মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় কাপড় পরা নিষিদ্ধ হওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০০
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ما يلبس المحرم من الثياب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تلبسوا القمص ولا العمائم ولا السراويلات ولا البرانس ولا الخفاف إلا أحد لا يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين ولا تلبسوا من الثياب شيئا مسه الزعفران ولا الورس ১১৬১-قال يحيى سئل مالك عما ذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ومن لم يجد إزارا فليلبس سراويل فقال لم أسمع بهذا ولا أرى أن يلبس المحرم سراويل لأن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس السراويلات فيما نهى عنه من لبس الثياب التي لا ينبغي للمحرم أن يلبسها ولم يستثن فيها كما استثنى في الخفين.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিধান করতে পারে ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উত্তরে বললেন, কোর্তা পরবে না, পাগড়ি বাঁধবে না, টুপি পাজামা এবং মোজা পরবে না। তবে কারো চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরতে পারে বটে কিন্তু তা এমনভাবে কেটে পরবে যাতে পায়ের টাখনা বের হয়ে থাকে। জা’ফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার সুগন্ধযুক্ত রঙিন ঘাস) রঞ্জিত কাপড়ও পরতে পারবে না। (বুখারী ১৫৪২, মুসলিম ১১৭৭) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-এর নিকট একবার জিজ্ঞেস করা হল, একটি হাদীস হতে জানা যায় যে, লুঙ্গি না পেলে সে পায়জামা পরতে পারবে। মুহরিমের জন্য পায়জামা পরা কি জায়েয হবে ? মালিক (র) উত্তরে বললেন, এই ধরনের কোন হাদীস আমি শুনি নাই। আমার মতে মুহরিমের জন্য পায়জামা পরিধান করা উচিত হবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুহরিমকে পায়জামা পরতে নিষেধ করেছেন এবং মোজার ব্যাপারে যেমন অনুমতি প্রদান করা হয়েছে পায়জামার ব্যাপারে তদ্রূপ অনুমতি প্রদান করা হয়নি।
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিধান করতে পারে ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উত্তরে বললেন, কোর্তা পরবে না, পাগড়ি বাঁধবে না, টুপি পাজামা এবং মোজা পরবে না। তবে কারো চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরতে পারে বটে কিন্তু তা এমনভাবে কেটে পরবে যাতে পায়ের টাখনা বের হয়ে থাকে। জা’ফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার সুগন্ধযুক্ত রঙিন ঘাস) রঞ্জিত কাপড়ও পরতে পারবে না। (বুখারী ১৫৪২, মুসলিম ১১৭৭) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-এর নিকট একবার জিজ্ঞেস করা হল, একটি হাদীস হতে জানা যায় যে, লুঙ্গি না পেলে সে পায়জামা পরতে পারবে। মুহরিমের জন্য পায়জামা পরা কি জায়েয হবে ? মালিক (র) উত্তরে বললেন, এই ধরনের কোন হাদীস আমি শুনি নাই। আমার মতে মুহরিমের জন্য পায়জামা পরিধান করা উচিত হবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুহরিমকে পায়জামা পরতে নিষেধ করেছেন এবং মোজার ব্যাপারে যেমন অনুমতি প্রদান করা হয়েছে পায়জামার ব্যাপারে তদ্রূপ অনুমতি প্রদান করা হয়নি।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ما يلبس المحرم من الثياب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تلبسوا القمص ولا العمائم ولا السراويلات ولا البرانس ولا الخفاف إلا أحد لا يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين ولا تلبسوا من الثياب شيئا مسه الزعفران ولا الورس ১১৬১-قال يحيى سئل مالك عما ذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ومن لم يجد إزارا فليلبس سراويل فقال لم أسمع بهذا ولا أرى أن يلبس المحرم سراويل لأن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس السراويلات فيما نهى عنه من لبس الثياب التي لا ينبغي للمحرم أن يلبسها ولم يستثن فيها كما استثنى في الخفين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরিধান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০১
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران أو ورس وقال من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين.
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ারস রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরতে পারবে, কিন্তু টাখনার নিচ পর্যন্ত তা কেটে নিবে। (সহীহ, বুখারী ৫৮৫২, মুসলিম ১১৭৭)
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ারস রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরতে পারবে, কিন্তু টাখনার নিচ পর্যন্ত তা কেটে নিবে। (সহীহ, বুখারী ৫৮৫২, মুসলিম ১১৭৭)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران أو ورس وقال من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৩
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن أسماء بنت أبي بكر أنها كانت تلبس الثياب المعصفرات المشبعات وهي محرمة ليس فيها زعفران ১১৬৬-قال يحيى سئل مالك عن ثوب مسه طيب ثم ذهب منه ريح الطيب هل يحرم فيه فقال نعم ما لم يكن فيه صباغ من زعفران أو ورس.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আসমা বিনত আবূ বক্র (রা) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরতেন। তবে এতে জাফরান মিশ্রিত হত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, সুগন্ধি বিদূরিত হয়ে গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, হ্যাঁ, পরতে পারে। তবে শর্ত হল জাফরান এবং ওয়ার্স-এর রঙ যেন তাতে না থাকে।
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আসমা বিনত আবূ বক্র (রা) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরতেন। তবে এতে জাফরান মিশ্রিত হত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, সুগন্ধি বিদূরিত হয়ে গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, হ্যাঁ, পরতে পারে। তবে শর্ত হল জাফরান এবং ওয়ার্স-এর রঙ যেন তাতে না থাকে।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن أسماء بنت أبي بكر أنها كانت تلبس الثياب المعصفرات المشبعات وهي محرمة ليس فيها زعفران ১১৬৬-قال يحيى سئل مالك عن ثوب مسه طيب ثم ذهب منه ريح الطيب هل يحرم فيه فقال نعم ما لم يكن فيه صباغ من زعفران أو ورس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০২
و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع أسلم مولى عمر بن الخطاب يحدث عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب رأى على طلحة بن عبيد الله ثوبا مصبوغا وهو محرم فقال عمر ما هذا الثوب المصبوغ يا طلحة فقال طلحة يا أمير المؤمنين إنما هو مدر فقال عمر إنكم أيها الرهط أئمة يقتدي بكم الناس فلو أن رجلا جاهلا رأى هذا الثوب لقال إن طلحة بن عبيد الله كان يلبس الثياب المصبغة في الإحرام فلا تلبسوا أيها الرهط شيئا من هذه الثياب المصبغة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাল্হা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরতে দেখে তাঁকে বললেন, তাল্হা, এ রঙিন কাপড় কেন ? তিনি বললেন, আমীরুল মু’মিনীন, এটা তো মাটির রঙ। এতে দোষ কি ? উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, দেখ, তোমরা হলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করে চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখলে মনে করবে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাল্হা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরতে দেখে তাঁকে বললেন, তাল্হা, এ রঙিন কাপড় কেন ? তিনি বললেন, আমীরুল মু’মিনীন, এটা তো মাটির রঙ। এতে দোষ কি ? উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, দেখ, তোমরা হলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করে চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখলে মনে করবে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع أسلم مولى عمر بن الخطاب يحدث عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب رأى على طلحة بن عبيد الله ثوبا مصبوغا وهو محرم فقال عمر ما هذا الثوب المصبوغ يا طلحة فقال طلحة يا أمير المؤمنين إنما هو مدر فقال عمر إنكم أيها الرهط أئمة يقتدي بكم الناس فلو أن رجلا جاهلا رأى هذا الثوب لقال إن طلحة بن عبيد الله كان يلبس الثياب المصبغة في الإحرام فلا تلبسوا أيها الرهط شيئا من هذه الثياب المصبغة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরামকালে কোমরবন্ধ বাঁধা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৪
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره لبس المنطقة للمحرم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাঁধা মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাঁধা মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره لبس المنطقة للمحرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول في المنطقة يلبسها المحرم تحت ثيابه أنه لا بأس بذلك إذا جعل طرفيها جميعا سيورا يعقد بعضها إلى بعض قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (র) বলেন, উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরলে কোন অসুবিধা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহ আমি শুনেছি।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (র) বলেন, উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরলে কোন অসুবিধা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহ আমি শুনেছি।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول في المنطقة يلبسها المحرم تحت ثيابه أنه لا بأس بذلك إذا جعل طرفيها جميعا سيورا يعقد بعضها إلى بعض قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল ঢাকা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৭
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: ما فوق الذقن من الرأس فلا يخمره المحرم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, থুতনির উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরস্ত নহে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, থুতনির উপরিভাগ মাথার হুকুমের শামিল। ইহরাম অবস্থায় উহা ঢাকা দুরস্ত নহে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: ما فوق الذقن من الرأس فلا يخمره المحرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৬
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال أخبرني الفرافصة بن عمير الحنفي أنه رأى عثمان بن عفان بالعرج يغطي وجهه وهو محرم.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
ফারাফিসা ইবনু উমায়র আল-হানাফী (র) আরজ্ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
ফারাফিসা ইবনু উমায়র আল-হানাফী (র) আরজ্ নামক স্থানে উসমান ইবনু আফফান (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় মুখমণ্ডল আচ্ছাদিত করতে দেখেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه قال أخبرني الفرافصة بن عمير الحنفي أنه رأى عثمان بن عفان بالعرج يغطي وجهه وهو محرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৮
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كفن ابنه واقد بن عبد الله ومات بالجحفة محرما وخمر رأسه ووجهه وقال لولا أنا حرم لطيبناه ১১৭৪-قال مالك وإنما يعمل الرجل ما دام حيا فإذا مات فقد انقضى العمل.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) নিজে তাঁকে কাফন পরান। তিনি তখন বলেছিলেন আমরা ইহরাম অবস্থায় না হলে তাঁকে সুগন্ধি লাগাতাম। তিনি তাঁর মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢেকে দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায়।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পুত্র ওয়াকিদ ইবনু আবদুল্লাহ্ (র) জুহফা নামক স্থানে ইহরাম অবস্থায় ইন্তিকাল করেন। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) নিজে তাঁকে কাফন পরান। তিনি তখন বলেছিলেন আমরা ইহরাম অবস্থায় না হলে তাঁকে সুগন্ধি লাগাতাম। তিনি তাঁর মাথা এবং মুখমণ্ডল ঢেকে দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, জীবিত থাকাকালীন মানুষ শরীয়তের উপর আমল করতে পারে। মৃত্যুর পরে মানুষের আমল বন্ধ হয়ে যায়।
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كفن ابنه واقد بن عبد الله ومات بالجحفة محرما وخمر رأسه ووجهه وقال لولا أنا حرم لطيبناه ১১৭৪-قال مالك وإنما يعمل الرجل ما دام حيا فإذا مات فقد انقضى العمل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭১০
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أنها قالت، كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع أسماء بنت أبي بكر الصديق.
ফাতিমা বিনতে মুনযির (র) থেকে বর্নিতঃ
আমরা আসমা বিনতে আবূ বক্র (রা)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
ফাতিমা বিনতে মুনযির (র) থেকে বর্নিতঃ
আমরা আসমা বিনতে আবূ বক্র (রা)-এর সঙ্গী ছিলাম। আমরা ইহরাম অবস্থায় মুখ ঢেকে ফেলতাম, কিন্তু তিনি আমাদের কিছুই বলতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن فاطمة بنت المنذر أنها قالت، كنا نخمر وجوهنا ونحن محرمات ونحن مع أسماء بنت أبي بكر الصديق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول لا تنتقب المرأة المحرمة ولا تلبس القفازين.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না বা হাতে হাতমোজা পরবে না। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী মারফু সনদে ইবনু উমার (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৮৩৮)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, ইহরাম অবস্থায় মহিলাগণ চেহারায় নেকাব ফেলবে না বা হাতে হাতমোজা পরবে না। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী মারফু সনদে ইবনু উমার (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ১৮৩৮)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول لا تنتقب المرأة المحرمة ولا تلبس القفازين.