মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোযার বিবিধ আহকাম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৭২
حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر ويفطر حتى نقول لا يصوم وما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم استكمل صيام شهر قط إلا رمضان وما رأيته في شهر أكثر صياما منه في شعبان.
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রোযা রাখতেন একাধারে, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি আর রোযা ছাড়বেন না, আর যখন তিনি রোযা রাখতেন না, আমরা তখন বলতাম, তিনি আর রোযা রাখবেন না। রমযান ব্যতীত কোন পূর্ণ মাসের রোযা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাখেননি এবং শা’বান মাসের চাইতে বেশি অন্য কোন মাসে রোযা রাখতেও তাঁকে দেখিনি। (বুখারী ১৯৬৯, মুসলিম ১১৫৬)
নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী আয়েশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রোযা রাখতেন একাধারে, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি আর রোযা ছাড়বেন না, আর যখন তিনি রোযা রাখতেন না, আমরা তখন বলতাম, তিনি আর রোযা রাখবেন না। রমযান ব্যতীত কোন পূর্ণ মাসের রোযা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাখেননি এবং শা’বান মাসের চাইতে বেশি অন্য কোন মাসে রোযা রাখতেও তাঁকে দেখিনি। (বুখারী ১৯৬৯, মুসলিম ১১৫৬)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصوم حتى نقول لا يفطر ويفطر حتى نقول لا يصوم وما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم استكمل صيام شهر قط إلا رمضان وما رأيته في شهر أكثر صياما منه في شعبان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৭৩
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الصيام جنة فإذا كان أحدكم صائما فلا يرفث ولا يجهل فإن امرؤ قاتله أو شاتمه فليقل إني صائم إني صائم.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, রোযা (একটি) ঢাল, কাজেই তোমাদের যে কেউ রোযাদার হও, সে বাজে কথা বলবে না এবং বর্বরতার কাজ করবে না। যদি কোন ব্যক্তি তাকে গালি দেয় অথবা কাটাকাটি-মারামারি করতে আসে, তবে সে যেন বলে, আমি রোযাদার, আমি রোযাদার। (বুখারী ১৮৯৪, মুসলিম ১১৫১)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, রোযা (একটি) ঢাল, কাজেই তোমাদের যে কেউ রোযাদার হও, সে বাজে কথা বলবে না এবং বর্বরতার কাজ করবে না। যদি কোন ব্যক্তি তাকে গালি দেয় অথবা কাটাকাটি-মারামারি করতে আসে, তবে সে যেন বলে, আমি রোযাদার, আমি রোযাদার। (বুখারী ১৮৯৪, মুসলিম ১১৫১)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الصيام جنة فإذا كان أحدكم صائما فلا يرفث ولا يجهل فإن امرؤ قاتله أو شاتمه فليقل إني صائم إني صائم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৭৬
و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم لا يكرهون السواك للصائم في رمضان في ساعة من ساعات النهار لا في أوله ولا في آخره ولم أسمع أحدا من أهل العلم يكره ذلك ولا ينهى عنه ১১قال يحيى و سمعت قوله تعالى يقول في صيام ستة أيام بعد الفطر من رمضان إنه لم ير أحدا من أهل العلم والفقه يصومها ولم يبلغني ذلك عن أحد من السلف وإن أهل العلم يكرهون ذلك ويخافون بدعته وأن يلحق برمضان ما ليس منه أهل الجهالة والجفاء لو رأوا في ذلك رخصة عند أهل العلم ورأوهم يعملون ذلك و قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول لم أسمع أحدا من أهل العلم والفقه ومن يقتدى به ينهى عن صيام يوم الجمعة وصيامه حسن وقد رأيت بعض أهل العلم يصومه وأراه كان يتحراه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আহলে ইলমদের কাছে শুনেছেন যে, তাঁরা দিনের কোন মুহূর্তে রোযাদারের জন্য মেছওয়াক করাকে মাকরূহ জানতেন না দিনের শুরুর দিকে হোক বা শেষভাগে হোক। তিনি বলেন, আমি কাউকেও শুনিনি, উহাকে মাকরূহ জানতে অথবা উহা হতে বারণ করতে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, ঈদুল ফিতরের পর ছয় দিনের রোযা সম্পর্কে মালিক (র)-কে আমি বলতে শুনেছি, তিনি আহলে ইলম এবং আহলে ফিক্হ, কউকেও সেই (ছয় দিনের) রোযা রাখতে দেখেননি এবং তিনি বলেন, প্রাচীনদের কারো নিকট হতে (উহা রাখার ব্যাপারে) আমার কাছে কোন কিছু পৌঁছেনি। আর আহলে ইলম উহাকে মাকরূহ জানতেন এবং উহা বিদআত হওয়ার আশংকা করতেন। আরো ভয় ছিল, অজ্ঞরা সহজকে কঠিন করা যাদের অভ্যাস তারা রমযানের মধ্যে যা গণ্য নয় উহাকে রমযানের সাথে মিলিয়ে দিবে, যদি তারা আহলে ইলমকে উহা রাখতে দেখে এবং তাঁদের নিকট হতে এই ব্যাপারে অনুমতি লাভ করে। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আহলে ইলম ও আহলে ফিকহ এবং লোকে যাদেরকে স্মরণ করে থাকে, তাঁদের কাউকেও জুম’আ দিবসের রোযা হতে নিষেধ করতে শুনিনি। জুম’আর দিনে রোযা রাখা ভাল। আমি কোন কোন আহলে ইলমকে তা পালন করতে দেখেছি। আর আমি মনে করি, তাঁরা (জুম’আ দিবসের প্রতি) লক্ষ্য রাখতেন (এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে)।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আহলে ইলমদের কাছে শুনেছেন যে, তাঁরা দিনের কোন মুহূর্তে রোযাদারের জন্য মেছওয়াক করাকে মাকরূহ জানতেন না দিনের শুরুর দিকে হোক বা শেষভাগে হোক। তিনি বলেন, আমি কাউকেও শুনিনি, উহাকে মাকরূহ জানতে অথবা উহা হতে বারণ করতে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, ঈদুল ফিতরের পর ছয় দিনের রোযা সম্পর্কে মালিক (র)-কে আমি বলতে শুনেছি, তিনি আহলে ইলম এবং আহলে ফিক্হ, কউকেও সেই (ছয় দিনের) রোযা রাখতে দেখেননি এবং তিনি বলেন, প্রাচীনদের কারো নিকট হতে (উহা রাখার ব্যাপারে) আমার কাছে কোন কিছু পৌঁছেনি। আর আহলে ইলম উহাকে মাকরূহ জানতেন এবং উহা বিদআত হওয়ার আশংকা করতেন। আরো ভয় ছিল, অজ্ঞরা সহজকে কঠিন করা যাদের অভ্যাস তারা রমযানের মধ্যে যা গণ্য নয় উহাকে রমযানের সাথে মিলিয়ে দিবে, যদি তারা আহলে ইলমকে উহা রাখতে দেখে এবং তাঁদের নিকট হতে এই ব্যাপারে অনুমতি লাভ করে। ইয়াহ্ইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আহলে ইলম ও আহলে ফিকহ এবং লোকে যাদেরকে স্মরণ করে থাকে, তাঁদের কাউকেও জুম’আ দিবসের রোযা হতে নিষেধ করতে শুনিনি। জুম’আর দিনে রোযা রাখা ভাল। আমি কোন কোন আহলে ইলমকে তা পালন করতে দেখেছি। আর আমি মনে করি, তাঁরা (জুম’আ দিবসের প্রতি) লক্ষ্য রাখতেন (এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে)।
و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم لا يكرهون السواك للصائم في رمضان في ساعة من ساعات النهار لا في أوله ولا في آخره ولم أسمع أحدا من أهل العلم يكره ذلك ولا ينهى عنه ১১قال يحيى و سمعت قوله تعالى يقول في صيام ستة أيام بعد الفطر من رمضان إنه لم ير أحدا من أهل العلم والفقه يصومها ولم يبلغني ذلك عن أحد من السلف وإن أهل العلم يكرهون ذلك ويخافون بدعته وأن يلحق برمضان ما ليس منه أهل الجهالة والجفاء لو رأوا في ذلك رخصة عند أهل العلم ورأوهم يعملون ذلك و قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول لم أسمع أحدا من أهل العلم والفقه ومن يقتدى به ينهى عن صيام يوم الجمعة وصيامه حسن وقد رأيت بعض أهل العلم يصومه وأراه كان يتحراه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৭৪
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك إنما يذر شهوته وطعامه وشرابه من أجلي فالصيام لي وأنا أجزي به كل حسنة بعشر أمثالها إلى سبع مائة ضعف إلا الصيام فهو لي وأنا أجزي به.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ নিশ্চয়ই রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহ্র নিকট মৃগনাভীর ঘ্রাণ হতেও উত্তম; নিঃসন্দেহে রোযাদার তার প্রবৃত্তি ও পানাহারকে ত্যাগ করে আমার জন্য। তাই রোযা আমারই এবং আমি তার প্রতিদান দেব। প্রতিটি নেকীর প্রতিদান দশ হতে সাত শত পর্যন্ত, আর রোযা আমার জন্য, আমিই উহার প্রতিদান দেব। (বুখারী ১৮৯৪, মুসলিম ১১৫১)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ নিশ্চয়ই রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহ্র নিকট মৃগনাভীর ঘ্রাণ হতেও উত্তম; নিঃসন্দেহে রোযাদার তার প্রবৃত্তি ও পানাহারকে ত্যাগ করে আমার জন্য। তাই রোযা আমারই এবং আমি তার প্রতিদান দেব। প্রতিটি নেকীর প্রতিদান দশ হতে সাত শত পর্যন্ত, আর রোযা আমার জন্য, আমিই উহার প্রতিদান দেব। (বুখারী ১৮৯৪, মুসলিম ১১৫১)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال والذي نفسي بيده لخلوف فم الصائم أطيب عند الله من ريح المسك إنما يذر شهوته وطعامه وشرابه من أجلي فالصيام لي وأنا أجزي به كل حسنة بعشر أمثالها إلى سبع مائة ضعف إلا الصيام فهو لي وأنا أجزي به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৭৫
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه عن أبي هريرة أنه قال إذا دخل رمضان فتحت أبواب الجنة وغلقت أبواب النار وصفدت الشياطين.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রমযান মাস যখন প্রবেশ করে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়, আর শয়তানকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়। (সহীহ মারফু, বুখারী ১৮৯৮)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রমযান মাস যখন প্রবেশ করে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। এবং জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়, আর শয়তানকে শিকলে আবদ্ধ করা হয়। (সহীহ মারফু, বুখারী ১৮৯৮)
و حدثني عن مالك عن عمه أبي سهيل بن مالك عن أبيه عن أبي هريرة أنه قال إذا دخل رمضان فتحت أبواب الجنة وغلقت أبواب النار وصفدت الشياطين.