মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা দিবসে এবং সারা বৎসর রোযা রাখা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫২

حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام يومين يوم الفطر ويوم الأضحى.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই দিবসে রোযা নিষেধ করেছেন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন। (সহীহ, মুসলিম ১১৩৮)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই দিবসে রোযা নিষেধ করেছেন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন। (সহীহ, মুসলিম ১১৩৮)

حدثني يحيى عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام يومين يوم الفطر ويوم الأضحى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৩

و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم يقولون لا بأس بصيام الدهر إذا أفطر الأيام التي نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامها وهي أيام منى ويوم الأضحى ويوم الفطر فيما بلغنا قال وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আহলে ইলমকে (বিজ্ঞ উলামা) বলতে শুনেছেন, সর্বদা রোযা রাখতে কোন দোষ নেই, যদি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে দিবসে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন সেই সব দিবসে রোযা রাখা হতে বিরত থাকে। সেই সব দিবস হল মিনা-এর দিনগুলো, ফিতর ও আযহা দিবস। আমাদের কাছে এই বিষয়ে যা পৌঁছেছে এবং এই ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা হচ্ছে সর্বাপেক্ষা আমার পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আহলে ইলমকে (বিজ্ঞ উলামা) বলতে শুনেছেন, সর্বদা রোযা রাখতে কোন দোষ নেই, যদি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে দিবসে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন সেই সব দিবসে রোযা রাখা হতে বিরত থাকে। সেই সব দিবস হল মিনা-এর দিনগুলো, ফিতর ও আযহা দিবস। আমাদের কাছে এই বিষয়ে যা পৌঁছেছে এবং এই ব্যাপারে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা হচ্ছে সর্বাপেক্ষা আমার পছন্দনীয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক (রঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه سمع أهل العلم يقولون لا بأس بصيام الدهر إذا أفطر الأيام التي نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيامها وهي أيام منى ويوم الأضحى ويوم الفطر فيما بلغنا قال وذلك أحب ما سمعت إلي في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অনবরত রোযা রাখার (সওমে বেসাল) প্রতি নিষেধাজ্ঞা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৪

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال فقالوا يا رسول الله فإنك تواصل فقال إنـي لست كهيئتكم إني أطعم وأسقـى.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অনবরত রাত্রেও কিছু না খেয়ে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি অবশ্য তোমাদের মত নয়। আমাকে আহার ও পানীয় দেওয়া হয়। (বুখারী ১৯৬২, মুসলিম ১১০২)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অনবরত রাত্রেও কিছু না খেয়ে রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন! রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি অবশ্য তোমাদের মত নয়। আমাকে আহার ও পানীয় দেওয়া হয়। (বুখারী ১৯৬২, মুসলিম ১১০২)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الوصال فقالوا يا رسول الله فإنك تواصل فقال إنـي لست كهيئتكم إني أطعم وأسقـى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৫

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إياكم والوصال إياكم والوصال قالوا فإنك تواصل يا رسول الله قال إني لست كهيئتكم إني أبيت يطعمني ربي ويسقيني.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! তবে আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদের মত নই। আমি রাত্রি যাপন করি (এই অবস্থায়) যে, আমার প্রভু আমাকে আহার দান করেন এবং পানীয় দান করেন। (বুখারী ১৯৬৬, মুসলিম ১১০৩)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। তোমরা অনবরত রোযা রাখা হতে নিজেদেরকে বাঁচাও। সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! তবে আপনি যে অনবরত রোযা রাখেন ? রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি তোমাদের মত নই। আমি রাত্রি যাপন করি (এই অবস্থায়) যে, আমার প্রভু আমাকে আহার দান করেন এবং পানীয় দান করেন। (বুখারী ১৯৬৬, মুসলিম ১১০৩)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إياكم والوصال إياكم والوصال قالوا فإنك تواصل يا رسول الله قال إني لست كهيئتكم إني أبيت يطعمني ربي ويسقيني.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ভুলে হত্যা ও যিহার [১] -এর রোযা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৬

حدثني يحيى سمعت قوله تعالى يقول أحسن ما سمعت فيمن وجب عليه صيام شهرين متتابعين في قتل خطأ أو تظاهر فعرض له مرض يغلبه ويقطع عليه صيامه أنه إن صح من مرضه وقوي على الصيام فليس له أن يؤخر ذلك وهو يبني على ما قد مضى من صيامه وكذلك المرأة التي يجب عليها الصيام في قتل النفس خطأ إذا حاضت بين ظهري صيامها أنها إذا طهرت لا تؤخر الصيام وهي تبني على ما قد صامت وليس لأحد وجب عليه صيام شهرين متتابعين في كتاب الله أن يفطر إلا من علة مرض أو حيضة وليس له أن يسافر فيفطر قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك.

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তির উপর ধারাবাহিকভাবে দুই মাসের রোযা ফরয হয়েছে ভুলে হত্যা অথবা যিহার করা বাবদ। অতঃপর তার কোন কঠিন পীড়া হয়েছে যদ্দরুন রোযা ভাঙতে হয়েছে। সে যদি আরোগ্য লাভ করে এবং রোযা রাখতে সক্ষম হয়, তবে আমি (এই ব্যাপারে) যা শুনেয়ছ, তন্মধ্যে উত্তম হল সেই ব্যক্তির জন্য এতে বিলম্ব করা জায়েয নয়। তার যে রোযা পূর্বে গত হয়েছে, উহার ভিত্তি করে সে অবশিষ্ট রোযা রাখবে। তদ্রূপ ভুলে হত্যার কারণে যে নারীর উপর রোযা ওয়াজিব হয়েছে, সে তার রোযার মাঝখানে ঋতুমতী হলে রোযা রাখবে না। তবে পাক হলে পর সে রোযা রাখতে বিলম্ব করবে না এবং যে রোযা পূর্বে রেখেছে তার উপর ভিত্তি করে অবশিষ্ট রোযা রাখবে। আল্লাহর কিতাবের বিধান মুতাবিক যার উপর দুই মাসের রোযা ধারাবাহিকভাবে রাখা ওয়াজিব হয়েছে, তার জন্য পীড়াজনিত ব্যাপার ও ঋতুস্রাব ব্যতীত রোযা ভঙ্গ করা জায়েয নয়। এইরূপ ব্যক্তির জন্য সফর আরম্ভ করে রোযা ভঙ্গ করারও অনুমতি নেই। যেরূপ কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রুগ্ন থাকে কিংবা সফরে থাকে, তবে সে অন্য দিন রোযা রাখবে।’ ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, এই ব্যাপারে যা শুনেছি, তার মধ্যে এটাই আমার কাছে সর্বাপেক্ষা উত্তম।

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তির উপর ধারাবাহিকভাবে দুই মাসের রোযা ফরয হয়েছে ভুলে হত্যা অথবা যিহার করা বাবদ। অতঃপর তার কোন কঠিন পীড়া হয়েছে যদ্দরুন রোযা ভাঙতে হয়েছে। সে যদি আরোগ্য লাভ করে এবং রোযা রাখতে সক্ষম হয়, তবে আমি (এই ব্যাপারে) যা শুনেয়ছ, তন্মধ্যে উত্তম হল সেই ব্যক্তির জন্য এতে বিলম্ব করা জায়েয নয়। তার যে রোযা পূর্বে গত হয়েছে, উহার ভিত্তি করে সে অবশিষ্ট রোযা রাখবে। তদ্রূপ ভুলে হত্যার কারণে যে নারীর উপর রোযা ওয়াজিব হয়েছে, সে তার রোযার মাঝখানে ঋতুমতী হলে রোযা রাখবে না। তবে পাক হলে পর সে রোযা রাখতে বিলম্ব করবে না এবং যে রোযা পূর্বে রেখেছে তার উপর ভিত্তি করে অবশিষ্ট রোযা রাখবে। আল্লাহর কিতাবের বিধান মুতাবিক যার উপর দুই মাসের রোযা ধারাবাহিকভাবে রাখা ওয়াজিব হয়েছে, তার জন্য পীড়াজনিত ব্যাপার ও ঋতুস্রাব ব্যতীত রোযা ভঙ্গ করা জায়েয নয়। এইরূপ ব্যক্তির জন্য সফর আরম্ভ করে রোযা ভঙ্গ করারও অনুমতি নেই। যেরূপ কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রুগ্ন থাকে কিংবা সফরে থাকে, তবে সে অন্য দিন রোযা রাখবে।’ ইয়াহইয়া (র) বলেন, মালিক (র) বলেছেন, এই ব্যাপারে যা শুনেছি, তার মধ্যে এটাই আমার কাছে সর্বাপেক্ষা উত্তম।

حدثني يحيى سمعت قوله تعالى يقول أحسن ما سمعت فيمن وجب عليه صيام شهرين متتابعين في قتل خطأ أو تظاهر فعرض له مرض يغلبه ويقطع عليه صيامه أنه إن صح من مرضه وقوي على الصيام فليس له أن يؤخر ذلك وهو يبني على ما قد مضى من صيامه وكذلك المرأة التي يجب عليها الصيام في قتل النفس خطأ إذا حاضت بين ظهري صيامها أنها إذا طهرت لا تؤخر الصيام وهي تبني على ما قد صامت وليس لأحد وجب عليه صيام شهرين متتابعين في كتاب الله أن يفطر إلا من علة مرض أو حيضة وليس له أن يسافر فيفطر قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রোযার রুগ্ন ব্যক্তির করণীয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ৬৫৭

قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر الذي سمعت من أهل العلم أن المريض إذا أصابه المرض الذي يشق عليه الصيام معه ويتعبه ويبلغ ذلك منه فإن له أن يفطر وكذلك المريض الذي اشتد عليه القيام في الصلاة وبلغ منه وما الله أعلم بعذر ذلك من العبد ومن ذلك ما لا تبلغ صفته فإذا بلغ ذلك صلى وهو جالس ودين الله يسر وقد أرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصيام من المريض قال الله تعالى في كتابه { فمن كان منكم مريضا أو على سفر فعدة من أيام أخر } فأرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصوم من المريض فهذا أحب ما سمعت إلي وهو الأمر المجتمع عليه.

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমি আহলে ইলম-এর কাছে যা শুনেছি তা হচ্ছে এই পীড়িত ব্যক্তির যদি এমন রোগ হয় যাতে রোযা রাখা তার জন্য দুষ্কর এবং কষ্টদায়ক হয়, যখন রোগ এই স্তরে পৌঁছে তখন তার জন্য রোযা ইফতার (রাখিয়া ভাঙিয়া ফেলা বা শুরুতেই না রাখা) করা জায়েয আছে। তদ্রূপ পীড়িত ব্যক্তির যদি নামাযে দাঁড়াতে মুশকিল হয় অর্থাৎ পীড়ার কারণে তার ওযর (অপারগতা) সেই দরজায় পৌঁছায়, আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার ওযর সম্পর্কে বান্দা অপেক্ষা অধিক জ্ঞাত। আবার কোন কোন রোগ সেই দরজার হয় না, যখন ওযর এই স্তরে পৌঁছে, তখন সে বসে নামায আদায় করবে। আর আল্লাহর দ্বীন সহজ। তিনি মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা ভাঙার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ মুসাফির পীড়িত ব্যক্তির তুলনায় রোযা রাখতে অধিক সক্ষম। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রুগ্ন থাকে অথবা সফরে থাকে, সে অন্যদিন রোযা করবে।’ আল্লাহ্ তা’আলা (এই আয়াতে) মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা না রাখার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ সে রোযার উপর পীড়িতের তুলনায় অধিক শক্তিশালী। এই ব্যাপারে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে পছন্দনীয়। আমাদের নিকট এটাই ঐকমত্যে গৃহীত।

ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি, আমি আহলে ইলম-এর কাছে যা শুনেছি তা হচ্ছে এই পীড়িত ব্যক্তির যদি এমন রোগ হয় যাতে রোযা রাখা তার জন্য দুষ্কর এবং কষ্টদায়ক হয়, যখন রোগ এই স্তরে পৌঁছে তখন তার জন্য রোযা ইফতার (রাখিয়া ভাঙিয়া ফেলা বা শুরুতেই না রাখা) করা জায়েয আছে। তদ্রূপ পীড়িত ব্যক্তির যদি নামাযে দাঁড়াতে মুশকিল হয় অর্থাৎ পীড়ার কারণে তার ওযর (অপারগতা) সেই দরজায় পৌঁছায়, আল্লাহ্ তা’আলা বান্দার ওযর সম্পর্কে বান্দা অপেক্ষা অধিক জ্ঞাত। আবার কোন কোন রোগ সেই দরজার হয় না, যখন ওযর এই স্তরে পৌঁছে, তখন সে বসে নামায আদায় করবে। আর আল্লাহর দ্বীন সহজ। তিনি মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা ভাঙার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ মুসাফির পীড়িত ব্যক্তির তুলনায় রোযা রাখতে অধিক সক্ষম। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রুগ্ন থাকে অথবা সফরে থাকে, সে অন্যদিন রোযা করবে।’ আল্লাহ্ তা’আলা (এই আয়াতে) মুসাফিরের জন্য সফরে রোযা না রাখার অনুমতি দিয়েছেন। অথচ সে রোযার উপর পীড়িতের তুলনায় অধিক শক্তিশালী। এই ব্যাপারে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই আমার কাছে পছন্দনীয়। আমাদের নিকট এটাই ঐকমত্যে গৃহীত।

قال يحيى سمعت قوله تعالى يقول الأمر الذي سمعت من أهل العلم أن المريض إذا أصابه المرض الذي يشق عليه الصيام معه ويتعبه ويبلغ ذلك منه فإن له أن يفطر وكذلك المريض الذي اشتد عليه القيام في الصلاة وبلغ منه وما الله أعلم بعذر ذلك من العبد ومن ذلك ما لا تبلغ صفته فإذا بلغ ذلك صلى وهو جالس ودين الله يسر وقد أرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصيام من المريض قال الله تعالى في كتابه { فمن كان منكم مريضا أو على سفر فعدة من أيام أخر } فأرخص الله للمسافر في الفطر في السفر وهو أقوى على الصوم من المريض فهذا أحب ما سمعت إلي وهو الأمر المجتمع عليه.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00