মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুহরিমের গোসল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯৮
و حدثني مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا دنا من مكة بات بذي طوى بين الثنيتين حتى يصبح ثم يصلي الصبح ثم يدخل من الثنية التي بأعلى مكة ولا يدخل إذا خرج حاجا أو معتمرا حتى يغتسل قبل أن يدخل مكة إذا دنا من مكة بذي طوى ويأمر من معه فيغتسلون قبل أن يدخلوا.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন মক্কার নিকটবর্তী হতেন তখন দুই গিরিপথের মধ্যবর্তী যি-তুওয়া নামক স্থানে রাত্রিযাপন করতেন। পরে ফজরেই নামাযের পর উপরের গিরিপথ বেয়ে মক্কায় প্রবেশ করতেন। আর হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে আসলে যি-তুওয়ায় গোসল না করে সেখানে প্রবেশ করতেন না। সঙ্গীগণকে মক্কা প্রবেশের পূর্বে গোসল করতে তিনি নির্দেশ দিতেন। (সহীহ, বুখারী ১৫৭৩)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যখন মক্কার নিকটবর্তী হতেন তখন দুই গিরিপথের মধ্যবর্তী যি-তুওয়া নামক স্থানে রাত্রিযাপন করতেন। পরে ফজরেই নামাযের পর উপরের গিরিপথ বেয়ে মক্কায় প্রবেশ করতেন। আর হজ্জ বা উমরার উদ্দেশ্যে আসলে যি-তুওয়ায় গোসল না করে সেখানে প্রবেশ করতেন না। সঙ্গীগণকে মক্কা প্রবেশের পূর্বে গোসল করতে তিনি নির্দেশ দিতেন। (সহীহ, বুখারী ১৫৭৩)
و حدثني مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان إذا دنا من مكة بات بذي طوى بين الثنيتين حتى يصبح ثم يصلي الصبح ثم يدخل من الثنية التي بأعلى مكة ولا يدخل إذا خرج حاجا أو معتمرا حتى يغتسل قبل أن يدخل مكة إذا دنا من مكة بذي طوى ويأمر من معه فيغتسلون قبل أن يدخلوا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯৭
و حدثني مالك عن حميد بن قيس عن عطاء بن أبي رباح أن عمر بن الخطاب قال ليعلى بن منية وهو يصب على عمر بن الخطاب ماء وهو يغتسل اصبب على رأسي فقال يعلى أتريد أن تجعلها بي إن أمرتني صببت فقال له عمر بن الخطاب اصبب فلن يزيده الماء إلا شعثا.
‘আতা ইবনু আবি রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) গোসল করতেছিলেন এবং ই’য়ালা ইবনু মুনইয়া (র) পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। উমার (রা) ই’য়ালাকে বললেন, আমার মাথায় পানি ঢেলে দাও। তখন তিনি বললেন, আপনি কি আমার দ্বারা এ কাজ করাতে চান ? (অর্থাৎ পানি মাথায় ঢালা সম্পর্কে ই’য়ালার ভিন্নমত ছিল।) যদি হুকুম করেন তবে পানি ঢালতে পারি। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, পানি ঢাল, কারণ পানি চুলের রুক্ষতাই বাড়াবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
‘আতা ইবনু আবি রাবাহ (র) থেকে বর্নিতঃ
নিশ্চয় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) গোসল করতেছিলেন এবং ই’য়ালা ইবনু মুনইয়া (র) পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। উমার (রা) ই’য়ালাকে বললেন, আমার মাথায় পানি ঢেলে দাও। তখন তিনি বললেন, আপনি কি আমার দ্বারা এ কাজ করাতে চান ? (অর্থাৎ পানি মাথায় ঢালা সম্পর্কে ই’য়ালার ভিন্নমত ছিল।) যদি হুকুম করেন তবে পানি ঢালতে পারি। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, পানি ঢাল, কারণ পানি চুলের রুক্ষতাই বাড়াবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن حميد بن قيس عن عطاء بن أبي رباح أن عمر بن الخطاب قال ليعلى بن منية وهو يصب على عمر بن الخطاب ماء وهو يغتسل اصبب على رأسي فقال يعلى أتريد أن تجعلها بي إن أمرتني صببت فقال له عمر بن الخطاب اصبب فلن يزيده الماء إلا شعثا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يغسل رأسه وهو محرم إلا من الاحتلام ১১৫৮-قال مالك سمعت أهل العلم يقولون لا بأس أن يغسل الرجل المحرم رأسه بالغسول بعد أن يرمي جمرة العقبة وقبل أن يحلق رأسه وذلك أنه إذا رمى جمرة العقبة فقد حل له قتل القمل وحلق الشعر وإلقاء التفث ولبس الثياب.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরামের অবস্থায় মাথা ধুতেন না। তবে স্বপ্নদোষ হলে বাধ্যতামূলক ধুতে হত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, বিজ্ঞ আলিমদের কাছে শুনেছি যে, জমরা-এ-‘আকাবার রমি করার পর মাথা কামাবার পূর্বেই সাবান ইত্যাদি দ্বারা মাথা ধৌত করা যায়। কেননা জমরা-এ-‘আকবার প্রস্তর নিক্ষেপের পর উকুন মারা, মাথা কামানো, ময়লা বিদূরিত করা, কাপড় পরা ইত্যাদি কাজ মুহরিমের জন্য হালাল হয়ে যায়।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরামের অবস্থায় মাথা ধুতেন না। তবে স্বপ্নদোষ হলে বাধ্যতামূলক ধুতে হত। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, বিজ্ঞ আলিমদের কাছে শুনেছি যে, জমরা-এ-‘আকাবার রমি করার পর মাথা কামাবার পূর্বেই সাবান ইত্যাদি দ্বারা মাথা ধৌত করা যায়। কেননা জমরা-এ-‘আকবার প্রস্তর নিক্ষেপের পর উকুন মারা, মাথা কামানো, ময়লা বিদূরিত করা, কাপড় পরা ইত্যাদি কাজ মুহরিমের জন্য হালাল হয়ে যায়।
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان لا يغسل رأسه وهو محرم إلا من الاحتلام ১১৫৮-قال مالك سمعت أهل العلم يقولون لا بأس أن يغسل الرجل المحرم رأسه بالغسول بعد أن يرمي جمرة العقبة وقبل أن يحلق رأسه وذلك أنه إذا رمى جمرة العقبة فقد حل له قتل القمل وحلق الشعر وإلقاء التفث ولبس الثياب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯৬
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن إبراهيم بن عبد الله بن حنين عن أبيه أن عبد الله بن عباس والمسور بن مخرمة اختلفا بالأبواء فقال عبد الله يغسل المحرم رأسه وقال المسور بن مخرمة لا يغسل المحرم رأسه قال فأرسلني عبد الله بن عباس إلى أبي أيوب الأنصاري فوجدته يغتسل بين القرنين وهو يستر بثوب فسلمت عليه فقال من هذا فقلت أنا عبد الله بن حنين أرسلني إليك عبد الله بن عباس أسألك كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل رأسه وهو محرم قال فوضع أبو أيوب يده على الثوب فطأطأه حتى بدا لي رأسه ثم قال لإنسان يصب عليه اصبب فصب على رأسه ثم حرك رأسه بيديه فأقبل بهما وأدبر ثم قال هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل.
ইবরাহীম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবরাহীম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামার মধ্যে ‘আবওয়া’ নামক স্থানে বিতর্ক হয়। ইবনু আব্বাস (রা)-এর অভিমত ছিল মুহরিম অর্থাৎ ইহরামরত ব্যক্তি মাথা ধুতে পারে আর মিসওয়ারের অভিমত ছিল যে, মুহ্রিম মাথা ধুতে পারে না। আবদুল্লাহ্ ইবনু হুনায়ন বলেন, শেষে আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) আমাকে এই বিষয়ের মীমাংসার জন্য আবূ আইয়ূব আনসারী (রা)-এর কাছে প্রেরণ করেন। তখন তিনি একটি কুয়ার ধারে পর্দা টাঙ্গিয়ে গোসল করতেছিলেন। আমি পর্দার বাহির হতে তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, কে ? আমি বললাম আবদুল্লাহ্ ইবনু হুনায়ন। আমাকে আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) পাঠিয়েছেন, ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিভাবে মাথা ধুতেন তা জানবার জন্য। আবূ আইয়ূব (রা) মাথায় হাত রেখে মাথার কাপড় সরিয়ে দিলেন, আমি তাঁর মাথাটি তখন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম। যে ব্যক্তি তাঁর গায়ে পানি ঢালতেছিল তাকে বললেন, পানি ঢাল। ঐ ব্যক্তি তাঁর মাথায় পানি ঢালতে লাগল আর তিনি তাঁর দুই হাত মাথার সামনে এবং পিছনে মর্দন করে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এইরূপ করতে দেখেছি। (বুখারী ১৮৪০, মুসলিম ১২০৫)
ইবরাহীম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবরাহীম ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু হুনায়ন (র) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন, আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা) এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামার মধ্যে ‘আবওয়া’ নামক স্থানে বিতর্ক হয়। ইবনু আব্বাস (রা)-এর অভিমত ছিল মুহরিম অর্থাৎ ইহরামরত ব্যক্তি মাথা ধুতে পারে আর মিসওয়ারের অভিমত ছিল যে, মুহ্রিম মাথা ধুতে পারে না। আবদুল্লাহ্ ইবনু হুনায়ন বলেন, শেষে আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) আমাকে এই বিষয়ের মীমাংসার জন্য আবূ আইয়ূব আনসারী (রা)-এর কাছে প্রেরণ করেন। তখন তিনি একটি কুয়ার ধারে পর্দা টাঙ্গিয়ে গোসল করতেছিলেন। আমি পর্দার বাহির হতে তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, কে ? আমি বললাম আবদুল্লাহ্ ইবনু হুনায়ন। আমাকে আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) পাঠিয়েছেন, ইহরাম অবস্থায় রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিভাবে মাথা ধুতেন তা জানবার জন্য। আবূ আইয়ূব (রা) মাথায় হাত রেখে মাথার কাপড় সরিয়ে দিলেন, আমি তাঁর মাথাটি তখন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম। যে ব্যক্তি তাঁর গায়ে পানি ঢালতেছিল তাকে বললেন, পানি ঢাল। ঐ ব্যক্তি তাঁর মাথায় পানি ঢালতে লাগল আর তিনি তাঁর দুই হাত মাথার সামনে এবং পিছনে মর্দন করে বললেন, আমি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এইরূপ করতে দেখেছি। (বুখারী ১৮৪০, মুসলিম ১২০৫)
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن إبراهيم بن عبد الله بن حنين عن أبيه أن عبد الله بن عباس والمسور بن مخرمة اختلفا بالأبواء فقال عبد الله يغسل المحرم رأسه وقال المسور بن مخرمة لا يغسل المحرم رأسه قال فأرسلني عبد الله بن عباس إلى أبي أيوب الأنصاري فوجدته يغتسل بين القرنين وهو يستر بثوب فسلمت عليه فقال من هذا فقلت أنا عبد الله بن حنين أرسلني إليك عبد الله بن عباس أسألك كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يغسل رأسه وهو محرم قال فوضع أبو أيوب يده على الثوب فطأطأه حتى بدا لي رأسه ثم قال لإنسان يصب عليه اصبب فصب على رأسه ثم حرك رأسه بيديه فأقبل بهما وأدبر ثم قال هكذا رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يفعل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় কাপড় পরা নিষিদ্ধ হওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০০
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ما يلبس المحرم من الثياب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تلبسوا القمص ولا العمائم ولا السراويلات ولا البرانس ولا الخفاف إلا أحد لا يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين ولا تلبسوا من الثياب شيئا مسه الزعفران ولا الورس ১১৬১-قال يحيى سئل مالك عما ذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ومن لم يجد إزارا فليلبس سراويل فقال لم أسمع بهذا ولا أرى أن يلبس المحرم سراويل لأن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس السراويلات فيما نهى عنه من لبس الثياب التي لا ينبغي للمحرم أن يلبسها ولم يستثن فيها كما استثنى في الخفين.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিধান করতে পারে ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উত্তরে বললেন, কোর্তা পরবে না, পাগড়ি বাঁধবে না, টুপি পাজামা এবং মোজা পরবে না। তবে কারো চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরতে পারে বটে কিন্তু তা এমনভাবে কেটে পরবে যাতে পায়ের টাখনা বের হয়ে থাকে। জা’ফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার সুগন্ধযুক্ত রঙিন ঘাস) রঞ্জিত কাপড়ও পরতে পারবে না। (বুখারী ১৫৪২, মুসলিম ১১৭৭) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-এর নিকট একবার জিজ্ঞেস করা হল, একটি হাদীস হতে জানা যায় যে, লুঙ্গি না পেলে সে পায়জামা পরতে পারবে। মুহরিমের জন্য পায়জামা পরা কি জায়েয হবে ? মালিক (র) উত্তরে বললেন, এই ধরনের কোন হাদীস আমি শুনি নাই। আমার মতে মুহরিমের জন্য পায়জামা পরিধান করা উচিত হবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুহরিমকে পায়জামা পরতে নিষেধ করেছেন এবং মোজার ব্যাপারে যেমন অনুমতি প্রদান করা হয়েছে পায়জামার ব্যাপারে তদ্রূপ অনুমতি প্রদান করা হয়নি।
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে জিজ্ঞেস করল, ইহরাম অবস্থায় মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিধান করতে পারে ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উত্তরে বললেন, কোর্তা পরবে না, পাগড়ি বাঁধবে না, টুপি পাজামা এবং মোজা পরবে না। তবে কারো চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরতে পারে বটে কিন্তু তা এমনভাবে কেটে পরবে যাতে পায়ের টাখনা বের হয়ে থাকে। জা’ফরান বা ওয়ারস (এক প্রকার সুগন্ধযুক্ত রঙিন ঘাস) রঞ্জিত কাপড়ও পরতে পারবে না। (বুখারী ১৫৪২, মুসলিম ১১৭৭) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-এর নিকট একবার জিজ্ঞেস করা হল, একটি হাদীস হতে জানা যায় যে, লুঙ্গি না পেলে সে পায়জামা পরতে পারবে। মুহরিমের জন্য পায়জামা পরা কি জায়েয হবে ? মালিক (র) উত্তরে বললেন, এই ধরনের কোন হাদীস আমি শুনি নাই। আমার মতে মুহরিমের জন্য পায়জামা পরিধান করা উচিত হবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুহরিমকে পায়জামা পরতে নিষেধ করেছেন এবং মোজার ব্যাপারে যেমন অনুমতি প্রদান করা হয়েছে পায়জামার ব্যাপারে তদ্রূপ অনুমতি প্রদান করা হয়নি।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم ما يلبس المحرم من الثياب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تلبسوا القمص ولا العمائم ولا السراويلات ولا البرانس ولا الخفاف إلا أحد لا يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين ولا تلبسوا من الثياب شيئا مسه الزعفران ولا الورس ১১৬১-قال يحيى سئل مالك عما ذكر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ومن لم يجد إزارا فليلبس سراويل فقال لم أسمع بهذا ولا أرى أن يلبس المحرم سراويل لأن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس السراويلات فيما نهى عنه من لبس الثياب التي لا ينبغي للمحرم أن يلبسها ولم يستثن فيها كما استثنى في الخفين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরিধান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০১
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران أو ورس وقال من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين.
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ারস রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরতে পারবে, কিন্তু টাখনার নিচ পর্যন্ত তা কেটে নিবে। (সহীহ, বুখারী ৫৮৫২, মুসলিম ১১৭৭)
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইহরাম অবস্থায় জাফরান এবং ওয়ারস রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেন, যার জুতা নাই সে মোজা (চামড়ার) পরতে পারবে, কিন্তু টাখনার নিচ পর্যন্ত তা কেটে নিবে। (সহীহ, বুখারী ৫৮৫২, মুসলিম ১১৭৭)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أنه قال، نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يلبس المحرم ثوبا مصبوغا بزعفران أو ورس وقال من لم يجد نعلين فليلبس خفين وليقطعهما أسفل من الكعبين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৩
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن أسماء بنت أبي بكر أنها كانت تلبس الثياب المعصفرات المشبعات وهي محرمة ليس فيها زعفران ১১৬৬-قال يحيى سئل مالك عن ثوب مسه طيب ثم ذهب منه ريح الطيب هل يحرم فيه فقال نعم ما لم يكن فيه صباغ من زعفران أو ورس.
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আসমা বিনত আবূ বক্র (রা) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরতেন। তবে এতে জাফরান মিশ্রিত হত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, সুগন্ধি বিদূরিত হয়ে গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, হ্যাঁ, পরতে পারে। তবে শর্ত হল জাফরান এবং ওয়ার্স-এর রঙ যেন তাতে না থাকে।
বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ
আসমা বিনত আবূ বক্র (রা) ইহরাম অবস্থায় গাঢ় কুসুম রঙের কাপড় পরতেন। তবে এতে জাফরান মিশ্রিত হত না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, সুগন্ধি বিদূরিত হয়ে গেলে ঐ ধরনের কাপড় ইহরাম অবস্থায় পরিধান করা জায়েয কিনা এই সম্পর্কে মালিক (র)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, হ্যাঁ, পরতে পারে। তবে শর্ত হল জাফরান এবং ওয়ার্স-এর রঙ যেন তাতে না থাকে।
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن أسماء بنت أبي بكر أنها كانت تلبس الثياب المعصفرات المشبعات وهي محرمة ليس فيها زعفران ১১৬৬-قال يحيى سئل مالك عن ثوب مسه طيب ثم ذهب منه ريح الطيب هل يحرم فيه فقال نعم ما لم يكن فيه صباغ من زعفران أو ورس.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০২
و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع أسلم مولى عمر بن الخطاب يحدث عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب رأى على طلحة بن عبيد الله ثوبا مصبوغا وهو محرم فقال عمر ما هذا الثوب المصبوغ يا طلحة فقال طلحة يا أمير المؤمنين إنما هو مدر فقال عمر إنكم أيها الرهط أئمة يقتدي بكم الناس فلو أن رجلا جاهلا رأى هذا الثوب لقال إن طلحة بن عبيد الله كان يلبس الثياب المصبغة في الإحرام فلا تلبسوا أيها الرهط شيئا من هذه الثياب المصبغة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাল্হা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরতে দেখে তাঁকে বললেন, তাল্হা, এ রঙিন কাপড় কেন ? তিনি বললেন, আমীরুল মু’মিনীন, এটা তো মাটির রঙ। এতে দোষ কি ? উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, দেখ, তোমরা হলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করে চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখলে মনে করবে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) তাল্হা ইবনু উবায়দুল্লাহ্ (রা)-কে ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরতে দেখে তাঁকে বললেন, তাল্হা, এ রঙিন কাপড় কেন ? তিনি বললেন, আমীরুল মু’মিনীন, এটা তো মাটির রঙ। এতে দোষ কি ? উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, দেখ, তোমরা হলে নেতা। অন্যরা তোমাদের অনুসরণ করে চলে। স্বল্প বুদ্ধির কেউ তোমাকে দেখলে মনে করবে, তালহা ইবনু উবায়দুল্লাহও ইহরাম অবস্থায় রঙিন কাপড় পরেন। সুতরাং তোমাদের কোন প্রকারের রঙিন কাপড় পরা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أنه سمع أسلم مولى عمر بن الخطاب يحدث عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب رأى على طلحة بن عبيد الله ثوبا مصبوغا وهو محرم فقال عمر ما هذا الثوب المصبوغ يا طلحة فقال طلحة يا أمير المؤمنين إنما هو مدر فقال عمر إنكم أيها الرهط أئمة يقتدي بكم الناس فلو أن رجلا جاهلا رأى هذا الثوب لقال إن طلحة بن عبيد الله كان يلبس الثياب المصبغة في الإحرام فلا تلبسوا أيها الرهط شيئا من هذه الثياب المصبغة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইহরামকালে কোমরবন্ধ বাঁধা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৪
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره لبس المنطقة للمحرم.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাঁধা মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) ইহরাম অবস্থায় কোমরবন্ধ বাঁধা মাকরূহ বলে মনে করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يكره لبس المنطقة للمحرم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৭০৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول في المنطقة يلبسها المحرم تحت ثيابه أنه لا بأس بذلك إذا جعل طرفيها جميعا سيورا يعقد بعضها إلى بعض قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (র) বলেন, উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরলে কোন অসুবিধা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহ আমি শুনেছি।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যাব (র) বলেন, উভয় পার্শ্বে ফিতাযুক্ত কোমরবন্ধ কাপড়ের নিচে ইহরাম অবস্থায় পরলে কোন অসুবিধা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এ বিষয়ে উল্লিখিত বর্ণনাটি সর্বোত্তম, যাহ আমি শুনেছি।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول في المنطقة يلبسها المحرم تحت ثيابه أنه لا بأس بذلك إذا جعل طرفيها جميعا سيورا يعقد بعضها إلى بعض قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.