মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোযার রুগ্ন ব্যক্তির করণীয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৭

قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر الذي سمعت من أهل العلم أن المريض إذا أصابه المرض الذي يشق عليه الصيام معه ويتعبه ويبلغ ذلك منه فإن له أن يفطر وكذلك المريض الذي اشتد عليه القيام في الصلاة وبلغ منه وما الله أعلم بعذر ذلك من العبد ومن ذلك ما لا تبلغ صفته فإذا بلغ ذلك صلى وهو جالس ودين الله يسر وقد أرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصيام من المريض قال الله تعالى في كتابه { فمن كان منكم مريضا أو على سفر فعدة من أيام أخر } فأرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصوم من المريض فهذا أحب ما سمعت إلي وهو الأمر المجتمع عليه.

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমি আহলে ইলম-এর কাছে যা শুনেছি তা হচ্ছে এই পীড়িত ব্যক্তির যদি এমন রোগ হয় যাতে রোযা রাখা তার জন্য দুষ্কর এবং কষ্টদায়ক হয়, যখন রোগ এই স্তরে পৌঁছে তখন তার জন্য রোযা ইফতার (রাখিয়া ভাঙিয়া ফেলা বা শুরুতেই না রাখা) করা জায়েয আছে। তদ্রূপ পীড়িত ব্যক্তির যদি নামাযে দাঁড়াতে মুশকিল হয় অর্থাৎ পীড়ার কারণে তার ওযর (অপারগতা) সেই দরজায় পৌঁছায়, আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার ওযর সম্পর্কে বান্দা অপেক্ষা অধিক জ্ঞাত। আবার কোন কোন রোগ সেই দরজার হয় না, যখন ওযর এই স্তরে পৌঁছে, তখন সে বসে নামায আদায় করবে। আর আল্লাহর দ্বীন সহজ। তিনি মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা ভাঙার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ মুসাফির পীড়িত ব্যক্তির তুলনায় রোযা রাখতে অধিক সক্ষম। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রুগ্ন থাকে অথবা সফরে থাকে, সে অন্যদিন রোযা করবে।’ আল্লাহ্ তা’আলা (এই আয়াতে) মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা না রাখার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ সে রোযার উপর পীড়িতের তুলনায় অধিক শক্তিশালী। এই ব্যাপারে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে পছন্দনীয়। আমাদের নিকট এটাই ঐকমত্যে গৃহীত।

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমি আহলে ইলম-এর কাছে যা শুনেছি তা হচ্ছে এই পীড়িত ব্যক্তির যদি এমন রোগ হয় যাতে রোযা রাখা তার জন্য দুষ্কর এবং কষ্টদায়ক হয়, যখন রোগ এই স্তরে পৌঁছে তখন তার জন্য রোযা ইফতার (রাখিয়া ভাঙিয়া ফেলা বা শুরুতেই না রাখা) করা জায়েয আছে। তদ্রূপ পীড়িত ব্যক্তির যদি নামাযে দাঁড়াতে মুশকিল হয় অর্থাৎ পীড়ার কারণে তার ওযর (অপারগতা) সেই দরজায় পৌঁছায়, আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার ওযর সম্পর্কে বান্দা অপেক্ষা অধিক জ্ঞাত। আবার কোন কোন রোগ সেই দরজার হয় না, যখন ওযর এই স্তরে পৌঁছে, তখন সে বসে নামায আদায় করবে। আর আল্লাহর দ্বীন সহজ। তিনি মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা ভাঙার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ মুসাফির পীড়িত ব্যক্তির তুলনায় রোযা রাখতে অধিক সক্ষম। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রুগ্ন থাকে অথবা সফরে থাকে, সে অন্যদিন রোযা করবে।’ আল্লাহ্ তা’আলা (এই আয়াতে) মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা না রাখার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ সে রোযার উপর পীড়িতের তুলনায় অধিক শক্তিশালী। এই ব্যাপারে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে পছন্দনীয়। আমাদের নিকট এটাই ঐকমত্যে গৃহীত।

قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر الذي سمعت من أهل العلم أن المريض إذا أصابه المرض الذي يشق عليه الصيام معه ويتعبه ويبلغ ذلك منه فإن له أن يفطر وكذلك المريض الذي اشتد عليه القيام في الصلاة وبلغ منه وما الله أعلم بعذر ذلك من العبد ومن ذلك ما لا تبلغ صفته فإذا بلغ ذلك صلى وهو جالس ودين الله يسر وقد أرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصيام من المريض قال الله تعالى في كتابه { فمن كان منكم مريضا أو على سفر فعدة من أيام أخر } فأرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصوم من المريض فهذا أحب ما سمعت إلي وهو الأمر المجتمع عليه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোযার মানত করা এবং মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে রোযা রাখা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৯

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يسأل هل يصوم أحد عن أحد أو يصلي أحد عن أحد فيقول لا يصوم أحد عن أحد ولا يصلي أحد عن أحد.

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল একজন আর একজনের পক্ষে রোযা রাখবে কি ? অথবা একজন অন্যজনের পক্ষে নামায আদায় করবে কি ? তিনি উত্তরে বললেন, একজন আর একজনের পক্ষে রোযা রাখবে না এবং অপরের পক্ষে নামাযও আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণনাকারী থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল একজন আর একজনের পক্ষে রোযা রাখবে কি ? অথবা একজন অন্যজনের পক্ষে নামায আদায় করবে কি ? তিনি উত্তরে বললেন, একজন আর একজনের পক্ষে রোযা রাখবে না এবং অপরের পক্ষে নামাযও আদায় করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر كان يسأل هل يصوم أحد عن أحد أو يصلي أحد عن أحد فيقول لا يصوم أحد عن أحد ولا يصلي أحد عن أحد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৮

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه عن سعيد بن المسيب أنه سئل عن رجل نذر صيام شهر هل له أن يتطوع فقال سعيد ليبدأ بالنذر قبل أن يتطوع ৩৭قال مالك وبلغني عن سليمان بن يسار مثل ذلك ১-قال مالك من مات وعليه نذر من رقبة يعتقها أو صيام أو صدقة أو بدنة فأوصى بأن يوفى ذلك عنه من ماله فإن الصدقة والبدنة في ثلثه وهو يبدى على ما سواه من الوصايا إلا ما كان مثله وذلك أنه ليس الواجب عليه من النذور وغيرها كهيئة ما يتطوع به مما ليس بواجب وإنما يجعل ذلك في ثلثه خاصة دون رأس ماله لأنه لو جاز له ذلك في رأس ماله لأخر المتوفى مثل ذلك من الأمور الواجبة عليه حتى إذا حضرته الوفاة وصار المال لورثته سمى مثل هذه الأشياء التي لم يكن يتقاضاها منه متقاض فلو كان ذلك جائزا له أخر هذه الأشياء حتى إذا كان عند موته سماها وعسى أن يحيط بجميع ماله فليس ذلك له.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি মাসের রোযার মানত করেছে, তার জন্য নফল রোযা রাখা জায়েয কিনা? সাঈদ (র) বললেন, নফলের পূর্বে মানতের (রোযা) আরম্ভ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) হতেও আমার নিকট এইরূপ রেওয়ায়ত পৌঁছেছে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে অথচ তার উপর মানত রয়েছে গোলাম আযাদ করার অথবা সদকা প্রদানের অথবা কুরবানী করার। ফলে সে তার সম্পদ হতে সেই মানত পূর্ণ করার অসিয়ত করেছে। তবে সদকা এবং কুরবানী তার সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ হতে পূর্ণ করা হবে। মানতকে অন্যান্য নফল অসিয়তের উপর অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে। তবে যদি অন্য অসিয়ত ও মানতের মত (ওয়াজিব) হয়। কারণ নফল কাজ বা নফল কাজের অসিয়ত ওয়াজিব অসিয়ত ও মানতের সমতুল্য নয়। মানত ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির সকল সম্পদ হতে আদায় না করে এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে আদায় করা হবে। যদি তাঁর জন্য এটা বৈধ হয়, তবে মুতাওয়াফ্ফী (মৃত্যুর সন্নিকটে পৌঁছেছে এমন ব্যক্তি) তার উপর ওয়াজিব বিষয়গুলোকে পিছিয়ে রাখবে। এমতাবস্থায় যখন তার মৃত্যু উপস্থিত হবে, তখন তার সম্পদের মালিক হবে তার ওয়ারিসগণ, বিশেষত ঐ সকল বিষয় যেসব বিষয়ে তার পক্ষ হতে তাকীদ করবার জন্য তেমন কোন ব্যক্তি না থাকে। (স্বভাবতই ওয়ারিসগণ ঐসব মানত বা অসিয়ত পূর্ণ করতে আগ্রহী হবে না)। সকল সম্পদ হতে ঐসব আদায় করা তার জন্য জায়েয হলে সে এই সকল ব্যাপারে বিলম্ব করবে। যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হবে তখন সে উহা প্রকাশ করবে। হয়তো ঐ সকল (প্রকাশিত দাবি-দাওয়া) পূরণে তার সমস্ত সম্পত্তিই নিঃশেষ হয়ে যাবে, তার জন্য এটা জায়েয নয়।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে জিজ্ঞেস করা হল সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি মাসের রোযার মানত করেছে, তার জন্য নফল রোযা রাখা জায়েয কিনা? সাঈদ (র) বললেন, নফলের পূর্বে মানতের (রোযা) আরম্ভ করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) হতেও আমার নিকট এইরূপ রেওয়ায়ত পৌঁছেছে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, যে ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে অথচ তার উপর মানত রয়েছে গোলাম আযাদ করার অথবা সদকা প্রদানের অথবা কুরবানী করার। ফলে সে তার সম্পদ হতে সেই মানত পূর্ণ করার অসিয়ত করেছে। তবে সদকা এবং কুরবানী তার সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ হতে পূর্ণ করা হবে। মানতকে অন্যান্য নফল অসিয়তের উপর অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে। তবে যদি অন্য অসিয়ত ও মানতের মত (ওয়াজিব) হয়। কারণ নফল কাজ বা নফল কাজের অসিয়ত ওয়াজিব অসিয়ত ও মানতের সমতুল্য নয়। মানত ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির সকল সম্পদ হতে আদায় না করে এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে আদায় করা হবে। যদি তাঁর জন্য এটা বৈধ হয়, তবে মুতাওয়াফ্ফী (মৃত্যুর সন্নিকটে পৌঁছেছে এমন ব্যক্তি) তার উপর ওয়াজিব বিষয়গুলোকে পিছিয়ে রাখবে। এমতাবস্থায় যখন তার মৃত্যু উপস্থিত হবে, তখন তার সম্পদের মালিক হবে তার ওয়ারিসগণ, বিশেষত ঐ সকল বিষয় যেসব বিষয়ে তার পক্ষ হতে তাকীদ করবার জন্য তেমন কোন ব্যক্তি না থাকে। (স্বভাবতই ওয়ারিসগণ ঐসব মানত বা অসিয়ত পূর্ণ করতে আগ্রহী হবে না)। সকল সম্পদ হতে ঐসব আদায় করা তার জন্য জায়েয হলে সে এই সকল ব্যাপারে বিলম্ব করবে। যখন মৃত্যুর সময় উপস্থিত হবে তখন সে উহা প্রকাশ করবে। হয়তো ঐ সকল (প্রকাশিত দাবি-দাওয়া) পূরণে তার সমস্ত সম্পত্তিই নিঃশেষ হয়ে যাবে, তার জন্য এটা জায়েয নয়।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه عن سعيد بن المسيب أنه سئل عن رجل نذر صيام شهر هل له أن يتطوع فقال سعيد ليبدأ بالنذر قبل أن يتطوع ৩৭قال مالك وبلغني عن سليمان بن يسار مثل ذلك ১-قال مالك من مات وعليه نذر من رقبة يعتقها أو صيام أو صدقة أو بدنة فأوصى بأن يوفى ذلك عنه من ماله فإن الصدقة والبدنة في ثلثه وهو يبدى على ما سواه من الوصايا إلا ما كان مثله وذلك أنه ليس الواجب عليه من النذور وغيرها كهيئة ما يتطوع به مما ليس بواجب وإنما يجعل ذلك في ثلثه خاصة دون رأس ماله لأنه لو جاز له ذلك في رأس ماله لأخر المتوفى مثل ذلك من الأمور الواجبة عليه حتى إذا حضرته الوفاة وصار المال لورثته سمى مثل هذه الأشياء التي لم يكن يتقاضاها منه متقاض فلو كان ذلك جائزا له أخر هذه الأشياء حتى إذا كان عند موته سماها وعسى أن يحيط بجميع ماله فليس ذلك له.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রমযানের কাযা ও কাফ্ফারা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬১

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، يصوم قضاء رمضان متتابعا من أفطره من مرض أو في سفر.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে ব্যক্তি সফর অথবা পীড়ার কারণে রোযা রাখেনি, সে রমযানের রোযা রাখবে একাধারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে ব্যক্তি সফর অথবা পীড়ার কারণে রোযা রাখেনি, সে রমযানের রোযা রাখবে একাধারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول، يصوم قضاء رمضان متتابعا من أفطره من مرض أو في سفر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬২

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن عبد الله بن عباس وأبا هريرة اختلفا في قضاء رمضان فقال أحدهما يفرق بينه وقال الآخر لا يفرق بينه لا أدري أيهما قال يفرق بينه.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রা (রা) তাঁরা দু’জনে রমযানের কাযা সম্পর্কে ইখতিলাফ (মতপার্থক্য) করেছেন। একজন বলেছেন, কাযা রোযা পৃথক পৃথক রাখা হবে। আর একজন বলেছেন, পৃথক পৃথক রাখা যাবে না (অর্থাৎ একাধারে রাখতে হবে)। তাঁদের দু’জনের মধ্যে কে বলেছেন পৃথক করা যাবে, কে বলেছেন পৃথক করা যাবে না, তা আমার (নির্দিষ্ট) জানা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরায়রা (রা) তাঁরা দু’জনে রমযানের কাযা সম্পর্কে ইখতিলাফ (মতপার্থক্য) করেছেন। একজন বলেছেন, কাযা রোযা পৃথক পৃথক রাখা হবে। আর একজন বলেছেন, পৃথক পৃথক রাখা যাবে না (অর্থাৎ একাধারে রাখতে হবে)। তাঁদের দু’জনের মধ্যে কে বলেছেন পৃথক করা যাবে, কে বলেছেন পৃথক করা যাবে না, তা আমার (নির্দিষ্ট) জানা নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أن عبد الله بن عباس وأبا هريرة اختلفا في قضاء رمضان فقال أحدهما يفرق بينه وقال الآخر لا يفرق بينه لا أدري أيهما قال يفرق بينه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬৩

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول من استقاء وهو صائم فعليه القضاء ومن ذرعه القيء فليس عليه القضاء.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে রোযা অবস্থায় স্বেচ্ছায় বমি করে, তার উপর কাযা ওয়াজিব হবে। আর যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়, তাকে করতে হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে রোযা অবস্থায় স্বেচ্ছায় বমি করে, তার উপর কাযা ওয়াজিব হবে। আর যার অনিচ্ছাকৃত বমি হয়, তাকে করতে হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول من استقاء وهو صائم فعليه القضاء ومن ذرعه القيء فليس عليه القضاء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬০

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن أخيه خالد بن أسلم أن عمر بن الخطاب أفطر ذات يوم في رمضان في يوم ذي غيم ورأى أنه قد أمسى وغابت الشمس فجاءه رجل فقال يا أمير المؤمنين طلعت الشمس فقال عمر الخطب يسير وقد اجتهدنا ১قال مالك يريد بقوله الخطب يسير القضاء فيما نرى والله أعلم وخفة مؤونته ويسارته يقول نصوم يوما مكانه.

খালিদ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

খালিদ ইবনু আসলাম (র) বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) রমযান মাসে মেঘাচ্ছন্ন এক দিনে ইফতার করলেন। তিনি মনে করলেন যে, সন্ধ্যা হয়েছে এবং সূর্য ডুবেছে। অতঃপর এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আমিরুল মুমিনীন! সূর্য উদিত হয়েছে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, বিষয়টির সমাধান হচ্ছে, আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমার (রা) এটার দ্বারা আমাদের মতে কাযা মুরাদ নিয়েছেন। (আল্লাহ্ সর্বজ্ঞানী) তার উক্তি ‘বিষয়টির সমাধান সহজ’ এতে মেহনতের স্বল্পতা ও এটা সহজ হওয়াই তিনি বুঝাতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, এর পরিবর্তে আর একদিন রোযা রাখব।

খালিদ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ

খালিদ ইবনু আসলাম (র) বর্ণনা করেন উমার ইবনু খাত্তাব (রা) রমযান মাসে মেঘাচ্ছন্ন এক দিনে ইফতার করলেন। তিনি মনে করলেন যে, সন্ধ্যা হয়েছে এবং সূর্য ডুবেছে। অতঃপর এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আমিরুল মুমিনীন! সূর্য উদিত হয়েছে। উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বললেন, বিষয়টির সমাধান হচ্ছে, আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, উমার (রা) এটার দ্বারা আমাদের মতে কাযা মুরাদ নিয়েছেন। (আল্লাহ্ সর্বজ্ঞানী) তার উক্তি ‘বিষয়টির সমাধান সহজ’ এতে মেহনতের স্বল্পতা ও এটা সহজ হওয়াই তিনি বুঝাতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, এর পরিবর্তে আর একদিন রোযা রাখব।

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن أخيه خالد بن أسلم أن عمر بن الخطاب أفطر ذات يوم في رمضان في يوم ذي غيم ورأى أنه قد أمسى وغابت الشمس فجاءه رجل فقال يا أمير المؤمنين طلعت الشمس فقال عمر الخطب يسير وقد اجتهدنا ১قال مالك يريد بقوله الخطب يسير القضاء فيما نرى والله أعلم وخفة مؤونته ويسارته يقول نصوم يوما مكانه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يسأل عن قضاء رمضان فقال سعيد أحب إلي أن لا يفرق قضاء رمضان وأن يواتر ১قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول فيمن فرق قضاء رمضان فليس عليه إعادة وذلك مجزئ عنه وأحب ذلك إلي أن يتابعه ১قال مالك من أكل أو شرب في رمضان ساهيا أو ناسيا أو ما كان من صيام واجب عليه أن عليه قضاء يوم مكانه.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) শুনেছেন সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে রমযানের কাযা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলতেন, আমার কাছে পছন্দনীয় হচ্ছে রমযানের কাযাকে পৃথক না করে একাধারে রাখা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে আমি বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযানের কাযা পৃথক পৃথক করে রেখেছে সেই ব্যক্তিকে রোযা পুনরায় রাখতে হবে না। সে রোযাই তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। কিন্তু আমার নিকট একাধারে রাখাই পছন্দনীয়। ইয়াহইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযানের রোযা অথবা অন্য কোন ওয়াজিব রোযায় ভুলবসত আহার করে অথবা পান করে তাকে সে দিনের পরিবর্তে অন্য একদিন কাযা করতে হবে।

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) শুনেছেন সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-কে রমযানের কাযা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলতেন, আমার কাছে পছন্দনীয় হচ্ছে রমযানের কাযাকে পৃথক না করে একাধারে রাখা। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে আমি বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযানের কাযা পৃথক পৃথক করে রেখেছে সেই ব্যক্তিকে রোযা পুনরায় রাখতে হবে না। সে রোযাই তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। কিন্তু আমার নিকট একাধারে রাখাই পছন্দনীয়। ইয়াহইয়া (র) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমযানের রোযা অথবা অন্য কোন ওয়াজিব রোযায় ভুলবসত আহার করে অথবা পান করে তাকে সে দিনের পরিবর্তে অন্য একদিন কাযা করতে হবে।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يسأل عن قضاء رمضان فقال سعيد أحب إلي أن لا يفرق قضاء رمضان وأن يواتر ১قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول فيمن فرق قضاء رمضان فليس عليه إعادة وذلك مجزئ عنه وأحب ذلك إلي أن يتابعه ১قال مالك من أكل أو شرب في رمضان ساهيا أو ناسيا أو ما كان من صيام واجب عليه أن عليه قضاء يوم مكانه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬৫

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي أنه أخبره قال كنت مع مجاهد وهو يطوف بالبيت فجاءه إنسان فسأله عن صيام أيام الكفارة أمتتابعات أم يقطعها قال حميد فقلت له نعم يقطعها إن شاء قال مجاهد لا يقطعها فإنها في قراءة أبي بن كعب ثلاثة أيام متتابعات ১قال مالك وأحب إلي أن يكون ما سمى الله في القرآن يصام متتابعا و سئل مالك عن المرأة تصبح صائمة في رمضان فتدفع دفعة من دم عبيط في غير أوان حيضها ثم تنتظر حتى تمسي أن ترى مثل ذلك فلا ترى شيئا ثم تصبح يوما آخر فتدفع دفعة أخرى وهي دون الأولى ثم ينقطع ذلك عنها قبل حيضتها بأيام فسئل مالك كيف تصنع في صيامها وصلاتها قال مالك ذلك الدم من الحيضة فإذا رأته فلتفطر ولتقض ما أفطرت فإذا ذهب عنها الدم فلتغتسل وتصوم ১و سئل عمن أسلم في آخر يوم من رمضان هل عليه قضاء رمضان كله أو يجب عليه قضاء اليوم الذي أسلم فيه فقال ليس عليه قضاء ما مضى وإنما يستأنف الصيام فيما يستقبل وأحب إلي أن يقضي اليوم الذي أسلم فيه.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

হুমায়দ ইবনু কায়েস মক্কী (র) বলেছেন যে, আমি মুজাহিদ (র)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বায়তুল্লাহ্ তওয়াফ করতেছিলেন। এমন সময় তাঁর কাছে একজন লোক এল এবং কাফফারার রোযা সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করল। উহা একাধারে রাখতে হবে, না আলাদা আলাদা রাখতে পারবে। মুজাহিদ (র) বললেন, আলাদা আলাদা রাখবে না, কারণ উবাই ইবনু কা’ব (রা)-এর কিরাআতে রয়েছে ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مُتَتَابِعَاتٍََََ [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আমার নিকট পছন্দনীয় হল, আল্লাহ্ তা’আলা কুরআনে যেরূপ নির্ধারিত করেছেন সেরূপ একাধারে রোযা রাখ। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক স্ত্রীলোক সম্পর্কে, যে স্ত্রীলোকের রমযানে ফজর হয়েছে রোযাবস্থায়। হঠাৎ তার তাজা রক্ত বের হল, ঋতুর নির্দিষ্ট সময় ছাড়া। অতঃপর সে লক্ষ্য রাখবে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেরূপ রক্ত দেখার জন্য কিন্তু কিছুই দেখল না। অন্য একদিন ফজরে হঠাৎ আর এক দফা রক্ত বের হল কিন্তু এটা পূর্বের তুলনায় কম। অতঃপর কয়েক দিন তার হায়েযের পূর্ব পর্যন্ত তা বন্ধ রইল। সেই স্ত্রীলোক নিজের নামায ও রোযার বিষয়ে কি করবে ? এর উত্তরে মালিক (র) বলেন, সেই রক্ত হায়েযে গণ্য হবে। যখন তা দেখবে রোযা ছেড়ে দিবে এবং সেই রোযা পরে কাযা করবে। তার রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে সে গোসল করবে এবং রোযা রাখবে। মালিক (র)-এর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি রমযানের শেষ দিন মুসলমান হল, তাকে রমযানের সকল রোযা করতে হবে কি ? এবং যেদিন মুসলমান হয়েছে সে দিনের (রোযার) কাযা তার উপর ওয়াজিব হবে কি ? মালিক (র) প্রশ্নের উত্তরে বললেন, তাকে বিগত রোযা কাযা করতে হবে না। সে আগামীতে রোযা আরম্ভ করবে, যেদিন মুসলমান হয়েছে সে দিনের রোযা রাখাটা আমার কাছে পছন্দনীয়।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

হুমায়দ ইবনু কায়েস মক্কী (র) বলেছেন যে, আমি মুজাহিদ (র)-এর সাথে ছিলাম। তিনি বায়তুল্লাহ্ তওয়াফ করতেছিলেন। এমন সময় তাঁর কাছে একজন লোক এল এবং কাফফারার রোযা সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞেস করল। উহা একাধারে রাখতে হবে, না আলাদা আলাদা রাখতে পারবে। মুজাহিদ (র) বললেন, আলাদা আলাদা রাখবে না, কারণ উবাই ইবনু কা’ব (রা)-এর কিরাআতে রয়েছে ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ مُتَتَابِعَاتٍََََ [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, আমার নিকট পছন্দনীয় হল, আল্লাহ্ তা’আলা কুরআনে যেরূপ নির্ধারিত করেছেন সেরূপ একাধারে রোযা রাখ। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হল এমন এক স্ত্রীলোক সম্পর্কে, যে স্ত্রীলোকের রমযানে ফজর হয়েছে রোযাবস্থায়। হঠাৎ তার তাজা রক্ত বের হল, ঋতুর নির্দিষ্ট সময় ছাড়া। অতঃপর সে লক্ষ্য রাখবে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেরূপ রক্ত দেখার জন্য কিন্তু কিছুই দেখল না। অন্য একদিন ফজরে হঠাৎ আর এক দফা রক্ত বের হল কিন্তু এটা পূর্বের তুলনায় কম। অতঃপর কয়েক দিন তার হায়েযের পূর্ব পর্যন্ত তা বন্ধ রইল। সেই স্ত্রীলোক নিজের নামায ও রোযার বিষয়ে কি করবে ? এর উত্তরে মালিক (র) বলেন, সেই রক্ত হায়েযে গণ্য হবে। যখন তা দেখবে রোযা ছেড়ে দিবে এবং সেই রোযা পরে কাযা করবে। তার রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে সে গোসল করবে এবং রোযা রাখবে। মালিক (র)-এর নিকট প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি রমযানের শেষ দিন মুসলমান হল, তাকে রমযানের সকল রোযা করতে হবে কি ? এবং যেদিন মুসলমান হয়েছে সে দিনের (রোযার) কাযা তার উপর ওয়াজিব হবে কি ? মালিক (র) প্রশ্নের উত্তরে বললেন, তাকে বিগত রোযা কাযা করতে হবে না। সে আগামীতে রোযা আরম্ভ করবে, যেদিন মুসলমান হয়েছে সে দিনের রোযা রাখাটা আমার কাছে পছন্দনীয়।

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي أنه أخبره قال كنت مع مجاهد وهو يطوف بالبيت فجاءه إنسان فسأله عن صيام أيام الكفارة أمتتابعات أم يقطعها قال حميد فقلت له نعم يقطعها إن شاء قال مجاهد لا يقطعها فإنها في قراءة أبي بن كعب ثلاثة أيام متتابعات ১قال مالك وأحب إلي أن يكون ما سمى الله في القرآن يصام متتابعا و سئل مالك عن المرأة تصبح صائمة في رمضان فتدفع دفعة من دم عبيط في غير أوان حيضها ثم تنتظر حتى تمسي أن ترى مثل ذلك فلا ترى شيئا ثم تصبح يوما آخر فتدفع دفعة أخرى وهي دون الأولى ثم ينقطع ذلك عنها قبل حيضتها بأيام فسئل مالك كيف تصنع في صيامها وصلاتها قال مالك ذلك الدم من الحيضة فإذا رأته فلتفطر ولتقض ما أفطرت فإذا ذهب عنها الدم فلتغتسل وتصوم ১و سئل عمن أسلم في آخر يوم من رمضان هل عليه قضاء رمضان كله أو يجب عليه قضاء اليوم الذي أسلم فيه فقال ليس عليه قضاء ما مضى وإنما يستأنف الصيام فيما يستقبل وأحب إلي أن يقضي اليوم الذي أسلم فيه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নফল রোযার কাযা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৬৬

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن عائشة وحفصة زوجي النبي صلى الله عليه وسلم أصبحتا صائمتين متطوعتين فأهدي لهما طعام فأفطرتا عليه فدخل عليهما رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت عائشة فقالت حفصة وبدرتني بالكلام وكانت بنت أبيها يا رسول الله إني أصبحت أنا وعائشة صائمتين متطوعتين فأهدي إلينا طعام فأفطرنا عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقضيا مكانه يوما آخر. ১قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول من أكل أو شرب ساهيا أو ناسيا في صيام تطوع فليس عليه قضاء وليتم يومه الذي أكل فيه أو شرب وهو متطوع ولا يفطره وليس على من أصابه أمر يقطع صيامه وهو متطوع قضاء إذا كان إنما أفطر من عذر غير متعمد للفطر ولا أرى عليه قضاء صلاة نافلة إذا هو قطعها من حدث لا يستطيع حبسه مما يحتاج فيه إلى الوضوء قال مالك ولا ينبغي أن يدخل الرجل في شيء من الأعمال الصالحة الصلاة والصيام والحج وما أشبه هذا من الأعمال الصالحة التي يتطوع بها الناس فيقطعه حتى يتمه على سنته إذا كبر لم ينصرف حتى يصلي ركعتين وإذا صام لم يفطر حتى يتم صوم يومه وإذا أهل لم يرجع حتى يتم حجه وإذا دخل في الطواف لم يقطعه حتى يتم سبوعه ولا ينبغي أن يترك شيئا من هذا إذا دخل فيه حتى يقضيه إلا من أمر يعرض له مما يعرض للناس من الأسقام التي يعذرون بها والأمور التي يعذرون بها وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر ثم أتموا الصيام إلى الليل } فعليه إتمام الصيام كما قال الله وقال الله تعالى { وأتموا الحج والعمرة لله } فلو أن رجلا أهل بالحج تطوعا وقد قضى الفريضة لم يكن له أن يترك الحج بعد أن دخل فيه ويرجع حلالا من الطريق وكل أحد دخل في نافلة فعليه إتمامها إذا دخل فيها كما يتم الفريضة وهذا أحسن ما سمعت.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধমির্ণী আয়েশা ও হাফসা (রা)-এর নফল রোযার নিয়তে ফজর হল এবং তাঁদের দু’জনের জন্য খাদ্যদ্রব্য হাদিয়াস্বরূপ প্রেরণ করা হয়। তাঁরা উহা দ্বারা রোযা ভেঙে ফেলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রবেশ করলেন। ইবনু শিহাব (র) বলেন, আয়েশা (রা) বলেছেন, হাফসা (রা) ছিলেন পিতার মত সাহসী। আর তিনি আমার আগে কথা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমি এবং আয়েশা আমরা উভয়ের নফল রোযা অবস্থায় ফজর হল। অতঃপর আমাদের উদ্দেশ্যে খাদ্যদ্রব্য হাদিয়ারূপে প্রেরণ করা হয়। আমরা তা দ্বারা রোযা ভেঙে ফেলি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বক্তব্য শোনার পর বললেন, তোমরা এই রোযার পরিবর্তে অন্য একদিন (রোযা) কাযা করবে। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৪৫৭, তিরমিযী ৭৩৫, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন, [যয়ীফ আল-জামে’ ৬৩০৩] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ইয়াহইয়া (রা) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছে, যে ভুলবশত নফল রোযা অবস্থায় আহার অথবা পান করে, তার উপর কাযা ওয়াজিব নয়। নফল রোযা অবস্থায় যেই দিন আহার বা পান করেছে সেই দিনের রোযা পূর্ণ করবে এবং রোযা ভঙ্গ করবে না। আর নফল রোযাদার যদি এমন কোন অসুবিধার সম্মুখীন হয়, যার কারণে রোযা ভাঙতে হয়, তবে তাকে কাযা করতে হবে না, যদি কোন ওযরবশত রোযা ভেঙে থাকে এবং ইচ্ছা করে রোযা ভঙ্গ না করে। আর আমি সেই ব্যক্তির জন্য নফল নামাযের কাযা জরুরী মনে করি না, যে ব্যক্তি এমন কোন হাদাস্-এর (পেশাব-পায়খানার আবেগ, বায়ু নির্গত হওয়ার আবেগ) কারণে নামায ভেঙেছে, যাকে বাধা দিয়ে রাখা যায় না, যাতে ওযূর প্রয়োজন হয়। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, কোন ব্যক্তি নেক আমলসমূহের মধ্যে কোন নেক আমলে প্রবৃত্ত হলে (নেক আমল বলতে) যথা নামায, রোযা, হজ্জ বা অনুরূপ কোন নেক আমল, যা লোকে নফলস্বরূপ করে থাকে, সেই ব্যক্তির জন্য উহা ছেড়ে দেওয়া সমীচীন নয়, যতক্ষণ উহা সুন্নত মুতাবিক পূর্ণ না করে। যদি নামাযের নিয়তে তকবীর বলে তবে দুই রাক’আত না পড়া পর্যন্ত উহা ছাড়বে না। রোযা রাখলে সেই দিনের রোযা পূর্ণ না করা পর্যন্ত ইফতার করবে না। ইহরাম বাঁধলে তার হজ্জ পূর্ণ না করা পর্যন্ত ইহরাম ছাড়বে না। যখন তাওয়াফে প্রবেশ করবে সাত তাওয়াফ পূর্ণ না করা পর্যন্ত উহা ছাড়বে না। এই সকলের মধ্যে কোন ইবাদতই আরম্ভ করে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যতক্ষণ উহা পূর্ণ না করে। তবে কোন ওযরবশত যা তার জন্য প্রকাশ পায়, যেরূপ লোকের ওযর প্রকাশ পেয়ে থাকে, যেমন পীড়াসমূহ যার কারণে মাযূর (অক্ষম) হয়ে যায় অথবা অন্য কোন কারণে অক্ষম বলে গণ্য হয়। এটা এজন্য যে, আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে ইরশাদ করেছেন ‘পানাহার করতে থাক, যতক্ষণ পর্যন্ত সাদা বর্ণের সুতা (সুবহে সাদিক) কালবর্ণের সুতা (সুবহে কাযিব) হতে প্রকাশিত না হয়। অতঃপর রাত্রি পর্যন্ত রোযা পূর্ণ কর।’ ফলে তার উপর রোযা পূর্ণ করা ওয়াজিব। যেমন আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন ‘তোমরা আল্লাহ্‌র জন্য হজ্জ ও উমরাহ্ পূর্ণ কর।’ অতঃপর যদি কোন ব্যক্তি নফল হজ্জের ইহরাম বাঁধে যে ইতিপূর্বে ফরয হজ্জ আদায় করেছে, সেই ব্যক্তির জন্য হজ্জ আরম্ভ করার পর তা ছেড়ে দেওয়ার অনুমতি নেই। মাঝপথে ইহরাম ছেড়ে দিয়ে হালাল হওয়া চলবে না। যদি কোন ব্যক্তি কোন নফল কাজে প্রবৃত্ত হয়, তার জন্য উহা পূর্ণ করা ওয়াজিব, যেমন ফরযকে পূর্ণ করা হয়। আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা অতি উত্তম।

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধমির্ণী আয়েশা ও হাফসা (রা)-এর নফল রোযার নিয়তে ফজর হল এবং তাঁদের দু’জনের জন্য খাদ্যদ্রব্য হাদিয়াস্বরূপ প্রেরণ করা হয়। তাঁরা উহা দ্বারা রোযা ভেঙে ফেলেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রবেশ করলেন। ইবনু শিহাব (র) বলেন, আয়েশা (রা) বলেছেন, হাফসা (রা) ছিলেন পিতার মত সাহসী। আর তিনি আমার আগে কথা বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আমি এবং আয়েশা আমরা উভয়ের নফল রোযা অবস্থায় ফজর হল। অতঃপর আমাদের উদ্দেশ্যে খাদ্যদ্রব্য হাদিয়ারূপে প্রেরণ করা হয়। আমরা তা দ্বারা রোযা ভেঙে ফেলি। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বক্তব্য শোনার পর বললেন, তোমরা এই রোযার পরিবর্তে অন্য একদিন (রোযা) কাযা করবে। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৪৫৭, তিরমিযী ৭৩৫, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন, [যয়ীফ আল-জামে’ ৬৩০৩] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) ইয়াহইয়া (রা) বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছে, যে ভুলবশত নফল রোযা অবস্থায় আহার অথবা পান করে, তার উপর কাযা ওয়াজিব নয়। নফল রোযা অবস্থায় যেই দিন আহার বা পান করেছে সেই দিনের রোযা পূর্ণ করবে এবং রোযা ভঙ্গ করবে না। আর নফল রোযাদার যদি এমন কোন অসুবিধার সম্মুখীন হয়, যার কারণে রোযা ভাঙতে হয়, তবে তাকে কাযা করতে হবে না, যদি কোন ওযরবশত রোযা ভেঙে থাকে এবং ইচ্ছা করে রোযা ভঙ্গ না করে। আর আমি সেই ব্যক্তির জন্য নফল নামাযের কাযা জরুরী মনে করি না, যে ব্যক্তি এমন কোন হাদাস্-এর (পেশাব-পায়খানার আবেগ, বায়ু নির্গত হওয়ার আবেগ) কারণে নামায ভেঙেছে, যাকে বাধা দিয়ে রাখা যায় না, যাতে ওযূর প্রয়োজন হয়। ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, কোন ব্যক্তি নেক আমলসমূহের মধ্যে কোন নেক আমলে প্রবৃত্ত হলে (নেক আমল বলতে) যথা নামায, রোযা, হজ্জ বা অনুরূপ কোন নেক আমল, যা লোকে নফলস্বরূপ করে থাকে, সেই ব্যক্তির জন্য উহা ছেড়ে দেওয়া সমীচীন নয়, যতক্ষণ উহা সুন্নত মুতাবিক পূর্ণ না করে। যদি নামাযের নিয়তে তকবীর বলে তবে দুই রাক’আত না পড়া পর্যন্ত উহা ছাড়বে না। রোযা রাখলে সেই দিনের রোযা পূর্ণ না করা পর্যন্ত ইফতার করবে না। ইহরাম বাঁধলে তার হজ্জ পূর্ণ না করা পর্যন্ত ইহরাম ছাড়বে না। যখন তাওয়াফে প্রবেশ করবে সাত তাওয়াফ পূর্ণ না করা পর্যন্ত উহা ছাড়বে না। এই সকলের মধ্যে কোন ইবাদতই আরম্ভ করে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়, যতক্ষণ উহা পূর্ণ না করে। তবে কোন ওযরবশত যা তার জন্য প্রকাশ পায়, যেরূপ লোকের ওযর প্রকাশ পেয়ে থাকে, যেমন পীড়াসমূহ যার কারণে মাযূর (অক্ষম) হয়ে যায় অথবা অন্য কোন কারণে অক্ষম বলে গণ্য হয়। এটা এজন্য যে, আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে ইরশাদ করেছেন ‘পানাহার করতে থাক, যতক্ষণ পর্যন্ত সাদা বর্ণের সুতা (সুবহে সাদিক) কালবর্ণের সুতা (সুবহে কাযিব) হতে প্রকাশিত না হয়। অতঃপর রাত্রি পর্যন্ত রোযা পূর্ণ কর।’ ফলে তার উপর রোযা পূর্ণ করা ওয়াজিব। যেমন আল্লাহ্ তা’আলা ইরশাদ করেছেন ‘তোমরা আল্লাহ্‌র জন্য হজ্জ ও উমরাহ্ পূর্ণ কর।’ অতঃপর যদি কোন ব্যক্তি নফল হজ্জের ইহরাম বাঁধে যে ইতিপূর্বে ফরয হজ্জ আদায় করেছে, সেই ব্যক্তির জন্য হজ্জ আরম্ভ করার পর তা ছেড়ে দেওয়ার অনুমতি নেই। মাঝপথে ইহরাম ছেড়ে দিয়ে হালাল হওয়া চলবে না। যদি কোন ব্যক্তি কোন নফল কাজে প্রবৃত্ত হয়, তার জন্য উহা পূর্ণ করা ওয়াজিব, যেমন ফরযকে পূর্ণ করা হয়। আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা অতি উত্তম।

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن عائشة وحفصة زوجي النبي صلى الله عليه وسلم أصبحتا صائمتين متطوعتين فأهدي لهما طعام فأفطرتا عليه فدخل عليهما رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت عائشة فقالت حفصة وبدرتني بالكلام وكانت بنت أبيها يا رسول الله إني أصبحت أنا وعائشة صائمتين متطوعتين فأهدي إلينا طعام فأفطرنا عليه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقضيا مكانه يوما آخر. ১قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول من أكل أو شرب ساهيا أو ناسيا في صيام تطوع فليس عليه قضاء وليتم يومه الذي أكل فيه أو شرب وهو متطوع ولا يفطره وليس على من أصابه أمر يقطع صيامه وهو متطوع قضاء إذا كان إنما أفطر من عذر غير متعمد للفطر ولا أرى عليه قضاء صلاة نافلة إذا هو قطعها من حدث لا يستطيع حبسه مما يحتاج فيه إلى الوضوء قال مالك ولا ينبغي أن يدخل الرجل في شيء من الأعمال الصالحة الصلاة والصيام والحج وما أشبه هذا من الأعمال الصالحة التي يتطوع بها الناس فيقطعه حتى يتمه على سنته إذا كبر لم ينصرف حتى يصلي ركعتين وإذا صام لم يفطر حتى يتم صوم يومه وإذا أهل لم يرجع حتى يتم حجه وإذا دخل في الطواف لم يقطعه حتى يتم سبوعه ولا ينبغي أن يترك شيئا من هذا إذا دخل فيه حتى يقضيه إلا من أمر يعرض له مما يعرض للناس من الأسقام التي يعذرون بها والأمور التي يعذرون بها وذلك أن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر ثم أتموا الصيام إلى الليل } فعليه إتمام الصيام كما قال الله وقال الله تعالى { وأتموا الحج والعمرة لله } فلو أن رجلا أهل بالحج تطوعا وقد قضى الفريضة لم يكن له أن يترك الحج بعد أن دخل فيه ويرجع حلالا من الطريق وكل أحد دخل في نافلة فعليه إتمامها إذا دخل فيها كما يتم الفريضة وهذا أحسن ما سمعت.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00