] উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, এই সুগন্ধি তোমার হতে! অতঃপর মু’আবিয়া বললেন, উম্মে হাবীবা (রা) আমাকে এই সুগন্ধি লাগিয়ে দিয়েছিলেন। উমার (রা) বললেন, তোমাকে বলতেছি, তুমি ফিরে যাও (উম্মে হাবীবার নিকট), তিনি নিশ্চয় এটা ধুয়ে দিবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরবর্তী একটি স্থান) ছিলেন। তখন তাঁর নাকে সুগন্ধি অনুভূত হল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এই সুগন্ধি কোথা হতে আসছে ? মু’আবিয়া ইবনু আবূ সুফইয়ান (রা) বললেন, আমার নিকট হে আমীরুল মু’মিনীন। [১] উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, এই সুগন্ধি তোমার হতে! অতঃপর মু’আবিয়া বললেন, উম্মে হাবীবা (রা) আমাকে এই সুগন্ধি লাগিয়ে দিয়েছিলেন। উমার (রা) বললেন, তোমাকে বলতেছি, তুমি ফিরে যাও (উম্মে হাবীবার নিকট), তিনি নিশ্চয় এটা ধুয়ে দিবেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة فقال ممن ريح هذا الطيب فقال معاوية بن أبي سفيان مني يا أمير المؤمنين فقال منك لعمر الله فقال معاوية إن أم حبيبة طيبتني يا أمير المؤمنين فقال عمر عزمت عليك لترجعن فلتغسلنه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৪

و حدثني عن مالك عن الصلت بن زييد عن غير واحد من أهله أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة وإلى جنبه كثير بن الصلت فقال عمر ممن ريح هذا الطيب فقال كثير مني يا أمير المؤمنين لبدت رأسي وأردت أن لا أحلق فقال عمر فاذهب إلى شربة فادلك رأسك حتى تنقيه ففعل كثير بن الصلت قال مالك الشربة حفير تكون عند أصل النخلة.

সালত ইবনু যুয়াইদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সালত ইবনু যুয়াইদ (র) তাঁর পরিবারের একাধিক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় সুগন্ধ দ্রব্যের ঘ্রাণ পেলেন, তাঁর পার্শ্বে ছিলেন কসীর ইবনু সালত। উমার (রা) বললেন, এই সুগন্ধি কার নিকট হতে ? কাসীর বললেন, আমার নিকট হতে। আমার মাথায় তলবীদ করেছি এবং আমি মাথায় চুল মুণ্ডাবার ইরাদা করেছি। উমার (রা) বললেন, তুমি শারাবাতের দিকে গমন কর এবং তোমার মাথা মালিশ কর উহাকে পরিষ্কার করা পর্যন্ত। কসীর ইবনু সালত (র) উহা করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, শারাবাত খেজুর গাছের গোড়ার গর্ত যাতে পানি জমে থাকে।

সালত ইবনু যুয়াইদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সালত ইবনু যুয়াইদ (র) তাঁর পরিবারের একাধিক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) শাজারায় সুগন্ধ দ্রব্যের ঘ্রাণ পেলেন, তাঁর পার্শ্বে ছিলেন কসীর ইবনু সালত। উমার (রা) বললেন, এই সুগন্ধি কার নিকট হতে ? কাসীর বললেন, আমার নিকট হতে। আমার মাথায় তলবীদ করেছি এবং আমি মাথায় চুল মুণ্ডাবার ইরাদা করেছি। উমার (রা) বললেন, তুমি শারাবাতের দিকে গমন কর এবং তোমার মাথা মালিশ কর উহাকে পরিষ্কার করা পর্যন্ত। কসীর ইবনু সালত (র) উহা করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, শারাবাত খেজুর গাছের গোড়ার গর্ত যাতে পানি জমে থাকে।

و حدثني عن مالك عن الصلت بن زييد عن غير واحد من أهله أن عمر بن الخطاب وجد ريح طيب وهو بالشجرة وإلى جنبه كثير بن الصلت فقال عمر ممن ريح هذا الطيب فقال كثير مني يا أمير المؤمنين لبدت رأسي وأردت أن لا أحلق فقال عمر فاذهب إلى شربة فادلك رأسك حتى تنقيه ففعل كثير بن الصلت قال مالك الشربة حفير تكون عند أصل النخلة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعبد الله بن أبي بكر وربيعة بن أبي عبد الرحمن أن الوليد بن عبد الملك سأل سالم بن عبد الله وخارجة بن زيد بن ثابت بعد أن رمى الجمرة وحلق رأسه وقبل أن يفيض عن الطيب فنهاه سالم وأرخص له خارجة بن زيد بن ثابت. ১১৮৩-قال مالك لا بأس أن يدهن الرجل بدهن ليس فيه طيب قبل أن يحرم وقبل أن يفيض من منى بعد رمي الجمرة. ১১৮৪- قال يحيى سئل مالك عن طعام فيه زعفران هل يأكله المحرم فقال أما ما تمسه النار من ذلك فلا بأس به أن يأكله المحرم وأما ما لم تمسه النار من ذلك فلا يأكله المحرم.

ইয়াহ্ইয়া ইব্‌নু সাঈদ (র), আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) এবং রবীআ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

অলিদ ইবনু আবদুল মালিক সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ ও খারিজা ইবনু যায়দ (র)-কে জিজ্ঞেস করলেন, রমীয়ে জামরা (প্রস্তর নিক্ষেপ) এবং মাথা কামাবার পর তওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করা কেমন ? সালিম (র) ইহাকে নিষিদ্ধ বলে মত দিলেন, আর খারিজা ইবনু যায়দ ইবনু সাবিত (র) বললেন, ইহা জায়েয। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহরামের পূর্বে বা তাওয়াফের যিয়ারতের পূর্বে রমীয়ে জামরার পর মিনা হতে প্রত্যাবর্তনকালে গন্ধবিহীন সাধারণ তৈল ব্যবহার করায় কোন অসুবিধা নেই। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, জাফরান মিশ্রিত খাদ্য মুহরিম ব্যক্তি খেতে পারবে কি? তখন তিনি বললেন, আগুনে পরিপাক করা হয়ে থাকলে খেতে পারবে। আর তা না হলে খেতে পারবে না।

ইয়াহ্ইয়া ইব্‌নু সাঈদ (র), আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ বক্‌র (র) এবং রবীআ ইবনু আবূ আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

অলিদ ইবনু আবদুল মালিক সালিম ইবনু আবদুল্লাহ্ ও খারিজা ইবনু যায়দ (র)-কে জিজ্ঞেস করলেন, রমীয়ে জামরা (প্রস্তর নিক্ষেপ) এবং মাথা কামাবার পর তওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে সুগন্ধি ব্যবহার করা কেমন ? সালিম (র) ইহাকে নিষিদ্ধ বলে মত দিলেন, আর খারিজা ইবনু যায়দ ইবনু সাবিত (র) বললেন, ইহা জায়েয। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহরামের পূর্বে বা তাওয়াফের যিয়ারতের পূর্বে রমীয়ে জামরার পর মিনা হতে প্রত্যাবর্তনকালে গন্ধবিহীন সাধারণ তৈল ব্যবহার করায় কোন অসুবিধা নেই। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল, জাফরান মিশ্রিত খাদ্য মুহরিম ব্যক্তি খেতে পারবে কি? তখন তিনি বললেন, আগুনে পরিপাক করা হয়ে থাকলে খেতে পারবে। আর তা না হলে খেতে পারবে না।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد وعبد الله بن أبي بكر وربيعة بن أبي عبد الرحمن أن الوليد بن عبد الملك سأل سالم بن عبد الله وخارجة بن زيد بن ثابت بعد أن رمى الجمرة وحلق رأسه وقبل أن يفيض عن الطيب فنهاه سالم وأرخص له خارجة بن زيد بن ثابت. ১১৮৩-قال مالك لا بأس أن يدهن الرجل بدهن ليس فيه طيب قبل أن يحرم وقبل أن يفيض من منى بعد رمي الجمرة. ১১৮৪- قال يحيى سئل مالك عن طعام فيه زعفران هل يأكله المحرم فقال أما ما تمسه النار من ذلك فلا بأس به أن يأكله المحرم وأما ما لم تمسه النار من ذلك فلا يأكله المحرم.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00