মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যা ছাড়া ই’তিকাফ হয় না

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮০

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد ونافعا مولى عبد الله بن عمر قالا لا اعتكاف إلا بصيام بقول الله تبارك وتعالى في كتابه { وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر ثم أتموا الصيام إلى الليل ولا تباشروهن وأنتم عاكفون في المساجد } فإنما ذكر الله الاعتكاف مع الصيام ১১২২-قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا أنه لا اعتكاف إلا بصيام.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে খবর পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর মাওলা নাফি’ (র) বলেছেন, ই’তিকাফ জায়েয নয় রোযা ব্যতীত, কারণ কুরআনে ইরশাদ হয়েছে وَكُلُوْا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمْ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنْ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنْ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ . আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাত্রির কৃষ্ণ রেখা হতে উষার শুভ্র রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। অতঃপর নিশাগমন-পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর। তোমরা মসজিদে ই’তিকাফরত অবস্থায় তাদের সাথে সঙ্গত হইও না। ২ ১৮৭ আল্লাহ তা‘আলা ই‘তিকাফের উল্লেখ করেছেন রোযার সাথে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট মাসআলা অনুরূপ। রোযা ব্যতীত ই‘তিকাফ হয় না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে খবর পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) ও আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর মাওলা নাফি’ (র) বলেছেন, ই’তিকাফ জায়েয নয় রোযা ব্যতীত, কারণ কুরআনে ইরশাদ হয়েছে وَكُلُوْا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمْ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنْ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنْ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ . আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ রাত্রির কৃষ্ণ রেখা হতে উষার শুভ্র রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। অতঃপর নিশাগমন-পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর। তোমরা মসজিদে ই’তিকাফরত অবস্থায় তাদের সাথে সঙ্গত হইও না। ২ ১৮৭ আল্লাহ তা‘আলা ই‘তিকাফের উল্লেখ করেছেন রোযার সাথে। মালিক (র) বলেন, আমাদের নিকট মাসআলা অনুরূপ। রোযা ব্যতীত ই‘তিকাফ হয় না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن القاسم بن محمد ونافعا مولى عبد الله بن عمر قالا لا اعتكاف إلا بصيام بقول الله تبارك وتعالى في كتابه { وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر ثم أتموا الصيام إلى الليل ولا تباشروهن وأنتم عاكفون في المساجد } فإنما ذكر الله الاعتكاف مع الصيام ১১২২-قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا أنه لا اعتكاف إلا بصيام.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ই’তিকাফকারীর ঈদের উদ্দেশ্যে গমন

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮১

حدثني يحيى عن زياد بن عبد الرحمن قال حدثنا مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أن أبا بكر بن عبد الرحمن اعتكف فكان يذهب لحاجته تحت سقيفة في حجرة مغلقة في دار خالد بن الوليد ثم لا يرجع حتى يشهد العيد مع المسلمين.

সুমাই (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বক্‌র ইবনু আবদুর রহমান (র) ই’তিকাফ করতেন এবং তিনি স্বীয় প্রয়োজনে মালিক ইবনু ওয়ালিদ (র)-এর গৃহে ছাদওয়ালা একটি হুজরায় গমন করতেন, অতঃপর তিনি ঈদের জামাআতে মুসলমানদের সাথে উপস্থিত হওয়ার পূর্বে ই’তিকাফ হতে বের হতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

সুমাই (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বক্‌র ইবনু আবদুর রহমান (র) ই’তিকাফ করতেন এবং তিনি স্বীয় প্রয়োজনে মালিক ইবনু ওয়ালিদ (র)-এর গৃহে ছাদওয়ালা একটি হুজরায় গমন করতেন, অতঃপর তিনি ঈদের জামাআতে মুসলমানদের সাথে উপস্থিত হওয়ার পূর্বে ই’তিকাফ হতে বের হতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن زياد بن عبد الرحمن قال حدثنا مالك عن سمي مولى أبي بكر بن عبد الرحمن أن أبا بكر بن عبد الرحمن اعتكف فكان يذهب لحاجته تحت سقيفة في حجرة مغلقة في دار خالد بن الوليد ثم لا يرجع حتى يشهد العيد مع المسلمين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮২

حدثني يحيى عن زياد عن مالك أنه رأى بعض أهل العلم إذا اعتكفوا العشر الأواخر من رمضان لا يرجعون إلى أهاليهم حتى يشهدوا الفطر مع الناس ১১২৬-قال زياد قال مالك وبلغني ذلك عن أهل الفضل الذين مضوا وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.

যিয়াদ (র) থেকে বর্নিতঃ

মালিক (র) হতে যিয়াদ (র) বর্ণনা করেন তিনি কিন্তু আহলে ইলমকে দেখেছেন, তাঁরা রমযানের শেষ দশ দিন যখন ই’তিকাফ করতেন তখন মুসলমানদের সাথে ঈদুল ফিতরে হাজির না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের পরিজনের নিকট ফিরতেন না। মালিক (র) বলেন, জ্ঞান ও গুণের আধিকারী আমার পূর্ববর্তী মনীষিগণের নিকট হতে আমার নিকট এটা পৌঁছেছে যে, যখন তাঁরা ই’তিকাফ করতেন তখন অনুরূপ করতেন। এই ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কছে পছন্দনীয়।

যিয়াদ (র) থেকে বর্নিতঃ

মালিক (র) হতে যিয়াদ (র) বর্ণনা করেন তিনি কিন্তু আহলে ইলমকে দেখেছেন, তাঁরা রমযানের শেষ দশ দিন যখন ই’তিকাফ করতেন তখন মুসলমানদের সাথে ঈদুল ফিতরে হাজির না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের পরিজনের নিকট ফিরতেন না। মালিক (র) বলেন, জ্ঞান ও গুণের আধিকারী আমার পূর্ববর্তী মনীষিগণের নিকট হতে আমার নিকট এটা পৌঁছেছে যে, যখন তাঁরা ই’তিকাফ করতেন তখন অনুরূপ করতেন। এই ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কছে পছন্দনীয়।

حدثني يحيى عن زياد عن مالك أنه رأى بعض أهل العلم إذا اعتكفوا العشر الأواخر من رمضان لا يرجعون إلى أهاليهم حتى يشهدوا الفطر مع الناس ১১২৬-قال زياد قال مالك وبلغني ذلك عن أهل الفضل الذين مضوا وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ই’তিকাফ কাযা করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮৪

و حدثني زياد عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يذهب لحاجة الإنسان في البيوت ১১৩৩-قال مالك لا يخرج المعتكف مع جنازة أبويه ولا مع غيرها.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ই’তিকাফের অবস্থায় হাজতে ইনসানীর জন্য গৃহে প্রবেশ করতেন। (এমনটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ২০২৯, মুসলিম ৭১১, তবে, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, ই’তিকাফকারী মাতাপিতার জানাযা এবং তাঁরা ব্যতীত অন্য কারো জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য বের হবে না।

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ই’তিকাফের অবস্থায় হাজতে ইনসানীর জন্য গৃহে প্রবেশ করতেন। (এমনটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন ২০২৯, মুসলিম ৭১১, তবে, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, ই’তিকাফকারী মাতাপিতার জানাযা এবং তাঁরা ব্যতীত অন্য কারো জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য বের হবে না।

و حدثني زياد عن مالك عن ابن شهاب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يذهب لحاجة الإنسان في البيوت ১১৩৩-قال مالك لا يخرج المعتكف مع جنازة أبويه ولا مع غيرها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৮৩

حدثني زياد عن مالك عن ابن شهاب عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أراد أن يعتكف فلما انصرف إلى المكان الذي أراد أن يعتكف فيه وجد أخبية خباء عائشة وخباء حفصة وخباء زينب فلما رآها سأل عنها فقيل له هذا خباء عائشة وحفصة وزينب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم آلبر تقولون بهن ثم انصرف فلم يعتكف حتى اعتكف عشرا من شوال ১১২৯و سئل مالك عن رجل دخل المسجد لعكوف في العشر الأواخر من رمضان فأقام يوما أو يومين ثم مرض فخرج من المسجد أيجب عليه أن يعتكف ما بقي من العشر إذا صح أم لا يجب ذلك عليه وفي أي شهر يعتكف إن وجب عليه ذلك فقال مالك يقضي ما وجب عليه من عكوف إذا صح في رمضان أو غيره وقد بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أراد العكوف في رمضان ثم رجع فلم يعتكف حتى إذا ذهب رمضان اعتكف عشرا من شوال ১১৩والمتطوع في الاعتكاف في رمضان والذي عليه الاعتكاف أمرهما واحد فيما يحل لهما ويحرم عليهما ولم يبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اعتكافه إلا تطوعا. ১১৩১قال مالك في المرأة إنها إذا اعتكفت ثم حاضت في اعتكافها إنها ترجع إلى بيتها فإذا طهرت رجعت إلى المسجد أية ساعة طهرت ثم تبني على ما مضى من اعتكافها ومثل ذلك المرأة يجب عليها صيام شهرين متتابعين فتحيض ثم تطهر فتبني على ما مضى من صيامها ولا تؤخر ذلك.

‘আমরাহ্ বিন্ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ই’তিকাফ করতে মনস্থ করলেন। অতঃপর যে স্থানে তিনি ই’তিকাফ করবার মনস্থ করেছিলেন সে স্থানে গমন করলে (সেখানে) কয়েকটি তাঁবু দেখতে পেলেন। (এটা) আয়েশা (রা)-এর তাঁবু, এটা হাফসা (রা)-এর তাঁবু এবং এটা যায়নব (রা)-এর তাঁবু। তিনি তাঁবু সম্পর্কে জেনে তাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে বলা হল, এটা আয়েশা, এটা হাফসা এবং যায়নব (রা)-এর তাঁবু। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এই সকলের দ্বারা তাঁরা কি পূণ্যের নিয়ত করিয়াছেন? অতঃপর তিনি ফিরে গেলেন এবং ই’তিকাফ করলেন না। পরে তিনি শাওয়াল মাসের দশ দিন ই’তিকাফ করলেন। (বুখারী ২০৩৪, মুসলিম ১১৭৩) যিয়াদ (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল সে ব্যক্তি সম্পর্কে যে রমযানের শেষের দশদিনে ই’তিকাফের উদ্দেশ্যে মসজিদে প্রবেশ করেছে, অতঃপর একদিন অথবা দুইদিন অবস্থান করার পর পীড়িত হয়ে পড়ে এবং মসজিদ হতে বের হয়, সে সুস্থ হলে অবশিষ্ট দিনের ই’তিকাফ করা তার উপর ওয়াজিব হবে কি ? কিংবা উহার কাযা তার উপর আদৌ ওয়াজিব হবে না? ইহা তার উপর ওয়াজিব হলে কোন মাসে সে ই’তিকাফ করবে ? উত্তরে মালিক (র) বলেন, সুস্থ হয়ে গেলে রমযান বা পর-রমযানে তার উপর যে ই’তিকাফ ওয়াজিব হয়েছে তা কাযা করবে। আমার নিকট খবর পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার রমযানে ই’তিকাফ করার মনস্থ করলেন। পরে তিনি মত পাল্টালেন এবং ই‘তিকাফ করলেন না। অতঃপর রমযান অতিবাহিত হলে শাওয়াল মাসে দশ দিন ই‘তিকাফ করলেন। নফল ই’তিকাফকারী ও যার উপর ই’তিকাফ ওয়াজিব হালাল ও হারামের বিষয়ে দু’জনের হুকুম এক অর্থাৎ যা হালাল দু’জনের জন্য হালাল এবং যা হারাম দু’জনের জন্য হারাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ই’তিকাফ ছিল নফল ই’তিকাফ এইরূপই আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন, যে স্ত্রীলোক ই’তিকাফ করে এবং ই’তিকাফ থাকতে তার হায়েয (ঋতুস্রাব) হয়, সে স্ত্রীলোক নিজ ঘরে ফিরে যাবে। তারপর যখন পাক হবে সে মুহূর্তে মসজিদে উপস্থিত হবে। এতে বিলম্ব করবে না। অতঃপর তার ই’তিকাফের যে কয়দিন পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে উহা বাদ দিয়ে বাকি দিনগুলো ই’তিকাফ করবে। মালিক (র) বলেন, অনুরূপ যে স্ত্রীলোকের উপর একাধারে দুই মাসের রোযা ওয়াজিব তার যদি ঋতুস্রাব হয়, তৎপর পাক হয়, তবে সে যে রোযা পূর্বে রেখেছিল তার উপর ভিত্তি করে বাকি রোযা রাখবে। উহাতে বিলম্ব করবে না।

‘আমরাহ্ বিন্ত আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ই’তিকাফ করতে মনস্থ করলেন। অতঃপর যে স্থানে তিনি ই’তিকাফ করবার মনস্থ করেছিলেন সে স্থানে গমন করলে (সেখানে) কয়েকটি তাঁবু দেখতে পেলেন। (এটা) আয়েশা (রা)-এর তাঁবু, এটা হাফসা (রা)-এর তাঁবু এবং এটা যায়নব (রা)-এর তাঁবু। তিনি তাঁবু সম্পর্কে জেনে তাদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁকে বলা হল, এটা আয়েশা, এটা হাফসা এবং যায়নব (রা)-এর তাঁবু। তারপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, এই সকলের দ্বারা তাঁরা কি পূণ্যের নিয়ত করিয়াছেন? অতঃপর তিনি ফিরে গেলেন এবং ই’তিকাফ করলেন না। পরে তিনি শাওয়াল মাসের দশ দিন ই’তিকাফ করলেন। (বুখারী ২০৩৪, মুসলিম ১১৭৩) যিয়াদ (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল সে ব্যক্তি সম্পর্কে যে রমযানের শেষের দশদিনে ই’তিকাফের উদ্দেশ্যে মসজিদে প্রবেশ করেছে, অতঃপর একদিন অথবা দুইদিন অবস্থান করার পর পীড়িত হয়ে পড়ে এবং মসজিদ হতে বের হয়, সে সুস্থ হলে অবশিষ্ট দিনের ই’তিকাফ করা তার উপর ওয়াজিব হবে কি ? কিংবা উহার কাযা তার উপর আদৌ ওয়াজিব হবে না? ইহা তার উপর ওয়াজিব হলে কোন মাসে সে ই’তিকাফ করবে ? উত্তরে মালিক (র) বলেন, সুস্থ হয়ে গেলে রমযান বা পর-রমযানে তার উপর যে ই’তিকাফ ওয়াজিব হয়েছে তা কাযা করবে। আমার নিকট খবর পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার রমযানে ই’তিকাফ করার মনস্থ করলেন। পরে তিনি মত পাল্টালেন এবং ই‘তিকাফ করলেন না। অতঃপর রমযান অতিবাহিত হলে শাওয়াল মাসে দশ দিন ই‘তিকাফ করলেন। নফল ই’তিকাফকারী ও যার উপর ই’তিকাফ ওয়াজিব হালাল ও হারামের বিষয়ে দু’জনের হুকুম এক অর্থাৎ যা হালাল দু’জনের জন্য হালাল এবং যা হারাম দু’জনের জন্য হারাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ই’তিকাফ ছিল নফল ই’তিকাফ এইরূপই আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন, যে স্ত্রীলোক ই’তিকাফ করে এবং ই’তিকাফ থাকতে তার হায়েয (ঋতুস্রাব) হয়, সে স্ত্রীলোক নিজ ঘরে ফিরে যাবে। তারপর যখন পাক হবে সে মুহূর্তে মসজিদে উপস্থিত হবে। এতে বিলম্ব করবে না। অতঃপর তার ই’তিকাফের যে কয়দিন পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে উহা বাদ দিয়ে বাকি দিনগুলো ই’তিকাফ করবে। মালিক (র) বলেন, অনুরূপ যে স্ত্রীলোকের উপর একাধারে দুই মাসের রোযা ওয়াজিব তার যদি ঋতুস্রাব হয়, তৎপর পাক হয়, তবে সে যে রোযা পূর্বে রেখেছিল তার উপর ভিত্তি করে বাকি রোযা রাখবে। উহাতে বিলম্ব করবে না।

حدثني زياد عن مالك عن ابن شهاب عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أراد أن يعتكف فلما انصرف إلى المكان الذي أراد أن يعتكف فيه وجد أخبية خباء عائشة وخباء حفصة وخباء زينب فلما رآها سأل عنها فقيل له هذا خباء عائشة وحفصة وزينب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم آلبر تقولون بهن ثم انصرف فلم يعتكف حتى اعتكف عشرا من شوال ১১২৯و سئل مالك عن رجل دخل المسجد لعكوف في العشر الأواخر من رمضان فأقام يوما أو يومين ثم مرض فخرج من المسجد أيجب عليه أن يعتكف ما بقي من العشر إذا صح أم لا يجب ذلك عليه وفي أي شهر يعتكف إن وجب عليه ذلك فقال مالك يقضي ما وجب عليه من عكوف إذا صح في رمضان أو غيره وقد بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أراد العكوف في رمضان ثم رجع فلم يعتكف حتى إذا ذهب رمضان اعتكف عشرا من شوال ১১৩والمتطوع في الاعتكاف في رمضان والذي عليه الاعتكاف أمرهما واحد فيما يحل لهما ويحرم عليهما ولم يبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اعتكافه إلا تطوعا. ১১৩১قال مالك في المرأة إنها إذا اعتكفت ثم حاضت في اعتكافها إنها ترجع إلى بيتها فإذا طهرت رجعت إلى المسجد أية ساعة طهرت ثم تبني على ما مضى من اعتكافها ومثل ذلك المرأة يجب عليها صيام شهرين متتابعين فتحيض ثم تطهر فتبني على ما مضى من صيامها ولا تؤخر ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ই’তিকাফ অবস্থায় বিবাহ করা

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00