মুয়াত্তা ইমাম মালিক > লাইলাতুল ক্বদর-এর বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮৭

و حدثني زياد عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تحروا ليلة القدر في السبع الأواخر.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

নিশ্চয় রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা রমযানের শেষের সাত দিনে শবে-ক্বদরের অনুসন্ধান কর। (বুখারী ২০১৫, মুসলিম ১১৬৫)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

নিশ্চয় রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা রমযানের শেষের সাত দিনে শবে-ক্বদরের অনুসন্ধান কর। (বুখারী ২০১৫, মুসলিম ১১৬৫)

و حدثني زياد عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تحروا ليلة القدر في السبع الأواخر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮৬

و حدثني زياد عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تحروا ليلة القدر في العشر الأواخر من رمضان.

উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, রমযানের শেষ দশদিনে তোমরা শবে-ক্বদরের সন্ধান কর। (বুখারী ২০২০, ইমাম মুসলিম আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন মুসলিম ১১৬৯, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, রমযানের শেষ দশদিনে তোমরা শবে-ক্বদরের সন্ধান কর। (বুখারী ২০২০, ইমাম মুসলিম আয়েশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন মুসলিম ১১৬৯, আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني زياد عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال تحروا ليلة القدر في العشر الأواخر من رمضان.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮৮

و حدثني زياد عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أن عبد الله بن أنيس الجهني قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إني رجل شاسع الدار فمرني ليلة أنزل لها فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم انزل ليلة ثلاث وعشرين من رمضان.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উনায়স জুহানী (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে আরজ করলেন, আমি এমন এক ব্যক্তি যার বাড়ি অনেক দূরে অবস্থিত, তাই আমাকে আপনি একটি রাত বলে দিন যে রাত্রে আমি (ইবাদতের জন্য এই মসজিদে) আগমন করব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, তুমি রমযানের তেইশে রাত্রে আগমন কর। (সহীহ, মুসলিম ১১৬৮, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদে মুনকাতে তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উনায়স জুহানী (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে আরজ করলেন, আমি এমন এক ব্যক্তি যার বাড়ি অনেক দূরে অবস্থিত, তাই আমাকে আপনি একটি রাত বলে দিন যে রাত্রে আমি (ইবাদতের জন্য এই মসজিদে) আগমন করব। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে বললেন, তুমি রমযানের তেইশে রাত্রে আগমন কর। (সহীহ, মুসলিম ১১৬৮, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদে মুনকাতে তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে)

و حدثني زياد عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله أن عبد الله بن أنيس الجهني قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله إني رجل شاسع الدار فمرني ليلة أنزل لها فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم انزل ليلة ثلاث وعشرين من رمضان.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮৯

و حدثني زياد عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فقال إني أريت هذه الليلة في رمضان حتى تلاحى رجلان فرفعت فالتمسوها في التاسعة والسابعة والخامسة.

আনাস ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বের হয়ে আমাদের কাছে এলেন, অতঃপর বললেন, আমাকে অবশ্য এই রাত্রিটি (শবে-ক্বদর) রমযানে দেখান হয়েছে, হঠাৎ দু’জন লোক বিতর্কে লিপ্ত হল, ফলে উহা (আমার স্মৃতি হতে) তুলে নেওয়া হয়। অতঃপর তোমরা উহাকে তালাশ কর নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাত্রে। (সহীহ, বুখারী ৪৯, আনাস (রা) থেকে উবাদা বর্ণনা করেছেন)

আনাস ইবনু মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বের হয়ে আমাদের কাছে এলেন, অতঃপর বললেন, আমাকে অবশ্য এই রাত্রিটি (শবে-ক্বদর) রমযানে দেখান হয়েছে, হঠাৎ দু’জন লোক বিতর্কে লিপ্ত হল, ফলে উহা (আমার স্মৃতি হতে) তুলে নেওয়া হয়। অতঃপর তোমরা উহাকে তালাশ কর নবম, সপ্তম ও পঞ্চম রাত্রে। (সহীহ, বুখারী ৪৯, আনাস (রা) থেকে উবাদা বর্ণনা করেছেন)

و حدثني زياد عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أنه قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فقال إني أريت هذه الليلة في رمضان حتى تلاحى رجلان فرفعت فالتمسوها في التاسعة والسابعة والخامسة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯০

و حدثني زياد عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رجالا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أروا ليلة القدر في المنام في السبع الأواخر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أرى رؤياكم قد تواطأت في السبع الأواخر فمن كان متحريها فليتحرها في السبع الأواخر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে কিছু লোককে লাইলাতুল ক্বদর স্বপ্নে দেখানো হয় শেষের সাত রাত্রে। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমি মনে করি তোমাদের স্বপ্ন শেষের সাতদিনের ব্যাপারে পরস্পর মুয়াফিক (সামঞ্জস্যপূর্ণ) হয়েছে। অতঃপর যে উহাকে (লাইলাতুল ক্বদর) তালাশ করে, সে যেন শেষের সাত দিনে উহাকে তালাশ করে। (বুখারী ২০১৫, মুসলিম ১১৬৫)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে কিছু লোককে লাইলাতুল ক্বদর স্বপ্নে দেখানো হয় শেষের সাত রাত্রে। তারপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমি মনে করি তোমাদের স্বপ্ন শেষের সাতদিনের ব্যাপারে পরস্পর মুয়াফিক (সামঞ্জস্যপূর্ণ) হয়েছে। অতঃপর যে উহাকে (লাইলাতুল ক্বদর) তালাশ করে, সে যেন শেষের সাত দিনে উহাকে তালাশ করে। (বুখারী ২০১৫, মুসলিম ১১৬৫)

و حدثني زياد عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رجالا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أروا ليلة القدر في المنام في السبع الأواخر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إني أرى رؤياكم قد تواطأت في السبع الأواخر فمن كان متحريها فليتحرها في السبع الأواخر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮৫

حدثني زياد عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهاد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي سعيد الخدري أنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعتكف العشر الوسط من رمضان فاعتكف عاما حتى إذا كان ليلة إحدى وعشرين وهي الليلة التي يخرج فيها من صبحها من اعتكافه قال من اعتكف معي فليعتكف العشر الأواخر وقد رأيت هذه الليلة ثم أنسيتها وقد رأيتني أسجد من صبحها في ماء وطين فالتمسوها في العشر الأواخر والتمسوها في كل وتر قال أبو سعيد فأمطرت السماء تلك الليلة وكان المسجد على عريش فوكف المسجد قال أبو سعيد فأبصرت عيناي رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف وعلى جبهته وأنفه أثر الماء والطين من صبح ليلة إحدى وعشرين.

আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের মাঝের দশদিন ই’তিকাফ করতেন। তাঁর ই’তিকাফের বর্ণনা এই এক বৎসর তিনি ই’তিকাফ করলেন, অতঃপর যখন একুশের রাত্রি উপস্থিত হল, সে রাত্রির ফজরে ই’তিকাফ হতে বের হলেন। তিনি ফরমালেন যে ব্যক্তি আমার সাথে ই’তিকাফ করেছে, সে যেন শেষের দশ দিনও ই’তিকাফ করে। আমি এই রাত্রিতে শবে-ক্বদর মালুম করেছি। তারপর আমাকে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি সে রাত্রির ভোরবেলা আমাকে পানি ও কাদামাটিতে সিজ্দা করতে অনুভব করেছি। তাই তোমরা উহা তালাশ কর শেষের দশদিনে এবং উহার সন্ধান কর প্রতি বিজোড় রাত্রে। (বুখারী ২০২৭, মুসলিম ১১৬৭) আবূ সাঈদ (রা) বলেন, সেই রাত্রিতে বৃষ্টিপাত হয়, আর মসজিদ (তখন) খেজুরের ডালের। তাই বৃষ্টির পানি চুয়াইয়া মেঝেতে পড়েছিল। আবূ সাঈদ (রা) বলেন, আমার দুই নয়ন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছে। তিনি একুশে রাত্রির ফজরের নামায পড়ে ফিরলেন (এই অবস্থায় যে) তাঁর ললাট ও নাকে পানি ও কাদামাটির নিশান রয়েছে।

আবূ সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমযানের মাঝের দশদিন ই’তিকাফ করতেন। তাঁর ই’তিকাফের বর্ণনা এই এক বৎসর তিনি ই’তিকাফ করলেন, অতঃপর যখন একুশের রাত্রি উপস্থিত হল, সে রাত্রির ফজরে ই’তিকাফ হতে বের হলেন। তিনি ফরমালেন যে ব্যক্তি আমার সাথে ই’তিকাফ করেছে, সে যেন শেষের দশ দিনও ই’তিকাফ করে। আমি এই রাত্রিতে শবে-ক্বদর মালুম করেছি। তারপর আমাকে তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি সে রাত্রির ভোরবেলা আমাকে পানি ও কাদামাটিতে সিজ্দা করতে অনুভব করেছি। তাই তোমরা উহা তালাশ কর শেষের দশদিনে এবং উহার সন্ধান কর প্রতি বিজোড় রাত্রে। (বুখারী ২০২৭, মুসলিম ১১৬৭) আবূ সাঈদ (রা) বলেন, সেই রাত্রিতে বৃষ্টিপাত হয়, আর মসজিদ (তখন) খেজুরের ডালের। তাই বৃষ্টির পানি চুয়াইয়া মেঝেতে পড়েছিল। আবূ সাঈদ (রা) বলেন, আমার দুই নয়ন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছে। তিনি একুশে রাত্রির ফজরের নামায পড়ে ফিরলেন (এই অবস্থায় যে) তাঁর ললাট ও নাকে পানি ও কাদামাটির নিশান রয়েছে।

حدثني زياد عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهاد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي سعيد الخدري أنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعتكف العشر الوسط من رمضان فاعتكف عاما حتى إذا كان ليلة إحدى وعشرين وهي الليلة التي يخرج فيها من صبحها من اعتكافه قال من اعتكف معي فليعتكف العشر الأواخر وقد رأيت هذه الليلة ثم أنسيتها وقد رأيتني أسجد من صبحها في ماء وطين فالتمسوها في العشر الأواخر والتمسوها في كل وتر قال أبو سعيد فأمطرت السماء تلك الليلة وكان المسجد على عريش فوكف المسجد قال أبو سعيد فأبصرت عيناي رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف وعلى جبهته وأنفه أثر الماء والطين من صبح ليلة إحدى وعشرين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯২

و حدثني زياد عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول من شهد العشاء من ليلة القدر فقد أخذ بحظه منها.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলতেন, যে ব্যক্তি শবে-ক্বদরের ইশার নামাযে উপস্থিত হয়েছে, সে উহার (শবে-ক্বদর) অংশ প্রাপ্ত হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলতেন, যে ব্যক্তি শবে-ক্বদরের ইশার নামাযে উপস্থিত হয়েছে, সে উহার (শবে-ক্বদর) অংশ প্রাপ্ত হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني زياد عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول من شهد العشاء من ليلة القدر فقد أخذ بحظه منها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৯১

و حدثني زياد عن مالك أنه سمع من يثق به من أهل العلم يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أري أعمار الناس قبله أو ما شاء الله من ذلك فكأنه تقاصر أعمار أمته أن لا يبلغوا من العمل مثل الذي بلغ غيرهم في طول العمر فأعطاه الله ليلة القدر خير من ألف شهر.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নির্ভরযোগ্য আহলে ইলমকে বলতে শুনেছেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর পূর্ববর্তী লোকদের আয়ু দেখান হয়। অথবা উহাতে যতটুকু আল্লাহ্ চেয়েছেন তা দেখান হয়। ফলে তিনি যেন তাঁর উম্মতের আয়ুকে সংক্ষিপ্ত মনে করলেন যার কারণে আমলের দিক দিয়ে তাঁরা পূর্ববর্তী ব্যক্তিদের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে সক্ষম হবে না। অতঃপর আল্লাহ্ তাঁকে হাজার মাস হতে উত্তম লাইলাতুল ক্বদর প্রদান করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নির্ভরযোগ্য আহলে ইলমকে বলতে শুনেছেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর পূর্ববর্তী লোকদের আয়ু দেখান হয়। অথবা উহাতে যতটুকু আল্লাহ্ চেয়েছেন তা দেখান হয়। ফলে তিনি যেন তাঁর উম্মতের আয়ুকে সংক্ষিপ্ত মনে করলেন যার কারণে আমলের দিক দিয়ে তাঁরা পূর্ববর্তী ব্যক্তিদের সমপর্যায়ে পৌঁছাতে সক্ষম হবে না। অতঃপর আল্লাহ্ তাঁকে হাজার মাস হতে উত্তম লাইলাতুল ক্বদর প্রদান করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني زياد عن مالك أنه سمع من يثق به من أهل العلم يقول إن رسول الله صلى الله عليه وسلم أري أعمار الناس قبله أو ما شاء الله من ذلك فكأنه تقاصر أعمار أمته أن لا يبلغوا من العمل مثل الذي بلغ غيرهم في طول العمر فأعطاه الله ليلة القدر خير من ألف شهر.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00